শুভা গল্পের MCQ | SSC বাংলা ১ম পত্রের “শুভা” গল্প থেকে বোর্ড পরীক্ষায় নিয়মিত প্রশ্ন আসে। এই পোস্টে গল্পের সারকথা ও ৫৫টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন (MCQ) উত্তর ও ব্যাখ্যাসহ দেওয়া হলো। জ্ঞানমূলক ও অনুধাবনমূলক প্রশ্নের জন্য শুভা গল্পের নোট দেখুন।
শুভা গল্পের সারকথা ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
শুভা গল্পের লেখক কে?
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (জন্ম ৭ মে ১৮৬১, জোড়াসাঁকো, কলকাতা; মৃত্যু ৭ আগস্ট ১৯৪১)। ১৫ বছর বয়সে ‘বনফুল’ কাব্য প্রকাশ, ১৯১৩ সালে গীতাঞ্জলির জন্য নোবেল পুরস্কার (প্রথম এশীয়)। উল্লেখযোগ্য রচনা: মানসী, সোনার তরী, গোরা, ঘরে বাইরে, শেষের কবিতা, গল্পগুচ্ছ ইত্যাদি।
শুভা গল্পের উৎস
গল্পগুচ্ছ সংকলনের একটি বিখ্যাত ছোটগল্প।
শুভা গল্পের মূল চরিত্র কারা?
– **শুভা (সুভাষিণী)** — বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরী, বড়ো কালো চোখই যার ভাষা, প্রকৃতি ও পশুপাখির সাথে গভীর বন্ধনে বাঁধা।
– **বাণীকণ্ঠ** — শুভার বাবা, মেয়েকে অন্যদের চেয়ে বেশি ভালোবাসেন।
– **শুভার মা** — মেয়েকে নিজের ত্রুটি/কলঙ্ক মনে করেন।
– **প্রতাপ** — গোঁসাইদের অকর্মণ্য ছেলে, মাছ ধরাই যার প্রধান শখ, শুভার একমাত্র মানব সঙ্গী, তাকে ‘সু’ বলে ডাকে।
– **সর্বশী ও পাঙ্গুলি** — শুভার প্রিয় দুই গাভী।
শুভা গল্পের কাহিনি সংক্ষেপে
- শুভার পরিচয়, তার বোবা হওয়া, মা-বাবার ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি।
- চণ্ডীপুর গ্রামে প্রকৃতির সাথে শুভার নিবিড় সম্পর্ক, নদীতীরে তার অবসর কাটানো।
- গোয়ালের গাভী, ছাগল, বিড়ালশাবকের সাথে তার গভীর বন্ধন।
- প্রতাপের সাথে পরিচয়— মাছ ধরার সময়কার নীরব সাহচর্য, শুভার কল্পনাবিলাস।
- গ্রামে নিন্দা ও এক-ঘরে করার হুমকিতে বাবা-মায়ের কলকাতা যাওয়ার (বিয়ের জন্য) সিদ্ধান্ত।
- প্রতাপের ঠাট্টাচ্ছলে বিয়ের খবর জানানো, শুভার মর্মবেদনা।
- যাত্রার আগে গাভীদের কাছে বিদায়, নদীতীরে প্রকৃতির কাছে আশ্রয়ের আকুল আর্তি দিয়ে গল্পের সমাপ্তি।
শুভা গল্পের মূল ভাব কী?
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুর মনোজগৎ, তার প্রতি সমাজের অবহেলা, এবং মানুষের বদলে প্রকৃতি ও প্রাণীর কাছে খুঁজে পাওয়া সহানুভূতি ও আশ্রয়— এই গল্পের মূল সুর। রবীন্দ্রনাথ এখানে মমত্ববোধ ও সংবেদনশীলতার এক গভীর ছবি এঁকেছেন।
শুভা গল্পের গুরুত্বপূর্ণ শব্দার্থ
গর্ভের কলঙ্ক (পরিবারে নেতিবাচকভাবে দেখা সন্তান), তর্জমা (অনুবাদ), কন্যাভারগ্রস্ত পিতা-মাতা (অবিবাহিত কন্যার বাবা-মা), বিজন মহত্ত্ব (নির্জন প্রকৃতির আকর্ষণ), মূক (বোবা), শষ্পশয্যা (ঘাসের বিছানা), নেত্রপল্লব (চোখের পাতা), কপোল (গাল)।
লেখক পরিচিতি বিষয়ক MCQ
১। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কত খ্রিষ্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন?
- ক. ১৮৫৯
- খ. ১৮৬৫
- গ. ১৮৬১
- ঘ. ১৮৬৩
উত্তর: গ। তিনি ২৫শে বৈশাখ, ১২৬৮ বঙ্গাব্দে (৭ই মে, ১৮৬১ খ্রিষ্টাব্দ) জন্মগ্রহণ করেন।
২। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কোন পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন?
- ক. কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবার
- খ. শান্তিনিকেতনের রায় পরিবার
- গ. ঢাকার নবাব পরিবার
- ঘ. মুর্শিদাবাদের জমিদার পরিবার
উত্তর: ক। তিনি কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
৩। রবীন্দ্রনাথের পিতার নাম কী?
- ক. দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর
- খ. দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর
- গ. জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর
- ঘ. দ্বারকানাথ ঠাকুর
উত্তর: ক। তাঁর পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর; পিতামহ প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর।
৪। কত বছর বয়সে রবীন্দ্রনাথের ‘বনফুল’ কাব্য প্রকাশিত হয়?
- ক. পনেরো
- খ. ষোলো
- গ. চৌদ্দ
- ঘ. তেরো
উত্তর: ক। মাত্র পনেরো বছর বয়সে তাঁর বনফুল কাব্য প্রকাশিত হয় — তাঁর কবিপ্রতিভার বাল্যকালীন উন্মেষের প্রমাণ।
৫। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কত সালে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন?
- ক. ১৯২০
- খ. ১৯১০
- গ. ১৯১৫
- ঘ. ১৯১৩
উত্তর: ঘ। ১৯১৩ খ্রিষ্টাব্দে *Gitanjali: Song Offerings* সংকলনের জন্য তিনি এশীয়দের মধ্যে সাহিত্যে প্রথম নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
৬। নিচের কোনটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনা নয়?
- ক. চোখের বালি
- খ. আরণ্যক
- গ. শেষের কবিতা
- ঘ. গোরা
উত্তর: খ। আরণ্যক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের রচনা; বাকি তিনটি রবীন্দ্রনাথের উপন্যাস।
৭। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কত সালে মৃত্যুবরণ করেন?
- ক. ১৯৪২
- খ. ১৯৪১
- গ. ১৯৩৯
- ঘ. ১৯৪০
উত্তর: খ। ২২শে শ্রাবণ, ১৩৪৮ বঙ্গাব্দে (৭ই আগস্ট, ১৯৪১ খ্রিষ্টাব্দ) কলকাতায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
৮। ‘শুভা’ গল্পটি কোন সংকলন থেকে নেওয়া?
- ক. গল্পগুচ্ছ
- খ. পুনশ্চ
- গ. মানসী
- ঘ. ক্ষণিকা
উত্তর: ক। এই গল্পটি রবীন্দ্রনাথের বিখ্যাত ছোটগল্প সংকলন গল্পগুচ্ছ থেকে সংকলিত।
শুভা গল্পের বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর (MCQ)
৯। শুভার প্রকৃত নাম কী ছিল?
- ক. সুকেশিনী
- খ. সুহাসিনী
- গ. সুচরিতা
- ঘ. সুভাষিণী
উত্তর: ঘ। তার নাম রাখা হয়েছিল সুভাষিণী, যা সংক্ষেপে সবাই শুভা বলে ডাকত।
১০। শুভার নামকরণের পেছনে কোন কারণ কাজ করেছিল?
- ক. পারিবারিক রীতি অনুসারে
- খ. তার সৌন্দর্যের কারণে
- গ. জ্যোতিষীর পরামর্শে
- ঘ. বোনদের নামের সাথে মিল রাখতে
উত্তর: ঘ। তার দুই বড়ো বোনের নাম সুকেশিনী ও সুহাসিনী, তাই মিলের অনুরোধে বাবা ছোটো মেয়ের নাম সুভাষিণী রাখেন।
১১। শুভার দুই বড়ো বোনের নাম কী?
- ক. সুচিত্রা ও সুনয়না
- খ. সুলেখা ও সুরমা
- গ. সুকেশিনী ও সুহাসিনী
- ঘ. সুমিতা ও সুনন্দা
উত্তর: গ। তার দুই বড়ো বোনের নাম সুকেশিনী ও সুহাসিনী, যাদের ইতিমধ্যে বিবাহ হয়ে গিয়েছিল।
১২। শুভার শারীরিক ত্রুটি কী ছিল?
- ক. সে বোবা ছিল
- খ. সে বধির ছিল
- গ. সে অন্ধ ছিল
- ঘ. সে খুঁড়িয়ে হাঁটত
উত্তর: ক। শুভা জন্ম থেকেই বোবা— কথা বলতে পারত না।
১৩। শুভার মা তাকে কীভাবে দেখতেন?
- ক. আদরের বিশেষ পাত্রী হিসেবে
- খ. নিজের কলঙ্ক হিসেবে
- গ. উদাসীনভাবে
- ঘ. গর্বের বিষয় হিসেবে
উত্তর: খ। মা শুভাকে নিজের গর্ভের কলঙ্ক জ্ঞান করে তার প্রতি বিরক্ত ছিলেন, কারণ মা কন্যাকে নিজের অংশ হিসেবেই দেখেন।
১৪। শুভার বাবা বাণীকণ্ঠ তার প্রতি কেমন মনোভাব পোষণ করতেন?
- ক. অবহেলা করতেন
- খ. এড়িয়ে চলতেন
- গ. একটু বেশি ভালোবাসতেন
- ঘ. লজ্জা পেতেন
উত্তর: গ। বাবা বাণীকণ্ঠ শুভাকে তাঁর অন্য মেয়েদের চেয়ে একটু বেশি ভালোবাসতেন।
**১৫। শুভা সম্পর্কে নিচের তথ্যগুলো লক্ষ করো —**
i. শুভা জন্ম থেকেই বোবা ছিল
ii. মা তাকে নিজের অংশ হিসেবে ভালোবাসতেন
iii. বাবা তাকে অন্য মেয়েদের চেয়ে একটু বেশি ভালোবাসতেন
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii খ. i ও iii গ. ii ও iii ঘ. i, ii ও iii
**উত্তর: খ।** প্রথম ও তৃতীয় তথ্য সঠিক, কিন্তু মা আসলে তাকে নিজের গর্ভের কলঙ্ক হিসেবে দেখতেন, ভালোবাসতেন না— তাই দ্বিতীয় তথ্যটি ভুল।
১৬। শুভার চোখ কেমন ছিল বলে বর্ণনা করা হয়েছে?
- ক. বড়ো বড়ো কালো চোখ
- খ. ছোটো ও উজ্জ্বল
- গ. নীল রঙের চোখ
- ঘ. ঘোলাটে চোখ
উত্তর: ক। শুভার সুদীর্ঘ পল্লববিশিষ্ট বড়ো বড়ো দুটি কালো চোখ ছিল, যা তার একমাত্র ভাষার মাধ্যম হয়ে উঠেছিল।
১৭। লেখকের মতে, কথায় প্রকাশিত ভাব আর চোখে প্রকাশিত ভাবের মধ্যে মূল পার্থক্য কী?
- ক. চোখের ভাষা মিথ্যা হতে পারে
- খ. চোখের ভাষা সহজাত ও অকৃত্রিম
- গ. কথার কোনো গুরুত্ব নেই
- ঘ. কথা সবাই বোঝে, চোখ কেউ বোঝে না
উত্তর: খ। লেখকের মতে কথা আমরা নিজের চেষ্টায় তর্জমার মতো গড়ে বলি, কিন্তু কালো চোখের ভাব সরাসরি ও অকৃত্রিমভাবে ফুটে ওঠে, কোনো অনুবাদের প্রয়োজন হয় না।
১৮। সাধারণ বালকবালিকারা শুভার সাথে কেমন আচরণ করত?
- ক. তাকে ভয় পেত
- খ. তার যত্ন নিত
- গ. তার সাথে খুব ঘনিষ্ঠভাবে মিশত
- ঘ. তাকে উপহাস করত
উত্তর: ক। বাক্যহীন শুভার মধ্যে বৃহৎ প্রকৃতির মতো একটা বিজন মহত্ত্ব ছিল বলে সাধারণ শিশুরা তাকে ভয় করত এবং তার সাথে খেলত না।
১৯। শুভাদের গ্রামের নাম কী?
- ক. কৃষ্ণপুর
- খ. নবীনগর
- গ. চণ্ডীপুর
- ঘ. রামপুর
উত্তর: গ। তাদের গ্রামের নাম চণ্ডীপুর, যেখানে একটি ছোটো নদী ছিল।
২০। গ্রামের নদীটিকে লেখক কীসের সাথে তুলনা করেছেন?
- ক. একটি রাক্ষসের সাথে
- খ. একটি হিংস্র জন্তুর সাথে
- গ. একটি রাজার সাথে
- ঘ. গৃহস্থঘরের মেয়ের সাথে
উত্তর: ঘ। নদীটিকে গৃহস্থঘরের মেয়ের মতো নিরলসা তন্বী বলে বর্ণনা করা হয়েছে, যে আপন কূল রক্ষা করে কাজ করে যায়।
২১। বাণীকণ্ঠের বাড়ি নদীর কোথায় অবস্থিত ছিল?
- ক. নদীর ওপারে
- খ. নদী থেকে অনেক দূরে
- গ. নদীর একেবারে উপরেই
- ঘ. নদীর মাঝখানে
উত্তর: গ। বাণীকণ্ঠের ঘর নদীর একেবারে উপরেই অবস্থিত ছিল, যা নৌকাবাহী সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করত।
২২। অবসর পেলে শুভা কোথায় গিয়ে বসত?
- ক. তেঁতুলতলায়
- খ. রান্নাঘরে
- গ. নদীতীরে
- ঘ. গোয়ালঘরে
উত্তর: গ। কাজকর্মে অবসর পেলেই শুভা নদীতীরে এসে বসত— প্রকৃতিই যেন তার ভাষার অভাব পূরণ করত।
**২৩। শুভার প্রকৃতির সাথে সম্পর্ক নিয়ে নিচের তথ্যগুলো লক্ষ করো —**
i. প্রকৃতির শব্দ ও গতিকে লেখক ‘বোবার ভাষা’ বলে অভিহিত করেছেন
ii. শুভা কখনো নদীতীরে যেত না
iii. মধ্যাহ্নের নিস্তব্ধতায় শুভা ও প্রকৃতি যেন মুখোমুখি বসে থাকত
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii খ. i ও iii গ. ii ও iii ঘ. i, ii ও iii
**উত্তর: খ।** প্রথম ও তৃতীয় তথ্য গল্পের বর্ণনার সাথে মিলে যায়, কিন্তু শুভা আসলে অবসরে নিয়মিতই নদীতীরে যেত— তাই দ্বিতীয় তথ্যটি ভুল।
২৪। শুভার গোয়ালঘরের দুটি গাভীর নাম কী?
- ক. সর্বশী ও পাঙ্গুলি
- খ. মঙ্গলা ও ধবলী
- গ. লক্ষ্মী ও সরস্বতী
- ঘ. গৌরী ও কাজলী
উত্তর: ক। তার দুই গাভীর নাম সর্বশী ও পাঙ্গুলি, যারা শুভার পদশব্দ চিনত ও তার মনের ভাব বুঝতে পারত।
২৫। গাভী দুটি শুভার মনের ভাব মানুষের চেয়ে ভালো বুঝত কেন বলে লেখক মনে করেন?
- ক. ভাষাহীন ভাব সহজে বুঝত বলে
- খ. তারা শুভার আত্মীয় ছিল বলে
- গ. তারা প্রশিক্ষিত ছিল বলে
- ঘ. তারা বেশি বুদ্ধিমান ছিল বলে
উত্তর: ক। তাদের কাছে শুভার কথাহীন করুণ সুরের মর্ম ভাষার চেয়ে সহজবোধ্য ছিল, তাই তারা তার আদর, ভর্ৎসনা, মিনতি সবই বুঝতে পারত।
২৬। কঠিন কথা শুনলে শুভা কোথায় ছুটে যেত?
- ক. নিজের ঘরে
- খ. গোয়ালঘরের মূক বন্ধুদের কাছে
- গ. মায়ের কাছে
- ঘ. প্রতিবেশীর বাড়িতে
উত্তর: খ। গৃহে কঠিন কথা শুনলে শুভা অসময়ে তার মূক বন্ধু গাভী দুটির কাছে গিয়ে সান্ত্বনা খুঁজত।
২৭। গাভী ছাড়া শুভার আর কী কী প্রাণী-বন্ধু ছিল?
- ক. খরগোশ ও ময়না
- খ. কুকুর ও পাখি
- গ. হাঁস ও মুরগি
- ঘ. ছাগল ও বিড়ালশাবক
উত্তর: ঘ। গাভী ছাড়াও ছাগল ও বিড়ালশাবক ছিল, যদিও তাদের সাথে সমকক্ষভাবে মৈত্রী ছিল না, তবু তারা আনুগত্য প্রকাশ করত।
২৮। বিড়ালশাবকটি শুভার কোলে কী করত?
- ক. দুধ খেত
- খ. খেলা করত
- গ. আঁচড় দিত
- ঘ. ঘুমাত
উত্তর: ঘ। বিড়ালশাবকটি দিনে-রাতে যখন-তখন শুভার কোল দখল করে সুখনিদ্রার আয়োজন করত।
২৯। উন্নত শ্রেণির জীবের মধ্যে শুভার সঙ্গী কে ছিল?
- ক. তার বাবা বাণীকণ্ঠ
- খ. প্রতিবেশী কোনো বালিকা
- গ. গোঁসাইদের ছেলে প্রতাপ
- ঘ. তার শিক্ষক
উত্তর: গ। গোঁসাইদের ছোটো ছেলে প্রতাপ ছিল শুভার একমাত্র মানব সঙ্গী।
৩০। প্রতাপের চরিত্র সম্পর্কে লেখক কী বলেছেন?
- ক. সে অত্যন্ত পরিশ্রমী
- খ. সে শিক্ষিত ও চাকরিজীবী
- গ. সে নিতান্ত অকর্মণ্য
- ঘ. সে অত্যন্ত ধনী
উত্তর: গ। প্রতাপ নিতান্ত অকর্মণ্য লোক ছিল— তার বাবা-মা তাকে দিয়ে সংসারের উন্নতির আশা ছেড়ে দিয়েছিলেন।
৩১। প্রতাপের প্রধান শখ কী ছিল?
- ক. ছিপ ফেলে মাছ ধরা
- খ. ছবি আঁকা
- গ. বই পড়া
- ঘ. গান গাওয়া
উত্তর: ক। প্রতাপের প্রধান শখ ছিল ছিপ ফেলে মাছ ধরা, যা দিয়ে সে অনেক সময় সহজে কাটাত।
৩২। প্রতাপ শুভাকে কী নামে ডাকত?
- ক. সুহাসিনী
- খ. সুভাষিণী
- গ. শুভা
- ঘ. সু
উত্তর: ঘ। সবাই তাকে শুভা বললেও প্রতাপ একটু বেশি আদর করে তাকে ‘সু’ বলে ডাকত।
৩৩। মাছ ধরার সময় প্রতাপ শুভাকে কেন মূল্য দিত?
- ক. নীরব সঙ্গী বলে ভালো লাগত
- খ. শুভার বাবা তাকে বলেছিলেন বলে
- গ. শুভা তাকে সাহায্য করত বলে
- ঘ. শুভা তাকে টাকা দিত বলে
উত্তর: ক। মাছ ধরার সময় বাক্যহীন সঙ্গীই সর্বাপেক্ষা শ্রেষ্ঠ, এই কারণেই প্রতাপ শুভার মর্যাদা বুঝত ও তার সঙ্গ পছন্দ করত।
৩৪। শুভা প্রতাপের জন্য কী তৈরি করে আনত?
- ক. পান
- খ. চা
- গ. মিষ্টি
- ঘ. ফুলের মালা
উত্তর: ক। প্রতাপের জন্য একটি করে পান বরাদ্দ ছিল, যা শুভা নিজে সাজিয়ে আনত।
৩৫। শুভার কল্পনায় সে যদি জলকুমারী হতো, তাহলে সে কোথায় বাস করত?
- ক. পাতালপুরীর রুপার অট্টালিকায়
- খ. সমুদ্রের ধারে
- গ. বনের মধ্যে
- ঘ. আকাশে
উত্তর: ক। কল্পনায় শুভা নিজেকে পাতালপুরীর রুপার অট্টালিকায় সোনার পালঙ্কে বসা এক রাজকন্যা হিসেবে দেখত, যে প্রতাপকে আশ্চর্য করে দিতে পারবে।
৩৬। শুভা কেন এই ধরনের কল্পনা করত?
- ক. সে গ্রাম ছেড়ে যেতে চাইত বলে
- খ. সে ধনী হতে চাইত বলে
- গ. সে রূপকথা পড়তে ভালোবাসত বলে
- ঘ. প্রতাপের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হতে চেয়ে
উত্তর: ঘ। শুভা মনে মনে চাইত প্রতাপের কোনো কাজে লাগতে, প্রমাণ করতে যে সেও কম প্রয়োজনীয় নয়— এই আকাঙ্ক্ষা থেকেই তার এই কল্পনা।
৩৭। গ্রামের লোকজন শুভার পরিবার সম্পর্কে কী বলাবলি শুরু করেছিল?
- ক. তাদের গ্রাম থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার কথা
- খ. তাদের বাড়ি ভেঙে ফেলার কথা
- গ. তাদের সম্পত্তি কেড়ে নেওয়ার কথা
- ঘ. তাদের এক-ঘরে করে দেওয়ার কথা
উত্তর: ঘ। শুভার বিয়ে না হওয়ায় লোকে নিন্দা শুরু করেছিল, এমনকি তাদের এক-ঘরে করার জনরবও শোনা যাচ্ছিল।
৩৮। বাণীকণ্ঠের পরিবারের কেন শত্রু ছিল বলে লেখক উল্লেখ করেছেন?
- ক. তারা শহর থেকে এসেছিল বলে
- খ. তারা গরিব ছিল বলে
- গ. তারা অন্য জাতের ছিল বলে
- ঘ. তাদের সচ্ছল অবস্থার কারণে
উত্তর: ঘ। বাণীকণ্ঠের সচ্ছল অবস্থা, দুই বেলাই মাছভাত খাওয়া— এই স্বাচ্ছল্যের কারণেই তার শত্রু ছিল, যারা সুযোগ পেয়ে নিন্দা করত।
৩৯। শুভার বিয়ের ব্যবস্থার জন্য বাণীকণ্ঠ ও তাঁর স্ত্রী শেষে কী সিদ্ধান্ত নেন?
- ক. প্রতাপের সাথে বিয়ে দেওয়ার
- খ. শুভাকে মন্দিরে পাঠানোর
- গ. কলকাতায় যাওয়ার
- ঘ. গ্রামেই পাত্র খোঁজার
উত্তর: গ। বিস্তর পরামর্শের পর বাণীকণ্ঠ কিছুদিন বিদেশে গিয়ে ফিরে এসে সিদ্ধান্ত জানান, তাঁরা কলকাতায় যাবেন।
৪০। কলকাতায় যাওয়ার উদ্যোগের সময় শুভার মনের অবস্থা কেমন ছিল?
- ক. রাগান্বিত
- খ. উদাসীন ও নির্বিকার
- গ. আনন্দিত ও উৎফুল্ল
- ঘ. আশঙ্কায় ভরা ও উদ্বিগ্ন
উত্তর: ঘ। শুভার হৃদয় অশ্রুবাষ্পে ভরে যায়, সে একটা অনির্দিষ্ট আশঙ্কায় নির্বাক জন্তুর মতো বাবা-মায়ের সাথে সাথে ঘুরত, কিন্তু তারা তাকে কিছু বুঝিয়ে বলতেন না।
**৪১। কলকাতা যাত্রা প্রসঙ্গে নিচের তথ্যগুলো লক্ষ করো —**
i. পরিবারের সিদ্ধান্তের কথা শুভাকে স্পষ্ট করে জানানো হয়েছিল
ii. শুভা বিয়ের ব্যাপারে পুরোপুরি অন্ধকারে ছিল না, কিছুটা আঁচ করতে পেরেছিল
iii. বাণীকণ্ঠ কিছুদিনের জন্য একাই বিদেশে গিয়েছিলেন
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii খ. i ও iii গ. ii ও iii ঘ. i, ii ও iii
**উত্তর: গ।** শুভার বাবা-মা তাকে স্পষ্ট কিছু বুঝিয়ে বলেননি— তাই প্রথম তথ্যটি ভুল; কিন্তু দ্বিতীয় ও তৃতীয় তথ্য দুটি গল্পের বর্ণনার সাথে মিলে যায়।
৪২। প্রতাপ শুভাকে বিয়ের খবর কীভাবে জানায়?
- ক. গম্ভীরভাবে
- খ. কেঁদে
- গ. রাগ করে
- ঘ. হাসতে হাসতে ঠাট্টাচ্ছলে
উত্তর: ঘ। প্রতাপ হাসতে হাসতে বলে, “কী রে সু, তোর নাকি বর পাওয়া গেছে, তুই বিয়ে করতে যাচ্ছিস? দেখিস আমাদের ভুলিস নে।”
৪৩। প্রতাপের এই কথা শুনে শুভার প্রতিক্রিয়া কেমন ছিল?
- ক. সে খুশি হয়
- খ. সে রাগ করে চলে যায়
- গ. মর্মাহত হয়ে অসহায়ভাবে তাকায়
- ঘ. সে নির্বিকার থাকে
উত্তর: গ। লেখক তুলনা করেন, মর্মবিদ্ধ হরিণী ব্যাধের দিকে যেমন তাকায় তেমনি করেই শুভা প্রতাপের দিকে চেয়েছিল— যেন বলছে, ‘আমি তোমার কাছে কী দোষ করেছিলাম’।
৪৪। প্রতাপের কথা শোনার পর শুভা কোথায় গিয়ে কাঁদতে থাকে?
- ক. বাবার পায়ের কাছে
- খ. নিজের ঘরে
- গ. নদীতীরে
- ঘ. গোয়ালঘরে
উত্তর: ক। সেদিন গাছতলায় না বসে শুভা বাবা বাণীকণ্ঠের পায়ের কাছে বসে তাঁর মুখের দিকে চেয়ে কাঁদতে থাকে।
৪৫। মেয়েকে সান্ত্বনা দিতে গিয়ে বাণীকণ্ঠের কী প্রতিক্রিয়া হয়?
- ক. তিনি হাসেন
- খ. তিনি নির্বিকার থাকেন
- গ. তাঁর শুষ্ক কপোলে অশ্রু গড়িয়ে পড়ে
- ঘ. তিনি রাগ করেন
উত্তর: গ। মেয়েকে সান্ত্বনা দিতে গিয়ে বাণীকণ্ঠেরও চোখে জল আসে— তাঁর শুষ্ক কপোলে অশ্রু গড়িয়ে পড়ে।
৪৬। কলকাতা যাওয়ার আগে শুভা তার বাল্য-সখীদের কাছে বিদায় নিতে কোথায় যায়?
- ক. গোয়ালঘরে
- খ. তেঁতুলতলায়
- গ. নদীতীরে
- ঘ. প্রতাপের কাছে
উত্তর: ক। যাওয়ার আগে শুভা গোয়ালঘরে গিয়ে তার বাল্য-সখী গাভী দুটির কাছে বিদায় নেয়, নিজ হাতে তাদের খাইয়ে চোখ ভরে তাদের দেখে।
৪৭। যাত্রার আগের রাতে শুভা কোথায় গিয়ে শুয়ে পড়ে?
- ক. প্রতিবেশীর বাড়িতে
- খ. চিরপরিচিত নদীতটে
- গ. নিজের শয়নগৃহে
- ঘ. গোয়ালঘরে
উত্তর: খ। শুক্লাদ্বাদশীর রাতে শুভা শয়নগৃহ থেকে বেরিয়ে চিরপরিচিত নদীতটে ঘাসের বিছানায় লুটিয়ে পড়ে।
৪৮। নদীতটে শুয়ে শুভা ধরণীর কাছে মনে মনে কী প্রার্থনা করে বলে লেখক কল্পনা করেছেন?
- ক. তাকে কথা বলার ক্ষমতা দেওয়ার
- খ. তাকে যেতে না দেওয়ার, তাকে ধরে রাখার
- গ. তাকে ধনী করে দেওয়ার
- ঘ. তাকে বিয়ে দিতে না বলার
উত্তর: খ। শুভা যেন ধরণীকে দুই বাহুতে জড়িয়ে ধরে বলতে চায়, ‘তুমি আমাকে যেতে দিয়ো না মা, তুমিও আমাকে ধরে রাখো’— প্রকৃতির প্রতি তার এই আকুল আকুতিতে গল্পটি শেষ হয়।
৪৯। ‘গর্ভের কলঙ্ক’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- ক. একটি চিকিৎসা পরিভাষা
- খ. পরিবারে অবাঞ্ছিত সন্তান
- গ. গর্ভাবস্থার একটি রোগ
- ঘ. একটি সামাজিক প্রথা
উত্তর: খ। যাকে পরিবারে কলঙ্ক বা নেতিবাচক হিসেবে দেখা হয়, তাকেই এখানে ‘গর্ভের কলঙ্ক’ বলা হয়েছে— শুভার প্রতি তার মায়ের দৃষ্টিভঙ্গি বোঝাতে ব্যবহৃত।
৫০। ‘তর্জমা’ শব্দের অর্থ কী?
- ক. অনুবাদ
- খ. অভিনয়
- গ. রচনা
- ঘ. আবৃত্তি
উত্তর: ক। তর্জমা অর্থ অনুবাদ, এক ভাষা থেকে অন্য ভাষায় রূপান্তর।
৫১। ‘কন্যাভারগ্রস্ত পিতা-মাতা’ বাক্যাংশটির অর্থ কী?
- ক. যাদের বিবাহযোগ্যা কন্যার বিয়ে হয়নি
- খ. যাদের অনেক সম্পত্তি আছে
- গ. যাদের কন্যা নেই
- ঘ. যারা কন্যাসন্তান চান না
উত্তর: ক। যে পিতা-মাতার বিবাহযোগ্যা কন্যা সন্তানের বিয়ে এখনো হয়নি, তাদেরই কন্যাভারগ্রস্ত পিতা-মাতা বলা হয়েছে।
৫২। ‘বিজন মহত্ত্ব’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- ক. একাকিত্বের কষ্ট
- খ. জনবহুল এলাকার আকর্ষণ
- গ. রাজকীয় মহিমা
- ঘ. কোলাহলমুক্ত প্রকৃতির আকর্ষণীয় দিক
উত্তর: ঘ। বিজন মানে জনশূন্য বা নির্জন, আর মহত্ত্ব মানে মহৎগুণ— একসাথে এটি কোলাহলমুক্ত প্রকৃতির আকর্ষণীয় দিক বোঝায়, শুভার নীরব ব্যক্তিত্বের বর্ণনায় ব্যবহৃত।
৫৩। ‘শষ্পশয্যা’ শব্দের অর্থ কী?
- ক. কচি ঘাসে আবৃত বিছানা
- খ. ফুলের বিছানা
- গ. পাথরের বিছানা
- ঘ. কাঁটাযুক্ত বিছানা
উত্তর: ক। শষ্পশয্যা অর্থ কচি ঘাসে আবৃত বিছানা— নদীতীরে শুভা এমনই এক শয্যায় লুটিয়ে পড়েছিল।
৫৪। শুভার প্রাণীদের সাথে বন্ধুত্ব গভীর হওয়ার মূল কারণ কী বলে মনে হয়?
- ক. সে মানুষকে অপছন্দ করত বলে
- খ. তার কাছে অন্য কোনো উপায় ছিল না বলে
- গ. ভাষার বাধা না থাকায় সহজাত যোগাযোগ হতো
- ঘ. তার বাবা তাকে বাধ্য করতেন বলে
উত্তর: গ। কথা বলতে না পারলেও প্রাণীদের সাথে ভাষার কোনো বাধা ছিল না— অনুভূতি ও অঙ্গভঙ্গির মাধ্যমেই তাদের মধ্যে গভীর, সহজাত এক বোঝাপড়া গড়ে উঠেছিল।
৫৫। প্রতাপের সাথে শুভার সম্পর্ককে ‘ঠিক কিরূপ সম্পর্ক তা নির্ণয় করা কঠিন’ বলার মধ্য দিয়ে লেখক কী ইঙ্গিত দিতে চেয়েছেন?
- ক. তারা একে অপরকে অপছন্দ করত
- খ. তাদের সম্পর্ক ছিল অনির্বচনীয় ও জটিল
- গ. তাদের মধ্যে শত্রুতা ছিল
- ঘ. তাদের মধ্যে কোনো সম্পর্কই ছিল না
উত্তর: খ। শুভা ভাষাহীন আর প্রতাপ ভাষাবিশিষ্ট বলে উভয়ের মধ্যে সমভাষা ছিল না— এই অসম যোগাযোগের কারণে তাদের সম্পর্ক ছিল জটিল ও অনির্বচনীয়, নিছক বন্ধুত্ব বা প্রেম কোনোটাতেই পুরোপুরি সীমাবদ্ধ নয়।
৫৬। গল্পের শেষে শুভার নদীতটে গিয়ে ধরণীকে জড়িয়ে ধরার আকুতি থেকে কী বোঝা যায়?
- ক. সে নদীতে ডুবে মরতে চায়
- খ. সে সাঁতার শিখতে চায়
- গ. প্রকৃতিই তার প্রকৃত আশ্রয় ও আপনজন
- ঘ. সে গ্রাম ছেড়ে যেতে চায় না শুধু আর্থিক কারণে
উত্তর: গ। মানুষের জগতে যে ভালোবাসা ও নিরাপত্তা শুভা পায়নি, তা সে প্রকৃতির কাছে খুঁজে পেয়েছিল— তাই বিদায়ের আগে সে প্রকৃতিরই আশ্রয় প্রার্থনা করে, যা গল্পের গভীরতম করুণ রসকে প্রকাশ করে।
মিতু কথা বলতে পারে না, শুনতেও পায় না। পরিবারের সবাই তাকে নিয়ে চিন্তিত, বিশেষত মা প্রায়ই আক্ষেপ করেন প্রতিবেশীদের কাছে। কিন্তু বাড়ির পোষা কুকুরটি মিতুর প্রতিটি ইশারা বোঝে, তার মন খারাপ হলে কুকুরটি চুপচাপ পাশে এসে বসে থাকে।
৫৭। মিতুর সাথে ‘শুভা’ গল্পের কোন চরিত্রের মিল সবচেয়ে বেশি?
- ক. শুভার মা
- খ. বাণীকণ্ঠ
- গ. শুভা
- ঘ. প্রতাপ
উত্তর: গ। মিতুও শুভার মতো কথা বলতে পারে না, মানুষের বদলে পোষা প্রাণীর সাথেই তার গভীর বোঝাপড়া— এই মিলটিই শুভার চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
৫৮। উদ্দীপক ও গল্পের এই সাদৃশ্য থেকে কোন সামাজিক বাস্তবতা ফুটে ওঠে?
- ক. ভাষাহীন মানুষ প্রকৃতির কাছে সহানুভূতি খুঁজে পায়
- খ. প্রতিবন্ধী শিশুদের প্রতি পরিবারের কোনো দায়িত্ব নেই
- গ. বাক-প্রতিবন্ধীরা সবসময় একা থাকতে পছন্দ করে
- ঘ. পোষা প্রাণী মানুষের চেয়ে বুদ্ধিমান
উত্তর: ক। উভয় ক্ষেত্রেই দেখা যায়, মানুষের জগৎ থেকে যে গ্রহণযোগ্যতা ভাষাহীন ব্যক্তিরা পায় না, তা তারা নির্বাক প্রাণীদের কাছ থেকে খুঁজে পায়— এটি রবীন্দ্রনাথের গল্পের একটি সর্বজনীন সত্য।
