আমাদের নতুন গৌরবগাথা রচনার নোট | SSC বাংলা ১ম পত্রের “আমাদের নতুন গৌরবগাথা” রচনার জ্ঞানমূলক ও অনুধাবনমূলক প্রশ্ন উত্তর নিচে দেওয়া হলো। বহুনির্বাচনি প্রশ্নের জন্য আমাদের নতুন গৌরবগাথা রচনার MCQ দেখুন।
জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর (ক)
আমাদের নতুন গৌরবগাথা রচনাের মূল বিষয়বস্তু নিয়ে জ্ঞানমূলক প্রশ্ন
‘আমাদের নতুন গৌরবগাথা’ রচনাটি কী ধরনের লেখা?
এটি একটি সংকলিত রচনা, নির্দিষ্ট কোনো লেখকের নাম উল্লেখ নেই।
রচনাটি মূলত কোন ঘটনা নিয়ে রচিত?
এটি ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে সংঘটিত ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান নিয়ে রচিত।
আন্দোলনটি প্রথমে কোন দাবি নিয়ে শুরু হয়েছিল?
সরকারি চাকরিতে কোটাব্যবস্থা পুনর্বিন্যাসের দাবি নিয়ে শুরু হয়েছিল।
২০১৮ সালে এই আন্দোলনে কী সাফল্য অর্জিত হয়?
সরকার কোটাব্যবস্থা সম্পূর্ণ বাতিল করে দেয়।
২০২৪ সালের নতুন আন্দোলনের নাম কী ছিল?
আন্দোলনের নাম ছিল বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।
আন্দোলন প্রথম দিকে কোথায় সীমিত ছিল?
আন্দোলন প্রথম দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অঙ্গনে সীমিত ছিল।
১৪ই জুলাই রাতে কী ঘটে?
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলো থেকে প্রায় সব ছাত্রী মিছিল করে বেরিয়ে আসেন।
১৬ই জুলাই রংপুরে কী ঘটনা ঘটেছিল?
আবু সাঈদ বুক চিতিয়ে পুলিশের গুলির সামনে এগিয়ে যান।
জুলাইয়ের কোন সপ্তাহ থেকে আন্দোলন গণআন্দোলনে রূপ নিতে শুরু করে?
জুলাইয়ের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে গণআন্দোলনে রূপ নিতে শুরু করে।
জনতা কোন স্থান ঘেরাও করার পরিকল্পনা করেছিল?
জনতা গণভবন ঘেরাও করার পরিকল্পনা করেছিল।
৫ই আগস্টকে আমাদের নতুন গৌরবগাথা রচনায় প্রতীকী অর্থে কী বলা হয়েছে?
৫ই আগস্টকে প্রতীকী অর্থে ‘৩৬শে জুলাই’ বলা হয়েছে।
জনতা কখন গণভবনে পৌঁছায়?
জনতা দুপুর নাগাদ গণভবনে পৌঁছে যায়।
রচনা অনুযায়ী সরকার কোন কৌশল ব্যবহার করে যা উলটো ফল দেয়?
নিজেদের ছাত্রসংগঠন দিয়ে আন্দোলন দমানোর চেষ্টা, যা আন্দোলনকে আরও তীব্র করে তোলে।
আন্দোলনের ব্যাপকতা বোঝাতে কোন চিত্রকল্প ব্যবহার করা হয়েছে?
‘যতদূর চোখ যায়, কেবল মানুষ আর মানুষ’ চিত্রকল্প ব্যবহার করা হয়েছে।
আমাদের নতুন গৌরবগাথা রচনায় সমাজের অসন্তোষের কোন কোন উদাহরণ উল্লেখ আছে?
নির্বাচনে অনিয়ম, দুর্নীতি, জিনিসপত্রের মূল্যবৃদ্ধি, গুম-খুন ইত্যাদি।
আমাদের নতুন গৌরবগাথা রচনার শেষাংশে গণঅভ্যুত্থানের বিজয়কে কী হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে?
এটিকে দেশ নতুনভাবে গড়ার একটি সুযোগ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।
আমাদের নতুন গৌরবগাথা রচনার শেষে গণঅভ্যুত্থানের মূল শিক্ষা হিসেবে কী তুলে ধরা হয়েছে?
ভিন্নমত, ভিন্ন বিশ্বাস ও ভিন্ন সংস্কৃতির প্রতি সহিষ্ণুতা দেখানো।
‘গ্রাফিতি’ শব্দের অর্থ কী?
গ্রাফিতি অর্থ দেয়ালে আঁকা ছবি বা কথা, যা সময়ের চিত্র তুলে ধরে।
‘কারফিউ’ শব্দের অর্থ কী?
কারফিউ অর্থ সান্ধ্য আইন।
আমাদের নতুন গৌরবগাথা রচনার প্রধান বিষয়বস্তু কী?
২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট, ঘটনাপ্রবাহ ও তাৎপর্য।
পাঠ-পরিচিতি অনুযায়ী এই গণঅভ্যুত্থান কোন কোন পূর্ববর্তী গণঅভ্যুত্থান থেকে পৃথক বলে উল্লেখ করা হয়েছে?
পাঠ-পরিচিতি অনুযায়ী এই গণঅভ্যুত্থান ১৯৬৯ বা ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থান থেকে পৃথক, কারণ এটি কোনো রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বে হয়নি।
আমাদের নতুন গৌরবগাথা রচনার শুরুতে কোন ঋতুর কথা উল্লেখ করা হয়েছে?
রচনায় বলা হয়েছে, ঘটনার সময় ফাল্গুন বা রৌদ্রদহনের কাল ছিল না, ছিল বাংলার নিজস্ব ঋতু— বর্ষা।
আমাদের নতুন গৌরবগাথা রচনায় ‘৫ই আগস্ট, ২০২৪’ তারিখকে আর কী বলে উল্লেখ করা হয়েছে?
রচনায় প্রতীকী অর্থে ৫ই আগস্টকে ‘৩৬শে জুলাই’ বলা হয়েছে, কারণ বাংলাদেশের ক্যালেন্ডার যেন জুলাইয়েই থেমে গিয়েছিল বলে লেখক বর্ণনা করেছেন।
৫ই আগস্টের আগে দেশের পরিস্থিতি কেমন ছিল বলে বর্ণনা করা হয়েছে?
সমগ্র দেশ যেন এক অসহনীয় উৎকণ্ঠায় স্তব্ধ হয়ে ছিল, সারা দুনিয়ার মানুষও আকাঙ্ক্ষা আর উদ্বেগ নিয়ে বাংলাদেশের দিকে তাকিয়ে ছিল বলে রচনায় বর্ণিত হয়েছে।
আন্দোলনকারী ছাত্র-জনতা কোন দাবি পেশ করেছিল সেদিন?
আন্দোলনকারী ছাত্র-জনতা এক দফা দাবি পেশ করেছিল।
কারফিউ উপেক্ষা করে ঢাকার কোন কোন এলাকায় মানুষের সমাগম হতে থাকে?
কারফিউ উপেক্ষা করে উত্তরা, যাত্রাবাড়ি ও সাভারের পথে মানুষের ঢল নামতে থাকে।
পতন অত্যাসন্ন টের পেয়ে সরকারপ্রধান কী করেন?
পতন অত্যাসন্ন টের পেয়ে সরকারপ্রধান দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান।
২০২৪ সালের শুরুতে কী ঘটে যা আন্দোলন পুনরায় শুরুর কারণ হয়?
২০২৪ সালের শুরুতে প্রহসনের নির্বাচনে ক্ষমতা দখলের পর সরকার কৌশলে পুরোনো কোটা আবার চালু করে, ফলে শিক্ষার্থীরা নতুন করে আন্দোলন শুরু করে।
১৬ই জুলাই আন্দোলনের সবচেয়ে কার্যকর ও পরিচিত ছবিটি কোথায় পাওয়া যায়?
১৬ই জুলাই রংপুরে ঘটনাটি ঘটে, যা আন্দোলনের সবচেয়ে কার্যকর ও পরিচিত ছবি হয়ে ওঠে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হল বন্ধ হওয়ার পর আন্দোলনে কারা এগিয়ে আসে?
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হল বন্ধ হওয়ার পর প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়, স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা ব্যাপকভাবে এগিয়ে আসেন।
আমাদের নতুন গৌরবগাথা রচনায় কোন কোন সামাজিক সমস্যার উল্লেখ আছে যা মানুষের ক্ষোভ বাড়িয়েছিল?
নির্বাচনে অনিয়ম, ব্যাপক দুর্নীতি, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের মূল্যবৃদ্ধি, গুম-খুন ইত্যাদি বিভিন্ন সমস্যার উল্লেখ রচনায় আছে যা মানুষের ক্ষোভ বাড়িয়েছিল।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের নেতৃত্ব মূলত কাদের ছিল?
রচনা অনুযায়ী এই অভ্যুত্থান কোনো দলের নেতৃত্বে হয়নি, মূলত শিক্ষার্থীদের ডাকে সবাই অংশ নিয়েছিলেন।
আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে কোন বৈচিত্র্যের উল্লেখ আছে?
ধনী-গরিব-মধ্যবিত্ত, শহর-গ্রামের মানুষ, ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থী ও মাদ্রাসার হাজারো শিক্ষার্থী— সকলেই একত্রে অংশগ্রহণ করেছিলেন বলে রচনায় উল্লেখ আছে।
আন্দোলনের সময় গড়ে ওঠা নতুন ভাষার মূল কথা কী ছিল?
সেই নতুন ভাষার মূল কথা ছিল, পারস্পরিক ভিন্নমত নিয়েও দেশের জন্য ও দেশের মানুষের মুক্তির জন্য একসাথে কাজ করা যায়।
লেখক অতীতে এমন সুযোগ সম্পর্কে কী বলেন?
লেখক বলেন, অতীতে এমন সুযোগ দেশে আরও কয়েকবার এসেছে, কিন্তু তা ব্যবহার বা ধরে রাখা যায়নি— এবারের সুযোগ তাই রক্ষা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
‘গণভবন’ কী?
গণভবন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন।
পাঠ-পরিচিতি অনুযায়ী আন্দোলনের প্রাথমিক দাবিনামায় কী ছিল না?
পাঠ-পরিচিতি অনুযায়ী আন্দোলনের দাবিনামায় প্রাথমিক পর্যায়ে কোনো রাজনৈতিক দাবি অন্তর্ভুক্ত ছিল না।
পাঠ-পরিচিতি অনুযায়ী আন্দোলনের এক পর্যায়ে সরকার কী পরিচালনা করে?
পাঠ-পরিচিতি অনুযায়ী আন্দোলনের এক পর্যায়ে সরকার চরম দমননীতি ও হত্যাযজ্ঞ পরিচালনা করলে মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রতিরোধে এগিয়ে আসে।
উদ্দীপকের ঘটনার সাথে ‘আমাদের নতুন গৌরবগাথা’ রচনার কোন দিকটির সাদৃশ্য পাওয়া যায়?
উভয় ক্ষেত্রেই জনদুর্ভোগ ও দমননীতি সত্ত্বেও ব্যাপক গণআন্দোলনের চাপে শেষ পর্যন্ত সরকারপ্রধান দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হন— এই কাঠামোগত সাদৃশ্যই উভয় ঘটনার মিল।
আমাদের নতুন গৌরবগাথা রচনায় ‘জনবিচ্ছিন্ন সরকার’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
‘জনবিচ্ছিন্ন সরকার’ বলতে বোঝানো হয়েছে এমন সরকার যা জনগণের প্রকৃত মনোভাব ও চাহিদা থেকে বিচ্ছিন্ন, সাধারণ মানুষের সাথে যার সম্পর্কহীনতা তৈরি হয়েছে।
আমাদের নতুন গৌরবগাথা রচনায় উল্লেখিত ‘হিতে বিপরীত’ হওয়ার ঘটনাটি কী ছিল?
সরকার নিজেদের ছাত্রসংগঠনকে দিয়ে বর্বর কৌশলে আন্দোলন দমানোর চেষ্টা করলে তা উলটো ফল দেয়— আন্দোলন আরও তীব্রভাবে দেশবাসীর হৃদয় স্পর্শ করে।
আমাদের নতুন গৌরবগাথা রচনার ভাষারীতি সম্পর্কে কী বলা যায়?
রচনাটি সরাসরি, তথ্যনির্ভর এবং সাংবাদিকতাসুলভ বর্ণনাত্মক গদ্যে রচিত, যা সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহকে সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরে।
অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর (খ)
আমাদের নতুন গৌরবগাথা রচনাের চরিত্র ও মূলভাব বিষয়ক অনুধাবনমূলক প্রশ্ন
আন্দোলনের নামকরণ ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’-এর তাৎপর্য কী— ব্যাখ্যা করো।
এই নামকরণের মধ্য দিয়ে বোঝা যায় আন্দোলনটি শুধু চাকরির দাবি নয়, বরং দেশে বিদ্যমান হাজারো বৈষম্য নিরসনের একটি বৃহত্তর আকাঙ্ক্ষা বহন করছিল— এটি আন্দোলনের গভীরতর সামাজিক প্রেক্ষাপট প্রকাশ করে।
ছাত্রীদের ব্যাপক অংশগ্রহণের তাৎপর্য কী— ব্যাখ্যা করো।
১৪ই জুলাই রাতে ছাত্রীদের হল থেকে বেরিয়ে আসা আন্দোলনের এক অভূতপূর্ব সর্বজনীনতা প্রতিষ্ঠা করে— এটি প্রমাণ করে আন্দোলনটি শুধু নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর নয়, বরং সর্বস্তরের শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত প্রতিবাদ।
আবু সাঈদের আত্মত্যাগ কেন আন্দোলনের সবচেয়ে প্রতীকী মুহূর্ত হয়ে ওঠে— ব্যাখ্যা করো।
বুক চিতিয়ে পুলিশের গুলির সামনে এগিয়ে যাওয়ার এই দৃশ্য আন্দোলনকারীদের নির্ভীকতা ও আত্মত্যাগের প্রতীক হয়ে ওঠে, যা সারা দেশের মানুষের হৃদয়ে গভীর প্রভাব ফেলে এবং আন্দোলনকে আরও তীব্র করে তোলে।
সরকারের দমননীতি কীভাবে আন্দোলনকে আরও তীব্র করে তোলে— ব্যাখ্যা করো।
সরকার নিজেদের ছাত্রসংগঠন দিয়ে বর্বর কৌশলে আন্দোলন দমানোর চেষ্টা করলে তা উলটো ফল দেয়— এই নিষ্ঠুরতা দেশবাসীর হৃদয়ে আরও গভীরভাবে স্পর্শ করে এবং আন্দোলনে ব্যাপক গণঅংশগ্রহণ নিশ্চিত করে।
আন্দোলনে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণের কারণ কী ছিল— ব্যাখ্যা করো।
দীর্ঘদিনের দুঃশাসনের ফলে সমাজে আগে থেকেই ক্ষোভ বিরাজ করছিল (নির্বাচনে অনিয়ম, দুর্নীতি, মূল্যবৃদ্ধি, গুম-খুন), তাই শিক্ষার্থীদের ডাকে সাধারণ মানুষও সহজেই আন্দোলনে যুক্ত হতে পেরেছিল।
৫ই আগস্টকে প্রতীকী অর্থে ‘৩৬শে জুলাই’ বলার তাৎপর্য কী— ব্যাখ্যা করো।
এই নামকরণ বোঝায় জুলাই মাসের ঘটনাপ্রবাহের ধারাবাহিকতাই আগস্টের বিজয়ে পরিণত হয়েছে— যেন ক্যালেন্ডার জুলাইয়েই থেমে গিয়েছিল, এই তীব্র আবেগঘন অভিজ্ঞতার প্রতীকী প্রকাশ এটি।
আমাদের নতুন গৌরবগাথা রচনার ভাষারীতি কীভাবে এর বিষয়বস্তুর সাথে সংগতিপূর্ণ— ব্যাখ্যা করো।
রচনাটি সরাসরি, তথ্যনির্ভর ও সাংবাদিকতাসুলভ বর্ণনাত্মক গদ্যে রচিত, যা সাম্প্রতিক ও গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাপ্রবাহকে সুস্পষ্ট ও নির্ভরযোগ্যভাবে তুলে ধরার জন্য উপযুক্ত।
রচনার শিরোনাম ‘আমাদের নতুন গৌরবগাথা’-র তাৎপর্য কী— ব্যাখ্যা করো।
শিরোনামের মাধ্যমে গণঅভ্যুত্থানকে জাতির জন্য একটি নতুন, গর্বের ও স্মরণীয় অর্জন হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যদিও একইসাথে এই অর্জন রক্ষা করার সতর্কতাও রচনায় দেওয়া হয়েছে।
রচনা অনুযায়ী অতীতের সুযোগ কেন ধরে রাখা যায়নি বলে উল্লেখ আছে— ব্যাখ্যা করো।
রচনায় বলা হয়েছে, অতীতে এমন সুযোগ কয়েকবার এসেছিল কিন্তু তা সংরক্ষণ করা যায়নি— এই ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট থেকে বর্তমান সুযোগ রক্ষার গুরুত্ব আরও তীব্রভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
রচনাটি নাগরিক সমাজকে কোন দায়িত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়— ব্যাখ্যা করো।
রচনা অনুযায়ী প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব হলো নিজ নিজ অবস্থানে থেকে সতর্কতার সাথে দেশের প্রতি নজর রেখে অর্জিত সুযোগকে সংরক্ষণ করে একটি ন্যায্য, সহনশীল সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখা।
‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’ নামকরণের মধ্য দিয়ে কী প্রকাশ পায়?
এই নামকরণে কেবল চাকরি নয়, দেশে বিদ্যমান হাজারো বৈষম্য নিরসনের একটি বৃহত্তর আকাঙ্ক্ষা ফুটে উঠেছিল।
এই আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য কী ছিল?
এ আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য ছিল ছাত্রীদের সর্বাত্মক অংশগ্রহণ।
রচনা অনুযায়ী সমাজের অন্যান্য মানুষের আন্দোলনে যুক্ত হতে কেন অসুবিধা হয়নি?
দীর্ঘ দুঃশাসনের ফলে সমাজে ক্ষোভের এই অবস্থা আগে থেকেই বিরাজ করছিল বলে সাধারণ মানুষের আন্দোলনে যুক্ত হতে কোনো অসুবিধা হয়নি।
উদ্দীপক ও আমাদের নতুন গৌরবগাথা রচনার এই সাদৃশ্য সত্ত্বেও কোন পার্থক্য লক্ষণীয়?
রচনায় বর্ণিত আন্দোলনের সূচনা হয় কোটাব্যবস্থা সংস্কারের একটি নির্দিষ্ট দাবি থেকে যা পরে বৃহত্তর আন্দোলনে রূপ নেয়, অন্যদিকে উদ্দীপকের আন্দোলন মূলত তীব্র অর্থনৈতিক সংকট থেকে উদ্ভূত— এই উৎসগত পার্থক্য লক্ষণীয়।
রচনাটি থেকে নাগরিক সমাজের কোন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বের কথা উঠে আসে?
রচনা অনুযায়ী প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব হলো নিজ নিজ অবস্থানে থেকে সতর্কতার সাথে দেশ ও দশের প্রতি নজর রেখে অর্জিত সুযোগকে সংরক্ষণ করে একটি ন্যায্য, সহনশীল সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখা।
উপরের জ্ঞানমূলক ও অনুধাবনমূলক প্রশ্ন-উত্তরগুলো ভালোভাবে অনুশীলন করলে আমাদের নতুন গৌরবগাথা রচনা থেকে সৃজনশীল প্রশ্নের ক ও খ অংশে ভালো নম্বর পাওয়া সহজ হবে।
