গ্যাসীয় বিনিময় অধ্যায়ের নোট | SSC জীববিজ্ঞানের ৭ম অধ্যায় “গ্যাসীয় বিনিময়” জ্ঞানমূলক ও অনুধাবনমূলক প্রশ্ন উত্তর নিচে দেওয়া হলো। এই পোস্টে ৫০টি জ্ঞানমূলক ও ৬টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর আছে। বহুনির্বাচনি প্রশ্নের জন্য গ্যাসীয় বিনিময় অধ্যায়ের MCQ দেখুন।
গ্যাসীয় বিনিময় অধ্যায়ের জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর
উদ্ভিদে গ্যাসীয় বিনিময়
1। উদ্ভিদের গ্যাসীয় বিনিময় কোন দুটি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ঘটে?
সালোকসংশ্লেষণ ও শ্বসন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে।
2। সালোকসংশ্লেষণে উদ্ভিদ কী গ্রহণ করে ও কী ত্যাগ করে?
CO₂ গ্রহণ করে এবং O₂ ত্যাগ করে।
3। শ্বসনে উদ্ভিদ কী গ্রহণ করে ও কী ত্যাগ করে?
O₂ গ্রহণ করে এবং CO₂ ত্যাগ করে।
4। উদ্ভিদের গ্যাসীয় বিনিময় কোন কোন অঙ্গের মাধ্যমে ঘটে?
পাতার স্টোমাটা ও কাণ্ডের বাকলে অবস্থিত লেন্টিসেলের মাধ্যমে।
5। রাতে গ্যাসীয় বিনিময়ে কী পরিবর্তন ঘটে?
সালোকসংশ্লেষণের আলোক পর্যায় বন্ধ থাকায় অক্সিজেন উৎপন্ন হয় না, কিন্তু শ্বসন প্রক্রিয়া ২৪ ঘণ্টাই চলে, তাই শুধু CO₂ উৎপাদন চলতে থাকে।
6। বড় গাছের নিচে রাতে ঘুমালে শ্বাসকষ্ট হতে পারে কেন?
রাতে গাছ শুধু শ্বসন করে CO₂ ত্যাগ করে (সালোকসংশ্লেষণ বন্ধ থাকায় O₂ উৎপাদন হয় না), ফলে আশপাশে CO₂ জমে শ্বাসকষ্ট হতে পারে।
7। উদ্ভিদের মূল কীভাবে গ্যাস বিনিময়ে অংশ নেয়?
মূল মাটি থেকে পানি শোষণ করে, আর এই পানির সাথে CO₂ এর বিক্রিয়ার ফলে O₂ উৎপন্ন হয়ে বায়ুমণ্ডলে চলে যায়।
8। উদ্ভিদে বিশেষ শ্বাসযন্ত্র না থাকা সত্ত্বেও গ্যাসীয় বিনিময় সম্ভব হয় কীভাবে?
পাতার স্টোমাটা ও কাণ্ডের লেন্টিসেলের মাধ্যমে সরাসরি ব্যাপন প্রক্রিয়ায় গ্যাসীয় বিনিময় সম্পন্ন হয়, তাই আলাদা শ্বাসযন্ত্রের প্রয়োজন হয় না।
9। দিনের বেলায় সালোকসংশ্লেষণের হার কেমন থাকে?
পর্যাপ্ত আলোর উপস্থিতিতে দিনের বেলায় সালোকসংশ্লেষণের হার অধিক থাকে।
10। লেন্টিসেল কোথায় অবস্থিত?
পরিণত কাণ্ডের বাকলে অবস্থিত।
11। গ্যাসীয় বিনিময়ে ব্যাপনের ভূমিকা কী?
গ্যাসের অণু বেশি ঘনত্বের স্থান থেকে কম ঘনত্বের স্থানের দিকে ব্যাপন প্রক্রিয়ায় চলাচল করেই স্টোমাটা বা লেন্টিসেলের মাধ্যমে গ্যাসীয় বিনিময় সম্পন্ন হয়।
মানব শ্বসনতন্ত্র — অঙ্গসমূহ
12। শ্বসনতন্ত্র কী নিয়ে গঠিত?
নাসারন্ধ্র ও নাসাপথ, গলবিল, স্বরযন্ত্র, শ্বাসনালি, ব্রংকাস, ফুসফুস ও মধ্যচ্ছদা নিয়ে গঠিত।
13। নাসাপথের কাজ কী?
প্রশ্বাসের বায়ুকে ফিল্টার (লোম-শ্লেষ্মার মাধ্যমে ধূলিকণা-জীবাণু আটকানো), উষ্ণ ও আর্দ্র করে ফুসফুসের উপযোগী করে তোলে।
14। আলাজিহ্বার কাজ কী?
খাদ্য গলাধঃকরণের সময় নাসাপথের পশ্চাৎপথ বন্ধ করে দেয়, যাতে খাদ্য নাসিকাপথে বের হতে না পারে।
15। উপজিহ্বা বা এপিগ্লটিসের কাজ কী?
শ্বাস নেওয়ার সময় খোলা থাকে যাতে বায়ু ফুসফুসে যায়, কিন্তু খাওয়ার সময় স্বরযন্ত্রের মুখ ঢেকে দেয় যাতে খাদ্য শ্বাসনালিতে না ঢোকে।
16। শ্বাসনালির প্রাচীর কী দিয়ে গঠিত?
অসম্পূর্ণ বলয়াকার তরুণাস্থি ও পেশি দিয়ে গঠিত, ভেতরে সূক্ষ্ম লোমযুক্ত কোষ থাকে যা অপ্রয়োজনীয় বস্তু শ্লেষ্মাসহ বের করে দেয়।
17। ব্রংকাস কী?
শ্বাসনালি ফুসফুসের কাছে দুই শাখায় বিভক্ত হয়ে যে দুটি বায়ুনল তৈরি করে, তাদের ব্রংকাস বা ব্রংকাই বলে।
18। ফুসফুস কোথায় অবস্থিত ও এর গঠন কেমন?
বক্ষগহ্বরে হৃৎপিণ্ডের দুই পাশে অবস্থিত; ডান ফুসফুস তিন খণ্ডে ও বাম ফুসফুস দুই খণ্ডে বিভক্ত, প্লুরা পর্দা দিয়ে আবৃত।
19। অ্যালভিওলাস কী?
ফুসফুসের বায়ুথলি, যা অনুক্লোম শাখাপ্রান্তে মৌচাকের মতো অবস্থিত এবং কৈশিকনালিকা দিয়ে পরিবেষ্টিত থাকে; গ্যাসীয় বিনিময় এখানেই ঘটে।
20। মধ্যচ্ছদা কী?
বক্ষগহ্বর ও উদরগহ্বর পৃথককারী পেশিবহুল পর্দা, যা প্রশ্বাস গ্রহণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
শ্বাসক্রিয়া ও গ্যাসীয় বিনিময়
21। শ্বাসকার্য কাকে বলে?
যে প্রক্রিয়ায় অক্সিজেন গ্রহণ এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড নিষ্কাশন করা হয়, তাকে শ্বাসকার্য বলে।
22। শ্বসনের সরল বিক্রিয়াটি কী?
C₆H₁₂O₆ + 6O₂ → 6CO₂ + 6H₂O + ATP।
23। প্রশ্বাস নেওয়ার সময় মধ্যচ্ছদার কী পরিবর্তন হয়?
মধ্যচ্ছদা সংকুচিত হয়ে নিচের দিকে নামে, ফলে বক্ষগহ্বরের আয়তন বেড়ে বায়ুচাপ কমে যায় এবং বায়ু ফুসফুসে প্রবেশ করে।
24। নিঃশ্বাস ত্যাগের সময় কী ঘটে?
মধ্যচ্ছদা প্রসারিত হয়ে উপরে ওঠে, বক্ষগহ্বর স্বাভাবিক হয়ে বায়ুচাপ বেড়ে যায়, ফলে CO₂ ও জলীয়বাষ্পযুক্ত বায়ু বাইরে বের হয়ে যায়।
25। গ্যাসীয় বিনিময়ের ভিত্তি কী?
ব্যাপন প্রক্রিয়া; এটি অক্সিজেন শোষণ ও কার্বন ডাই-অক্সাইড ত্যাগ এই দুই পর্যায়ে বিভক্ত।
26। অক্সিহিমোগ্লোবিন কীভাবে গঠিত হয়?
হিমোগ্লোবিনের লৌহ অংশের সাথে অক্সিজেন হালকা বন্ধনে যুক্ত হয়ে অস্থায়ী অক্সিহিমোগ্লোবিন যৌগ গঠন করে।
27। রক্তে অক্সিজেন কীভাবে পরিবাহিত হয়?
সামান্য অংশ রক্তরসে দ্রবীভূত হয়ে এবং বেশিরভাগ অক্সিহিমোগ্লোবিন রূপে পরিবাহিত হয়।
28। কার্বন ডাই-অক্সাইড কীভাবে পরিবাহিত হয়?
রক্তরসে সোডিয়াম বাইকার্বোনেট (NaHCO₃) রূপে এবং লোহিত রক্তকণিকায় পটাশিয়াম বাইকার্বোনেট (KHCO₃) রূপে পরিবাহিত হয়।
29। নিঃশ্বাস বায়ুতে চুনের পানি ঘোলা হয় কেন?
নিঃশ্বাস বায়ুতে সাধারণ বাতাসের চেয়ে বেশি কার্বন ডাই-অক্সাইড থাকে, যা চুনের পানির সাথে বিক্রিয়া করে অদ্রবণীয় ক্যালসিয়াম কার্বনেট তৈরি করে ঘোলা করে।
শ্বসনতন্ত্রের রোগ — অ্যাজমা ও ব্রংকাইটিস
30। অ্যাজমা বা হাঁপানি কেন হয়?
রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়ার ফলে হয়; এটি ছোঁয়াচে বা জীবাণুবাহিত রোগ নয়।
31। অ্যাজমার কারণ কী কী?
অ্যালার্জিযুক্ত খাবার (চিংড়ি, ইলিশ), ধোঁয়া-ধুলাবালি-ফুলের রেণু এবং বংশগত ইতিহাস।
32। অ্যাজমার লক্ষণ কী কী?
হঠাৎ শ্বাসকষ্ট, ঠোঁট নীল হওয়া, বুকে বাঁশির মতো আওয়াজ, সাদা কফ এবং সাধারণত জ্বর থাকে না।
33। অ্যাজমার চিকিৎসায় সতর্কতা কী?
উচ্চমাত্রায় স্টেরয়েড ব্যবহার তাৎক্ষণিক উপশম দিলেও দীর্ঘমেয়াদি অপূরণীয় ক্ষতি করতে পারে, তাই হাতুড়ে চিকিৎসা এড়ানো উচিত।
34। ব্রংকাইটিস কাকে বলে?
শ্বাসনালির ভিতরের আবরণে প্রদাহকে ব্রংকাইটিস বলে, যা সাধারণত ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে হয়।
35। ক্রনিক ব্রংকাইটিস কখন বলা হয়?
কমপক্ষে একটানা ৩ মাস কাশির সাথে কফ থাকলে এবং এমন অসুস্থতা পরপর ২ বছর দেখা দিলে।
36। ব্রংকাইটিসের প্রধান কারণ কী?
ধূমপান, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, কলকারখানার ধূলাবালি ও ধোঁয়াময় পরিবেশ।
37। অ্যাজমার প্রতিকারে কী করণীয়?
শ্বাসকষ্ট বাড়ায় এমন খাদ্য পরিহার, আলো-বাতাসপূর্ণ ঘরে বসবাস এবং ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা নেওয়া।
38। ব্রংকাইটিসের প্রতিকারে কী করণীয়?
ধূমপান-মদ্যপান বন্ধ করা, রোগীকে সহনীয় উষ্ণ-শুষ্ক পরিবেশে রাখা এবং পুষ্টিকর গরম তরল খাবার খাওয়ানো।
39। অ্যাজমা রোগীর ক্ষেত্রে কী পরিহার করা উচিত?
পশুর লোম, কৃত্রিম আঁশ এবং যেসব বস্তুর সংস্পর্শ হাঁপানি বাড়ায় সেগুলো পরিহার করা উচিত।
শ্বসনতন্ত্রের রোগ — যক্ষ্মা ও ফুসফুস ক্যান্সার
40। যক্ষ্মা কোন ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে হয়?
Mycobacterium tuberculosis নামক ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে হয়।
41। যক্ষ্মার লক্ষণ কী কী?
ওজন কমা, তিন সপ্তাহের বেশি কাশি, কাশির সাথে রক্ত, রাতে ঘাম ও বিকেলে জ্বর।
42। যক্ষ্মা নির্ণয়ের পদ্ধতি কী কী?
কফ পরীক্ষা, চামড়ার পরীক্ষা (MT test), সাইটো-হিস্টোপ্যাথলজি পরীক্ষা, এক্স-রে এবং DNA ভিত্তিক পরীক্ষা।
43। যক্ষ্মা প্রতিরোধে কোন টিকা দেওয়া হয়?
বিসিজি (BCG) টিকা, যা শিশুর জন্মের এক বছরের মধ্যে দিতে হয়।
44। বিসিজি টিকার সীমাবদ্ধতা কী?
এটি শিশুদের প্রাণঘাতী যক্ষ্মা থেকে সুরক্ষা দিলেও বড় হওয়ার পর সাধারণত আর কার্যকর থাকে না।
45। ফুসফুস ক্যান্সারের প্রধান কারণ কী?
ধূমপান; এছাড়া অ্যাসবেস্টাস, আর্সেনিক, ক্রোমিয়াম, নিকেলের মতো দূষণকারী বস্তুর সংস্পর্শও কারণ।
46। ফুসফুস ক্যান্সারের প্রাথমিক লক্ষণ কী কী?
দীর্ঘদিনের খুসখুসে কাশি, বুকে ব্যথা, ভগ্নস্বর, ওজন হ্রাস ও ঘনঘন জ্বর।
47। ফুসফুস ক্যান্সার নির্ণয়ের পদ্ধতি কী কী?
থুতু বিশ্লেষণ, বুকের এক্স-রে, সিটি স্ক্যান, এমআরআই এবং সাইটো-হিস্টোপ্যাথলজিক্যাল পরীক্ষা।
48। ফুসফুস ক্যান্সারের চিকিৎসায় কী প্রয়োগ করা হয়?
প্রয়োজনে রেডিয়েশন থেরাপি, যেখানে তেজস্ক্রিয় বিকিরণ দিয়ে ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করা হয়।
49। যক্ষ্মা কীভাবে ছড়ায়?
আক্রান্ত ব্যক্তির কাশি বা হাঁচির মাধ্যমে বাতাসে ছড়িয়ে পড়া জীবাণু শ্বাসের সাথে অন্যের দেহে প্রবেশ করে।
50। যক্ষ্মার চিকিৎসায় কত মাস ধরে ওষুধ সেবন করতে হয়?
সাধারণত ৬ থেকে ৮ মাস ধরে নিয়মিত ওষুধ সেবন করতে হয়।
গ্যাসীয় বিনিময় অধ্যায়ের অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর
উদ্ভিদে গ্যাসীয় বিনিময়
1। উদ্ভিদে আদান-প্রদানকৃত O₂ ও CO₂ এর পরিমাণ প্রায় সমান থাকে কেন— ব্যাখ্যা করো।
সালোকসংশ্লেষণে উৎপন্ন অক্সিজেনের কিছু অংশ শ্বসনে ব্যয় হয় এবং শ্বসনে উৎপন্ন কার্বন ডাই-অক্সাইডের কিছু অংশ সালোকসংশ্লেষণে ব্যবহৃত হয়, এই পারস্পরিক ব্যবহারের কারণে সামগ্রিকভাবে আদান-প্রদানকৃত গ্যাসের পরিমাণ প্রায় সমান থাকে।
মানব শ্বসনতন্ত্র — অঙ্গসমূহ
2। অ্যালভিওলাস কৈশিক জালিকা দ্বারা পরিবেষ্টিত থাকে কেন— ব্যাখ্যা করো।
গ্যাসীয় বিনিময় ব্যাপন প্রক্রিয়ায় ঘটে, আর ব্যাপনের হার সংস্পর্শের ক্ষেত্রফলের ওপর নির্ভরশীল; কৈশিক জালিকা অ্যালভিওলাসকে ঘিরে থাকায় রক্ত ও বায়ুর মধ্যে অক্সিজেন-কার্বন ডাই-অক্সাইডের বিনিময় দ্রুত ও কার্যকরভাবে সম্পন্ন হতে পারে।
শ্বাসক্রিয়া ও গ্যাসীয় বিনিময়
3। খাবার সময় খাদ্য সাধারণত শ্বাসনালিতে প্রবেশ করে না কেন— ব্যাখ্যা করো।
গলাধঃকরণের সময় এপিগ্লটিস বা উপজিহ্বা স্বরযন্ত্রের মুখ ঢেকে দেয়, ফলে খাদ্য শ্বাসনালির পরিবর্তে সরাসরি খাদ্যনালিতে প্রবেশ করে, তাই সাধারণত খাদ্য শ্বাসনালিতে প্রবেশ করে না।
4। নাসারন্ধ্র দিয়ে প্রবেশকৃত বায়ু পরিশোধিত হয় কীভাবে— ব্যাখ্যা করো।
নাসাপথের সামনের অংশের লোম এবং পেছনের শ্লেষ্মা প্রস্তুতকারী পর্দায় বাতাসের ধূলিকণা, রোগজীবাণু ও আবর্জনা আটকে যায়, ফলে ফুসফুসে প্রবেশের আগে বায়ু কিছুটা নির্মল হয়ে যায় এবং একই সাথে উষ্ণ ও আর্দ্র হয়।
শ্বসনতন্ত্রের রোগ — অ্যাজমা ও ব্রংকাইটিস
5। অ্যাজমা ছোঁয়াচে রোগ নয়— ব্যাখ্যা করো।
অ্যাজমা কোনো জীবাণুর সংক্রমণে হয় না, বরং দেহের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়ার ফলে হয়ে থাকে (প্রায়ই বংশগত অ্যালার্জির প্রবণতা থেকে), তাই এটি এক ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তিতে ছড়ায় না এবং ছোঁয়াচে নয়।
শ্বসনতন্ত্রের রোগ — যক্ষ্মা ও ফুসফুস ক্যান্সার
6। যক্ষ্মার লক্ষণ প্রকাশ পেতে দেরি হয় কেন— ব্যাখ্যা করো।
যক্ষ্মার জীবাণু দেহে প্রবেশের পর প্রথমে দেহের রোগ প্রতিরোধক শ্বেত রক্তকণিকার সাথে লড়াই করে; জীবাণু যখন এই প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে পরাস্ত করে দেহকে দুর্বল করে ফেলে, তখনই রোগের লক্ষণ স্পষ্টভাবে প্রকাশ পায়, তাই প্রাথমিক পর্যায়ে লক্ষণ বোঝা কঠিন হয়।
