প্রত্যাবর্তনের লজ্জা কবিতার MCQ | HSC বাংলা ১ম পত্র-এর “প্রত্যাবর্তনের লজ্জা” কবিতা থেকে বোর্ড পরীক্ষায় নিয়মিত প্রশ্ন আসে। এই পোস্টে ১২০টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন (MCQ) উত্তর ও ব্যাখ্যাসহ দেওয়া হলো।
প্রত্যাবর্তনের লজ্জা কবিতার বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর (MCQ)
1। ‘প্রত্যাবর্তনের লজ্জা’ কবিতাটির মূল উপজীব্য বিষয় কী?
- ক. ব্যর্থতার গ্লানি এবং মাতৃতুল্য গ্রামীণ আশ্রয়ে স্বস্তিলাভ
- খ. শহরের যান্ত্রিক জীবনের প্রতি তীব্র আকর্ষণ
- গ. শীতের সকালের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বর্ণনা
- ঘ. ভাইবোনদের সাথে মধুর স্মৃতিচারণ
উত্তর: ক। পাঠ-পরিচিতি অনুযায়ী, শহরে যেতে না পারার ব্যর্থতা এবং মায়ের আশ্রয়ে ও গ্রামীণ জীবনে স্বস্তিলাভই এই কবিতার মূল উপজীব্য।
2। কবি আল মাহমুদ তাঁর কবিতায় কোন জগৎটি শিল্পিত করে তুলেছেন?
- ক. যন্ত্রণাদগ্ধ শহরজীবন
- খ. স্নিগ্ধ-শ্যামল, প্রশান্ত গ্রামজীবন
- গ. আধ্যাত্মিক পরলৌকিক জীবন
- ঘ. যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের চিত্র
উত্তর: খ। লেখক পরিচিতিতে বলা হয়েছে, তিনি যন্ত্রণাদগ্ধ শহরজীবন নিয়ে নয়, বরং স্নিগ্ধ-শ্যামল, প্রশান্ত গ্রামজীবন নিয়ে অনন্য এক জগৎ তৈরি করেছেন।
3। ‘প্রত্যাবর্তনের লজ্জা’ কবিতায় মা কীসের প্রতিমূর্তি হিসেবে উপস্থাপিত হয়েছেন?
- ক. আধুনিকতার
- খ. প্রকৃতির
- গ. শহরের
- ঘ. কঠোর শাসকের
উত্তর: খ। পাঠ-পরিচিতির শেষ লাইনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে, \”এই মা একই সঙ্গে প্রকৃতিরও প্রতিমূর্তি।\”
4। কবিতাটি কোন ঢঙে রচিত হয়েছে?
- ক. রূপক কাহিনীর ঢঙে
- খ. মহাকাব্যের ঢঙে
- গ. গীতি কবিতার ঢঙে
- ঘ. সংলাপ এবং গল্প বলার ঢঙে
উত্তর: ঘ। পাঠ-পরিচিতি অনুসারে, ‘প্রত্যাবর্তনের লজ্জা’ কবিতাটি সংলাপ এবং গল্প বলার ঢংয়ে রচিত হয়েছে।
5। ‘প্রত্যাবর্তনের লজ্জা’ কবিতাটি আল মাহমুদের কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত?
- ক. সোনালি কাবিন
- খ. লোক-লোকান্তর
- গ. মায়াবি পর্দা দুলে উঠো
- ঘ. কালের কলস
উত্তর: ক। পাঠ-পরিচিতির শুরুতেই বলা হয়েছে, কবিতাটি ‘সোনালি কাবিন’ কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত।
6। কবি স্টেশনে পৌঁছে কী দেখতে পেলেন?
- ক. ট্রেন দাঁড়িয়ে আছে
- খ. লাল রঙের পতাকা
- গ. ভাইবোনেরা অপেক্ষা করছে
- ঘ. নীলবর্ণ আলোর সংকেত
উত্তর: ঘ। কবিতায় আছে, \”স্টেশনে পৌঁছে দেখি / নীলবর্ণ আলোর সংকেত।\”
7। ‘নীলবর্ণ আলোর সংকেত’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- ক. বিপদের সংকেত
- খ. ট্রেনের আগমনী বার্তা
- গ. স্টেশনের সৌন্দর্য
- ঘ. ট্রেন ছেড়ে দেবার সংকেত
উত্তর: ঘ। শব্দার্থ ও টীকা অংশে বলা হয়েছে, ‘নীলবর্ণ আলোর সংকেত’ অর্থ ট্রেন ছেড়ে দেবার সংকেত।
8। ট্রেনটি কীভাবে ছেড়ে দিয়েছিল?
- ক. নীরবে
- খ. ধীরে ধীরে
- গ. ঘণ্টা বাজিয়ে
- ঘ. দারুণ হুইসেল দিয়ে
উত্তর: ঘ। কবিতায় বলা হয়েছে, \”হতাশার মতোন হঠাৎ / দারুণ হুইসেল দিয়ে গাড়ি ছেড়ে দিয়েছে।\”
9। জানালার দিকে তাকিয়ে কবি কাদের মুখ দেখতে পেলেন?
- ক. রেলওয়ে গার্ডের
- খ. অপরিচিত যাত্রীদের
- গ. তার ভাইবোনদের
- ঘ. যাদের সাথে শহরে যাবার কথা ছিল তাদের
উত্তর: ঘ। কবিতায় আছে, \”যাদের সাথে শহরে যাবার কথা ছিল তাদের উৎকণ্ঠিত মুখ / জানালায় উবুড় হয়ে আমাকে দেখছে।\”
10। ট্রেনের যাত্রীরা কবিকে কীভাবে সান্ত্বনা দিচ্ছিল?
- ক. চিঠি লিখে
- খ. হাত নেড়ে
- গ. কেঁদে কেঁদে
- ঘ. চিৎকার করে
উত্তর: খ। কবিতায় বলা হয়েছে, \”হাত নেড়ে সান্ত্বনা দিচ্ছে।\”
11। বাড়ি থেকে আসার সময় আব্বা কবিকে কী বলে তাড়া দিয়েছিলেন?
- ক. তাড়াতাড়ি কর, ট্রেন চলে যাবে
- খ. তুই আর শহরে যেতে পারবি না
- গ. সাবধানে যাবি
- ঘ. গোছাতে গোছাতেই তোর সময় বয়ে যাবে
উত্তর: ঘ। আব্বা তাড়া দিয়েছিলেন, \”গোছাতে গোছাতেই / তোর সময় বয়ে যাবে, তুই আবার গাড়ি পাবি।\”
12। আম্মা কবিকে কী পরামর্শ দিয়েছিলেন?
- ক. শহরে না যেতে
- খ. আজ রাত বই নিয়েই বসে থাকতে
- গ. দ্রুত স্টেশনে যেতে
- ঘ. পরের দিন সকালে যেতে
উত্তর: খ। আম্মা বলছিলেন, \”আজ রাত না হয় বই নিয়েই বসে থাক / কত রাত তো অমনি থাকিস।\”
13। ‘নিঃস্বপ্ন নিদ্রায় আমি নিহত হয়ে থাকলাম’ – এর অর্থ কী?
- ক. কবি স্বপ্নহীন গভীর নিদ্রায় আচ্ছন্ন ছিলেন
- খ. কবির ঘুম আসছিল না
- গ. কবি স্বপ্ন দেখতে দেখতে মারা গেছেন
- ঘ. কবি দুঃস্বপ্ন দেখেছেন
উত্তর: ক। শব্দার্থ ও টীকা অনুযায়ী এর অর্থ: স্বপ্নহীন নিদ্রায় আচ্ছন্ন থাকা।
14। ট্রেন ধরার ক্ষেত্রে জাহানারা কেমন?
- ক. সে কোনোদিন ট্রেন ফেল করে না
- খ. সে স্টেশনে যেতে চায় না
- গ. সে সবসময় ট্রেন ফেল করে
- ঘ. সে আধা ঘণ্টা আগে পৌঁছায়
উত্তর: ক। কবিতায় আছে, \”অথচ জাহানারা কোনদিন ট্রেন ফেল করে না।\”
15। ফরহাদ কখন স্টেশনে পৌঁছায়?
- ক. ট্রেন ছাড়ার পর
- খ. এক ঘণ্টা আগে
- গ. একদম শেষ মুহূর্তে
- ঘ. আধা ঘণ্টা আগেই
উত্তর: ঘ। কবিতায় উল্লেখ আছে, \”ফরহাদ আধ ঘণ্টা আগেই স্টেশনে পৌঁছে যায়।\”
16। লাইলী মালপত্র তুলে দিয়ে কাকে টিকিট কিনতে পাঠায়?
- ক. কবিকে
- খ. ফরহাদকে
- গ. বাবাকে
- ঘ. চাকরকে
উত্তর: ঘ। কবিতায় আছে, \”লাইলী মালপত্র তুলে দিয়ে আগেই চাকরকে টিকিট কিনতে পাঠায়।\”
17। কোথাও যাওয়ার কথা থাকলে আনন্দে কে ভাত পর্যন্ত খেতে পারে না?
- ক. নাহার
- খ. ফরহাদ
- গ. লাইলী
- ঘ. জাহানারা
উত্তর: ক। কবিতায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, \”নাহার / কোথাও যাওয়ার কথা থাকলে আনন্দে ভাত পর্যন্ত খেতে পারে না।\”
18। কবি কত মাইল হেঁটে স্টেশনে গিয়েছিলেন?
- ক. দুই মাইল
- খ. পাঁচ মাইল
- গ. সাত মাইল
- ঘ. দশ মাইল
উত্তর: গ। কবিতায় বলা হয়েছে, \”সাত মাইল হেঁটে শেষ রাতের গাড়ি হারিয়ে।\”
19। শেষ রাতের গাড়ি হারিয়ে কবি কোথায় কাঁপছিলেন?
- ক. নিজের বাড়ির উঠোনে
- খ. শহরের রাস্তায়
- গ. এক অখ্যাত স্টেশনে
- ঘ. নদীর পাড়ে
উত্তর: গ। কবিতায় আছে, \”এক অখ্যাত স্টেশনে কুয়াশায় কাঁপছি।\”
20। কবি কী দোলাতে দোলাতে আবার ঘরে ফিরবেন বলে ভেবেছেন?
- ক. চাদর
- খ. গাছের ডাল
- গ. কুয়াশার শাদা পর্দা
- ঘ. হাতের রুমাল
উত্তর: গ। \”কুয়াশার শাদা পর্দা দোলাতে দোলাতে আবার আমি ঘরে ফিরবো।\”
21। পথে শিশিরে কবির কী ভিজে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে?
- ক. শার্ট
- খ. পাজামা
- গ. জুতো
- ঘ. চুল
উত্তর: খ। কবিতায় আছে, \”শিশিরে আমার পাজামা ভিজে যাবে।\”
22। কবির চোখের পাতায় কী জমার কথা বলা হয়েছে?
- ক. শীতের বিন্দু
- খ. কুয়াশা
- গ. ধুলো
- ঘ. জল
উত্তর: ক। \”চোখের পাতায় শীতের বিন্দু জমতে জমতে\…\”
23। সূর্য কীভাবে উঠে আসবে বলে কবি উল্লেখ করেছেন?
- ক. শান্তভাবে
- খ. নির্লজ্জের মতোন
- গ. বীরের মতোন
- ঘ. মেঘের আড়াল থেকে
উত্তর: খ। কবিতায় বলা হয়েছে, \”নির্লজ্জের মতোন হঠাৎ / লাল সূর্য উঠে আসবে।\”
24। সূর্যের আলো কবির মুখের ওপর পড়লে নিজেকে কেমন মনে হয়?
- ক. ক্লান্ত পথিকের মতো
- খ. পরাজিতের মতো
- গ. বিজয়ীর মতো
- ঘ. অসুস্থ মানুষের মতো
উত্তর: খ। \”পরাজিতের মতো আমার মুখের উপর রোদ নামলে\…\”
25। দিনের আলোয় কবি সামনে কী দেখতে পান?
- ক. অচেনা শহর
- খ. ঘন জঙ্গল
- গ. বিশাল পাহাড়
- ঘ. পরিচিত নদী, ছড়ানো ছিটানো ঘরবাড়ি, গ্রাম
উত্তর: ঘ। \”সামনে দেখবো পরিচিত নদী। ছড়ানো ছিটানো ঘরবাড়ি, গ্রাম।\”
26। বকের ঝাঁক কোথায় উড়ে যাচ্ছে?
- ক. গ্রামের দিকে
- খ. জলার দিকে
- গ. আকাশের দিকে
- ঘ. নদীর দিকে
উত্তর: খ। কবিতায় আছে, \”জলার দিকে বকের ঝাঁক উড়ে যাচ্ছে।\”
27। নিজেদের আটচালা ঘর দেখে কবির কেমন অনুভূতি হলো?
- ক. দারুণ ভয়ের মতো
- খ. গভীর বেদনার মতো
- গ. তীব্র রাগের মতো
- ঘ. পরম শান্তির মতো
উত্তর: ক। \”তারপর দারুণ ভয়ের মতো ভেসে উঠবে আমাদের আটচালা।\”
28। আটচালা ঘর দেখে ‘দারুণ ভয়’ লাগার কারণ কী?
- ক. ট্রেন ধরতে না পারার ব্যর্থতা ও ফিরে আসার লজ্জায়
- খ. ঘরটি ভেঙে পড়ার ভয়ে
- গ. বাবা বকা দেবে এই ভয়ে
- ঘ. ঘরে ভূত আছে বলে
উত্তর: ক। শব্দার্থ ও টীকা অনুযায়ী, ট্রেন ধরতে না পারার ব্যর্থতা ও ফিরে আসার লজ্জায় এমন অনুভূতির জন্ম।
29। কলার ছোট বাগানের দীর্ঘ পাতাগুলো কীভাবে কাঁপছিল?
- ক. না না করে
- খ. থর থর করে
- গ. শোঁ শোঁ করে
- ঘ. হ্যাঁ হ্যাঁ করে
উত্তর: ক। কবিতায় বলা হয়েছে, \”দীর্ঘ পাতাগুলো না না করে কাঁপছে।\”
30। আব্বা কোথায় বসেছিলেন?
- ক. শোবার ঘরে
- খ. বৈঠকখানায়
- গ. উঠোনে
- ঘ. বারান্দায়
উত্তর: খ। \”বৈঠকখানা থেকে আব্বা একবার আমাকে দেখে নিয়ে\…\”
31। কবিকে দেখে আব্বা কী করলেন?
- ক. কাছে ডাকলেন
- খ. বাড়ি থেকে বের করে দিলেন
- গ. বকা দিলেন
- ঘ. মুখ নিচু করে পড়তে থাকলেন
উত্তর: ঘ। \”আব্বা একবার আমাকে দেখে নিয়ে মুখ নিচু করে পড়তে থাকবেন\…\”
32। আব্বা মুখ নিচু করে কী পড়ছিলেন?
- ক. ফাবি আইয়ে আলা ই-রাব্বিকুমা তুকাজ্বিবান\…
- খ. খবরের কাগজ
- গ. কবিতা
- ঘ. গল্পের বই
উত্তর: ক। কবিতায় আছে, আব্বা পড়ছিলেন, \”ফাবি আইয়ে আলা ই-রাব্বিকুমা তুকাজ্বিবান\…।\”
33। ‘ফাবি আইয়ে আলা ই-রাব্বিকুমা তুকাজ্বিবান’ – এটি কী?
- ক. একটি গানের কলি
- খ. আরবি কবিতা
- গ. একটি প্রবাদ বাক্য
- ঘ. কুরআনের আয়াত
উত্তর: ঘ। শব্দার্থ ও টীকা অনুযায়ী এটি কুরআনের আয়াত (সূরা আর-রহমানের)।
34। আম্মার হাতে কী ছিল?
- ক. বাসি বাসন
- খ. বই
- গ. ঝাড়ু
- ঘ. চায়ের কাপ
উত্তর: ক। \”বাসি বাসন হাতে আম্মা আমাকে দেখে হেসে ফেলবেন।\”
35। ‘বাসি বাসন’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- ক. মাটির বাসন
- খ. ভাঙা বাসন
- গ. পূর্বরাতে বা পূর্বদিনে ব্যবহৃত অপরিষ্কার থালা
- ঘ. নতুন থালা
উত্তর: গ। শব্দার্থ ও টীকা অনুযায়ী, বাসি বাসন মানে পূর্বরাতে বা পূর্বদিনে ব্যবহৃত অপরিষ্কার থালা।
36। কবিকে ফিরে আসতে দেখে আম্মার প্রতিক্রিয়া কেমন ছিল?
- ক. তিনি রেগে গেলেন
- খ. তিনি মুখ ঘুরিয়ে নিলেন
- গ. তিনি কেঁদে ফেললেন
- ঘ. তিনি হেসে ফেললেন
উত্তর: ঘ। কবিতায় বলা হয়েছে, \”আম্মা আমাকে দেখে হেসে ফেলবেন।\”
37। আম্মার মতে, কবি না থাকলে ঘরবাড়ি কেমন হয়ে যায়?
- ক. খুব ভালো থাকে
- খ. শান্ত হয়ে যায়
- গ. একেবারে কেমন শূন্য হয়ে যায়
- ঘ. অন্ধকার হয়ে যায়
উত্তর: গ। আম্মা বলেন, \”তুই না থাকলে ঘরবাড়ি একেবারে কেমন শূন্য হয়ে যায়।\”
38। আম্মা কবিকে কী ধুয়ে আসতে বললেন?
- ক. পা
- খ. জামাকাপড়
- গ. থালাবাসন
- ঘ. হাত মুখ
উত্তর: ঘ। আম্মা বলেন, \”হাত মুখ ধুয়ে আয়। নাস্তা পাঠাই।\”
39। কবি কাকে জড়িয়ে ধরে প্রত্যাবর্তনের লজ্জা তুলে ফেলবেন?
- ক. ভাইকে
- খ. আব্বাকে
- গ. নাহারকে
- ঘ. মাকে
উত্তর: ঘ। \”আর আমি মাকে জড়িয়ে ধরে আমার প্রত্যাবর্তনের লজ্জাকে\…\”
40। কবি কীভাবে প্রত্যাবর্তনের লজ্জা তুলে ফেলবেন?
- ক. কেঁদে কেঁদে
- খ. ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে
- গ. ঘষে ঘষে
- ঘ. হাসতে হাসতে
উত্তর: গ। কবিতায় বলা হয়েছে, \”তুলে ফেলবো ঘষে ঘষে।\”
41। শহরের নাগরিক জীবনের চেয়ে কবির কাছে কোনটি পরম স্বস্তির?
- ক. পাহাড়ের জীবন
- খ. বিদেশে বসবাস
- গ. একা থাকা
- ঘ. মাতৃতুল্য গ্রামীণ সহজ জীবন
উত্তর: ঘ। পাঠ-পরিচিতি অনুযায়ী, শহর বা নাগরিক জীবনের চেয়ে মাতৃতুল্য গ্রামীণ সহজ জীবনই কবির জন্য পরম স্বস্তির।
42। কবি শহরমুখী জীবনযাত্রায় কী করতে পারেননি?
- ক. খাপ খাওয়াতে
- খ. চাকরি পেতে
- গ. বন্ধু বানাতে
- ঘ. বাড়ি কিনতে
উত্তর: ক। পাঠ-পরিচিতিতে বলা হয়েছে, কবি শহরমুখী জীবনযাত্রায় খাপ খাওয়াতে না পারার ব্যর্থতাকে মুছে ফেলছেন মায়ের আশ্রয়ে।
43। ‘উৎকণ্ঠিত’ শব্দের অর্থ কী?
- ক. উদ্বিগ্ন বা ব্যাকুল
- খ. আনন্দিত
- গ. রাগান্বিত
- ঘ. উদাসীন
উত্তর: ক। শব্দার্থ ও টীকা অনুযায়ী উৎকণ্ঠিত অর্থ উদ্বিগ্ন, ব্যাকুল।
44। ‘উবুড়’ শব্দের অর্থ কী?
- ক. সোজা
- খ. বসে
- গ. উপুড়
- ঘ. কাত হয়ে
উত্তর: গ। শব্দার্থ ও টীকা অংশে উবুড় এর অর্থ উপুড় দেওয়া আছে।
45। ‘শীতের বিন্দু’ বলতে কবিতায় কী বোঝানো হয়েছে?
- ক. বৃষ্টি
- খ. ঠান্ডা বাতাস
- গ. শীতের শিশির
- ঘ. বরফ
উত্তর: গ। শব্দার্থ ও টীকা অনুযায়ী, শীতের বিন্দু অর্থ শীতের শিশির।
46। ট্রেন ছেড়ে দেবার সংকেত পেয়ে কবির মনে কোন অনুভূতির সৃষ্টি হয়েছিল?
- ক. রাগের
- খ. হতাশার
- গ. আনন্দের
- ঘ. বিস্ময়ের
উত্তর: খ। \”হতাশার মতোন হঠাৎ / দারুণ হুইসেল দিয়ে গাড়ি ছেড়ে দিয়েছে\” – এটি গাড়ি ধরতে না পারায় হতাশাগ্রস্ত মনের অভিব্যক্তি।
47। কবির ভাইবোনেরা ট্রেন ধরার বিষয়ে কেমন ছিল?
- ক. তারা ট্রেনে উঠত না
- খ. তারা সবসময় ট্রেন ফেল করত
- গ. অত্যন্ত সতর্ক ও সচেতন
- ঘ. কবির মতোই উদাসীন
উত্তর: গ। পাঠ-পরিচিতিতে বলা হয়েছে, নিজের ভাইবোনদের সতর্ক ও সচেতন প্রস্তুতির স্মৃতি কবির মনে জাগ্রত হলো।
48। প্রত্যাবর্তনের সময় কবির মনে কোন গ্লানি ছিল?
- ক. পরাজয়ের গ্লানি
- খ. মিথ্যা বলার গ্লানি
- গ. ঝগড়া করার গ্লানি
- ঘ. চুরির গ্লানি
উত্তর: ক। পাঠ-পরিচিতিতে উল্লেখ আছে, এক রকম পরাজয়ের গ্লানি নিয়ে কবি সেই ভোররাতে বাড়ির পথে ফিরতে শুরু করলেন।
49। কবি কখন বাড়ির পথে ফিরতে শুরু করলেন?
- ক. মধ্যরাতে
- খ. ভর দুপুরে
- গ. সন্ধ্যায়
- ঘ. ভোররাতে
উত্তর: ঘ। পাঠ-পরিচিতি অনুযায়ী, কবি সেই ভোররাতে বাড়ির পথে ফিরতে শুরু করলেন।
50। কুরআনের আয়াতে কাদেরকে সম্বোধন করা হয়েছে?
- ক. শুধু মানুষকে
- খ. জিন ও ইনসান উভয়কে
- গ. নবীদের
- ঘ. ফেরেশতাদের
উত্তর: খ। শব্দার্থের টীকায় বলা হয়েছে, \”অতএব তোমরা উভয়ে তথা জিন ও ইনসান পালনকর্তার কোন কোন অনুগ্রহকে অস্বীকার করবে?\”
51। কবি তাঁর ভাইবোনদের সাথে নিজের তুলনা করে কী বোঝাতে চেয়েছেন?
- ক. তিনি বৈষয়িক ও ব্যবহারিক জীবনে ভাইবোনদের চেয়ে অসচেতন
- খ. তিনি সবচেয়ে দ্রুতগামী
- গ. তিনি সবার চেয়ে বুদ্ধিমান
- ঘ. তিনি ভাইবোনদের পছন্দ করেন না
উত্তর: ক। ভাইবোনেরা যেখানে নিখুঁত পরিকল্পনা করে ট্রেন ধরে, সেখানে কবি ঘুমিয়ে থেকে ট্রেন ফেল করেন, যা তার ব্যবহারিক অসচেতনতা প্রকাশ করে।
52। ‘কুয়াশার শাদা পর্দা দোলাতে দোলাতে’ – এই চরণে প্রকৃতির কোন রূপ ফুটে উঠেছে?
- ক. শীতের ভোরবেলার কুয়াশাচ্ছন্ন রূপ
- খ. গ্রীষ্মের কাঠফাটা রোদ
- গ. বর্ষার বৃষ্টি
- ঘ. বসন্তের বাতাস
উত্তর: ক। শীতের সকালে চারদিক কুয়াশায় ঢেকে থাকার রূপটি এখানে মূর্ত হয়েছে।
53। ‘পরাজিতের মতো আমার মুখের উপর রোদ নামলে’ – এখানে রোদকে পরাজিতের মতো বলা হয়েছে কেন?
- ক. কবি রোদে পুড়ে কালো হয়ে গিয়েছিলেন বলে
- খ. রোদের তেজ কম ছিল বলে
- গ. ট্রেন ধরতে না পারার গ্লানি কবির মনকে আচ্ছন্ন করে রেখেছিল বলে
- ঘ. কবি রোদ পছন্দ করেন না বলে
উত্তর: গ। কবি নিজেকে পরাজিত মনে করছিলেন, তাই ভোরের রোদ তার কাছে বিজয়ের বার্তার বদলে পরাজিতের অনুভূতি নিয়ে এসেছে।
54। কবির মা তাকে দেখে হেসে ফেলেছিলেন কেন?
- ক. কবিকে নিয়ে উপহাস করার জন্য
- খ. কবি মজার কথা বলেছিলেন বলে
- গ. সন্তান ফিরে আসায় মায়ের মনের স্বতঃস্ফূর্ত আনন্দের প্রকাশ
- ঘ. কবির ভেজা পাজামা দেখে
উত্তর: গ। মায়ের কাছে সন্তানের ফিরে আসাই সবচেয়ে বড় আনন্দ, তাই ব্যর্থ হয়ে ফিরলেও মা হেসে তাকে স্বাগত জানিয়েছেন।
55। বাবার কোরআন তেলাওয়াত করা থেকে তার চরিত্রের কোন দিকটি প্রকাশ পায়?
- ক. ছেলের প্রতি ক্ষোভ
- খ. ধর্মভীরুতা ও প্রশান্ত মন
- গ. উদাসীনতা
- ঘ. রাগী স্বভাব
উত্তর: খ। ভোরবেলা ফজরের নামাজের পর বাবার কোরআন তেলাওয়াত গ্রামীণ ধর্মভীরু ও প্রশান্ত জীবনযাত্রার পরিচায়ক।
56। ‘কলার ছোট বাগান। দীর্ঘ পাতাগুলো না না করে কাঁপছে।’ – এই কাঁপন কীসের প্রতীক হতে পারে?
- ক. গাছের রোগ
- খ. কবির ভেতরের ভয় ও শঙ্কার
- গ. ঝড়ের পূর্বাভাস
- ঘ. আনন্দের প্রকাশ
উত্তর: খ। বাবার মুখোমুখি হওয়ার ভয়ে কবির যে মানসিক কম্পন, তা প্রকৃতি বা কলাপাতার কম্পনের মধ্য দিয়ে প্রতীকায়িত হয়েছে।
57। কবি তার মায়ের কাছে কী খুঁজে পেয়েছেন?
- ক. শহরের জীবনের সন্ধান
- খ. টাকা পয়সা
- গ. তিরস্কার
- ঘ. পরম আশ্রয় ও স্বস্তি
উত্তর: ঘ। মায়ের কাছে ফিরে কবি তার লজ্জা মুছে ফেলেন, যা পরম আশ্রয় ও স্বস্তির পরিচায়ক।
58। ‘কত রাত তো অমনি থাকিস’ – মায়ের এই কথায় কবির কোন স্বভাব ফুটে ওঠে?
- ক. রাতে না ঘুমিয়ে পড়াশোনা বা লেখালেখি করার স্বভাব
- খ. রাত জেগে পাহারা দেওয়ার স্বভাব
- গ. রাতে ঘুরে বেড়ানোর স্বভাব
- ঘ. রাতে সিনেমা দেখার স্বভাব
উত্তর: ক। কবি বা সৃজনশীল মানুষরা প্রায়ই রাত জেগে কাজ করেন, মায়ের কথাটিতে সেই স্বভাবেরই ইঙ্গিত রয়েছে।
59। আল মাহমুদের কবিতায় প্রকৃতির কোন রূপটি বেশি দেখা যায়?
- ক. কৃত্রিম রূপ
- খ. চিরায়ত ও প্রশান্ত রূপ
- গ. রুক্ষ রূপ
- ঘ. ধ্বংসাত্মক রূপ
উত্তর: খ। লেখক পরিচিতি অনুযায়ী, গ্রামীণ জীবন ও প্রকৃতির চিরায়ত রূপ তিনি শিল্পিত করে তোলেন।
60। ট্রেন ধরতে না পারার ঘটনাটি কবির জীবনে কী বয়ে এনেছে?
- ক. আর্থিক ক্ষতি
- খ. প্রত্যাবর্তনের লজ্জা এবং পরোক্ষভাবে মায়ের আশ্রয়ে ফেরার সুযোগ
- গ. চরম দুর্ভাগ্য
- ঘ. বন্ধুদের সাথে শত্রুতা
উত্তর: খ। ট্রেন ফেল করায় লজ্জা হলেও এটি তাকে গ্রামীণ জীবনে ও মায়ের আশ্রয়ে ফিরিয়ে এনেছে।
61। উদ্দীপকের শফিকের মানসিকতার সাথে ‘প্রত্যাবর্তনের লজ্জা’ কবিতার কবির কোন অনুভূতির মিল রয়েছে?
- ক. শহরের প্রতি তীব্র ঘৃণা
- খ. পড়াশোনার প্রতি অনীহা
- গ. গ্রামীণ সহজ জীবন ও মায়ের আশ্রয়ে পরম স্বস্তিবোধ
- ঘ. বন্ধুদের প্রতি ক্ষোভ
উত্তর: গ। শফিক যেমন গ্রামে ও মায়ের কাছে শান্তি পায়, কবিও তেমনি শহরের বদলে মাতৃতুল্য গ্রামীণ জীবনে স্বস্তি খুঁজে পান।
62। শফিক এবং কবিতার কবির এই অনুভূতির মূল কারণ কী?
- ক. তাদের গ্রামে অনেক সম্পত্তি আছে
- খ. শহরে তাদের থাকার জায়গা নেই
- গ. তারা শহরে চাকরি পায়নি
- ঘ. শহরমুখী জীবনযাত্রায় খাপ খাওয়াতে না পারা
উত্তর: ঘ। পাঠ-পরিচিতি অনুযায়ী, শহরমুখী জীবনযাত্রায় খাপ খাওয়াতে না পারার ব্যর্থতাই তাদের গ্রামীণ জীবনের প্রতি আকৃষ্ট করে।
63। উদ্দীপকের মায়ের আচরণের সাথে ‘প্রত্যাবর্তনের লজ্জা’ কবিতার কোন চরিত্রের মিল রয়েছে?
- ক. লাইলীর
- খ. কবির ভাই ফরহাদের
- গ. কবির বাবার
- ঘ. কবির আম্মার
উত্তর: ঘ। রবিনের মা যেমন সন্তানের ব্যর্থতায় বকা না দিয়ে সান্ত্বনা দিয়েছেন, কবির আম্মাও ট্রেন ফেল করে ফিরে আসায় খুশি হয়ে তাকে স্বাগত জানিয়েছেন।
64। রবিন ও কবিতার কবির বাড়ি ফেরার মধ্যে সাদৃশ্য কোথায়?
- ক. দুজনেই প্রচুর অর্থ নিয়ে ফিরেছে
- খ. দুজনেই বিজয়ী হয়ে ফিরেছে
- গ. দুজনেই ব্যর্থতা ও পরাজয়ের গ্লানি নিয়ে ফিরেছে
- ঘ. দুজনেই রাগ করে ফিরেছে
উত্তর: গ। রবিন পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়ে এবং কবি ট্রেন ধরতে না পেরে পরাজয়ের গ্লানি নিয়ে বাড়ি ফিরেছিলেন।
65। উদ্দীপকের রফিকের বাড়ির গেট খোলার সময়ের ভয়ের সাথে কবিতার কোন বর্ণনার সাদৃশ্য আছে?
- ক. শিশিরে পাজামা ভিজে যাবে
- খ. নীলবর্ণ আলোর সংকেত
- গ. বাসি বাসন হাতে আম্মা
- ঘ. দারুণ ভয়ের মতো ভেসে উঠবে আমাদের আটচালা
উত্তর: ঘ। ব্যর্থতা ও অপরাধবোধ নিয়ে বাড়ি ফেরার সময় কবির যেমন নিজেদের আটচালা দেখে দারুণ ভয় লেগেছিল, রফিকেরও তেমনই ভয় লাগছিল।
66। উভয়ের এই ভয়ের অন্তর্নিহিত কারণ কী?
- ক. ভূত দেখার ভয়
- খ. ডাকাতের ভয়
- গ. নিজেদের অপরাধবোধ এবং অভিভাবকদের সম্মুখীন হওয়ার সংকোচ বা লজ্জা
- ঘ. রাতের অন্ধকারের ভয়
উত্তর: গ। রফিক ভাইকে হারিয়ে এবং কবি ট্রেন ফেল করে ব্যর্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন, যা তাদের মনে অভিভাবকদের মুখোমুখি হওয়ার সংকোচ ও ভয়ের জন্ম দিয়েছে।
67। উদ্দীপকের রহিম সাহেবের নিয়মানুবর্তিতা কবিতার কোন চরিত্রগুলোর কথা স্মরণ করিয়ে দেয়?
- ক. কবির শহরের বন্ধুদের
- খ. স্টেশনের যাত্রীদের
- গ. কবির ভাইবোন জাহানারা ও ফরহাদের
- ঘ. কবির মা-বাবার
উত্তর: গ। রহিম সাহেব যেমন নিয়মানুবর্তী, কবিতার জাহানারা, ফরহাদ, লাইলীরাও তেমনি ট্রেন ধরার ব্যাপারে অত্যন্ত সতর্ক ও নিয়মানুবর্তী।
68। করিমের খামখেয়ালি স্বভাব কবিতার কার সাথে তুলনীয়?
- ক. ফরহাদের
- খ. চাকরের
- গ. স্বয়ং কবির
- ঘ. নাহারের
উত্তর: গ। করিমের মতো কবিও খামখেয়ালির কারণে ঘুমিয়ে থেকে ট্রেন ফেল করেছেন।
69। উদ্দীপকের প্রাকৃতিক দৃশ্যের বর্ণনার সাথে ‘প্রত্যাবর্তনের লজ্জা’ কবিতার কোন অংশের মিল আছে?
- ক. বাসি বাসন হাতে আম্মা
- খ. নীলবর্ণ আলোর সংকেত
- গ. বৈঠকখানা থেকে আব্বা
- ঘ. পরিচিত নদী, জলার দিকে বকের ঝাঁক উড়ে যাওয়া এবং কুয়াশার শাদা পর্দা
উত্তর: ঘ। উদ্দীপকের নদী, পাখি ও কুয়াশার সাথে কবিতায় বর্ণিত শীতের কুয়াশা, পরিচিত নদী এবং বকের ঝাঁকের হুবহু মিল রয়েছে।
70। চিত্রশিল্পী জামাল এবং কবি আল মাহমুদের সৃষ্টির মূল ফোকাস কোথায়?
- ক. আধুনিক প্রযুক্তিতে
- খ. মহাকাশে
- গ. গ্রামীণ জীবন ও প্রকৃতির চিরায়ত রূপে
- ঘ. শহরের ইট-পাথরে
উত্তর: গ। জামাল এবং আল মাহমুদ দুজনেই তাদের শিল্পে গ্রামীণ প্রকৃতি ও জীবনের রূপ ফুটিয়ে তুলেছেন।
71। উদ্দীপকের দাদুর আচরণের সাথে কবিতার কোন চরিত্রের আচরণের সাদৃশ্য নেই, কিন্তু পরিস্থিতির মিল আছে?
- ক. বোনের
- খ. বাবার
- গ. ভাইয়ের
- ঘ. মায়ের
উত্তর: ঘ। নাতি পড়তে পড়তে ঘুমিয়ে পড়েছে, যেমন কবিও রাতে বই নিয়ে বসে থেকে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। দাদুর আচরণ মায়ের স্নেহপূর্ণ আচরণের সমতুল্য।
72। \”এক নিঃস্বপ্ন নিদ্রায় আমি নিহত হয়ে থাকলাম\”—কবির এই পরিণতির কারণ কী ছিল?
- ক. শহরের প্রতি ভয়
- খ. ইচ্ছা করে ঘুমিয়ে পড়া
- গ. মায়ের কথামতো রাতে বই নিয়ে বসে থাকা
- ঘ. শারীরিক অসুস্থতা
উত্তর: গ। মা বলেছিলেন \”আজ রাত না হয় বই নিয়েই বসে থাক\”, আর সেভাবেই বসে থেকে কবি গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হয়েছিলেন।
73। রাসেলের ফ্লাইট মিস করার অনুভূতির সাথে কবির কোন অনুভূতির মিল আছে?
- ক. রাগের
- খ. পরাজয়ের গ্লানি ও হতাশার
- গ. বিস্ময়ের
- ঘ. আনন্দের
উত্তর: খ। রাসেলের যুদ্ধে হেরে যাওয়ার মতো অনুভূতির সাথে কবির ‘পরাজিতের মতো’ এবং ‘হতাশার মতোন’ অনুভূতির মিল রয়েছে।
74। রাসেলের ফিরে আসা এবং কবির প্রত্যাবর্তনের মধ্যে মূল পার্থক্য কোথায়?
- ক. রাসেল পায়ে হেঁটে ফিরেছে, কবি গাড়িতে
- খ. রাসেলের ফেরা যান্ত্রিক শহরের বাসায়, কবির প্রত্যাবর্তন প্রশান্ত গ্রামীণ আশ্রয়ে
- গ. রাসেল খুশি ছিল, কবি দুঃখিত ছিলেন
- ঘ. রাসেল একা ছিল, কবির সাথে অনেকেই ছিল
উত্তর: খ। রাসেল শহরের বাসায় ফিরেছে, কিন্তু কবি তার চিরচেনা গ্রামীণ প্রকৃতি ও মায়ের আশ্রয়ে ফিরেছেন, যা তাকে পরম স্বস্তি দিয়েছে।
75। রহমত উল্লাহর এই কাজের সাথে ‘প্রত্যাবর্তনের লজ্জা’ কবিতার কার কাজের হুবহু মিল রয়েছে?
- ক. কবির ভাই ফরহাদের
- খ. কবির
- গ. কবির আব্বার
- ঘ. কবির আম্মার
উত্তর: গ। কবিতায় কবির আব্বাও বৈঠকখানায় বসে কোরআন তেলাওয়াত করছিলেন (\”ফাবি আইয়ে\…\”), যা রহমত উল্লাহর কাজের অনুরূপ।
76। এই ধরনের আচরণের মাধ্যমে গ্রামীণ সমাজের কোন রূপটি প্রতিফলিত হয়?
- ক. কুসংস্কারাচ্ছন্নতা
- খ. আধুনিকতা
- গ. ধর্মভীরুতা ও প্রশান্ত জীবনযাত্রা
- ঘ. কর্মবিমুখতা
উত্তর: গ। কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে গ্রামীণ মানুষের ধর্মভীরুতা এবং প্রশান্ত ও নিরুদ্বেগ জীবনযাত্রার চিত্র ফুটে ওঠে।
77। তারিকের কষ্ট দূর হওয়ার প্রক্রিয়াটি কবিতার কোন চরণের সাথে তুলনীয়?
- ক. শিশিরে আমার পাজামা ভিজে যাবে
- খ. আমি মাকে জড়িয়ে ধরে আমার প্রত্যাবর্তনের লজ্জাকে তুলে ফেলবো ঘষে ঘষে
- গ. দীর্ঘ পাতাগুলো না না করে কাঁপছে
- ঘ. জলার দিকে বকের ঝাঁক উড়ে যাচ্ছে
উত্তর: খ। তারিক যেমন মেয়েকে জড়িয়ে ধরে কষ্ট ভোলে, কবিও মাকে জড়িয়ে ধরে তার প্রত্যাবর্তনের লজ্জা মুছে ফেলেন।
78। উভয় ক্ষেত্রেই কোন বিষয়টি মানসিক প্রশান্তির নিয়ামক হিসেবে কাজ করেছে?
- ক. পারিবারিক আশ্রয় ও অকৃত্রিম ভালোবাসা
- খ. ঘুম
- গ. অর্থপ্রাপ্তি
- ঘ. প্রতিশোধ গ্রহণ
উত্তর: ক। পরিবার বা প্রিয়জনের অকৃত্রিম ভালোবাসা ও আশ্রয়ই উভয় ক্ষেত্রে মানসিক প্রশান্তি ও স্বস্তি এনে দিয়েছে।
79। করিম শেখের প্রকৃতির প্রতি দৃষ্টিভঙ্গির সাথে কবি আল মাহমুদের কোন চিন্তার সাদৃশ্য আছে?
- ক. বৈষয়িক উন্নতির আকাঙ্ক্ষা
- খ. শহর থেকে পালিয়ে যাওয়া
- গ. শহরের প্রতি ভালোবাসা
- ঘ. গ্রামীণ জীবন ও প্রকৃতির চিরায়ত রূপের প্রতি গভীর টান ও নির্ভরতা
উত্তর: ঘ। দুজনেই গ্রামীণ প্রকৃতি ও জীবনের প্রতি গভীর নির্ভরতা ও ভালোবাসা অনুভব করেন।
80। ‘প্রত্যাবর্তনের লজ্জা’ কবিতায় প্রকৃতির এই নির্ভরতার প্রতীক হিসেবে কাকে উপস্থাপন করা হয়েছে?
- ক. কুয়াশাকে
- খ. মাকে
- গ. নদীকে
- ঘ. বাবাকে
উত্তর: খ। পাঠ-পরিচিতিতে বলা হয়েছে, এই কবিতায় মা একই সঙ্গে প্রকৃতিরও প্রতিমূর্তি।
81। উদ্দীপকের মায়ের অনুভূতির সাথে কবিতার আম্মার কোন কথার মিল আছে?
- ক. আজ রাত না হয় বই নিয়েই বসে থাক
- খ. তুই না থাকলে ঘরবাড়ি একেবারে কেমন শূন্য হয়ে যায়
- গ. হাত মুখ ধুয়ে আয়
- ঘ. নাস্তা পাঠাই
উত্তর: খ। সন্তান চলে গেলে বাড়ি শূন্য হয়ে যাওয়ার যে অনুভূতি উদ্দীপকের মায়ের, কবিতার আম্মাও ঠিক একই কথা বলেছেন।
82। মায়ের এই আকুলতা কীসের প্রমাণ?
- ক. সন্তানের প্রতি মায়ের গভীর ও অকৃত্রিম বাৎসল্য প্রেম
- খ. আর্থিক ক্ষতির চিন্তা
- গ. নিজের একাকিত্বের ভয়
- ঘ. লোক দেখানো মায়া
উত্তর: ক। সন্তানের অনুপস্থিতি মাকে কষ্ট দেয়, যা মায়ের গভীর ও নিঃস্বার্থ ভালোবাসারই প্রমাণ।
83। সুমনের এই মানসিক অবস্থার সাথে কবিতার কবির কোন অবস্থার মিল রয়েছে?
- ক. স্টেশনে পৌঁছানোর সময়ের অবস্থার
- খ. রাতে ঘুমানোর সময়ের অবস্থার
- গ. পরাজিদের মতো রোদ মুখে নিয়ে বাড়ি ফেরার অবস্থার
- ঘ. মাকে জড়িয়ে ধরার অবস্থার
উত্তর: গ। ব্যর্থতার কারণে সুমন যেমন লজ্জা পাচ্ছিল, কবিও ট্রেন ধরতে না পেরে পরাজিতের মতো লজ্জা নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন।
84। ‘নির্লজ্জের মতোন হঠাৎ লাল সূর্য উঠে আসবে’ – কবির এই ভাবনার কারণ কী?
- ক. সূর্যকে তাঁর ভালো লাগে না
- খ. শীতকাল বলে
- গ. নিজের ব্যর্থতার সময় প্রকৃতির উজ্জ্বল উপস্থিতি উপহাসের মতো মনে হচ্ছিল
- ঘ. সূর্য খুব দ্রুত উঠছিল
উত্তর: গ। নিজের ব্যর্থতার গ্লানির মুহূর্তে ভোরের উজ্জ্বল সূর্যোদয়কে কবির নিজের প্রতি এক ধরনের উপহাস বা নির্লজ্জতা বলে মনে হয়েছে।
85। রাফির এই ভয়ের সাথে কবিতার কোন বর্ণনার মিল আছে?
- ক. শিশিরে পাজামা ভিজে যাবে
- খ. দারুণ ভয়ের মতো ভেসে উঠবে আমাদের আটচালা
- গ. বাসি বাসন হাতে আম্মা
- ঘ. হতাশার মতোন দারুণ হুইসেল
উত্তর: খ। অপরাধবোধ বা ব্যর্থতা নিয়ে অভিভাবকদের সম্মুখীন হওয়ার ভয়ের সাথে ‘দারুণ ভয়ের মতো’ আটচালা ভেসে ওঠার মিল রয়েছে।
86। এই ভয়ের কারণ হিসেবে কোনটিকে চিহ্নিত করা যায়?
- ক. ভূত-প্রেতের ভয়
- খ. প্রত্যাবর্তনের লজ্জা ও গ্লানিবোধ
- গ. আবহাওয়ার প্রভাব
- ঘ. শারীরিক দুর্বলতা
উত্তর: খ। ট্রেন ধরতে না পেরে ফিরে আসার যে লজ্জা ও গ্লানি, তা থেকেই এই ভয়ের সৃষ্টি।
87। উদ্দীপকের যাত্রীদের হতাশা এবং ‘প্রত্যাবর্তনের লজ্জা’ কবিতার হতাশার মধ্যে মূল পার্থক্য কী?
- ক. উদ্দীপকে যাত্রীরা খুশি, কবিতায় কবি দুঃখিত
- খ. কোনো পার্থক্য নেই
- গ. কবিতায় ট্রেনের টিকিটের দাম বেশির কারণে হতাশা
- ঘ. উদ্দীপকে ট্রেনের দেরিতে হতাশা, কবিতায় নিজের ব্যর্থতায় হতাশা
উত্তর: ঘ। উদ্দীপকে রেল কর্তৃপক্ষের দোষে যাত্রীরা হতাশ, কিন্তু কবিতায় কবি নিজের ঘুম বা অসচেতনতার কারণে ট্রেন ফেল করে হতাশ।
88। কবিতায় ট্রেন ছেড়ে দেওয়াকে কিসের সাথে তুলনা করা হয়েছে?
- ক. হাসির মতো
- খ. হতাশার মতোন
- গ. আনন্দের মতো
- ঘ. কান্নার মতো
উত্তর: খ। কবিতায় আছে, \”হতাশার মতোন হঠাৎ / দারুণ হুইসেল দিয়ে গাড়ি ছেড়ে দিয়েছে।\”
89। অপুর এই উপলব্ধির সাথে আল মাহমুদের কাব্যচেতনার কোন দিকটি সাদৃশ্যপূর্ণ?
- ক. গ্রামীণ প্রকৃতি ও জীবনের চিরায়ত রূপের প্রতি গভীর অনুরাগ
- খ. শহরের প্রতি ঘৃণা
- গ. রাজনীতি সচেতনতা
- ঘ. বিদেশে বসবাসের ইচ্ছা
উত্তর: ক। অপু যেমন গ্রামের প্রকৃতিতে শান্তি খুঁজে পেয়েছে, আল মাহমুদও তাঁর কাব্যে গ্রামীণ জীবন ও প্রকৃতির প্রশান্ত রূপকে শিল্পিত করেছেন।
90। ‘প্রত্যাবর্তনের লজ্জা’ কবিতায় এই চিরায়ত গ্রামীণ রূপের চিত্রকল্প কোনটি?
- ক. পরিচিত নদী, জলার দিকে উড়ে যাওয়া বকের ঝাঁক এবং আটচালা
- খ. নীলবর্ণ আলোর সংকেত
- গ. বাসি বাসন
- ঘ. দারুণ হুইসেল
উত্তর: ক। নদী, উড়ন্ত বকের ঝাঁক এবং আটচালা হলো চিরায়ত গ্রামীণ প্রকৃতির সুন্দর চিত্রকল্প।
91। ‘উবুড়’ শব্দটির প্রমিত রূপ কী?
- ক. সোজা
- খ. বাঁকা
- গ. উপুড়
- ঘ. নিচু
উত্তর: গ। শব্দার্থ অংশে ‘উবুড়’ এর অর্থ দেওয়া আছে ‘উপুড়’।
92। ‘উৎকণ্ঠিত’ শব্দের অর্থ হিসেবে কোনটি সঠিক?
- ক. আনন্দিত
- খ. ক্লান্ত
- গ. উদ্বিগ্ন বা ব্যাকুল
- ঘ. রাগান্বিত
উত্তর: গ। উৎকণ্ঠিত অর্থ উদ্বিগ্ন, ব্যাকুল।
93। ‘নিঃস্বপ্ন নিদ্রায়’ বলতে কেমন ঘুমকে বোঝানো হয়েছে?
- ক. স্বপ্নহীন নিদ্রায় আচ্ছন্ন থাকা
- খ. সুখস্বপ্নে ভরপুর ঘুম
- গ. দুঃস্বপ্ন দেখা ঘুম
- ঘ. অল্প সময়ের ঘুম
উত্তর: ক। শব্দার্থ ও টীকা অনুযায়ী, স্বপ্নহীন নিদ্রায় আচ্ছন্ন থাকা।
94। ‘বাসি বাসন’ বলতে কোন সময়ের বাসনকে বোঝায়?
- ক. পূর্বরাতে বা পূর্বদিনে ব্যবহৃত অপরিষ্কার থালা
- খ. সদ্য ধোয়া বাসন
- গ. মাটির তৈরি বাসন
- ঘ. নতুন কেনা বাসন
উত্তর: ক। বাসি বাসন অর্থ পূর্বরাতে বা পূর্বদিনে ব্যবহৃত অপরিষ্কার থালা।
95। ‘ফাবি আইয়ে আলা ই-রাব্বিকুমা তুকাজ্বিবান’—এটি কোন ধর্মগ্রন্থের অংশ?
- ক. কুরআন
- খ. বাইবেল
- গ. ত্রিপিটক
- ঘ. গীতা
উত্তর: ক। এটি কুরআনের আয়াত।
96। আয়াতে উল্লেখিত ‘ইনসান’ শব্দের অর্থ কী?
- ক. ফেরেশতা
- খ. মানুষ
- গ. পশু
- ঘ. শয়তান
উত্তর: খ। জিন ও ইনসান বলতে জিন জাতি এবং মানব (মানুষ) জাতিকে বোঝানো হয়েছে।
97। ‘প্রত্যাবর্তন’ শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
- ক. ফিরে আসা বা আগমন
- খ. যাত্রা
- গ. পলায়ন
- ঘ. প্রস্থান
উত্তর: ক। প্রত্যাবর্তন মানে ফিরে আসা।
98। ‘হতাশার মতোন’ বলতে কবিতায় কী বোঝানো হয়েছে?
- ক. গাড়ি ধরতে না পারায় হতাশাগ্রস্ত মনের অভিব্যক্তি
- খ. টাকা হারানোর হতাশা
- গ. চাকরি না পাওয়ার হতাশা
- ঘ. পরীক্ষায় ফেল করার হতাশা
উত্তর: ক। শব্দার্থ অংশে এটি ‘গাড়ি ধরতে না পারায় হতাশাগ্রস্ত মনের অভিব্যক্তি’ হিসেবে উল্লেখ আছে।
99। ‘আটচালা’ বলতে কী ধরনের ঘরকে বোঝায়?
- ক. আট তলা বিশিষ্ট দালান
- খ. শহরের আধুনিক ফ্ল্যাট
- গ. আটটি চালা বা ছাদ বিশিষ্ট গ্রামীণ ঘর
- ঘ. আটটি কামরা বিশিষ্ট ঘর
উত্তর: গ। আটচালা হলো আটটি চালা বা চাল বিশিষ্ট ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ ঘর।
100। ‘নির্লজ্জ’ শব্দের অর্থ কী?
- ক. খুব রাগী
- খ. অত্যন্ত বিনয়ী
- গ. যার অনেক লাজুক স্বভাব
- ঘ. যার লজ্জা নেই বা শরমহীন
উত্তর: ঘ। নির্লজ্জ মানে যার লজ্জা নেই। কবিতায় সূর্যকে নির্লজ্জের মতো বলা হয়েছে।
101। আল মাহমুদ কত খ্রিষ্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন?
- ক. ১৯৩০ খ্রিষ্টাব্দে
- খ. ১৯৪৫ খ্রিষ্টাব্দে
- গ. ১৯৪০ খ্রিষ্টাব্দে
- ঘ. ১৯৩৬ খ্রিষ্টাব্দে
উত্তর: ঘ। তিনি ১৯৩৬ খ্রিষ্টাব্দের ১১ই জুলাই জন্মগ্রহণ করেন।
102। আল মাহমুদ কোন জেলায় জন্মগ্রহণ করেন?
- ক. ব্রাহ্মণবাড়িয়া
- খ. কুমিল্লা
- গ. নোয়াখালী
- ঘ. সিলেট
উত্তর: ক। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার মৌড়াইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
103। আল মাহমুদের প্রকৃত নাম কী?
- ক. মির মোশাররফ আল মাহমুদ
- খ. আবু তাহের আল মাহমুদ
- গ. আবদুর রব আল মাহমুদ
- ঘ. মির আবদুস শুকুর আল মাহমুদ
উত্তর: ঘ। তাঁর প্রকৃত নাম মির আবদুস শুকুর আল মাহমুদ।
104। আল মাহমুদের পিতার নাম কী?
- ক. আবদুল হামিদ মির
- খ. মির আবদুস সালাম
- গ. আবদুর রহমান মির
- ঘ. আবদুর রব মির
উত্তর: ঘ। তাঁর পিতার নাম আবদুর রব মির।
105। আল মাহমুদের মাতার নাম কী?
- ক. রোকেয়া বেগম
- খ. রওশন আরা মির
- গ. জাহানারা ইমাম
- ঘ. সুফিয়া কামাল
উত্তর: খ। তাঁর মাতার নাম রওশন আরা মির।
106। আল মাহমুদ কোন স্তর পর্যন্ত পড়াশোনা করেন?
- ক. মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত
- খ. স্নাতক স্তর পর্যন্ত
- গ. উচ্চমাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত
- ঘ. প্রাথমিক স্তর পর্যন্ত
উত্তর: ক। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত পড়াশোনা করেন।
107। আল মাহমুদ দীর্ঘদিন কোন পেশার সঙ্গে জড়িত ছিলেন?
- ক. আইন
- খ. সাংবাদিকতা
- গ. চিকিৎসা
- ঘ. শিক্ষকতা
উত্তর: খ। তিনি দীর্ঘদিন সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
108। আল মাহমুদ কোন প্রতিষ্ঠান থেকে পরিচালকের পদ থেকে অবসরে যান?
- ক. বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি
- খ. বাংলা একাডেমি
- গ. শিশু একাডেমি
- ঘ. জাতীয় জাদুঘর
উত্তর: ক। তিনি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে যোগদান করেন এবং পরিচালকের পদ থেকে অবসরে যান।
109। ‘বখতিয়ারের ঘোড়া’ আল মাহমুদের কোন ধরনের রচনা?
- ক. উপন্যাস
- খ. প্রবন্ধ
- গ. কাব্যগ্রন্থ
- ঘ. ছোটগল্প
উত্তর: গ। ‘বখতিয়ারের ঘোড়া’ তাঁর প্রকাশিত একটি কাব্যগ্রন্থ।
110। আল মাহমুদের লেখা একটি শিশুতোষ কাব্যগ্রন্থের নাম কী?
- ক. পাখির কাছে ফুলের কাছে
- খ. ডাহুকী
- গ. লোক-লোকান্তর
- ঘ. আগুনের মেয়ে
উত্তর: ক। ‘পাখির কাছে ফুলের কাছে’ তাঁর লেখা শিশুতোষ কাব্যগ্রন্থ।
111। নিচের কোনটি আল মাহমুদের লেখা উপন্যাস নয়?
- ক. কবি ও কোলাহল
- খ. গন্ধবণিক
- গ. নিশিব্দা নারী
- ঘ. ডাহুকী
উত্তর: খ। ‘গন্ধবণিক’ তাঁর লেখা ছোটগল্প, উপন্যাস নয়।
112। ‘পানকৌড়ির রক্ত’ গ্রন্থটি কী ধরনের রচনা?
- ক. কাব্যগ্রন্থ
- খ. উপন্যাস
- গ. ছোটগল্প
- ঘ. নাটক
উত্তর: গ। ‘পানকৌড়ির রক্ত’ তাঁর একটি ছোটগল্প গ্রন্থ।
113। আল মাহমুদ আধুনিক বাংলা কবিতায় কেমন জগৎ তৈরি করেন?
- ক. অনন্য এক জগৎ
- খ. কল্পনার জগৎ
- গ. যান্ত্রিক জগৎ
- ঘ. রোমান্টিক জগৎ
উত্তর: ক। লেখক পরিচিতি অনুসারে, আধুনিক বাংলা কবিতায় আল মাহমুদ অনন্য এক জগৎ তৈরি করেন।
114। আল মাহমুদ তাঁর নিজস্ব কাব্যভাষায় কোন রূপটি শিল্পিত করেছেন?
- ক. ইউরোপের দৃশ্য
- খ. গ্রামীণ জীবন ও প্রকৃতির চিরায়ত রূপ
- গ. শহরের কৃত্রিম রূপ
- ঘ. প্রাচীন ইতিহাসের রূপ
উত্তর: খ। গ্রামীণ জীবন ও প্রকৃতির চিরায়ত রূপ নিজস্ব কাব্যভাষা ও সংগঠনে শিল্পিত করে তোলেন তিনি।
115। ‘মায়াবি পর্দা দুলে উঠো’ আল মাহমুদের কোন ধরনের গ্রন্থ?
- ক. প্রবন্ধ
- খ. কাব্যগ্রন্থ
- গ. ছোটগল্প
- ঘ. উপন্যাস
উত্তর: খ। এটি তাঁর একটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ।
116। আল মাহমুদ কোন সালে মৃত্যুবরণ করেন?
- ক. ২০১৭ সালে
- খ. ২০১৫ সালে
- গ. ২০১৯ সালে
- ঘ. ২০২১ সালে
উত্তর: গ। তিনি ২০১৯ সালের ১৫ই ফেব্রুয়ারি মৃত্যুবরণ করেন।
117। আল মাহমুদের কোন কাব্যগ্রন্থটি পাঠ-পরিচিতিতে বিশেষভাবে উল্লিখিত হয়েছে, যেখান থেকে কবিতাটি নেওয়া?
- ক. আরব্য রজনীর রাজহাস
- খ. কালের কলস
- গ. সোনালি কাবিন
- ঘ. অদৃষ্টবাদীদের রান্নাবান্না
উত্তর: গ। কবিতাটি ‘সোনালি কাবিন’ কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত।
118। ‘সৌরভের কাছে পরাজিত’ কী ধরনের রচনা?
- ক. নাটক
- খ. উপন্যাস
- গ. শিশুতোষ গ্রন্থ
- ঘ. ছোটগল্প
উত্তর: ঘ। এটি আল মাহমুদের লেখা একটি ছোটগল্প।
119। আল মাহমুদের জন্ম ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কোন গ্রামে?
- ক. গোকর্ণ গ্রামে
- খ. কসবা গ্রামে
- গ. নবীনগর গ্রামে
- ঘ. মৌড়াইল গ্রামে
উত্তর: ঘ। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার মৌড়াইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
120। আল মাহমুদ রাষ্ট্রীয় কোন কোন বড় পুরস্কারে ভূষিত হন?
- ক. বাংলা একাডেমি পুরস্কার ও একুশে পদক
- খ. জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার
- গ. রবীন্দ্র পুরস্কার
- ঘ. স্বাধীনতা পুরস্কার ও রোকেয়া পদক
উত্তর: ক। তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার, একুশে পদকসহ অসংখ্য পুরস্কার ও সম্মাননায় ভূষিত হন।
