● Note

প্রত্যুপকার গল্পের নোট | জ্ঞানমূলক ও অনুধাবনমূলক প্রশ্ন উত্তর

প্রত্যুপকার গল্পের নোট | SSC বাংলা ১ম পত্রের “প্রত্যুপকার” গল্পের জ্ঞানমূলক ও অনুধাবনমূলক প্রশ্ন উত্তর নিচে দেওয়া হলো। বহুনির্বাচনি প্রশ্নের জন্য প্রত্যুপকার গল্পের MCQ দেখুন।

জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর (ক)

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ও প্রত্যুপকার গল্পের পরিচিতি বিষয়ক জ্ঞানমূলক প্রশ্ন

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কত খ্রিষ্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন?

তিনি ১৮২০ খ্রিষ্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন।

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জন্মস্থান কোথায়?

তাঁর জন্মস্থান মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রাম।

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রকৃত নাম কী ছিল?

তাঁর প্রকৃত নাম ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়।

দানশীলতার জন্য বিদ্যাসাগর আর কী নামে পরিচিত?

তিনি ‘দয়ার সাগর’ নামেও পরিচিত।

বিদ্যাসাগরকে কেন বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়?

সুশৃঙ্খল পদবিন্যাস, যথাযথ যতিচিহ্ন প্রয়োগ ও সাহিত্যিক গদ্য রচনার জন্য তাঁকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়।

বিদ্যাসাগর কত খ্রিষ্টাব্দে বর্ণপরিচয় প্রকাশ করেন?

তিনি ১৮৫৫ খ্রিষ্টাব্দে বর্ণপরিচয় প্রকাশ করেন।

বিদ্যাসাগর কোন সামাজিক সংস্কারের পক্ষে প্রস্তাব রাখেন?

তিনি বিধবা বিবাহ প্রচলনের পক্ষে প্রস্তাব রাখেন।

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কত খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন?

তিনি ১৮৯১ খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন।

বন্দি ব্যক্তিকে জিজ্ঞেস করলে তিনি কোন শহরকে নিজের জন্মস্থান বলে জানান?

তিনি ডেমাস্কাসকে নিজের জন্মস্থান বলে জানান।

নিচের কোনটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের গ্রন্থ নয়?

বিষবৃক্ষ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রচনা; বাকি তিনটি বিদ্যাসাগরের রচনা।

প্রত্যুপকার গল্পের মূল বিষয়বস্তু নিয়ে জ্ঞানমূলক প্রশ্ন

‘প্রত্যুপকার’ রচনাটি কোন গ্রন্থ থেকে সংকলন করা হয়েছে?

এটি আখ্যানমঞ্জরী দ্বিতীয় ভাগ থেকে সংকলন করা হয়েছে।

‘প্রত্যুপকার’ শব্দের অর্থ কী?

প্রত্যুপকার অর্থ উপকারীর উপকার করা।

প্রত্যুপকার গল্পের কথক কে?

গল্পের কথক আলী ইবনে আব্বাস।

আলী ইবনে আব্বাস কার প্রিয়পাত্র ছিলেন?

তিনি খলিফা মামুনের প্রিয়পাত্র ছিলেন।

পালিয়ে আলী কোথায় আশ্রয় নেন?

তিনি এক সম্ভ্রান্ত লোকের বাড়িতে আশ্রয় নেন।

আশ্রয়দাতা আলীকে কতদিন আশ্রয় দেন?

আশ্রয়দাতা আলীকে এক মাস আশ্রয় দেন।

বন্দি ব্যক্তি কে বলে প্রকাশ পায়?

বন্দি ব্যক্তি নিজেই আলীর সেই পুরনো আশ্রয়দাতা বলে প্রকাশ পায়।

আলী বন্দি ব্যক্তিকে মুক্ত করার জন্য কী প্রতিশ্রুতি দেন?

তিনি তাকে এক হাজার স্বর্ণমুদ্রা দিয়ে অবিলম্বে পালাতে বলেন।

আশ্রয়দাতা এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন কেন?

তিনি নিজের প্রাণ বাঁচাতে আলীর প্রাণ বিপন্ন করতে রাজি নন বলে প্রত্যাখ্যান করেন।

খলিফা শেষ পর্যন্ত বন্দিকে কী উপহার দিয়ে বিদায় করেন?

তিনি মহামূল্য পরিচ্ছদ, দশ অশ্ব, দশ খচ্চর, দশ উষ্ট্র ও পাথেয় দিয়ে বিদায় করেন।

প্রত্যুপকার গল্পের মূল শিক্ষা কী?

উপকারীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রদর্শন করা এবং প্রয়োজনে তার জন্য ঝুঁকি নেওয়াও মহত্ত্বের পরিচয়।

আখ্যানমঞ্জরী গ্রন্থের রচনাগুলোর উপজীব্য কী?

বিশ্বের নানা দেশের ইতিহাস প্রসিদ্ধ ব্যক্তিগণের জীবনের গৌরবদীপ্ত ঘটনাই এ গ্রন্থের বিভিন্ন রচনার উপজীব্য।

খলিফা মামুনের সামনে একদিন কাকে আনা হয়?

একদিন অপরাহ্ণে খলিফার সম্মুখে হস্তপদবদ্ধ এক ব্যক্তিকে আনা হয়, যাঁর প্রতি খলিফা অত্যন্ত ক্রুদ্ধ ছিলেন।

খলিফা আলী ইবনে আব্বাসকে কী আদেশ দেন?

খলিফা আলীকে ঐ ব্যক্তিকে নিজের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে সাবধানে বন্দি করে রাখার এবং পরদিন উপস্থিত করার আদেশ দেন।

ডেমাস্কাস শোনামাত্র আলীর মনে কী স্মৃতি জাগে?

আলীর মনে পড়ে, ডেমাস্কাসের ঐ অংশের এক ব্যক্তি একসময় তাঁর প্রাণদান দিয়েছিলেন।

বহু বছর আগে ডেমাস্কাসে কী ঘটেছিল, যার কারণে আলী প্রাণভয়ে পালিয়েছিলেন?

ডেমাস্কাসের পদচ্যুত শাসনকর্তা বহুসংখ্যক সৈন্য নিয়ে আলী ও নতুন শাসনকর্তার দলকে আক্রমণ করেন, ফলে আলী প্রাণভয়ে পালান।

আশ্রয়দাতা আলীর প্রার্থনা শুনে কী করেন?

আশ্রয়দাতা আলীকে অভয় প্রদান করেন এবং তাঁর বাড়িতে এক মাস নির্ভয়ে ও নিরাপদে থাকতে দেন।

এক মাস পর আশ্রয়দাতা আলীকে কী পরামর্শ দেন?

আশ্রয়দাতা বলেন, তখন অনেকে বাগদাদ যাচ্ছেন, স্বদেশে ফেরার জন্য এটাই সবচেয়ে ভালো সুযোগ।

প্রস্থানের দিন আলী কী দেখে বিস্মিত হন?

প্রস্থান দিবসে আলী দেখেন একটি সুসজ্জিত অশ্ব, খাদ্যবাহী আরেকটি অশ্ব, পরিচর্যার জন্য এক ভৃত্য এবং একটি স্বর্ণমুদ্রার থলি তাঁর জন্য প্রস্তুত।

আশ্রয়দাতা আলীকে আর কী সাহায্য করেন যাত্রার আগে?

আশ্রয়দাতা আলীকে যাত্রীদের কাছে নিয়ে গিয়ে তাঁদের মধ্যে যাঁদের সাথে তাঁর আত্মীয়তা ছিল তাঁদের সাথে পরিচয় করিয়ে দেন।

এই উপকারের কারণে আলীর কাছে ডেমাস্কাসের সেই স্থান কেমন হয়ে ওঠে?

এই উপকারের জন্য পৃথিবীতে যত স্থান আছে, ঐ স্থান আলীর কাছে সর্বাপেক্ষা প্রিয় হয়ে ওঠে।

প্রকৃত পরিচয় জানতে পেরে আলীর প্রতিক্রিয়া কী হয়?

চিনতে পেরে আলী আহ্লাদে পুলকিত হয়ে অশ্রুপূর্ণ নয়নে তাঁকে আলিঙ্গন করেন এবং তাঁর হাত-পা থেকে লৌহশৃঙ্খল খুলে দেন।

বন্দি ব্যক্তি আলীর কাছে কী অনুরোধ করেন?

নিজের প্রাণদণ্ডের আশঙ্কায় তিনি আলীর কাছে অনুরোধ করেন তাঁর পরিবারবর্গের কাছে এই সংবাদ পাঠিয়ে দিতে।

আলী এই সিদ্ধান্তের ফলে নিজের কী পরিণতির কথা স্বীকার করেন?

আলী স্বীকার করেন এতে নিশ্চিতভাবে খলিফার মর্মান্তিক ক্রোধ ও দ্বেষ তাঁর ওপর জন্মাবে, তবু তিনি দুঃখিত হবেন না যদি বন্ধুর প্রাণ রক্ষা করতে পারেন।

পরদিন প্রাতঃকালে আলী খলিফার কাছে গিয়ে কী দেখেন?

আলী খলিফার কাছে গেলে তিনি বন্দির কথা জিজ্ঞেস করেন এবং ঘাতককে ডেকে প্রস্তুত হতে আদেশ দেন।

আলী খলিফার চরণে পতিত হয়ে কী বলেন?

আলী বিনীত ও কাতর বচনে খলিফাকে জানান, ঐ ব্যক্তির বিষয়ে তাঁর কিছু বক্তব্য আছে, অনুমতি পেলে তা জানাতে চান।

আলীর নিবেদন শোনার পর খলিফার প্রতিক্রিয়া প্রথমে কেমন হয়?

এই কথা শুনে খলিফার কোপানল প্রজ্বলিত হয়ে ওঠে, তিনি রোষারক্ত নয়নে বলেন আলী যদি তাকে ছেড়ে দিয়ে থাকেন তবে আলীরও প্রাণদণ্ড হবে।

খলিফার প্রাণদণ্ডের হুমকি সত্ত্বেও আলী কী করেন?

আলী বলেন, খলিফা ইচ্ছা করলে এই মুহূর্তেই তাঁদের দুজনের প্রাণদণ্ড করতে পারেন, তবু তিনি তাঁর নিবেদন করতে চান।

আলী খলিফার কাছে কোন দুটি বিষয় তুলে ধরেন?

আলী খলিফাকে জানান, কীভাবে ডেমাস্কাসে এই ব্যক্তি তাঁকে আশ্রয় ও প্রাণরক্ষা করেছিলেন, এবং এখন তাঁকে ছেড়ে দিতে চাইলে নিজে অবধারিত বিপদে পড়বেন জেনেও তিনি এ কথা বলছেন।

আলী বন্দি ব্যক্তির চরিত্র সম্পর্কে খলিফাকে কী বলেন?

আলী বলেন, এমন দয়াশীল, পরোপকারী, ন্যায়পরায়ণ ও সদ্বিবেচক ব্যক্তি কখনো দুরাচার হতে পারেন না; নীচপ্রকৃতির পরহিংসুকরাই তাঁর সর্বনাশ করতে উদ্যত হয়েছে।

আলীর কথা শুনে খলিফার প্রতিক্রিয়া কী হয়?

খলিফা কিছুক্ষণ মৌনাবলম্বন করে অতঃপর প্রসন্ন বদনে বলেন, এমন দয়াশীল ও ন্যায়পরায়ণ ব্যক্তির কথা জেনে তিনি আহ্লাদিত, এবং তাঁকে প্রাণদণ্ড থেকে অব্যাহতি দেন।

খলিফা বন্দিকে মুক্তি দেওয়ার কৃতিত্ব কাকে দেন?

খলিফা বলেন, বলতে গেলে আলীর কারণেই তাঁর প্রাণরক্ষা হলো।

খলিফা মুক্তিপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে বিদায়ের সময় কী কী উপহার দেন?

খলিফা তাঁকে মহামূল্য পরিচ্ছদ, সুসজ্জিত দশ অশ্ব, দশ খচ্চর, দশ উষ্ট্র, ডেমাস্কাসের রাজপ্রতিনিধির নামে অনুরোধপত্র এবং পাথেয়স্বরূপ বহু অর্থ দিয়ে বিদায় করেন।

খলিফা মামুন কে ছিলেন?

মামুন (পূর্ণ নাম আবুল আব্বাস আবদুল্লাহ আল মামুন, ৭৮৬-৮৩৩ খ্রিষ্টাব্দ) ছিলেন সপ্তম আব্বাসীয় খলিফা এবং খলিফা হারুনর রশীদের দ্বিতীয় পুত্র।

ডেমাস্কাস বর্তমানে কোন দেশের রাজধানী?

ডেমাস্কাস (দামেস্ক) বর্তমানে সিরিয়ার রাজধানী।

বাগদাদ শহর কে প্রতিষ্ঠা করেন?

আব্বাসীয় খলিফা মনসুর ৭৬৩ খ্রিষ্টাব্দে বাগদাদ নগরটি প্রতিষ্ঠা করেন।

পাঠ-পরিচিতি অনুযায়ী এই প্রত্যুপকার গল্পে কয়জন মহৎ ব্যক্তির কাহিনি বর্ণিত হয়েছে?

পাঠ-পরিচিতি অনুযায়ী এই রচনায় দুজন মহৎ ব্যক্তির কাহিনি বর্ণিত হয়েছে— একজন নিঃস্বার্থ উপকারী (আশ্রয়দাতা), অন্যজন সকৃতজ্ঞ প্রত্যুপকারী (আলী ইবনে আব্বাস)।

প্রত্যুপকার গল্পে খলিফার কোন গুণের পরিচয় পাওয়া যায়?

যদিও প্রথমে ক্রুদ্ধ ছিলেন, আলীর যুক্তিসংগত নিবেদন শুনে খলিফা ক্রোধ সংবরণ করে ন্যায়বিচার করেন— তাঁর এই মহানুভবতা ও উন্নতচিত্ততাই তাঁর মহত্ত্বের পরিচয়।

অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর (খ)

প্রত্যুপকার গল্পের চরিত্র ও মূলভাব বিষয়ক অনুধাবনমূলক প্রশ্ন

আলী কেন ডেমাস্কাসের নাম শুনে আবেগাপ্লুত হন— ব্যাখ্যা করো।

বহু বছর আগে ডেমাস্কাসে বিপদে পড়ে এক সম্ভ্রান্ত ব্যক্তির আশ্রয়ে প্রাণ বাঁচিয়েছিলেন আলী, তাই এই শহরের নাম শুনেই তাঁর পুরনো, গভীর কৃতজ্ঞতার স্মৃতি জেগে ওঠে।

আশ্রয়দাতার অকৃপণ সাহায্যের (অশ্ব, অর্থ, পরিচয়) বর্ণনা কী প্রকাশ করে— ব্যাখ্যা করো।

এই বর্ণনা আশ্রয়দাতার নিঃস্বার্থ উদারতা ও মানবিকতা প্রকাশ করে— তিনি শুধু আশ্রয়ই দেননি, বরং বিপদগ্রস্ত আলীর ভবিষ্যৎ যাত্রার সম্পূর্ণ ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন।

বন্দি ব্যক্তি নিজেই আশ্রয়দাতা এই সত্য উন্মোচনের নাটকীয় তাৎপর্য কী— ব্যাখ্যা করো।

এই আকস্মিক উন্মোচন গল্পের সবচেয়ে নাটকীয় মুহূর্ত তৈরি করে— যাঁকে আলী বছরের পর বছর খুঁজেছেন কিন্তু পাননি, তাঁকেই বন্দি অবস্থায় খুঁজে পাওয়ার এই চমক গল্পকে গভীর আবেগময় করে তোলে।

আশ্রয়দাতার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের তাৎপর্য কী— ব্যাখ্যা করো।

নিজের প্রাণ বাঁচাতে আলীর প্রাণ বিপন্ন করতে রাজি না হওয়ার এই সিদ্ধান্ত আশ্রয়দাতার মহৎ, নিঃস্বার্থ চরিত্রের প্রমাণ— তিনি নিজের স্বার্থের চেয়ে অন্যের নিরাপত্তাকে বেশি গুরুত্ব দেন।

আলীর জীবনের ঝুঁকি নিয়ে খলিফার কাছে সত্য তুলে ধরার তাৎপর্য কী— ব্যাখ্যা করো।

নিজের প্রাণদণ্ডের আশঙ্কা জেনেও আলী উপকারীর পক্ষে কথা বলেন— এই সাহসী সিদ্ধান্ত কৃতজ্ঞতাবোধকে ব্যক্তিগত নিরাপত্তার ঊর্ধ্বে স্থান দেওয়ার এক মহৎ দৃষ্টান্ত।

খলিফার প্রতিক্রিয়া (ক্রোধ থেকে ক্ষমা) কী প্রকাশ করে— ব্যাখ্যা করো।

প্রথমে ক্রুদ্ধ হলেও আলীর যুক্তিসংগত নিবেদন শুনে খলিফা ক্রোধ সংবরণ করে ন্যায়বিচার করেন— এটি তাঁর মহানুভবতা ও যুক্তিগ্রাহ্যতার পরিচয় দেয়, যা একজন আদর্শ শাসকের গুণ।

প্রত্যুপকার গল্পে দুই ব্যক্তির (আলী ও আশ্রয়দাতা) পারস্পরিক ত্যাগের সম্পর্ক কীভাবে চিত্রিত হয়েছে— ব্যাখ্যা করো।

উভয়েই একে অপরের জন্য নিজের জীবন ঝুঁকিতে ফেলতে প্রস্তুত ছিলেন— এই পারস্পরিক আত্মত্যাগ ও বিশ্বস্ততা গল্পের কেন্দ্রীয় মানবিক বার্তা প্রকাশ করে।

গল্পের নামকরণ ‘প্রত্যুপকার’-এর তাৎপর্য কী— ব্যাখ্যা করো।

নামকরণটি গল্পের মূল বিষয়বস্তুকেই প্রতিফলিত করে— উপকারীর প্রতি প্রতি-উপকার করার এই কাহিনিই গল্পের কেন্দ্রীয় ভাব, যা নামের মধ্যেই স্পষ্টভাবে প্রকাশ পায়।

গল্পটি কোন সর্বজনীন মানবিক মূল্যবোধ তুলে ধরে— ব্যাখ্যা করো।

গল্পটি কৃতজ্ঞতাবোধ, আত্মত্যাগ ও ন্যায়বিচারের মতো সর্বজনীন মানবিক মূল্যবোধ তুলে ধরে, যা যেকোনো সংস্কৃতি বা যুগের মানুষের কাছে সমানভাবে প্রাসঙ্গিক ও অনুকরণীয়।

গল্পটি পাঠককে কোন শিক্ষা দেয়— ব্যাখ্যা করো।

গল্পটি শেখায়, যিনি একদিন উপকার করেছেন তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রদর্শন করা এবং প্রয়োজনে নিজের স্বার্থ ঝুঁকিতে ফেলেও তাঁর পাশে দাঁড়ানোই প্রকৃত মহত্ত্বের পরিচয়।

আলী কেন তাঁর অর্থাভাবের কথা আশ্রয়দাতাকে বলতে পারেননি?

আলীর কাছে কোনো অর্থ ছিল না, কিন্তু লজ্জাবশত তিনি তা আশ্রয়দাতার কাছে ব্যক্ত করতে পারেননি।

বন্দি ব্যক্তি কেন খলিফার কোপে পড়েছিলেন বলে জানান?

তিনি জানান, কিছু নীচ প্রকৃতির লোক ঈর্ষাবশত শত্রুতা করে খলিফার কাছে তাঁর ওপর উৎকট দোষারোপ করেছে।

উপরের জ্ঞানমূলক ও অনুধাবনমূলক প্রশ্ন-উত্তরগুলো ভালোভাবে অনুশীলন করলে প্রত্যুপকার গল্প থেকে সৃজনশীল প্রশ্নের ক ও খ অংশে ভালো নম্বর পাওয়া সহজ হবে।

আরও পড়ুন

SSC বাংলা ১ম পত্র-এর সব পোস্ট

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সাহায্য লাগবে?
BCS Journey Support
● Online
×
💬Messenger ✈Telegram
BCS JOURNEY
BCS Journey
চ্যাট শুরু করুন ➜