● MCQ

জুতা-আবিষ্কার কবিতার MCQ | বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

জুতা-আবিষ্কার কবিতার MCQ | SSC বাংলা ১ম পত্রের “জুতা-আবিষ্কার” কবিতা থেকে বোর্ড পরীক্ষায় নিয়মিত প্রশ্ন আসে। এই পোস্টে কবিতার সারকথা ও ৫৪টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন (MCQ) উত্তর ও ব্যাখ্যাসহ দেওয়া হলো। জ্ঞানমূলক ও অনুধাবনমূলক প্রশ্নের জন্য জুতা-আবিষ্কার কবিতার নোট দেখুন।

জুতা-আবিষ্কার কবিতার সারকথা ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

জুতা-আবিষ্কার কবিতার লেখক কে?

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (জন্ম ৭ মে ১৮৬১, জোড়াসাঁকো, কলকাতা; মৃত্যু ৭ আগস্ট ১৯৪১)। ১৯১৩ সালে গীতাঞ্জলির জন্য নোবেল পুরস্কার। উল্লেখযোগ্য রচনা: মানসী, সোনার তরী, কল্পনা, গল্পগুচ্ছ, গোরা, ঘরে বাইরে ইত্যাদি।

জুতা-আবিষ্কার কবিতার উৎস

কল্পনা কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত ব্যঙ্গাত্মক আখ্যানকবিতা।

চরিত্র

রাজা হবু (হুবু), মন্ত্রী গোবুরায়, রাজ্যের পণ্ডিত-বিজ্ঞানীরা, বৃদ্ধ চর্মকার-কুলপতি।

জুতা-আবিষ্কার কবিতার কাহিনি সংক্ষেপে

  1. রাজা হবুর আজব বায়না— পায়ে ধুলা লাগবে কেন, তাৎক্ষণিক সমাধান চাই।
  2. গোবুর আতঙ্ক, তবু বুদ্ধিমান প্রশ্ন— ধুলা না লাগলে পদধূলি পাবে কীভাবে?
  3. পণ্ডিত-বিজ্ঞানীদের সমাবেশ, প্রথম আপত্তি (মাটি গেলে ফসল হবে কীভাবে) রাজার কাছে অগ্রাহ্য হয়।
  4. প্রথম সমাধান— ঝাঁটা দিয়ে ধুলা ঝাড়া, যা উলটে গোটা রাজ্যকে ধুলায় ঢেকে দেয়।
  5. দ্বিতীয় সমাধান— পানি ছিটানো, যা জলাশয় শুকিয়ে কাদায় পরিণত করে, মহামারি ডেকে আনে।
  6. তৃতীয় প্রস্তাব— মাদুর/ফরাশ দিয়ে পৃথিবী ঢাকা বা রাজাকে ঘরবন্দি রাখা— বাস্তবে অসম্ভব।
  7. চতুর্থ প্রস্তাব— চামড়া দিয়ে সমগ্র পৃথিবী মুড়িয়ে ফেলা, কিন্তু উপযুক্ত চামার বা চামড়া মেলে না।
  8. সমাধান— বৃদ্ধ চর্মকার-কুলপতির সহজ বুদ্ধি: শুধু রাজার নিজের পা দুটি চামড়ায় ঢেকে দাও— এভাবেই জুতার আবিষ্কার।
  9. মন্ত্রীর লজ্জা-ঢাকা প্রতিক্রিয়া, রাজা ও রাজ্যের রক্ষা।

জুতা-আবিষ্কার কবিতার মূল ভাব কী?

সাধারণ সমস্যার সমাধান সহজ বুদ্ধিতেই সম্ভব— জটিলতা বাড়ালে বিড়ম্বনাই বাড়ে। ক্ষমতাবান বা পণ্ডিতরাই একমাত্র সমাধানদাতা নন; প্রান্তিক, সাধারণ মানুষও অসাধারণ সমস্যার সমাধান দিতে পারে। কবিতাটি আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও ক্ষমতার খামখেয়ালিপনার প্রতি তীব্র, কৌতুকপূর্ণ ব্যঙ্গ।

জুতা-আবিষ্কার কবিতার গুরুত্বপূর্ণ শব্দার্থ

প্রতিকার (সমাধান), মাহিনা (বেতন), ভিস্তি (জলবাহক), কিস্তি (নৌকা/জাহাজ), পাঁক (কাদা), মহী (পৃথিবী), ফরাশ (কার্পেট/মাদুর), রন্ধ্র (ছিদ্র), চামার (চর্মকার), কুলপতি (বংশপ্রধান)।

কবি পরিচিতি বিষয়ক MCQ

১। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কত খ্রিষ্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন?

  • ক. ১৮৬৩
  • খ. ১৮৬৫
  • গ. ১৮৫৯
  • ঘ. ১৮৬১

উত্তর: ঘ। তিনি ২৫শে বৈশাখ, ১২৬৮ বঙ্গাব্দে (৭ই মে, ১৮৬১ খ্রিষ্টাব্দ) জন্মগ্রহণ করেন।

২। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কত খ্রিষ্টাব্দে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন?

  • ক. ১৯১৩
  • খ. ১৯২০
  • গ. ১৯১০
  • ঘ. ১৯১৪

উত্তর: ক। ১৯১৩ খ্রিষ্টাব্দে গীতাঞ্জলির জন্য তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন, এশীয়দের মধ্যে প্রথম।

৩। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কত বছর বয়সে বনফুল কাব্য প্রকাশ করেন?

  • ক. পনেরো
  • খ. ষোলো
  • গ. চৌদ্দ
  • ঘ. তেরো

উত্তর: ক। মাত্র পনেরো বছর বয়সে তাঁর বনফুল কাব্য প্রকাশিত হয়।

৪। নিচের কোনটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যগ্রন্থ নয়?

  • ক. সোনার তরী
  • খ. কল্পনা
  • গ. চিন্তাতরঙ্গিণী
  • ঘ. মানসী

উত্তর: গ। চিন্তাতরঙ্গিণী হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের রচনা; বাকি তিনটি রবীন্দ্রনাথের কাব্যগ্রন্থ।

৫। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কত খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন?

  • ক. ১৯৪১
  • খ. ১৯৪০
  • গ. ১৯৩৯
  • ঘ. ১৯৪২

উত্তর: ক। ২২শে শ্রাবণ, ১৩৪৮ বঙ্গাব্দে (৭ই আগস্ট, ১৯৪১ খ্রিষ্টাব্দ) তিনি পরলোকগমন করেন।

জুতা-আবিষ্কার কবিতার বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর (MCQ)

৬। ‘জুতা-আবিষ্কার’ কবিতাটি রবীন্দ্রনাথের কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত?

  • ক. ক্ষণিকা
  • খ. কল্পনা
  • গ. মানসী
  • ঘ. সোনার তরী

উত্তর: খ। কবিতাটি কবির কল্পনা কাব্য থেকে সংকলন করা হয়েছে।

৭। কবিতার মূল উপজীব্য বিষয় কী?

  • ক. যুদ্ধের বর্ণনা
  • খ. রাজার পা ধুলামুক্ত রাখার প্রচেষ্টা
  • গ. প্রেমের কাহিনি
  • ঘ. প্রকৃতির বর্ণনা

উত্তর: খ। ধুলাবালি থেকে রাজার পা দুটিকে মুক্ত রাখার নানা প্রসঙ্গই কবিতাটির মূল উপজীব্য।

৮। কবিতাটির মধ্য দিয়ে লেখক কোন শিক্ষা দিতে চেয়েছেন?

  • ক. সহজ সমস্যা জটিল করলে বিড়ম্বনা বাড়ে
  • খ. রাজাদের সবসময় মান্য করতে হবে
  • গ. দরিদ্রদের মতামত গুরুত্বহীন
  • ঘ. বিজ্ঞানীদের কথাই সবসময় সঠিক

উত্তর: ক। পাঠ-পরিচিতি অনুযায়ী সাধারণ সমস্যার সমাধান সাধারণ বুদ্ধিতেই করতে হয়; সাধারণের দ্বারাও অসাধারণ কৃত্য সম্পাদিত হতে পারে— এই শিক্ষাই কবিতায় মূর্ত হয়ে উঠেছে।

৯। কবিতায় রাজার নাম কী?

  • ক. হবু
  • খ. গোবু
  • গ. চামার
  • ঘ. হুবু

উত্তর: ক। রাজার নাম হবু (কবিতায় কোথাও ‘হুবু’ নামেও উল্লেখ আছে, একই ব্যক্তি)।

১০। রাজার মন্ত্রীর নাম কী?

  • ক. গোবুরায়
  • খ. বিজ্ঞানীরায়
  • গ. চামাররায়
  • ঘ. পণ্ডিতরায়

উত্তর: ক। রাজার মন্ত্রীর নাম গোবুরায়।

১১। রাজা সারারাত কী নিয়ে ভেবেছিলেন?

  • ক. রাজ্যের অর্থনীতি নিয়ে
  • খ. যুদ্ধের কৌশল নিয়ে
  • গ. রাজ্যের প্রতিরক্ষা নিয়ে
  • ঘ. কেন পায়ে মলিন ধুলা লাগে তা নিয়ে

উত্তর: ঘ। রাজা সারারাত ভেবেছেন, শুধু মাটিতে পা ফেলা মাত্রই কেন মলিন ধুলা পায়ে লাগে।

১২। রাজা মন্ত্রীদের কী অভিযোগ করেন?

  • ক. তারা অজ্ঞ
  • খ. তারা শুধু বেতন নেন, কাজে দৃষ্টি নেই
  • গ. তারা অসৎ
  • ঘ. তারা অলস

উত্তর: খ। রাজা অভিযোগ করেন, মন্ত্রীরা শুধু বেতন বাঁটেন, রাজার কাজে তাদের কোনো দৃষ্টি নেই।

১৩। রাজা মন্ত্রীকে কী নির্দেশ দেন?

  • ক. নতুন প্রাসাদ নির্মাণের নির্দেশ
  • খ. শীঘ্র প্রতিকারের নির্দেশ, নইলে রক্ষা নেই
  • গ. কর বৃদ্ধির নির্দেশ
  • ঘ. যুদ্ধ ঘোষণার নির্দেশ

উত্তর: খ। রাজা নির্দেশ দেন শীঘ্র প্রতিকার (সমাধান) করতে হবে, নইলে কারো রক্ষা নেই।

১৪। রাজার কথা শুনে গোবুর প্রতিক্রিয়া কী হয়?

  • ক. সে উদাসীন থাকে
  • খ. সে রাগ করে
  • গ. সে হেসে ফেলে
  • ঘ. সে ভীষণ ভয় পায়

উত্তর: ঘ। শুনে গোবু ভাবিয়া হলো খুন (হতবাক), দারুণ ত্রাসে তার সারা শরীরে ঘাম বইতে থাকে।

১৫। রাজার আদেশে রাজ্যে কী অবস্থা তৈরি হয়?

  • ক. উৎসবের পরিবেশ
  • খ. পণ্ডিত ও পাত্রদের ঘুম নেই, রান্না বন্ধ
  • গ. আনন্দমুখর পরিবেশ
  • ঘ. স্বাভাবিক দিনযাপন

উত্তর: খ। রাজার আদেশে সারা রাজ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে— পণ্ডিতের মুখ চুন হয়, পাত্রদের রাতে ঘুম হয় না, রান্নাঘরে হাঁড়ি চড়ে না, কান্নাকাটি শুরু হয়।

১৬। গোবু কাঁদতে কাঁদতে রাজাকে কী প্রশ্ন করে?

  • ক. প্রজারা কী খাবে
  • খ. ধুলা না লাগলে পদধূলি কীভাবে পাওয়া যাবে
  • গ. মন্ত্রীদের কী হবে
  • ঘ. রাজ্যের ভবিষ্যৎ কী হবে

উত্তর: খ। গোবু কাঁদতে কাঁদতে জিজ্ঞেস করে, পায়ে ধুলা না লাগলে পদধূলি (রাজার প্রতি শ্রদ্ধাসূচক পায়ের ধুলি) পাওয়ার উপায় কী।

১৭। গোবুর প্রশ্ন শুনে রাজার প্রতিক্রিয়া কী হয়?

  • ক. কথাটা সত্য মেনেও আগে ধুলা দূর করতে বলেন
  • খ. তিনি নীরব থাকেন
  • গ. তিনি আদেশ প্রত্যাহার করেন
  • ঘ. তিনি রেগে যান

উত্তর: ক। রাজা দুলে দুলে ভেবে বলেন, কথাটা সত্য বটে, কিন্তু আগে ধুলা বিদায় করতে হবে, পদধূলির তত্ত্ব নিয়ে পরে ভাবা যাবে।

১৮। রাজা কেন এত বৈজ্ঞানিক ভৃত্য পোষণ করেছেন বলে মন্তব্য করেন?

  • ক. তাদের শিক্ষার জন্য
  • খ. সমাধান দিতে না পারলে তাদের বেতন মিথ্যা
  • গ. তাদের পরিবারের সাহায্যার্থে
  • ঘ. তাদের প্রতি করুণাবশত

উত্তর: খ। রাজা বলেন, ধুলা-অভাবে পদধুলা না পেলে তারা মিথ্যা মাহিনা খাচ্ছে, তাহলে এত উপাধিধারী বৈজ্ঞানিক ভৃত্য পোষার কোনো মানে নেই।

১৯। রাজার নির্দেশ পালনে মন্ত্রী কাদের ডেকে আনেন?

  • ক. দেশ-বিদেশের সব জ্ঞানী ও যন্ত্রবিদকে
  • খ. শুধু কৃষকদের
  • গ. শুধু চর্মকারদের
  • ঘ. শুধু সৈন্যদের

উত্তর: ক। মন্ত্রী যত্নভরে দেশে-বিদেশের সকল জ্ঞানী-গুণী পণ্ডিত ও যন্ত্রীদের (প্রকৌশলী) ডেকে আনেন।

২০। পণ্ডিতেরা কতগুলো নস্যের পিপে শেষ করেন চিন্তা করতে গিয়ে?

  • ক. নয়টি
  • খ. একুশটি
  • গ. তেইশটি
  • ঘ. উনিশটি

উত্তর: ঘ। গভীর চিন্তায় মগ্ন হয়ে তারা উনিশ পিপে নস্য শেষ করে ফেলেন।

২১। পণ্ডিতেরা প্রথমে কী আপত্তি তোলেন?

  • ক. মাটি সরালে ফসল কোথায় হবে
  • খ. এতে খরচ বেশি হবে
  • গ. এই কাজ সময়সাপেক্ষ
  • ঘ. রাজা রাজি হবেন না

উত্তর: ক। পণ্ডিতেরা বলেন, মাটি গেলে ধরায় তবে কোথায় শস্য হবে— অর্থাৎ মাটি সরানো অবাস্তব।

২২। এই আপত্তি শুনে রাজার প্রতিক্রিয়া কী হয়?

  • ক. তিনি নতুন পরামর্শ চান
  • খ. তিনি সহমত পোষণ করেন
  • গ. তিনি সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেন
  • ঘ. ব্যঙ্গ করে পণ্ডিতদের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন

উত্তর: ঘ। রাজা ব্যঙ্গের সুরে বলেন, তাই যদি সমাধান না করতে পারো, তবে পণ্ডিতেরা রয়েছ কেন?

২৩। পণ্ডিতেরা প্রথম সমাধান হিসেবে কী কেনার সিদ্ধান্ত নেন?

  • ক. মাদুর
  • খ. চামড়া
  • গ. কার্পেট
  • ঘ. ঝাঁটা

উত্তর: ঘ। পণ্ডিতেরা সাড়ে সতেরো লক্ষ ঝাঁটা কেনার সিদ্ধান্ত নেন, ধুলা ঝাড়ু দিয়ে দূর করার জন্য।

২৪। ঝাঁটা দিয়ে ধুলা ঝাড়ার ফলে কী হয়?

  • ক. ধুলার মেঘে সূর্য ঢাকে, লোকে কাশতে থাকে
  • খ. কোনো পরিবর্তন হয় না
  • গ. রাজ্য পরিষ্কার হয়
  • ঘ. রাজ্যে শান্তি ফিরে আসে

উত্তর: ক। ঝাঁটার ধুলায় রাজার মুখ-বক্ষ ভরে যায়, সূর্য ঢাকা পড়ে, মানুষ কাশতে কাশতে মারা যায়, নগর ধুলায় অদৃশ্য হয়ে যায়।

২৫। এই বিপর্যয় দেখে রাজা কী মন্তব্য করেন?

  • ক. আরও ঝাঁটা দরকার
  • খ. ধুলা দূর করতে গিয়ে জগৎ আরও ধুলাময় হয়েছে
  • গ. এটাই সঠিক সমাধান
  • ঘ. পণ্ডিতদের পুরস্কৃত করা উচিত

উত্তর: খ। রাজা বলেন, ধুলা দূর করতে গিয়ে জগৎ উলটে ধুলায় ভরপুর হয়ে গেছে— একটি তীব্র ব্যঙ্গোক্তি।

২৬। ধুলার সমস্যা সমাধানে দ্বিতীয় পদক্ষেপ কী নেওয়া হয়?

  • ক. রাজাকে ঘরে আটকে রাখা
  • খ. রাজ্য ত্যাগ করা
  • গ. আরও ঝাঁটা কেনা
  • ঘ. একুশ লাখ ভিস্তি দিয়ে পানি ছিটানো

উত্তর: ঘ। একুশ লাখ ভিস্তি মশক (চামড়ার থলি) কাঁখে নিয়ে পানি ছিটাতে ছুটে যায়।

২৭। পানি ছিটানোর ফলে কী বিপর্যয় ঘটে?

  • ক. ফসল ভালো হয়
  • খ. পুকুর-বিল পাঁকে ভরে যায়, নৌকা চলে না
  • গ. খরা দূর হয়
  • ঘ. রাজ্য সবুজ হয়ে ওঠে

উত্তর: খ। এত পানি ব্যবহারে পুকুর-বিলে শুধু কাদা অবশিষ্ট থাকে, নদীর জল শুকিয়ে নৌকা চলাচল বন্ধ হয়ে যায়, জলের প্রাণী জল ছাড়া মারা যায়, ডাঙার প্রাণী সাঁতারের চেষ্টা করে বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে।

২৮। এই বিপর্যয়ের ফলে দেশের অর্থনীতি ও স্বাস্থ্যের কী অবস্থা হয়?

  • ক. কোনো প্রভাব পড়ে না
  • খ. উন্নতি হয়
  • গ. মানুষ আনন্দিত হয়
  • ঘ. বেচাকেনা বন্ধ হয়, সর্দিজ্বরে দেশ উজাড় হয়

উত্তর: ঘ। কাদার তলে ব্যবসা-বাণিজ্য বন্ধ হয়ে যায় এবং সর্দিজ্বরের মহামারিতে দেশ প্রায় জনশূন্য হয়ে পড়ে।

২৯। এই বিপর্যয় দেখে রাজা তার লোকদের কী বলে গালি দেন?

  • ক. তারা অসৎ
  • খ. তারা কাপুরুষ
  • গ. তারা অলস
  • ঘ. তারা গাধা, ধুলাকে কাদা বানিয়ে দিয়েছে

উত্তর: ঘ। রাজা বলেন, ‘এমনি সব গাধা ধুলারে মারি করিয়া দিল কাদা!’— অর্থাৎ সমাধান খুঁজতে গিয়ে তারা সমস্যাকে আরও ভয়াবহ করে তুলেছে।

**৩০। ঝাঁটা ও পানি— এই দুই ব্যর্থ সমাধান নিয়ে নিচের তথ্যগুলো লক্ষ করো —**
i. ঝাঁটার ব্যবহারে ধুলার মেঘে সূর্য ঢাকা পড়ে
ii. পানি ছিটানোর ফলে দেশের ফসল উৎপাদন বহুগুণ বৃদ্ধি পায়
iii. উভয় সমাধানই সমস্যা কমানোর বদলে আরও বড় সংকট সৃষ্টি করে

নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii খ. i ও iii গ. ii ও iii ঘ. i, ii ও iii
**উত্তর: খ।** প্রথম ও তৃতীয় তথ্য সঠিক, কিন্তু পানি ছিটানোর ফলে আসলে ফসল উৎপাদন বাড়েনি, বরং জলাভাবে ও মহামারিতে দেশ বিপর্যস্ত হয়— তাই দ্বিতীয় তথ্যটি ভুল।

৩১। তৃতীয় দফা পরামর্শে কী প্রস্তাব দেওয়া হয়?

  • ক. নতুন রাজধানী স্থাপন
  • খ. জনগণকে স্থানান্তর করা
  • গ. পৃথিবী মাদুর দিয়ে ঢেকে দেওয়া
  • ঘ. রাজাকে বিদেশে পাঠানো

উত্তর: গ। এবার প্রস্তাব দেওয়া হয়, মহী মাদুর দিয়ে ঢেকে ফরাশ পেতে ধুলা বন্ধ করা হবে।

৩২। আরেকজন কী পরামর্শ দেন, যাতে ধুলা পায়ে না লাগে?

  • ক. রাজাকে উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া
  • খ. রাজাকে সবসময় জুতা পরিয়ে রাখা
  • গ. রাজাকে ঘরে আটকে রাখা
  • ঘ. রাজাকে পালকিতে বহন করা

উত্তর: গ। কেউ পরামর্শ দেয়, রাজাকে ঘরে বন্ধ রাখতে হবে, যাতে কোথাও কোনো রন্ধ্র (ছিদ্র) না থাকে— তাহলে ধুলার মাঝে পা না দিলে পায়ে ধুলা লাগবে না।

৩৩। রাজা এই প্রস্তাবে কী আপত্তি জানান?

  • ক. এটি অপমানজনক
  • খ. ঘরে বন্ধ থাকলে রাজ্য পরিচালনায় বিঘ্ন ঘটবে
  • গ. এটি অসম্ভব
  • ঘ. এতে খরচ বেশি হবে

উত্তর: খ। রাজা বলেন, মাটির (ধুলার) ভয়ে দিবারাত্রি ঘরে বন্ধ থাকলে রাজ্যই মাটি (বিনষ্ট) হয়ে যাবে— অর্থাৎ শাসনকার্য ব্যাহত হবে।

৩৪। চতুর্থ প্রস্তাব হিসেবে কী দিয়ে পৃথিবী মুড়িয়ে দেওয়ার কথা বলা হয়?

  • ক. চামড়া
  • খ. ধাতু
  • গ. কাপড়
  • ঘ. কাগজ

উত্তর: ক। সবাই মিলে প্রস্তাব দেয়, চামার ডেকে চামড়া দিয়ে সমগ্র পৃথিবী মুড়িয়ে দেওয়া হবে।

৩৫। এই প্রস্তাব বাস্তবায়নে কী সমস্যা দেখা দেয়?

  • ক. উপযুক্ত চামড়া কোথাও পাওয়া যায় না
  • খ. চামার পাওয়া গেলেও চামড়া নেই
  • গ. রাজা রাজি হননি
  • ঘ. খরচ অত্যধিক

উত্তর: ক। রাজার দূতেরা সর্বত্র খুঁজেও যোগ্যমতো চামার বা উপযুক্ত বিপুল পরিমাণ চামড়া কোথাও খুঁজে পান না।

৩৬। শেষ পর্যন্ত সমাধান কে দেন?

  • ক. একজন বৃদ্ধ চর্মকার-কুলপতি
  • খ. মন্ত্রী গোবুরায়
  • গ. পণ্ডিতরা
  • ঘ. রাজা নিজেই

উত্তর: ক। একজন বৃদ্ধ চর্মকার-কুলপতি ঈষৎ হেসে এসে সহজ সমাধানের কথা বলেন।

৩৭। বৃদ্ধ চর্মকার কী সমাধান প্রস্তাব করেন?

  • ক. রাজাকে ঘরে বন্ধ রাখতে
  • খ. পুরো পৃথিবী ঢেকে দিতে
  • গ. শুধু রাজার দুই পা চামড়া দিয়ে ঢাকতে
  • ঘ. আরও ঝাঁটা কিনতে

উত্তর: গ। বৃদ্ধ চর্মকার বলেন, শুধু নিজের দুটি পা ঢেকে ফেললেই হয়, তাহলে আর সমগ্র ধরণী ঢাকার প্রয়োজন নেই।

৩৮। এই সহজ সমাধান শুনে রাজার প্রতিক্রিয়া কী হয়?

  • ক. সহজ সমাধানের জন্য সারা দেশ ভাবল বলে বিস্মিত হন
  • খ. তিনি আনন্দিত হন
  • গ. তিনি বিশ্বাস করেন না
  • ঘ. তিনি চর্মকারকে পুরস্কৃত করেন সাথে সাথে

উত্তর: ক। রাজা বিস্মিত হয়ে বলেন, ‘এত কি হবে সিধে! ভাবিয়া ম’ল সকল দেশসুদ্ধ!’— এত সহজ সমাধানের জন্য সারা দেশ কষ্ট পেয়েছিল ভেবে তিনি আশ্চর্য হন।

৩৯। মন্ত্রী প্রথমে চর্মকারের প্রতি কী প্রতিক্রিয়া দেখান?

  • ক. তাকে পুরস্কৃত করার প্রস্তাব দেন
  • খ. তার সাথে সহমত পোষণ করেন
  • গ. তাকে উপেক্ষা করেন
  • ঘ. তাকে কারাগারে বন্ধ করার প্রস্তাব দেন

উত্তর: ঘ। লজ্জা ও অপ্রস্তুত হয়ে মন্ত্রী প্রথমে বলেন, তাকে শূলে বিঁধিয়ে কারাগারে বন্ধ করে রাখা হোক— একটি নির্মম ও হাস্যকর প্রতিক্রিয়া।

৪০। শেষ পর্যন্ত কী ঘটে?

  • ক. চামড়ায় পা ঢেকে দেন, সেদিন থেকে জুতা প্রচলিত হয়
  • খ. রাজা তার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেন
  • গ. রাজ্যে বিদ্রোহ শুরু হয়
  • ঘ. চর্মকারকে শাস্তি দেওয়া হয়

উত্তর: ক। বৃদ্ধ রাজার পায়ের কাছে বসে চর্ম-আবরণে তাঁর পা ঢেকে দেন— সেদিন থেকেই জুতা পরার প্রচলন শুরু হয়, এভাবেই ‘জুতা আবিষ্কার’ হয়।

৪১। মন্ত্রী শেষে কী বলে নিজের অপ্রস্তুত ভাব ঢাকার চেষ্টা করেন?

  • ক. তিনি ক্ষমা চান
  • খ. তিনি চুপ থাকেন
  • গ. তিনি চর্মকারকে ধন্যবাদ জানান
  • ঘ. এই বুদ্ধি তারও মনে ছিল বলে দাবি করেন

উত্তর: ঘ। মন্ত্রী নিজের ব্যর্থতা ঢাকতে বলেন, এই বুদ্ধি তারও মনে ছিল, শুধু বেটা (চামার) কীভাবে সেটা জানতে পারল তা তিনি ভেবে অবাক হন— এক তীব্র শ্লেষাত্মক পরিসমাপ্তি।

৪২। কবিতার শেষে ‘গোবু বাঁচিল, রক্ষা পেল ধরা’— এই পঙক্তির অর্থ কী?

  • ক. গোবু ও পৃথিবী উভয়ই ধ্বংসাত্মক প্রকল্প থেকে রক্ষা পায়
  • খ. শুধু পৃথিবী রক্ষা পায়
  • গ. কারো কোনো উপকার হয়নি
  • ঘ. শুধু গোবুর জীবন রক্ষা পায়

উত্তর: ক। জুতা আবিষ্কারের মাধ্যমে মন্ত্রী গোবু রাজরোষ থেকে বাঁচেন এবং পৃথিবীও (ধরা) অর্থহীন ধ্বংসাত্মক প্রকল্পগুলো (মাদুরে ঢাকা, চামড়ায় মোড়া ইত্যাদি) থেকে রক্ষা পায়।

৪৩। ‘প্রতিকার’ শব্দের অর্থ কী?

  • ক. পুরস্কার
  • খ. রোগ
  • গ. প্রতিবিধান, সমাধান
  • ঘ. শাস্তি

উত্তর: গ। প্রতিকার অর্থ প্রতিবিধান বা সমাধান।

৪৪। ‘মাহিনা’ শব্দের অর্থ কী?

  • ক. উপহার
  • খ. ঋণ
  • গ. জরিমানা
  • ঘ. পারিশ্রমিক, বেতন

উত্তর: ঘ। মাহিনা অর্থ পারিশ্রমিক বা বেতন।

৪৫। ‘ভিস্তি’ শব্দের অর্থ কী?

  • ক. একজন পণ্ডিত
  • খ. একজন কারিগর
  • গ. পানি বহনকারী চামড়ার থলির বাহক
  • ঘ. একজন সৈনিক

উত্তর: গ। ভিস্তি হলো পানি বহনের জন্য চামড়ার তৈরি থলি (মশক) বহনকারী ব্যক্তি।

৪৬। ‘কিস্তি’ শব্দের অর্থ কী?

  • ক. নৌকা বা জাহাজ, জলযান
  • খ. ঋণের কিস্তি
  • গ. একটি পোশাক
  • ঘ. একটি খেলা

উত্তর: ক। এখানে কিস্তি অর্থ নৌকা বা জাহাজ জাতীয় জলযান।

৪৭। ‘রন্ধ্র’ শব্দের অর্থ কী?

  • ক. জানালা
  • খ. দরজা
  • গ. ছিদ্র, ফুটো
  • ঘ. দেয়াল

উত্তর: গ। রন্ধ্র অর্থ ছিদ্র বা ফুটো।

৪৮। ‘কুলপতি’ শব্দের অর্থ কী?

  • ক. একজন সাধারণ কর্মী
  • খ. বংশের প্রধান, কুলশ্রেষ্ঠ
  • গ. একজন রাজা
  • ঘ. একজন সৈনিক

উত্তর: খ। কুলপতি অর্থ বংশ বা সম্প্রদায়ের প্রধান ব্যক্তি।

৪৯। কবিতাটি মূলত কোন সামাজিক বাস্তবতার প্রতি ব্যঙ্গ করে?

  • ক. কৃষিব্যবস্থার প্রতি
  • খ. আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও অহেতুক আদেশের প্রতি
  • গ. শিক্ষাব্যবস্থার প্রতি
  • ঘ. পরিবেশ দূষণের প্রতি

উত্তর: খ। কবিতাটি রাজা-মন্ত্রী-পণ্ডিতদের জটিল, অবাস্তব সিদ্ধান্তের মাধ্যমে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও ক্ষমতাবানদের খামখেয়ালি আদেশের প্রতি তীব্র ব্যঙ্গ করে।

৫০। পণ্ডিত-বিজ্ঞানীরা বারবার ব্যর্থ হওয়ার পরও একজন সাধারণ চর্মকার সহজ সমাধান দিতে পারলেন কেন বলে মনে হয়?

  • ক. তিনি ভাগ্যবান ছিলেন বলে
  • খ. তার কাছে বেশি সম্পদ ছিল বলে
  • গ. তিনি বাস্তবসম্মত দৃষ্টিভঙ্গিতে সমস্যাটি দেখেছিলেন বলে
  • ঘ. তিনি রাজার আত্মীয় ছিলেন বলে

উত্তর: গ। পণ্ডিতরা সমস্যাটিকে জটিল তাত্ত্বিক দৃষ্টিতে দেখেছিলেন, কিন্তু চর্মকার তাঁর ব্যবহারিক অভিজ্ঞতা দিয়ে সহজ ও বাস্তবসম্মত সমাধান খুঁজে পেয়েছিলেন— এখানেই কবিতার মূল শিক্ষা নিহিত।

৫১। কবিতাটি থেকে সমাজে ‘পদমর্যাদা’ সম্পর্কে কোন শিক্ষা পাওয়া যায়?

  • ক. নিম্নপদস্থ মানুষদের মতামত গুরুত্বহীন
  • খ. পদমর্যাদাই একমাত্র বিবেচ্য বিষয়
  • গ. উচ্চপদস্থ ব্যক্তিরাই সব সমস্যার সমাধান দিতে পারেন
  • ঘ. পদস্থ জন ছাড়াও সাধারণ মানুষ সমাধান দিতে পারে

উত্তর: ঘ। পাঠ-পরিচিতি অনুযায়ী কবিতাটি প্রমাণ করে, সমস্যা সমাধানে পদস্থ জনই যে অনিবার্য তা নয়, সাধারণের দ্বারাও অসাধারণ কৃত্য সম্পাদিত হতে পারে।

বন্ধু এন্টনিওর জন্য জামিন হয়ে বাসানিও সুদখোর শাইলকের কাছ থেকে টাকা ধার নেয়। শর্ত ছিল, নির্দিষ্ট সময়ে টাকা ফেরত না দিলে শাইলক তার বুকের এক পাউন্ড মাংস কেটে নেবে। ব্যর্থতার সুযোগে শাইলক আদালতে যায়। এমন সময় এক তরুণ উকিল বলেন, শাইলক ঠিক এক পাউন্ড মাংসই কাটতে পারবেন, কমবেশি নয়, আর শর্তে না থাকায় কোনো রক্তও ঝরাতে পারবেন না।

৫২। উদ্দীপকের তরুণ উকিলের সাথে ‘জুতা-আবিষ্কার’ কবিতার কোন চরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে?

  • ক. বৃদ্ধ চর্মকার
  • খ. পণ্ডিতরা
  • গ. মন্ত্রী গোবু
  • ঘ. রাজা হবু

উত্তর: ক। তরুণ উকিল যেমন জটিল আইনি সমস্যার একটি সহজ, বুদ্ধিদীপ্ত সমাধান দিয়েছিলেন, বৃদ্ধ চর্মকারও তেমনি জটিল রাজকীয় সমস্যার সবচেয়ে সহজ সমাধান খুঁজে দিয়েছিলেন— উভয়ের বুদ্ধিমত্তার ধরন একই রকম।

৫৩। উভয় ঘটনায় প্রকাশিত সাধারণ শিক্ষা কী?

  • ক. প্রতিটি সমস্যার একাধিক সমাধান দরকার
  • খ. ধনীরাই বুদ্ধিমান
  • গ. আইন সবসময় জটিল হয়
  • ঘ. জটিল সমস্যারও সহজ সমাধান থাকতে পারে

উত্তর: ঘ। উভয় ঘটনাতেই দেখা যায়, প্রচলিত জ্ঞানী-গুণীরা যে জটিল সমস্যার সমাধান খুঁজে পাননি, তার একেবারে সহজ ও বুদ্ধিদীপ্ত সমাধান এসেছে অপ্রত্যাশিত উৎস থেকে।

বিদ্যালয়ের চাল ফুটো হয়ে বৃষ্টির পানি পড়ছিল। জেলা বোর্ডের এক কর্মকর্তা পরিদর্শনে এসে বিষয়টি শুনে বলেন, তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখবেন, অনুমোদন ও বাজেট এলে সমাধান হবে— তাই অপেক্ষা করতে বলেন। এই দীর্ঘসূত্রতার কথা শুনে বেকার যুবক সোহেল বন্ধুদের সাথে আলোচনা করে দ্রুত সমস্যার সমাধান করে ফেলে।

৫৪। জেলা বোর্ড কর্মকর্তার সাথে ‘জুতা-আবিষ্কার’ কবিতার কোন চরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে?

  • ক. পণ্ডিত ও মন্ত্রীদের জটিল সমাধান-পদ্ধতির সাথে
  • খ. গোবুর সরল প্রতিক্রিয়ার সাথে
  • গ. বৃদ্ধ চর্মকারের
  • ঘ. রাজা হবুর

উত্তর: ক। জেলা বোর্ড কর্মকর্তা যেমন সহজ সমস্যাকে আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় ফেলে দীর্ঘায়িত করেন, কবিতার পণ্ডিত-মন্ত্রীরাও তেমনি সহজ সমস্যাকে জটিল ও ব্যয়বহুল প্রকল্পে পরিণত করেছিলেন।

৫৫। সোহেলের ভূমিকা কবিতার কোন চরিত্রের সাথে তুলনীয়?

  • ক. মন্ত্রী গোবুর সাথে
  • খ. পণ্ডিতদের সাথে
  • গ. রাজা হবুর সাথে
  • ঘ. বৃদ্ধ চর্মকারের সাথে, যিনি ব্যবহারিক বুদ্ধিতে সমাধান দেন

উত্তর: ঘ। সোহেল যেমন প্রাতিষ্ঠানিক ক্ষমতাহীন অবস্থায় থেকেও দ্রুত ব্যবহারিক সমাধান দিয়েছে, বৃদ্ধ চর্মকারও তেমনি সমাজের প্রান্তিক অবস্থানে থেকে রাজকীয় সমস্যার সহজ সমাধান দিয়েছিলেন— উপেক্ষিতদের হাতেই গুরুত্বপূর্ণ সমাধান আসতে পারে, এটাই উভয়ের সাদৃশ্য।

আরও পড়ুন

SSC বাংলা ১ম পত্র-এর সব পোস্ট

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সাহায্য লাগবে?
BCS Journey Support
● Online
×
💬Messenger ✈Telegram
BCS JOURNEY
BCS Journey
চ্যাট শুরু করুন ➜