প্রবাস বন্ধু গল্পের নোট | SSC বাংলা ১ম পত্রের “প্রবাস বন্ধু” গল্পের জ্ঞানমূলক ও অনুধাবনমূলক প্রশ্ন উত্তর নিচে দেওয়া হলো। বহুনির্বাচনি প্রশ্নের জন্য প্রবাস বন্ধু গল্পের MCQ দেখুন।
জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর (ক)
সৈয়দ মুজতবা আলী ও প্রবাস বন্ধু গল্পের পরিচিতি বিষয়ক জ্ঞানমূলক প্রশ্ন
সৈয়দ মুজতবা আলী কত খ্রিষ্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন?
তিনি ১৯০৪ খ্রিষ্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন।
সৈয়দ মুজতবা আলীর জন্মস্থান কোথায়?
তাঁর জন্মস্থান তৎকালীন আসামভুক্ত শ্রীহট্টের করিমগঞ্জ।
সৈয়দ মুজতবা আলী কোথা থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন?
তিনি বিশ্বভারতী থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন।
সৈয়দ মুজতবা আলীর কর্মজীবন কোথায় শুরু হয়?
তাঁর কর্মজীবন আফগানিস্তানের কাবুলের কৃষিবিজ্ঞান কলেজে শুরু হয়।
সৈয়দ মুজতবা আলীর একটি বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনির নাম লেখো।
তাঁর একটি বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনি ‘দেশে-বিদেশে’।
সৈয়দ মুজতবা আলীর একটি উপন্যাসের নাম লেখো।
তাঁর একটি উপন্যাস ‘শবনম’।
সৈয়দ মুজতবা আলী কত খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন?
তিনি ১৯৭৪ খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন।
নিচের কোনটি সৈয়দ মুজতবা আলীর রচনা নয়?
কুহেলিকা কাজী নজরুল ইসলামের রচনা; বাকি তিনটি সৈয়দ মুজতবা আলীর রচনা।
প্রবাস বন্ধু গল্পের মূল বিষয়বস্তু নিয়ে জ্ঞানমূলক প্রশ্ন
‘প্রবাস বন্ধু’ রচনাটি কোন গ্রন্থের অংশ?
এটি ‘দেশে-বিদেশে’ গ্রন্থের পঞ্চদশ পরিচ্ছেদ।
লেখকের ভৃত্যের নাম কী?
লেখকের ভৃত্যের নাম আবদুর রহমান।
আবদুর রহমান কোথাকার অধিবাসী?
আবদুর রহমান পানশিরের অধিবাসী।
লেখক কোথায় বাসা নিয়েছিলেন?
লেখক কাবুলের কাছে খাজামোল্লা গ্রামে বাসা নিয়েছিলেন।
কলেজের ফরাসি অধ্যক্ষের নাম কী?
কলেজের ফরাসি অধ্যক্ষের নাম মশিয়ে জিরার।
রাতের ভোজে কী কী খাবারের বর্ণনা আছে?
কোরমা, কাবাব, পোলাও, রোস্ট মুরগি, ফালুদা, বরফি আঙুর ও কাবুলি চা।
আবদুর রহমান কেন মন খারাপ করে?
সে ভুল ধারণা করে যে তার রান্না লেখকের পছন্দ হয়নি।
আবদুর রহমান পানশিরের কী বর্ণনা দেয়?
সে পানশিরের প্রাচুর্য, তুষারপাত ও পরিষ্কার বাতাসের অতিরঞ্জিত অথচ কাব্যিক বর্ণনা দেয়।
লেখক শেষে কোথায় শীত কাটানোর সিদ্ধান্ত নেন?
লেখক পানশিরে শীত কাটানোর সিদ্ধান্ত নেন।
লেখক পানশিরে যাওয়ার প্রকৃত কারণ কী?
আবদুর রহমানকে খুশি করতে নয়, নিজের রান্নার ব্যবস্থা বজায় রাখতেই তিনি সিদ্ধান্ত নেন।
‘নরদানব’ শব্দের অর্থ কী?
নরদানব অর্থ বিশালদেহী মানুষ (আদরার্থে)।
‘উত্তমার্ধ’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তমার্ধ অর্থ স্ত্রী বা সহধর্মিণী।
রচনাটির মূল বিষয়বস্তু কী?
আফগানিস্তানে লেখকের অভিজ্ঞতা, বিশেষত ভৃত্য আবদুর রহমানের সাথে কাটানো এক সন্ধ্যার হাস্যরসাত্মক বর্ণনা।
রচনাটি মূলত কোন দেশের অভিজ্ঞতা নিয়ে লেখা?
এটি লেখকের আফগানিস্তান বাসের আংশিক অভিজ্ঞতার বর্ণনা।
লেখক কাবুল থেকে কত দূরে বাসা পেয়েছিলেন?
লেখক কাবুল থেকে আড়াই মাইল দূরে খাজামোল্লা গ্রামে বাসা পান।
বাসার সাথে সাথে লেখক আর কী পান?
বাসার সঙ্গে সঙ্গে লেখক একজন চাকরও পান, নাম আবদুর রহমান।
অধ্যক্ষ জিরার কোন দেশের অধিবাসী ছিলেন?
অধ্যক্ষ জিরা জাতে ফরাসি ছিলেন।
জিরার সাহেব আবদুর রহমান সম্পর্কে কী বলেছিলেন?
জিরার সাহেব বলেন, আবদুর রহমান সব কাজ করে দেবে— জুতো বুরুশ থেকে খুনখারাবি— অর্থাৎ সে ‘হরফুন-মৌলা’ বা সকল কাজের কাজি।
কাবুলে জিরার সাহেবের ‘কাজ’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
লেখক রসিকতা করে বলেন, কাবুলে সমস্ত দিন কোনো-না-কোনো মন্ত্রীর দপ্তরে ঝগড়া-বচসা করাকেই ‘কাজ’ বলা হয়।
লেখক আবদুর রহমানকে কী বলে অভিহিত করেছেন?
লেখক তাকে আদরার্থে ‘নরদানব’ বলে অভিহিত করেছেন— অর্থাৎ মানুষের মতো দেখতে ভয়ংকর বিশালদেহী মানুষ।
আবদুর রহমানের উচ্চতা কত ছিল, যা ফিতে দিয়ে মেপে দেখা হয়েছিল?
ফিতে দিয়ে মেপে দেখা যায়, আবদুর রহমানের উচ্চতা ছ ফুট চার ইঞ্চি।
লেখক আবদুর রহমানের হাত সম্পর্কে কী বর্ণনা দেন?
তাঁর দুখানা হাত হাঁটু পর্যন্ত নেমে এসেছিল, আঙুলগুলো মর্তমান কলার মতো ঝুলছিল।
লেখক বলেন, আবদুর রহমান যদি আমির আবদুর রহমান হতেন তাহলে কী করতে পারতেন?
তাঁর প্রশস্ত কাঁধ দেখে লেখকের মনে হয়েছিল তিনি অনায়াসে গোটা আফগানিস্তানের ভার বইতে পারতেন— একটি রসিকতাপূর্ণ অতিশয়োক্তি।
আবদুর রহমান পূর্বে কোথায় কাজ করত?
আবদুর রহমান জানায়, সে পল্টনে মেসের চার্জে ছিল, এক মাস হলো খালাস পেয়েছে।
আবদুর রহমান কী কী রান্না করতে জানত বলে জানায়?
সে জানায় সে পোলাও, কোরমা, কাবাব, ফালুদা রান্না করতে জানে।
বরফ কোথা থেকে আসে বলে আবদুর রহমান জানায়?
শীতকালে পাগমানের পাহাড়ের নিচে বড়ো গর্তে বরফ ভর্তি করে রাখা হয়, পরে তা খুঁড়ে গাধা বোঝাই করে আনা হয়।
কাবুল যাওয়ার পথে লেখক আবদুর রহমানকে কী অবস্থায় দেখেন?
পথে লেখক দেখেন আবদুর রহমান এক পর্বতপ্রমাণ বোঝা নিয়ে ফিরে আসছে।
মুটে ভাড়া না করে নিজে বোঝা বহনের কারণ হিসেবে আবদুর রহমান কী বলে?
আবদুর রহমানের যুক্তি ছিল, যে বোঝা সে নিজেই বইতে পারে, সেজন্য আলাদা মুটে ভাড়া করার কোনো প্রয়োজন নেই।
বাড়ি ফিরে লেখক প্রথমে ঘুমিয়ে পড়ার পর কীসের শব্দে ঘুম ভাঙে?
আবদুর রহমান মুখ ধোয়ার জন্য আফতাবে বা ধারাযন্ত্র নিয়ে সামনে দাঁড়ানোর শব্দে লেখকের ঘুম ভাঙে।
মুখ ধোয়ার পানি সম্পর্কে লেখকের প্রতিক্রিয়া কী ছিল?
গ্রীষ্মকাল হলেও কাবুল নদীর বরফ-গলা পানিতে মুখ ধুয়ে লেখকের মনে হয় তাঁর মুখও আফগানিস্তানের রিলিফ ম্যাপের মতো হয়ে যাবে।
খানা টেবিলে লেখক প্রথমে কী দেখতে পান?
গামলাভর্তি প্রায় সের-খানেক দুম্বার মাংসের কোরমা, আটটি শামী-কাবাব, কোফতা-পোলাও ও একটি আস্ত মুরগি-রোস্ট দেখে লেখক হতবাক হয়ে যান।
এত খাবার দেখে হতবাক হওয়া লেখককে আবদুর রহমান কী বলে আশ্বস্ত করে?
লেখককে থ হয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে আবদুর রহমান তাড়াতাড়ি বলে, রান্নাঘরে আরও আছে।
‘বাগেবালার বরফি আঙুর’ সম্পর্কে আবদুর রহমান কী বলে?
আবদুর রহমান জানায়, বাগেবালার এই বরফি আঙুর তামাম (সমস্ত) আফগানিস্তানে মশহুর (বিখ্যাত)।
কাবুলি সবুজ চা সম্পর্কে কী বর্ণনা দেওয়া হয়েছে?
কাবুলি সবুজ চায়ে দুধ দেওয়া হয় না, শুধু প্রথম পেয়ালায় চিনি দেওয়া হয়, পরের পেয়ালাগুলোয় নয়।
কাবুলিরা সাধারণত কত পেয়ালা চা খায়?
কাবুলিরা সাধারণত পেয়ালা ছয়েক চা খায়, যদিও পেয়ালাগুলো আকারে খুব ছোট, কফির পাত্রের মতো।
চা খাওয়ার পর আবদুর রহমান কী নিয়ে ফিরে আসে?
আবদুর রহমান এক হাতে বাদাম-আখরোটের থলে, অন্য হাতে হাতুড়ি নিয়ে ফিরে আসে এবং খোসা ছাড়াতে বসে।
আবদুর রহমান কাবুলের আবহাওয়া সম্পর্কে কী মন্তব্য করে?
আবদুর রহমান বলে, কাবুলের পানি গালানো পাথরের মতো ভারী আর হাওয়া আতসবাজির হল্কার মতো, তাই মানুষের ক্ষিদে হয় না।
আবদুর রহমানের নিজের দেশ কোনটি?
আবদুর রহমানের নিজের দেশ পানশির, যা উত্তর-আফগানিস্তানে অবস্থিত।
লেখক ‘সাত দিন জানালার কাছে বসে থাকব?’ বলায় আবদুর রহমানের প্রতিক্রিয়া কী হয়?
আবদুর রহমান লেখকের এই নিরুৎসাহী প্রতিক্রিয়ায় করুণভাবে তাকায়, মনে হয় এমন বেরসিকের পাল্লায় সে জীবনে এত অপদস্থ হয়নি।
বরফ পড়া বন্ধ হওয়ার পরের সকালের বর্ণনায় কী বলা হয়েছে?
বরফ পড়া বন্ধ হলে সাদা বরফের ওপর সূর্যের তীব্র আলোর কারণে কালো চশমা পরেই তখন বেরোতে হয়।
প্রবাস বন্ধু গল্পের একেবারে শেষ পঙক্তির রসিকতাটি কী নিয়ে?
লেখক শেষে রসিকতা করে বলেন, আবদুর রহমান যদি সারা শীতকাল জানালার পাশে বসে বরফ দেখে কাটায়, তাহলে তার রান্না করবে কে— এই ব্যবহারিক প্রশ্নেই গল্পের হাস্যরসাত্মক সমাপ্তি।
অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর (খ)
প্রবাস বন্ধু গল্পের লেখক ও পটভূমি বিষয়ক অনুধাবনমূলক প্রশ্ন
কেন সৈয়দ মুজতবা আলীকে আজিজুল হক কলেজের চাকরি ছাড়তে হয়?
পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে প্রবন্ধ লেখার অভিযোগে তাঁকে চাকরি ছাড়তে হয়।
প্রবাস বন্ধু গল্পের চরিত্র ও মূলভাব বিষয়ক অনুধাবনমূলক প্রশ্ন
আবদুর রহমানের চরিত্রে কোন গুণাবলি ফুটে উঠেছে— ব্যাখ্যা করো।
আবদুর রহমানের চরিত্রে সারল্য, স্বদেশপ্রেম ও অতিথিপরায়ণতার প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে। তার বিশাল দৈহিক গঠনের সাথে কোমল, সরল স্বভাবের সংমিশ্রণ তাকে এক স্মরণীয় চরিত্রে পরিণত করেছে।
রাতের ভোজের বিপুল খাবারের বর্ণনা কী তাৎপর্য বহন করে— ব্যাখ্যা করো।
এই বর্ণনা আফগান সংস্কৃতির অতিথিপরায়ণতা ও আপ্যায়নের রীতি তুলে ধরে— আবদুর রহমান নিজের সাধ্যের বাইরে গিয়েও লেখককে সন্তুষ্ট করতে চেয়েছে, যা তার আন্তরিকতার পরিচয় দেয়।
আবদুর রহমানের মন খারাপ হওয়ার ঘটনাটি কী প্রকাশ করে— ব্যাখ্যা করো।
আবদুর রহমান ভুল ধারণা করে যে তার রান্না লেখকের পছন্দ হয়নি, যা তার সংবেদনশীলতা ও নিজের কাজের প্রতি আন্তরিক দায়বদ্ধতা প্রকাশ করে— একজন সরল মানুষের গভীর আত্মমর্যাদাবোধও এতে ফুটে ওঠে।
পানশিরের অতিরঞ্জিত বর্ণনা দিয়ে লেখক কী তুলে ধরেন— ব্যাখ্যা করো।
আবদুর রহমানের নিজের স্বদেশের প্রতি গর্ব ও ভালোবাসার কারণে সে পানশিরের বর্ণনা কিছুটা অতিরঞ্জিত করে দেয়, যা মানুষের সহজাত স্বদেশপ্রেমের এক কৌতুকপূর্ণ অথচ হৃদয়স্পর্শী প্রকাশ।
লেখকের পানশিরে যাওয়ার সিদ্ধান্তের পেছনে প্রকৃত কারণ কী, এবং তা কেন রসাত্মক— ব্যাখ্যা করো।
লেখক রসিকতা করে বলেন তিনি আবদুর রহমানকে খুশি করতে নয়, বরং নিজের সুস্বাদু রান্নার ব্যবস্থা বজায় রাখতেই পানশিরে যাবেন— এই আত্ম-বিদ্রূপাত্মক স্বীকারোক্তি রচনাটির হাস্যরসাত্মক চরিত্রকে আরও উজ্জ্বল করে তোলে।
জিরার সাহেবের ধমকের দৃশ্যটি কী প্রকাশ করে— ব্যাখ্যা করো।
পথে আবদুর রহমানের ভারী বোঝা বহন করা দেখে জিরার সাহেবের ধমক দেওয়ার দৃশ্য বিভিন্ন সংস্কৃতির মানুষের মধ্যে শ্রম ও সেবার প্রতি ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গির একটি কৌতুকপূর্ণ চিত্র তুলে ধরে।
রচনাটি কীভাবে আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে পাঠকের দৃষ্টি প্রসারিত করে— ব্যাখ্যা করো।
আফগানিস্তানের ভূমি, খাদ্যাভ্যাস, মানুষের সরলতা ও আপ্যায়নের রীতি বর্ণনা করে লেখক পাঠককে ভিন্ন সংস্কৃতি ও জীবনবোধের সাথে পরিচয় করিয়ে দেন, যা ভ্রমণসাহিত্যের অন্যতম মূল উদ্দেশ্য।
লেখকের রসবোধ প্রবাস বন্ধু রচনায় কীভাবে প্রকাশ পেয়েছে— ব্যাখ্যা করো।
সমগ্র রচনা জুড়ে লেখক তাঁর অভিজ্ঞতাকে হালকা, কৌতুকপূর্ণ ভঙ্গিতে বর্ণনা করেছেন— আবদুর রহমানের অতিরঞ্জিত বর্ণনা, ভোজের আধিক্য, নিজের রসিকতাপূর্ণ সিদ্ধান্ত সবকিছুতেই তাঁর সহজাত রসবোধের পরিচয় পাওয়া যায়।
লেখক ও আবদুর রহমানের সম্পর্ক কেমন ছিল— ব্যাখ্যা করো।
যদিও তারা প্রভু-ভৃত্য সম্পর্কে আবদ্ধ, তাদের মধ্যে গভীর মানবিক সংযোগ ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল, যা রচনার হৃদয়স্পর্শী দিক।
রচনাটি পাঠককে কোন শিক্ষা দেয়— ব্যাখ্যা করো।
রচনাটি শেখায়, ভিন্ন সংস্কৃতি ও জীবনযাত্রার মানুষের সাথে মেলামেশা করে তাদের সারল্য ও আন্তরিকতা উপলব্ধি করা যায়— মানবিক সম্পর্ক ভাষা ও সংস্কৃতির সীমানা অতিক্রম করতে পারে।
আবদুর রহমান গুরুজনদের দিকে কেন সরাসরি তাকাত না?
লেখক বলেন, গুরুজনদের দিকে সরাসরি না তাকানোর একটি সংস্কার আফগানিস্তানেও প্রচলিত আছে।
মশিয়ে জিরার লেখককে কেন ধমক দেন?
জিরার সাহেব বলেন, কাবুল শহরে রাতে ঘোরাফেরা করতে হলে যে শক্তি ও অস্ত্রের প্রয়োজন, তার একটিও লেখকের নেই।
জিরার সাহেবের স্ত্রী তাঁর কথায় কীভাবে সায় দেন?
জিরার সাহেবের স্ত্রী ফরাসি ভাষায় ‘উই, সার্টেনমাঁ, এভিডামাঁ’ (অবশ্যই, নিশ্চিতভাবে, স্পষ্টতই) বলে সায় দেন।
আবদুর রহমান কেন আঙুরগুলো বরফের টুকরোয় ঘষছিল?
আঙুর যথেষ্ট হিম না হওয়ায় আবদুর রহমান মেয়েদের আচারের লেবু শিলে ঘষার মতো কায়দায় আঙুর বরফে ঘষছিল।
লেখক আবদুর রহমানকে কীভাবে বোঝান যে সমস্যাটা রান্নায় নয়?
লেখক বলেন, তার ‘বপু’র সাথে নিজের ‘তনু’ মিলিয়ে দেখলেই বোঝা যাবে তার পক্ষে কতটা খাওয়া সম্ভব।
শীতকালে পানশিরে মানুষ কীভাবে সময় কাটায় বলে আবদুর রহমান বর্ণনা করে?
শীতকালে ক্ষেত-খামারের কাজ বন্ধ থাকায় মানুষ লোহার বারকোশে আঙার জ্বালিয়ে কম্বলের তলায় বসে দিনের পর দিন জানালা দিয়ে বরফ পড়া দেখে।
‘তন্বী’ ও ‘বপু’ শব্দ দুটির অর্থের মধ্যে পার্থক্য কী?
তন্বী অর্থ ক্ষীণ দেহ, আর বপু অর্থ বড় দেহ— লেখক নিজের ‘তনু’ ও আবদুর রহমানের ‘বপু’র তুলনা করে রসিকতা করেছেন।
উপরের জ্ঞানমূলক ও অনুধাবনমূলক প্রশ্ন-উত্তরগুলো ভালোভাবে অনুশীলন করলে প্রবাস বন্ধু গল্প থেকে সৃজনশীল প্রশ্নের ক ও খ অংশে ভালো নম্বর পাওয়া সহজ হবে।
