বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন প্রবন্ধের MCQ | HSC বাংলা ১ম পত্র-এর “বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন” প্রবন্ধ থেকে বোর্ড পরীক্ষায় নিয়মিত প্রশ্ন আসে। এই পোস্টে ১২৪টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন (MCQ) উত্তর ও ব্যাখ্যাসহ দেওয়া হলো।
বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন প্রবন্ধের বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর (MCQ)
1। বঙ্কিমচন্দ্রের মতে, সাহিত্যের প্রধান উদ্দেশ্য কী?
- ক. লোকরঞ্জন
- খ. সত্য ও ধর্ম
- গ. বিদ্যা প্রকাশ
- ঘ. যশ ও অর্থ
উত্তর: খ। ৪ নম্বর নিয়মে বঙ্কিমচন্দ্র স্পষ্টভাবে বলেছেন, সত্য ও ধর্মই সাহিত্যের উদ্দেশ্য।
2। প্রথম নিয়মে লেখক কীসের জন্য লিখতে বারণ করেছেন?
- ক. ধর্মের জন্য
- খ. যশের জন্য
- গ. টাকার জন্য
- ঘ. বিদ্যার জন্য
উত্তর: খ। বঙ্কিমচন্দ্র বলেছেন, যশের জন্য লিখলে যশও হয় না, লেখাও ভালো হয় না।
3। ইউরোপে লোকেরা টাকার জন্য লিখেও ভালো লেখে কেন?
- ক. তাদের অনেক টাকা
- খ. আমাদের সে দিন এখনও হয়নি
- গ. তারা সরল ভাষায় লেখে
- ঘ. তারা অনুকরণ করে না
উত্তর: খ। ইউরোপের পাঠকের রুচি উন্নত, কিন্তু আমাদের দেশে পাঠকের রুচি উন্নত না হওয়ায় টাকার জন্য লিখলে লোকরঞ্জন করতে গিয়ে লেখা বিকৃত হয়।
4। \’লোকরঞ্জন\’ প্রবৃত্তি প্রবল হলে রচনার পরিণতি কী হয়?
- ক. জনপ্রিয় হয়
- খ. অলংকার বাড়ে
- গ. বিকৃত ও অনিষ্টকর হয়
- ঘ. উৎকর্ষ বাড়ে
উত্তর: গ। সাধারণ পাঠকের রুচি অনুযায়ী লিখতে গেলে সাহিত্যের মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হয় এবং তা ক্ষতিকর হয়ে ওঠে।
5। কোন উদ্দেশ্য ছাড়া লেখনী ধারণ করাকে বঙ্কিমচন্দ্র \’নীচ ব্যবসা\’ বলেছেন?
- ক. বিদ্যা ও পাণ্ডিত্য
- খ. যশ ও অর্থ
- গ. মানবকল্যাণ ও সৌন্দর্য সৃষ্টি
- ঘ. অনুকরণ ও অলংকার
উত্তর: গ। ৩ নম্বর নিয়মে বলা হয়েছে, মানবকল্যাণ বা সৌন্দর্য সৃষ্টি ছাড়া অন্য উদ্দেশ্যে লেখা যাত্রাওয়ালার কাজের সমতুল্য।
6। \’অন্য উদ্দেশ্যে লেখনী-ধারণ মহাপাপ।\’—অন্য উদ্দেশ্য বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- ক. পরনিন্দা বা স্বার্থসাধন
- খ. অনুকরণ
- গ. বিদ্যা প্রকাশ
- ঘ. লোকরঞ্জন
উত্তর: ক। ৪ নম্বর নিয়মে পরপীড়ন, পরনিন্দা বা স্বার্থসাধনকে মহাপাপ বলা হয়েছে।
7। যা লিখবেন, তা হঠাৎ কী করতে নিষেধ করা হয়েছে?
- ক. পরিবর্তন করতে
- খ. কাউকে দেখাতে
- গ. ছিঁড়ে ফেলতে
- ঘ. ছাপাতে
উত্তর: ঘ। ৫ নম্বর নিয়মে বলা হয়েছে, লেখা কিছুদিন ফেলে রেখে সংশোধন করলে লেখার উৎকর্ষ বৃদ্ধি পায়।
8। বিদ্যা প্রকাশের চেষ্টা পাঠকের কাছে কেমন লাগে?
- ক. শিক্ষণীয়
- খ. কৌতূহলপ্রদ
- গ. অতিশয় বিরক্তিকর
- ঘ. আনন্দদায়ক
উত্তর: গ। বিদ্যা প্রকাশের চেষ্টা করলে লেখার পরিপাট্য নষ্ট হয় এবং পাঠক বিরক্ত হন (৭ নম্বর নিয়ম)।
9। তৎকালীন প্রবন্ধে কোন ভাষাগুলোর কোটেশন বেশি দেখা যেত?
- ক. আরবি ও ফারসি
- খ. স্প্যানিশ ও ল্যাটিন
- গ. ইংরাজি, সংস্কৃত, ফরাসি, জার্মান
- ঘ. হিন্দি ও উর্দু
উত্তর: গ। ৭ নম্বর নিয়মে লেখক বলেছেন যে, প্রবন্ধে অপ্রয়োজনে এসব ভাষার কোটেশন দিয়ে বিদ্যা প্রকাশের চেষ্টা করা হয়।
10। যে ভাষা লেখক নিজে জানেন না, সে ভাষা সম্পর্কে কী নিবেদন করা হয়েছে?
- ক. অনুবাদ করে দেওয়া
- খ. পরিশিষ্টে যুক্ত করা
- গ. কদাচ উদ্ধৃত না করা
- ঘ. পরের গ্রন্থের সাহায্যে উদ্ধৃত করা
উত্তর: গ। না জেনে বিদেশি ভাষা উদ্ধৃত করাকে বিদ্যা প্রকাশের বৃথা চেষ্টা বলা হয়েছে।
11। অসময়ে বা শূন্য ভাণ্ডারে অলংকার প্রয়োগের চেষ্টাকে কী বলা হয়েছে?
- ক. বিরক্তিকর
- খ. চমৎকার
- গ. মহাপাপ
- ঘ. কদর্য
উত্তর: ঘ। অলংকার নিজে থেকে এলে ভালো, কিন্তু জোর করে প্রয়োগ করলে তা রচনার সৌন্দর্য নষ্ট করে (৮ নম্বর নিয়ম)।
12। বঙ্কিমচন্দ্রের মতে সকল অলংকারের শ্রেষ্ঠ অলংকার কোনটি?
- ক. রূপক
- খ. উপমা
- গ. সরলতা
- ঘ. ব্যঙ্গ
উত্তর: গ। ১০ নম্বর নিয়মে বলা হয়েছে, যে লেখক সোজা কথায় নিজের ভাব বোঝাতে পারেন, তিনিই শ্রেষ্ঠ।
13। লেখার মূল উদ্দেশ্য কী হওয়া উচিত?
- ক. খ্যাতি অর্জন
- খ. পাঠককে বোঝানো
- গ. অলংকার দেখানো
- ঘ. অর্থ উপার্জন
উত্তর: খ। ১০ নম্বর নিয়ম অনুযায়ী, সাহিত্যের মূল কাজ হলো পাঠকের কাছে নিজের মনের ভাব সহজভাবে পৌঁছে দেওয়া।
14। বঙ্কিমচন্দ্রের মতে শ্রেষ্ঠ লেখক কে?
- ক. প্রচুর কোটেশন দেন যিনি
- খ. কঠিন শব্দ ব্যবহার করেন যিনি
- গ. অনুকরণ করেন যিনি
- ঘ. সহজ ভাষায় ভাব প্রকাশ করতে পারেন যিনি
উত্তর: ঘ। সরলতাই শ্রেষ্ঠ অলংকার, তাই যিনি সহজভাবে বোঝাতে পারেন তিনিই শ্রেষ্ঠ।
15। অনুকরণ সম্পর্কে বঙ্কিমচন্দ্রের অভিমত কী?
- ক. অনুকরণ প্রথম ধাপ
- খ. অনুকরণ মহাপাপ
- গ. অনুকরণে মান বাড়ে
- ঘ. দোষগুলি অনুকৃত হয়, গুণগুলি হয় না
উত্তর: ঘ। ১১ নম্বর নিয়মে লেখক বলেছেন, অনুকরণ করলে মূল লেখকের গুণগুলো আসে না, শুধু দোষগুলোই নকল হয়।
16। যে কথার প্রমাণ দিতে পারবে না, সে কথা সম্পর্কে লেখকের কী নির্দেশ?
- ক. তাহা লিখিও না
- খ. বন্ধুদের পড়ে শোনাতে হবে
- গ. তা ফেলে দিতে হবে
- ঘ. পাদটীকায় লিখতে হবে
উত্তর: ক। ১২ নম্বর নিয়মে প্রমাণ ছাড়া কোনো কিছু লেখায় যুক্ত করতে কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে।
17। \’বাঙ্গালা সাহিত্য, বাঙ্গালার ভরসা\’—এটি বঙ্কিমচন্দ্রের কততম নিবেদন?
- ক. ১২
- খ. ১০
- গ. ১১
- ঘ. ১৩
উত্তর: ঘ। প্রবন্ধের শেষ বা ১৩ নম্বর নিয়মে লেখক বাংলা সাহিত্যের ভবিষ্যৎ নিয়ে এই আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
18। বাঙ্গালার লেখকরা বঙ্কিমচন্দ্রের নিয়মগুলো মানলে কী হবে?
- ক. বই বেশি বিক্রি হবে
- খ. ধনী হবেন
- গ. অনুকরণ কমে যাবে
- ঘ. বাঙ্গালা সাহিত্যের উন্নতি বেগে হতে থাকবে
উত্তর: ঘ। ১৩টি নিয়ম পালনের চূড়ান্ত ফলাফল হিসেবে লেখক বাংলা সাহিত্যের দ্রুত উন্নতির কথা বলেছেন।
19। প্রবন্ধটিতে লেখকের আদর্শ কী হওয়া উচিত তা কীভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে?
- ক. গল্পের ছলে
- খ. দীর্ঘ বর্ণনায়
- গ. রূপকের মাধ্যমে
- ঘ. অত্যাবশ্যকীয় শব্দ প্রয়োগে
উত্তর: ঘ। প্রবন্ধটি অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত এবং টু-দ্য-পয়েন্ট। এতে কোনো অপ্রয়োজনীয় কথা নেই।
20। নবীন লেখকরা বঙ্কিমচন্দ্রের পরামর্শ মানলে আমাদের কোন জগৎ সমৃদ্ধ হবে?
- ক. রাজনৈতিক
- খ. বৈজ্ঞানিক
- গ. অর্থনৈতিক
- ঘ. মননশীল ও সৃজনশীল
উত্তর: ঘ। সাহিত্য সরাসরি মনন ও সৃজনশীলতার সাথে জড়িত।
21। সাহিত্যের উদ্দেশ্য কী হওয়া উচিত নয়?
- ক. সৌন্দর্য সৃষ্টি
- খ. ধর্ম
- গ. পরনিন্দা বা স্বার্থসাধন
- ঘ. সত্য
উত্তর: গ। পরনিন্দা ও স্বার্থসাধনকে ৪ নম্বর নিয়মে মহাপাপ বলা হয়েছে।
22। বঙ্কিমচন্দ্রের মতে, যশ কখন আপনা-আপনি আসবে?
- ক. অনুকরণ করলে
- খ. অলংকার ব্যবহার করলে
- গ. বিজ্ঞাপন দিলে
- ঘ. লেখা ভালো হলে
উত্তর: ঘ। ১ নম্বর নিয়মে বলা হয়েছে, যশের জন্য না লিখে ভালো লেখার চেষ্টা করলে যশ এমনিতেই আসবে।
23। প্রমাণগুলো সর্বদা লেখার সাথে যুক্ত না করলেও কী করতে হবে?
- ক. বন্ধুদের দিতে হবে
- খ. হাতে বা সংগ্রহে রাখতে হবে
- গ. পরিশিষ্টে দিতে হবে
- ঘ. মুখস্থ রাখতে হবে
উত্তর: খ। ১২ নম্বর নিয়ম অনুযায়ী, সব প্রমাণ ছাপানোর দরকার নেই, তবে পাঠকের প্রশ্নের মুখে যেন প্রমাণ হাতে থাকে।
24। যদি অলংকারের স্থানটি ভালো না হয়ে থাকে, তবে বারবার পড়লে কার নিজেরই আর ভালো লাগবে না?
- ক. পাঠকের
- খ. প্রকাশকের
- গ. লেখকের
- ঘ. সমালোচকের
উত্তর: গ। ৯ নম্বর নিয়মে বলা হয়েছে, কৃত্রিম অলংকার বারবার পড়লে লেখকের নিজের কাছেই তা খারাপ বা বেমানান লাগবে।
25। সাহিত্য সাময়িক হলে লেখকের জন্য তা অবনতিকর কেন?
- ক. বিদ্যা প্রকাশ করা যায় না
- খ. সংশোধন করার সময় পাওয়া যায় না
- গ. পাঠক বেশি হয়
- ঘ. টাকা কম পাওয়া যায়
উত্তর: খ। সাময়িক পত্রিকার নির্দিষ্ট সময়ের বাধ্যবাধকতা থাকে বলে লেখা ফেলে রেখে সংশোধনের সুযোগ থাকে না।
26। লেখক অলংকার বা ব্যঙ্গ সুন্দর মনে হলে তা কাদের পড়ে শোনাতে বলেছেন?
- ক. প্রকাশকদের
- খ. বন্ধুবর্গকে
- গ. সমালোচকদের
- ঘ. সাধারণ পাঠকদের
উত্তর: খ। ৯ নম্বর নিয়মে লেখক প্রাচীন বিধির (কেটে দেওয়ার) বদলে বন্ধুদের পড়ে শোনানোর পরামর্শ দিয়েছেন।
27। সাময়িক সাহিত্য লেখকদের কীসের অভাব থাকে?
- ক. যশের
- খ. অলংকারের
- গ. লেখা ফেলে রেখে সংশোধনের সময়ের
- ঘ. বিদ্যার
উত্তর: গ। ৫ নম্বর নিয়মের ব্যাখ্যায় সাময়িক লেখকদের এই সীমাবদ্ধতার কথা বলা হয়েছে।
28। ৬ নম্বর নিয়মে কোন বিষয়ে হস্তক্ষেপ করাকে \’অকর্তব্য\’ বলা হয়েছে?
- ক. যে বিষয়ে অলংকার নেই
- খ. যে বিষয়ে অর্থ পাওয়া যায় না
- গ. যে বিষয়ে লেখকের অধিকার বা জ্ঞান নেই
- ঘ. যে বিষয়ে যশ নেই
উত্তর: গ। অধিকার বা পর্যাপ্ত জ্ঞান ছাড়া কোনো বিষয়ে লেখা উচিত নয়।
29। বঙ্কিমচন্দ্র কাদেরকে \’নীচ ব্যবসায়ী\’ বলেছেন?
- ক. যারা শুধু অর্থের জন্য লেখে
- খ. যারা মানবকল্যাণ ছাড়া অন্য উদ্দেশ্যে লেখে
- গ. যারা পত্রিকা চালায়
- ঘ. যারা বই বিক্রি করে
উত্তর: খ। ৩ নম্বর নিয়মে বলা হয়েছে, মহৎ উদ্দেশ্য ছাড়া সাহিত্য রচনা করা যাত্রাওয়ালার কাজের মতো।
30। \’লোকরঞ্জন\’ প্রবৃত্তি কখন প্রবল হয়ে ওঠে?
- ক. যশের উদ্দেশ্যে লিখলে
- খ. অর্থের উদ্দেশ্যে লিখলে
- গ. বিদ্যা প্রকাশ করলে
- ঘ. অনুকরণ করলে
উত্তর: খ। ২ নম্বর নিয়মে বলা হয়েছে, টাকার জন্য লিখতে গেলে সাধারণ মানুষের রুচিকে প্রাধান্য দিতে হয়, যা লোকরঞ্জন।
31। কাব্য বা নাটক কত দিন ফেলে রেখে সংশোধন করলে উৎকর্ষ লাভ করে?
- ক. পাঁচ বৎসর
- খ. এক মাস
- গ. ছয় মাস
- ঘ. দুই-এক বৎসর
উত্তর: ঘ। ৫ নম্বর নিয়মে বলা হয়েছে, কাব্য বা নাটক লিখে অন্তত এক-দুই বছর ফেলে রেখে সংশোধন করা উচিত।
32। এখনকার প্রবন্ধে কোন ভাষার কোটেশন বেশি দেখা যায় বলে বঙ্কিমচন্দ্র উল্লেখ করেছেন?
- ক. ইংরাজি, সংস্কৃত, ফরাসি, জার্মান
- খ. হিন্দি ও উর্দু
- গ. লাতিন ও গ্রিক
- ঘ. আরবি ও ফারসি
উত্তর: ক। ৭ নম্বর নিয়মে লেখক এই ভাষাগুলোর অহেতুক ব্যবহারের সমালোচনা করেছেন।
33। লেখকের উদ্দেশ্য কী হওয়া উচিত?
- ক. যশ লাভ
- খ. পাঠককে বোঝানো
- গ. পাণ্ডিত্য প্রদর্শন
- ঘ. অর্থ উপার্জন
উত্তর: খ। ১০ নম্বর নিয়মে বলা হয়েছে, লেখার মূল কাজ হলো মনের ভাব পাঠককে সহজভাবে বোঝানো।
34। \’পরনিন্দা\’ বা \’পরপীড়ন\’ যুক্ত সাহিত্যকে বঙ্কিমচন্দ্র কী আখ্যা দিয়েছেন?
- ক. অলংকার
- খ. লোকরঞ্জন
- গ. সাময়িক সাহিত্য
- ঘ. মহাপাপ
উত্তর: ঘ। ৪ নম্বর নিয়মে একে সাহিত্যের ধর্মবিরুদ্ধ বা মহাপাপ বলা হয়েছে।
35। \”যে বিষয়ে যাহার অধিকার নাই, সে বিষয়ে তাহার হস্তক্ষেপ অকর্তব্য।\”—এখানে \’অধিকার\’ বলতে মূলত কী বোঝানো হয়েছে?
- ক. সরকারি অনুমতি
- খ. পাণ্ডিত্য ও অধ্যয়ন
- গ. পত্রিকার মালিকানা
- ঘ. বয়সের পরিপক্বতা
উত্তর: খ। অধিকার বলতে এখানে কোনো বিষয়ের ওপর লেখকের গভীর জ্ঞান বা পাণ্ডিত্যকে বোঝানো হয়েছে।
36। \’বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন\’ প্রবন্ধটি পাঠ করে তরুণ লেখকরা প্রধানত কী শিখতে পারে?
- ক. কীভাবে টাকা আয় করতে হয়
- খ. সাহিত্যের আদর্শ ও দায়িত্ববোধ
- গ. কীভাবে বিদেশি ভাষা শিখতে হয়
- ঘ. কীভাবে দ্রুত বই ছাপাতে হয়
উত্তর: খ। এই প্রবন্ধটি নবীন লেখকদের জন্য একটি আদর্শ গাইডলাইন।
37। \’সাময়িক সাহিত্য\’ বলতে কী বোঝায়?
- ক. যা তরুণরা লেখে
- খ. যা অল্প সময় টিকে থাকে
- গ. যা টাকার জন্য লেখা হয়
- ঘ. যা সাময়িক পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হয়
উত্তর: ঘ। ৫ নম্বর নিয়মের ব্যাখ্যায় সাময়িক পত্রিকা (ম্যাগাজিন/জার্নাল)-এ প্রকাশিত লেখাকে বোঝানো হয়েছে।
38। প্রবন্ধটিতে বঙ্কিমচন্দ্র কাদেরকে উপদেশ দিয়েছেন?
- ক. পাঠকদের
- খ. প্রবীণ লেখকদের
- গ. নব্য বা তরুণ লেখকদের
- ঘ. প্রকাশকদের
উত্তর: গ। প্রবন্ধের শিরোনামেই স্পষ্ট যে এটি বাঙ্গালার নব্য (নতুন) লেখকদের প্রতি লেখা।
39। \”যাহার যে বিষয়ে অধিকার নাই, সে বিষয়ে তাহার হস্তক্ষেপ অকর্তব্য।\”—এটি কত নম্বর নিয়ম?
- ক. ৫
- খ. ৭
- গ. ৮
- ঘ. ৬
উত্তর: ঘ। এটি বঙ্কিমচন্দ্রের সরাসরি দেওয়া ৬ নম্বর উপদেশ।
40। \’সত্য ও ধর্মই সাহিত্যের উদ্দেশ্য।\’—এটি প্রবন্ধের কততম নিয়ম?
- ক. ৫
- খ. ৩
- গ. ৬
- ঘ. ৪
উত্তর: ঘ। এটি বঙ্কিমচন্দ্রের দেওয়া ৪ নম্বর উপদেশ।
41। \’অলংকার\’ বা \’রসিকতা\’ নিয়ে লেখকের মূল বক্তব্য কী?
- ক. কেবল প্রাচীনরা ব্যবহার করত
- খ. সাহিত্যের জন্য ক্ষতিকর
- গ. জোর করে ব্যবহার করতে হবে
- ঘ. ভাণ্ডারে থাকলে আপনিই আসবে
উত্তর: ঘ। ৮ নম্বর নিয়মে বলা হয়েছে, এগুলো স্বাভাবিকভাবে আসলে ভালো, জোর করে আনলে তা কদর্য হয়।
42। সুন্দর অলংকারের স্থানটি লেখক নিজের মত অনুযায়ী কী করতে বলেছেন?
- ক. বন্ধুবর্গকে পুনঃ পুনঃ পড়িয়া শোনাতে
- খ. প্রমাণ হিসেবে রাখতে
- গ. সাথে সাথে ছাপাতে
- ঘ. কেটে দিতে
উত্তর: ক। ৯ নম্বর নিয়মে প্রাচীন বিধির (কেটে দেওয়ার) বিকল্প হিসেবে বন্ধুদের শোনানোর কথা বলা হয়েছে।
43। প্রবন্ধের ১৩ নম্বর নিয়মটি কীসের ওপর জোর দেয়?
- ক. যশের ওপর
- খ. প্রমাণের ওপর
- গ. বাঙ্গালা সাহিত্যের ভবিষ্যতের ওপর
- ঘ. অলংকারের ওপর
উত্তর: গ। ১৩ নম্বর নিয়মে বাংলা সাহিত্যের উন্নতি ও সম্ভাবনার কথা বলে প্রবন্ধ শেষ করা হয়েছে।
44। \’যাহা লিখিবেন, তাহা হঠাৎ ছাপাইবেন না\’—এটি কত নম্বর নিয়ম?
- ক. ৪
- খ. ৬
- গ. ৭
- ঘ. ৫
উত্তর: ঘ। এটি লেখা সংশোধনের জন্য বঙ্কিমচন্দ্রের ৫ নম্বর উপদেশ।
45। \’হিতকর\’ শব্দটি প্রবন্ধের কোন নিয়মের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত?
- ক. ৫ নম্বর (সংশোধন)
- খ. ১০ নম্বর (সরলতা)
- গ. ৩ নম্বর (মানবকল্যাণ)
- ঘ. ৭ নম্বর (বিদ্যা প্রকাশ)
উত্তর: গ। মানবকল্যাণ বা হিতকর উদ্দেশ্য ছাড়া লেখাকে নীচ ব্যবসা বলা হয়েছে (৩ নম্বর নিয়ম)।
46। বঙ্কিমচন্দ্র তাঁর উপদেশের মাধ্যমে নবীন লেখকদের কী হতে বলেছেন?
- ক. ধনী
- খ. অনুকরণকারী
- গ. দায়িত্বশীল ও আদর্শবাদী
- ঘ. যশস্বী
উত্তর: গ। পুরো প্রবন্ধ জুড়েই লেখককে মহৎ আদর্শ ও দায়িত্ববোধের শিক্ষা দেওয়া হয়েছে।
47। বঙ্কিমচন্দ্রের মতে, লোকরঞ্জন প্রবৃত্তি কেন পরিহার্য?
- ক. এটি রচনাকে দীর্ঘ করে
- খ. এটি রচনার উদ্দেশ্য নষ্ট করে ও অনিষ্টকর হয়
- গ. এটি প্রাচীন প্রথার বিরোধী
- ঘ. এটি আয় কমিয়ে দেয়
উত্তর: খ। সাধারণের রুচি মেটাতে গেলে সাহিত্যের মহৎ উদ্দেশ্য (সত্য ও ধর্ম) নষ্ট হয়।
48। নবীন লেখকরা যদি বঙ্কিমচন্দ্রের উপদেশ মেনে চলেন, তবে তার চূড়ান্ত ফলাফল কী হবে?
- ক. তারা রাতারাতি বিখ্যাত হবেন
- খ. ইংরেজি সাহিত্যকে ছাড়িয়ে যাবেন
- গ. বাংলা সাহিত্যের দ্রুত উন্নতি সাধিত হবে
- ঘ. তারা প্রচুর অর্থ উপার্জন করবেন
উত্তর: গ। ১৩ নম্বর নিয়মে বলা হয়েছে, এই নিয়মগুলো মানলে বাংলা সাহিত্যের উন্নতি বেগে হতে থাকবে।
49। সাহিত্যের বিষয়বস্তু হিসেবে কোনটি বঙ্কিমচন্দ্র সমর্থন করেন না?
- ক. সত্য ও ধর্ম
- খ. সৌন্দর্য সৃষ্টি
- গ. মানবকল্যাণ
- ঘ. পরনিন্দা বা পরপীড়ন
উত্তর: ঘ। পরনিন্দাকে ৪ নম্বর নিয়মে মহাপাপ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
50। বঙ্কিমচন্দ্রের মতে, লেখার উৎকর্ষ কিসের ওপর নির্ভর করে?
- ক. দ্রুত প্রকাশ করার ওপর
- খ. লেখা কিছুদিন ফেলে রেখে সংশোধনের ওপর
- গ. অনেক ভাষার কোটেশন ব্যবহারের ওপর
- ঘ. অলংকার ব্যবহারের ওপর
উত্তর: খ। ৫ নম্বর নিয়মে বলা হয়েছে, সময় নিয়ে সংশোধন করলে লেখার মান বাড়ে।
51। যে বিষয়ে অধিকার নেই সে বিষয়ে হস্তক্ষেপ করলে লেখকের কী প্রকাশ পায়?
- ক. পাণ্ডিত্য
- খ. সাহসিকতা
- গ. অজ্ঞতা
- ঘ. আধুনিকতা
উত্তর: গ। জ্ঞান ছাড়া লিখলে ভুল তথ্য ও অজ্ঞতাই প্রকাশ পায় (৬ নম্বর নিয়ম)।
52। বঙ্কিমচন্দ্র কেন বন্ধুদের লেখা পড়ে শোনানোর কথা বলেছেন?
- ক. জ্ঞান যাচাই করার জন্য
- খ. প্রশংসা পাওয়ার জন্য
- গ. লেখার কৃত্রিমতা বা ত্রুটি সহজে ধরার জন্য
- ঘ. বিরক্ত করার জন্য
উত্তর: গ। বারবার বন্ধুদের শোনালে অলংকারের কৃত্রিমতা বা বেমানান ভাব লেখকের নিজের কানেই ধরা পড়বে (৯ নম্বর নিয়ম)।
53। বঙ্কিমচন্দ্রের মতে, শ্রেষ্ঠ লেখকের প্রধান গুণ কী?
- ক. তিনি প্রচুর বই লেখেন
- খ. তিনি কঠিন বিষয়ে লেখেন
- গ. তিনি অনেক ভাষা জানেন
- ঘ. তিনি সরলভাবে নিজের ভাব পাঠককে বোঝাতে পারেন
উত্তর: ঘ। সরলতাই শ্রেষ্ঠ অলংকার, যা পাঠককে সহজে বোঝাতে সাহায্য করে (১০ নম্বর নিয়ম)।
54। প্রমাণ হাতে না রেখে লেখা প্রকাশ করলে কী হতে পারে?
- ক. লেখাটি ভিত্তিহীন বলে গণ্য হতে পারে
- খ. ভাষা সুন্দর হতে পারে
- গ. লেখাটি জনপ্রিয় হতে পারে
- ঘ. মানুষ আনন্দ পেতে পারে
উত্তর: ক। ১২ নম্বর নিয়ম অনুযায়ী, প্রমাণ ছাড়া লেখা গ্রহণযোগ্য বা বিশ্বাসযোগ্য হয় না।
55। \’কোটেশন\’ শব্দের বাংলা পরিভাষা কী?
- ক. সংশোধন
- খ. অনুবাদ
- গ. উদ্ধৃতি
- ঘ. উপমা
উত্তর: গ। ৭ নম্বর নিয়মে কোটেশন বা উদ্ধৃতি সম্পর্কে বলা হয়েছে।
56। \”বিদ্যা থাকিলে তাহা আপনিই প্রকাশ পায়\”—এর মাধ্যমে লেখক কী বোঝাতে চেয়েছেন?
- ক. জ্ঞানীর জ্ঞান তার লেখার সাবলীলতাতেই ফুটে ওঠে
- খ. ক ও খ উভয়ই
- গ. পাণ্ডিত্য দেখানোর প্রয়োজন নেই
- ঘ. বিদ্যা প্রকাশ করাই সাহিত্যের উদ্দেশ্য
উত্তর: খ। বিদ্যা জোর করে প্রকাশ করতে হয় না, লেখনীতে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই তা ধরা পড়ে।
57। \’প্রাচীন বিধি\’ হিসেবে ৯ নম্বর নিয়মে কী উল্লেখ করা হয়েছে?
- ক. প্রমাণ হাতে রাখা
- খ. লেখা বন্ধুদের শোনানো
- গ. সুন্দর অলংকারের স্থানটি কেটে দেওয়া
- ঘ. লেখা ছাপিয়ে দেওয়া
উত্তর: গ। প্রাচীন প্রথা ছিল, লেখার যে অংশটা লেখকের নিজের কাছে খুব সুন্দর বা অলংকারপূর্ণ মনে হবে, তা নির্দয়ভাবে কেটে দেওয়া।
58। অনুকরণ করলে কী অনুকৃত হয় না?
- ক. গুণগুলো
- খ. ভাষা
- গ. দোষগুলো
- ঘ. বানান
উত্তর: ক। ১১ নম্বর নিয়ম অনুযায়ী, অনুকরণের ফলে মূল লেখকের দোষগুলোই নকল হয়, গুণগুলো নয়।
59। কোন কথা লেখায় সংযোজন করতে নিষেধ করা হয়েছে?
- ক. যার প্রমাণ দেওয়া যাবে না
- খ. যা পুরোনো
- গ. যা আধুনিক
- ঘ. যা খুব সহজ
উত্তর: ক। ১২ নম্বর নিয়মে প্রমাণহীন কথা লিখতে বারণ করা হয়েছে।
60। বঙ্কিমচন্দ্রের মতে কাদের পক্ষে ৫ নম্বর নিয়ম মানা কঠিন?
- ক. অনুবাদকদের
- খ. কবিদের
- গ. প্রাবন্ধিকদের
- ঘ. সাময়িক সাহিত্য লেখকদের
উত্তর: ঘ। পত্রিকার নির্দিষ্ট ডেডলাইনের কারণে সাময়িক লেখকরা লেখা ফেলে রাখার সময় পান না।
61। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কত খ্রিষ্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন?
- ক. ১৮৩৮
- খ. ১৮৫৮
- গ. ১৮৫২
- ঘ. ১৮৯৪
উত্তর: ক। বঙ্কিমচন্দ্র ১৮৩৮ সালের ২৬ জুন জন্মগ্রহণ করেন।
62। বঙ্কিমচন্দ্রের জন্মস্থান কোথায়?
- ক. হুগলির দেওয়ানগঞ্জ
- খ. কলকাতা
- গ. চব্বিশ পরগনার কাঁঠালপাড়া
- ঘ. মেদিনীপুর
উত্তর: গ। তাঁর জন্ম চব্বিশ পরগনার নৈহাটির কাঁঠালপাড়া গ্রামে।
63। কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম স্নাতকদের মধ্যে বঙ্কিমচন্দ্র কত সালে বিএ পাস করেন?
- ক. ১৮৫৭
- খ. ১৮৭২
- গ. ১৮৫৮
- ঘ. ১৮৫২
উত্তর: গ। ১৮৫৮ সালে প্রথম ব্যাচে তিনি বিএ পাস করেন।
64। বঙ্কিমচন্দ্র কোন পত্রিকায় প্রথম সাহিত্যচর্চা শুরু করেন?
- ক. প্রচার
- খ. সম্বাদ প্রভাকর
- গ. বঙ্গদর্শন
- ঘ. তত্ত্ববোধিনী
উত্তর: খ। ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের \’সম্বাদ প্রভাকর\’ পত্রিকায় তাঁর লেখালেখি শুরু।
65। বঙ্কিমচন্দ্র সম্পাদিত বিখ্যাত পত্রিকাটির নাম কী?
- ক. ভারতী
- খ. সবুজপত্র
- গ. বঙ্গদর্শন
- ঘ. সমাচার দর্পণ
উত্তর: গ। ১৮৭২ সালে তিনি \’বঙ্গদর্শন\’ পত্রিকা প্রকাশ করেন।
66। বাংলা সাহিত্যে প্রথম সার্থক উপন্যাস কোনটি?
- ক. কপালকুণ্ডলা
- খ. দুর্গেশনন্দিনী
- গ. বিষবৃক্ষ
- ঘ. আলালের ঘরের দুলাল
উত্তর: খ। ১৮৬৫ সালে প্রকাশিত \’দুর্গেশনন্দিনী\’ বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস।
67। \’রাজমোহনস ওয়াইফ\’ কার লেখা?
- ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- খ. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
- গ. স্বামী বিবেকানন্দ
- ঘ. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
উত্তর: খ। এটি বঙ্কিমচন্দ্রের লেখা প্রথম (ইংরেজি) উপন্যাস।
68। বঙ্কিমচন্দ্রের মোট গ্রন্থের সংখ্যা কত?
- ক. ৩৪টি
- খ. ৩৬টি
- গ. ৩০টি
- ঘ. ৩২টি
উত্তর: ক। তাঁর রচিত মোট গ্রন্থ সংখ্যা ৩৪টি।
69। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যে কী উপাধিতে ভূষিত?
- ক. মহাকবি
- খ. সাহিত্যসম্রাট
- গ. সাহিত্যরত্ন
- ঘ. সাহিত্যবিশারদ
উত্তর: খ। বাংলা গদ্য ও উপন্যাসে তাঁর অসামান্য অবদানের জন্য তিনি সাহিত্যসম্রাট।
70। বঙ্কিমচন্দ্র মৃত্যুবরণ করেন কত সালে?
- ক. ১৯০০
- খ. ১৮৯৪
- গ. ১৮৮৫
- ঘ. ১৮৯০
উত্তর: খ। তিনি ১৮৯৪ সালের ৮ এপ্রিল মারা যান।
71। \’বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন\’ প্রবন্ধটি প্রথম কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
- ক. সম্বাদ প্রভাকর
- খ. প্রচার
- গ. ভারতী
- ঘ. বঙ্গদর্শন
উত্তর: খ। ১৮৮৫ সালে \’প্রচার\’ পত্রিকায় এটি প্রথম ছাপা হয়।
72। প্রবন্ধটি পরে বঙ্কিমচন্দ্রের কোন গ্রন্থে অন্তর্ভুক্ত হয়?
- ক. বিবিধ প্রবন্ধ
- খ. সাম্য
- গ. কমলাকান্তের দপ্তর
- ঘ. লোকরহস্য
উত্তর: ক। পরে এটি \’বিবিধ প্রবন্ধ\’ নামক প্রবন্ধ গ্রন্থে সংকলিত হয়।
73। বঙ্কিমচন্দ্রের পিতার নাম কী?
- ক. নবীনচন্দ্র
- খ. রামচন্দ্র
- গ. হরিশচন্দ্র
- ঘ. যাদবচন্দ্র
উত্তর: ঘ। তাঁর পিতা যাদবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় একজন ডেপুটি কালেক্টর ছিলেন।
74। বঙ্কিমচন্দ্র খুলনার ম্যাজিস্ট্রেট থাকাকালে কাদের অত্যাচার দমন করেন?
- ক. জমিদারদের
- খ. নীলকরদের
- গ. ব্রিটিশ সৈন্যদের
- ঘ. ডাকাতদের
উত্তর: খ। তিনি কঠোর হাতে নীলকরদের অত্যাচার দমন করেছিলেন।
75। নিচের কোনটি বঙ্কিমচন্দ্রের প্রবন্ধ গ্রন্থ?
- ক. রাজসিংহ
- খ. বিষবৃক্ষ
- গ. সাম্য
- ঘ. চন্দ্রশেখর
উত্তর: গ। \’সাম্য\’ তাঁর রচিত একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ গ্রন্থ।
76। \’বিজ্ঞানরহস্য\’ বঙ্কিমচন্দ্রের কোন ধরনের রচনা?
- ক. ছোটগল্প
- খ. নাটক
- গ. প্রবন্ধ গ্রন্থ
- ঘ. উপন্যাস
উত্তর: গ। এটি তাঁর বিজ্ঞানবিষয়ক প্রবন্ধ গ্রন্থ।
77। \’কমলাকান্তের দপ্তর\’ গ্রন্থটি কেমন রচনা?
- ক. আত্মজীবনী
- খ. ব্যঙ্গাত্মক ও সমাজসচেতনতামূলক গদ্যগ্রন্থ
- গ. কাব্য
- ঘ. ঐতিহাসিক উপন্যাস
উত্তর: খ। এটি রূপক ও ব্যঙ্গাত্মক প্রবন্ধের সংকলন।
78। নিচের কোনটি বঙ্কিমচন্দ্রের উল্লেখযোগ্য উপন্যাস নয়?
- ক. সীতারাম
- খ. কৃষ্ণচরিত্র
- গ. দেবী চৌধুরাণী
- ঘ. আনন্দমঠ
উত্তর: খ। কৃষ্ণচরিত্র একটি প্রবন্ধ গ্রন্থ, উপন্যাস নয়।
79। \’লোকরহস্য\’ কার রচনা?
- ক. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
- খ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- গ. প্রমথ চৌধুরী
- ঘ. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
উত্তর: ক। এটি বঙ্কিমচন্দ্রের একটি ব্যঙ্গাত্মক রচনা।
80। \’বাঙ্গালা\’ শব্দটির পরিবর্তনের সঠিক ক্রম কোনটি?
- ক. বাংলা \> বাঙলা \> বাঙ্গালা
- খ. বাঙ্গালা \> বাংলা \> বাঙলা
- গ. বাঙ্গালা \> বাঙলা \> বাংলা
- ঘ. বাঙলা \> বাঙ্গালা \> বাংলা
উত্তর: গ। ভাষাতাত্ত্বিকভাবে বানানটি এভাবে বিবর্তিত হয়েছে।
81। বঙ্কিমচন্দ্রের \’বঙ্গদর্শন\’ পত্রিকা কত সালে প্রকাশিত হয়?
- ক. ১৮৭২
- খ. ১৮৫২
- গ. ১৮৫৮
- ঘ. ১৮৮৫
উত্তর: ক। ১৮৭২ সালে এটি প্রথম প্রকাশিত হয়।
82। \’সম্বাদ প্রভাকর\’ পত্রিকার সম্পাদক কে ছিলেন?
- ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- খ. প্রমথ চৌধুরী
- গ. প্যারীচাঁদ মিত্র
- ঘ. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
উত্তর: ঘ। ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত এটি সম্পাদনা করতেন।
83। \’রাজসিংহ\’ বঙ্কিমচন্দ্রের রচিত কী ধরনের গ্রন্থ?
- ক. ঐতিহাসিক উপন্যাস
- খ. সামাজিক উপন্যাস
- গ. নাটক
- ঘ. প্রবন্ধ গ্রন্থ
উত্তর: ক। এটি বঙ্কিমচন্দ্রের একমাত্র খাঁটি ঐতিহাসিক উপন্যাস।
84। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম সাহিত্যচর্চা কোন বয়স থেকে শুরু হয়?
- ক. ১৪ বছর
- খ. ২০ বছর
- গ. ১০ বছর
- ঘ. ২৫ বছর
উত্তর: ক। তিনি খুব অল্প বয়সেই (১৪) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের পত্রিকায় লেখা শুরু করেন।
85। \’কপালকুণ্ডলা\’ বঙ্কিমচন্দ্রের কোন ধরনের রচনা?
- ক. ছোটগল্প
- খ. নাটক
- গ. উপন্যাস
- ঘ. প্রবন্ধ
উত্তর: গ। এটি তাঁর দ্বিতীয় বিখ্যাত রোমান্টিক উপন্যাস।
86। বঙ্কিমচন্দ্রের পিতা যাদবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় পেশায় কী ছিলেন?
- ক. শিক্ষক
- খ. মুন্সেফ
- গ. সাব-জজ
- ঘ. ডেপুটি কালেক্টর
উত্তর: ঘ। লেখক পরিচিতিতে এই তথ্য দেওয়া আছে।
87। বঙ্কিমচন্দ্রের জন্ম কোন মাসে?
- ক. জুন
- খ. জুলাই
- গ. আগস্ট
- ঘ. মে
উত্তর: ক। তিনি ২৬ জুন জন্মগ্রহণ করেন।
88। \’দুর্গেশনন্দিনী\’ কত সালে প্রকাশিত হয়?
- ক. ১৮৬৫
- খ. ১৮৫২
- গ. ১৮৭২
- ঘ. ১৮৫৮
উত্তর: ক। ১৮৬৫ সালে এটি প্রকাশ পায়।
89। \’বিষবৃক্ষ\’ বঙ্কিমচন্দ্রের কোন ধরনের রচনা?
- ক. প্রবন্ধ
- খ. উপন্যাস
- গ. নাটক
- ঘ. ছোটগল্প
উত্তর: খ। এটি তাঁর একটি সামাজিক উপন্যাস।
90। \’কদাপি\’ শব্দের আভিধানিক অর্থ কী?
- ক. নিশ্চিতরূপে
- খ. কখনও বা কোনোকালে
- গ. সর্বদা
- ঘ. মাঝে মাঝে
উত্তর: খ। শব্দার্থ টীকায় এটি দেওয়া আছে।
91। \’কদর্য\’ শব্দের আভিধানিক অর্থ কী?
- ক. সুন্দর
- খ. শিক্ষণীয়
- গ. প্রয়োজনীয়
- ঘ. কুৎসিত বা নিন্দনীয়
উত্তর: ঘ। কদর্য মানে খারাপ, বেমানান বা নিন্দনীয়।
92। \’পরিপাট্য\’ শব্দের অর্থ কী?
- ক. এলোমেলো
- খ. সুশৃঙ্খলতা বা গোছানো ভাব
- গ. শূন্যতা
- ঘ. জটিলতা
উত্তর: খ। পরিপাট্য মানে সুন্দরভাবে সাজানো বা শৃঙ্খলতা।
93। \’অকর্তব্য\’ শব্দটির অর্থ কী?
- ক. যা করা সহজ
- খ. যা করা কঠিন
- গ. যা করা অনুচিত বা করা নিষেধ
- ঘ. যা করা উচিত
উত্তর: গ। কর্তব্য নয় যা (করা উচিত নয়)।
94। \’রসিকতা\’ শব্দের অর্থ কী?
- ক. পাণ্ডিত্য
- খ. রাগ
- গ. অনুকরণ
- ঘ. হাস্যরস বা কৌতুকবোধ
উত্তর: ঘ। মজা বা কৌতুক করা।
95। \’লোকরঞ্জন\’ বলতে বঙ্কিমচন্দ্র কী বুঝিয়েছেন?
- ক. সাধারণ মানুষকে আনন্দ দেওয়া বা সন্তুষ্ট করা
- খ. শিক্ষিত করা
- গ. রাজনীতি করা
- ঘ. গানবাজনা করা
উত্তর: ক। সাধারণের সস্তা রুচি অনুযায়ী তাদের বিনোদন দেওয়া।
96। \’হিতকর\’ শব্দের অর্থ কী?
- ক. কল্যাণকর বা মঙ্গলজনক
- খ. সরল
- গ. ধর্মসম্মত
- ঘ. সুন্দর
উত্তর: ক। যা অন্যের হিত বা মঙ্গল সাধন করে।
97। \’অনিষ্টকর\’ শব্দের অর্থ কী?
- ক. আনন্দদায়ক
- খ. ক্ষতিকর বা অমঙ্গলজনক
- গ. বিরক্তিকর
- ঘ. উপকারী
উত্তর: খ। যা ইষ্ট বা মঙ্গলজনক নয়, অর্থাৎ ক্ষতিকর।
98। \’ব্যঙ্গ\’ শব্দের অর্থ কী?
- ক. ক্রোধ
- খ. প্রশংসা
- গ. পরিহাস বা বিদ্রূপ
- ঘ. দুঃখ
উত্তর: গ। কাউকে নিয়ে কটাক্ষ বা বিদ্রূপ করা।
99। \’যশ\’ শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
- ক. সুখ্যাতি বা সুনাম
- খ. অহংকার
- গ. সম্পদ
- ঘ. বিনয়
উত্তর: ক। খ্যাতি বা প্রখ্যাতি।
100। \’ধর্মবিরুদ্ধ\’ শব্দটিতে প্রবন্ধ অনুযায়ী \’ধর্ম\’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- ক. নীতি-নৈতিকতা ও আদর্শ
- খ. সামাজিক আচার
- গ. আইনকানুন
- ঘ. পূজা-পার্বণ
উত্তর: ক। এখানে ধর্ম বলতে রিলিজিয়ন নয়, বরং লেখার নীতিবোধকে বোঝানো হয়েছে।
101। \’অলংকার\’ শব্দের আক্ষরিক অর্থ কী?
- ক. জ্ঞান
- খ. নিয়ম
- গ. ভূষণ বা প্রসাধন
- ঘ. সত্য
উত্তর: গ। যা দিয়ে সাজানো হয়।
102। \’অধিকার\’ শব্দটি প্রবন্ধে কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- ক. ক্ষমতা
- খ. উপযুক্ত জ্ঞান বা দক্ষতা
- গ. দখল
- ঘ. আইনি স্বত্ব
উত্তর: খ। এখানে অধিকার বলতে পাণ্ডিত্য বা দক্ষতা বোঝানো হয়েছে।
103। \’ভাণ্ডার\’ শব্দটি প্রবন্ধে কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- ক. জ্ঞান বা ভাষার ভাণ্ডার (মস্তিষ্ক)
- খ. টাকার খনি
- গ. লাইব্রেরি
- ঘ. ছাপাখানা
উত্তর: ক। মানুষের মাথার ভেতরকার শব্দ বা জ্ঞানের ভাণ্ডার।
104। \’অনুকৃত\’ শব্দের অর্থ কী?
- ক. যা অনুকরণ করা হয়েছে
- খ. যা সংশোধন করা হয়েছে
- গ. যা বর্জন করা হয়েছে
- ঘ. যা সৃষ্টি করা হয়েছে
উত্তর: ক। যাকে নকল করা হয়েছে।
105। \’উৎকর্ষ\’ শব্দের অর্থ কী?
- ক. ধ্বংস
- খ. পরিপাট্য
- গ. বিকাশ বা উন্নতি
- ঘ. অপকর্ষ
উত্তর: গ। উৎকর্ষ মানে মানের উন্নতি বা শ্রেষ্ঠত্ব।
106। \’বিদ্যা\’ শব্দটির সমার্থক শব্দ কোনটি?
- ক. জ্ঞান বা পাণ্ডিত্য
- খ. অলংকার
- গ. যশ
- ঘ. ধন
উত্তর: ক। বিদ্যা মানে জ্ঞান।
107। \’সর্বদা\’ শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে প্রবন্ধে ব্যবহৃত কোন শব্দটি?
- ক. অতিশয়
- খ. পুনশ্চ
- গ. কদাপি
- ঘ. হঠাৎ
উত্তর: গ। সর্বদা মানে সবসময়, কদাপি মানে কখনও (বিপরীতার্থে)।
108। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কত সালে প্রথম বিএ পাস করেন?
- ক. ১৮৫৮
- খ. ১৮৬২
- গ. ১৮৫২
- ঘ. ১৮৫৬
উত্তর: ক। ১৮৫৮ সালে তিনি বিএ পাস করেন।
109। বঙ্কিমচন্দ্র পেশাগত জীবনে কোথায় ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে যোগদান করেন?
- ক. খুলনা
- খ. ঢাকা
- গ. কলকাতা
- ঘ. নদীয়া
উত্তর: ক। তিনি খুলনায় ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন।
110। বঙ্কিমচন্দ্র কোন ভাষায় প্রথম শিল্পসম্মত উপন্যাস রচনা করেন?
- ক. বাংলা
- খ. সংস্কৃত
- গ. ইংরেজি
- ঘ. হিন্দি
উত্তর: ক। \’দুর্গেশনন্দিনী\’ বাংলা ভাষার প্রথম সার্থক উপন্যাস।
111। বঙ্কিমচন্দ্রকে \’সাহিত্যসম্রাট\’ উপাধি দেওয়ার মূল কারণ কী?
- ক. তিনি ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন
- খ. বাংলা সাহিত্যে তাঁর অসামান্য অবদান
- গ. তিনি কবিতা লিখতেন
- ঘ. তিনি ধনী ছিলেন
উত্তর: খ। আধুনিক বাংলা গদ্যের স্থপতি হিসেবে তাঁকে এই উপাধি দেওয়া হয়।
112। বঙ্কিমচন্দ্র তাঁর পেশাগত জীবনে কোথায় নীলকরদের অত্যাচার দমন করেন?
- ক. রাজশাহী
- খ. ঢাকা
- গ. খুলনায়
- ঘ. মেদিনীপুর
উত্তর: গ। খুলনার ম্যাজিস্ট্রেট থাকাকালে তিনি এটি করেন।
113। বঙ্কিমচন্দ্রের জন্মস্থান \’কাঁঠালপাড়া\’ কোন জেলার অন্তর্গত?
- ক. চব্বিশ পরগনা
- খ. বর্ধমান
- গ. হাওড়া
- ঘ. হুগলি
উত্তর: ক। কাঁঠালপাড়া নৈহাটির কাছাকাছি চব্বিশ পরগনায় অবস্থিত।
114। বঙ্কিমচন্দ্রের মৃত্যুর সাল কোনটি?
- ক. ১৮৮০
- খ. ১৮৯৪
- গ. ১৮৯০
- ঘ. ১৯০০
উত্তর: খ। তিনি ১৮৯৪ সালে মারা যান।
115। \’প্রমাণ\’ শব্দটি ব্যাকরণের কোন নিয়মের সাথে যুক্ত হলেও প্রবন্ধে এর অর্থ কী?
- ক. যুক্তি বা সত্যতা যাচাই
- খ. পরিমাপ
- গ. অলংকার
- ঘ. হিসাব
উত্তর: ক। এখানে প্রমাণ বলতে Reference বা source বোঝানো হয়েছে।
116। \’কোটেশন\’ (Quotation) শব্দটি কোন ভাষার?
- ক. ফরাসি
- খ. ইংরেজি
- গ. জার্মান
- ঘ. ল্যাটিন
উত্তর: খ। এটি একটি ইংরেজি শব্দ যার অর্থ উদ্ধৃতি।
117। \’বঙ্গদর্শন\’ পত্রিকার প্রকাশকাল কত?
- ক. ১৮৭২
- খ. ১৮৭০
- গ. ১৮৬০
- ঘ. ১৮৮০
উত্তর: ক। ১৮৭২ সালে এটি বের হয়।
118। \’প্রচার\’ পত্রিকার প্রকাশকাল কত?
- ক. ১৯০০
- খ. ১৮৯০
- গ. ১৮৮০
- ঘ. ১৮৮৪-৮৫
উত্তর: ঘ। এই পত্রিকায় প্রবন্ধটি প্রথম ছাপা হয়।
119। \’বিবিধ প্রবন্ধ\’ কত খণ্ডে প্রকাশিত হয়েছিল?
- ক. চার খণ্ডে
- খ. এক খণ্ডে
- গ. তিন খণ্ডে
- ঘ. দুই খণ্ডে
উত্তর: ঘ। এটি বঙ্কিমচন্দ্রের একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ সংকলন।
120। বঙ্কিমচন্দ্র কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের কততম স্নাতক ব্যাচের ছাত্র ছিলেন?
- ক. চতুর্থ ব্যাচের
- খ. প্রথম ব্যাচের
- গ. তৃতীয় ব্যাচের
- ঘ. দ্বিতীয় ব্যাচের
উত্তর: খ। ১৮৫৮ সালে প্রথম ব্যাচেই তিনি পাস করেন।
121। বঙ্কিমচন্দ্রের বড় ভাইয়ের নাম কী যিনি নিজেও সাহিত্যিক ছিলেন?
- ক. হরিশচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
- খ. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
- গ. সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
- ঘ. নবীনচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
উত্তর: গ। \’পালামৌ\’ রচয়িতা সঞ্জীবচন্দ্র তাঁর বড় ভাই।
122। বঙ্কিমচন্দ্রের প্রথম রচনা কোনটি (কবিতা)?
- ক. ললিতা ও মানস
- খ. কপালকুণ্ডলা
- গ. বিষবৃক্ষ
- ঘ. আনন্দমঠ
উত্তর: ক। এটি তাঁর রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ।
123। \’আনন্দমঠ\’ উপন্যাসের পটভূমি কী?
- ক. নীল বিদ্রোহ
- খ. ছিয়াত্তরের মন্বন্তর ও সন্ন্যাসী বিদ্রোহ
- গ. ভাষা আন্দোলন
- ঘ. সিপাহী বিদ্রোহ
উত্তর: খ। এটি তাঁর অন্যতম শ্রেষ্ঠ রাজনৈতিক উপন্যাস।
124। সামগ্রিকভাবে \’বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন\’ প্রবন্ধটি বাংলা সাহিত্যের জন্য কী?
- ক. একটি ব্যাকরণ বই
- খ. একটি উপন্যাস
- গ. একটি ধ্রুপদী নির্দেশিকা (Classic Guideline)
- ঘ. একটি নাটক
উত্তর: গ। এটি নবীন লেখকদের জন্য একটি চিরন্তন ম্যানুয়াল বা গাইডবুক।
