তৈলচিত্রের ভূত গল্পের MCQ | অষ্টম শ্রেণির সাহিত্য-কণিকা বইয়ের “তৈলচিত্রের ভূত” গল্প (মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত) থেকে বোর্ড পরীক্ষায় নিয়মিত প্রশ্ন আসে। এই পোস্টে ৫৪টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন (MCQ) উত্তর ও ব্যাখ্যাসহ দেওয়া হলো। জ্ঞানমূলক ও অনুধাবনমূলক প্রশ্নের জন্য তৈলচিত্রের ভূত গল্পের নোট দেখুন।
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর (MCQ)
গল্পের বিষয়বস্তু ও চরিত্র
1। নগেন কার বাড়িতে থেকে লেখাপড়া করত?
- ক. মাসির
- খ. পিসির
- গ. মামার
- ঘ. দাদার
উত্তর: গ। নগেন তার মামাবাড়িতে থেকে কলেজে পড়ত।
2। নগেনের সাথে পরাশর ডাক্তারের প্রথম দেখা হয় কখন?
- ক. ২ মাস আগে
- খ. ৩ মাস আগে
- গ. ৪ মাস আগে
- ঘ. ৫ মাস আগে
উত্তর: ক। নগেনের মামার শ্রাদ্ধের নিমন্ত্রণে মাস দুই আগে পরাশর ডাক্তার নগেনকে দেখেছিলেন।
3। নগেনকে দেখে পরাশর ডাক্তার প্রথমে কী মনে করেন?
- ক. সে পাগল হয়ে গেছে
- খ. তার অসুখ হয়েছে
- গ. সে খুশি আছে
- ঘ. সে পরীক্ষায় ফেল করেছে
উত্তর: খ। চেহারার পরিবর্তন দেখে ডাক্তার প্রথমে ভাবেন নগেনের অসুখ হয়েছে।
4। নগেনের মামা তার নামে কী রেখে যান?
- ক. একটি বাড়ি
- খ. মোটা টাকার উইল
- গ. একটি গাড়ি
- ঘ. কিছুই না
উত্তর: খ। শেষ সময়ে মামা নগেনের নামে মোটা টাকা উইল করে রেখে যান।
5। নগেন মনে মনে মামাকে কী মনে করত?
- ক. দেবতার মতো
- খ. প্রায়ই যমের বাড়ি পাঠাত (মৃত্যু কামনা করত)
- গ. নিজের বাবার মতো
- ঘ. উদাসীন
উত্তর: খ। বাইরে শ্রদ্ধা দেখালেও মনে মনে নগেন মামাকে প্রায়ই যমের বাড়ি পাঠাত।
6। নগেন প্রথমে ডাক্তারকে কী জিজ্ঞেস করে?
- ক. সে অসুস্থ কিনা
- খ. সে পাগল হয়ে গেছে কিনা
- গ. মামা বেঁচে আছেন কিনা
- ঘ. টাকা পাবে কিনা
উত্তর: খ। নগেন জিজ্ঞেস করে, ‘আমি কি পাগল হয়ে গেছি?’
7। নগেন কেন গভীর রাতে লাইব্রেরিতে যায়?
- ক. বই পড়তে
- খ. মামার তৈলচিত্রে প্রণাম করতে
- গ. চুরি করতে
- ঘ. ঘুমাতে
উত্তর: খ। অনুতাপ থেকে মুক্তি পেতে মামার তৈলচিত্রের পায়ে প্রণাম করতে যায়।
8। লাইব্রেরিটি কার আমলের?
- ক. নগেনের বাবার
- খ. নগেনের দাদামশায়ের
- গ. নগেনের মামার
- ঘ. নগেনের দাদির
উত্তর: খ। লাইব্রেরিটি নগেনের দাদামশায়ের আমলের।
9। দেয়ালে কয়টি বড় তৈলচিত্র টাঙানো ছিল?
- ক. দুইটি
- খ. তিনটি
- গ. চারটি
- ঘ. পাঁচটি
উত্তর: খ। দাদামশায়, দিদিমা ও মামার— তিনটি তৈলচিত্র টাঙানো ছিল।
10। প্রথমবার তৈলচিত্র স্পর্শ করে নগেনের কী হয়?
- ক. কিছুই হয়নি
- খ. ধাক্কা খেয়ে পড়ে যায় ও জ্ঞান হারায়
- গ. সে ভয়ে পালিয়ে যায়
- ঘ. সে হেসে ওঠে
উত্তর: খ। ধাক্কা খেয়ে সে মেঝেতে পড়ে যায় ও জ্ঞান হারায়, সকালে জ্ঞান ফেরে।
11। দ্বিতীয়বার দুপুরে ছোঁয়ার সময় কী ঘটে?
- ক. আবার ধাক্কা লাগে
- খ. কিছুই ঘটে না
- গ. সে অজ্ঞান হয়
- ঘ. আলো নিভে যায়
উত্তর: খ। দিনের বেলা ছোঁয়ায় কিছুই ঘটেনি।
12। নগেন বুঝতে পারে দিনে কিছু না ঘটার একটি কারণ কী হতে পারে?
- ক. মামা দিনে ক্ষমতাহীন
- খ. মামা দিনে ঘুমান
- গ. মামা রাগ কমিয়েছেন
- ঘ. ছবি সরিয়ে ফেলা হয়েছে
উত্তর: ক। নগেন ভাবে দিনের বেলা মামার ধাক্কা দেওয়ার ক্ষমতা নেই, শুধু রাতে আছে।
13। তৃতীয়বার আলো জ্বালিয়ে ছোঁয়ার সময় কী হয়?
- ক. ধাক্কা লাগে
- খ. শরীর অস্থির লাগে কিন্তু ধাক্কা লাগে না
- গ. কিছুই অনুভূত হয়নি
- ঘ. নগেন অজ্ঞান হয়
উত্তর: খ। আলো জ্বালানো অবস্থায় শরীর অস্থির অস্থির লাগলেও ধাক্কা লাগেনি।
14। চতুর্থবার অন্ধকারে ছোঁয়ার সময় কী হয়?
- ক. কিছুই হয়নি
- খ. প্রথম রাত্রির মতোই জোরে ধাক্কা লাগে
- গ. নগেন হেসে ফেলে
- ঘ. আলো জ্বলে ওঠে
উত্তর: খ। অন্ধকারে ছোঁয়ায় আবার প্রথম রাত্রির মতোই ধাক্কা লাগে।
15। পরাশর ডাক্তার নগেনকে সাহায্য করতে কখন আসার কথা বলেন?
- ক. সকাল ৮টায়
- খ. দুপুর ১২টায়
- গ. রাত্রি ১২টায়
- ঘ. বিকাল ৫টায়
উত্তর: গ। রাত্রি ঠিক বারোটার সময় পরাশর ডাক্তার আসার কথা বলেন।
16। মাঝরাত্রে লাইব্রেরিতে ডাক্তার কী দেখেন?
- ক. কিছুই না
- খ. তৈলচিত্রের দুটি উজ্জ্বল চোখ জ্বলজ্বল করছে
- গ. নগেন ঘুমিয়ে আছে
- ঘ. আগুন জ্বলছে
উত্তর: খ। তৈলচিত্রের ওপরের দিকে দুটি উজ্জ্বল চোখ জ্বলজ্বল করে তাকিয়ে থাকতে দেখেন।
17। ডাক্তার তৈলচিত্রের ফ্রেম স্পর্শ করলে কী হয়?
- ক. কিছুই না
- খ. বৈদ্যুতিক আঘাতে ছিটকে পড়েন
- গ. ছবি ভেঙে যায়
- ঘ. আলো জ্বলে ওঠে
উত্তর: খ। ফ্রেম স্পর্শ করা মাত্র বৈদ্যুতিক আঘাতে তিনি ছিটকে মেঝেতে বসে পড়েন।
18। রহস্যের প্রকৃত কারণ কী ছিল?
- ক. সত্যিকারের ভূত
- খ. রুপার ফ্রেমে ইলেকট্রিক বাল্বের সংযোগ
- গ. নগেনের কল্পনা
- ঘ. ডাক্তারের ভুল
উত্তর: খ। রুপার ফ্রেমে ইলেকট্রিক বাল্ব ফিট করার ফলে বিদ্যুৎস্পর্শ হচ্ছিল, ভূত নয়।
19। রুপার ফ্রেমটি আগে কার ছবিতে ছিল?
- ক. মামার
- খ. দাদামশায়ের
- গ. দিদিমার
- ঘ. নগেনের নিজের
উত্তর: খ। রুপার ফ্রেমটি দাদামশায়ের ছবিতে ছিল, চুরির ভয়ে সিন্দুকে তোলা ছিল।
20। ফ্রেমে আলো লাগিয়েছিল কে?
- ক. নগেন নিজে
- খ. মামাতো ভাই পরেশ
- গ. পরাশর ডাক্তার
- ঘ. মামিমা
উত্তর: খ। নগেনের মামাতো ভাই পরেশ, যে ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে ভর্তি হয়েছে, আলো লাগিয়েছিল।
21। পরেশ ইলেকট্রিক মিস্ত্রি ডাকেনি কেন?
- ক. সময় ছিল না
- খ. পয়সা বাঁচাতে নিজে কাজ করে
- গ. মিস্ত্রি পাওয়া যায়নি
- ঘ. মামার নিষেধ ছিল
উত্তর: খ। সামান্য কাজের জন্য মিস্ত্রিকে পয়সা দিতে না চেয়ে পরেশ নিজেই কাজ করেছিল।
22। দিনে ছবি ছুঁলে কিছু না হওয়ার কারণ কী?
- ক. মামা ঘুমান
- খ. মেন সুইচ অফ থাকে
- গ. দিনে আলো বেশি থাকে
- ঘ. দিনে ভূত দুর্বল
উত্তর: খ। দিনের বেলা মেন সুইচ অফ থাকায় ছবি ছুঁলে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয় না।
23। সন্ধ্যার পর ছবি ছুঁলে কিছু না হওয়ার কারণ কী?
- ক. মামা দয়ালু হয়ে যান
- খ. বাড়ির সব আলো জ্বলে, বিদ্যুৎ তামার তার দিয়ে চলাচল করে
- গ. ছবি সরানো হয়
- ঘ. নগেন সাবধান থাকে
উত্তর: খ। সন্ধ্যায় বাড়ির সব আলো জ্বলায় বিদ্যুৎ তামার তার দিয়েই যাতায়াত করে, শরীরে যায় না।
24। মাঝরাত্রে সব আলো নিভে গেলে কী হয়?
- ক. কিছুই না
- খ. বিদ্যুতের আর কোনো পথ না থাকায় শরীরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়
- গ. ছবি অদৃশ্য হয়ে যায়
- ঘ. মামা কথা বলেন
উত্তর: খ। সব আলো নিভে গেলে বিদ্যুতের অন্য কোনো পথ না থাকায় শরীর দিয়েই প্রবাহিত হয়।
পাঠ-পরিচিতি ও শব্দার্থ
25। ‘তৈলচিত্রের ভূত’ কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
- ক. সবুজপত্র
- খ. মৌচাক
- গ. ভারতী
- ঘ. কল্লোল
উত্তর: খ। ১৯৪১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ‘মৌচাক’ পত্রিকায় গল্পটি প্রকাশিত হয়।
26। এই গল্পের মূল বক্তব্য কী?
- ক. ভূত সত্যিই আছে
- খ. ভূতে বিশ্বাস একটি ভিত্তিহীন কুসংস্কার
- গ. বিদ্যুৎ বিপজ্জনক
- ঘ. মামা-ভাগ্নের সম্পর্ক
উত্তর: খ। ভূতে বিশ্বাস নিয়ে সমাজের কুসংস্কার যে ভিত্তিহীন তা এই গল্পে তুলে ধরা হয়েছে।
27। লেখক গল্পে কীসের ওপর আস্থা রেখেছেন?
- ক. ধর্মীয় বিশ্বাস
- খ. মানুষের যুক্তিবাদিতা
- গ. কুসংস্কার
- ঘ. ভাগ্য
উত্তর: খ। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় মানুষের যুক্তিবাদিতার ওপর আস্থা রেখেছেন।
28। পরাশর ডাক্তার চরিত্রটি কী প্রতিনিধিত্ব করে?
- ক. কুসংস্কার
- খ. যৌক্তিক বিচারবুদ্ধি
- গ. ভীরুতা
- ঘ. লোভ
উত্তর: খ। পরাশর ডাক্তার যৌক্তিক বিচারবুদ্ধির প্রতীক, যিনি ঘটনার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা খুঁজে বের করেন।
29। ‘প্রকাণ্ড’ শব্দের অর্থ কী?
- ক. ছোট
- খ. অত্যন্ত বৃহৎ
- গ. মাঝারি
- ঘ. সরু
উত্তর: খ। প্রকাণ্ড অর্থ অত্যন্ত বৃহৎ বা অতিশয় বড়।
30। ‘বিব্রত’ শব্দের অর্থ কী?
- ক. আনন্দিত
- খ. ব্যতিব্যস্ত বা বিচলিত
- গ. শান্ত
- ঘ. উৎফুল্ল
উত্তর: খ। বিব্রত অর্থ ব্যতিব্যস্ত, বিপন্ন বা বিচলিত।
31। ‘উদ্ভ্রান্ত’ শব্দের অর্থ কী?
- ক. সুস্থির
- খ. বিহ্বল বা দিশেহারা
- গ. প্রফুল্ল
- ঘ. সাহসী
উত্তর: খ। উদ্ভ্রান্ত অর্থ বিহ্বল, দিশেহারা বা হতজ্ঞান।
32। ‘খাপছাড়া’ শব্দের অর্থ কী?
- ক. মানানসই
- খ. বেমানান বা অসংলগ্ন
- গ. সুন্দর
- ঘ. পরিচিত
উত্তর: খ। খাপছাড়া অর্থ বেমানান, উদ্ভট বা অসংলগ্ন।
33। ‘শ্রাদ্ধ’ কী?
- ক. জন্মদিন উদযাপন
- খ. মৃতের আত্মার শান্তির জন্য হিন্দু আচার
- গ. বিবাহ অনুষ্ঠান
- ঘ. নামকরণ অনুষ্ঠান
উত্তর: খ। শ্রাদ্ধ মৃত ব্যক্তির আত্মার শান্তির জন্য শ্রদ্ধা নিবেদনের হিন্দু আচার।
34। ‘উইল’ শব্দের অর্থ কী?
- ক. দান
- খ. শেষ ইচ্ছাপত্র
- গ. চুক্তিপত্র
- ঘ. ঋণপত্র
উত্তর: খ। উইল অর্থ শেষ ইচ্ছেপত্র, মৃত্যুর পরে সম্পত্তি বণ্টনের ব্যবস্থাপত্র।
35। ‘প্রেতাত্মা’ শব্দের অর্থ কী?
- ক. জীবিত আত্মা
- খ. মৃতের আত্মা বা ভূত
- গ. দেবতা
- ঘ. রাক্ষস
উত্তর: খ। প্রেতাত্মা অর্থ মৃতের আত্মা বা ভূত।
36। ‘আত্মগ্লানি’ শব্দের অর্থ কী?
- ক. আনন্দ
- খ. নিজের ওপর ক্ষোভ ও অনুশোচনা
- গ. গর্ব
- ঘ. সাহস
উত্তর: খ। আত্মগ্লানি অর্থ নিজের ওপর ক্ষোভ ও ধিক্কার, অনুতাপ।
37। ‘বিস্ফারিত’ শব্দের অর্থ কী?
- ক. সংকুচিত
- খ. বিস্তারিত বা প্রসারিত
- গ. বন্ধ
- ঘ. অন্ধকার
উত্তর: খ। বিস্ফারিত অর্থ বিস্তারিত বা প্রসারিত।
38। ‘কস্মিনকালে’ শব্দের অর্থ কী?
- ক. সবসময়
- খ. কোনো কালে বা কোনো কালেই না
- গ. শীঘ্রই
- ঘ. গতকাল
উত্তর: খ। কস্মিনকালে অর্থ কোনো কালে বা কোনো কালেই না।
39। ‘ছলনা’ শব্দের অর্থ কী?
- ক. সততা
- খ. প্রতারণা বা প্রবঞ্চনা
- গ. ভালোবাসা
- ঘ. শ্রদ্ধা
উত্তর: খ। ছলনা অর্থ প্রতারণা, প্রবঞ্চনা বা ধোঁকা।
40। ‘হৃৎকম্প’ শব্দের অর্থ কী?
- ক. আনন্দ
- খ. বুকের কাঁপুনি
- গ. ঘুম
- ঘ. ক্ষুধা
উত্তর: খ। হৃৎকম্প অর্থ হৃৎপিণ্ডের স্পন্দন বা বুকের কাঁপুনি।
41। ‘ভর্ৎসনা’ শব্দের অর্থ কী?
- ক. প্রশংসা
- খ. তিরস্কার বা ধমক
- গ. আদর
- ঘ. ক্ষমা
উত্তর: খ। ভর্ৎসনা অর্থ তিরস্কার, ধমক বা নিন্দা।
42। ‘অশরীরী’ শব্দের অর্থ কী?
- ক. শরীরযুক্ত
- খ. দেহহীন বা নিরাকার
- গ. শক্তিশালী
- ঘ. দুর্বল
উত্তর: খ। অশরীরী অর্থ দেহহীন বা নিরাকার।
43। গল্পটি পাঠে শিক্ষার্থীরা কী হবে?
- ক. কুসংস্কারাচ্ছন্ন
- খ. ভয়মুক্ত ও কুসংস্কারমুক্ত
- গ. ভীতু
- ঘ. অন্ধবিশ্বাসী
উত্তর: খ। গল্পটি পড়ে শিক্ষার্থীরা ভয়মুক্ত, কুসংস্কারমুক্ত ও সচেতন হবে।
লেখক-পরিচিতি
44। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রকৃত নাম কী?
- ক. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
- খ. প্রবোধকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়
- গ. বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
- ঘ. তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
উত্তর: খ। মানিক তাঁর ডাকনাম, প্রকৃত নাম প্রবোধকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়।
45। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?
- ক. ১৯০৬
- খ. ১৯০৮
- গ. ১৯১০
- ঘ. ১৯১২
উত্তর: খ। ১৯০৮ সালে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
46। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মস্থান কোথায়?
- ক. সাঁওতাল পরগনার দুমকা
- খ. ঢাকার বিক্রমপুর
- গ. কলকাতা
- ঘ. চব্বিশ পরগনা
উত্তর: ক। সাঁওতাল পরগনার দুমকা গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
47। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পৈতৃক বাড়ি কোথায়?
- ক. সাঁওতাল পরগনা
- খ. ঢাকার বিক্রমপুর
- গ. ফরিদপুর
- ঘ. বর্ধমান
উত্তর: খ। তাঁর পৈতৃক বাড়ি ঢাকার বিক্রমপুরে।
48। মানিক কোন কলেজে পড়াকালীন প্রথম গল্প ছাপা হয়?
- ক. কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়
- খ. প্রেসিডেন্সি কলেজ
- গ. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
- ঘ. রাজশাহী কলেজ
উত্তর: খ। কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজে ছাত্র থাকাকালীন ১৯২৮ সালে তাঁর প্রথম গল্প ছাপা হয়।
49। মানিক কেন বি.এসসি. পরীক্ষায় পাশ করতে পারেননি?
- ক. অসুস্থতার কারণে
- খ. লেখালেখির কারণে
- গ. আর্থিক সমস্যার কারণে
- ঘ. পরীক্ষা দেননি বলে
উত্তর: খ। লেখালেখির প্রতি ঝোঁকের কারণে তিনি বি.এসসি. পরীক্ষায় পাশ করতে পারেননি।
50। মানিকের কোন উপন্যাস নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মিত হয়?
- ক. পুতুলনাচের ইতিকথা
- খ. পদ্মানদীর মাঝি
- গ. অহিংসা
- ঘ. দিবারাত্রির কাব্য
উত্তর: খ। ‘পদ্মানদীর মাঝি’ উপন্যাস অবলম্বনে চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে।
51। মানিকের উল্লেখযোগ্য উপন্যাস কোনগুলো নয়?
- ক. দিবারাত্রির কাব্য
- খ. অহিংসা
- গ. পুতুলনাচের ইতিকথা
- ঘ. শ্রীকান্ত
উত্তর: ঘ। শ্রীকান্ত শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রচনা, মানিকের নয়।
52। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় কোন বিষয়ের ছাত্র ছিলেন?
- ক. সাহিত্য
- খ. বিজ্ঞান
- গ. আইন
- ঘ. ইতিহাস
উত্তর: খ। তিনি বিজ্ঞানের ছাত্র ছিলেন।
53। মানিকের লেখার প্রধান প্রবণতা কী?
- ক. ইতিহাস চর্চা
- খ. মানুষের মন বিশ্লেষণ করা
- গ. প্রকৃতি বর্ণনা
- ঘ. রাজনৈতিক প্রচার
উত্তর: খ। মানুষের মনস্তত্ত্ব বিশ্লেষণ করাই তাঁর লেখার প্রধান প্রবণতা।
54। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু কত সালে হয়?
- ক. ১৯৫৪
- খ. ১৯৫৬
- গ. ১৯৫৮
- ঘ. ১৯৬০
উত্তর: খ। ১৯৫৬ সালে কলকাতায় তাঁর মৃত্যু হয়।
