সাহিত্যে খেলা প্রবন্ধের MCQ | HSC বাংলা ১ম পত্র-এর “সাহিত্যে খেলা” প্রবন্ধ থেকে বোর্ড পরীক্ষায় নিয়মিত প্রশ্ন আসে। এই পোস্টে ১২১টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন (MCQ) উত্তর ও ব্যাখ্যাসহ দেওয়া হলো।
সাহিত্যে খেলা প্রবন্ধের বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর (MCQ)
1। প্রমথ চৌধুরীর মতে, সাহিত্যের প্রকৃত উদ্দেশ্য কী?
- ক. পাঠকের মনোরঞ্জন করা
- খ. পাঠককে আনন্দ দান করা
- গ. নীতিবাক্য প্রচার করা
- ঘ. সমাজকে শিক্ষিত করা
উত্তর: খ। লেখকের মতে, সাহিত্যের একমাত্র উদ্দেশ্য সকলকে আনন্দ দেওয়া, কারও মনোরঞ্জন করা বা শিক্ষা দেওয়া নয়।
2। সমাজের মনোরঞ্জন করতে গেলে সাহিত্যের কী পরিণতি হয়?
- ক. সাহিত্যের প্রসার ঘটে
- খ. সাহিত্য কালজয়ী হয়
- গ. সাহিত্য জনপ্রিয় হয়
- ঘ. সাহিত্য স্বধর্মচ্যুত হয়
উত্তর: ঘ। প্রবন্ধ অনুযায়ী, পাঠকের সস্তা মনোরঞ্জন করতে গেলে সাহিত্য তার নিজস্ব বৈশিষ্ট্য বা স্বধর্ম থেকে বিচ্যুত হয়ে পড়ে।
3। \’সাহিত্যে খেলা\’ প্রবন্ধে সাহিত্যের সঙ্গে লেখক প্রধানত কিসের তুলনা করেছেন?
- ক. সাংবাদিকতার
- খ. খেলাধুলার
- গ. ভাস্কর্যের
- ঘ. শিক্ষার
উত্তর: খ। খেলাধুলায় যেমন নিছক আনন্দ ছাড়া অন্য কোনো উদ্দেশ্য থাকে না, সাহিত্যেরও মূল উদ্দেশ্য তেমনি একমাত্র আনন্দ দান করা।
4। বিশ্ববিখ্যাত ফরাসি ভাস্কর রোদ্যাঁ অবসর সময়ে আঙুলের টিপে কী করতেন?
- ক. মাটির পুতুল গড়তেন
- খ. কবিতা লিখতেন
- গ. মার্বেল পাথর কাটতেন
- ঘ. ছবি আঁকতেন
উত্তর: ক। রোদ্যাঁ নিতান্ত জড় প্রস্তর থেকে দেবদানব তৈরির পাশাপাশি হাতের কাদা নিয়ে আঙুলের টিপে মাটির পুতুল তৈরি করতেন।
5। রোদ্যাঁর মাটির পুতুল গড়াকে লেখক কী আখ্যা দিয়েছেন?
- ক. মহৎ কর্ম
- খ. সময় নষ্ট
- গ. শ্রেষ্ঠ শিল্প
- ঘ. তাঁর খেলা
উত্তর: ঘ। বড় শিল্পীরাও যে মাঝে মাঝে উদ্দেশ্যহীন আনন্দে শিল্প সৃষ্টি করেন, লেখক তাকেই \’খেলা\’ বলেছেন।
6। বড় বড় শিল্পীদের সঙ্গে আমাদের (সাধারণদের) তফাত কোথায়?
- ক. তাঁরা অনেক টাকা আয় করেন
- খ. তাঁরা বেশি পরিশ্রম করেন
- গ. তাঁরা শুধু শিব গড়তে পারেন
- ঘ. তাঁদের হাতে এক করতে আর হয় না
উত্তর: ঘ। লেখক বলেছেন, যিনি গড়তে জানেন তিনি শিব বা বাঁদর সবই গড়তে পারেন, তাঁদের কাজে ভুল হয় না।
7। মর্তবাসীদের পক্ষে কোথায় গমন করাটা বিশেষ নিন্দনীয় বলে ধরা হয়?
- ক. পাতালে
- খ. স্বর্গে
- গ. রসাতলে
- ঘ. কলারাজ্যে
উত্তর: গ। দেবতারা ভূতলে এলে আপত্তি নেই, কিন্তু মর্তবাসীরা রসাতলে গেলে সমাজ তা নিন্দনীয় চোখে দেখে।
8। সাধারণ লোকের মন স্বভাবতই কোথায় ঘুরে বেড়াতে চায়?
- ক. গভীর পাতালে
- খ. অনেক উঁচুতে
- গ. যেখানে আছে তারই চারপাশে
- ঘ. স্বপ্নের জগতে
উত্তর: গ। সাধারণ মানুষের মন উঁচুতে উড়তেও চায় না, নিচুতে ডুবতেও চায় না, সে তার চারপাশেই থাকে।
9। সাধারণ লোক সকল রাজ্যেই আমাদের কী পরামর্শ দেয়?
- ক. খেলা করতে
- খ. ডানায় ভর দিয়ে থাকতে
- গ. মাটিতে পা রেখে চলতে
- ঘ. রসাতলে যেতে
উত্তর: খ। সাধারণ মানুষ চায় আমরা যেন সবসময় উঁচুতে বা ডানায় ভর দিয়ে থাকি।
10। কোথায় না চড়লে আমাদের অভিনয় কেউ দেখে না?
- ক. বেদীতে
- খ. কাষ্ঠমঞ্চে
- গ. রঙ্গমঞ্চে
- ঘ. টাউনহলে
উত্তর: গ। প্রাবন্ধিক বলেছেন, রঙ্গমঞ্চে না চড়লে অভিনয় দেখা হয় না এবং বেদীতে না বসলে উপদেশ মানা হয় না।
11। জনসাধারণের চোখের সম্মুখে থাকার লোভে আমরা চব্বিশ ঘণ্টা কোথায় চড়ে থাকতে চাই?
- ক. টঙে
- খ. পাহাড়ে
- গ. মইয়ে
- ঘ. গাছে
উত্তর: ক। সাধারণের নজর কাড়তে আমরা সবসময় উঁচু স্থানে বা টঙে থাকতে চাই।
12। অনেকের পক্ষে মহাপতনের কারণ হয় কোনটি?
- ক. রসাতলে যাওয়া
- খ. খেলাধুলায় মেতে থাকা
- গ. সাহিত্য রচনা করা
- ঘ. আয়ত্তের বহির্ভূত উচ্চস্থানে ওঠার চেষ্টা
উত্তর: ঘ। নিজের সামর্থ্যের বাইরের উঁচু স্থানে ওঠার বৃথা চেষ্টাই মানুষের পতনের কারণ হয়।
13। গান করতে গেলেই যে সুর কোথায় চড়িয়ে রাখতে হবে, এমন কোনো নিয়ম নেই?
- ক. পঞ্চমে
- খ. খাদে
- গ. মধ্যমে
- ঘ. তারায়
উত্তর: ঘ। সবসময় যে উচ্চমার্গের বা গভীর ভাবের প্রকাশ ঘটাতে হবে, এমন কোনো বাধ্যবাধকতা শিল্পে নেই।
14। পৃথিবীর একমাত্র কোন জায়গায় ব্রাহ্মণ-শূদ্রের কোনো প্রভেদ নেই?
- ক. সাহিত্যের ময়দানে
- খ. খেলার ময়দানে
- গ. শিক্ষাক্ষেত্রে
- ঘ. রণক্ষেত্রে
উত্তর: খ। খেলার মাঠে রাখাল ছেলে ও দরিদ্র ছেলের যেমন ভেদাভেদ নেই, তেমনি শিল্পরাজ্যেও সবার অধিকার সমান।
15। সাহিত্যজগতে কোনোরূপ উচ্চ আশা নিয়ে প্রবেশ করলে কী পরিণতি হবে?
- ক. খ্যাতি মিলবে
- খ. নিম্নশ্রেণিতে পড়ে যেতে হবে
- গ. অর্থ লাভ হবে
- ঘ. রাজ-রাজড়ার দলে মিশে যাবে
উত্তর: খ। কেবলমাত্র খেলার ছলে সাহিত্যজগতে প্রবেশ করলেই রাজ-রাজড়ার দলে মেশা যায়, উচ্চ আশা নিয়ে গেলে পতন ঘটে।
16। লেখকেরা দশের কাছে কীসের প্রত্যাশা রাখেন?
- ক. হাততালির
- খ. উপদেশের
- গ. খেলনার
- ঘ. অর্থের
উত্তর: ক। লেখকেরা যথার্থ সামাজিক জীব, তাই তাঁরা পাঠকের বাহবা বা হাততালি না পেলে মনঃক্ষুণ্ণ হন।
17। বিশ্বমানবের মনের সঙ্গে নিত্য নূতন সম্বন্ধ পাতানো কার নিত্যনৈমিত্তিক কর্ম?
- ক. দার্শনিকের
- খ. রাজনীতিকের
- গ. কবির
- ঘ. শিক্ষকের
উত্তর: গ। কবি তাঁর সৃষ্টির মাধ্যমে বিশ্বমানবের মনের সাথে এক আত্মিক সম্পর্ক তৈরি করেন।
18। কবির গোপন কথাটি গীতিকবিতাতে কীভাবে উচ্চারিত হয়?
- ক. রঙ্গভূমির স্বগতোক্তি স্বরূপে
- খ. উপদেশের মতো
- গ. বক্তৃতার মাধ্যমে
- ঘ. উচ্চৈঃস্বরে
উত্তর: ক। গীতিকবিতায় কবির একান্ত ব্যক্তিগত কথা স্বগতোক্তির মতো প্রকাশিত হয়ে হাজারো মানুষের মর্মে প্রবেশ করে।
19। টাউনহলের বক্তৃতার উদ্দেশ্য কেমন বলে লেখক উল্লেখ করেছেন?
- ক. অতি মহৎ
- খ. চিত্তাকর্ষক
- গ. উদ্দেশ্যবিহীন
- ঘ. অর্থশূন্য
উত্তর: ক। টাউনহলের বক্তৃতা মহৎ উদ্দেশ্যে দেওয়া হয়, কিন্তু সেখানে মানুষের ভিড় কম থাকে।
20। গড়ের মাঠের খেলোয়াড়দের ছুটোছুটি আগাগোড়া কেমন?
- ক. সুপরিকল্পিত
- খ. শিক্ষামূলক
- গ. অর্থশূন্য এবং উদ্দেশ্যবিহীন
- ঘ. অত্যন্ত মহৎ
উত্তর: গ। খেলার কোনো ব্যবহারিক বা বৈষয়িক উদ্দেশ্য নেই, তা নিছকই আনন্দ লাভের জন্য অর্থশূন্য কাজ।
21। মানুষের দেহমনের সকল প্রকার ক্রিয়ার মধ্যে কোনটি শ্রেষ্ঠ?
- ক. ক্রীড়া বা খেলা
- খ. শিক্ষা
- গ. সাহিত্য
- ঘ. বক্তৃতা
উত্তর: ক। খেলা শ্রেষ্ঠ কারণ এটি উদ্দেশ্যহীন; এতে এক আনন্দ ব্যতীত অপর কোনো ফলের আকাঙ্ক্ষা থাকে না।
22। যে খেলার ভিতর আনন্দ নেই কিন্তু উপরি পাওনার আশা আছে, তার নাম কী?
- ক. ছেলেখেলা
- খ. পেশাদার খেলা
- গ. অভিনয়
- ঘ. জুয়াখেলা
উত্তর: ঘ। বৈষয়িক লাভ বা উপরি পাওনার আশায় যা করা হয় তা খেলা নয়, জুয়া।
23। স্বার্থ এবং পরার্থ—এ দুয়ের যুগপৎ সাধনের জন্য আমাদের সর্বপ্রধান কর্তব্য কী?
- ক. টাউনহলে বক্তৃতা দেওয়া
- খ. সমাজ সংস্কার করা
- গ. শিক্ষাদান করা
- ঘ. মনোজগতে খেলা করা
উত্তর: ঘ। মনোজগতে খেলার মাধ্যমেই নিজের ও অপরের (পাঠকের) আনন্দ লাভ বা স্বার্থ-পরার্থ সাধিত হয়।
24। যিনি কার্য-উদ্ধারের অভিপ্রায়ে লেখনী ধারণ করেন, তিনি কী বোঝেন না?
- ক. পাঠকের রুচি
- খ. গীতের মর্ম ও গীতার ধর্ম
- গ. সাহিত্যের মর্ম
- ঘ. সমাজের হালচাল
উত্তর: খ। স্বার্থ বা উদ্দেশ্য নিয়ে সাহিত্য রচনা করলে সাহিত্যের মূল নিষ্কাম ধর্মটি ক্ষুণ্ন হয়।
25। জীবজগতে একমাত্র নিষ্কাম কর্ম এবং মোক্ষলাভের একমাত্র উপায় কোনটি?
- ক. তপস্যা
- খ. জ্ঞানার্জন
- গ. দান
- ঘ. খেলা
উত্তর: ঘ। খেলা হচ্ছে ফলাকাঙ্ক্ষাহীন কাজ বা নিষ্কাম কর্ম, তাই এটি মোক্ষলাভের উপায়।
26। ভগবানের বিশ্ব সৃজন করার মূলে কী রয়েছে?
- ক. নিজেকে জাহির করা
- খ. তাঁর অভাব দূর করা
- গ. মানুষকে পরীক্ষা করা
- ঘ. তাঁর লীলামাত্র বা অন্তরাত্মার স্ফূর্তি
উত্তর: ঘ। ভগবানের কোনো অভাব নেই, সৃষ্টি হলো কেবলই তাঁর লীলা বা আনন্দের প্রকাশ।
27। কাব্যের বাজারে কীসে ছেয়ে গেছে বলে লেখক মন্তব্য করেছেন?
- ক. দর্শনের বেলুনে
- খ. কাব্যের ঝুমঝুমিতে
- গ. নীতির টিনের ভেঁপুতে
- ঘ. বিজ্ঞানের চুষিকাঠিতে
উত্তর: খ। সাহিত্যের স্বধর্মচ্যুতির উদাহরণ দিতে গিয়ে লেখক কাব্যের ক্ষেত্রে \’ঝুমঝুমি\’ শব্দটি ব্যবহার করেছেন।
28। প্রমথ চৌধুরীর মতে, বিজ্ঞানের খেলনা কোনটি?
- ক. ন্যাকড়ার পুতুল
- খ. রাঙালাঠি
- গ. ঝুমঝুমি
- ঘ. চুষিকাঠি
উত্তর: ঘ। লেখক বিজ্ঞানকে \’বিজ্ঞানের চুষিকাঠি\’ হিসেবে ব্যঙ্গ করেছেন যা দিয়ে পাঠকের মনোরঞ্জন করা হচ্ছে।
29। \’ইতিহাসের ন্যাকড়ার পুতুল\’—এখানে ইতিহাসকে কী অর্থে ব্যবহার করা হয়েছে?
- ক. অতি মূল্যবান সম্পদ হিসেবে
- খ. সত্য ঘটনা হিসেবে
- গ. সস্তা খেলনা হিসেবে
- ঘ. শিক্ষণীয় বিষয় হিসেবে
উত্তর: গ। ইতিহাসকে যখন সাহিত্যের নামে মনোরঞ্জনের জন্য বিকৃত করা হয়, তখন তা ন্যাকড়ার পুতুলে পরিণত হয়।
30। পাঠকের মনোরঞ্জনের জন্য সাহিত্য রচনা করলে পাঠকের কী হতে পারে?
- ক. মনতুষ্টি হতে পারে
- খ. জ্ঞান বৃদ্ধি পায়
- গ. নৈতিক পতন ঘটে
- ঘ. সাহিত্যবোধ তৈরি হয়
উত্তর: ক। খেলনা পেয়ে পাঠকের মনতুষ্টি হতে পারে সাময়িকভাবে, কিন্তু লেখকের মনতুষ্টি হয় না।
31। পাঠক সমাজ আজ যে খেলনা আদর করে, কাল তার সাথে কী আচরণ করে?
- ক. অন্যকে উপহার দেয়
- খ. সযত্নে তুলে রাখে
- গ. পূজা করে
- ঘ. ভেঙে ফেলে
উত্তর: ঘ। সস্তা মনোরঞ্জনের বস্তুর আয়ু খুবই কম, পাঠক দ্রুতই তা ছুড়ে ফেলে বা ভেঙে ফেলে।
32। পাঠক সমাজকে আনন্দ দিতে গেলে তারা প্রায়শই কী বোধ করে থাকেন?
- ক. ক্লান্তি
- খ. বেদনা
- গ. বিরক্তি
- ঘ. ক্ষোভ
উত্তর: খ। প্রকৃত সাহিত্য বা কাব্যজগতে আনন্দের রূপ অনেক সময় বেদনার মধ্য দিয়ে অনুভূত হয়।
33। কাব্যজগতে যার নাম আনন্দ, তারই নাম কী?
- ক. মুক্তি
- খ. হাসি
- গ. শিক্ষা
- ঘ. বেদনা
উত্তর: ঘ। খাঁটি সাহিত্যের রস আস্বাদন করতে গেলে আনন্দের তীব্রতা বেদনার রূপ নেয়।
34। এ যুগে পাঠক যেহেতু জনসাধারণ, তাই তাদের মনোরঞ্জন করতে হলে কী গড়তে হবে?
- ক. অতি সস্তা খেলনা
- খ. মহাকাব্য
- গ. কঠিন দর্শন
- ঘ. উচ্চাঙ্গের সাহিত্য
উত্তর: ক। জনসাধারণের সস্তা রুচি মেটাতে গিয়ে সাহিত্যকে খেলো বা সস্তা খেলনায় পরিণত করতে হয়।
35। শূদ্র পাঠকের মনোরঞ্জন করা কাদের পক্ষে সংগত বলে লেখক ব্যঙ্গ করেছেন?
- ক. ক্ষত্রিয় লেখকের
- খ. বৈশ্য লেখকের
- গ. বিদেশি লেখকের
- ঘ. ব্রাহ্মণ লেখকের
উত্তর: খ। বৈশ্যরা যেমন ব্যবসা করে, তেমনি যারা অর্থের লোভে সস্তা সাহিত্য লেখে তাদের বৈশ্য লেখক বলা হয়েছে।
36। সাহিত্যের উদ্দেশ্য কী নয় বলে প্রমথ চৌধুরী স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন?
- ক. মনোজগতে খেলা করা
- খ. লোককে শিক্ষা দেওয়া
- গ. বিশ্বমানবের সাথে সম্বন্ধ পাতানো
- ঘ. আনন্দ দান
উত্তর: খ। লেখকের মতে, সাহিত্য ও শিক্ষার ধর্মকর্ম সম্পূর্ণ আলাদা; সাহিত্যের কাজ শিক্ষা দেওয়া নয়।
37। কার মতিগতি শিক্ষকের মতিগতির সম্পূর্ণ বিপরীত?
- ক. ঐতিহাসিকের
- খ. কবির
- গ. বিজ্ঞানীর
- ঘ. পাঠকের
উত্তর: খ। শিক্ষক নিয়মবদ্ধ শিক্ষা দেন, আর কবি স্বাধীনভাবে আনন্দ সৃষ্টি করেন।
38। স্কুল না বন্ধ হলে কিসের সময় আসে না?
- ক. খেলার
- খ. ঘুমের
- গ. পড়ার
- ঘ. পরীক্ষার
উত্তর: ক। শিক্ষার বাধ্যবাধকতা শেষ হলেই স্বাধীন আনন্দের বা খেলার সুযোগ আসে।
39। লোকে শিক্ষা কীভাবে গলাধঃকরণ করতে বাধ্য হয়?
- ক. আগ্রহের সাথে
- খ. নিতান্ত অনিচ্ছা সত্ত্বেও
- গ. সানন্দে
- ঘ. স্বেচ্ছায়
উত্তর: খ। শিক্ষা মানুষের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাই তা অনিচ্ছায় গ্রহণ করতে হয়।
40। শাস্ত্র মতে কাব্যরস কী?
- ক. ঔষধ
- খ. বিষ
- গ. অমৃত
- ঘ. জল
উত্তর: গ। কাব্যরস অমৃতের মতো, তাই মানুষ স্বেচ্ছায় ও সানন্দে তা পান করে।
41। শিক্ষার উদ্দেশ্য কী?
- ক. আনন্দ দেওয়া
- খ. মনকে জাগানো
- গ. বিশ্বের খবর জানানো
- ঘ. মনোরঞ্জন করা
উত্তর: গ। শিক্ষকের কাজ হলো মানুষের কাছে জাগতিক তথ্য বা খবর পৌঁছে দেওয়া।
42। সাহিত্যের উদ্দেশ্য মানুষের মনকে কী করা?
- ক. নীতি শেখানো
- খ. ঘুমানো
- গ. বিশ্বের খবর জানানো
- ঘ. জাগানো
উত্তর: ঘ। সাহিত্য মানুষের মনকে খবর দেয় না, বরং তার অনুভূতিগুলোকে জাগ্রত করে।
43। অপরের মনের অভাব পূর্ণ করবার উদ্দেশ্যেই কার জন্ম হয়েছে?
- ক. সাহিত্যের
- খ. খেলার
- গ. শিক্ষকের হস্তে শিক্ষার
- ঘ. কাব্যের
উত্তর: গ। মানুষের অজ্ঞতা বা অভাব মেটানোর জন্যই শিক্ষার উদ্ভব।
44। কবির নিজের মনের পরিপূর্ণতা হতেই কিসের উৎপত্তি?
- ক. সাহিত্যের
- খ. বিজ্ঞানের
- গ. নীতির
- ঘ. দর্শনের
উত্তর: ক। সাহিত্য কোনো অভাব থেকে নয়, বরং মনের আনন্দ বা পরিপূর্ণতার উদ্বৃত্ত থেকে জন্ম নেয়।
45। বাল্মীকি আদিতে কাদের জন্য রামায়ণ রচনা করেছিলেন?
- ক. শিশুদের জন্য
- খ. রাজাদের জন্য
- গ. জনসাধারণের জন্য
- ঘ. মুনি-ঋষিদের জন্য
উত্তর: ঘ। রামায়ণ কোনো সাধারণ শিক্ষার জন্য নয়, মুনি-ঋষিদের আনন্দের জন্য রচিত হয়েছিল।
46। রামায়ণ শ্রবণ করে মহর্ষিরা আনন্দে আত্মহারা হয়ে কুশীলবকে কী দিয়েছিলেন?
- ক. কৌপীন পর্যন্ত পেলা (যথাসর্বস্ব)
- খ. আশীর্বাদ
- গ. রাজ্য
- ঘ. স্বর্ণমুদ্রা
উত্তর: ক। কাব্যের আনন্দ এতটাই তীব্র ছিল যে তাঁরা নিজেদের সর্বস্ব কুশীলবদের দান করেছিলেন।
47। রামায়ণ কাব্য হিসেবে অমর হওয়ার প্রধান কারণ কী?
- ক. এটি নীতি শিক্ষা দেয়
- খ. এটি ঐতিহাসিক তথ্য দেয়
- গ. আনন্দের ধর্ম সংক্রামক
- ঘ. এটি ছন্দে লেখা
উত্তর: গ। রামায়ণের আদি আনন্দ আজও সংক্রামকভাবে মানুষের মনে সঞ্চারিত হয়।
48। লাখে একজনও কোন গ্রন্থের ছায়া মাড়ান না বলে লেখক উল্লেখ করেছেন?
- ক. মহাভারত
- খ. গীতা
- গ. যোগবশিষ্ঠ রামায়ণ
- ঘ. রামায়ণ
উত্তর: গ। যোগবশিষ্ঠ রামায়ণ নিছক শিক্ষা দেওয়ার উদ্দেশ্যে রচিত হয়েছিল বলে কেউ তা পড়ে আনন্দ পায় না।
49। সাহিত্য কস্মিনকালেও কিসের ভার নেয়নি?
- ক. আনন্দ দানের
- খ. স্কুলমাস্টারির
- গ. খেলাধুলার
- ঘ. মনোরঞ্জনের
উত্তর: খ। সাহিত্য কখনো স্কুলশিক্ষকের মতো জ্ঞান বিতরণের দায়িত্ব নেয় না।
50। দুঃখের বিষয় হলো, একালে সাহিত্যের ভার কারা নিয়েছেন?
- ক. প্রকাশকেরা
- খ. সাধারণ পাঠকেরা
- গ. স্কুলমাস্টারেরা
- ঘ. রাজনীতিবিদরা
উত্তর: গ। বর্তমান যুগে শিক্ষকরাই সাহিত্যকে শিক্ষার উপকরণ বানিয়ে ফেলেছেন।
51। কাব্যরস নামক অমৃতে আমাদের অরুচি জন্মেছে কেন?
- ক. এ যুগের স্কুল এবং তার মাস্টারের কারণে
- খ. মানুষের সময় না থাকায়
- গ. আধুনিক প্রযুক্তির কারণে
- ঘ. কাব্যের মান খারাপ হওয়ায়
উত্তর: ক। শিক্ষকরা কাব্যকে ব্যবচ্ছেদ করে তার আনন্দ নষ্ট করে দিচ্ছেন।
52। কাব্য কিসের জিনিস?
- ক. পড়বার ও বুঝবার
- খ. মুখস্থ করার
- গ. পরীক্ষায় পাসের
- ঘ. বই পড়ানো ও বোঝানোর
উত্তর: ক। কাব্য নিজে পড়ে অনুভব করার জিনিস, অন্যকে শেখানোর বস্তু নয়।
53। কাদের কৃপায় আমাদের সঙ্গে কবির মনের মিলন দূরে থাক, চার চক্ষুর মিলনও ঘটে না?
- ক. অনুবাদকদের
- খ. প্রকাশকদের
- গ. স্কুলমাস্টার রূপ মধ্যস্থদের
- ঘ. সমালোচকদের
উত্তর: গ। শিক্ষকরা লেখক ও পাঠকের মাঝে দেয়াল হয়ে দাঁড়ান।
54। স্কুলঘরে আমরা কাব্যের রূপ দেখতে পাই না, শুধু কী শুনি?
- ক. দোষ
- খ. গুণ
- গ. ইতিহাস
- ঘ. ছন্দ
উত্তর: খ। শিক্ষকরা কাব্যের সৌন্দর্য না দেখিয়ে শুধু তার ব্যাকরণ বা নীতিগত গুণের কথা বলেন।
55। কিসের প্রসাদে আমরা কাব্য সম্বন্ধে সকল নিগূঢ় তত্ত্ব জানি, কিন্তু সে কী বস্তু তা চিনি নে?
- ক. পত্রিকার
- খ. মুখস্থ বিদ্যার
- গ. টীকা-ভাষ্যের
- ঘ. লাইব্রেরির
উত্তর: গ। নোটবই ও টীকা-ভাষ্য পড়ে কাব্যের তথ্য জানা যায়, কিন্তু কাব্যের আসল রস বা প্রাণ চেনা যায় না।
56। শিক্ষকদের বৈজ্ঞানিক প্রমাণ অনুযায়ী, পাথুরে কয়লা হীরার কী?
- ক. সগোত্র
- খ. পিতা
- গ. সহোদর
- ঘ. যমজ
উত্তর: ক। বিজ্ঞান বলে কয়লা ও হীরা উভয়েই কার্বন, তাই তারা সগোত্র। এটি দিয়ে লেখক সাহিত্য বিশ্লেষণে বিজ্ঞানের অপপ্রয়োগ বুঝিয়েছেন।
57। হীরক ও কাচ যমজ হলেও কী নয়?
- ক. সমবর্ণ
- খ. সমমূল্যের
- গ. সগোত্র
- ঘ. সহোদর
উত্তর: ঘ। দেখতে এক হলেও তাদের উৎপত্তি সম্পূর্ণ ভিন্ন।
58। হীরা ও কাচের ভিতর কী ধরনের সম্বন্ধ ব্যতীত অপর কোনো সম্বন্ধ নেই?
- ক. আত্মার সম্বন্ধ
- খ. মধুর সম্বন্ধ
- গ. দা-কুমড়ার সম্বন্ধ
- ঘ. রক্তের সম্বন্ধ
উত্তর: গ। একটি প্রাকৃতিক মহামূল্যবান রত্ন, অন্যটি মানুষের তৈরি সাধারণ বস্তু, তাই এদের সাপে-নেউলে বা দা-কুমড়া সম্পর্ক।
59। আমরা সাহিত্যে কাচকে কী বলে নিত্য ভুল করি?
- ক. পান্না
- খ. সোনা
- গ. কয়লা
- ঘ. হীরা
উত্তর: ঘ। প্রকৃত সাহিত্য (হীরা) এবং নকল সাহিত্যের (কাচ) পার্থক্য আমরা শিক্ষকদের শেখানো নিয়মে বুঝতে পারি না।
60। শিক্ষকের কাজ হচ্ছে প্রথমে কাব্যের কী করা?
- ক. অর্থ বোঝানো
- খ. সুর দেওয়া
- গ. গুণগান করা
- ঘ. বধ করা
উত্তর: ঘ। শিক্ষক কাব্যের প্রাণবন্ত রূপটিকে ব্যাকরণ ও তত্ত্ব দিয়ে নির্দয়ভাবে মেরে ফেলেন বা বধ করেন।
61। কাব্যের শবচ্ছেদের পর শিক্ষক কী করেন?
- ক. তত্ত্ব আবিষ্কার ও প্রচার করেন
- খ. নতুন কবিতা লেখেন
- গ. তা ছুড়ে ফেলে দেন
- ঘ. কবিতাটি মুখস্থ করান
উত্তর: ক। মৃতদেহ বা শব ব্যবচ্ছেদ করে যেমন ডাক্তার রোগ খোঁজেন, শিক্ষকও কাব্যের ব্যবচ্ছেদ করে নীতি বা তত্ত্ব বের করেন।
62। \”সাহিত্য ছেলের হাতের খেলনাও নয়, গুরুর হাতের\…\”—কী নয়?
- ক. বেত
- খ. ডাস্টার
- গ. চক
- ঘ. বই
উত্তর: ক। সাহিত্য দিয়ে সস্তা মনোরঞ্জন (খেলনা) বা কঠোর শাসন (বেত) কোনোটিই করা যায় না।
63। লেখকের মতে, বস্তুর জ্ঞান কিসের সাপেক্ষ?
- ক. প্রমাণসাপেক্ষ
- খ. অনুভূতিসাপেক্ষ
- গ. বিজ্ঞানসাপেক্ষ
- ঘ. তর্কসাপেক্ষ
উত্তর: খ। সাহিত্য বা কাব্যের প্রকৃত রূপ তর্কের মাধ্যমে নয়, কেবল অনুভূতির মাধ্যমেই উপলব্ধি করা যায়।
64। প্রবন্ধের শেষে জনৈক শিক্ষাভক্ত বন্ধু কী সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন?
- ক. সাহিত্য সমাজ বদলায়
- খ. সাহিত্য শিক্ষা দেয় না
- গ. সাহিত্য খেলাচ্ছলে শিক্ষা দেয়
- ঘ. সাহিত্য মনোরঞ্জন করে
উত্তর: গ। প্রবন্ধের উপসংহারে লেখকের বন্ধুর এই মন্তব্যটি উল্লেখ করা হয়েছে, যা সাহিত্যের আনন্দ ও শিক্ষার এক মিশ্রণ বোঝায়।
65। \’সবুজপত্র\’ পত্রিকা কত সালে প্রথম প্রকাশিত হয়?
- ক. ১৯১০
- খ. ১৯২০
- গ. ১৯১৪
- ঘ. ১৯৪৬
উত্তর: গ। লেখক পরিচিতিতে বলা হয়েছে \’সবুজপত্র\’ ১৯১৪ সালে প্রকাশিত হয়।
66। বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষারীতির প্রথম মুখপত্র কোন পত্রিকা?
- ক. সবুজপত্র
- খ. ভারতী
- গ. কল্লোল
- ঘ. বঙ্গদর্শন
উত্তর: ক। প্রমথ চৌধুরী সম্পাদিত \’সবুজপত্র\’ চলিত গদ্যরীতির প্রসারে মুখ্য ভূমিকা রাখে।
67। প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম কী ছিল?
- ক. ভানুসিংহ
- খ. নীললোহিত
- গ. বীরবল
- ঘ. টেকচাঁদ ঠাকুর
উত্তর: গ। তিনি \’বীরবল\’ ছদ্মনামে বহু রম্যরচনা লিখেছেন।
68। \’চার ইয়ারী কথা\’ গ্রন্থটি কার রচনা?
- ক. প্রমথ চৌধুরী
- খ. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
- গ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- ঘ. কাজী নজরুল ইসলাম
উত্তর: ক। এটি প্রমথ চৌধুরীর একটি বিখ্যাত গদ্যগ্রন্থ।
69। প্রমথ চৌধুরীর পৈত্রিক নিবাস কোথায় ছিল?
- ক. পাবনা জেলার হরিপুর গ্রামে
- খ. চব্বিশ পরগনার কাঁঠালপাড়ায়
- গ. যশোরের সাগরদাঁড়িতে
- ঘ. কুষ্টিয়ার শিলাইদহে
উত্তর: ক। লেখক পরিচিতি অনুযায়ী তাঁর পৈত্রিক বাড়ি পাবনায়।
70। \’সনেট পঞ্চাশৎ\’ প্রমথ চৌধুরীর কী ধরনের রচনা?
- ক. নাটক
- খ. গল্পগ্রন্থ
- গ. প্রবন্ধগ্রন্থ
- ঘ. কাব্যগ্রন্থ
উত্তর: ঘ। এটি তাঁর রচিত সনেটের সংকলন বা কাব্যগ্রন্থ।
71। স্কুলমাস্টাররা কাব্যের প্রতি কী অবিচার করেন?
- ক. তারা কাব্যের শবচ্ছেদ করে তত্ত্ব আবিষ্কার করেন
- খ. তারা পাঠক ও কবির মাঝে বাধা হয়ে দাঁড়ান
- গ. তারা কাব্যকে বধ করেন
- ঘ. সবগুলো সঠিক
উত্তর: ঘ। শিক্ষকরা কবিতার রস আস্বাদন না করিয়ে এর ব্যবচ্ছেদ করে তত্ত্ব খোঁজেন, ফলে কবির সাথে পাঠকের মিলন ঘটে না।
72। \’অবতীর্ণ\’ শব্দের অর্থ কী?
- ক. আকাশ থেকে পড়া
- খ. পাহাড় থেকে নামা
- গ. অবতার হিসেবে মানুষের মূর্তিতে নেমে আসা
- ঘ. জলে ডোবা
উত্তর: গ। শব্দার্থ অনুযায়ী অবতীর্ণ মানে অবতার হয়ে নেমে আসা।
73। \’মর্তবাসী\’ কারা?
- ক. সমুদ্রের প্রাণী
- খ. নরকের কীট
- গ. স্বর্গের দেবতা
- ঘ. মাটির পৃথিবীর অধিবাসী
উত্তর: ঘ। যারা মর্ত বা পৃথিবীতে বাস করে।
74। \’প্রবৃত্তি\’ শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
- ক. বাধা
- খ. মুক্তি
- গ. নিবৃত্তি
- ঘ. অভিরুচি বা ঝোঁক
উত্তর: ঘ। প্রবৃত্তি মানে কোনো কিছুর প্রতি মানুষের স্বাভাবিক আকর্ষণ বা ইচ্ছা।
75। \’অগত্যা\’ শব্দের অর্থ কী?
- ক. দ্রুতগতিতে
- খ. অন্য উপায় না থাকায় বা বাধ্য হয়ে
- গ. অতীত কালে
- ঘ. আনন্দের সাথে
উত্তর: খ। শব্দার্থ অংশে বলা হয়েছে অগত্যা মানে নিরুপায় বা বাধ্য হয়ে।
76। \’রঙ্গভূমি\’ বলতে কী বোঝায়?
- ক. অভিনয় প্রদর্শনের স্থান বা আমোদ-প্রমোদের জায়গা
- খ. যুদ্ধের মাঠ
- গ. স্কুলঘর
- ঘ. রঙের দোকান
উত্তর: ক। যেখানে নাটক বা অভিনয় হয় তাকে রঙ্গভূমি বলে।
77। \’স্বগতোক্তি\’ কাকে বলে?
- ক. বক্তৃতা দেওয়া
- খ. জোরে জোরে পড়া
- গ. অন্যের সাথে তর্ক করা
- ঘ. আপন মনে নিজে নিজে কথা বলা
উত্তর: ঘ। নাটকে পাত্রপাত্রী যখন নিজের মনে কথা বলে যা অন্য চরিত্রের শোনার কথা নয়।
78। \’জীবাত্মা\’ কোথায় অবস্থান করে?
- ক. স্বর্গে
- খ. প্রাণীর দেহে
- গ. বিশ্বব্রহ্মাণ্ডে
- ঘ. পাতালে
উত্তর: খ। প্রাণীর দেহে অবস্থানকারী আত্মাই জীবাত্মা।
79। \’পরমাত্মা\’ বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে?
- ক. ঋষিকে
- খ. মানুষকে
- গ. পরম ব্রহ্ম বা ঈশ্বরকে
- ঘ. দেবতাকে
উত্তর: গ। পরমাত্মা হলেন সৃষ্টিকর্তা বা ঈশ্বর।
80। \’খেলো করা\’ কথাটির অর্থ কী?
- ক. গুরুত্বহীন বা অসার করা
- খ. খেলনা তৈরি করা
- গ. সম্মান দেওয়া
- ঘ. খেলাধুলা করা
উত্তর: ক। কোনো কিছুকে সস্তা বা মানহীন করে ফেলা।
81। \’মতিগতি\’ বলতে কী বোঝায়?
- ক. স্থির থাকা
- খ. ইচ্ছা ও প্রবণতা
- গ. বুদ্ধি কমে যাওয়া
- ঘ. দ্রুত হাঁটা
উত্তর: খ। মানুষের মনের ইচ্ছা বা স্বভাবকে মতিগতি বলা হয়।
82। \’গলাধঃকরণ\’ শব্দের অর্থ কী?
- ক. চিৎকার করা
- খ. গলার স্বর নিচু করা
- গ. গলায় দড়ি দেওয়া
- ঘ. ভক্ষণ বা পান করা (গিলে ফেলা)
উত্তর: ঘ। কোনো কিছু গিলে ফেলা, প্রবন্ধে জোর করে শিক্ষা গেলানোর অর্থে ব্যবহৃত।
83। \’বাল্মীকি\’ যৌবনে কী করতেন?
- ক. ব্যবসা করতেন
- খ. দস্যুতা করতেন
- গ. রাজা ছিলেন
- ঘ. কৃষিকাজ করতেন
উত্তর: খ। শব্দার্থের টীকায় উল্লেখ আছে বাল্মীকি যৌবনে দস্যুতা (রত্নাকর দস্যু) করতেন।
84। \’কুশীলব\’ কারা?
- ক. নট বা অভিনেতা (রামায়ণের গায়ক)
- খ. দর্শক
- গ. লেখক
- ঘ. ঋষি
উত্তর: ক। কুশীলব বলতে অভিনেতা বা যারা রামায়ণ গান গেয়ে শুনিয়েছিলেন তাদের বোঝায়।
85। \’কৌপীন\’ শব্দের অর্থ কী?
- ক. রাজমুকুট
- খ. সোনার গহনা
- গ. চাদর
- ঘ. ল্যাঙট বা সন্ন্যাসীর পরিধেয় অতি সামান্য বস্ত্র
উত্তর: ঘ। শব্দার্থ অংশে কৌপীন মানে ল্যাঙট বলা হয়েছে।
86। \’কস্মিনকালেও\’ শব্দের অর্থ কী?
- ক. ভবিষ্যতে
- খ. সবসময়
- গ. কোনো সময়েই বা কখনও
- ঘ. প্রাচীনকালে
উত্তর: গ। কস্মিনকালেও বলতে কখনও বা কোনো কালেও বোঝায়।
87। \’নিগূঢ়\’ তত্ত্ব বলতে কেমন তত্ত্ব বোঝায়?
- ক. অগভীর
- খ. সহজ ও সরল
- গ. ভুল তত্ত্ব
- ঘ. দুর্জ্ঞেয়, গভীর ও প্রচ্ছন্ন
উত্তর: ঘ। যা সহজে বোঝা যায় না, অত্যন্ত গভীর।
88। \’অনুভূতিসাপেক্ষ\’ বলতে কী বোঝায়?
- ক. যা তর্কের মাধ্যমে বুঝতে হয়
- খ. যা অনুভূতির সাহায্যে উপলব্ধি করতে হয়
- গ. যা প্রমাণ করা যায়
- ঘ. যা চোখে দেখা যায়
উত্তর: খ। যা কেবল হৃদয় দিয়ে অনুভব করা যায়।
89। \’তর্কসাপেক্ষ\’ অর্থ কী?
- ক. যা অনুভব করতে হয়
- খ. যা দেখা যায় না
- গ. তর্কের মাধ্যমে বিচার বিবেচনা করতে হয় এমন
- ঘ. যা বিনা তর্কে মানা যায়
উত্তর: গ। যে বিষয়ে যুক্তিতর্কের মাধ্যমে সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে হয়।
90। \’সুর তারায় চড়িয়ে রাখতে হবে\’—কথাটির অর্থ কী?
- ক. গান বন্ধ করতে হবে
- খ. আকাশে তারার দিকে তাকাতে হবে
- গ. সুর উচ্চ সপ্তকে ধরে রাখতে হবে
- ঘ. সুর নিচু গ্রামে গাইতে হবে
উত্তর: গ। কণ্ঠের স্বর সবচেয়ে উঁচুতে বা তারসপ্তকে রাখা।
91। \’গতায়াত\’ শব্দের আভিধানিক অর্থ কী?
- ক. আঘাত করা
- খ. ঘুমিয়ে পড়া
- গ. গান গাওয়া
- ঘ. যাতায়াত
উত্তর: ঘ। গতায়াত মানে গত ও আয়াত অর্থাৎ যাওয়া ও আসা।
92। প্রদত্ত পাঠ অনুযায়ী, প্রমথ চৌধুরী কত খ্রিষ্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন?
- ক. ১৮৬৪
- খ. ১৮৬৮
- গ. ১৯৬৮
- ঘ. ১৯১৪
উত্তর: গ। প্রদত্ত পাঠ বা সোর্স টেক্সটে মুদ্রণপ্রমাদ হিসেবে তাঁর জন্মসাল \”১৯৬৮ খ্রিষ্টাব্দে\” লেখা আছে। (যদিও প্রকৃত ইতিহাস ১৮৬৮)।
93। প্রমথ চৌধুরী কত খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন?
- ক. ১৯৪১
- খ. ১৯৫২
- গ. ১৯৬৮
- ঘ. ১৯৪৬
উত্তর: ঘ। পাঠ অনুযায়ী তিনি ১৯৪৬ সালে মারা যান।
94। প্রমথ চৌধুরীর জন্মস্থান কোথায়?
- ক. যশোরে
- খ. কুষ্টিয়ায়
- গ. পাবনায়
- ঘ. কলকাতায়
উত্তর: ক। প্রদত্ত পাঠে বলা আছে তাঁর পৈত্রিক নিবাস পাবনা হলেও তিনি যশোরে জন্মগ্রহণ করেন।
95। \’সাহিত্যে খেলা\’ প্রবন্ধটি কোন পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়?
- ক. বঙ্গদর্শন
- খ. তত্ত্ববোধিনী
- গ. সমাচার দর্পণ
- ঘ. সবুজপত্র
উত্তর: ঘ। পাঠ পরিচিতি অনুযায়ী এটি সবুজপত্র পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
96। \’সাহিত্যে খেলা\’ প্রবন্ধটি সবুজপত্র পত্রিকায় কত বঙ্গাব্দে প্রকাশিত হয়?
- ক. ১৩১৪ বঙ্গাব্দের বৈশাখ সংখ্যায়
- খ. ১৩২০ বঙ্গাব্দের আষাঢ় সংখ্যায়
- গ. ১৩২২ বঙ্গাব্দের শ্রাবণ সংখ্যায়
- ঘ. ১৩৪৬ বঙ্গাব্দের ফাল্গুন সংখ্যায়
উত্তর: গ। এটি ১৩২২ বঙ্গাব্দের (১৯১৫ খ্রিষ্টাব্দ) শ্রাবণ সংখ্যায় ছাপা হয়।
97। \’সাহিত্যে খেলা\’ প্রবন্ধটি পরে প্রমথ চৌধুরীর কোন গ্রন্থে সংকলিত হয়?
- ক. প্রবন্ধসংগ্রহ
- খ. রায়তের কথা
- গ. তেল-নুন-লকড়ি
- ঘ. বীরবলের হালখাতা
উত্তর: ক। পাঠ পরিচিতিতে বলা হয়েছে এটি ১৯৫২ সালে \’প্রবন্ধসংগ্রহ\’ বইয়ে সংকলিত হয়।
98। \’তেল-নুন-লকড়ি\’ গ্রন্থটি কার লেখা?
- ক. প্রমথ চৌধুরী
- খ. বঙ্কিমচন্দ্র
- গ. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
- ঘ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
উত্তর: ক। এটি প্রমথ চৌধুরীর অন্যতম বিখ্যাত গদ্যগ্রন্থ।
99। প্রমথ চৌধুরীকে বাংলা সাহিত্যে কী হিসেবে বিশিষ্ট আসন দেওয়া হয়েছে?
- ক. মহাকবি হিসেবে
- খ. গল্পকার ও সনেটকার হিসেবে
- গ. নাট্যকার হিসেবে
- ঘ. ঔপন্যাসিক হিসেবে
উত্তর: খ। তাঁর গল্পগ্রন্থ ও \’সনেট পঞ্চাশৎ\’ তাঁকে এই মর্যাদা দিয়েছে।
100। \’সবুজপত্র\’ পত্রিকায় প্রমথ চৌধুরী ছাড়া সমকালীন আর কোন বিখ্যাত মননশীল লেখক লিখতেন?
- ক. জীবনানন্দ দাশ
- খ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- গ. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
- ঘ. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
উত্তর: খ। রবীন্দ্রনাথসহ সমকালীন বিখ্যাত লেখকরা এই পত্রিকার লেখক ছিলেন।
101। \’রায়তের কথা\’ প্রমথ চৌধুরীর কী ধরনের রচনা?
- ক. কাব্যগ্রন্থ
- খ. ছোটগল্প
- গ. গদ্যগ্রন্থ
- ঘ. নাটক
উত্তর: গ। লেখক পরিচিতিতে এটি তাঁর গদ্যশৈলীর নিদর্শন হিসেবে উল্লিখিত।
102। সাহিত্যচর্চার আদর্শ ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে প্রমথ চৌধুরীর মতামত কোন প্রবন্ধে সুস্পষ্ট ফুটে উঠেছে?
- ক. লাইব্রেরি
- খ. বই পড়া
- গ. সাহিত্যে খেলা
- ঘ. যৌবনে দাও রাজটীকা
উত্তর: গ। পাঠ পরিচিতিতে \’সাহিত্যে খেলা\’ প্রবন্ধের মূল ভাব হিসেবে এটি বলা হয়েছে।
103। প্রবন্ধটিতে লেখকের গদ্যশৈলীর কোন দিকটি স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে?
- ক. পরিশীলিত বাগবৈদগ্ধ্যময় চলিত গদ্যরীতি
- খ. পদ্যের মতো গদ্য
- গ. আঞ্চলিক ভাষার ব্যবহার
- ঘ. সাধু ভাষার ব্যবহার
উত্তর: ক। প্রমথ চৌধুরী চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক এবং তাঁর রচনা বাগবৈদগ্ধ্যময় (witty)।
104। লেখক \’শিব\’ গড়তে পারা বলতে কী বুঝিয়েছেন?
- ক. খেলা করা
- খ. শ্রেষ্ঠ বা মঙ্গলময় শিল্প সৃষ্টি করা
- গ. মন্দির বানানো
- ঘ. মূর্তি পূজা করা
উত্তর: খ। শিব হলেন মঙ্গলকারী দেবতা, তাই শিব গড়া মানে মহৎ শিল্প সৃষ্টি করা।
105। শিক্ষকের কাজকে লেখক কিসের সাথে তুলনা করেছেন?
- ক. খেলোয়াড়ের সাথে
- খ. ডাক্তার বা শবচ্ছেদকারীর সাথে
- গ. কবির সাথে
- ঘ. শিশুর সাথে
উত্তর: খ। শিক্ষক যেমন কবিতার ব্যবচ্ছেদ করেন, তা মড়া কাটার মতো।
106। \’সাহিত্যের কাজ কাউকে শিক্ষা দেওয়াও নয়\’—এই সিদ্ধান্ত লেখক কিসের সাহায্যে প্রমাণ করেছেন বলে দাবি করেন?
- ক. বিচারের সাহায্যে
- খ. অনুভূতির সাহায্যে
- গ. তর্কের সাহায্যে
- ঘ. বিজ্ঞানের সাহায্যে
উত্তর: ক। প্রবন্ধের শেষদিকে লেখক বলেছেন, \”বিচারের সাহায্যে এই মাত্রই প্রমাণ করা যায়।\”
107। কাব্যের রূপ না দেখে শুধু তার গুণ শোনার জায়গা কোনটি?
- ক. টাউনহল
- খ. স্কুলঘর
- গ. খেলার মাঠ
- ঘ. রঙ্গমঞ্চ
উত্তর: খ। স্কুলঘরে কবিতার সৌন্দর্য উপভোগ না করে শুধু এর নীতিগত গুণ পড়ানো হয়।
108। \’বেদী\’ ও \’কাষ্ঠমঞ্চ\’ যথাক্রমে কী কাজে ব্যবহৃত হয় বলে প্রবন্ধে উল্লেখ আছে?
- ক. উপদেশ প্রদান ও বক্তৃতার জন্য
- খ. খেলা ও ঘুমানোর জন্য
- গ. গান ও অভিনয়ের জন্য
- ঘ. বিচার ও শাস্তির জন্য
উত্তর: ক। বেদীতে বসে উপদেশ দেওয়া হয় এবং কাষ্ঠমঞ্চে দাঁড়িয়ে বক্তৃতা দেওয়া হয়।
109। কবির কাজের ঠিক উলটো কাজ কার?
- ক. রাজনীতিবিদের
- খ. পাঠকের
- গ. মনোজগতে শিক্ষকের
- ঘ. সম্পাদকের
উত্তর: গ। কবি সৃষ্টি করেন, আর শিক্ষক তা বধ করে তত্ত্ব খোঁজেন।
110। \’বিশ্বলীলার অন্তর্ভূত\’ বলতে লেখক কী বুঝিয়েছেন?
- ক. স্কুলমাস্টারদের কাজকে
- খ. জীবাত্মার লীলা বা সাহিত্য সৃষ্টিকে
- গ. পৃথিবীর ইতিহাস
- ঘ. খেলাধুলাকে
উত্তর: খ। জীবাত্মা যেহেতু পরমাত্মার অংশ, তাই জীবাত্মার সাহিত্য সৃষ্টিও ঈশ্বরের বিশ্বলীলার অংশ।
111। রোদ্যাঁর শ্রেষ্ঠ কীর্তির মধ্যে অন্যতম হলো—
- ক. ডেভিড
- খ. মোনালিসা
- গ. নরকের দুয়ার
- ঘ. শেষ ভোজ
উত্তর: গ। শব্দার্থ টীকায় রোদ্যাঁর কীর্তি হিসেবে \’নরকের দুয়ার\’ (The Gates of Hell) উল্লিখিত আছে।
112। রোদ্যাঁ কাদের প্রতিকৃতি নির্মাণ করেছিলেন?
- ক. ভিক্টর হুগো, বালজাক, বার্নার্ড শ
- খ. শেক্সপিয়র, দান্তে, হোমার
- গ. আইনস্টাইন, নিউটন
- ঘ. রবীন্দ্রনাথ, নজরল, বঙ্কিম
উত্তর: ক। শব্দার্থের টীকায় এই বিখ্যাত সাহিত্যিকদের নাম দেওয়া আছে।
113। বাল্মীকি কার উপদেশে দস্যুবৃত্তি ছেড়েছিলেন?
- ক. ব্রহ্মার
- খ. নারদের
- গ. শিবের
- ঘ. বশিষ্ঠের
উত্তর: ক। শব্দার্থে বলা আছে, তিনি ব্রহ্মার উপদেশে দস্যুবৃত্তি ছাড়েন এবং তপস্যা করেন।
114। বাল্মীকি কার উপদেশে রামায়ণ রচনা করেছিলেন?
- ক. বশিষ্ঠের
- খ. রামের
- গ. ব্রহ্মার
- ঘ. নারদের
উত্তর: ঘ। নারদের উপদেশে তিনি রামায়ণ রচনা করেন।
115। \’যোগবশিষ্ঠ রামায়ণ\’-এ কার প্রতি কার উপদেশ সংবলিত আছে?
- ক. সীতার প্রতি রামের
- খ. রামচন্দ্রের প্রতি বশিষ্ঠ মুনির
- গ. বাল্মীকির প্রতি ব্রহ্মার
- ঘ. লক্ষ্মণের প্রতি রামের
উত্তর: খ। শব্দার্থ অংশে স্পষ্ট করে এটি বলা আছে।
116। \’বাঘার্স অব ক্যালে\’ কার কীর্তি?
- ক. রোদ্যাঁর
- খ. লিওনার্দো দা ভিঞ্চির
- গ. মাইকেল এঞ্জেলোর
- ঘ. পিকাসোর
উত্তর: ক। শব্দার্থ টীকায় এটি ফরাসি ভাস্কর রোদ্যাঁর কীর্তি হিসেবে দেওয়া আছে।
117। প্রমথ চৌধুরীর পৈত্রিক গ্রাম হরিপুর কোন জেলায় অবস্থিত?
- ক. ফরিদপুর
- খ. যশোর
- গ. পাবনা
- ঘ. ঢাকা
উত্তর: গ। তাঁর পৈত্রিক নিবাস পাবনা জেলার হরিপুর গ্রাম।
118। লেখকের মতে, সাধারণ লোক কাকে উঁচুতে চড়তে পরামর্শ দেয়?
- ক. যারা খেলা করে
- খ. যারা শিল্প সৃষ্টি করে না
- গ. যারা সাধারণের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চায়
- ঘ. যারা পাতালবাসী
উত্তর: গ। সাধারণ লোক চায় বক্তা, উপদেশক বা অভিনেতারা যেন তাদের থেকে উঁচুতে বা মঞ্চে থাকে।
119। \’কাব্য যে সংবাদপত্র নয়\’—কথাটির অন্তর্নিহিত অর্থ কী?
- ক. সংবাদপত্রে সাহিত্য থাকে না
- খ. কাব্য প্রতিদিন ছাপা হয় না
- গ. কাব্যের কাজ খবর জানানো নয়, মনকে জাগানো
- ঘ. কাব্যে খবর থাকে না
উত্তর: গ। সংবাদপত্রের কাজ তথ্য দেওয়া, আর কাব্যের কাজ মানুষের অনুভূতিকে জাগ্রত করা।
120। \’এই মধ্যস্থদের কৃপায়\…\’—এখানে \’মধ্যস্থ\’ বলতে কাদের বোঝানো হয়েছে?
- ক. সমালোচকদের
- খ. প্রকাশকদের
- গ. স্কুলমাস্টারদের
- ঘ. অভিভাবকদের
উত্তর: গ। লেখক ও পাঠকের মাঝখানে শিক্ষকরা মধ্যস্থতাকারী হিসেবে দাঁড়িয়ে কাব্যের আনন্দ নষ্ট করছেন।
121। \’সাহিত্যে খেলা\’ প্রবন্ধটি পাঠ করে শিক্ষার্থীরা মূল কোন বিষয়টি শিখতে পারবে?
- ক. সাহিত্যের প্রকৃত উদ্দেশ্য আনন্দ দান তা উপলব্ধি করবে
- খ. কীভাবে পরীক্ষায় পাস করতে হয়
- গ. কীভাবে সস্তা মনোরঞ্জন করতে হয়
- ঘ. কীভাবে ফুটবল খেলতে হয়
উত্তর: ক। পাঠ পরিচিতি অনুযায়ী প্রবন্ধটির মূল শিক্ষাই হলো সাহিত্যের উদ্দেশ্য নিছক আনন্দ দান।
