● HSC বাংলা ১ম পত্র

বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ কবিতার MCQ | বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ কবিতার MCQ | HSC বাংলা ১ম পত্র-এর “বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ” কবিতা থেকে বোর্ড পরীক্ষায় নিয়মিত প্রশ্ন আসে। এই পোস্টে কবিতার সারকথা ও ১৩৫টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন (MCQ) উত্তর ও ব্যাখ্যাসহ দেওয়া হলো।

বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ কবিতার বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর (MCQ)

1। ‘বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ’ কাব্যাংশের মূল উপজীব্য বিষয় কী?

  • ক. রাক্ষসদের বীরত্বগাথা
  • খ. দেশপ্রেম ও বিশ্বাসঘাতকতার বিরুদ্ধে ঘৃণা
  • গ. দেবতাদের মাহাত্ম্য কীর্তন
  • ঘ. রাম-রাবণের যুদ্ধের বর্ণনা

উত্তর: খ। পাঠ-পরিচিতি অনুযায়ী, এ অংশে মাতৃভূমির প্রতি ভালোবাসা এবং বিশ্বাসঘাতকতা ও দেশদ্রোহিতার বিরুদ্ধে গভীর ঘৃণা প্রকাশিত হয়েছে।

2। মেঘনাদ কেন বিভীষণের প্রতি ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন?

  • ক. লক্ষ্মণকে যজ্ঞাগারে প্রবেশের পথ দেখানোর জন্য
  • খ. বিভীষণ মেঘনাদকে ভর্ৎসনা করায়
  • গ. বিভীষণ রামের দাসত্ব স্বীকার করায়
  • ঘ. বিভীষণ রাবণের পক্ষ ত্যাগ করায়

উত্তর: ক। নিজের পিতৃব্য বিভীষণ শত্রুপক্ষের লক্ষ্মণকে পথ দেখিয়ে নিকুম্ভিলা যজ্ঞাগারে নিয়ে আসায় মেঘনাদ সবচেয়ে বেশি ক্ষুব্ধ হন।

3। ‘মেঘনাদবধ কাব্যে’ কোন চেতনার প্রতিফলন ঘটেছে?

  • ক. রেনেসাঁস বা নবজাগরণের মানবকেন্দ্রিকতা
  • খ. মধ্যযুগীয় ভক্তি চেতনা
  • গ. ধর্মান্ধতা
  • ঘ. পৌরাণিক দেবনির্ভরতা

উত্তর: ক। উনিশ শতকের বাংলার নবজাগরণের প্রেরণাতেই মধুসূদন মানবকেন্দ্রিকতার আলোকে রামায়ণকে নবমূল্য দান করেছেন।

4। মাইকেল মধুসূদন দত্তের দৃষ্টিতে রাম-লক্ষ্মণ কেমন?

  • ক. মহৎ ও আদর্শবান
  • খ. ঐশ্বরিক ক্ষমতাসম্পন্ন
  • গ. মানবীয় গুণের ধারক
  • ঘ. হীন ও দুর্বল চরিত্রের

উত্তর: ঘ। নবজাগরণের প্রেরণায় মধুসূদনের লেখনীতে রাম-লক্ষ্মণ হীনরূপে উপস্থাপিত হয়েছেন।

5। ‘রাঘবদাস আমি’- এ কথাটি কে বলেছেন?

  • ক. মেঘনাদ
  • খ. রামচন্দ্র
  • গ. লক্ষ্মণ
  • ঘ. বিভীষণ

উত্তর: ঘ। মেঘনাদের প্রশ্নের উত্তরে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করতে বিভীষণ নিজেকে রঘুবংশের সন্তান রামের দাস বলে দাবি করেন।

6। মেঘনাদের চরিত্রটি কেমন?

  • ক. দেশপ্রেমিক ও অসমসাহসী বীর
  • খ. ক্ষমতালোভী
  • গ. ভীরু ও কাপুরুষ
  • ঘ. বিশ্বাসঘাতক

উত্তর: ক। মেঘনাদ দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ একজন অসমসাহসী বীর, যিনি নিজ মাতৃভূমির সুরক্ষায় নিবেদিত।

7। ‘নিজগৃহপথ, তাত, দেখাও তস্করে?’- এখানে ‘তস্কর’ বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে?

  • ক. রামচন্দ্রকে
  • খ. রাবণকে
  • গ. বিভীষণকে
  • ঘ. লক্ষ্মণকে

উত্তর: ঘ। চোরের মতো গোপনে যজ্ঞাগারে প্রবেশ করায় মেঘনাদ লক্ষ্মণকে তস্কর বা চোর হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।

8। মেঘনাদ বিভীষণকে ‘চণ্ডাল’ শব্দের সাথে কার তুলনা করেছেন?

  • ক. রামের
  • খ. বানরসেনার
  • গ. লক্ষ্মণের
  • ঘ. নিজের

উত্তর: গ। ‘চণ্ডালে বসাও আনি রাজার আলয়ে’- চণ্ডাল বলতে এখানে হীন লক্ষ্মণকে বোঝানো হয়েছে, যাকে বিভীষণ পথ দেখিয়ে এনেছেন।

9। মেঘনাদ কোথায় পূজা সম্পন্ন করতে মনস্থির করেছিলেন?

  • ক. অশোক বনে
  • খ. নিকুম্ভিলা যজ্ঞাগারে
  • গ. শিব মন্দিরে
  • ঘ. রাজপ্রাসাদে

উত্তর: খ। যুদ্ধযাত্রা নিশ্চিত করার জন্য মেঘনাদ নিকুম্ভিলা যজ্ঞাগারে ইষ্টদেবতা অগ্নিদেবের পূজা সম্পন্ন করতে চেয়েছিলেন।

10। নিকুম্ভিলা যজ্ঞাগারে মেঘনাদ কোন দেবতার পূজারত ছিলেন?

  • ক. ইন্দ্র
  • খ. শিব
  • গ. ব্রহ্মা
  • ঘ. বৈশ্বানর বা অগ্নিদেব

উত্তর: ঘ। পাঠ-পরিচিতি অনুযায়ী মেঘনাদ ইষ্টদেবতা বৈশ্বানর বা অগ্নিদেবের পূজারত অবস্থায় ছিলেন।

11। লক্ষ্মণের যজ্ঞাগারে অনুপ্রবেশে কারা সহায়তা করেছিল?

  • ক. রামচন্দ্র ও হনুমান
  • খ. সীতা ও মায়া দেবী
  • গ. মায়া দেবী ও বিভীষণ
  • ঘ. কেবল বিভীষণ

উত্তর: গ। পাঠ-পরিচিতিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে মায়া দেবীর আনুকূল্যে এবং বিভীষণের সহায়তায় লক্ষ্মণ যজ্ঞাগারে প্রবেশ করে।

12। মেঘনাদের চোখে লক্ষ্মণের সাথে যুদ্ধপ্রার্থনা কেমন ছিল?

  • ক. কাপুরুষোচিত ও অন্যায়
  • খ. বীরত্বপূর্ণ
  • গ. সম্মানজনক
  • ঘ. মহারথী-প্রথা সম্মত

উত্তর: ক। নিরস্ত্র যজ্ঞরত ব্যক্তির সাথে যুদ্ধ চাওয়া বীরের কাজ নয়, তাই মেঘনাদ একে অন্যায় ও কাপুরুষোচিত বলেছেন।

13। ‘ছাড় দ্বার, যাব অস্ত্রাগারে’- মেঘনাদ অস্ত্রাগারে যেতে চেয়েছিলেন কেন?

  • ক. আত্মরক্ষা করে পালাতে
  • খ. বিভীষণকে হত্যা করতে
  • গ. অস্ত্র লুকিয়ে রাখতে
  • ঘ. লক্ষ্মণের সাথে যুদ্ধের জন্য অস্ত্র আনতে

উত্তর: ঘ। নিরস্ত্র মেঘনাদ লক্ষ্মণের সাথে যুদ্ধ করার জন্য অস্ত্রাগার থেকে অস্ত্র আনতে পথ ছাড়তে বলেছিলেন।

14। ‘পাঠাইব রামানুজে শমন-ভবনে’- এখানে ‘রামানুজ’ কে?

  • ক. বিভীষণ
  • খ. কুম্ভকর্ণ
  • গ. মেঘনাদ
  • ঘ. লক্ষ্মণ

উত্তর: ঘ। রামের অনুজ (ছোট ভাই) হিসেবে এখানে লক্ষ্মণকে রামানুজ বলা হয়েছে।

15। ‘শমন-ভবনে’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

  • ক. রাবণের সভায়
  • খ. স্বর্গালয়ে
  • গ. রামের প্রাসাদে
  • ঘ. যমালয়ে বা মৃত্যুর দেশে

উত্তর: ঘ। শমন অর্থ যম, তাই শমন-ভবন মানে যমালয়, যেখানে মেঘনাদ লক্ষ্মণকে পাঠাতে চেয়েছিলেন।

16। ‘লঙ্কার কলঙ্ক আজি ভঞ্জিব আহবে’- কীভাবে মেঘনাদ কলঙ্ক মোচন করতে চান?

  • ক. রামের দাসত্ব মেনে
  • খ. সন্ধি করে
  • গ. যুদ্ধে লক্ষ্মণকে হত্যা করে
  • ঘ. যজ্ঞ সম্পন্ন করে

উত্তর: গ। ‘ভঞ্জিব আহবে’ অর্থাৎ যুদ্ধের মাধ্যমে লক্ষ্মণকে বিনাশ করে তিনি লঙ্কাপুরীর কলঙ্ক মুছতে চেয়েছেন।

17। বিভীষণ নিজেকে কেন মেঘনাদের অনুরোধ রক্ষায় অপারগ জানান?

  • ক. তিনি রাবণের উপর রাগান্বিত
  • খ. তার অস্ত্র ছিল না
  • গ. তিনি রাঘবের (রামের) দাস
  • ঘ. তিনি মেঘনাদকে ভয় পান

উত্তর: গ। বিভীষণ বলেন, \”রাঘবদাস আমি; কী প্রকারে তাঁহার বিপক্ষ কাজ করিব\”, তাই তিনি পথ ছাড়তে রাজি হননি।

18। ‘হে পিতৃব্য, তব বাক্যে ইচ্ছি মরিবারে!’- মেঘনাদ কেন এ কথা বলেছেন?

  • ক. পিতৃব্য রামের দাসত্ব স্বীকার করায় চরম হতাশায়
  • খ. রাবণের মৃত্যু সংবাদ শুনে
  • গ. লক্ষ্মণের ভয়ে
  • ঘ. যুদ্ধে পরাজয় নিশ্চিত জেনে

উত্তর: ক। রাক্ষসকুলের একজন হয়েও বিভীষণ যখন নিজেকে রামের দাস বলেন, তখন এই তীব্র অপমানে মেঘনাদের মরে যেতে ইচ্ছা করে।

19। মেঘনাদ চাঁদ (বিধু)-এর উদাহরণ দিয়ে কী বোঝাতে চেয়েছেন?

  • ক. চাঁদের কলঙ্ক
  • খ. চাঁদের সৌন্দর্য
  • গ. উচ্চবংশের সম্মান ও মহত্ত্ব
  • ঘ. শিবের মহিমা

উত্তর: গ। বিধাতা চাঁদকে নিশ্চল আকাশে স্থান দিয়েছেন, সে কখনও ধুলোয় লুটায় না; তেমনি উচ্চবংশীয় বিভীষণেরও হীন রামের দাসত্ব করা সাজে না।

20। ‘রাজহংস’ ও ‘পঙ্কিল সলিল’-এর উপমা দিয়ে মেঘনাদ কী বুঝিয়েছেন?

  • ক. রাজহংসের রূপ
  • খ. রাক্ষসদের জলকেলি
  • গ. উচ্চবংশীয়দের নীচ কাজে অনাগ্রহ
  • ঘ. পদ্মবনের সৌন্দর্য

উত্তর: গ। স্বচ্ছ জলে বাস করা রাজহংস যেমন কাদা-জলে যায় না, তেমনি রাক্ষস বংশের বীর বিভীষণেরও নীচ রামের সাথে মেশা উচিত নয়।

21। ‘মৃগেন্দ্র কেশরী’ বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে?

  • ক. হাতিকে
  • খ. পশুরাজ সিংহকে
  • গ. হরিণকে
  • ঘ. বানরকে

উত্তর: খ। ‘মৃগেন্দ্র’ এবং ‘কেশরী’ উভয় শব্দই পশুরাজ সিংহকে নির্দেশ করে।

22। মেঘনাদ সিংহ ও শৃগালের উপমায় কী বুঝিয়েছেন?

  • ক. বনের প্রাণীদের স্বভাব
  • খ. বীর কখনো কাপুরুষের সাথে মিত্রতা করে না
  • গ. শৃগালের ধূর্ততা
  • ঘ. সিংহের শ্রেষ্ঠত্ব

উত্তর: খ। সিংহ (রাক্ষসকুল) কখনো শৃগালের (রাম-লক্ষ্মণ) সাথে মিত্রতা করে না, এটাই মেঘনাদ এই উপমায় বুঝিয়েছেন।

23। ‘মহারথী-প্রথা’ বলতে কী বোঝায়?

  • ক. রাজসভায় বসার রীতি
  • খ. শ্রেষ্ঠ বীরদের আচরণ-প্রথা
  • গ. রথ চালানোর নিয়ম
  • ঘ. যুদ্ধ থেকে পালানোর প্রথা

উত্তর: খ। মহারথী বা শ্রেষ্ঠ বীরদের যে যুদ্ধনীতি ও আচরণবিধি থাকে, তাকেই মহারথী-প্রথা বলা হয়েছে।

24। মেঘনাদের মতে লক্ষ্মণের যুদ্ধপ্রার্থনা মহারথী-প্রথা বিরোধী কেন?

  • ক. লক্ষ্মণ নিরস্ত্র যোদ্ধাকে যুদ্ধে আহ্বান করেছে
  • খ. লক্ষ্মণ যজ্ঞাগারে প্রবেশ করেছে
  • গ. লক্ষ্মণ রামের ভাই
  • ঘ. লক্ষ্মণ মেঘনাদের চেয়ে বয়সে ছোট

উত্তর: ক। নিরস্ত্র ও পূজারত কারও সাথে যুদ্ধ করা শ্রেষ্ঠ বীরদের নিয়মের বিরোধী, তাই মেঘনাদ একে মহারথী-প্রথা বিরোধী বলেছেন।

25। ‘নাহি শিশু লঙ্কাপুরে, শুনি না হাসিবে এ কথা!’- কোন কথার কথা বলা হয়েছে?

  • ক. লক্ষ্মণের নিরস্ত্র মেঘনাদের কাছে যুদ্ধপ্রার্থনার কথা
  • খ. রামের লঙ্কা আক্রমণের কথা
  • গ. মেঘনাদের অস্ত্রহীন থাকার কথা
  • ঘ. বিভীষণের রামের দাস হওয়ার কথা

উত্তর: ক। দুর্বল লক্ষ্মণ যে নিরস্ত্র বীর মেঘনাদের কাছে যুদ্ধ চাইছে, এ কথা শুনলে লঙ্কার শিশুরাও হাসবে বলে মেঘনাদ ব্যঙ্গ করেছেন।

26। ‘দেব-দৈত্য-নর-রণে, স্বচক্ষে দেখেছ, রক্ষঃশ্রেষ্ঠ, পরাক্রম দাসের!’- এখানে ‘দাসের’ বলতে কার কথা বলা হয়েছে?

  • ক. রামের
  • খ. লক্ষ্মণের
  • গ. মেঘনাদের নিজের
  • ঘ. বিভীষণের

উত্তর: গ। মেঘনাদ বিভীষণকে উদ্দেশ্য করে নিজের বীরত্ব ও পরাক্রমের কথা বোঝাতে বিনয়বশত নিজেকে ‘দাস’ বলে উল্লেখ করেছেন।

27। মেঘনাদ নিজেকে ‘বাসববিজয়ী’ কেন বলেছেন?

  • ক. তিনি রামকে জয় করেছিলেন
  • খ. তিনি যজ্ঞ সম্পন্ন করেছিলেন
  • গ. তিনি রাবণকে জয় করেছিলেন
  • ঘ. তিনি বাসব বা ইন্দ্রকে জয় করেছিলেন

উত্তর: ঘ। দেবতাদের রাজা ইন্দ্র বা বাসবকে যুদ্ধে পরাস্ত করার কারণেই মেঘনাদকে বাসববিজয়ী বা ইন্দ্রজিৎ বলা হয়।

28। ‘প্রগলভে পশিল দম্ভী’- এখানে ‘দম্ভী’ বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে?

  • ক. রাবণকে
  • খ. রামকে
  • গ. মেঘনাদকে
  • ঘ. লক্ষ্মণকে

উত্তর: ঘ। দাম্ভিক চিত্তে নিকুম্ভিলা যজ্ঞাগারে প্রবেশকারী লক্ষ্মণকেই এখানে দম্ভী বলা হয়েছে।

29। ‘হে বিধাতঃ, নন্দন-কাননে ভ্রমে দুরাচার দৈত্য?’- নন্দন-কানন বলতে এখানে কী বোঝানো হয়েছে?

  • ক. রামের বাসস্থান
  • খ. স্বর্গীয় উদ্যান বা লঙ্কাপুরী
  • গ. পাতালপুরী
  • ঘ. সীতার কারাগার

উত্তর: খ। লঙ্কাপুরী মেঘনাদের কাছে স্বর্গের উদ্যান বা নন্দন-কাননের মতো পবিত্র, যেখানে লক্ষ্মণরূপী দৈত্য প্রবেশ করেছে।

30। মেঘনাদ লক্ষ্মণকে কীসের সাথে তুলনা করেছেন?

  • ক. দুরাচার দৈত্য ও কীট
  • খ. স্বচ্ছ সরোবর
  • গ. নন্দন-কানন
  • ঘ. প্রফুল্ল কমল

উত্তর: ক। মেঘনাদ নন্দন-কাননে প্রবেশকারী দুরাচার দৈত্য এবং প্রফুল্ল কমলে বাস করা কীটের সাথে লক্ষ্মণের তুলনা করেছেন।

31। মেঘনাদের তীব্র ভর্ৎসনায় বিভীষণের অবস্থা কেমন হয়েছিল?

  • ক. তিনি অট্টহাসি হেসেছিলেন
  • খ. তিনি রেগে আক্রমণ করেছিলেন
  • গ. তিনি রামকে ডাকতে শুরু করেন
  • ঘ. মহামন্ত্র-বলে অবনত সাপের মতো তিনি লজ্জিত হয়েছিলেন

উত্তর: ঘ। ‘মহামন্ত্র-বলে যথা নম্রশিরঃ ফণী, মলিনবদন লাজে’- মেঘনাদের কথায় বিভীষণ লজ্জিত ও মাথা নত করেছিলেন।

32। বিভীষণ রাবণকে লঙ্কার পতনের জন্য কীভাবে দায়ী করেছেন?

  • ক. সীতাকে হরণ না করার জন্য
  • খ. নিজ কর্মদোষ বা পাপের জন্য
  • গ. মেঘনাদের অহংকারের জন্য
  • ঘ. দুর্বল সেনাবাহিনীর জন্য

উত্তর: খ। বিভীষণ বলেন, \”নিজকর্ম-দোষে, হায়, মজাইলা এ কনক-লঙ্কা রাজা\”, অর্থাৎ রাবণ নিজের পাপেই লঙ্কার সর্বনাশ ডেকে এনেছেন।

33। ‘ডুবিছে লঙ্কা এ কালসলিলে!’- বিভীষণের মতে লঙ্কার এই অবস্থার কারণ কী?

  • ক. দেবতাদের অভিশাপ
  • খ. রাবণের পাপ
  • গ. মেঘনাদের দুর্বলতা
  • ঘ. রামের পরাক্রম

উত্তর: খ। রাবণের পাপে লঙ্কাপুরী পাপপূর্ণ হয়ে গেছে বলেই তা কালসলিলে বা প্রলয়জলে ডুবছে বলে বিভীষণ দাবি করেন।

34। বিভীষণ কেন রামের আশ্রয় নিয়েছিলেন?

  • ক. পরদোষে মজে না গিয়ে নিজেকে রক্ষা করার জন্য
  • খ. লঙ্কার রাজত্ব পাওয়ার লোভে
  • গ. রাবণ তাকে তাড়িয়ে দেওয়ায়
  • ঘ. মেঘনাদের ওপর প্রতিশোধ নিতে

উত্তর: ক। \”পরদোষে কে চাহে মজিতে?\”- রাবণের পাপে লঙ্কার পতন আসন্ন জেনে নিজেকে রক্ষার জন্যই বিভীষণ রামের আশ্রয় নেন।

35। ‘রুষিলা বাসবত্রাস।’- এখানে ‘বাসবত্রাস’ কে?

  • ক. কুম্ভকর্ণ
  • খ. মেঘনাদ
  • গ. ইন্দ্র
  • ঘ. রাবণ

উত্তর: খ। দেবরাজ বাসব বা ইন্দ্র যার ভয়ে ভীত থাকে অর্থাৎ বাসবের ত্রাস হলেন মেঘনাদ।

36। মেঘনাদ বিভীষণের যুক্তি শুনে কোন শাস্ত্রের কথা স্মরণ করিয়ে দেন?

  • ক. মনুস্মৃতি
  • খ. পুরাণ
  • গ. জাতিত্ব ও ভ্রাতৃত্ববোধের নীতি
  • ঘ. বেদ

উত্তর: গ। তিনি বলেন, \”শাস্ত্রে বলে, গুণবান যদি পরজন, গুণহীন স্বজন, তথাপি নির্গুণ স্বজন শ্রেয়ঃ, পরঃ পরঃ সদা!\”

37। ‘পরঃ পরঃ সদা!’- কথাটির অর্থ কী?

  • ক. পরপর আঘাত করা
  • খ. পরকাল সম্পর্কে সচেতন হওয়া
  • গ. পরের উপকার করা উচিত
  • ঘ. পর সবসময় পরই থেকে যায়

উত্তর: ঘ। গুণবান হলেও পর ব্যক্তি সবসময় পরই থাকে, সে কখনো আপন হতে পারে না।

38। ‘গতি যার নীচসহ, নীচ সে দুর্মতি।’- কথাটি মেঘনাদ কাকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন?

  • ক. বিভীষণকে
  • খ. রাবণকে
  • গ. রামকে
  • ঘ. লক্ষ্মণকে

উত্তর: ক। রাম-লক্ষ্মণের মতো নীচদের সাথে মেশার কারণে পিতৃব্য বিভীষণও বর্বরতা শিখেছে এবং তার মন নীচ হয়ে গেছে বোঝাতে মেঘনাদ এ কথা বলেন।

39। ‘নিশীথে অম্বরে মন্দ্রে জীমূতেন্দ্র কোপি’- এর অর্থ কী?

  • ক. সাগরের উত্তাল ঢেউ
  • খ. গভীর রাতে আকাশে মেঘের প্রবল গর্জন
  • গ. সিংহের ভয়ংকর ডাক
  • ঘ. রাতের আকাশে চাঁদের আলো

উত্তর: খ। ‘নিশীথ’ অর্থ রাত, ‘অম্বর’ আকাশ এবং ‘জীমূতেন্দ্র’ মানে মেঘের ডাক। অর্থাৎ রাতে মেঘের গর্জনের মতো মেঘনাদ কথা বলে উঠলেন।

40। রাবণ-অনুজ বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে?

  • ক. মেঘনাদকে
  • খ. কুম্ভকর্ণকে
  • গ. বিভীষণকে
  • ঘ. বীরবাহুকে

উত্তর: গ। রাবণের অনুজ বা ছোট ভাই হলেন বিভীষণ।

41। রাবণ-আত্মজ বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে?

  • ক. লক্ষ্মণকে
  • খ. বিভীষণকে
  • গ. ইন্দ্রকে
  • ঘ. মেঘনাদকে

উত্তর: ঘ। রাবণের আত্মজ বা পুত্র হলেন মেঘনাদ।

42। ‘শূলীশম্ভুনিভ’ শব্দের অর্থ কী?

  • ক. যমরাজের মতো
  • খ. ইন্দ্রের বজ্রের মতো
  • গ. বিষ্ণুর মতো
  • ঘ. ত্রিশূল হাতে শিবের মতো

উত্তর: ঘ। শূলপাণি মহাদেব বা শিবের মতো শক্তিশালী বোঝাতে এই শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে (কুম্ভকর্ণের প্রসঙ্গে)।

43। ‘নিকষা’ কে ছিলেন?

  • ক. রাবণ, কুম্ভকর্ণ ও বিভীষণের মা
  • খ. রাবণের স্ত্রী
  • গ. সীতার পরিচারিকা
  • ঘ. মেঘনাদের মা

উত্তর: ক। নিকষা সতী ছিলেন রাবণ, কুম্ভকর্ণ ও বিভীষণের জননী। মেঘনাদ বিভীষণকে তার উচ্চবংশের কথা মনে করাতে মায়ের নাম উল্লেখ করেন।

44। মেঘনাদের অপর নাম ইন্দ্রজিৎ কেন?

  • ক. তিনি দেবতাদের রাজা ইন্দ্রকে যুদ্ধে জয় করেছিলেন বলে
  • খ. ইন্দ্র তাকে বর দিয়েছিলেন বলে
  • গ. ইন্দ্রের সাথে তার মিত্রতা ছিল বলে
  • ঘ. ইন্দ্রের রূপ ধারণ করেছিলেন বলে

উত্তর: ক। বাসব বা ইন্দ্রকে জয় করার কারণে মেঘনাদকে বাসববিজয়ী বা ইন্দ্রজিৎ বলা হয়।

45। ‘অরিন্দম’ শব্দের অর্থ কী?

  • ক. অরণ্যের দেবতা
  • খ. অহংকারী ব্যক্তি
  • গ. আকাশ থেকে নেমে আসা বীর
  • ঘ. অরি বা শত্রুকে দমন করে যে

উত্তর: ঘ। অরি অর্থাৎ শত্রুকে যে দমন করে। এখানে মেঘনাদকে অরিন্দম বলা হয়েছে।

46। ‘সৌমিত্রি’ কার অপর নাম?

  • ক. রামের
  • খ. ভরতের
  • গ. লক্ষ্মণের
  • ঘ. শত্রুঘ্নের

উত্তর: গ। সুমিত্রার গর্ভজাত সন্তান বলে লক্ষ্মণকে সৌমিত্রি বলা হয়।

47। রাবণের রাজত্ব কোথায় ছিল?

  • ক. কিষ্কিন্ধ্যায়
  • খ. কৈলাসে
  • গ. স্বর্ণলঙ্কায়
  • ঘ. অযোধ্যায়

উত্তর: গ। রাবণ ছিলেন দ্বীপরাজ্য স্বর্ণলঙ্কার রাজা।

48। ‘ভর্ৎস’ শব্দের অর্থ কী?

  • ক. ভর্ৎসনা বা তিরস্কার করা
  • খ. প্রশংসা করা
  • গ. পূজা করা
  • ঘ. ভয় দেখানো

উত্তর: ক। বিভীষণ মেঘনাদকে উদ্দেশ্য করে বলেছিলেন, \”বৃথা ভর্ৎস মোরে তুমি\”, অর্থাৎ আমাকে অযথা তিরস্কার করছ।

49। ‘অবিদিত নহে কিছু তোমার চরণে।’- মেঘনাদ কেন এ কথা বলেছেন?

  • ক. বিভীষণ কিছুই জানেন না বলে
  • খ. বিভীষণ সব ভুলে গেছেন বলে
  • গ. মেঘনাদ বিভীষণকে ব্যঙ্গ করতে চেয়েছেন বলে
  • ঘ. বিভীষণ জ্ঞানী ও বিজ্ঞতম বলে

উত্তর: ঘ। মেঘনাদ বিভীষণকে বিজ্ঞ ও জ্ঞানী মনে করতেন, তাই তিনি বলেন যে বিভীষণের অজানা কিছুই নেই।

50। মেঘনাদ লক্ষ্মণকে শাস্তিদানের জন্য কার আজ্ঞা বা অনুমতি চেয়েছিলেন?

  • ক. রাবণের
  • খ. রামের
  • গ. বিভীষণের (পিতৃব্যের)
  • ঘ. মন্দোদরীর

উত্তর: গ। \”আজ্ঞা কর দাসে, শাস্তি নরাধমে\”- মেঘনাদ তার গুরুজন পিতৃব্য বিভীষণের কাছেই পথ ছাড়ার ও শাস্তি দেওয়ার আজ্ঞা চেয়েছিলেন।

51। উদ্দীপকের মীরজাফরের সাথে ‘বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ’ কাব্যাংশের কোন চরিত্রের মিল রয়েছে?

  • ক. রাম
  • খ. মেঘনাদ
  • গ. রাবণ
  • ঘ. বিভীষণ

উত্তর: ঘ। মীরজাফর যেমন নিজ দেশের নবাবের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে বিদেশিদের সাহায্য করেছিল, বিভীষণও তেমনি নিজ ভাতিজা ও দেশের বিরুদ্ধে গিয়ে বহিরাগত রাম-লক্ষ্মণকে সাহায্য করেছিল।

52। উদ্দীপক ও কাব্যাংশটির মূল সাদৃশ্য কোন চেতনায়?

  • ক. দেশপ্রেম
  • খ. যুদ্ধকৌশল
  • গ. বিশ্বাসঘাতকতা ও স্বজনদ্রোহিতা
  • ঘ. বীরত্ব

উত্তর: গ। উভয় ক্ষেত্রেই আপনজনের বিশ্বাসঘাতকতা ও স্বজনদ্রোহিতার কারণে নিজ পক্ষের পতন বা বিপদের কথা ফুটে উঠেছে।

53। করিম সাহেবের দরিদ্র ভাইয়ের গুরুত্ব কাব্যাংশের কোন চরণের ভাবার্থকে সমর্থন করে?

  • ক. গুণহীন স্বজন, তথাপি নির্গুণ স্বজন শ্রেয়ঃ, পরঃ পরঃ সদা!
  • খ. প্রফুল্ল কমলে কীটবাস
  • গ. রাঘবদাস আমি
  • ঘ. গতি যার নীচসহ, নীচ সে দুর্মতি

উত্তর: ক। গুণহীন আপনজনও যে বাইরের গুণবান লোকের চেয়ে শ্রেষ্ঠ, এই সত্যটিই উদ্দীপকে এবং মেঘনাদের এই উক্তিতে প্রতিফলিত হয়েছে।

54। উদ্দীপকের করিম সাহেবের আচরণের সাথে কাব্যাংশের বিভীষণের আচরণের সাদৃশ্য কোথায়?

  • ক. ভীরু প্রকৃতির হওয়ায়
  • খ. ধার্মিক হওয়ায়
  • গ. ধন-সম্পদের লোভে
  • ঘ. নিজ স্বজনকে অবজ্ঞা করে পরকে আপন ভাবায়

উত্তর: ঘ। করিম সাহেব যেমন দরিদ্র ভাইকে অবজ্ঞা করে বাইরের প্রভাবশালীকে আপন ভেবেছিলেন, বিভীষণও রাক্ষসকুলকে ত্যাগ করে বাইরের রামের আশ্রয় নিয়েছিলেন।

55। উদ্দীপকের রাজাকারদের কর্মকাণ্ড কাব্যাংশের কার কর্মকাণ্ডের সমতুল্য?

  • ক. রাবণের
  • খ. রামের
  • গ. বিভীষণের
  • ঘ. লক্ষ্মণের

উত্তর: গ। রাজাকাররা যেমন নিজ দেশের বিরুদ্ধে কাজ করেছে, বিভীষণও তেমনি লঙ্কার বিরুদ্ধে গিয়ে রাম-লক্ষ্মণকে সহায়তা করেছে।

56। মেঘনাদের কোন উক্তিটি উদ্দীপকের রাজাকারদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হতে পারে?

  • ক. রাঘবদাস আমি
  • খ. স্থাপিলা বিধুরে বিধি স্থাণুর ললাটে
  • গ. নিজগৃহপথ, তাত, দেখাও তস্করে?
  • ঘ. মহারথী-প্রথা কি এ?

উত্তর: গ। নিজের ঘরের পথ বা দেশের গোপন তথ্য শত্রুদের (তস্করদের) হাতে তুলে দেওয়ার এই উক্তিটি রাজাকারদের দেশদ্রোহিতার সাথে মিলে যায়।

57। তারিকের এই মানসিকতায় মেঘনাদের কোন বৈশিষ্ট্যের প্রকাশ ঘটেছে?

  • ক. বীরত্ব ও যুদ্ধনীতি (মহারথী-প্রথা)
  • খ. ভীরুতা
  • গ. বিশ্বাসঘাতকতা
  • ঘ. অহংকার

উত্তর: ক। মেঘনাদ যেমন নিরস্ত্র অবস্থায় লক্ষ্মণের আক্রমণকে মহারথী-প্রথার পরিপন্থী ও কাপুরুষোচিত বলেছিলেন, তারিকের কথাতেও সেই বীরত্ব ও নীতির প্রকাশ ঘটেছে।

58। কাব্যাংশের কোন লাইনে উদ্দীপকের ভাবটি প্রতিফলিত?

  • ক. কহ, মহারথী, এ কি মহারথী-প্রথা?
  • খ. নাহি শিশু লঙ্কাপুরে, শুনি না হাসিবে এ কথা!
  • গ. গতি যার নীচসহ, নীচ সে দুর্মতি
  • ঘ. শাস্ত্রে বলে, গুণবান যদি পরজন

উত্তর: ক। সম্মুখ সমরের আহ্বান এবং কাপুরুষোচিত আক্রমণের প্রতিবাদ ‘এ কি মহারথী-প্রথা?’ চরণের মাধ্যমেই কাব্যাংশে ব্যক্ত হয়েছে।

59। শিমুলের মানসিকতায় কাব্যাংশের কোন চরিত্রের প্রতিফলন দেখা যায়?

  • ক. লক্ষ্মণ
  • খ. রাম
  • গ. মেঘনাদ
  • ঘ. বিভীষণ

উত্তর: গ। মেঘনাদ তার রাক্ষসবংশের ঐতিহ্য নিয়ে গর্বিত ছিলেন এবং বিভীষণকে তার বংশের মহত্ত্ব স্মরণ করিয়ে দিয়ে হীন রামের দাসত্ব করতে বারণ করেছিলেন।

60। এই বংশমর্যাদাবোধ বোঝাতে মেঘনাদ কোন উপমাটি ব্যবহার করেছেন?

  • ক. মৃগেন্দ্র কেশরী, কবে, হে বীরকেশরী, সম্ভাষে শৃগালে মিত্রভাবে
  • খ. মহামন্ত্র-বলে যথা নম্রশিরঃ ফণী
  • গ. জীমূতেন্দ্র কোপি
  • ঘ. প্রফুল্ল কমলে কীটবাস

উত্তর: ক। সিংহ (উচ্চ বংশ) কখনো শৃগালের (হীন ব্যক্তি) সাথে মিত্রতা করে না- এই উপমা দিয়ে মেঘনাদ উচ্চবংশের মর্যাদাবোধ বুঝিয়েছেন।

61। ‘পশিল রক্ষঃপুরে!’- এখানে ‘পশিল’ অর্থ কী?

  • ক. প্রবেশ করল
  • খ. পলায়ন করল
  • গ. পূজা করল
  • ঘ. আক্রমণ করল

উত্তর: ক। পশিল শব্দের অর্থ প্রবেশ করল। লক্ষ্মণ রক্ষঃপুরে বা যজ্ঞাগারে প্রবেশ করেছিল।

62। ‘নিকষা সতী তোমার জননী’- মেঘনাদ এই উক্তি দিয়ে বিভীষণকে কী বোঝাতে চেয়েছেন?

  • ক. মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা
  • খ. সীতার পবিত্রতা
  • গ. সতী নারীর মর্যাদা
  • ঘ. রাক্ষসবংশের শ্রেষ্ঠত্ব ও পবিত্রতা

উত্তর: ঘ। সতী নিকষার সন্তান হিসেবে বিভীষণের জন্ম যে এক উচ্চ ও পবিত্র বংশে, মেঘনাদ সেটাই স্মরণ করিয়ে দিতে চেয়েছেন।

63। ‘সহোদর রক্ষঃশ্রেষ্ঠ’- এখানে ‘রক্ষঃশ্রেষ্ঠ’ কে?

  • ক. মেঘনাদ
  • খ. বিভীষণ
  • গ. রাবণ
  • ঘ. কুম্ভকর্ণ

উত্তর: গ। রাক্ষসকুলের শ্রেষ্ঠ হিসেবে বিভীষণের সহোদর রাবণকে বোঝানো হয়েছে।

64। ‘কিন্তু নাহি গঞ্জি তোমা’- মেঘনাদ কেন বিভীষণকে গঞ্জনা বা তিরস্কার করতে চাননি?

  • ক. বিভীষণ শক্তিশালী ছিলেন বলে
  • খ. বিভীষণ ভুল স্বীকার করেছিলেন বলে
  • গ. রামের ভয়ে
  • ঘ. বিভীষণ গুরুজন ও পিতৃতুল্য বলে

উত্তর: ঘ। মেঘনাদ বলেছেন, \”গুরুজন তুমি পিতৃতুল্য\”, তাই তিনি তাকে গঞ্জনা দিতে চান না।

65। ‘রাঘবদাস আমি’- বিভীষণের এই উত্তরে কোন মনোভাব প্রকাশ পেয়েছে?

  • ক. দেশপ্রেম
  • খ. আত্মসমর্পণ ও দাসত্ববোধ
  • গ. অহংকার
  • ঘ. অনুশোচনা

উত্তর: খ। রামের (রাঘবের) কাছে নিজেকে দাস হিসেবে পরিচয় দেওয়ায় বিভীষণের চরম দাসত্ববোধ প্রকাশ পেয়েছে।

66। ‘স্থাপিলা বিধুরে বিধি স্থাণুর ললাটে’- এখানে ‘স্থাণু’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

  • ক. শিব
  • খ. নিশ্চল (আকাশ/শিবের কপাল)
  • গ. আকাশ
  • ঘ. ধূলিকণা

উত্তর: খ। স্থাণু মানে নিশ্চল। বিধাতা চাঁদকে নিশ্চল আকাশে (বা শিবের কপালে) স্থাপন করেছেন।

67। ‘পড়ি কি ভূতলে শশী যান গড়াগড়ি ধূলায়?’- এখানে ‘শশী’ কার প্রতীক?

  • ক. সীতার
  • খ. লক্ষ্মণের
  • গ. উচ্চবংশীয় মর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তির (বিভীষণ)
  • ঘ. রামের

উত্তর: গ। চাঁদ বা শশী যেমন ধুলোয় গড়ায় না, তেমনি উচ্চবংশীয় বিভীষণেরও নীচদের সাথে মেশা উচিত নয়। শশী এখানে বিভীষণের মর্যাদার প্রতীক।

68। ‘স্বচ্ছ সরোবরে করে কেলি রাজহংস’- এখানে ‘রাজহংস’ কাকে নির্দেশ করে?

  • ক. লক্ষ্মণকে
  • খ. দেবতাদের
  • গ. রামকে
  • ঘ. রাক্ষসকুলকে বা বিভীষণকে

উত্তর: ঘ। স্বচ্ছ জলে খেলা করা রাজহংসের মতো রাক্ষসকুলের বীরদের অবস্থান অনেক উঁচুতে। এটি বিভীষণের উচ্চবংশকে নির্দেশ করে।

69। ‘পঙ্কিল সলিলে, শৈবালদলের ধাম’- এটি কাদের অবস্থান নির্দেশ করে?

  • ক. দেবতাদের
  • খ. রাক্ষসদের
  • গ. রাম-লক্ষ্মণ ও তাদের বানরসেনার
  • ঘ. মেঘনাদের

উত্তর: গ। কাদা-জলে পূর্ণ শৈবালের আবাস বলতে এখানে রাম-লক্ষ্মণের নীচ ও হীন অবস্থানকে বোঝানো হয়েছে।

70। ‘অজ্ঞ দাস, বিজ্ঞতম তুমি’- এখানে ‘অজ্ঞ দাস’ কে?

  • ক. মেঘনাদ
  • খ. লক্ষ্মণ
  • গ. বিভীষণ
  • ঘ. হনুমান

উত্তর: ক। মেঘনাদ পিতৃব্যকে সম্মান দেখিয়ে নিজেকে ‘অজ্ঞ দাস’ এবং বিভীষণকে ‘বিজ্ঞতম’ বলেছেন।

71। ‘ক্ষুদ্রমতি নর, শূর, লক্ষ্মণ’- মেঘনাদ লক্ষ্মণকে ‘ক্ষুদ্রমতি’ কেন বলেছেন?

  • ক. সে নিরস্ত্রকে আক্রমণ করতে এসেছে বলে তার মন নীচ
  • খ. সে বানরসেনা নিয়ে এসেছে বলে
  • গ. সে আকারে ছোট বলে
  • ঘ. সে মেঘনাদকে ভয় পায় বলে

উত্তর: ক। মহারথী প্রথা ভেঙে নিরস্ত্রকে যুদ্ধের আহ্বান জানানোয় মেঘনাদ লক্ষ্মণকে ক্ষুদ্রমতি বা হীনমনা বলেছেন।

72। ‘বিমুখে সমরে মোরে সৌমিত্রিকুমতি!’- এখানে ‘সুমতি’র বিপরীত ‘কুমতি’ শব্দটি কেন ব্যবহৃত হয়েছে?

  • ক. লক্ষ্মণ যুদ্ধে পারদর্শী বলে
  • খ. লক্ষ্মণ খুব জ্ঞানী বলে
  • গ. মেঘনাদের স্তুতি করতে
  • ঘ. লক্ষ্মণের মন্দ বা অসৎ বুদ্ধি বোঝাতে

উত্তর: ঘ। লক্ষ্মণের অসৎ উদ্দেশ্য ও নীচ মানসিকতা বোঝাতেই তাকে সৌমিত্রি-কুমতি বলা হয়েছে।

73। ‘কী দেখি ডরিবে এ দাস হেন দুর্বল মানবে?’- মেঘনাদ লক্ষ্মণকে কী ভেবেছেন?

  • ক. দৈত্য
  • খ. দুর্বল মানব
  • গ. মহাবীর
  • ঘ. দেবতা

উত্তর: খ। মেঘনাদ দেব-দৈত্য জয় করেছেন, তাই লক্ষ্মণকে তিনি সামান্য দুর্বল মানব হিসেবেই জ্ঞান করেছেন।

74। ‘দম্ভী’ শব্দের অর্থ কী?

  • ক. দাম্ভিক বা অহংকারী
  • খ. বিনয়ী
  • গ. ভীতু
  • ঘ. শক্তিশালী

উত্তর: ক। দম্ভ করে যে, তাকে দম্ভী বলে। লক্ষ্মণ দাম্ভিক চিত্তে প্রবেশ করেছিল বলে তাকে দম্ভী বলা হয়েছে।

75। ‘তব জন্মপুরে, তাত, পদার্পণ করে বনবাসী!’- এখানে বনবাসী কে?

  • ক. ঋষি
  • খ. রাম-লক্ষ্মণ
  • গ. রাবণ
  • ঘ. মেঘনাদ

উত্তর: খ। রাম-লক্ষ্মণ বনবাসে ছিল, তাই মেঘনাদ তাদের বনবাসী বলে উল্লেখ করেছেন।

76। ‘প্রফুল্ল কমলে কীটবাস?’- এই উপমায় ‘কীট’ বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে?

  • ক. বিভীষণকে
  • খ. মেঘনাদকে
  • গ. লক্ষ্মণকে
  • ঘ. রামকে

উত্তর: গ। প্রফুল্ল কমল হলো লঙ্কাপুরী বা যজ্ঞাগার, আর সেখানে অনুপ্রবেশকারী হীন লক্ষ্মণ হলো কীট।

77। ‘মহামন্ত্র-বলে যথা নম্রশিরঃ ফণী’- এখানে ‘ফণী’ বলতে কী বোঝায়?

  • ক. ফণা তোলা সাপ
  • খ. দেবতার আশীর্বাদ
  • গ. মেঘের ডাক
  • ঘ. পাখির কলরব

উত্তর: ক। ফণী মানে সাপ। মন্ত্রপড়া সাপের মতো বিভীষণ মাথা নিচু করেছিলেন।

78। ‘মলিনবদন লাজে’- কার বদন মলিন হয়েছিল?

  • ক. বিভীষণের
  • খ. রাবণের
  • গ. লক্ষ্মণের
  • ঘ. মেঘনাদের

উত্তর: ক। মেঘনাদের তীব্র ভর্ৎসনায় লজ্জিত হয়ে বিভীষণের মুখ মলিন হয়ে গিয়েছিল।

79। ‘বিরত সতত পাপে দেবকুল’- বিভীষণের এই উক্তির অর্থ কী?

  • ক. দেবতারা যুদ্ধে যোগ দিয়েছেন
  • খ. দেবতারা রাবণকে শাস্তি দিচ্ছেন
  • গ. দেবতারা সবসময় পাপ থেকে দূরে থাকেন
  • ঘ. দেবতারা পাপ কাজ করতে পছন্দ করেন

উত্তর: গ। বিভীষণ বোঝাতে চেয়েছেন যে দেবতারা পাপমুক্ত, কিন্তু রাবণ পাপ করেছে, তাই দেবতাদের আশীর্বাদ রাবণের সাথে নেই।

80। ‘বসুধা’ শব্দের অর্থ কী?

  • ক. সাগর
  • খ. পৃথিবী
  • গ. আকাশ
  • ঘ. পাতাল

উত্তর: খ। প্রলয়ে যেমন বসুধা বা পৃথিবী ডুবে যায়, তেমনি লঙ্কাও পাপের কারণে ডুবছে বলে বিভীষণ জানিয়েছেন।

81। ‘তেঁই আমি।’- এখানে ‘তেঁই’ শব্দের অর্থ কী?

  • ক. তুমি
  • খ. তজ্জন্য বা সেহেতু
  • গ. তাড়াতাড়ি
  • ঘ. আমি

উত্তর: খ। সেহেতু বা সেই কারণেই বিভীষণ রামের আশ্রয় নিয়েছেন বোঝাতে ‘তেঁই’ শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে।

82। ‘পরদোষে কে চাহে মজিতে?’- এ কথাটি কে বলেছে?

  • ক. বিভীষণ
  • খ. রাম
  • গ. মেঘনাদ
  • ঘ. রাবণ

উত্তর: ক। রাবণের দোষে লঙ্কার ধ্বংস অনিবার্য জেনে বিভীষণ নিজেকে রক্ষা করতে এই উক্তি করেছেন।

83। ‘রুষিলা বাসবত্রাস।’- ‘রুষিলা’ শব্দের অর্থ কী?

  • ক. কেঁদে ফেলল
  • খ. রাগান্বিত হলো
  • গ. হাসল
  • ঘ. দৌড়ে গেল

উত্তর: খ। বিভীষণের খোঁড়া যুক্তি শুনে বাসবত্রাস মেঘনাদ রুষিলা বা রাগান্বিত হলেন।

84। ‘অম্বরে মন্দ্রে জীমূতেন্দ্র কোপি’- এখানে ‘অম্বর’ অর্থ কী?

  • ক. সাগর
  • খ. বাতাস
  • গ. মাটি
  • ঘ. আকাশ

উত্তর: ঘ। অম্বর মানে আকাশ। আকাশে মেঘের গর্জনের মতো মেঘনাদ কথা বললেন।

85। ‘জীমূতেন্দ্র’ শব্দের অর্থ কী?

  • ক. সমুদ্রের ঢেউ
  • খ. মেঘের ডাক বা আওয়াজ
  • গ. হাতির ডাক
  • ঘ. সিংহের গর্জন

উত্তর: খ। জীমূতেন্দ্র মানে মেঘের ডাক বা প্রবল গর্জন।

86। ‘ধর্মপথগামী, হে রাক্ষসরাজানুজ’- মেঘনাদ বিভীষণকে এ কথা কেন বলেছেন?

  • ক. বিভীষণ ধর্ম পালনের বড়াই করায় তাকে তীব্র ব্যঙ্গ করতে
  • খ. বিভীষণ সত্যিই ধর্ম মেনে চলেন বলে
  • গ. মেঘনাদ তাকে সম্মান করতে চেয়েছেন বলে
  • ঘ. বিভীষণ মন্দিরে যান বলে

উত্তর: ক। বিভীষণ নিজেকে রামের আশ্রয়ে গিয়ে ধার্মিক প্রমাণের চেষ্টা করায় মেঘনাদ তীব্র ব্যঙ্গ করে তাকে এই কথা বলেন।

87। ‘এ সকলে দিলা জলাঞ্জলি?’- মেঘনাদ কোন বিষয়গুলোর কথা বলেছেন?

  • ক. জ্ঞাতি-ধর্ম, ভ্রাতৃত্ববোধ ও জাতি
  • খ. রাজ্য ও সিংহাসন
  • গ. অস্ত্র ও শক্তি
  • ঘ. ধন-সম্পদ

উত্তর: ক। বিভীষণ রামের পক্ষ নেওয়ায় সে তার জ্ঞাতি, ভ্রাতৃত্ববোধ এবং নিজ জাতিকে জলাঞ্জলি বা সম্পূর্ণ বিসর্জন দিয়েছে বলে মেঘনাদ উল্লেখ করেছেন।

88। ‘নির্গুণ স্বজন শ্রেয়ঃ’- শাস্ত্রের এই কথার অর্থ কী?

  • ক. গুণবান পরজন ভালো
  • খ. আপনজনকে দূরে রাখা উচিত
  • গ. আপনজনের গুণ না থাকলেও সে পরজনের চেয়ে ভালো
  • ঘ. গুণহীন ব্যক্তিকে ত্যাগ করা উচিত

উত্তর: গ। শাস্ত্রমতে গুণহীন হলেও আপনজন সবসময় গুণবান পরজনের চেয়ে উত্তম।

89। ‘গতি যার নীচসহ, নীচ সে দুর্মতি।’- এখানে ‘দুর্মতি’ শব্দের অর্থ কী?

  • ক. বুদ্ধিমান
  • খ. চালাক
  • গ. সৎব্যক্তি
  • ঘ. অসৎ বা মন্দবুদ্ধি

উত্তর: ঘ। রাম-লক্ষ্মণের মতো নীচদের সাথে মেশার কারণে বিভীষণের বুদ্ধিও অসৎ বা মন্দ (দুর্মতি) হয়ে গেছে।

90। ‘আহবে’ শব্দের অর্থ কী?

  • ক. যুদ্ধে
  • খ. আকাশে
  • গ. পূজায়
  • ঘ. যজ্ঞে

উত্তর: ক। মেঘনাদ বলেছিল ‘ভঞ্জিব আহবে’, যার অর্থ আমি যুদ্ধে (আহবে) তাকে বিনাশ করব।

91। মেঘনাদের স্ত্রীর নাম কী ছিল?

  • ক. মন্দোদরী
  • খ. প্রমীলা
  • গ. সীতা
  • ঘ. শর্মিষ্ঠা

উত্তর: খ। (যদিও মূল পাঠে সরাসরি নেই, মেঘনাদবধ কাব্যে মেঘনাদের স্ত্রীর নাম প্রমীলা। তবে পাঠ্যবইয়ের তথ্যানুযায়ী এটি সাধারণ জ্ঞানের অংশ হতে পারে)।

92। ‘ধীমান’ শব্দের অর্থ কী?

  • ক. ধীসম্পন্ন বা জ্ঞানী
  • খ. বোকা
  • গ. সাহসী
  • ঘ. অহংকারী

উত্তর: ক। বিভীষণ মেঘনাদকে ‘ধীমান’ বলে সম্বোধন করেছিলেন, যার অর্থ জ্ঞানী বা ধীসম্পন্ন।

93। ‘রাবণি’ কে?

  • ক. কুম্ভকর্ণ
  • খ. রাবণ
  • গ. মেঘনাদ
  • ঘ. বিভীষণ

উত্তর: গ। রাবণের পুত্র বলে মেঘনাদকে ‘রাবণি’ বলা হয়েছে।

94। ‘রক্ষোরথী’ শব্দের অর্থ কী?

  • ক. রাক্ষসদের রাজা
  • খ. রথ ধ্বংসকারী
  • গ. রথ প্রস্তুতকারী
  • ঘ. রক্ষকুলের বীর

উত্তর: ঘ। রক্ষকুলের বীর বা রথচালককে রক্ষোরথী বলা হয়।

95। ‘মজাইলা’ শব্দের অর্থ কী?

  • ক. রক্ষা করা
  • খ. মজা দেখা
  • গ. বিপদগ্রস্ত করা বা ধ্বংস করা
  • ঘ. আনন্দ দেওয়া

উত্তর: গ। ‘মজাইলা এ কনক-লঙ্কা’ বলতে রাবণ নিজের ভুলে লঙ্কাকে বিপদগ্রস্ত করেছেন তা বোঝানো হয়েছে।

96। ‘তেঁই’ শব্দটি কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?

  • ক. তুমি
  • খ. তারা
  • গ. তাই বা সেহেতু
  • ঘ. তিনটি

উত্তর: গ। ‘তেঁই আমি’ মানে সেহেতু বা সেকারণেই আমি।

97। ‘জলাঞ্জলি’ দেওয়া বলতে কী বোঝায়?

  • ক. নদীতে ঝাঁপ দেওয়া
  • খ. সম্পূর্ণ পরিত্যাগ করা
  • গ. জল পান করা
  • ঘ. জল দিয়ে পূজা করা

উত্তর: খ। জলাঞ্জলি দেওয়া মানে কোনো কিছুকে সম্পূর্ণভাবে ত্যাগ বা বিসর্জন দেওয়া।

98। ‘নীচ’ শব্দের অর্থ কী?

  • ক. মাটির নিচে
  • খ. নিচের দিকে
  • গ. গভীর
  • ঘ. হীন, নিকৃষ্ট বা ইতর

উত্তর: ঘ। মেঘনাদ রাম-লক্ষ্মণকে হীন বা নিকৃষ্ট বোঝাতে ‘নীচ’ শব্দ ব্যবহার করেছেন।

99। ‘बली’ (বলী) শব্দের অর্থ কী?

  • ক. বল নিয়ে খেলা করা
  • খ. বলবান বা বীর
  • গ. বলি দেওয়া
  • ঘ. দুর্বল

উত্তর: খ। বীরেন্দ্র বলী বলতে মেঘনাদকে অত্যন্ত বলবান বা বীর হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে।

100। মেঘনাদের মতে রাম-লক্ষ্মণ কোন বংশের সন্তান?

  • ক. কুরুবংশের
  • খ. রাক্ষসবংশের
  • গ. যদুবংশের
  • ঘ. রঘুবংশের

উত্তর: ঘ। রাম-লক্ষ্মণকে ‘রাঘব’ বলা হয়েছে, কারণ তারা রঘুবংশের সন্তান।

101। ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ কয়টি সর্গে বিন্যস্ত?

  • ক. আটটি
  • খ. দশটি
  • গ. সাতটি
  • ঘ. নয়টি

উত্তর: ঘ। পাঠ-পরিচিতিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ সর্বমোট নয়টি সর্গে বিন্যস্ত।

102। ‘বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ’ কাব্যাংশটি ‘মেঘনাদবধ কাব্যে’-এর কোন সর্গ থেকে নেওয়া হয়েছে?

  • ক. নবম (সংস্করণ)
  • খ. ষষ্ঠ (বধো)
  • গ. প্রথম (অভিষেক)
  • ঘ. পঞ্চম (উদ্যোগ)

উত্তর: খ। এটি কাব্যের ষষ্ঠ সর্গ বা ‘বধো’ নামক সর্গ থেকে সংকলিত।

103। মেঘনাদের মৃত্যু কার হাতে ঘটে?

  • ক. লক্ষ্মণের
  • খ. রামের
  • গ. হনুমানের
  • ঘ. বিভীষণের

উত্তর: ক। ষষ্ঠ সর্গে অন্যায় যুদ্ধে লক্ষ্মণের হাতে বীর মেঘনাদের মৃত্যু ঘটে।

104। রাবণ কাকে মহাযুদ্ধের সেনাপতি হিসেবে বরণ করেছিলেন?

  • ক. কুম্ভকর্ণকে
  • খ. মেঘনাদকে
  • গ. বিভীষণকে
  • ঘ. বীরবাহুকে

উত্তর: খ। কুম্ভকর্ণ ও বীরবাহুর মৃত্যুর পর রাবণ পুত্র মেঘনাদকে পরবর্তী দিনের মহাযুদ্ধের সেনাপতি হিসেবে বরণ করেন।

105। মেঘনাদের ইষ্টদেবতা কে ছিলেন?

  • ক. ব্রহ্মা
  • খ. ইন্দ্র
  • গ. অগ্নিদেব বা বৈশ্বানর
  • ঘ. শিব

উত্তর: গ। মেঘনাদ নিকুম্ভিলা যজ্ঞাগারে ইষ্টদেবতা অগ্নিদেবের পূজা সম্পন্ন করতে চেয়েছিলেন।

106। রেনেসাঁস বা নবজাগরণের সারকথা কী?

  • ক. অন্ধবিশ্বাস
  • খ. মানবকেন্দ্রিকতা
  • গ. দেবভক্তি
  • ঘ. রাজতন্ত্র

উত্তর: খ। পাঠ-পরিচিতিতে বলা হয়েছে, মানবকেন্দ্রিকতাই রেনেসাঁস বা নবজাগরণের সারকথা।

107। বাল্মীকি-রামায়ণকে নবমূল্য দান করেছেন কে?

  • ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  • খ. কৃত্তিবাস ওঝা
  • গ. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
  • ঘ. কাজী নজরুল ইসলাম

উত্তর: গ। উনিশ শতকের বাংলার নবজাগরণের প্রেরণায় মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাল্মীকি-রামায়ণকে মানবকেন্দ্রিকতার আলোকে নবমূল্য দান করেছেন।

108। মধুসূদনের লেখনীতে পুরাণের রাক্ষসরাজ রাবণ ও মেঘনাদ কীভাবে উপস্থাপিত?

  • ক. যাবতীয় মানবীয় গুণের ধারকরূপে
  • খ. নিষ্ঠুর হিসেবে
  • গ. দুর্বল চরিত্র হিসেবে
  • ঘ. ভিলেন হিসেবে

উত্তর: ক। দেবনির্ভরতার বিপরীতে মধুসূদন রাবণ ও মেঘনাদকে যাবতীয় মানবীয় গুণের ধারক হিসেবে উপস্থাপন করেছেন এবং তাদের প্রতিই তার মমতা ও শ্রদ্ধা।

109। ‘বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ’ কাব্যাংশটি কোন ছন্দে রচিত?

  • ক. পয়ার ছন্দে
  • খ. স্বরবৃত্ত ছন্দে
  • গ. মাত্রাবৃত্ত ছন্দে
  • ঘ. অমিল প্রবহমান যতিস্বাধীন অক্ষরবৃত্ত ছন্দে

উত্তর: ঘ। এটি ১৪ মাত্রার অমিল প্রবহমান যতিস্বাধীন অক্ষরবৃত্ত ছন্দে (বা অমিত্রাক্ষর ছন্দে) রচিত।

110। অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রতিটি পঙ্‌ক্তি কয় মাত্রার?

  • ক. ৮ মাত্রার
  • খ. ১৮ মাত্রার
  • গ. ১৪ মাত্রার
  • ঘ. ১০ মাত্রার

উত্তর: গ। অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রতিটি চরণ বা পঙ্‌ক্তি ১৪ মাত্রার হয়ে থাকে।

111। অমিত্রাক্ষর ছন্দের পঙ্‌ক্তিটি কয়টি পর্বে বিন্যস্ত থাকে?

  • ক. ৭ + ৭
  • খ. ৮ + ৬
  • গ. ৬ + ৮
  • ঘ. ৪ + ৪ + ৬

উত্তর: খ। প্রতিটি পঙ্‌ক্তি ১৪ মাত্রায় এবং ৮ + ৬ মাত্রার দুটি পর্বে বিন্যস্ত থাকে।

112। অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রধান বৈশিষ্ট্য কোনটি?

  • ক. চরণের শেষে অন্ত্যমিল থাকে
  • খ. নির্দিষ্ট স্থানে থামতে হয়
  • গ. দুই পঙ্‌ক্তির চরণান্তিক মিল পরিহার করা হয়
  • ঘ. যতিচিহ্নের ব্যবহার থাকে না

উত্তর: গ। প্রথম পঙ্‌ক্তির সঙ্গে দ্বিতীয় পঙ্‌ক্তির চরণান্তের মিলহীনতাই (অমিত্রাক্ষর) এর প্রধান বৈশিষ্ট্য।

113। কাব্যাংশটিতে বিরামচিহ্নের স্বাধীন ব্যবহার কীসের ওপর নির্ভর করে?

  • ক. বিষয় বা বক্তব্যের অর্থের অনুষঙ্গে
  • খ. চরণের দৈর্ঘ্যের ওপর
  • গ. মাত্রার ওপর
  • ঘ. পাঠকের ইচ্ছার ওপর

উত্তর: ক। যতিপাত বা বিরামচিহ্নের স্বাধীন ব্যবহার বিষয় বা বক্তব্যের অর্থের অনুষঙ্গেই হয়ে থাকে।

114। মধুসূদন-পূর্ব হাজার বছরের বাংলা কবিতার মূল ছন্দ কী ছিল?

  • ক. পয়ার
  • খ. মাত্রাবৃত্ত
  • গ. গদ্যছন্দ
  • ঘ. অক্ষরবৃত্ত

উত্তর: ক। মধুসূদনের পূর্বে হাজার বছর ধরে বাংলা কবিতার ছন্দ ছিল মূলত পয়ার ছন্দ।

115। অমিত্রাক্ষর ছন্দ মূলত কোন ছন্দের নবরূপায়ণ?

  • ক. মাত্রাবৃত্ত ছন্দের
  • খ. অক্ষরবৃত্ত ছন্দের
  • গ. পয়ার ছন্দের
  • ঘ. স্বরবৃত্ত ছন্দের

উত্তর: খ। অমিত্রাক্ষর ছন্দ মূলত বাংলা অক্ষরবৃত্ত ছন্দেরই নবরূপায়ণ।

116। আধুনিক বাংলা কবিতার পথিকৃৎ কে?

  • ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  • খ. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  • গ. জীবনানন্দ দাশ
  • ঘ. মাইকেল মধুসূদন দত্ত

উত্তর: ঘ। মাইকেল মধুসূদন দত্তকেই আধুনিক বাংলা কবিতার পথিকৃৎ বলা হয়।

117। মাইকেল মধুসূদন দত্ত কবে জন্মগ্রহণ করেন?

  • ক. ১৮২৪ খ্রিষ্টাব্দের ২৫শে জানুয়ারি
  • খ. ১৮৩৩ খ্রিষ্টাব্দের ২৫শে জানুয়ারি
  • গ. ১৮৭৩ খ্রিষ্টাব্দের ২৯শে জুন
  • ঘ. ১৮৪৩ খ্রিষ্টাব্দের ২৫শে মে

উত্তর: ক। কবি পরিচিতি অনুযায়ী তিনি ১৮২৪ খ্রিষ্টাব্দের ২৫শে জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন।

118। মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্মস্থান কোথায়?

  • ক. কলকাতার শিবপুরে
  • খ. ঢাকার বিক্রমপুরে
  • গ. নদীয়ার কৃষ্ণনগরে
  • ঘ. যশোর জেলার সাগরদাঁড়ি গ্রামে

উত্তর: ঘ। তিনি যশোর জেলার কপোতাক্ষ নদের তীরে সাগরদাঁড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

119। মধুসূদন দত্তের পিতার নাম কী?

  • ক. রামচন্দ্র দত্ত
  • খ. হরিনাথ দত্ত
  • গ. রাজনারায়ণ দত্ত
  • ঘ. দেবেন্দ্রনাথ দত্ত

উত্তর: গ। তার পিতার নাম ছিল রাজনারায়ণ দত্ত।

120। মধুসূদন দত্তের মায়ের নাম কী?

  • ক. প্রভাবতী দেবী
  • খ. জাহ্নবী দেবী
  • গ. কাদম্বিনী দেবী
  • ঘ. ভুবনেশ্বরী দেবী

উত্তর: খ। তার মাতার নাম জাহ্নবী দেবী।

121। মধুসূদন দত্ত কবে হিন্দু কলেজের স্কুল শাখায় ভর্তি হন?

  • ক. ১৮৩৩ খ্রিষ্টাব্দে
  • খ. ১৮৫০ খ্রিষ্টাব্দে
  • গ. ১৮৪৩ খ্রিষ্টাব্দে
  • ঘ. ১৮২৪ খ্রিষ্টাব্দে

উত্তর: ক। প্রাথমিক শিক্ষা শেষে তিনি ১৮৩৩ খ্রিষ্টাব্দে কলকাতার হিন্দু কলেজের স্কুল শাখায় ভর্তি হন।

122। মধুসূদন দত্ত খ্রিষ্টধর্ম গ্রহণ করেন কবে?

  • ক. ১৮৩৩ খ্রিষ্টাব্দে
  • খ. ১৮৭৩ খ্রিষ্টাব্দে
  • গ. ১৮৪৩ খ্রিষ্টাব্দে
  • ঘ. ১৮৫৬ খ্রিষ্টাব্দে

উত্তর: গ। তিনি ১৮৪৩ খ্রিষ্টাব্দে খ্রিষ্টধর্ম গ্রহণ করে নামের শুরুতে ‘মাইকেল’ যোগ করেন।

123। হিন্দু কলেজ ত্যাগ করার পর মধুসূদন কোথায় ভর্তি হন?

  • ক. প্রেসিডেন্সি কলেজে
  • খ. শিবপুরের বিশপস কলেজে
  • গ. সংস্কৃত কলেজে
  • ঘ. কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে

উত্তর: খ। ধর্মান্তরিত হওয়ার পর তাঁকে হিন্দু কলেজ ত্যাগ করে শিবপুরের বিশপস কলেজে ভর্তি হতে হয়।

124। বিশপস কলেজে মধুসূদন কোন ভাষাগুলো শেখার সুযোগ পান?

  • ক. গ্রিক, লাতিন ও হিব্রু
  • খ. ফরাসি, জার্মান ও ইতালীয়
  • গ. আরবি, ফারসি ও উর্দু
  • ঘ. ইংরেজি, সংস্কৃত ও বাংলা

উত্তর: ক। বিশপস কলেজে তিনি গ্রিক, লাতিন ও হিব্রু ভাষা শিক্ষার সুযোগ লাভ করেন।

125। হিন্দু কলেজে ছাত্রাবস্থায় মধুসূদনের সাহিত্যচর্চার মাধ্যম কী ছিল?

  • ক. সংস্কৃত
  • খ. ইংরেজি
  • গ. বাংলা
  • ঘ. ফারসি

উত্তর: খ। ছাত্রাবস্থায় বিদেশি ভাষার প্রতি মোহের কারণে তাঁর সাহিত্যচর্চার মাধ্যম ছিল ইংরেজি।

126। বাংলায় চতুর্দশপদী কবিতা বা সনেটের প্রবর্তক কে?

  • ক. কাজী নজরুল ইসলাম
  • খ. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
  • গ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  • ঘ. মাইকেল মধুসূদন দত্ত

উত্তর: ঘ। বাংলায় চতুর্দশপদী কবিতা বা সনেটের প্রবর্তক মাইকেল মধুসূদন দত্ত।

127। মধুসূদন দত্ত রচিত প্রহসনের নাম কী?

  • ক. বীরাঙ্গনা ও ব্রজাঙ্গনা
  • খ. একেই কি বলে সভ্যতা? ও বুড় সালিকের ঘাড়ে রোঁ
  • গ. শর্মিষ্ঠা ও পদ্মাবতী
  • ঘ. কৃষ্ণকুমারী ও মায়াকানন

উত্তর: খ। ‘একেই কি বলে সভ্যতা?’ ও ‘বুড় সালিকের ঘাড়ে রোঁ’ তাঁর অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রহসন।

128। নিচের কোনটি মাইকেল মধুসূদনের আধুনিক নাটক?

  • ক. চতুর্দশপদী কবিতাবলি
  • খ. তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য
  • গ. শর্মিষ্ঠা
  • ঘ. একেই কি বলে সভ্যতা?

উত্তর: গ। ‘শর্মিষ্ঠা’, ‘পদ্মাবতী’ ও ‘কৃষ্ণকুমারী’ তাঁর লেখা আধুনিক নাটক।

129। ‘বীরাঙ্গনা কাব্য’ মধুসূদন দত্তের কী ধরনের রচনা?

  • ক. প্রহসন
  • খ. নাটক
  • গ. কাব্যগ্রন্থ
  • ঘ. উপন্যাস

উত্তর: গ। ‘বীরাঙ্গনা কাব্য’ তাঁর রচিত অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ।

130। ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ কার লেখা?

  • ক. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  • খ. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  • গ. হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
  • ঘ. মাইকেল মধুসূদন দত্ত

উত্তর: ঘ। ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মহাকাব্য।

131। মাইকেল মধুসূদন দত্ত কবে মৃত্যুবরণ করেন?

  • ক. ১৮৭৪ খ্রিষ্টাব্দের ২৫শে জানুয়ারি
  • খ. ১৮৯৯ খ্রিষ্টাব্দের ২৭শে মে
  • গ. ১৯৪১ খ্রিষ্টাব্দের ৭ই আগস্ট
  • ঘ. ১৮৭৩ খ্রিষ্টাব্দের ২৯শে জুন

উত্তর: ঘ। কবি ১৮৭৩ খ্রিষ্টাব্দের ২৯শে জুন কলকাতায় মৃত্যুবরণ করেন।

132। কোন ভাষার মোহ থেকে মুক্ত হয়ে মধুসূদন মাতৃভাষায় সাহিত্যচর্চায় ফিরে আসেন?

  • ক. গ্রিক
  • খ. লাতিন
  • গ. ফরাসি
  • ঘ. ইংরেজি

উত্তর: ঘ। ছাত্রাবস্থায় ইংরেজির প্রতি মোহ থাকলেও পরে তিনি মাতৃভাষা বাংলায় ফিরে আসেন।

133। মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যের কোন যুগের উদ্ভবকালের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নাট্যকার?

  • ক. প্রাচীন যুগের
  • খ. প্রাক-আধুনিক যুগের
  • গ. মধ্যযুগের
  • ঘ. আধুনিক যুগের

উত্তর: ঘ। তিনি আধুনিক বাংলা নাটকের উদ্ভবযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নাট্যকার।

134। ‘কৃষ্ণকুমারী’ মাইকেল মধুসূদন দত্তের কী ধরনের রচনা?

  • ক. প্রহসন
  • খ. মহাকাব্য
  • গ. আধুনিক নাটক
  • ঘ. সনেট

উত্তর: গ। ‘কৃষ্ণকুমারী’ হলো তাঁর রচিত একটি আধুনিক নাটক।

135। মধুসূদনের কবিতায় ‘পয়ার’ ছন্দের কোন প্রথাটি ভাঙা হয়?

  • ক. পর্বের বিন্যাস
  • খ. চরণের শেষে অন্ত্যমিল
  • গ. স্তবকের ব্যবহার
  • ঘ. মাত্রার হিসাব

উত্তর: খ। হাজার বছরের পয়ার ছন্দের অনড় প্রথা ছিল এক চরণের শেষে অন্য চরণের মিল রাখা, মধুসূদন এই অন্ত্যমিলের প্রথাকেই ভেঙেছেন।

আরও পড়ুন

HSC বাংলা ১ম পত্র-এর সব পোস্ট

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সাহায্য লাগবে?
BCS Journey Support
● Online
×
💬Messenger ✈Telegram
BCS JOURNEY
BCS Journey
চ্যাট শুরু করুন ➜