তৈলচিত্রের ভূত গল্পের নোট | অষ্টম শ্রেণির সাহিত্য-কণিকা বইয়ের “তৈলচিত্রের ভূত” গল্পের (মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়) জ্ঞানমূলক প্রশ্ন উত্তর নিচে দেওয়া হলো। বহুনির্বাচনি প্রশ্নের জন্য তৈলচিত্রের ভূত গল্পের MCQ দেখুন।
জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর
তৈলচিত্রের ভূত
1। নগেন কার বাড়িতে থেকে লেখাপড়া করত?
মামাবাড়িতে।
2। নগেনের মামা তার নামে কী রেখে যান?
মোটা টাকার উইল।
3। নগেন মনে মনে মামাকে কী মনে করত?
প্রায়ই যমের বাড়ি পাঠাত (মৃত্যু কামনা করত)।
4। লাইব্রেরিটি কার আমলের?
নগেনের দাদামশায়ের আমলের।
5। দেয়ালে কয়টি বড় তৈলচিত্র টাঙানো ছিল?
তিনটি— দাদামশায়, দিদিমা ও মামার।
6। প্রথমবার তৈলচিত্র স্পর্শ করে নগেনের কী হয়?
ধাক্কা খেয়ে পড়ে যায় ও জ্ঞান হারায়।
7। মাঝরাত্রে লাইব্রেরিতে ডাক্তার কী দেখেন?
তৈলচিত্রের দুটি উজ্জ্বল চোখ জ্বলজ্বল করছে।
8। রহস্যের প্রকৃত কারণ কী ছিল?
রুপার ফ্রেমে ইলেকট্রিক বাল্বের সংযোগ।
9। ফ্রেমে আলো লাগিয়েছিল কে?
নগেনের মামাতো ভাই পরেশ।
10। দিনে ছবি ছুঁলে কিছু না হওয়ার কারণ কী?
মেন সুইচ অফ থাকে।
11। ‘তৈলচিত্রের ভূত’ কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
‘মৌচাক’ পত্রিকায়, ১৯৪১ সালে।
12। এই গল্পের মূল বক্তব্য কী?
ভূতে বিশ্বাস একটি ভিত্তিহীন কুসংস্কার।
13। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রকৃত নাম কী?
প্রবোধকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়।
14। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?
১৯০৮ সালে।
15। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মস্থান কোথায়?
সাঁওতাল পরগনার দুমকা গ্রাম।
16। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পৈতৃক বাড়ি কোথায়?
ঢাকার বিক্রমপুরে।
17। মানিকের কোন উপন্যাস নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মিত হয়?
‘পদ্মানদীর মাঝি’।
18। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু কত সালে হয়?
১৯৫৬ সালে।
