আঠারো বছর বয়স কবিতার MCQ | HSC বাংলা ১ম পত্র-এর “আঠারো বছর বয়স” কবিতা থেকে বোর্ড পরীক্ষায় নিয়মিত প্রশ্ন আসে। এই পোস্টে ১২৫টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন (MCQ) উত্তর ও ব্যাখ্যাসহ দেওয়া হলো।
আঠারো বছর বয়স কবিতার বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর (MCQ)
1। ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতার মূল প্রতিপাদ্য বিষয় কী?
- ক. কৈশোর থেকে যৌবনে পদার্পণের বৈশিষ্ট্য ও তারুণ্যের শক্তি
- খ. প্রকৃতির সৌন্দর্য বর্ণনা
- গ. বার্ধক্যের অসহায়ত্ব
- ঘ. শৈশবের স্মৃতিচারণ
উত্তর: ক। পাঠ-পরিচিতি অনুযায়ী, এ কবিতায় কৈশোর থেকে যৌবনে পদার্পণের উত্তেজনাময় বয়সের বৈশিষ্ট্য, তারুণ্যের শক্তি ও সাহসিকতার কথা বলা হয়েছে।
2। আঠারো বছর বয়সের তরুণেরা কীসের ঝুঁকি নেয়?
- ক. দেশত্যাগের
- খ. পড়াশোনা ছেড়ে দেওয়ার
- গ. অন্যের উপর নির্ভরশীল হওয়ার
- ঘ. মাথা তোলবার
উত্তর: ঘ। কবিতার চরণ \”কী দুঃসহ / স্পর্ধায় নেয় মাথা তোলবার ঝুঁকি\” থেকে জানা যায়, এ বয়সের তরুণেরা মাথা তোলবার বা স্বাধীনভাবে চলার ঝুঁকি নেয়।
3। ‘আঠারো বছর বয়স জানে না কাঁদা’ – এর কারণ কী?
- ক. তারা খুব নিষ্ঠুর হয়
- খ. তারা কাঁদতে ভুলে যায়
- গ. এ বয়সে মানুষ আত্মপ্রত্যয়ী হয়ে পরনির্ভরশীলতার কান্না মুছে ফেলে
- ঘ. এ বয়সে মানুষের অনুভূতি থাকে না
উত্তর: গ। শব্দার্থ ও টীকা অনুযায়ী, যৌবনে পদার্পণ করে এ বয়সে মানুষ আত্মপ্রত্যয়ী হয় এবং পরনির্ভরতার দিনগুলোর কান্না মুছে ফেলতে উদ্যোগী হয়।
4। আঠারো বছর বয়স কী ভাঙতে চায়?
- ক. সমাজের সব নিয়ম
- খ. পাথর বাধা
- গ. পুরোনো দালান
- ঘ. মানুষের মন
উত্তর: খ। কবিতায় বলা হয়েছে, \”পদাঘাতে চায় ভাঙতে পাথর বাধা\”।
5। কবি আঠারো বছর বয়সকে কীসের মতো চলতে দেখেছেন?
- ক. নদীর স্রোতের মতো
- খ. বাষ্পের বেগে স্টিমারের মতো
- গ. ঝড়ের বেগে বিমানের মতো
- ঘ. ঘোড়ার মতো
উত্তর: খ। কবিতায় আছে, \”বাষ্পের বেগে স্টিমারের মতো চলে\”।
6। আঠারো বছর বয়স কীসের পুণ্য জানে?
- ক. দান করার পুণ্য
- খ. তীর্থযাত্রার পুণ্য
- গ. রক্তদানের পুণ্য
- ঘ. শিক্ষার পুণ্য
উত্তর: গ। \”এ বয়স জানে রক্তদানের পুণ্য\” – অর্থাৎ দেশ ও মানবতার জন্য আত্মত্যাগ করতে জানে।
7। আঠারো বছর বয়সের ‘প্রাণ দেওয়া-নেওয়া’ ঝুলিটা কেমন থাকে?
- ক. শূন্য থাকে
- খ. হারিয়ে যায়
- গ. অর্ধপূর্ণ থাকে
- ঘ. শূন্য থাকে না
উত্তর: ঘ। কবিতায় বলা হয়েছে, \”প্রাণ দেওয়া-নেওয়া ঝুলিটা থাকে না শূন্য\”।
8। তরুণেরা আত্মাকে কোথায় সঁপে দেয়?
- ক. অন্ধকারের পথে
- খ. শপথের কোলাহলে
- গ. ঈশ্বরের কাছে
- ঘ. নিরিবিলি পরিবেশে
উত্তর: খ। \”সঁপে আত্মাকে শপথের কোলাহলে\” – অর্থাৎ নতুন স্বপ্ন বাস্তবায়নে নব নব শপথে বলীয়ান হয়।
9। আঠারো বছর বয়সকে কবি ‘ভয়ংকর’ বলেছেন কেন?
- ক. এ বয়সে মানুষ অপরাধ করে বলে
- খ. এরা কাউকে সম্মান করে না
- গ. এ বয়সের মানুষের চেহারা ভয়ংকর হয়
- ঘ. সমাজজীবনের বিকার ও অসুস্থতার অভিঘাতে এ বয়স ভয়ংকর হতে পারে
উত্তর: ঘ। পাঠ-পরিচিতিতে আছে, সমাজজীবনের নানা বিকার, অসুস্থতা ও সর্বনাশের অভিঘাতে আঠারো বছর বয়স ভয়ংকর হয়ে উঠতে পারে।
10। এ বয়সের তাজা তাজা প্রাণে কী দেখা যায়?
- ক. অসহ্য যন্ত্রণা
- খ. অফুরন্ত বিশ্রাম
- গ. ভীতি
- ঘ. পরম শান্তি
উত্তর: ক। \”তাজা তাজা প্রাণে অসহ্য যন্ত্রণা\” – বৈষম্য ও শোষণ দেখে তরুণ প্রাণ ক্ষুব্ধ ও যন্ত্রণাবিদ্ধ হয়।
11। আঠারো বছর বয়সে প্রাণ কেমন থাকে?
- ক. ধীর ও শান্ত
- খ. তীব্র আর প্রখর
- গ. দুর্বল ও ক্লান্ত
- ঘ. শীতল
উত্তর: খ। কবিতায় বলা হয়েছে, \”এ বয়সে প্রাণ তীব্র আর প্রখর\”।
12। আঠারো বছর বয়সে কানে কী আসে?
- ক. বাঁশির সুর
- খ. সমুদ্রের গর্জন
- গ. কত মন্ত্রণা
- ঘ. পাখির গান
উত্তর: গ। \”এ বয়সে কানে আসে কত মন্ত্রণা\” – অর্থাৎ নানা ইতিবাচক ও নেতিবাচক মতবাদের সাথে তারা পরিচিত হয়।
13। আঠারো বছর বয়স পথে প্রান্তরে কী ছোটায়?
- ক. তুফান
- খ. ঘোড়া
- গ. বাতাস
- ঘ. গাড়ি
উত্তর: ক। \”পথে প্রান্তরে ছোটায় বহু তুফান\” – এই চরণ তারুণ্যের উদ্দাম গতি নির্দেশ করে।
14। দুর্যোগে কী ঠিকমতো রাখা ভার হয়?
- ক. নিজের মন
- খ. নৌকার হাল
- গ. শরীরের ভারসাম্য
- ঘ. বইখাতা
উত্তর: খ। \”দুর্যোগে হাল ঠিকমতো রাখা ভার\” – নানা জটিলতায় এ বয়সে পদস্খলনের শঙ্কা থাকে।
15। আঠারো বছর বয়সে কী অবিশ্রান্তভাবে আসে?
- ক. সুযোগ
- খ. পুরস্কার
- গ. প্রশংসা
- ঘ. আঘাত
উত্তর: ঘ। \”আঠারো বছর বয়সে আঘাত আসে / অবিশ্রান্ত; একে একে হয় জড়ো\”।
16। এ বয়স কালো লক্ষ দীর্ঘশ্বাসে কী হয়?
- ক. বেদনায় থরোথরো কাঁপে
- খ. আনন্দিত হয়
- গ. ঘুমিয়ে পড়ে
- ঘ. থমকে দাঁড়ায়
উত্তর: ক। \”এ বয়স কালো লক্ষ দীর্ঘশ্বাসে / এ বয়স কাঁপে বেদনায় থরোথরো\”।
17। এত আঘাত ও বেদনার পরও কবি আঠারোর কী শুনেছেন?
- ক. জয়ধ্বনি
- খ. বিদায়রাগিনী
- গ. কান্নার আওয়াজ
- ঘ. আর্তনাদ
উত্তর: ক। \”তবু আঠারোর শুনেছি জয়ধ্বনি\”।
18। আঠারো বছর বয়স কোথায় বাঁচে?
- ক. বিলাসবহুল প্রাসাদে
- খ. দুর্যোগে আর ঝড়ে
- গ. নিভৃত অরণ্যে
- ঘ. শান্তির নীড়ে
উত্তর: খ। \”এ বয়স বাঁচে দুর্যোগে আর ঝড়ে\”।
19। বিপদের মুখে এ বয়সের ভূমিকা কেমন?
- ক. ভীরুর
- খ. নীরব দর্শকের
- গ. অগ্রণী
- ঘ. পলায়নপর
উত্তর: গ। \”বিপদের মুখে এ বয়স অগ্রণী\”।
20। আঠারো বছর বয়স কী নয় বলে কবি উল্লেখ করেছেন?
- ক. প্রখর ও তীব্র
- খ. সাহসী ও উদ্যমী
- গ. দুরন্ত ও দুর্বার
- ঘ. ভীরু, কাপুরুষ
উত্তর: ঘ। \”এ বয়স জেনো ভীরু, কাপুরুষ নয়\”।
21। পথ চলতে আঠারো বছর বয়সের কী হয় না?
- ক. ক্লান্তি আসে না
- খ. থেমে যায় না
- গ. সঙ্গীর অভাব হয় না
- ঘ. পথ হারায় না
উত্তর: খ। \”পথ চলতে এ বয়স যায় না থেমে\”।
22। আঠারো বছর বয়সে কীসের কোনো অস্তিত্ব নেই?
- ক. স্বপ্নের
- খ. সাহসের
- গ. সংশয়ের
- ঘ. বিপদের
উত্তর: গ। \”এ বয়সে তাই নেই কোনো সংশয়\”।
23। কবি দেশের বুকে কী নেমে আসার প্রত্যাশা করেছেন?
- ক. বৃষ্টি
- খ. শান্তি
- গ. আঠারো
- ঘ. বিপ্লব
উত্তর: গ। \”এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে\” – তরুণদের শক্তি জাতীয় জীবনের চালিকাশক্তি হোক, এটাই কবির প্রত্যাশা।
24। ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতায় কোন ছন্দের প্রয়োগ ঘটেছে?
- ক. মাত্রাবৃত্ত
- খ. অমিত্রাক্ষর
- গ. স্বরবৃত্ত
- ঘ. অক্ষরবৃত্ত
উত্তর: ক। পাঠ-পরিচিতিতে সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে কবিতাটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত।
25। আঠারো বছর বয়সে তরুণেরা কাদের ওপর নির্ভরশীলতা পরিহার করে?
- ক. বন্ধুদের ওপর
- খ. অন্যদের ওপর
- গ. সমাজের ওপর
- ঘ. শিক্ষকদের ওপর
উত্তর: খ। শব্দার্থ ও টীকা অনুযায়ী, অন্যদের ওপর নির্ভরশীলতা পরিহার করে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর প্রস্তুতি নিতে হয় তাকে।
26। কৈশোর থেকে যৌবনে পদার্পণ করার পর্যায়কে কী বলা হয়?
- ক. প্রাক-কৈশোর
- খ. বয়ঃসন্ধিকাল বা উত্তরণকালীন পর্যায়
- গ. বার্ধক্য
- ঘ. শৈশব
উত্তর: খ। পাঠ-পরিচিতি ও টীকা অনুযায়ী এটি বয়ঃসন্ধিকাল বা মানবজীবনের এক উত্তরণকালীন পর্যায়।
27। আঠারো বছর বয়সে তরুণেরা কেমন হয়ে ওঠে?
- ক. আত্মপ্রত্যয়ী
- খ. স্বার্থপর
- গ. নির্ভরশীল
- ঘ. উদাসীন
উত্তর: ক। যৌবনে পদার্পণ করে এ বয়সে মানুষ আত্মপ্রত্যয়ী হয়।
28। শৈশব-কৈশোরের পরনির্ভরতার দিনগুলোর স্বভাব-বৈশিষ্ট্য কী ছিল?
- ক. পড়াশোনা করা
- খ. জেদ করা
- গ. খেলাধুলা করা
- ঘ. কান্না
উত্তর: ঘ। পরনির্ভরতার দিনগুলোতে কান্না ছিল এ বয়সের স্বভাব-বৈশিষ্ট্য।
29। দেশ, জাতি ও মানবতার জন্য যুগে যুগে কারা সবচেয়ে বেশি এগিয়ে গেছে?
- ক. আঠারো বছর বয়সের মানুষেরা
- খ. বৃদ্ধরা
- গ. নারীরা
- ঘ. শিশুরা
উত্তর: ক। দেশ ও মানবতার কল্যাণে যুগে যুগে এ বয়সের মানুষই (তরুণেরা) এগিয়ে গেছে সবচেয়ে বেশি।
30। তরুণরা নতুন জীবনের স্বপ্ন বাস্তবায়নে কীভাবে এগিয়ে যায়?
- ক. দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে
- খ. ধীরে ধীরে
- গ. নব নব শপথে বলীয়ান হয়ে দৃঢ় পদক্ষেপে
- ঘ. অন্যদের সাহায্যে
উত্তর: গ। টীকা অনুযায়ী, নব নব শপথে বলীয়ান হয়ে তরুণ-প্রাণ এগিয়ে যায় দৃঢ় পদক্ষেপে।
31। চারপাশের অন্যায় ও শোষণ দেখে প্রাণবন্ত তরুণেরা কী হয়?
- ক. ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে
- খ. আনন্দিত হয়
- গ. মেনে নেয়
- ঘ. ভয় পায়
উত্তর: ক। চারপাশের অন্যায়, অত্যাচার, শোষণ ইত্যাদি দেখে প্রাণবন্ত তরুণেরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে।
32। ‘এ বয়সে কানে আসে কত মন্ত্রণা’ – এর দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- ক. এ বয়সে মানুষ কানে কম শোনে
- খ. কানে খারাপ কথা আসা
- গ. এ বয়সে মানুষ শুধু গান শোনে
- ঘ. ভালো-মন্দ, ইতিবাচক-নেতিবাচক নানা মতবাদের সাথে পরিচিত হওয়া
উত্তর: ঘ। ভালো-মন্দ, নানা তত্ত্ব ও ভাবধারনার সঙ্গে পরিচিত হতে শুরু করে এই বয়সের তরুণেরা।
33। জীবনে বিপর্যয় নেমে আসতে পারে কখন?
- ক. পড়াশোনা না করলে
- খ. সচেতন ও সচেষ্টভাবে নিজেকে পরিচালনা করতে না পারলে
- গ. বন্ধুদের সাথে মিশলে
- ঘ. পরীক্ষায় খারাপ করলে
উত্তর: খ। শারীরিক, মানসিক নানা জটিলতার এই সন্ধিক্ষণে নিজেকে ঠিকমতো পরিচালনা না করলে পদস্খলন হয়ে বিপর্যয় নেমে আসতে পারে।
34। আঠারো বছর বয়স কীসে নেতিবাচক কালো অধ্যায় হয়ে উঠতে পারে?
- ক. অজস্র ব্যর্থতার দীর্ঘশ্বাসে
- খ. অন্ধকারের কারণে
- গ. বন্ধুদের সাথে শত্রুতায়
- ঘ. অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসে
উত্তর: ক। সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যে জীবন পরিচালনা করতে না পারার অজস্র ব্যর্থতার দীর্ঘশ্বাসে এ বয়স কালো অধ্যায় হতে পারে।
35। আঠারো বছর বয়সের বৈশিষ্ট্য কোনটি?
- ক. প্রগতি ও অগ্রগতির পথে নিরন্তর ধাবমানতা
- খ. নিশ্চলতা
- গ. স্থবিরতা
- ঘ. জরাজীর্ণতা
উত্তর: ক। এ বয়স দেহ ও মনের স্থবিরতাকে অতিক্রম করে দুর্বার গতিতে। প্রগতি ও অগ্রগতির পথে ধাবমানতাই এর বৈশিষ্ট্য।
36। কবি আঠারো বছর বয়সের কোন দিকটিকে জাতীয় জীবনের চালিকাশক্তি হিসেবে প্রত্যাশা করেছেন?
- ক. উদ্দীপনা, সাহসিকতা ও কল্যাণব্রতকে
- খ. এদের রাগ ও ক্ষোভকে
- গ. এদের ব্যর্থতাকে
- ঘ. এদের ভয়ংকর রূপকে
উত্তর: ক। যৌবনের উদ্দীপনা, সাহসিকতা, নতুন জীবন রচনার স্বপ্ন এবং কল্যাণব্রত যেন জাতীয় জীবনের চালিকাশক্তি হয়, কবি সেটাই প্রত্যাশা করেছেন।
37। আঠারো বছর বয়সে তরুণেরা কোন ধর্ম গ্রহণ করে?
- ক. অহিংসার ধর্ম
- খ. শুধু নিজের কথা ভাবার ধর্ম
- গ. আত্মত্যাগের মহান মন্ত্রে উজ্জীবিত হওয়ার ধর্ম
- ঘ. পলায়নের ধর্ম
উত্তর: গ। পাঠ-পরিচিতিতে বলা হয়েছে, এদের ধর্মই হলো আত্মত্যাগের মহান মন্ত্রে উজ্জীবিত হওয়া।
38। সমাজজীবনের বিকার ও অসুস্থতার অভিঘাতে তরুণেরা কী হতে পারে?
- ক. সাধু
- খ. পাগল
- গ. ভয়ংকর
- ঘ. দুর্বল
উত্তর: গ। সমাজজীবনের নানা বিকার ও সর্বনাশের অভিঘাতে এরা হয়ে উঠতে পারে ভয়ংকর।
39। তারুণ্য ও যৌবনশক্তি কোন পথে দুর্বার বেগে এগিয়ে যায়?
- ক. প্রগতির পথে
- খ. অন্ধকারের পথে
- গ. ধ্বংসের পথে
- ঘ. হতাশার পথে
উত্তর: ক। অদম্য প্রাণশক্তির ফলে তারুণ্য ও যৌবনশক্তি দুর্বার বেগে এগিয়ে যায় প্রগতির পথে।
40। তরুণদের মনকে কী ঘিরে ধরে?
- ক. নানা দুঃসাহসী স্বপ্ন, কল্পনা ও উদ্যোগ
- খ. মৃত্যুর ভয়
- গ. কেবল অর্থ উপার্জনের চিন্তা
- ঘ. বিষণ্ণতা
উত্তর: ক। নানা দুঃসাহসী স্বপ্ন, কল্পনা ও উদ্যোগ এ বয়সের তরুণদের মনকে ঘিরে ধরে।
41। ‘স্পর্ধায় নেয় মাথা তোলবার ঝুঁকি’ বলতে কী বোঝায়?
- ক. উঁচু দালানে ওঠা
- খ. বয়োজ্যেষ্ঠদের অপমান করা
- গ. অহংকার করা
- ঘ. অন্যের নির্ভরশীলতা পরিহার করে স্বাধীনভাবে চলার ঝুঁকি নেওয়া
উত্তর: ঘ। মাথা তোলবার ঝুঁকি মানে হলো অন্যের সাহায্য ছাড়া মাথা উঁচু করে স্বাধীনভাবে বাঁচার চেষ্টা করা।
42। ‘পদাঘাতে চায় ভাঙতে পাথর বাধা’ – এখানে ‘পাথর বাধা’ কীসের প্রতীক?
- ক. রাস্তার দেয়াল
- খ. পাহাড়-পর্বত
- গ. সমাজের পুরোনো জরাজীর্ণ প্রথা ও শোষণ-নিপীড়নের বাধা
- ঘ. বড় পাথর
উত্তর: গ। তরুণরা সমাজের সকল অচলায়তন ও শোষণ-বৈষম্যের বাধাকে পদাঘাতে ভাঙতে চায়।
43। স্টিমারের মতো চলা বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?
- ক. ধোঁয়া ছড়িয়ে চলা
- খ. দুর্বার গতিতে বাধাহীনভাবে এগিয়ে চলা
- গ. শব্দ করে চলা
- ঘ. জলে ভেসে থাকা
উত্তর: খ। স্টিমার যেমন বাষ্পের বেগে জলের সব বাধা ঠেলে এগিয়ে যায়, তরুণরাও তেমনি দুর্বার গতিতে এগিয়ে যায়।
44। ‘ক্ষত-বিক্ষত হয় সহস্র প্রাণ’ – এটি বয়সের কোন দিকটিকে নির্দেশ করে?
- ক. যুদ্ধে অংশগ্রহণকে
- খ. লক্ষ্যচ্যুত হয়ে পদস্খলন বা ব্যর্থতার করুণ পরিণতিকে
- গ. এদের সাহসিকতাকে
- ঘ. এদের নিষ্ঠুরতাকে
উত্তর: খ। হাল ঠিকমতো ধরতে না পারলে অর্থাৎ সঠিক পথে না চললে পদস্খলনের কারণে অসংখ্য তরুণের জীবন ধ্বংস হয়।
45। ‘এ বয়স কালো লক্ষ দীর্ঘশ্বাসে’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- ক. তরুণদের বয়স কালো রঙের হয়
- খ. রাতে জেগে থাকা
- গ. হতাশা ও ব্যর্থতায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়া অসংখ্য তরুণের দীর্ঘশ্বাস
- ঘ. কয়লা খনিতে কাজ করা
উত্তর: গ। জীবনের লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হওয়া তরুণদের বেদনার দীর্ঘশ্বাস এই বয়সকে কালো বা নেতিবাচক করে তুলতে পারে।
46। ‘এ বয়স তবু নতুন কিছু তো করে’ – এখানে ‘নতুন কিছু’ বলতে কী বোঝায়?
- ক. নতুন পোশাক পরা
- খ. নতুন স্কুলে ভর্তি হওয়া
- গ. প্রথাবদ্ধ জীবন ভেঙে প্রগতিশীল ও কল্যাণকর কাজ করা
- ঘ. নতুন বাড়ি বানানো
উত্তর: গ। জড় নিশ্চল প্রথাবদ্ধ জীবনকে পেছনে ফেলে নতুন জীবন রচনার স্বপ্ন ও কাজকেই ‘নতুন কিছু’ বলা হয়েছে।
47। ‘শপথের কোলাহল’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- ক. মাঠে জড়ো হয়ে চিৎকার করা
- খ. মিথ্যা শপথ করা
- গ. নব নব অগ্রগতির জন্য দৃপ্ত সংকল্প ও সংঘবদ্ধ অঙ্গীকার
- ঘ. বাজারে মানুষের ভিড়
উত্তর: গ। তরুণেরা নতুন স্বপ্ন বাস্তবায়নে যে সংঘবদ্ধ ও দৃঢ় অঙ্গীকার করে তাকেই শপথের কোলাহল বলা হয়েছে।
48। তরুণ প্রাণ কেন ‘বেদনায় থরোথরো’ কাঁপে?
- ক. আনন্দে
- খ. ভয় পেয়ে
- গ. শীতে
- ঘ. সমাজের চারপাশের অবিচার ও ক্রমাগত আঘাতে
উত্তর: ঘ। অবিশ্রান্ত আঘাত ও চারপাশের শোষণের কারণে তাজা প্রাণে যে অসহ্য যন্ত্রণা সৃষ্টি হয়, তাতেই তারা বেদনায় কাঁপে।
49। ‘তাজা তাজা প্রাণে অসহ্য যন্ত্রণা’ – এ লাইনটি দিয়ে কী বোঝানো হয়েছে?
- ক. বেকারত্বের কষ্ট
- খ. সমাজের বৈষম্য ও অন্যায় দেখে তরুণদের মানসিক ক্ষোভ ও কষ্ট
- গ. তরুণদের শারীরিক অসুস্থতা
- ঘ. পড়াশোনার চাপ
উত্তর: খ। সমাজের বৈষম্য, শোষণ ও ভেদাভেদ দেখে প্রাণবন্ত তরুণদের মনে যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়, এটি তারই প্রকাশ।
50। আঠারো বছর বয়সীদের কোন বৈশিষ্ট্যটি তাদের অন্য বয়সীদের থেকে আলাদা করে?
- ক. অদম্য দুঃসাহস এবং আত্মত্যাগের মানসিকতা
- খ. শারীরিক উচ্চতা
- গ. গান গাওয়া
- ঘ. প্রচুর কথা বলা
উত্তর: ক। বিপদ মোকাবিলায় অদম্য প্রাণশক্তি এবং রক্তদানের পুণ্য জানার বিষয়টি তাদের স্বতন্ত্র করেছে।
51। সুকান্ত ভট্টাচার্যের কবিতায় কোন বিষয়টি বিশেষভাবে ফুটে উঠেছে?
- ক. আধ্যাত্মিকতা
- খ. অন্যায়-অবিচার ও শোষণ-বঞ্চনার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ
- গ. প্রকৃতির বন্দনা
- ঘ. প্রেম ও রোমান্স
উত্তর: খ। লেখক পরিচিতি অনুযায়ী, সুকান্ত তাঁর কাব্যে অন্যায়-অবিচার ও শোষণ-বঞ্চনার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছেন।
52। সুকান্ত ভট্টাচার্য কেমন সমাজের স্বপ্ন লালন করতেন?
- ক. ধর্মভিত্তিক সমাজ
- খ. বৈষম্যহীন সমাজ
- গ. পুঁজিবাদী সমাজ
- ঘ. রাজতান্ত্রিক সমাজ
উত্তর: খ। লেখক পরিচিতিতে সুস্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, তিনি বৈষম্যহীন সমাজের স্বপ্ন লালন করতেন।
53। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় সুকান্তের কবিতা বাঙালিদের কী জুগিয়েছে?
- ক. খাদ্য
- খ. অস্ত্র
- গ. বিশেষ শক্তি ও সাহস
- ঘ. অর্থ
উত্তর: গ। তাঁর কবিতা মুক্তিকামী বাঙালির মনে বিশেষ শক্তি ও সাহস জুগিয়েছে।
54। কবি ‘এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে’ বলে কী প্রার্থনা করেছেন?
- ক. যৌবনের সাহসিকতা ও কল্যাণব্রত জাতীয় জীবনের চালিকাশক্তি হোক
- খ. আঠারো তারিখ যেন দেশের জন্য শুভ হয়
- গ. দেশে যেন কোনো বৃদ্ধ মানুষ না থাকে
- ঘ. সবাই যেন আঠারো বছর বয়সের মতো তরুণ হয়ে যায়
উত্তর: ক। আঠারো বছর বয়সের ইতিবাচক বৈশিষ্ট্যগুলো (সাহস, প্রগতি, কল্যাণব্রত) যেন দেশ ও জাতির মূল শক্তি হয়, এটাই কবির প্রার্থনা।
55। কোন গ্রন্থটি সুকান্ত ভট্টাচার্যের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়েছিল?
- ক. হরতাল
- খ. পূর্বাভাস
- গ. ছাড়পত্র
- ঘ. আকাল
উত্তর: ঘ। তিনি ফ্যাসিবিরোধী লেখক শিল্পী সংঘের পক্ষে ‘আকাল’ নামে একটি কাব্যগ্রন্থ সম্পাদনা করেন।
56। আঠারো বছর বয়সের তরুণেরা কীসের মুখোমুখি দাঁড়ায়?
- ক. স্বাধীনভাবে জীবনের
- খ. মৃত্যুর
- গ. সমাজের
- ঘ. পরিবারের
উত্তর: ক। শব্দার্থ ও টীকা অনুযায়ী, এ বয়সে মানুষ আত্মপ্রত্যয়ী হয় এবং জীবনের মুখোমুখি দাঁড়ায় স্বাধীনভাবে।
57। আঠারো বছর বয়স কাদের জন্য রক্তমূল্য দিতে জানে?
- ক. অর্থের জন্য
- খ. শুধু নিজের পরিবারের জন্য
- গ. ক্ষমতার জন্য
- ঘ. সুন্দর, শুভ ও কল্যাণের জন্য
উত্তর: ঘ। দেশ ও মানবতার কল্যাণে, সুন্দর, শুভ ও কল্যাণের জন্য এ বয়স রক্তমূল্য দিতে জানে।
58। আঠারো বছর বয়সে মনোজগতে কীসের প্রতিক্রিয়া গভীর হয়?
- ক. আর্থিক অভাবের
- খ. পড়াশোনার
- গ. খাদ্যাভ্যাসের
- ঘ. অনুভূতির তীব্রতা ও সুগভীর সংবেদনশীলতার
উত্তর: ঘ। অনুভূতির তীব্রতা ও সংবেদনশীলতা এ বয়সে তীব্র হয় এবং মনোজগতে তার প্রতিক্রিয়াও গভীর হয়।
59। তরুণদের জীবনে পদস্খলন হওয়ার কারণ কী হতে পারে?
- ক. শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক জটিলতা ঠিকমতো অতিক্রম করতে না পারা
- খ. বেশি পড়াশোনা করা
- গ. বেশি সাহসী হওয়া
- ঘ. খেলাধুলা করা
উত্তর: ক। জীবনের এই সন্ধিক্ষণের নানা জটিলতাকে সচেতনভাবে পরিচালনা করতে না পারলেই পদস্খলন হয়।
60। কবিতায় উল্লেখিত ‘বাষ্পের বেগ’ কী নির্দেশ করে?
- ক. বাষ্পীয় ইঞ্জিন
- খ. আঠারো বছর বয়সের দুরন্ত ও অপ্রতিরোধ্য গতি
- গ. গরম হাওয়া
- ঘ. ধোঁয়াশা
উত্তর: খ। ‘বাষ্পের বেগে’ কথাটি দিয়ে তরুণ বয়সের দুর্বার গতি ও অপ্রতিরোধ্য প্রাণশক্তি বোঝানো হয়েছে।
61। আঠারো বছর বয়সের মানুষ ‘মাথা নোয়াবার নয়’ কেন?
- ক. তাদের ঘাড়ে ব্যথা থাকে বলে
- খ. তারা আত্মমর্যাদাবোধ সম্পন্ন, অন্যায়ের কাছে মাথানত করে না
- গ. তারা অহংকারী বলে
- ঘ. তারা কাউকে সম্মান করে না বলে
উত্তর: খ। আঠারো বছর বয়স আত্মপ্রত্যয়ী এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে, তাই তারা কারো কাছে মাথা নোয়ায় না।
62। কবি আঠারো বছর বয়সকে ‘দুঃসহ’ বলেছেন কেন?
- ক. এ বয়স নির্ভরতা ছেড়ে স্বাধীনভাবে মাথা তোলার ঝুঁকি নেয় বলে
- খ. এ বয়স খুব বিরক্তিকর
- গ. এ বয়সে প্রচুর রোগব্যাধি হয়
- ঘ. এ বয়সে কেউ কাউকে সহ্য করতে পারে না
উত্তর: ক। নির্ভরশীলতা পরিহার করে স্বাধীনভাবে চলার ঝুঁকি নেওয়া অনেক কঠিন বা দুঃসহ কাজ।
63। ‘দুর্যোগে হাল ঠিকমতো রাখা ভার’ – এখানে ‘হাল’ কীসের প্রতীক?
- ক. জীবনের সঠিক দিকনির্দেশনা ও লক্ষ্যের
- খ. নৌকার
- গ. কৃষকের লাঙলের
- ঘ. মনের
উত্তর: ক। যৌবনের নানা প্রলোভন ও দুর্যোগে জীবনের সঠিক লক্ষ্য বা ‘হাল’ ধরে রাখা কঠিন।
64। ‘বিপদের মুখে এ বয়স অগ্রণী’ বলতে বোঝায়—
- ক. এরা বিপদে ভয় পায়
- খ. এরা বিপদে পালিয়ে যায়
- গ. এরা বিপদে অন্যদের বিপদে ফেলে
- ঘ. এরা বিপদে সবার আগে ঝাঁপিয়ে পড়ে
উত্তর: ঘ। যেকোনো বিপদে তরুণেরাই সবার আগে এগিয়ে এসে মোকাবিলা করে।
65। ‘আঠারো বছর বয়স জানে না কাঁদা’ – এর অর্থ কী?
- ক. তারা সব সময় হাসে
- খ. তারা দুর্বলতা ও পরনির্ভরতার কান্না মুছে এগিয়ে যায়
- গ. তাদের চোখে পানি নেই
- ঘ. তারা নিষ্ঠুর
উত্তর: খ। শৈশব-কৈশোরের কান্নাকাটি ও দুর্বলতা পরিহার করে তারা দৃঢ়চেতা হয়।
66। ‘তাজা তাজা প্রাণে’ বলতে কাদের বোঝানো হয়েছে?
- ক. সদ্য কৈশোর পেরোনো তরুণদের
- খ. শিশুদের
- গ. গাছে সদ্য ফোটা ফুলদের
- ঘ. বয়স্কদের
উত্তর: ক। বয়ঃসন্ধিকালের তরুণ প্রাণকেই তাজা প্রাণ বলা হয়েছে।
67। আঠারো বছর বয়সের তরুণেরা কীসের তোয়াক্কা করে না?
- ক. শিক্ষার
- খ. বিপদের
- গ. পিতা-মাতার
- ঘ. ধর্মের
উত্তর: খ। আঠারো বছর বয়সের নেই ভয়, অর্থাৎ তারা বিপদের তোয়াক্কা করে না।
68। তরুণেরা কিসে বলীয়ান হয়ে এগিয়ে যায়?
- ক. ক্ষমতার দম্ভে
- খ. অর্থের লোভে
- গ. নব নব শপথে
- ঘ. শারীরিক শক্তিতে
উত্তর: গ। সেইসব স্বপ্ন বাস্তবায়নে নব নব শপথে বলীয়ান হয়ে তরুণ-প্রাণ এগিয়ে যায়।
69। ‘ক্ষত-বিক্ষত হয় সহস্র প্রাণ’ – এটি আঠারো বছর বয়সের কোন দিক?
- ক. নেতিবাচক বা বিপর্যয়ের দিক
- খ. ইতিবাচক দিক
- গ. বীরত্বের দিক
- ঘ. সাফল্যের দিক
উত্তর: ক। হাল ঠিক রাখতে না পেরে পদস্খলিত হয়ে প্রাণ হারানো বা নষ্ট হওয়া হলো নেতিবাচক দিক।
70। সুকান্ত ভট্টাচার্য তরুণদের মধ্যে কোন গুণের সর্বাধিক প্রশংসা করেছেন?
- ক. আত্মত্যাগের ও সাহসিকতার
- খ. পড়াশোনার
- গ. অর্থের
- ঘ. আবেগের
উত্তর: ক। কবিতার পরতে পরতে তারুণ্যের দুঃসাহস, আত্মত্যাগ ও অন্যায়ের প্রতিবাদ করার গুণের প্রশংসা করা হয়েছে।
71। উদ্দীপকের ছাত্রদের মাঝে ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতার কোন বৈশিষ্ট্যের প্রতিফলন ঘটেছে?
- ক. দুর্যোগে হাল ঠিকমতো রাখা ভার
- খ. এ বয়স জানে রক্তদানের পুণ্য
- গ. পদাঘাতে চায় ভাঙতে পাথর বাধা
- ঘ. এ বয়স জেনো ভীরু, কাপুরুষ নয়
উত্তর: খ। ভাষা শহিদদের আত্মত্যাগের বিষয়টি কবিতায় বর্ণিত ‘এ বয়স জানে রক্তদানের পুণ্য’-এর সাথে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ।
72। ভাষা আন্দোলনকারীদের পিছু না হঠার মানসিকতা কবিতার কোন চরণের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ?
- ক. পথ চলতে এ বয়স যায় না থেমে
- খ. স্পর্ধায় নেয় মাথা তোলবার ঝুঁকি
- গ. কানে আসে কত মন্ত্রণা
- ঘ. কালো লক্ষ দীর্ঘশ্বাসে
উত্তর: ক। পিছু না হঠে ক্রমাগত এগিয়ে যাওয়ার বিষয়টি ‘পথ চলতে এ বয়স যায় না থেমে’-এর সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
73। তরুণদের এই মানবসেবা ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতার কোন দিকটিকে তুলে ধরে?
- ক. তাজা তাজা প্রাণে অসহ্য যন্ত্রণা
- খ. কানে মন্ত্রণা আসা
- গ. ক্ষুব্ধ হওয়ার প্রবণতা
- ঘ. বিপদের মুখে এ বয়স অগ্রণী
উত্তর: ঘ। মহামারির মতো চরম বিপদের সময় তরুণদের সবার আগে এগিয়ে আসা ‘বিপদের মুখে এ বয়স অগ্রণী’ দিকটিকে প্রমাণ করে।
74। উদ্দীপকের তরুণদের কাজ আঠারো বছর বয়সের কোন ব্রতকে সমর্থন করে?
- ক. রাজনীতি ব্রত
- খ. যুদ্ধ ব্রত
- গ. ব্যবসা ব্রত
- ঘ. কল্যাণ ও সেবাব্রত
উত্তর: ঘ। পাঠ-পরিচিতি অনুযায়ী, তরুণদের এই নিঃস্বার্থ কাজ তাদের ‘কল্যাণ ও সেবাব্রত’-এর পরিচায়ক।
75। রবিনের এই পরিণতি ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতার কোন চরণের ভাবার্থকে স্মরণ করিয়ে দেয়?
- ক. এ বয়স জানে রক্তদানের পুণ্য
- খ. দুর্যোগে হাল ঠিকমতো রাখা ভার
- গ. বিরাট দুঃসাহসেরা দেয় যে উঁকি
- ঘ. এ বয়স বাঁচে দুর্যোগে আর ঝড়ে
উত্তর: খ। খারাপ বন্ধুর পাল্লায় পড়ে রবিনের বিপথগামী হওয়া প্রমাণ করে যৌবনের সন্ধিক্ষণে ‘হাল’ ঠিকমতো ধরে রাখা কঠিন।
76। উদ্দীপকে রবিনের বাবা-মায়ের দীর্ঘশ্বাস কবিতার কোন অনুষঙ্গের সমতুল্য?
- ক. কালো লক্ষ দীর্ঘশ্বাস
- খ. শপথের কোলাহল
- গ. বাষ্পের বেগ
- ঘ. জয়ধ্বনি
উত্তর: ক। রবিনের মতো তরুণদের লক্ষ্যচ্যুত হওয়া ও ব্যর্থতার কারণেই আঠারো বছর বয়স ‘কালো লক্ষ দীর্ঘশ্বাসে’ পরিণত হয়।
77। সুমনের মোড়লের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো কবিতার কোন চরণটিকে ধারণ করে?
- ক. এ বয়স কালো লক্ষ দীর্ঘশ্বাসে
- খ. এ বয়স কাঁপে বেদনায় থরোথরো
- গ. পদাঘাতে চায় ভাঙতে পাথর বাধা
- ঘ. এ বয়স যায় না থেমে
উত্তর: গ। মোড়লের শোষণের মতো সমাজের পুরোনো জরাজীর্ণ বাধাকে রুখে দেওয়া ‘পাথর বাধা’ ভাঙার সমতুল্য।
78। সুমনের কাজটিতে আঠারো বছর বয়সের কোন মানসিকতা প্রকাশ পেয়েছে?
- ক. ভীরুতা
- খ. পরনির্ভরশীলতা
- গ. উদাসীনতা
- ঘ. মাথা তোলবার স্পর্ধা
উত্তর: ঘ। মোড়লের ভয়ে যেখানে সবাই চুপ, সেখানে সুমনের প্রতিবাদ করা অন্যায়ের বিরুদ্ধে স্বাধীনভাবে ‘মাথা তোলবার স্পর্ধা’।
79। উদ্দীপকের তরুণ দলের কাজের সাথে কবিতার কোন চরণের মিল রয়েছে?
- ক. এ বয়সে কানে আসে কত মন্ত্রণা
- খ. এ বয়স কাঁপে বেদনায় থরোথরো
- গ. তাজা তাজা প্রাণে অসহ্য যন্ত্রণা
- ঘ. এ বয়স বাঁচে দুর্যোগে আর ঝড়ে
উত্তর: ঘ। বন্যার মতো দুর্যোগে তরুণদের বাঁধ রক্ষার লড়াই ‘এ বয়স বাঁচে দুর্যোগে আর ঝড়ে’ চরণের সাথে মিলে যায়।
80। উদ্দীপকে তারুণ্যের কোন বৈশিষ্ট্যটি ফুটে উঠেছে?
- ক. হতাশা
- খ. ভয়ংকর রূপ
- গ. অদম্য প্রাণশক্তি ও সাহসিকতা
- ঘ. পদস্খলন
উত্তর: গ। বিপদের সময় পালিয়ে না গিয়ে বাঁধ রক্ষার চেষ্টা তরুণদের অদম্য প্রাণশক্তি ও সাহসিকতার প্রমাণ।
81। আশিকের দমে না যাওয়ার মানসিকতা কবিতায় কীভাবে প্রকাশ পেয়েছে?
- ক. দুর্যোগে হাল ঠিকমতো রাখা ভার
- খ. এ বয়স কাঁপে বেদনায় থরোথরো
- গ. এ বয়স জেনো ভীরু, কাপুরুষ নয় / পথ চলতে এ বয়স যায় না থেমে
- ঘ. এ বয়স কালো লক্ষ দীর্ঘশ্বাসে
উত্তর: গ। ব্যর্থ হওয়ার পরও থেমে না গিয়ে চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া প্রমাণ করে এই বয়স থেমে যায় না এবং কাপুরুষ নয়।
82। আশিকের অভিনব পদ্ধতি আবিষ্কার কবিতার কোন কথার সার্থকতা প্রমাণ করে?
- ক. কানে আসে কত মন্ত্রণা
- খ. এ বয়স তবু নতুন কিছু তো করে
- গ. ক্ষত-বিক্ষত হয় সহস্র প্রাণ
- ঘ. পাথর বাধা ভাঙতে চায়
উত্তর: খ। প্লাস্টিক থেকে জ্বালানি তৈরির নতুন আবিষ্কার করা আঠারো বছর বয়সের ‘নতুন কিছু’ করারই উদাহরণ।
83। নজরুলের পরনির্ভরশীলতা প্রত্যাখ্যান ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতার কোন বৈশিষ্ট্যের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ?
- ক. অন্যের ওপর নির্ভরশীলতা পরিহার করে আত্মপ্রত্যয়ী হওয়া
- খ. কানে মন্ত্রণা আসা
- গ. বয়োজ্যেষ্ঠদের অবমাননা করা
- ঘ. দুর্যোগে হাল ছেড়ে দেওয়া
উত্তর: ক। আঠারো বছর বয়সে মানুষ অন্যের ওপর নির্ভরতা ছেড়ে স্বাধীনভাবে মাথা তোলার যে ঝুঁকি নেয়, নজরুলও ঠিক তাই করেছে।
84। নজরুলের এই আত্মমর্যাদাবোধ কবিতার কোন বাক্যে মূর্ত হয়েছে?
- ক. বাষ্পের বেগে স্টিমারের মতো চলে
- খ. তাজা তাজা প্রাণে অসহ্য যন্ত্রণা
- গ. শপথের কোলাহলে
- ঘ. এ বয়সে কেউ মাথা নোয়াবার নয়
উত্তর: ঘ। কারো কাছে সাহায্য না নিয়ে মাথা উঁচু করে বাঁচার চেষ্টা ‘এ বয়সে কেউ মাথা নোয়াবার নয়’ বাক্যটিকে মূর্ত করে।
85। সাব্বিরের বর্তমান অবস্থা ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতার কোন পরিণতির কথা স্মরণ করিয়ে দেয়?
- ক. এ বয়স তবু নতুন কিছু তো করে
- খ. এ বয়স জানে রক্তদানের পুণ্য
- গ. এ বয়স কালো লক্ষ দীর্ঘশ্বাসে
- ঘ. বিপদের মুখে এ বয়স অগ্রণী
উত্তর: গ। বেকারত্ব ও ব্যর্থতার কারণে সাব্বিরের যে হতাশা, তা আঠারো বছর বয়সের নেতিবাচক দিক বা ‘কালো লক্ষ দীর্ঘশ্বাসে’র সমতুল্য।
86। সাব্বিরের এই পরিণতি কেন হয়েছে বলে কবিতার আলোকে মনে করা যায়?
- ক. বয়সের অতিরিক্ত আবেগের কারণে
- খ. জীবনে বিপর্যয় এবং শারীরিক, মানসিক, সামাজিক জটিলতার কারণে
- গ. পড়াশোনা না করার কারণে
- ঘ. ভালো মন্ত্রণার অভাবে
উত্তর: খ। পাঠ-পরিচিতি অনুযায়ী, জীবনের এই সন্ধিক্ষণে সামাজিক ও অন্যান্য নানা জটিলতা অতিক্রম করতে না পারলে জীবনে এমন বিপর্যয় নেমে আসতে পারে।
87। শিক্ষার্থীদের ক্ষুব্ধ হওয়ার কারণটি কবিতার কোন চরণের সাথে সম্পর্কিত?
- ক. এ বয়সে কানে আসে কত মন্ত্রণা
- খ. তাজা তাজা প্রাণে অসহ্য যন্ত্রণা
- গ. বিরাট দুঃসাহসেরা দেয় যে উঁকি
- ঘ. শপথের কোলাহলে
উত্তর: খ। সহপাঠীর মৃত্যু ও চারপাশের অব্যবস্থাপনা দেখে তরুণ প্রাণে যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়, তা ‘তাজা তাজা প্রাণে অসহ্য যন্ত্রণা’ চরণের অনুরূপ।
88। শিক্ষার্থীদের ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ও আইন করতে বাধ্য করার কাজটি আঠারো বছর বয়সের কোন ক্ষমতার প্রকাশ?
- ক. ধ্বংসাত্মক ক্ষমতা
- খ. শুধু আবেগ দেখানোর ক্ষমতা
- গ. পথ চলার ক্ষমতা
- ঘ. প্রথাবদ্ধ জীবন ফেলে নতুন জীবন রচনার ক্ষমতা
উত্তর: ঘ। প্রচলিত নিয়ম ভেঙে নতুন নিরাপদ ব্যবস্থা গড়ে তোলা তরুণদের কল্যাণব্রত ও নতুন কিছু করার ক্ষমতার প্রকাশ।
89। উদ্দীপকের তরুণদের হাসিমুখে বুক পেতে দেওয়া কবিতার কোন বাক্যের মর্মার্থকে ফুটিয়ে তোলে?
- ক. কালো লক্ষ দীর্ঘশ্বাসে
- খ. কানে আসে কত মন্ত্রণা
- গ. আঠারো বছর বয়স যে দুর্বার
- ঘ. প্রাণ দেওয়া-নেওয়া ঝুলিটা থাকে না শূন্য
উত্তর: ঘ। দেশের জন্য অকাতরে প্রাণ বিলিয়ে দেওয়ার আত্মত্যাগের বিষয়টি ‘প্রাণ দেওয়া-নেওয়া ঝুলিটা থাকে না শূন্য’ বাক্যে ফুটে উঠেছে।
90। এই তরুণদের বীরত্বকে কবি কীভাবে মূল্যায়ন করতেন?
- ক. জয়ধ্বনি দিয়ে
- খ. ভীরুতা বলে
- গ. পদস্খলন বলে
- ঘ. দীর্ঘশ্বাস ফেলে
উত্তর: ক। কবি এমন আত্মত্যাগী ও সাহসী তরুণদের বীরত্বকে ‘তবু আঠারোর শুনেছি জয়ধ্বনি’ বলে মূল্যায়ন করেছেন।
91। নানা সংস্কৃতির খবর তরুণদের কাছে পৌঁছানোর বিষয়টি কবিতায় কীভাবে উল্লেখিত হয়েছে?
- ক. এ বয়সে কানে আসে কত মন্ত্রণা
- খ. এ বয়স কালো লক্ষ দীর্ঘশ্বাসে
- গ. বাষ্পের বেগে স্টিমারের মতো চলে
- ঘ. পথে প্রান্তরে ছোটায় বহু তুফান
উত্তর: ক। নানা সংস্কৃতি, মতবাদ বা তত্ত্বের সাথে পরিচিত হওয়ার বিষয়টি কবিতায় ‘কানে আসে কত মন্ত্রণা’ দ্বারা বোঝানো হয়েছে।
92। অন্ধ অনুকরণ করতে গিয়ে নিজস্বতা হারানোর পরিণতিকে কবিতার ভাষায় কী বলা যায়?
- ক. শপথের কোলাহল
- খ. নতুন কিছু করা
- গ. দুর্যোগে হাল ঠিকমতো না রাখতে পেরে ক্ষত-বিক্ষত হওয়া
- ঘ. রক্তদানের পুণ্য
উত্তর: গ। নেতিবাচক প্রভাব গ্রহণ করে নিজস্বতা হারানো মানে হলো হাল ঠিক রাখতে না পেরে পদস্খলিত হওয়া বা ক্ষত-বিক্ষত হওয়া।
93। পাড়ার যুবকদের এই কাজ ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতার কোন পঙ্ক্তির সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ?
- ক. স্পর্ধায় নেয় মাথা তোলবার ঝুঁকি
- খ. বিপদের মুখে এ বয়স অগ্রণী
- গ. কানে আসে কত মন্ত্রণা
- ঘ. এ বয়স কালো লক্ষ দীর্ঘশ্বাসে
উত্তর: খ। কলেরার মতো বিপদে ভয় না পেয়ে সবার আগে এগিয়ে এসে সেবা করা ‘বিপদের মুখে এ বয়স অগ্রণী’-এর প্রমাণ।
94। যুবকদের এই মানসিকতার কারণেই কবি কী প্রত্যাশা করেছেন?
- ক. এরা যেন বিদেশে চলে যায়
- খ. এরা যেন রাজনীতি করে
- গ. এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে
- ঘ. এরা যেন যুদ্ধে যায়
উত্তর: গ। এই কল্যাণব্রত, সাহস ও সেবার মানসিকতার জন্যই কবি প্রত্যাশা করেন যে, জাতীয় জীবনে আঠারোর এই বৈশিষ্ট্যগুলো চালিকাশক্তি হোক।
95। বড় ভাইদের প্ররোচনা কবিতার কোন শব্দের সমার্থক?
- ক. মন্ত্রণা
- খ. তুফান
- গ. স্পর্ধা
- ঘ. পুণ্য
উত্তর: ক। খারাপ কাজে প্ররোচিত করা বা উসকানি দেওয়া হলো নেতিবাচক ‘মন্ত্রণা’।
96। শফিকের করুণ মৃত্যু কবিতার কোন চরণের বাস্তব রূপ?
- ক. ক্ষত-বিক্ষত হয় সহস্র প্রাণ
- খ. এ বয়স তবু নতুন কিছু তো করে
- গ. বিপদের মুখে এ বয়স অগ্রণী
- ঘ. বাষ্পের বেগে স্টিমারের মতো চলে
উত্তর: ক। মন্ত্রণায় বিভ্রান্ত হয়ে লক্ষ্যচ্যুত হওয়া এবং প্রাণ হারানো ‘ক্ষত-বিক্ষত হয় সহস্র প্রাণ’ চরণের বাস্তব রূপ।
97। তরুণদের এই উদ্যোগ কবিতার কোন বৈশিষ্ট্যের সাথে মেলে?
- ক. দুর্বার গতি ও নতুন কিছু করার স্পৃহা
- খ. মন্ত্রণা শোনার অভ্যাস
- গ. কান্নার অভ্যাস
- ঘ. মাথা নোয়াবার স্পৃহা
উত্তর: ক। কারো জন্য অপেক্ষা না করে দ্রুত কাজে নেমে পড়া তারুণ্যের দুর্বার গতি ও নতুন কিছু করার স্পৃহা প্রমাণ করে।
98। এই তরুণরাই দেশের কী হতে পারে বলে কবি মনে করেন?
- ক. দীর্ঘশ্বাস
- খ. চালিকাশক্তি
- গ. পাথর বাধা
- ঘ. সমস্যা
উত্তর: খ। এমন সাহসী ও উদ্যোগী তরুণেরাই দেশের চালিকাশক্তি হতে পারে বলে কবি মনে করেন।
99। ছাত্রদের এই কাজ বয়স্ক মানুষদের কোন সীমাবদ্ধতাকে প্রকট করে যা ছাত্রদের নেই?
- ক. পড়াশোনার অভাব
- খ. শারীরিক শক্তি
- গ. ভীরুতা ও সংশয়
- ঘ. অর্থের অভাব
উত্তর: গ। বয়স্করা ভয়ে কিছু করতে পারেনি, কিন্তু তরুণদের মাঝে ‘নেই কোনো সংশয়’ এবং তারা ‘ভীরু, কাপুরুষ নয়’।
100। ছাত্রদের কাজটির মধ্যে ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতার কোন সুর ধ্বনিত হয়েছে?
- ক. কালো লক্ষ দীর্ঘশ্বাস
- খ. দুর্যোগে হাল ছেড়ে দেওয়া
- গ. ক্ষত-বিক্ষত হওয়া
- ঘ. পাথর বাধা ভাঙা ও স্পর্ধায় মাথা তোলার ঝুঁকি
উত্তর: ঘ। প্রভাবশালীর ভয় নামক সমাজের পাথর বাধা ভেঙে স্পর্ধার সাথে মাথা তোলার ঝুঁকি নিয়েছে ছাত্ররা।
101। ‘স্পর্ধা’ শব্দের অর্থ কী?
- ক. লজ্জা
- খ. ভয়
- গ. সাহস বা ধৃষ্টতা
- ঘ. সম্মান
উত্তর: গ। স্পর্ধা মানে তীব্র সাহস বা ধৃষ্টতা।
102। ‘দুঃসহ’ বলতে কী বোঝায়?
- ক. যা সহ্য করা কঠিন বা দুঃসাধ্য
- খ. যা সহজে সহ্য করা যায়
- গ. যা অত্যন্ত শীতল
- ঘ. যা খুব সুন্দর
উত্তর: ক। দুঃসহ মানে যা সহ্য করা অত্যন্ত কঠিন।
103। ‘পদাঘাত’ শব্দের অর্থ কী?
- ক. হাত দিয়ে মারা
- খ. মাথা দিয়ে গুঁতো দেওয়া
- গ. পা দিয়ে আঘাত করা
- ঘ. লাঠি দিয়ে মারা
উত্তর: গ। পদ (পা) + আঘাত = পদাঘাত। অর্থাৎ পা দিয়ে আঘাত করা।
104। ‘অহরহ’ শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
- ক. সর্বদা বা প্রতিনিয়ত
- খ. রাতে
- গ. বছরে একবার
- ঘ. কখনো কখনো
উত্তর: ক। অহরহ মানে সব সময় বা সর্বদা।
105। ‘অগ্রণী’ শব্দের অর্থ কী?
- ক. যে চুপ থাকে
- খ. যে পেছনে থাকে
- গ. যে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেয় বা সবার আগে থাকে
- ঘ. যে ভয় পেয়ে পালায়
উত্তর: গ। অগ্রণী মানে যে সবার অগ্রে বা সামনে থাকে।
106। ‘স্থবিরতা’ বলতে কী বোঝায়?
- ক. প্রগতি
- খ. দ্রুতগামী
- গ. চঞ্চলতা
- ঘ. অচল বা নিশ্চল অবস্থা
উত্তর: ঘ। স্থবিরতা মানে নিশ্চলতা বা জরাজীর্ণ অচল অবস্থা।
107। ‘মুকাবিলা’ শব্দের অর্থ কী?
- ক. বন্ধুত্ব করা
- খ. পালিয়ে যাওয়া
- গ. ভয় পাওয়া
- ঘ. সম্মুখীন হওয়া বা পাল্লা দেওয়া
উত্তর: ঘ। কোনো বিপদ বা পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়ে তা প্রতিরোধ করাই হলো মোকাবিলা।
108। ‘বয়ঃসন্ধিকাল’ মানবজীবনের কোন সময়কে নির্দেশ করে?
- ক. যৌবন থেকে বার্ধক্যে পদার্পণ
- খ. কৈশোর থেকে যৌবনে পদার্পণের মধ্যবর্তী সময়
- গ. শৈশব থেকে কৈশোরে পদার্পণ
- ঘ. মৃত্যুর পূর্বমুহূর্ত
উত্তর: খ। কৈশোর ও যৌবনের উত্তরণকালীন সন্ধিক্ষণকেই বয়ঃসন্ধিকাল বলে।
109। ‘পদস্খলন’ অর্থ কী?
- ক. পাহাড় থেকে পড়ে যাওয়া
- খ. দ্রুত হাঁটা
- গ. পায়ের রোগ
- ঘ. পা পিছলে যাওয়া বা ভুল পথে পা বাড়ানো
উত্তর: ঘ। আক্ষরিক অর্থে পা হড়কে যাওয়া, আর রূপকার্থে নীতিভ্রষ্ট হওয়া বা ভুল পথে যাওয়া।
110। ‘ব্রত’ শব্দের অর্থ কী?
- ক. সংকল্প বা নিয়ম-নিষ্ঠা
- খ. ঘুম
- গ. খেলা
- ঘ. খাবার
উত্তর: ক। ব্রত মানে সংকল্প, যেমন কল্যাণব্রত বলতে কল্যাণের সংকল্প বোঝায়।
111। সুকান্ত ভট্টাচার্য কত খ্রিষ্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন?
- ক. ১৯২৬ খ্রিষ্টাব্দে
- খ. ১৯৩৩ খ্রিষ্টাব্দে
- গ. ১৯২১ খ্রিষ্টাব্দে
- ঘ. ১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দে
উত্তর: ক। তাঁর জন্ম ১৯২৬ খ্রিষ্টাব্দের ১৫ই আগস্ট।
112। সুকান্ত ভট্টাচার্যের পৈতৃক নিবাস কোথায় ছিল?
- ক. কুমিল্লা জেলার লাকসামে
- খ. ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারীতে
- গ. বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জে
- ঘ. গোপালগঞ্জ জেলার কোটালিপাড়ায়
উত্তর: ঘ। তাঁর পৈতৃক নিবাস গোপালগঞ্জ জেলার কোটালিপাড়ায়।
113। সুকান্ত ভট্টাচার্যের পিতার নাম কী?
- ক. প্রমথনাথ ভট্টাচার্য
- খ. নিবারণচন্দ্র ভট্টাচার্য
- গ. বঙ্কিমচন্দ্র ভট্টাচার্য
- ঘ. শরৎচন্দ্র ভট্টাচার্য
উত্তর: খ। কবির পিতার নাম নিবারণচন্দ্র ভট্টাচার্য।
114। সুকান্ত ভট্টাচার্যের মায়ের নাম কী?
- ক. প্রভাবতী দেবী
- খ. সুনীতি দেবী
- গ. সুমিতা দেবী
- ঘ. রাধারাণী দেবী
উত্তর: খ। তাঁর মায়ের নাম সুনীতি দেবী।
115। সুকান্ত ভট্টাচার্য ছোটবেলা থেকেই কেমন ছিলেন?
- ক. অত্যন্ত ধর্মপরায়ণ
- খ. অত্যন্ত খেলাধুলাপাগল
- গ. অত্যন্ত রাজনীতি-সচেতন
- ঘ. অত্যন্ত বিজ্ঞানমনস্ক
উত্তর: গ। লেখক পরিচিতি অনুযায়ী, ছোটবেলা থেকেই তিনি অত্যন্ত রাজনীতি-সচেতন ছিলেন।
116। সুকান্ত ভট্টাচার্য কোন পত্রিকার কিশোরসভা অংশের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন?
- ক. দৈনিক আজাদ
- খ. দৈনিক ইত্তেফাক
- গ. দৈনিক স্বাধীনতা
- ঘ. লাঙ্গল
উত্তর: গ। তিনি ‘দৈনিক স্বাধীনতা’র কিশোরসভা অংশের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন।
117। সুকান্ত ভট্টাচার্য মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত কোন দায়িত্ব পালন করেছেন?
- ক. রাজনৈতিক দলের সভাপতির
- খ. কলেজের অধ্যাপকের
- গ. কিশোরসভার সম্পাদকের
- ঘ. স্কুলের প্রধান শিক্ষকের
উত্তর: গ। মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত তিনি ‘দৈনিক স্বাধীনতা’র কিশোরসভা অংশের সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন।
118। সুকান্ত ভট্টাচার্য কাদের পক্ষে ‘আকাল’ নামে একটি কাব্যগ্রন্থ সম্পাদনা করেন?
- ক. কৃষক সমিতির পক্ষে
- খ. জাতীয়তাবাদী দলের পক্ষে
- গ. কমিউনিস্ট পার্টির পক্ষে
- ঘ. ফ্যাসিবিরোধী লেখক শিল্পী সংঘের পক্ষে
উত্তর: ঘ। তিনি ফ্যাসিবিরোধী লেখক শিল্পী সংঘের পক্ষে ‘আকাল’ সম্পাদনা করেন।
119। সুকান্ত ভট্টাচার্যের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
- ক. ছাড়পত্র
- খ. অগ্নিবীণা
- গ. রূপসী বাংলা
- ঘ. বলাকা
উত্তর: ক। ‘ছাড়পত্র’ তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
120। ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত?
- ক. ছাড়পত্র
- খ. পূর্বাভাস
- গ. ঘুম নেই
- ঘ. মিঠেকড়া
উত্তর: ক। কবিতাটি ১৯৪৮ খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশিত তাঁর ‘ছাড়পত্র’ কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে।
121। ‘ঘুম নেই’ এবং ‘পূর্বাভাস’ কার লেখা কাব্যগ্রন্থ?
- ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- খ. জীবনানন্দ দাশ
- গ. সুকান্ত ভট্টাচার্য
- ঘ. কাজী নজরুল ইসলাম
উত্তর: গ। ‘ঘুম নেই’ ও ‘পূর্বাভাস’ সুকান্ত ভট্টাচার্যের লেখা কাব্যগ্রন্থ।
122। নিচের কোনটি সুকান্ত ভট্টাচার্যের রচনা নয়?
- ক. অভিযান
- খ. হরতাল
- গ. মিঠেকড়া
- ঘ. বিষাদ-সিন্ধু
উত্তর: ঘ। ‘বিষাদ-সিন্ধু’ মীর মশাররফ হোসেনের রচনা। বাকিগুলো সুকান্তের রচনা।
123। সুকান্ত ভট্টাচার্য কত বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন?
- ক. চল্লিশ বছর বয়সে
- খ. আঠারো বছর বয়সে
- গ. একুশ বছর বয়সে
- ঘ. ত্রিশ বছর বয়সে
উত্তর: গ। মাত্র একুশ বছর বয়সে প্রতিভাবান এ কবির মৃত্যু হয়।
124। সুকান্ত ভট্টাচার্য কত সালে মৃত্যুবরণ করেন?
- ক. ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে
- খ. ১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দে
- গ. ১৯৫২ খ্রিষ্টাব্দে
- ঘ. ১৯৪৮ খ্রিষ্টাব্দে
উত্তর: খ। তিনি ১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দের ১৩ই মে মৃত্যুবরণ করেন।
125। ‘ছাড়পত্র’ কাব্যগ্রন্থটি কত খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশিত হয়?
- ক. ১৯৫২ খ্রিষ্টাব্দে
- খ. ১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দে
- গ. ১৯২৬ খ্রিষ্টাব্দে
- ঘ. ১৯৪৮ খ্রিষ্টাব্দে
উত্তর: ঘ। পাঠ-পরিচিতিতে বলা হয়েছে, ‘ছাড়পত্র’ কাব্যগ্রন্থটি ১৯৪৮ খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশিত হয়।
