জীবনপাঠ অধ্যায়ের নোট | SSC জীববিজ্ঞানের ১ম অধ্যায় “জীবনপাঠ” জ্ঞানমূলক ও অনুধাবনমূলক প্রশ্ন উত্তর নিচে দেওয়া হলো। এই পোস্টে ৫৮টি জ্ঞানমূলক ও ৮টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর আছে। বহুনির্বাচনি প্রশ্নের জন্য জীবনপাঠ অধ্যায়ের MCQ দেখুন।
জীবনপাঠ অধ্যায়ের জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর
জীববিজ্ঞানের ধারণা ও শাখাসমূহ
1। জীববিজ্ঞান শব্দটি কোন ভাষা থেকে এসেছে ও এর অর্থ কী?
গ্রিক শব্দ bios (জীবন) ও logos (জ্ঞান) থেকে এসেছে, যার অর্থ জীবন সম্পর্কিত জ্ঞান।
2। জীববিজ্ঞানের শাখাগুলো প্রধানত কয় ভাগে বিভক্ত?
দুই ভাগে: ভৌত জীববিজ্ঞান ও ফলিত জীববিজ্ঞান।
3। ভৌত জীববিজ্ঞান ও ফলিত জীববিজ্ঞানের পার্থক্য কী?
ভৌত শাখায় তাত্ত্বিক ভিত্তি অনুসন্ধান বেশি গুরুত্ব পায়, ফলিত শাখায় প্রয়োগ বেশি গুরুত্ব পায়।
4। মরফোলজি (Morphology) কী নিয়ে আলোচনা করে?
জীবের সার্বিক অঙ্গসংস্থানিক বা দৈহিক গঠন নিয়ে আলোচনা করে।
5। বহিঃঅঙ্গসংস্থান ও অন্তঃঅঙ্গসংস্থান কাকে বলে?
দেহের বাহ্যিক বর্ণনাকে বহিঃঅঙ্গসংস্থান এবং অভ্যন্তরীণ বর্ণনাকে অন্তঃঅঙ্গসংস্থান বলে।
6। ট্যাক্সোনমি (Taxonomy) কী?
জীবের শ্রেণিবিন্যাস ও তার রীতিনীতি নিয়ে আলোচনাকারী শাখা।
7। ফিজিওলজি (Physiology) কী নিয়ে আলোচনা করে?
জীবদেহের জৈবরাসায়নিক কার্যাদি যেমন শ্বসন, রেচন, সালোকসংশ্লেষণ নিয়ে আলোচনা করে।
8। হিস্টোলজি (Histology) কী?
জীবদেহের টিস্যুর গঠন, বিন্যাস ও কার্যাবলি নিয়ে আলোচনাকারী শাখা।
9। এমব্রায়োলজি (Embryology) কী নিয়ে আলোচনা করে?
জনন কোষের উৎপত্তি, নিষিক্ত জাইগোট থেকে ভ্রূণের সৃষ্টি ও পরিস্ফুটন নিয়ে আলোচনা করে।
10। সাইটোলজি (Cytology) কী?
জীবদেহের কোষের গঠন, কার্যাবলি ও বিভাজন সম্পর্কিত শাখা।
11। জেনেটিক্স (Genetics) কী নিয়ে আলোচনা করে?
জিন ও জীবের বংশগতিধারা সম্পর্কে আলোচনা করে।
12। ইকোলজি (Ecology) কী?
প্রাকৃতিক পরিবেশের সাথে জীবের আন্তঃসম্পর্ক নিয়ে আলোচনাকারী শাখা।
13। ফলিত জীববিজ্ঞানের কয়েকটি শাখার উদাহরণ দাও।
মৎস্যবিজ্ঞান, কীটতত্ত্ব, অণুজীববিজ্ঞান, কৃষিবিজ্ঞান, চিকিৎসাবিজ্ঞান, জীবপ্রযুক্তি।
14। এন্টোমোলজি (Entomology) কী নিয়ে আলোচনা করে?
কীটপতঙ্গের জীবন, উপকারিতা, অপকারিতা ও দমন সম্পর্কে আলোচনা করে।
15। প্যারাসাইটোলজি (Parasitology) কী?
পরজীবিতা, পরজীবী জীবের জীবনপ্রণালি এবং রোগ সম্পর্কিত বিজ্ঞান।
16। বায়োইনফরমেটিকস (Bioinformatics) কী?
কম্পিউটার প্রযুক্তিনির্ভর জীববিজ্ঞানভিত্তিক তথ্য বিশ্লেষণ সম্পর্কিত বিজ্ঞান, যেমন ক্যান্সার বিশ্লেষণ।
জীবজগতের শ্রেণিবিন্যাস — পাঁচ রাজ্য
17। শ্রেণিবিন্যাসবিদ্যায় উল্লেখযোগ্য অবদান কে রাখেন?
সুইডিশ প্রকৃতিবিদ ক্যারোলাস লিনিয়াস।
18। লিনিয়াস জীবজগৎকে প্রথমে কয় ভাগে ভাগ করেন?
দুই ভাগে: উদ্ভিদজগৎ ও প্রাণিজগৎ।
19। আর. এইচ. হুইটেকার কত সালে জীবজগৎকে কয় রাজ্যে ভাগ করার প্রস্তাব দেন?
১৯৬৯ সালে পাঁচটি রাজ্যে (Five Kingdom) ভাগ করার প্রস্তাব দেন।
20। মারগুলিস কত সালে জীবজগৎকে কয়টি সুপার কিংডমে ভাগ করেন?
১৯৭৪ সালে দুটি সুপার কিংডমে ভাগ করেন।
21। দুটি সুপার কিংডমের নাম কী?
প্রোক্যারিওটা ও ইউক্যারিওটা।
22। প্রোক্যারিওটা সুপার কিংডমের অন্তর্গত রাজ্যের নাম কী?
মনেরা (Monera)।
23। মনেরা রাজ্যের বৈশিষ্ট্য কী?
এককোষী, নিউক্লিওলাস ও নিউক্লিয়ার পর্দা নেই, প্লাস্টিড-মাইটোকন্ড্রিয়া নেই কিন্তু রাইবোজোম আছে, দ্বিবিভাজন প্রক্রিয়ায় বিভাজিত হয়।
24। মনেরা রাজ্যের উদাহরণ দাও।
নীলাভ সবুজ শৈবাল ও ব্যাকটেরিয়া।
25। ইউক্যারিওটা সুপার কিংডমের অন্তর্গত রাজ্যগুলো কী কী?
প্রোটিস্টা, ফানজাই, প্লান্টি ও অ্যানিমেলিয়া।
26। প্রোটিস্টা রাজ্যের বৈশিষ্ট্য কী?
এককোষী বা বহুকোষী, সুগঠিত নিউক্লিয়াসবিশিষ্ট, মাইটোসিস বিভাজনে অযৌন ও কনজুগেশনে যৌন প্রজনন ঘটে, কোনো ভ্রূণ গঠিত হয় না।
27। প্রোটিস্টা রাজ্যের উদাহরণ দাও।
অ্যামিবা, প্যারামেসিয়াম, এককোষী ও বহুকোষী শৈবাল।
28। ফানজাই রাজ্যের বৈশিষ্ট্য কী?
মৃতজীবী বা পরজীবী, কোষপ্রাচীর কাইটিন দিয়ে গঠিত, ক্লোরোপ্লাস্ট অনুপস্থিত, হ্যাপ্লয়েড স্পোর দিয়ে বংশবৃদ্ধি ঘটে।
29। ফানজাই রাজ্যের উদাহরণ দাও।
ইস্ট, Penicillium, মাশরুম।
30। প্লান্টি রাজ্যের বৈশিষ্ট্য কী?
প্রকৃত নিউক্লিয়াসযুক্ত সালোকসংশ্লেষণকারী, উন্নত টিস্যুতন্ত্র বিদ্যমান, ভ্রূণ সৃষ্টি হয়, যৌন জনন অ্যানাইসোগ্যামাস।
31। অ্যানিমেলিয়া রাজ্যের বৈশিষ্ট্য কী?
নিউক্লিয়াসবিশিষ্ট বহুকোষী, জড় কোষপ্রাচীর-প্লাস্টিড-কোষগহ্বর নেই, হেটারোট্রফিক, জটিল টিস্যুতন্ত্র বিদ্যমান, ভ্রূণীয় স্তর সৃষ্টি হয়।
32। অ্যানিমেলিয়া রাজ্যের উদাহরণ দাও।
প্রোটোজোয়া ব্যতীত সকল অমেরুদণ্ডী ও মেরুদণ্ডী প্রাণী।
33। টমাস কেভলিয়ার-স্মিথ কত সালে জীবজগৎকে কয় রাজ্যে ভাগ করেন?
২০০৪ সালে ছয়টি রাজ্যে ভাগ করেন, প্রোটিস্টাকে প্রোটোজোয়া ও ক্রোমিষ্টায় ভাগ করে এবং মনেরাকে ব্যাকটেরিয়া রাজ্য নামকরণ করে।
শ্রেণিবিন্যাসের ধাপ ও নেস্টেড হায়ারার্কি
34। শ্রেণিবিন্যাসের উদ্দেশ্য কী?
জীবের দল ও উপদল সম্বন্ধে জ্ঞান আহরণ, তা সংরক্ষণ, সংক্ষিপ্তভাবে উপস্থাপন এবং জীবকে শনাক্ত করে নামকরণ ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করা।
35। একটি জীবকে প্রজাতি পর্যায়ে বিন্যস্ত করতে কয়টি প্রধান ধাপ আছে?
সাতটি ধাপ: রাজ্য, পর্ব/বিভাগ, শ্রেণি, বর্গ, গোত্র, গণ, প্রজাতি।
36। নেস্টেড হায়ারার্কি (Nested Hierarchy) কাকে বলে?
উপরের ধাপ যেন একটি বড় সেট এবং তার নিচের ধাপ তার উপসেট, এভাবে ধাপে ধাপে বিন্যস্ত পদ্ধতিকে নেস্টেড হায়ারার্কি বলে।
37। শ্রেণিবিন্যাসের উপরের ধাপে যাওয়ার সাথে বৈশিষ্ট্য ও জীবের সংখ্যায় কী পরিবর্তন হয়?
উপরের ধাপে বৈশিষ্ট্যের সংখ্যা কমে এবং অন্তর্ভুক্ত জীবের সংখ্যা বাড়ে।
38। মানুষ (Homo sapiens) কোন রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত ও কেন?
Animalia রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত, কারণ সুকেন্দ্রিক কোষবিশিষ্ট, বহুকোষী, পরভোজী ও জটিল টিস্যুতন্ত্রযুক্ত।
39। মানুষ কোন পর্বের অন্তর্ভুক্ত ও কেন?
Chordata পর্বের অন্তর্ভুক্ত, কারণ জীবনের কোনো এক পর্যায়ে নটোকর্ড থাকে।
40। মানুষ কোন শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত ও কেন?
Mammalia শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত, কারণ বাচ্চাকে বুকের দুধ খাওয়ায় ও লোম/চুল আছে।
41। মানুষ কোন বর্গের অন্তর্ভুক্ত ও কেন?
Primate বর্গের অন্তর্ভুক্ত, কারণ আঁকড়ে ধরার উপযোগী হাত ও উন্নত দৃষ্টিশক্তি আছে।
42। মানুষ কোন গোত্রের অন্তর্ভুক্ত ও কেন?
Hominidae গোত্রের অন্তর্ভুক্ত, কারণ শিম্পাঞ্জি, গরিলা, ওরাংওটাংয়ের সাথে সাদৃশ্য আছে।
43। মানুষ কোন গণের অন্তর্ভুক্ত ও কেন?
Homo গণের অন্তর্ভুক্ত, কারণ দেহের অনুপাতে মস্তিষ্ক সবচেয়ে বড় ও খাড়াভাবে দুই পায়ে হাঁটতে পারে।
44। মানুষ কোন প্রজাতির অন্তর্ভুক্ত ও কেন?
Homo sapiens প্রজাতির অন্তর্ভুক্ত, কারণ চওড়া ও খাড়া কপাল, পাতলা খুলির হাড় এবং বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে উন্নত।
দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতি
45। দ্বিপদ নামকরণ (Binomial Nomenclature) পদ্ধতি কী?
একটি জীবের বৈজ্ঞানিক নাম দুটি অংশ (গণ নাম ও প্রজাতি নাম) নিয়ে গঠিত হওয়ার পদ্ধতিকে দ্বিপদ নামকরণ বলে।
46। দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতির প্রবর্তক কে?
সুইডিশ বিজ্ঞানী ক্যারোলাস লিনিয়াস, ১৭৫৩ সালে তাঁর Species Plantarum গ্রন্থে।
47। বৈজ্ঞানিক নামের প্রথম ও দ্বিতীয় অংশ কী নির্দেশ করে?
প্রথম অংশ গণের নাম এবং দ্বিতীয় অংশ প্রজাতির নাম নির্দেশ করে।
48। গোল আলুর বৈজ্ঞানিক নামে কোনটি গণ ও কোনটি প্রজাতি?
Solanum tuberosum এ Solanum গণ এবং tuberosum প্রজাতি।
49। উদ্ভিদের নামকরণ কোন কোড অনুসারে হয়?
International Code of Botanical Nomenclature (ICBN)।
50। প্রাণীর নামকরণ কোন কোড অনুসারে হয়?
International Code of Zoological Nomenclature (ICZN)।
51। বৈজ্ঞানিক নাম লেখার নিয়ম কী?
প্রথম অংশের প্রথম অক্ষর বড় হাতের এবং বাকি সব অক্ষর ছোট হাতের হবে, দ্বিতীয় অংশ সম্পূর্ণ ছোট হাতের হবে।
52। বৈজ্ঞানিক নাম মুদ্রণের সময় কীভাবে লিখতে হয়?
সর্বদা ইটালিক অক্ষরে লিখতে হয়।
53। হাতে লেখার সময় বৈজ্ঞানিক নামে কী করতে হয়?
গণ ও প্রজাতি নামের নিচে আলাদা আলাদা দাগ দিতে হয়।
54। একই জীবের একাধিক নামকরণ হলে কোনটি গৃহীত হবে?
অগ্রাধিকার আইন অনুসারে প্রথম বিজ্ঞানী কর্তৃক প্রদত্ত নামটি গৃহীত হবে।
55। রুই মাছের বৈজ্ঞানিক নাম কী?
Labeo rohita।
56। বাংলাদেশে আবিষ্কৃত একটি নতুন প্রজাতির ব্যাঙের বৈজ্ঞানিক নাম কী?
Zakerana dhaka, যা শুধু ঢাকায় পাওয়া যায় এবং কাজী জাকের হোসেনের সম্মানে নামকরণ করা হয়েছে।
57। মানুষের বৈজ্ঞানিক নাম কী?
Homo sapiens।
58। ধান ও পাটের বৈজ্ঞানিক নাম কী?
ধান Oryza sativa এবং পাট Corchorus capsularis।
জীবনপাঠ অধ্যায়ের অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর
জীববিজ্ঞানের ধারণা ও শাখাসমূহ
1। জীবজগৎ বোঝার জন্য পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়নের জ্ঞান জরুরি কিন্তু তা যথেষ্ট নয় কেন— ব্যাখ্যা করো।
জীবজগৎ পরিচালিত হয় পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়নের একই নিয়মে, কিন্তু জড়ের জটিল সমাবেশের ফলে জীবের মধ্যে এমন নতুন বৈশিষ্ট্যের উদ্ভব ঘটে যা তার গাঠনিক উপাদানগুলোর মধ্যে ছিল না (যেমন হাইড্রোজেন-অক্সিজেনের সংযোগে পানির ভিন্ন বৈশিষ্ট্য তৈরি হয়), তাই শুধু ভৌতবিজ্ঞান জেনে জীববিজ্ঞান পাঠ অসম্পূর্ণ থেকে যায়।
2। বংশগতিবিদ্যা জীববিজ্ঞানের কোন শাখার অন্তর্ভুক্ত— ব্যাখ্যা করো।
বংশগতিবিদ্যা বা জেনেটিক্স ভৌত জীববিজ্ঞানের অন্তর্ভুক্ত, কারণ এটি জিন ও জীবের বংশগতিধারার তাত্ত্বিক দিক নিয়ে আলোচনা করে, যা প্রয়োগের চেয়ে তাত্ত্বিক জ্ঞান অনুসন্ধানের ওপর বেশি গুরুত্ব দেয়।
3। মৎস্যবিজ্ঞান জীববিজ্ঞানের কোন শাখার অন্তর্ভুক্ত— ব্যাখ্যা করো।
মৎস্যবিজ্ঞান ফলিত জীববিজ্ঞানের অন্তর্ভুক্ত, কারণ এটি মাছ উৎপাদন ও মৎস্য সম্পদ ব্যবস্থাপনার মতো প্রায়োগিক বিষয় নিয়ে কাজ করে, যেখানে তাত্ত্বিক জ্ঞানের চেয়ে প্রয়োগ বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
জীবজগতের শ্রেণিবিন্যাস — পাঁচ রাজ্য
4। অ্যামিবা প্রোটিস্টা রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত কেন— ব্যাখ্যা করো।
অ্যামিবা এককোষী, সুগঠিত নিউক্লিয়াসবিশিষ্ট এবং মাইটোসিসের মাধ্যমে অযৌন প্রজনন করে, কোনো ভ্রূণ গঠন করে না— এসব বৈশিষ্ট্য প্রোটিস্টা রাজ্যের সাথে মিলে যায় বলে অ্যামিবা এই রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত।
5। মাশরুম ও গাছের মধ্যে কোনটি অধিক উন্নত— যুক্তিসহ বিশ্লেষণ করো।
গাছ (প্লান্টি রাজ্য) অধিক উন্নত, কারণ এতে উন্নত টিস্যুতন্ত্র বিদ্যমান, ভ্রূণ গঠিত হয় এবং জটিল অঙ্গসংস্থান আছে, কিন্তু মাশরুম (ফানজাই রাজ্য) মৃতজীবী বা পরজীবী, ক্লোরোপ্লাস্টবিহীন এবং হ্যাপ্লয়েড স্পোর দিয়ে বংশবৃদ্ধি করে, যা তুলনামূলক সরল সংগঠন নির্দেশ করে।
শ্রেণিবিন্যাসের ধাপ ও নেস্টেড হায়ারার্কি
6। শ্রেণিবিন্যাসের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করো।
পৃথিবীতে লক্ষ লক্ষ প্রজাতির জীব থাকায় এদের সুষ্ঠুভাবে জানা, বোঝা ও গবেষণা করা কঠিন হয়ে পড়ে; শ্রেণিবিন্যাসের মাধ্যমে জীবজগৎকে সুশৃঙ্খলভাবে সাজিয়ে অল্প পরিশ্রমে ও অল্প সময়ে সঠিকভাবে জানা সম্ভব হয়, তাই শ্রেণিবিন্যাস অপরিহার্য।
7। নেস্টেড হায়ারার্কি ব্যাখ্যা করো।
শ্রেণিবিন্যাসের প্রতিটি উপরের ধাপ যেন একটি বড় সেট এবং তার ঠিক নিচের ধাপ তার একটি উপসেট (যেমন রাজ্যের উপসেট পর্ব, পর্বের উপসেট শ্রেণি); এভাবে ধাপে ধাপে উপসেট তৈরি করে জীবকে সাজানোর পদ্ধতিকেই নেস্টেড হায়ারার্কি বলে।
দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতি
8। জীবের দ্বিপদ নামকরণ প্রয়োজন কেন— ব্যাখ্যা করো।
বিশ্বে অসংখ্য জীব একই স্থানীয় নামে বিভিন্ন ভাষায় ভিন্ন ভিন্নভাবে পরিচিত হতে পারে, যা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে; দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতিতে ল্যাটিন ভাষায় একটি সুনির্দিষ্ট ও অনন্য নাম দেওয়া হয় বলে বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের বিজ্ঞানী একই জীবকে একই নামে শনাক্ত করতে পারেন।
