পদ্মা কবিতার MCQ | HSC বাংলা ১ম পত্র-এর “পদ্মা” কবিতা থেকে বোর্ড পরীক্ষায় নিয়মিত প্রশ্ন আসে। এই পোস্টে ১৫০টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন (MCQ) উত্তর ও ব্যাখ্যাসহ দেওয়া হলো।
পদ্মা কবিতার বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর (MCQ)
1। ‘পদ্মা’ কবিতায় নদীর কোন দুটি রূপ প্রধান হয়ে উঠেছে?
- ক. সংকীর্ণ ও খরস্রোতা
- খ. শুষ্ক ও প্রাণহীন
- গ. শান্ত ও স্নিগ্ধ
- ঘ. ভয়ংকর ও কল্যাণময়ী
উত্তর: ঘ। পাঠ-পরিচিতি অনুযায়ী, কবিতায় পদ্মার ভয়ংকর ও প্রমত্ত রূপের পাশাপাশি কল্যাণময়ী রূপও প্রকাশিত হয়েছে।
2। পদ্মার তরঙ্গভঙ্গ দেখে কাদের মনে ভয়ের সঞ্চার হয়?
- ক. কৃষকদের
- খ. সাধারণ মানুষের
- গ. দুরন্ত জলদস্যু বা হার্মাদদের
- ঘ. জেলেদের
উত্তর: গ। কবিতায় বলা হয়েছে, \”কেঁপেছে তোমাকে দেখে জলদস্যু-দুরন্ত হার্মাদ\”।
3। জলদস্যু হার্মাদদের বর্ণ পদ্মাকে দেখে কীরূপ হয়েছে?
- ক. লাল
- খ. নীল
- গ. কালো
- ঘ. পাণ্ডুর
উত্তর: ঘ। কবিতায় উল্লেখ আছে, \”তোমার তরঙ্গভঙ্গে বর্ণ তার হয়েছে পাণ্ডুর!\”
4। জলদস্যুরা কোথায় প্রচুর অভিজ্ঞতা কুড়িয়েছে?
- ক. পাহাড়ি অঞ্চলে
- খ. নদীর মোহনায়
- গ. জীবনের পথে পথে
- ঘ. মরুভূমিতে
উত্তর: গ। কবিতার লাইন- \”জীবনের পথে পথে অভিজ্ঞতা কুড়ায়ে প্রচুর\”।
5। সংগ্রামী মানুষ পদ্মার দুই তীরে কী চালায়?
- ক. জাহাজ
- খ. লাঙল
- গ. নৌকা
- ঘ. চরকা
উত্তর: খ। কবিতায় আছে, \”সংগ্রামী মানুষ তবু দুই তীরে চালায়ে লাঙল\”।
6। কঠিন শ্রমের ফল হিসেবে সংগ্রামী মানুষ কী পেয়েছে?
- ক. প্রচুর শস্য দানা
- খ. হতাশা
- গ. প্রচুর অর্থ
- ঘ. মাছ
উত্তর: ক। কবিতায় বলা হয়েছে, \”কঠিন শ্রমের ফল- শস্য দানা পেয়েছে প্রচুর\”।
7। পদ্মার চরকে কবিতায় কীরূপ বলা হয়েছে?
- ক. বালুময়
- খ. কর্দমাক্ত
- গ. উর্বর
- ঘ. অনুর্বর
উত্তর: গ। \”উর্বর তোমার চরে ফলায়েছে পর্যাপ্ত ফসল!\” লাইনটি এর প্রমাণ।
8। উর্বর চরে মানুষ কীরূপ ফসল ফলায়েছে?
- ক. পর্যাপ্ত
- খ. সামান্য
- গ. অপর্যাপ্ত
- ঘ. মাঝারি
উত্তর: ক। কবিতার লাইন অনুযায়ী, উর্বর চরে পর্যাপ্ত ফসল ফলানো হয়েছে।
9। জীবন-মৃত্যুর দ্বন্দ্বে কারা নিঃসংশয়?
- ক. জওয়ানরা
- খ. শিশুরা
- গ. বৃদ্ধরা
- ঘ. হার্মাদরা
উত্তর: ক। কবিতায় বলা হয়েছে, \”জীবন-মৃত্যুর দ্বন্দ্বে নিঃসংশয়, নির্ভীক জওয়ান\”।
10। জওয়ানরা সবুজের সমারোহে কী খুঁজে পেয়েছে?
- ক. শান্তির নীড়
- খ. জীবনের সম্বল
- গ. যুদ্ধের ময়দান
- ঘ. ধ্বংসের রূপ
উত্তর: খ। \”সবুজের সমারোহে জীবনের পেয়েছে সম্বল\” লাইনটি এটি নির্দেশ করে।
11। বর্ষায় পদ্মার স্রোতে কী ভেসে যায়?
- ক. জাহাজ
- খ. সাজানো বাগান
- গ. সমুদ্র
- ঘ. চর
উত্তর: খ। কবিতায় আছে, \”বর্ষায় তোমার স্রোতে গেছে ভেসে সাজানো বাগান\”।
12। সাজানো বাগানের সাথে বর্ষায় আর কী কী ভেসে যায়?
- ক. কৃষকের লাঙল
- খ. অসংখ্য জীবন ও জীবনের অজস্র সম্ভার
- গ. কেবল গবাদিপশু
- ঘ. নদীর দুই তীর
উত্তর: খ। কবিতায় বলা হয়েছে, \”অসংখ্য জীবন, আর জীবনের অজস্র সম্ভার\” ভেসে যায়।
13। সব কিছু ভাসিয়ে নেওয়ার পরও হে নদী! কী জেগেছে?
- ক. পরিপূর্ণ আহ্বান
- খ. নীরবতা
- গ. হাহাকার
- ঘ. শূন্যতা
উত্তর: ক। \”হে নদী! জেগেছে তবু পরিপূর্ণ আহ্বান\” লাইনটি এটি প্রমাণ করে।
14। মৃত জড়তার বুকে কী খুলেছে?
- ক. শোকের ছায়া
- খ. ধ্বংসের পথ
- গ. মুক্তির স্বর্ণদ্বার
- ঘ. স্বপ্নের জগৎ
উত্তর: গ। কবিতায় বলা হয়েছে, \”মৃত জড়তার বুকে খুলেছে মুক্তির স্বর্ণদ্বার\”।
15। মৃত জড়তার বুকে মুক্তির স্বর্ণদ্বার কে খুলে দেয়?
- ক. বর্ষার বৃষ্টি
- খ. হার্মাদের সাহস
- গ. কৃষকের শ্রম
- ঘ. পদ্মার সুতীব্র গতি ও প্রদীপ্ত স্রোতধারা
উত্তর: ঘ। কবিতার শেষ লাইনে আছে, \”তোমার সুতীব্র গতি; তোমার প্রদীপ্ত স্রোতধারা\”।
16। নদীমাতৃক বাংলাদেশে সর্ববৃহৎ নদী কোনটি?
- ক. ব্রহ্মপুত্র
- খ. যমুনা
- গ. মেঘনা
- ঘ. পদ্মা
উত্তর: ঘ। পাঠ-পরিচিতিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের অসংখ্য নদ-নদীর মধ্যে পদ্মা সর্ববৃহৎ।
17। পদ্মার পলিতে প্লাবিত দুই পাড়ের ভূমি মানুষকে কী দিয়েছে?
- ক. রোগব্যাধি
- খ. পর্যাপ্ত ফসল ও জীবনদায়িনী সবুজের সমারোহ
- গ. কেবল বন্যা
- ঘ. খরা
উত্তর: খ। পাঠ-পরিচিতি অনুযায়ী, উর্বর ভূমি মানুষকে পর্যাপ্ত ফসল ও জীবনদায়িনী সবুজের সমারোহ দিয়েছে।
18। বর্ষাকালে পদ্মা কীসে স্ফীত হয়?
- ক. বাতাসে
- খ. জলস্রোতে
- গ. শস্যে
- ঘ. পলিমাটিতে
উত্তর: খ। পাঠ-পরিচিতিতে আছে, এই পদ্মাই বর্ষাকালে জলস্রোতে স্ফীত হয়ে সব ভাসিয়ে নেয়।
19। ধ্বংসস্তূপের ভেতর থেকে আবারও পদ্মাকে ঘিরে কী জেগে ওঠে?
- ক. প্রাণের স্পন্দন
- খ. নতুন শহর
- গ. কেবল দীর্ঘশ্বাস
- ঘ. দস্যুদের আস্তানা
উত্তর: ক। পাঠ-পরিচিতিতে বলা হয়েছে, ধ্বংসস্তূপের ভেতর থেকে আবারও প্রাণের স্পন্দন জেগে ওঠে।
20। এদেশের জনজীবনের সাথে কে একাত্ম হয়ে আছে?
- ক. পাহাড়
- খ. অরণ্য
- গ. পদ্মা
- ঘ. সমুদ্র
উত্তর: গ। পাঠ-পরিচিতি অনুযায়ী, ধ্বংসাত্মক ও কল্যাণময়ী রূপে পদ্মা এদেশের জনজীবনের সাথে একাত্ম হয়ে আছে।
21। ‘পদ্মা’ কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত?
- ক. মুহূর্তে কবিতা
- খ. সিরাজাম মুনীরা
- গ. সাত সাগরের মাঝি
- ঘ. কাফেলা
উত্তর: ঘ। পাঠ-পরিচিতির শুরুতেই বলা হয়েছে, কবিতাটি ‘কাফেলা’ কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত।
22। ‘কাফেলা’ কাব্যগ্রন্থটি কত সালে প্রকাশিত হয়?
- ক. ১৯৪৪
- খ. ১৯৮০
- গ. ১৯৯০
- ঘ. ১৯৭৪
উত্তর: খ। পাঠ-পরিচিতিতে উল্লেখ আছে ‘কাফেলা’ (১৯৮০) নামক কাব্যগ্রন্থ।
23। ‘কাফেলা’ কাব্যে মোট কয়টি সনেট রয়েছে?
- ক. আঠারোটি
- খ. পাঁচটি
- গ. চৌদ্দটি
- ঘ. সাতটি
উত্তর: ঘ। পাঠ-পরিচিতি অনুযায়ী, ‘কাফেলা’ কাব্য সাতটি সনেটের সমন্বয়ে রচিত।
24। পাঠ্য ‘পদ্মা’ কবিতাটি ‘কাফেলা’ কাব্যের কত সংখ্যক সনেট?
- ক. পঞ্চম
- খ. তৃতীয়
- গ. সপ্তম
- ঘ. প্রথম
উত্তর: ক। পাঠ-পরিচিতিতে বলা হয়েছে, সংকলনভুক্ত কবিতাটি পাঁচ সংখ্যক সনেট।
25। ‘পদ্মা’ কী ধরনের কবিতা?
- ক. গীতি কবিতা
- খ. কাহিনিকাব্য
- গ. চতুর্দশপদী (sonnet)
- ঘ. মহাকাব্য
উত্তর: গ। পাঠ-পরিচিতিতে স্পষ্ট বলা হয়েছে, ‘পদ্মা’ চতুর্দশপদী (sonnet) কবিতা।
26। উদ্দীপক: ভয়ংকর ঘূর্ণিঝড় আম্পান বহু মানুষের ঘরবাড়ি ভেঙেছে, আবার নদীর চরে নতুন পলি ফেলেও গেছে। আম্পানের এই রূপের সাথে ‘পদ্মা’ কবিতার কোন রূপের মিল রয়েছে?
- ক. স্থির ও শান্ত
- খ. কেবল কল্যাণময়ী
- গ. কেবল ধ্বংসাত্মক
- ঘ. ধ্বংসাত্মক ও কল্যাণময়ী উভয়েই
উত্তর: ঘ। উদ্দীপকে ধ্বংস এবং নতুন পলি (কল্যাণ) উভয়ের কথা আছে, যা পদ্মার দ্বৈত রূপকে নির্দেশ করে।
27। উদ্দীপক: সমুদ্রের ভয়ংকর ঢেউ দেখে পুরোনো নাবিক রফিকেরও মুখ শুকিয়ে গেল। রফিকের এই অবস্থা ‘পদ্মা’ কবিতার কার সাথে তুলনীয়?
- ক. জওয়ানদের
- খ. কৃষকদের
- গ. শিশুদের
- ঘ. হার্মাদদের
উত্তর: ঘ। সমুদ্রের স্বাদ পাওয়া হার্মাদরা পদ্মার ঢেউ দেখে কেঁপে ওঠে, যা রফিকের অভিজ্ঞতার সাথে মিলে যায়।
28। উদ্দীপক: রতন মিয়া চর জেগে ওঠামাত্র সেখানে প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে ফসল ফলায়। রতন মিয়ার মাঝে ‘পদ্মা’ কবিতার কাদের প্রতিচ্ছবি দেখা যায়?
- ক. জলদস্যুদের
- খ. সংগ্রামী মানুষ ও নির্ভীক জওয়ানদের
- গ. ব্যবসায়ীদের
- ঘ. শহরের মানুষের
উত্তর: খ। সংগ্রামী মানুষরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পদ্মার চরে ফসল ফলায়, রতন মিয়াও তাই করছে।
29। উদ্দীপক: নদীর ভাঙনে সব হারিয়েও রহিম চাচা আবার নদীর পারেই নতুন করে ঘর বাঁধেন। রহিম চাচার এই কাজ ‘পদ্মা’ কবিতার কোন পঙ্ক্তির ভাবার্থ ধারণ করে?
- ক. হে নদী! জেগেছে তবু পরিপূর্ণ আহ্বান
- খ. অনেক ঘূর্ণিতে ঘুরে, পেয়ে ঢের সমুদ্রের স্বাদ
- গ. বর্ষায় তোমার স্রোতে গেছে ভেসে সাজানো বাগান
- ঘ. তোমার তরঙ্গভঙ্গে বর্ণ তার হয়েছে পাণ্ডুর
উত্তর: ক। ধ্বংসের পরও নদীকে ঘিরেই আবার নতুন করে বাঁচার আহ্বান জেগে ওঠে।
30। উদ্দীপক: \”এক হাতে তার বাঁশের বাঁশরী, আর হাতে রণতূর্য।\” নজরুলের এই চরণের সাথে ‘পদ্মা’ নদীর কোন বৈশিষ্ট্যের মিল আছে?
- ক. সৃষ্টির কোমলতা ও ধ্বংসের ভয়াবহতা
- খ. শান্তি ও নীরবতা
- গ. সংগীত ও যুদ্ধ
- ঘ. কেবল ধ্বংস
উত্তর: ক। বাঁশরী হলো সৃষ্টির বা কল্যাণের প্রতীক আর রণতূর্য ধ্বংসের। পদ্মার রূপও এমন দ্বৈত।
31। উদ্দীপক: বন্যায় গ্রামের পর গ্রাম ভেসে গেল, ফসল নষ্ট হলো। এটি পদ্মার কোন রূপকে তুলে ধরে?
- ক. শান্ত রূপ
- খ. প্রমত্ত ও ভয়ংকর রূপ
- গ. কল্যাণময়ী রূপ
- ঘ. জীবনদায়িনী রূপ
উত্তর: খ। বন্যা ও ধ্বংস পদ্মার প্রমত্ত বা ভয়ংকর রূপের বহিঃপ্রকাশ।
32। উদ্দীপক: কৃষকেরা রৌদ্রে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে সোনার ফসল ফলায়। ‘পদ্মা’ কবিতায় কৃষকের এই কষ্টকে কী বলা হয়েছে?
- ক. বৃথা শ্রম
- খ. আনন্দদায়ক কাজ
- গ. কঠিন শ্রম
- ঘ. সহজ কাজ
উত্তর: গ। কবিতায় বলা হয়েছে, \”কঠিন শ্রমের ফল- শস্য দানা পেয়েছে প্রচুর\”।
33। উদ্দীপক: দীর্ঘ খরার পর বৃষ্টি এসে প্রকৃতিতে নতুন প্রাণের সঞ্চার করল। ‘পদ্মা’ কবিতায় মৃত জড়তার বুকে কে প্রাণের স্পন্দন বা মুক্তির স্বর্ণদ্বার খোলে?
- ক. জওয়ান
- খ. পদ্মার সুতীব্র গতি
- গ. হার্মাদ
- ঘ. লাঙল
উত্তর: খ। পদ্মার সুতীব্র গতি ও স্রোতধারাই মৃত জড়তার বুকে মুক্তির স্বর্ণদ্বার খোলে।
34। উদ্দীপক: অভিজ্ঞ দস্যুরাও কখনো কখনো প্রকৃতির রুদ্র রোষের কাছে অসহায়। ‘পদ্মা’ কবিতায় প্রকৃতির এই রুদ্র রোষ কে?
- ক. ঘূর্ণিঝড়
- খ. সমুদ্র
- গ. বর্ষাকাল
- ঘ. পদ্মা নদী
উত্তর: ঘ। কবিতায় পদ্মার তরঙ্গভঙ্গ দেখেই অভিজ্ঞ হার্মাদরা ভয় পায়।
35। উদ্দীপক: \”তবুও জীবন যায় এগিয়ে\…\” সব ধ্বংসের পর মানুষের ঘুরে দাঁড়ানোর এই প্রবণতা ‘পদ্মা’ কবিতার কোন শব্দের মাধ্যমে ফুটে উঠেছে?
- ক. জড়তা
- খ. পাণ্ডুর
- গ. নিঃসংশয়
- ঘ. ঘূর্ণি
উত্তর: গ। জীবন-মৃত্যুর দ্বন্দ্বে ‘নিঃসংশয়’ জওয়ানরাই ধ্বংসের পর এগিয়ে যায়।
36। উদ্দীপক: নদীর বুকে জেগে ওঠা নতুন চর কৃষকদের মুখে হাসি ফোটাল। এই হাসির কারণ ‘পদ্মা’ কবিতার কোন চরণের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়?
- ক. মৃত জড়তার বুকে খুলেছে মুক্তির স্বর্ণদ্বার
- খ. বর্ষায় তোমার স্রোতে গেছে ভেসে
- গ. কেঁপেছে তোমাকে দেখে জলদস্যু
- ঘ. উর্বর তোমার চরে ফলায়েছে পর্যাপ্ত ফসল
উত্তর: ঘ। নতুন চরে পর্যাপ্ত ফসল ফলানোই কৃষকের হাসির কারণ।
37। উদ্দীপক: সমুদ্রের ডাক শুনে নাবিকেরা ঘরে বসে থাকতে পারে না। পদ্মার কোন বিষয়টি মানুষকে একইভাবে আকর্ষণ করে?
- ক. মৃত জড়তা
- খ. পরিপূর্ণ আহ্বান
- গ. ভয়ংকর রূপ
- ঘ. হার্মাদদের ভয়
উত্তর: খ। ধ্বংসের পরও পদ্মার পরিপূর্ণ আহ্বান মানুষকে নদীর কাছে টানে।
38। উদ্দীপক: মানুষ ও প্রকৃতির এই লড়াই অনন্তকালের। ‘পদ্মা’ কবিতায় এই লড়াইয়ে মানুষ কী হাতিয়ার ব্যবহার করেছে?
- ক. লাঙল ও কঠিন শ্রম
- খ. তলোয়ার
- গ. বন্দুক
- ঘ. নৌকা
উত্তর: ক। পদ্মার তীরে মানুষ লাঙল ও কঠিন শ্রম দিয়ে প্রকৃতির সাথে সংগ্রাম করে ফসল ফলায়।
39। উদ্দীপক: ভয়ংকর বিপদের মুখেও তরুণরা বুক চিতিয়ে দাঁড়ায়। ‘পদ্মা’ কবিতায় এই তরুণদের কী বলে সম্বোধন করা হয়েছে?
- ক. হার্মাদ
- খ. জওয়ান
- গ. নাবিক
- ঘ. দস্যু
উত্তর: খ। কবিতায় জীবন-মৃত্যুর দ্বন্দ্বে নিঃসংশয় তরুণ বা যুবকদের ‘জওয়ান’ বলা হয়েছে।
40। উদ্দীপক: ধ্বংসস্তূপ থেকে ফিনিক্স পাখির পুনর্জন্মের পৌরাণিক কাহিনি আমরা জানি। ‘পদ্মা’ কবিতায় এই পুনর্জন্ম কিসের মাধ্যমে ঘটে?
- ক. বর্ষার আগমনের মাধ্যমে
- খ. সবুজের সমারোহ ও নতুন জীবনের আহ্বানের মাধ্যমে
- গ. পদ্মার ধ্বংসের মাধ্যমে
- ঘ. হার্মাদদের আগমনের মাধ্যমে
উত্তর: খ। ধ্বংসের পর নতুন করে ফসল ও জীবন জেগে ওঠাই এখানে পুনর্জন্মের প্রতীক।
41। উদ্দীপক: প্রকৃতির ধ্বংসলীলা মানুষকে কাঁদায় ঠিকই, কিন্তু প্রকৃতিই আবার তার বাঁচার রসদ জোগায়। এই রসদ ‘পদ্মা’ কবিতায় কী হিসেবে উল্লেখিত?
- ক. সমুদ্রের স্বাদ
- খ. মৃত জড়তা
- গ. জীবনের সম্বল
- ঘ. পাণ্ডুর বর্ণ
উত্তর: গ। সবুজের সমারোহে মানুষ জীবনের সম্বল বা বাঁচার রসদ খুঁজে পায়।
42। উদ্দীপক: জলদস্যুরা সাধারণত কাউকে ভয় পায় না, বরং তাদের সবাই ভয় পায়। কিন্তু ‘পদ্মা’ কবিতায় ব্যতিক্রম কী?
- ক. হার্মাদরা কৃষকদের ভয় পায়
- খ. হার্মাদরা বর্ষাকে ভয় পায়
- গ. হার্মাদরা জওয়ানদের ভয় পায়
- ঘ. হার্মাদরা পদ্মার ঢেউকে ভয় পায়
উত্তর: ঘ। কবিতায় বলা হয়েছে জলদস্যু হার্মাদ পদ্মার তরঙ্গভঙ্গ দেখে কাঁপে।
43। উদ্দীপক: \”বিপদ যেখানে যত বেশি, সাফল্য সেখানে তত মধুর।\” পদ্মার চরে ফসল ফলানোর ক্ষেত্রে এ কথাটি কীভাবে সত্য?
- ক. কারণ সেখানে কোন কাজ করতে হয় না
- খ. কারণ সেখানে জলদস্যু থাকে
- গ. জীবন-মৃত্যুর ঝুঁকি নিয়েও সেখানে উর্বর মাটিতে ফসল মেলে
- ঘ. কারণ নদী শুকিয়ে যায়
উত্তর: গ। প্রবল স্রোতে মৃত্যুর ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও সেখানকার উর্বর মাটিতে কৃষকরা প্রচুর ফসল পায়।
44। উদ্দীপক: পুরোনো জরাজীর্ণতাকে বিদায় দিয়ে নতুনকে বরণ করার গান গায় প্রকৃতি। পদ্মার কোন রূপটি এই জরাজীর্ণতা দূর করে?
- ক. ঘূর্ণি
- খ. স্থির জল
- গ. পাণ্ডুর বর্ণ
- ঘ. সুতীব্র গতি ও প্রদীপ্ত স্রোতধারা
উত্তর: ঘ। সুতীব্র গতি ও স্রোতধারাই মৃত জড়তাকে ভেঙে মুক্তির দরজা খোলে।
45। উদ্দীপক: বর্ষাকাল যেমন গ্রামের সৌন্দর্য বাড়ায়, তেমনি বন্যার রূপ নিয়ে সব ভাসিয়েও নেয়। পদ্মার বর্ষাকালীন রূপ কবিতায় কীরূপে চিত্রিত?
- ক. ফসল উৎপাদনকারী
- খ. সাজানো বাগান ও জীবন ভাসিয়ে নেওয়া ধ্বংসকারী
- গ. শান্ত ও নিস্তব্ধ
- ঘ. কেবল সৌন্দর্য বৃদ্ধিকারী
উত্তর: খ। কবিতায় স্পষ্ট বলা আছে বর্ষায় সাজানো বাগান ও অসংখ্য জীবন ভেসে যায়।
46। উদ্দীপক: \”যে নদী হারায়ে স্রোত চলিতে না পারে\…\” – রবীন্দ্রনাথের এই ভাবনার বিপরীত চিত্র ‘পদ্মা’ কবিতায় কীভাবে ফুটে উঠেছে?
- ক. পদ্মার মৃত জড়তার মাধ্যমে
- খ. পদ্মার শুকিয়ে যাওয়ার মাধ্যমে
- গ. পদ্মার স্থিরতার মাধ্যমে
- ঘ. পদ্মার সুতীব্র গতি ও প্রদীপ্ত স্রোতধারার মাধ্যমে
উত্তর: ঘ। স্রোত হারানো নদীর বিপরীত হলো তীব্র গতি ও প্রদীপ্ত স্রোতধারার পদ্মা।
47। উদ্দীপক: ভয় ও সাহসের যুগপৎ অবস্থান দেখা যায় মানুষের জীবনে। ‘পদ্মা’ কবিতায় কারা এই ভয় ও সাহসের প্রতিনিধিত্ব করছে?
- ক. যথাক্রমে কৃষক ও নদী
- খ. যথাক্রমে হার্মাদ ও জওয়ান (সংগ্রামী মানুষ)
- গ. যথাক্রমে জওয়ান ও হার্মাদ
- ঘ. যথাক্রমে নদী ও চর
উত্তর: খ। জলদস্যু হার্মাদ পদ্মাকে দেখে ভয় পায়, আর জওয়ানরা সাহসের সাথে সংগ্রাম করে।
48। উদ্দীপক: বাংলার কৃষকের পেশিশক্তিতে লুকিয়ে আছে অসীম ক্ষমতা। ‘পদ্মা’ কবিতায় এই শক্তির প্রমাণ কী?
- ক. দুই তীরে লাঙল চালিয়ে পর্যাপ্ত ফসল ফলানো
- খ. নদীতে ঝাঁপ দেওয়া
- গ. দস্যুদের ভয় দেখানো
- ঘ. সমুদ্র যাত্রা করা
উত্তর: ক। কৃষকদের পেশিশক্তি বা কঠিন শ্রমেই পদ্মার তীরে ফসল ফলায়।
49। উদ্দীপক: \”মুক্তির মন্দির সোপানতলে কত প্রাণ হলো বলিদান।\” – এই মুক্তির সাথে পদ্মার দেওয়া মুক্তির পার্থক্য কী?
- ক. পদ্মার মুক্তি জীবনপ্রবাহের স্তব্ধতা থেকে প্রাকৃতিক মুক্তি
- খ. কোন পার্থক্য নেই
- গ. পদ্মার মুক্তি রাজনৈতিক
- ঘ. পদ্মার মুক্তি কেবল অর্থনৈতিক
উত্তর: ক। পদ্মার তীব্র গতি মানুষের জীবনের জড়তা ভেঙে প্রাণের স্পন্দন জাগায়।
50। উদ্দীপক: পর্তুগিজরা একসময় বাংলার নদীপথে ত্রাস সৃষ্টি করেছিল। কবিতায় তাদের কী নামে ডাকা হয়েছে?
- ক. হার্মাদ
- খ. ফরাসি
- গ. জওয়ান
- ঘ. বোম্বেটে
উত্তর: ক। শব্দার্থ ও টীকা অনুযায়ী, হার্মাদ হলো পর্তুগিজ জলদস্যু।
51। বহুপদী: ‘পদ্মা’ কবিতায় পদ্মার যে রূপগুলো তুলে ধরা হয়েছে-** i\. ভয়ংকর ও প্রমত্ত রূপ ii\. কল্যাণময়ী ও জীবনদায়িনী রূপ iii\. শুষ্ক ও পানিশূন্য রূপ **নিচের কোনটি সঠিক?
- ক. i ও iii
- খ. i ও ii
- গ. i, ii ও iii
- ঘ. ii ও iii
উত্তর: খ। কবিতায় পদ্মার ধ্বংসাত্মক ও কল্যাণময়ী- উভয় রূপেরই উল্লেখ আছে, শুকিয়ে যাওয়ার কথা নেই।
52। বহুপদী: হার্মাদ সম্পর্কে কবিতায় যা বলা হয়েছে-** i\. তারা জলদস্যু ii\. তারা সমুদ্রের প্রচুর স্বাদ বা অভিজ্ঞতা পেয়েছে iii\. তারা পদ্মার তরঙ্গ দেখে ভয় পায় না **নিচের কোনটি সঠিক?
- ক. ii ও iii
- খ. i, ii ও iii
- গ. i ও ii
- ঘ. i ও iii
উত্তর: গ। হার্মাদরা পদ্মার তরঙ্গভঙ্গ দেখে কেঁপেছে, তাই তারা ভয় পায় না কথাটি ভুল।
53। বহুপদী: সংগ্রামী মানুষ পদ্মার তীরে যা করে-** i\. দুই তীরে লাঙল চালায় ii\. কঠিন শ্রম দেয় iii\. প্রচুর শস্য দানা পায় **নিচের কোনটি সঠিক?
- ক. i, ii ও iii
- খ. i ও iii
- গ. ii ও iii
- ঘ. i ও ii
উত্তর: ক। কবিতায় তিনটি তথ্যই স্পষ্টভাবে বলা আছে।
54। বহুপদী: ‘জওয়ান’ সম্পর্কে কবিতায় যে ধারণা দেওয়া হয়েছে-** i\. তারা জীবন-মৃত্যুর দ্বন্দ্বে নিঃসংশয় ii\. তারা নির্ভীক iii\. তারা সবুজের সমারোহে জীবনের সম্বল পায় **নিচের কোনটি সঠিক?
- ক. i ও iii
- খ. i, ii ও iii
- গ. i ও ii
- ঘ. ii ও iii
উত্তর: খ। \”জীবন-মৃত্যুর দ্বন্দ্বে নিঃসংশয়, নির্ভীক জওয়ান / সবুজের সমারোহে জীবনের পেয়েছে সম্বল।\” – তিনটিই সঠিক।
55। বহুপদী: বর্ষায় পদ্মার স্রোতের পরিণতি হিসেবে বলা হয়েছে-** i\. সাজানো বাগান ভেসে যায় ii\. অসংখ্য জীবন ভেসে যায় iii\. উর্বর চর জেগে ওঠে **নিচের কোনটি সঠিক?
- ক. i ও iii
- খ. ii ও iii
- গ. i ও ii
- ঘ. i, ii ও iii
উত্তর: গ। চর জেগে ওঠার কথা বর্ষার স্রোতের ধ্বংসের বর্ণনায় নেই, আছে বাগান ও জীবন ভেসে যাওয়ার কথা।
56। বহুপদী: পদ্মার তীব্র গতির ফলে যা ঘটে-** i\. মৃত জড়তার বুকে মুক্তির দ্বার খোলে ii\. জীবনপ্রবাহে স্পন্দন জাগে iii\. চারদিক স্তব্ধ হয়ে যায় **নিচের কোনটি সঠিক?
- ক. i, ii ও iii
- খ. i ও ii
- গ. ii ও iii
- ঘ. i ও iii
উত্তর: খ। পদ্মার গতি স্তব্ধতা আনে না, বরং স্তব্ধতা বা জড়তা ভেঙে মুক্তির স্পন্দন আনে।
57। বহুপদী: ‘পদ্মা’ কবিতার গঠনশৈলী সম্পর্কে সঠিক তথ্য হলো-** i\. এটি একটি চতুর্দশপদী কবিতা ii\. এর প্রতি পঙ্ক্তিতে ১৮ মাত্রা রয়েছে iii\. এটি ছয়টি স্তবকে বিন্যস্ত **নিচের কোনটি সঠিক?
- ক. i ও iii
- খ. i ও ii
- গ. i, ii ও iii
- ঘ. ii ও iii
উত্তর: খ। কবিতাটি ৫টি স্তবকে বিন্যস্ত (৩ পঙ্ক্তির ৪টি এবং ২ পঙ্ক্তির ১টি স্তবক)। তাই iii ভুল।
58। বহুপদী: ‘কাফেলা’ কাব্যগ্রন্থ সম্পর্কে যে তথ্যগুলো সঠিক-** i\. এটি ফররুখ আহমদের রচনা ii\. এটি ১৯৮০ সালে প্রকাশিত iii\. এটি সাতটি সনেটের সমন্বয়ে রচিত **নিচের কোনটি সঠিক?
- ক. ii ও iii
- খ. i ও ii
- গ. i, ii ও iii
- ঘ. i ও iii
উত্তর: গ। পাঠ-পরিচিতিতে এই তিনটি তথ্যই দেওয়া আছে।
59। বহুপদী: ফররুখ আহমদের কাব্যে প্রধানত প্রকাশ পেয়েছে-** i\. ইসলামি আদর্শ ii\. রোমান্টিক প্রেম iii\. জীবনবোধ **নিচের কোনটি সঠিক?
- ক. i ও ii
- খ. i, ii ও iii
- গ. ii ও iii
- ঘ. i ও iii
উত্তর: ঘ। লেখক পরিচিতিতে বলা হয়েছে, তাঁর কবিতায় ইসলামি আদর্শ ও জীবনবোধের প্রকাশ ঘটেছে।
60। বহুপদী: ফররুখ আহমদ রচিত কাব্যগ্রন্থ হলো-** i\. সাত সাগরের মাঝি ii\. সিরাজাম মুনীরা iii\. নৌফেল ও হাতেম **নিচের কোনটি সঠিক?
- ক. i ও ii
- খ. i, ii ও iii
- গ. ii ও iii
- ঘ. i ও iii
উত্তর: ক। ‘নৌফেল ও হাতেম’ হলো কাব্যনাট্য, কাব্যগ্রন্থ নয়।
61। বহুপদী: ‘হার্মাদ’ শব্দটি সম্পর্কে সঠিক তথ্য-** i\. এটি একটি স্প্যানিশ শব্দ (Armada) থেকে এসেছে ii\. এর অর্থ পর্তুগিজ জলদস্যু iii\. এরা নদী বা সমুদ্রপথে ডাকাতি করে **নিচের কোনটি সঠিক?
- ক. i ও ii
- খ. i ও iii
- গ. ii ও iii
- ঘ. i, ii ও iii
উত্তর: ঘ। শব্দার্থ ও টীকায় এই তিনটি তথ্যই দেওয়া আছে।
62। বহুপদী: ফররুখ আহমদের স্বীকৃতি ও পুরস্কার-** i\. বাংলা একাডেমি পুরস্কার ii\. ইউনেস্কো পুরস্কার iii\. মরণোত্তর একুশে পদক **নিচের কোনটি সঠিক?
- ক. i, ii ও iii
- খ. ii ও iii
- গ. i ও ii
- ঘ. i ও iii
উত্তর: ক। লেখক পরিচিতিতে এই তিনটি পুরস্কারের কথাই উল্লেখ আছে।
63। বহুপদী: ‘পদ্মা’ কবিতার মিলবিন্যাসে পাওয়া যায়-** i\. কখক খ. ঘঙঘ iii\. চছচ **নিচের কোনটি সঠিক?
- ক. ii ও iii
- খ. i, ii ও iii
- গ. i ও iii
- ঘ. i ও ii
উত্তর: ঘ। মিলবিন্যাসটি হলো: কখক খগখ গঘগ ঘঙঘ ঙঙ। এখানে ‘চছচ’ নেই।
64। বহুপদী: ফররুখ আহমদের কর্মজীবন সম্পর্কে সত্য-** i\. তিনি বহুবিচিত্র পেশা অবলম্বন করেছেন ii\. দীর্ঘকাল ঢাকা বেতারে চাকরি করেছেন iii\. তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেছেন **নিচের কোনটি সঠিক?
- ক. ii ও iii
- খ. i ও iii
- গ. i, ii ও iii
- ঘ. i ও ii
উত্তর: ঘ। তিনি ঢাকা বেতারে ‘স্টাফ রাইটার’ ছিলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপনার কথা বলা নেই।
65। বহুপদী: ‘মৃত জড়তার বুকে খুলেছে মুক্তির স্বর্ণদ্বার’- এখানে ‘মৃত জড়তা’ বলতে বোঝায়-** i\. জীবনপ্রবাহের গতিহীনতা ii\. স্তব্ধতা iii\. মৃত্যু **নিচের কোনটি সঠিক?
- ক. i ও iii
- খ. i, ii ও iii
- গ. i ও ii
- ঘ. ii ও iii
উত্তর: গ। টীকা অনুযায়ী এটি জীবনপ্রবাহের গতিহীন স্তব্ধতাকে নির্দেশ করে, আক্ষরিক মৃত্যু নয়।
66। বহুপদী: ‘জওয়ান’ শব্দটি-** i\. একটি ফারসি শব্দ ii\. অর্থ শক্তিশালী ও বলবান ব্যক্তি iii\. অর্থ বৃদ্ধ ব্যক্তি **নিচের কোনটি সঠিক?
- ক. i ও iii
- খ. i ও ii
- গ. i, ii ও iii
- ঘ. ii ও iii
উত্তর: খ। শব্দার্থে স্পষ্ট বলা আছে, এটি ফারসি শব্দ এবং এর অর্থ শক্তিশালী ও বলবান ব্যক্তি।
67। বহুপদী: ‘পদ্মা’ কবিতায় কৃষকের শ্রমকে বলা হয়েছে-** i\. সহজ ii\. কঠিন iii\. পর্যাপ্ত ফসল উৎপাদনকারী **নিচের কোনটি সঠিক?
- ক. i ও iii
- খ. ii ও iii
- গ. i, ii ও iii
- ঘ. i ও ii
উত্তর: খ। কবিতায় আছে \”কঠিন শ্রমের ফল\” এবং তারা \”পর্যাপ্ত ফসল\” ফলায়।
68। বহুপদী: ফররুখ আহমদ রচিত সাহিত্যকর্মের প্রকারভেদ হলো-** i\. কাব্যনাট্য ii\. কাহিনিকাব্য iii\. উপন্যাস **নিচের কোনটি সঠিক?
- ক. i ও ii
- খ. i ও iii
- গ. i, ii ও iii
- ঘ. ii ও iii
উত্তর: ক। লেখক পরিচিতিতে তাঁর কাব্যগ্রন্থ, কাব্যনাট্য, কাহিনিকাব্য, সনেট ও ছড়ার কথা আছে, উপন্যাসের কথা নেই।
69। বহুপদী: পদ্মার ভয়ংকর রূপ যাদের জীবনে প্রভাব ফেলে-** i\. সমুদ্রগামী জলদস্যু ii\. নদীর তীরের অধিবাসী iii\. বাগানের মালিক **নিচের কোনটি সঠিক?
- ক. i, ii ও iii
- খ. i ও iii
- গ. i ও ii
- ঘ. ii ও iii
উত্তর: ক। জলদস্যুরা ভয় পায়, তীরের অধিবাসী ও সাজানো বাগান বর্ষায় ভেসে যায়।
70। বহুপদী: ‘সবুজের সমারোহে’ বলতে বোঝানো হয়েছে-** i\. ফসলের খেত ii\. জীবনদায়িনী সবুজ প্রকৃতি iii\. সমুদ্রের শ্যাওলা **নিচের কোনটি সঠিক?
- ক. ii ও iii
- খ. i ও ii
- গ. i, ii ও iii
- ঘ. i ও iii
উত্তর: খ। নদীর চরে কৃষকের ফলানো শস্য বা প্রকৃতিকে বোঝানো হয়েছে, সমুদ্রের শ্যাওলা নয়।
71। ‘পাণ্ডুর’ শব্দের সঠিক অর্থ কোনটি?
- ক. ফ্যাকাশে বা সাদাটে হলুদ বর্ণবিশিষ্ট
- খ. মিশমিশে কালো
- গ. লালচে
- ঘ. গাঢ় সবুজ
উত্তর: ক। শব্দার্থ ও টীকায় ‘পাণ্ডুর’ অর্থ ফ্যাকাশে বা সাদাটে হলুদ বর্ণবিশিষ্ট দেওয়া আছে।
72। ‘ঘূর্ণি’ বলতে কী বোঝায়?
- ক. জল বা বায়ুর প্রচণ্ড আবর্তন
- খ. ভূমিকম্প
- গ. শান্ত জল
- ঘ. নদীর বাঁক
উত্তর: ক। শব্দার্থে ‘ঘূর্ণি’ মানে জল বা বায়ুর প্রচণ্ড আবর্তন বলা হয়েছে।
73। ‘সমুদ্রের স্বাদ’ শব্দগুচ্ছটি কবিতায় কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- ক. সমুদ্রে ডুবে যাওয়া
- খ. সমুদ্র-ভ্রমণের অভিজ্ঞতা
- গ. সমুদ্রের মাছ খাওয়া
- ঘ. সমুদ্রের লোনা জল পান করা
উত্তর: খ। শব্দার্থ অনুযায়ী এটি সমুদ্র-ভ্রমণের অভিজ্ঞতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে।
74। ‘উর্বর’ শব্দের অর্থ কী?
- ক. উৎপাদন শক্তিবিশিষ্ট
- খ. পতিত জমি
- গ. বালুকাময়
- ঘ. পাথুরে
উত্তর: ক। শব্দার্থ ও টীকায় ‘উর্বর’ অর্থ উৎপাদন শক্তিবিশিষ্ট।
75। ‘নিঃসংশয়’ শব্দের অর্থ কী?
- ক. সন্দেহহীন
- খ. ভয়ংকর
- গ. সংশয়গ্রস্ত
- ঘ. সন্দেহযুক্ত
উত্তর: ক। শব্দার্থে বলা আছে, ‘নিঃসংশয়’ অর্থ সন্দেহহীন।
76। ‘সমারোহে’ শব্দটি দিয়ে কী বোঝানো হয়েছে?
- ক. দ্রুতগতিতে
- খ. নীরবে
- গ. আড়ম্বর বা জাঁকজমক
- ঘ. গোপনে
উত্তর: গ। শব্দার্থ অনুযায়ী ‘সমারোহে’ অর্থ আড়ম্বর বা জাঁকজমক।
77। ‘সম্বল’ শব্দের আভিধানিক অর্থ কী?
- ক. বাধা
- খ. পাথেয় বা অবলম্বন
- গ. অস্ত্র
- ঘ. শক্তি
উত্তর: খ। শব্দার্থ ও টীকায় ‘সম্বল’ অর্থ পাথেয় বা অবলম্বন দেওয়া আছে।
78। ‘প্রদীপ্ত’ শব্দের অর্থ কোনটি?
- ক. অনুজ্জ্বল
- খ. উজ্জ্বল বা ভাস্বর
- গ. অন্ধকার
- ঘ. নিভে যাওয়া
উত্তর: খ। শব্দার্থে ‘প্রদীপ্ত’ অর্থ উজ্জ্বল বা ভাস্বর।
79। ‘স্রোতধারা’ বলতে কী বোঝায়?
- ক. সমুদ্রের ঢেউ
- খ. স্থির জল
- গ. স্রোতের ধারা
- ঘ. বৃষ্টি
উত্তর: গ। শব্দার্থ অনুযায়ী ‘স্রোতধারা’ অর্থ স্রোতের ধারা।
80। ‘পদ্মা’ কবিতার প্রথম স্তবকের পঙ্ক্তি সংখ্যা কত?
- ক. তিন
- খ. পাঁচ
- গ. চার
- ঘ. দুই
উত্তর: ক। পাঠ-পরিচিতি অনুযায়ী প্রথম চারটি স্তবক তিন পঙ্ক্তিযুক্ত।
81। ‘পদ্মা’ কবিতার শেষ স্তবকের পঙ্ক্তি সংখ্যা কত?
- ক. চার
- খ. দুই
- গ. তিন
- ঘ. এক
উত্তর: খ। পাঠ-পরিচিতিতে বলা আছে, শেষে দুই পঙ্ক্তিযুক্ত একটি স্তবক রয়েছে।
82। ‘পদ্মা’ কবিতায় মোট কয়টি পঙ্ক্তি বা চরণ রয়েছে?
- ক. বারোটি
- খ. চৌদ্দটি
- গ. ষোলোটি
- ঘ. আঠারোটি
উত্তর: খ। এটি একটি সনেট, তাই এর পঙ্ক্তি সংখ্যা ১৪ (৩x৪ + ২ = ১৪)।
83। ‘পদ্মা’ কবিতার প্রতি পঙ্ক্তিতে কত মাত্রা বিদ্যমান?
- ক. ১৮ মাত্রা
- খ. ১৪ মাত্রা
- গ. ১৬ মাত্রা
- ঘ. ২০ মাত্রা
উত্তর: ক। পাঠ-পরিচিতিতে স্পষ্টভাবে বলা আছে, প্রতি পঙ্ক্তিতে ১৮ মাত্রা রয়েছে।
84। সনেটের মূল বৈশিষ্ট্য কী?
- ক. চৌদ্দটি পঙ্ক্তি ও নির্দিষ্ট মিলবিন্যাস
- খ. কেবল দুই স্তবক
- গ. ছন্দের অভাব
- ঘ. অসীম পঙ্ক্তি সংখ্যা
উত্তর: ক। সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো ১৪ পঙ্ক্তি ও সুনির্দিষ্ট মিলবিন্যাস।
85। ‘পদ্মা’ কবিতার প্রথম পঙ্ক্তির শেষ শব্দ কোনটি?
- ক. প্রচুর
- খ. পাণ্ডুর
- গ. হার্মাদ
- ঘ. স্বাদ
উত্তর: ঘ। কবিতার প্রথম পঙ্ক্তি হলো: \”অনেক ঘূর্ণিতে ঘুরে, পেয়ে ঢের সমুদ্রের স্বাদ,\”।
86। ‘পদ্মা’ কবিতার দ্বিতীয় পঙ্ক্তির শেষ শব্দ কোনটি?
- ক. লাঙল
- খ. পাণ্ডুর
- গ. হার্মাদ
- ঘ. প্রচুর
উত্তর: ঘ। দ্বিতীয় পঙ্ক্তি: \”জীবনের পথে পথে অভিজ্ঞতা কুড়ায়ে প্রচুর\”।
87। ‘পদ্মা’ কবিতার তৃতীয় পঙ্ক্তির শেষ শব্দ কোনটি?
- ক. পাণ্ডুর
- খ. হার্মাদ
- গ. প্রচুর
- ঘ. লাঙল
উত্তর: খ। তৃতীয় পঙ্ক্তি: \”কেঁপেছে তোমাকে দেখে জলদস্যু-দুরন্ত হার্মাদ,\”।
88। ‘পদ্মা’ কবিতার মিলবিন্যাসের দ্বিতীয় স্তবক কোনটি?
- ক. ঘঙঘ
- খ. খগখ
- গ. কখক
- ঘ. গঘগ
উত্তর: খ। পাঠ-পরিচিতি অনুযায়ী মিলবিন্যাস: কখক খগখ\…। তাই দ্বিতীয় স্তবক খগখ।
89। ‘পদ্মা’ কবিতার শেষ দুটি পঙ্ক্তি (couplet) কোন মিলবিন্যাস অনুসরণ করে?
- ক. ঙঙ
- খ. গগ
- গ. চচ
- ঘ. ঘঘ
উত্তর: ক। মিলবিন্যাসের শেষে ‘ঙঙ’ রয়েছে।
90। \”তোমার সুতীব্র গতি; তোমার প্রদীপ্ত স্রোতধারা\” – এই পঙ্ক্তিটি কবিতার কোথায় অবস্থিত?
- ক. দ্বিতীয় স্তবকে
- খ. একদম শুরুতে
- গ. মাঝখানে
- ঘ. একদম শেষে
উত্তর: ঘ। এটি কবিতার সর্বশেষ বা ১৪তম পঙ্ক্তি।
91। ‘হার্মাদ’ শব্দটি কোন শব্দ থেকে এসেছে?
- ক. পর্তুগিজ শব্দ Armada
- খ. ফরাসি শব্দ Armada
- গ. স্প্যানিশ শব্দ Armada
- ঘ. ইংরেজি শব্দ Army
উত্তর: গ। শব্দার্থ ও টীকায় লেখা আছে, স্প্যানিশ শব্দ (Armada)।
92। ‘তরঙ্গভঙ্গ’ শব্দটিতে কোন সমাস যুক্ত আছে বলে মনে হয়? (ব্যাকরণগত)
- ক. বহুব্রীহি
- খ. তৎপুরুষ
- গ. দ্বন্দ্ব
- ঘ. অব্যয়ীভাব
উত্তর: খ। তরঙ্গের ভঙ্গ (ষষ্ঠী তৎপুরুষ)।
93। ‘অজস্র’ শব্দের সমার্থক কোনটি কবিতায় ব্যবহৃত হয়েছে?
- ক. সবকটি
- খ. প্রচুর
- গ. পর্যাপ্ত
- ঘ. অসংখ্য
উত্তর: ক। কবিতায় পর্যাপ্ত, প্রচুর, অসংখ্য – সবগুলোই প্রচুর বা অনেক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
94। ‘সম্ভার’ শব্দের অর্থ কী?
- ক. আয়োজন বা উপকরণ
- খ. শূন্যতা
- গ. সমাদর
- ঘ. বোঝা
উত্তর: ক। ‘জীবনের অজস্র সম্ভার’ বলতে জীবনের নানা উপকরণ বা আয়োজনকে বোঝানো হয়েছে।
95। ‘সুবর্ণ’ ও ‘দ্বার’ মিলে ‘স্বর্ণদ্বার’ – এর অর্থ কী?
- ক. সোনার তৈরি দরজা বা মূল্যবান সুযোগ
- খ. ভাঙা দরজা
- গ. মাটির ঘর
- ঘ. লোহার দরজা
উত্তর: ক। মুক্তির স্বর্ণদ্বার রূপকার্থে মূল্যবান বা উজ্জ্বল সুযোগ/পথকে বোঝায়।
96। ‘নির্ভীক’ শব্দের অর্থ কী?
- ক. যে পালিয়ে যায়
- খ. যার ভয় নেই
- গ. যার ভয় আছে
- ঘ. যে ভয় দেখায়
উত্তর: খ। নির্ভীক জওয়ান বলতে ভয়হীন বা সাহসী জওয়ানকে বোঝানো হয়েছে।
97। ‘দ্বন্দ্ব’ শব্দের অর্থ কবিতায় কীরূপ?
- ক. মিলন
- খ. শান্তি
- গ. সংগ্রাম বা সংঘাত
- ঘ. সন্দেহ
উত্তর: গ। ‘জীবন-মৃত্যুর দ্বন্দ্বে’ বলতে জীবন ও মৃত্যুর মাঝে সংগ্রাম বা সংঘাতকে বোঝায়।
98। ‘পাণ্ডুর’ বর্ণটি কীভাবে সৃষ্টি হয়?
- ক. প্রচণ্ড রাগে
- খ. শান্তিতে
- গ. তীব্র ভয়ে বা অসুস্থতায়
- ঘ. অতিরিক্ত আনন্দে
উত্তর: গ। জলদস্যুরা পদ্মার ঢেউ দেখে ভয়ে পাণ্ডুর (ফ্যাকাশে) হয়ে যায়।
99। ‘ঢের’ শব্দের অর্থ কী?
- ক. দ্রুত
- খ. একটি
- গ. সামান্য
- ঘ. প্রচুর বা অনেক
উত্তর: ঘ। \”পেয়ে ঢের সমুদ্রের স্বাদ\” – এখানে ঢের মানে অনেক।
100। ‘ফলায়েছে’ পদটি ব্যাকরণের কোন পদ?
- ক. অব্যয়
- খ. বিশেষণ
- গ. বিশেষ্য
- ঘ. ক্রিয়া
উত্তর: ঘ। ফলায়েছে একটি কাজ বোঝায়, তাই এটি ক্রিয়াপদ।
101। কবি ফররুখ আহমদ কত খ্রিষ্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন?
- ক. ১৯১৪
- খ. ১৯২১
- গ. ১৯২৪
- ঘ. ১৯১৮
উত্তর: ঘ। লেখক পরিচিতিতে বলা হয়েছে, তাঁর জন্ম ১৯১৮ খ্রিষ্টাব্দে।
102। ফররুখ আহমদের জন্ম তারিখ কোনটি?
- ক. ২১শে ফেব্রুয়ারি
- খ. ১০ই জুন
- গ. ১৯শে অক্টোবর
- ঘ. ১৬ই ডিসেম্বর
উত্তর: খ। তাঁর জন্ম ১৯১৮ খ্রিষ্টাব্দের ১০ই জুন।
103। ফররুখ আহমদ কোন জেলায় জন্মগ্রহণ করেন?
- ক. খুলনা
- খ. মাগুরা
- গ. ফরিদপুর
- ঘ. যশোর
উত্তর: খ। তিনি মাগুরা জেলার মাঝআইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
104। ফররুখ আহমদের গ্রামের নাম কী?
- ক. মাঝআইল
- খ. গোবিন্দপুর
- গ. কপোতাক্ষ
- ঘ. তাম্বুলখানা
উত্তর: ক। লেখক পরিচিতিতে তাঁর গ্রামের নাম মাঝআইল দেওয়া আছে।
105। ফররুখ আহমদের পিতার নাম কী?
- ক. সৈয়দ হাতেম আলী
- খ. আনসারউদ্দীন মোল্লা
- গ. সৈয়দ আমীর আলী
- ঘ. বোরহানউদ্দীন
উত্তর: ক। তাঁর পিতার নাম সৈয়দ হাতেম আলী।
106। ফররুখ আহমদ দীর্ঘকাল ধরে কোন পেশায় নিয়োজিত ছিলেন?
- ক. সরকারি আমলা
- খ. বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক
- গ. সংবাদপত্রের সম্পাদক
- ঘ. ঢাকা বেতারে ‘স্টাফ রাইটার’
উত্তর: ঘ। শেষ পর্যন্ত দীর্ঘকাল ধরে চাকরিতে নিয়োজিত ছিলেন ঢাকা বেতারে ‘স্টাফ রাইটার’ হিসেবে।
107। ফররুখ আহমদ কোন দশকের অন্যতম শক্তিমান কবি?
- ক. পঞ্চাশের দশকে
- খ. ষাটের দশকে
- গ. চল্লিশের দশকে
- ঘ. ত্রিশের দশকে
উত্তর: গ। লেখক পরিচিতিতে তাঁকে ‘চল্লিশের দশকে আবির্ভূত শক্তিমান কবিদের অন্যতম’ বলা হয়েছে।
108। ফররুখ আহমদের প্রথম কাব্যগ্রন্থের নাম কী?
- ক. সাত সাগরের মাঝি
- খ. হাতেম তায়ী
- গ. মুহূর্তের কবিতা
- ঘ. সিরাজাম মুনীরা
উত্তর: ক। তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘সাত সাগরের মাঝি’।
109। ‘সাত সাগরের মাঝি’ কাব্যগ্রন্থটি কত সালে প্রকাশিত হয়?
- ক. ১৯৪০
- খ. ১৯৫২
- গ. ১৯৪৪
- ঘ. ১৯৭৪
উত্তর: গ। ‘সাত সাগরের মাঝি’ প্রকাশিত হয় ১৯৪৪ সালে।
110। কবি ফররুখ আহমদ কিসের পুনরুজ্জীবনে বিশ্বাসী ছিলেন?
- ক. ইসলামি ঐতিহ্যের
- খ. মার্কসবাদের
- গ. পাশ্চাত্য আধুনিকতার
- ঘ. প্রাচীন গ্রিক সাহিত্যের
উত্তর: ক। তিনি ইসলামি ঐতিহ্যের পুনরুজ্জীবনে বিশ্বাসী ছিলেন।
111। ‘সিরাজাম মুনীরা’ ফররুখ আহমদের কী ধরনের গ্রন্থ?
- ক. কাহিনিকাব্য
- খ. কাব্যগ্রন্থ
- গ. কাব্যনাট্য
- ঘ. সনেট সংকলন
উত্তর: খ। লেখক পরিচিতিতে ‘সিরাজাম মুনীরা’-কে কাব্যগ্রন্থ বলা হয়েছে।
112। ‘নৌফেল ও হাতেম’ ফররুখ আহমদের কী ধরনের রচনা?
- ক. কাব্যগ্রন্থ
- খ. ছোটগল্প
- গ. উপন্যাস
- ঘ. কাব্যনাট্য
উত্তর: ঘ। গ্রন্থগুলোর তালিকায় ‘নৌফেল ও হাতেম’-কে কাব্যনাট্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
113। ফররুখ আহমদের সনেট সংকলনের নাম কী?
- ক. কাফেলা
- খ. সাত সাগরের মাঝি
- গ. সিরাজাম মুনীরা
- ঘ. মুহূর্তের কবিতা
উত্তর: ঘ। লেখক পরিচিতিতে সনেট সংকলন হিসেবে ‘মুহূর্তের কবিতা’ এর নাম দেওয়া আছে।
114। ‘হাতেম তায়ী’ ফররুখ আহমদের কী ধরনের রচনা?
- ক. নাটক
- খ. প্রবন্ধ
- গ. কাহিনিকাব্য
- ঘ. শিশুতোষ গল্প
উত্তর: গ। ‘হাতেম তায়ী’ হলো তাঁর রচিত কাহিনিকাব্য।
115। বড়দের পাশাপাশি ফররুখ আহমদ কাদের জন্য সাহিত্য রচনা করেছেন?
- ক. ছোটদের জন্য (ছড়া ও কবিতা)
- খ. কেবল মহিলাদের জন্য
- গ. কেবল গবেষকদের জন্য
- ঘ. বিদেশি পাঠকদের জন্য
উত্তর: ক। তিনি ছোটদের জন্য বেশ কিছু ছড়া ও কবিতা লিখে গেছেন।
116। সাহিত্যকৃতির স্বীকৃতিস্বরূপ ফররুখ আহমদ কোন পুরস্কার লাভ করেছেন?
- ক. নোবেল পুরস্কার
- খ. ম্যান বুকার পুরস্কার
- গ. পুলিৎজার পুরস্কার
- ঘ. বাংলা একাডেমি পুরস্কার
উত্তর: ঘ। তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার ও ইউনেস্কো পুরস্কার লাভ করেছেন।
117। ফররুখ আহমদ কোন আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করেছিলেন?
- ক. ইউনেস্কো পুরস্কার
- খ. ইউনিসেফ পুরস্কার
- গ. র্যামন ম্যাগসাইসাই
- ঘ. বুকার প্রাইজ
উত্তর: ক। লেখক পরিচিতিতে তাঁর ইউনেস্কো পুরস্কার লাভের কথা উল্লেখ আছে।
118। ফররুখ আহমদকে মরণোত্তর কোন পদকে ভূষিত করা হয়?
- ক. একুশে পদক
- খ. বেগম রোকেয়া পদক
- গ. জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার
- ঘ. স্বাধীনতা পদক
উত্তর: ক। তিনি মরণোত্তর একুশে পদকে ভূষিত হয়েছেন।
119। কবি ফররুখ আহমদ কত খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন?
- ক. ১৯৭১
- খ. ১৯৬৯
- গ. ১৯৭৪
- ঘ. ১৯৮০
উত্তর: গ। তিনি ১৯৭৪ খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন।
120। ফররুখ আহমদের মৃত্যুর তারিখ কোনটি?
- ক. ১৫ই আগস্ট
- খ. ১০ই জুন
- গ. ১৯শে অক্টোবর
- ঘ. ২১শে ফেব্রুয়ারি
উত্তর: গ। তিনি ১৯৭৪ খ্রিষ্টাব্দের ১৯শে অক্টোবর মৃত্যুবরণ করেন।
121। ফররুখ আহমদ কোথায় মৃত্যুবরণ করেন?
- ক. ঢাকায়
- খ. লন্ডনে
- গ. কলকাতায়
- ঘ. মাগুরায়
উত্তর: ক। লেখক পরিচিতিতে বলা হয়েছে, তিনি ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন।
122। ‘কাফেলা’ কাব্যের কবি কে?
- ক. জীবনানন্দ দাশ
- খ. জসীমউদ্দীন
- গ. ফররুখ আহমদ
- ঘ. কাজী নজরুল ইসলাম
উত্তর: গ। ‘পদ্মা’ কবিতাটি ফররুখ আহমদের ‘কাফেলা’ কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত।
123। ‘কাফেলা’ কাব্যটি কত সালে প্রকাশিত?
- ক. ১৯৭৪
- খ. ১৯৮০
- গ. ১৯৪৪
- ঘ. ১৯৬০
উত্তর: খ। পাঠ-পরিচিতিতে ‘কাফেলা’ (১৯৮০) উল্লেখ আছে।
124। ‘পদ্মা’ কবিতায় কোন যতিচিহ্নের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি চোখে পড়ে প্রথম স্তবকে?
- ক. কমা ও ড্যাশ
- খ. জিজ্ঞাসা চিহ্ন
- গ. কোলন
- ঘ. বিস্ময় চিহ্ন
উত্তর: ক। প্রথম স্তবকে \”অনেক ঘূর্ণিতে ঘুরে, পেয়ে ঢের সমুদ্রের স্বাদ,\” এবং \”জলদস্যু-দুরন্ত হার্মাদ\” এ কমা ও ড্যাশ ব্যবহৃত হয়েছে।
125। \”তোমার তরঙ্গভঙ্গে বর্ণ তার হয়েছে পাণ্ডুর!\” – এখানে ‘তার’ বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে?
- ক. হার্মাদের
- খ. জওয়ানের
- গ. কৃষকের
- ঘ. নদীর
উত্তর: ক। এর আগের লাইনেই হার্মাদের কথা বলা হয়েছে, যে পদ্মাকে দেখে কাঁপে।
126। \”জীবনের পথে পথে অভিজ্ঞতা কুড়ায়ে প্রচুর\” – এই পঙ্ক্তিতে কার জীবনের কথা বলা হয়েছে?
- ক. কবির নিজের
- খ. সংগ্রামী কৃষকের
- গ. জলদস্যু বা হার্মাদের
- ঘ. সাধারণ জওয়ানের
উত্তর: গ। এটি জলদস্যুর বর্ণনা হিসেবে এসেছে, যে প্রচুর অভিজ্ঞতা কুড়িয়েও পদ্মাকে ভয় পায়।
127। কৃষকরা লাঙল চালিয়ে কীসের সাথে সংগ্রাম করে?
- ক. জমিদারদের সাথে
- খ. হার্মাদদের সাথে
- গ. পদ্মার স্রোত ও প্রকৃতির সাথে
- ঘ. জওয়ানদের সাথে
উত্তর: গ। পদ্মার ভাঙন ও ভীতিকর রূপের মধ্যেই তারা লাঙল চালিয়ে সংগ্রাম করে।
128। \”বর্ষায় তোমার স্রোতে গেছে ভেসে সাজানো বাগান\” – এখানে ‘তোমার’ বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে?
- ক. পদ্মা নদীর
- খ. হার্মাদের
- গ. জওয়ানের
- ঘ. বর্ষার
উত্তর: ক। পুরো কবিতায় ‘তুমি’ বা ‘তোমার’ বলতে পদ্মা নদীকেই সম্বোধন করা হয়েছে।
129। ‘হে নদী!’ – এখানে নদীকে কীভাবে সম্বোধন করা হয়েছে?
- ক. তুচ্ছার্থে
- খ. সসম্ভ্রমে বা সম্মানসূচকভাবে
- গ. ভয় দেখিয়ে
- ঘ. ঘৃণার সাথে
উত্তর: খ। ধ্বংস ও সৃষ্টির বিশালত্বকে স্বীকার করে নদীকে সসম্ভ্রমে আহ্বান করা হয়েছে।
130। ‘পদ্মা’ কবিতার মূল উপজীব্য কী?
- ক. নৌকাবাইচ
- খ. নদীর ধ্বংস ও সৃজনের শাশ্বত রূপ
- গ. কেবল নদীর সৌন্দর্য
- ঘ. জেলেদের জীবন
উত্তর: খ। পাঠ-পরিচিতি অনুযায়ী, পদ্মার ধ্বংসাত্মক রূপ ও কল্যাণময়ী সৃজনশীল রূপই এর মূল উপজীব্য।
131। ‘পদ্মা’ কবিতায় হার্মাদদের কেমন হিসেবে চিত্রিত করা হয়েছে?
- ক. দয়ালু
- খ. দুর্বল
- গ. দুরন্ত
- ঘ. অলস
উত্তর: গ। কবিতায় বলা হয়েছে \”জলদস্যু-দুরন্ত হার্মাদ\”।
132। ফররুখ আহমদের কবিতায় কোন বোধের প্রধানত প্রকাশ ঘটেছে?
- ক. ইসলামি আদর্শ ও জীবনবোধ
- খ. মৃত্যুচেতনা
- গ. পাশ্চাত্য দর্শন
- ঘ. হতাশা ও ক্লান্তি
উত্তর: ক। লেখক পরিচিতিতে বলা আছে, তাঁর কবিতায় ইসলামি আদর্শ ও জীবনবোধের প্রকাশ ঘটেছে।
133। ‘পদ্মা’ কবিতায় ‘সবুজের সমারোহ’ কিসের প্রতীক?
- ক. বিনাশের
- খ. ফসলের প্রাচুর্য ও জীবনের বিকাশের
- গ. হতাশার
- ঘ. যুদ্ধের
উত্তর: খ। সবুজের সমারোহে জওয়ানরা জীবনের সম্বল পায়, যা জীবন বিকাশের প্রতীক।
134। কবিতায় ‘জওয়ান’দের কোন বৈশিষ্ট্যের কথা বলা হয়েছে?
- ক. স্বার্থপর
- খ. ভীতু
- গ. নির্ভীক
- ঘ. পলায়নপর
উত্তর: গ। \”জীবন-মৃত্যুর দ্বন্দ্বে নিঃসংশয়, নির্ভীক জওয়ান\”।
135। ফররুখ আহমদ কর্মজীবনে শুরুতে কী করেছিলেন?
- ক. বহুবিচিত্র পেশা অবলম্বন
- খ. ব্যবসা
- গ. ডাক্তারি
- ঘ. রাজনীতি
উত্তর: ক। লেখক পরিচিতিতে বলা আছে, কর্মজীবনে বহুবিচিত্র পেশা অবলম্বন করেছেন তিনি।
136। ‘পদ্মা’ নদীর রূপকে কোন শব্দের মাধ্যমে সবচেয়ে ভালোভাবে প্রকাশ করা যায়?
- ক. একমুখী
- খ. স্থির
- গ. নিরীহ
- ঘ. দ্বৈত বা বহুমাত্রিক
উত্তর: ঘ। সে একাধারে ধ্বংস করে এবং সৃষ্টি করে, তাই এর রূপ দ্বৈত।
137। ‘সনেট’ শব্দের বাংলা পরিভাষা কী?
- ক. মহাকাব্য
- খ. গীতিকবিতা
- গ. চতুর্দশপদী কবিতা
- ঘ. খণ্ডকাব্য
উত্তর: গ। পাঠ-পরিচিতিতে ‘চতুর্দশপদী (sonnet)’ লেখা আছে।
138। ‘পদ্মা’ কবিতায় পদ্মার চরে ফসল ফলানোর কৃতিত্ব কাদের?
- ক. প্রকৃতির নিজের
- খ. বর্ষার
- গ. জলদস্যুদের
- ঘ. সংগ্রামী মানুষের
উত্তর: ঘ। \”সংগ্রামী মানুষ তবু দুই তীরে চালায়ে লাঙল\… ফলায়েছে পর্যাপ্ত ফসল!\”
139। কোন কাব্যের জন্য ফররুখ আহমদ সবচেয়ে বেশি পরিচিতি পান?
- ক. মুহূর্তের কবিতা
- খ. নৌফেল ও হাতেম
- গ. সাত সাগরের মাঝি
- ঘ. হাতেম তায়ী
উত্তর: গ। চল্লিশের দশকে তাঁর প্রথম ও সবচেয়ে বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ এটি, যা তাঁকে শক্তিমান কবি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।
140। ‘অজস্র সম্ভার’ বলতে কবিতায় কী বোঝানো হয়েছে?
- ক. বিপুল পরিমাণ জীবনের উপকরণ বা সম্পদ
- খ. অস্ত্রের মজুত
- গ. সামান্য জিনিসপত্র
- ঘ. বইয়ের সংগ্রহ
উত্তর: ক। নদীর স্রোতে ভেসে যাওয়া জীবনের বিপুল উপকরণকেই ‘অজস্র সম্ভার’ বলা হয়েছে।
141। ‘পদ্মা’ নদীর সাথে এদেশের মানুষের সম্পর্ক কেমন?
- ক. বিরোধপূর্ণ
- খ. কেবল ভয়ের
- গ. একাত্ম বা অবিচ্ছেদ্য
- ঘ. সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন
উত্তর: গ। পাঠ-পরিচিতির শেষে বলা হয়েছে, পদ্মা এদেশের জনজীবনের সঙ্গে একাত্ম হয়ে আছে।
142। ‘মৃত জড়তা’ ভাঙতে পদ্মার কী প্রয়োজন হয়?
- ক. কৃষকের লাঙল
- খ. সুতীব্র গতি ও প্রদীপ্ত স্রোতধারা
- গ. হার্মাদদের সাহায্য
- ঘ. শান্ত জল
উত্তর: খ। সুতীব্র গতি ও স্রোতধারাই জড়তা ভেঙে মুক্তির দরজা খোলে।
143। ফররুখ আহমদের পিতা সৈয়দ হাতেম আলী পেশায় কী ছিলেন?
- ক. তা লেখক পরিচিতিতে উল্লেখ নেই
- খ. ডাক্তার
- গ. শিক্ষক
- ঘ. পুলিশ অফিসার
উত্তর: ক। লেখক পরিচিতিতে শুধু তাঁর নাম (সৈয়দ হাতেম আলী) দেওয়া আছে, পেশার উল্লেখ নেই।
144। ‘কাফেলা’ কাব্যের সাতটি কবিতার সবগুলোই কী ধরনের?
- ক. শোকগাথা
- খ. সনেট
- গ. ছড়া
- ঘ. গদ্যকবিতা
উত্তর: খ। পাঠ-পরিচিতিতে বলা আছে, ‘কাফেলা’ কাব্য সাতটি সনেটের সমন্বয়ে রচিত।
145। ‘পদ্মা’ কবিতায় ‘স্বর্ণদ্বার’ শব্দটি কিসের রূপক?
- ক. দারিদ্র্যের
- খ. মুক্তির ও নতুন সম্ভাবনার
- গ. মৃত্যুর
- ঘ. বন্দিদশার
উত্তর: খ। \”খুলেছে মুক্তির স্বর্ণদ্বার\” বলতে নতুন সম্ভাবনা বা স্বাধীনতার পথকে বোঝানো হয়েছে।
146। ফররুখ আহমদ কোন যুগের কবি হিসেবে পরিচিত?
- ক. রবীন্দ্র যুগের
- খ. মধ্যযুগের
- গ. প্রাচীন যুগের
- ঘ. আধুনিক যুগের (চল্লিশের দশকের)
উত্তর: ঘ। তাঁকে চল্লিশের দশকে আবির্ভূত শক্তিমান কবি বলা হয়েছে, যা আধুনিক যুগের অংশ।
147। ‘পদ্মা’ কবিতায় পদ্মার ঢেউকে কী বলা হয়েছে?
- ক. সুনামি
- খ. তরঙ্গভঙ্গ
- গ. ছোট ঢেউ
- ঘ. জলোচ্ছ্বাস
উত্তর: খ। কবিতায় \”তোমার তরঙ্গভঙ্গে\” শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে।
148। ‘পদ্মা’ কবিতায় ‘সবুজ’ শব্দটি কোন অর্থে ব্যবহৃত?
- ক. যৌবন ও উর্বরতার অর্থে (সবুজের সমারোহ)
- খ. বিষণ্নতা অর্থে
- গ. অপবিত্রতা অর্থে
- ঘ. শৈবাল অর্থে
উত্তর: ক। সবুজের সমারোহ বলতে উর্বর চরে জন্মানো ফসল ও জীবনের স্পন্দনকে বোঝায়।
149। ‘পদ্মা’ কবিতার কোন পঙ্ক্তিতে পদ্মার ধ্বংসাত্মক রূপ সবচেয়ে স্পষ্ট?
- ক. মৃত জড়তার বুকে খুলেছে মুক্তির স্বর্ণদ্বার
- খ. বর্ষায় তোমার স্রোতে গেছে ভেসে সাজানো বাগান
- গ. সবুজের সমারোহে জীবনের পেয়েছে সম্বল
- ঘ. উর্বর তোমার চরে ফলায়েছে পর্যাপ্ত ফসল!
উত্তর: খ। এই পঙ্ক্তিতে সাজানো বাগান ও জীবন ধ্বংস হওয়ার স্পষ্ট চিত্র রয়েছে।
150। ফররুখ আহমদের মৃত্যু কোথায় হয়েছিল?
- ক. মাঝআইল গ্রামে
- খ. ঢাকায়
- গ. কলকাতায়
- ঘ. বিদেশে
উত্তর: খ। লেখক পরিচিতির একেবারে শেষে বলা আছে, তিনি ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন।
