● SSC পদার্থবিজ্ঞান

বল অধ্যায়ের নোট | জ্ঞানমূলক ও অনুধাবনমূলক প্রশ্ন উত্তর

বল অধ্যায়ের নোট | SSC পদার্থবিজ্ঞানের ৩য় অধ্যায় “বল” জ্ঞানমূলক ও অনুধাবনমূলক প্রশ্ন উত্তর নিচে দেওয়া হলো। এই পোস্টে ৫৮টি জ্ঞানমূলক ও ১১টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর আছে। বহুনির্বাচনি প্রশ্নের জন্য বল অধ্যায়ের MCQ দেখুন।

বল অধ্যায়ের জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর

জড়তা ও নিউটনের প্রথম সূত্র

1। নিউটনের প্রথম গতিসূত্রটি কী?

বল প্রয়োগ না করলে স্থির বস্তু স্থির থাকবে এবং সমবেগে চলতে থাকা বস্তু সমবেগে চলতে থাকবে।

2। জড়তা কাকে বলে?

বল প্রয়োগ না করা পর্যন্ত স্থির বস্তু স্থির থাকতে চায় বা গতিশীল বস্তু গতিশীল থাকতে চায়, বস্তুর এই বৈশিষ্ট্যকে জড়তা বলে।

3। স্থিতি জড়তা কাকে বলে?

স্থির থাকার প্রবণতাকে স্থিতি জড়তা বলে।

4। গতি জড়তা কাকে বলে?

গতিশীল থাকার প্রবণতাকে গতি জড়তা বলে।

5। ভর বৃদ্ধির সাথে জড়তার সম্পর্ক কী?

ভর বৃদ্ধির সাথে সাথে জড়তাও বৃদ্ধি পায়।

6। বল প্রধানত কয় ধরনের ও কী কী?

দুই ধরনের: স্পর্শ বল ও অস্পর্শ বল।

মৌলিক বলের প্রকৃতি

7। প্রকৃতিতে কয়টি মৌলিক বল আছে ও কী কী?

চারটি: মহাকর্ষ বল, তড়িৎ চৌম্বক বল, দুর্বল নিউক্লীয় বল ও সবল নিউক্লীয় বল।

8। মহাকর্ষ বল কাকে বলে?

মহাবিশ্বের সকল বস্তু তাদের ভরের কারণে একে অপরকে যে বল দিয়ে আকর্ষণ করে, তাকে মহাকর্ষ বল বলে।

9। মহাকর্ষ বলের পাল্লা কেমন?

মহাকর্ষ বলের পাল্লা অসীম।

10। তড়িৎ চৌম্বক বল মহাকর্ষ বলের তুলনায় কত গুণ শক্তিশালী?

প্রায় ১০³⁶ গুণ শক্তিশালী।

11। দুর্বল নিউক্লীয় বল কোথায় কাজ করে?

খুবই অল্প দূরত্বে (১০⁻¹⁸ মিটার) কাজ করে এবং তেজস্ক্রিয় নিউক্লিয়াস থেকে বিটা রশ্মি নির্গমনের জন্য দায়ী।

12। সবল নিউক্লীয় বল কেমন?

এটি সৃষ্টিজগতের সবচেয়ে শক্তিশালী বল, যা মহাকর্ষ বলের চেয়ে ১০⁴¹ গুণ শক্তিশালী কিন্তু খুবই অল্প দূরত্বে (১০⁻¹⁵ মিটার) কাজ করে।

13। সবল নিউক্লীয় বল কোথায় কাজ করে?

পরমাণুর নিউক্লিয়াসের ভেতর প্রোটন ও নিউট্রনকে একসাথে আটকে রাখতে কাজ করে।

14। তড়িৎ চৌম্বক ও দুর্বল নিউক্লীয় বলকে একত্রে কী বলা হয়?

ইলেকট্রো উইক ফোর্স (Electro-weak Force)।

সাম্য ও অসাম্য বল

15। সাম্য বল কাকে বলে?

দুই বা ততোধিক বল একটি বস্তুর উপর প্রয়োগ করার পর বলগুলোর লব্ধি শূন্য হলে তাকে সাম্য বল বলে।

16। অসাম্য বল কাকে বলে?

বলগুলোর লব্ধি শূন্য না হলে তাকে অসাম্য বল বলে, যার ফলে বস্তুর ত্বরণ হয়।

ভরবেগ ও সংঘর্ষ

17। ভরবেগ কাকে বলে?

কোনো বস্তুর ভর ও বেগের গুণফলকে ভরবেগ বলে।

18। ভরবেগের একক ও মাত্রা কী?

একক kg m/s, মাত্রা MLT⁻¹।

19। ভরবেগ কোন ধরনের রাশি?

ভরবেগ একটি ভেক্টর রাশি, কারণ ভর স্কেলার হলেও বেগ ভেক্টর।

20। ভরবেগের সংরক্ষণশীলতার সূত্রটি কী?

বাইরে থেকে কোনো বল প্রয়োগ না করা হলে সংঘর্ষের আগে ও পরে বস্তুগুলোর সম্মিলিত ভরবেগ অপরিবর্তিত থাকে।

21। সংঘর্ষে কোন দুটি রাশি সংরক্ষিত থাকে বলে ধরে নেওয়া হয়?

ভরবেগ ও গতিশক্তি (যদি অন্য কোনো শক্তির আদান-প্রদান না ঘটে)।

22। সমান ভরের দুটি বস্তুর সংঘর্ষে কী ঘটে?

সংঘর্ষের পর তারা একটি অন্যটির সাথে তাদের বেগ পাল্টে নেয় (v₁=u₂, v₂=u₁)।

23। ভরবেগের নিত্যতার সূত্র কখন প্রযোজ্য হয়?

বাইরে থেকে কোনো বল প্রয়োগ না করা হলে সংঘর্ষের আগে ও পরে সিস্টেমের মোট ভরবেগ সংরক্ষিত থাকে।

24। ভরবেগের নিত্যতা প্রমাণে কোন দুটি সূত্র ব্যবহৃত হয়?

ভরবেগের সংরক্ষণশীলতা ও গতিশক্তির সংরক্ষণশীলতা সূত্র।

25। ফোটনের ভর না থাকলেও ভরবেগ থাকে কেন?

ভরবেগ শুধু ভর ও বেগের গুণফল নয়, এটি একটি স্বতন্ত্র মৌলিক রাশি; আলোর কণার ভর না থাকলেও তার ভরবেগ থাকতে পারে।

নিউটনের দ্বিতীয় সূত্র

26। নিউটনের দ্বিতীয় গতিসূত্রটি কী?

বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনের হার তার উপর প্রযুক্ত বলের সমানুপাতিক এবং যেদিকে বল প্রয়োগ করা হয় ভরবেগের পরিবর্তনও সেদিকে ঘটে।

27। নিউটনের দ্বিতীয় সূত্র থেকে প্রাপ্ত সমীকরণটি কী?

F = ma, যেখানে F = বল, m = ভর, a = ত্বরণ।

28। বলের একক ও মাত্রা কী?

একক নিউটন (N), মাত্রা MLT⁻²।

29। এক নিউটন বল বলতে কী বোঝায়?

1 kg ভরের বস্তুতে 1 m/s² ত্বরণ সৃষ্টিকারী বলকে এক নিউটন বলে।

মহাকর্ষ বলের সূত্র

30। মহাকর্ষীয় ধ্রুবক G এর মান কত?

6.67 × 10⁻¹¹ Nm²kg⁻²।

31। দুটি ভরের মধ্যে মহাকর্ষ বলের সূত্রটি কী?

F = G(m₁m₂)/r², যেখানে r হলো ভর দুটির মধ্যবর্তী দূরত্ব।

32। মাধ্যাকর্ষণজনিত ত্বরণ g কীভাবে নির্ণয় করা হয়?

g = GM/R², যেখানে M পৃথিবীর ভর ও R পৃথিবীর ব্যাসার্ধ।

33। পৃথিবীর ভর ও ব্যাসার্ধ কত?

ভর M = 5.98 × 10²⁴ kg, ব্যাসার্ধ R = 6.37 × 10⁶ m।

নিউটনের তৃতীয় সূত্র

34। নিউটনের তৃতীয় গতিসূত্রটি কী?

যখন একটি বস্তু অন্য একটি বস্তুর ওপর বল প্রয়োগ করে তখন সেই বস্তুটিও প্রথম বস্তুটির ওপর বিপরীত দিকে সমান বল প্রয়োগ করে।

35। ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া বল একে অপরকে কাটাকাটি করে না কেন?

কারণ ক্রিয়া ও প্রতিক্রিয়া বল দুটি ভিন্ন ভিন্ন বস্তুর উপর কাজ করে, একই বস্তুর উপর নয়।

36। হাঁটার সময় নিউটনের কোন সূত্র কাজ করে?

নিউটনের তৃতীয় সূত্র; আমরা পা দিয়ে মাটিতে বল প্রয়োগ করলে মাটিও আমাদের ওপর সমান ও বিপরীত বল প্রয়োগ করে, যার ফলে আমরা এগিয়ে যাই।

ঘর্ষণ বল

37। ঘর্ষণ বল কাকে বলে?

দুটি স্পর্শকৃত তলের আপেক্ষিক গতির বিরুদ্ধে যে বাধাদানকারী বল কাজ করে, তাকে ঘর্ষণ বল বলে।

38। ঘর্ষণকে কয়ভাগে ভাগ করা যায় ও কী কী?

তিন ভাগে: স্থিতি ঘর্ষণ, গতি ঘর্ষণ ও আবর্ত ঘর্ষণ।

39। স্থিতি ঘর্ষণ কাকে বলে?

দুটি বস্তু একে অন্যের সাপেক্ষে স্থির থাকা অবস্থায় যে ঘর্ষণ বল থাকে, তাকে স্থিতি ঘর্ষণ বলে।

40। গতি ঘর্ষণ কাকে বলে?

একটি বস্তুর সাপেক্ষে অন্য বস্তু চলমান হলে যে ঘর্ষণ বল তৈরি হয়, তাকে গতি ঘর্ষণ বলে।

41। আবর্ত ঘর্ষণ কাকে বলে?

একটি তলের উপর অন্য বস্তু গড়িয়ে চললে যে ঘর্ষণ হয়, তাকে আবর্ত ঘর্ষণ বলে; এটি সবচেয়ে ছোট ঘর্ষণ।

42। সর্বোচ্চ স্থিতি ঘর্ষণের সূত্র কী?

fs = μsN, যেখানে μs স্থিতি ঘর্ষণ সহগ ও N লম্ব প্রতিক্রিয়া বল।

43। গতি ঘর্ষণের সূত্র কী?

fk = μkN, যেখানে μk গতি ঘর্ষণ সহগ।

44। ঘর্ষণ কমানোর দুটি উপায় কী?

পৃষ্ঠকে মসৃণ করা এবং লুব্রিকেন্ট (তেল, মবিল, গ্রিজ) ব্যবহার করা।

45। ঘর্ষণ বাড়ানোর একটি উপায় কী?

তলদেশ অমসৃণ বা খসখসে করে তোলা।

46। গাড়ির টায়ারে খাঁজ কাটা থাকে কেন?

রাস্তার সাথে ঘর্ষণ বাড়ানোর জন্য, যাতে গাড়ি পিছলে না যায়।

47। বল বিয়ারিং কীভাবে ঘর্ষণ কমায়?

সরাসরি ঘর্ষণের বদলে ছোট স্টিলের বলের আবর্ত ঘর্ষণ ব্যবহার করে ঘর্ষণ কমায়।

48। ঘর্ষণ বল বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে এমন দুটি বিষয় বলো।

স্পর্শতলে বেশি ওজন চাপানো এবং তল দুটিকে অমসৃণ করা।

49। লুব্রিকেন্ট কী কাজ করে?

দুটি স্পর্শতলের মাঝে প্রবেশ করে সরাসরি ঘর্ষণ কমিয়ে দেয়।

50। আবর্ত ঘর্ষণ সবচেয়ে ছোট কেন?

গড়িয়ে চলার সময় স্পর্শতলের ক্ষুদ্র অংশ যোগাযোগে থাকে, ফলে ঘর্ষণ বল তুলনামূলক অনেক কম হয়।

জড়তা ও নিউটনের সূত্র

51। নিউটনের প্রথম সূত্রকে কী সূত্র বলা যায়?

জড়তার সূত্র, কারণ এটি মূলত বস্তুর জড়তার ধর্ম বর্ণনা করে।

52। গতিশীল বাস হঠাৎ ব্রেক করলে যাত্রীরা সামনের দিকে ঝুঁকে পড়ে কেন?

যাত্রীর শরীর গতি জড়তার কারণে চলমান থাকতে চায়, কিন্তু বাস থেমে যাওয়ায় শরীরের নিচের অংশ থেমে যায় ও ওপরের অংশ সামনে ঝুঁকে যায়।

53। ভরের সাথে জড়তার সম্পর্ক ব্যাখ্যা করো।

ভর বেশি হলে জড়তাও বেশি হয়, তাই সমান বল প্রয়োগে ভারী বস্তু কম ত্বরণ পায়।

মৌলিক বল

54। সবল নিউক্লীয় বল ও দুর্বল নিউক্লীয় বলের একটি পার্থক্য কী?

সবল নিউক্লীয় বল তুলনামূলক শক্তিশালী ও প্রোটন-নিউট্রনকে একত্রে ধরে রাখে, দুর্বল নিউক্লীয় বল তুলনামূলক দুর্বল ও বিটা ক্ষয়ের জন্য দায়ী।

55। চারটি মৌলিক বলের মধ্যে পাল্লার দিক থেকে বলগুলোকে সাজাও।

মহাকর্ষ ও তড়িৎ চৌম্বক বলের পাল্লা অসীম; সবল ও দুর্বল নিউক্লীয় বলের পাল্লা অতি ক্ষুদ্র (যথাক্রমে ১০⁻¹⁵ ও ১০⁻¹⁸ মিটার)।

নিউটনের দ্বিতীয় ও তৃতীয় সূত্র

56। F=ma সমীকরণে সমানুপাতিক ধ্রুবকের মান কত ধরা হয়েছে?

১ (এক), যার ফলে সরাসরি F=ma সমীকরণ পাওয়া যায়।

57। নিউটনের দ্বিতীয় সূত্র কি শুধু সরলরৈখিক গতির জন্য প্রযোজ্য?

না, এটি যেকোনো গতির জন্য প্রযোজ্য, তবে এই বইয়ে শুধু সরলরৈখিক গতির মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে।

58। নিউটনের তৃতীয় সূত্র অনুযায়ী ক্রিয়া ও প্রতিক্রিয়া বল কীসের ওপর কাজ করে?

সবসময় দুটি ভিন্ন ভিন্ন বস্তুর ওপর কাজ করে, কখনো একই বস্তুর ওপর নয়।

বল অধ্যায়ের অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর

নিউটনের সূত্র সম্পর্কিত

1। গাড়ি হঠাৎ চলতে শুরু করলে আমরা পেছনে হেলে পড়ি কেন— ব্যাখ্যা করো।

গাড়ির সাথে সাথে শরীরের নিচের অংশ চলতে শুরু করলেও উপরের অংশ জড়তার কারণে স্থির থাকতে চায়, ফলে শরীর পেছনের দিকে হেলে পড়ে।

2। ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া বল কখনো একে অপরকে বাতিল করে না কেন— ব্যাখ্যা করো।

নিউটনের তৃতীয় সূত্র অনুযায়ী ক্রিয়া ও প্রতিক্রিয়া বল সবসময় দুটি ভিন্ন ভিন্ন বস্তুর উপর কাজ করে; একই বস্তুর উপর কাজ করলে তবেই তারা একে অপরকে বাতিল করতে পারত।

3। পিচ্ছিল মেঝেতে হাঁটা কঠিন কেন— ব্যাখ্যা করো।

পিচ্ছিল মেঝেতে ঘর্ষণ কম থাকায় আমরা পেছনের দিকে ঠিকমতো বল প্রয়োগ করতে পারি না, ফলে নিউটনের তৃতীয় সূত্র অনুযায়ী পাল্টা বলও পাওয়া যায় না, তাই হাঁটা কঠিন হয়।

4। সমান বলে প্রভাবিত হালকা ও ভারী বস্তুর মধ্যে হালকা বস্তু বেশি সরে যায় কেন— ব্যাখ্যা করো।

নিউটনের দ্বিতীয় সূত্র অনুযায়ী ত্বরণ ভরের ব্যস্তানুপাতিক (a=F/m), তাই একই বলে হালকা বস্তুর ত্বরণ বেশি হয় এবং তা বেশি দূরত্ব অতিক্রম করে।

ভরবেগ, সংঘর্ষ ও নিরাপদ ভ্রমণ সম্পর্কিত

5। ভারী ট্রাক ও ছোট গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষে ছোট গাড়ি বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় কেন— ব্যাখ্যা করো।

ট্রাকের ভর অনেক বেশি হওয়ায় সংঘর্ষের পরও এর বেগ প্রায় অপরিবর্তিত থাকে, কিন্তু ছোট গাড়ির বেগ বিপরীতমুখী হয়ে কয়েকগুণ বেড়ে যায়, ফলে ছোট গাড়ি বেশি ক্ষতিগ্রস্ত ও দুর্ঘটনার শিকার হয়।

6। দুর্ঘটনায় ক্ষতি কমানোর সবচেয়ে সহজ উপায় গতি কম রাখা কেন— ব্যাখ্যা করো।

গতিশক্তি বেগের বর্গের সমানুপাতিক, তাই বেগ দ্বিগুণ হলে গতিশক্তি চারগুণ বেড়ে যায়; কম বেগে সংঘর্ষ হলে শক্তি কম থাকায় ক্ষতিও কম হয়।

ঘর্ষণ সম্পর্কিত

7। ঘর্ষণকে একটি প্রয়োজনীয় উপদ্রব বলা হয় কেন— ব্যাখ্যা করো।

ঘর্ষণ তাপ ও শক্তির অপচয় ঘটায় বলে এটি একটি উপদ্রব, কিন্তু ঘর্ষণ না থাকলে হাঁটা, গাড়ি চালানো বা লেখার মতো প্রয়োজনীয় কাজ সম্ভব হতো না বলে এটি একই সাথে অপরিহার্য।

8। চাকা ব্যবহার করে ঘর্ষণ কমানো যায় কীভাবে— ব্যাখ্যা করো।

চাকা ব্যবহার করলে বড় গতি ঘর্ষণের পরিবর্তে অনেক ছোট আবর্ত ঘর্ষণ কাজ করে, যা বস্তু চলাচলকে সহজ করে তোলে।

9। কাদায় আটকে যাওয়া গাড়ির চাকা ঘুরলেও গাড়ি এগোয় না কেন— ব্যাখ্যা করো।

কাদায় ঘর্ষণ কম থাকায় চাকা মাটিতে ঠিকমতো বল প্রয়োগ করতে পারে না ও পিছলে যায়, ফলে নিউটনের তৃতীয় সূত্র অনুযায়ী পাল্টা বল না পেয়ে গাড়ি এগোতে পারে না।

ভরবেগ ও ঘর্ষণ সম্পর্কিত

10। রাস্তার বাঁকে গাড়ির গতি কমাতে বলা হয় কেন— ব্যাখ্যা করো।

গতিশক্তি বেগের বর্গের সমানুপাতিক, তাই বেশি বেগে দুর্ঘটনা ঘটলে অনেক বেশি শক্তি নির্গত হয় এবং ক্ষয়ক্ষতি বহুগুণ বেড়ে যায়, তাই বাঁকে গতি কমানো নিরাপত্তার জন্য জরুরি।

11। চাকাযুক্ত যানবাহন ঠেলে নেওয়া সহজ কিন্তু চাকাবিহীন ভারী বাক্স টেনে নেওয়া কঠিন কেন— ব্যাখ্যা করো।

চাকা ব্যবহার করলে বড় গতি ঘর্ষণের বদলে অনেক ছোট আবর্ত ঘর্ষণ কাজ করে, ফলে কম বলে সহজে ঠেলে নেওয়া যায়; চাকাবিহীন বাক্সে সরাসরি গতি ঘর্ষণ কাজ করায় বেশি বল প্রয়োজন হয়।

আরও পড়ুন

SSC পদার্থবিজ্ঞান-এর সব পোস্ট

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সাহায্য লাগবে?
BCS Journey Support
● Online
×
💬Messenger ✈Telegram
BCS JOURNEY
BCS Journey
চ্যাট শুরু করুন ➜