● HSC বাংলা ১ম পত্র

সুচেতনা কবিতার MCQ | বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

সুচেতনা কবিতার MCQ | HSC বাংলা ১ম পত্র-এর “সুচেতনা” কবিতা থেকে বোর্ড পরীক্ষায় নিয়মিত প্রশ্ন আসে। এই পোস্টে ১৩০টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন (MCQ) উত্তর ও ব্যাখ্যাসহ দেওয়া হলো।

সুচেতনা কবিতার বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর (MCQ)

1। ‘সুচেতনা’ কবিতায় ‘সুচেতনা’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

  • ক. একটি দূরবর্তী দ্বীপ
  • খ. শুভ বা ইতিবাচক চেতনা
  • গ. নক্ষত্রের আলো
  • ঘ. পৃথিবীর গভীর অসুখ

উত্তর: খ। শব্দার্থ ও টীকা অনুযায়ী, সুচেতনা বলতে মূলত এক শুভ বা ইতিবাচক চেতনার কথা বোঝানো হয়েছে।

2। কবির কল্পনায় সুচেতনা কোথায় বিরাজ করে?

  • ক. শাশ্বত রাত্রির বুকে
  • খ. মহাসাগরের তীরে
  • গ. বিকেলের নক্ষত্রের কাছে দূরতর দ্বীপে
  • ঘ. রূঢ় রৌদ্রে

উত্তর: গ। কবিতায় বলা হয়েছে, \”সুচেতনা, তুমি এক দূরতর দ্বীপ / বিকেলের নক্ষত্রের কাছে\”।

3। ‘দারুচিনি-বনানীর ফাঁকে’ কী রয়েছে বলে কবি উল্লেখ করেছেন?

  • ক. গভীর অসুখ
  • খ. নির্জনতা
  • গ. রণ রক্ত সফলতা
  • ঘ. মানুষের ঋণ

উত্তর: খ। কবিতায় আছে, \”সেইখানে দারুচিনি-বনানীর ফাঁকে / নির্জনতা আছে।\”

4। পৃথিবীর ‘রণ রক্ত সফলতা’ সম্পর্কে কবির অভিমত কী?

  • ক. এটিই একমাত্র সত্য
  • খ. এটি সত্য, কিন্তু শেষ সত্য নয়
  • গ. এটি মানুষের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য
  • ঘ. এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা

উত্তর: খ। কবিতায় বলা হয়েছে, \”এই পৃথিবীর রণ রক্ত সফলতা / সত্য; তবু শেষ সত্য নয়\”।

5। মানুষকে মানুষের মতো ভালোবাসা দিতে গিয়ে কবি কী দেখেছেন?

  • ক. পৃথিবীর ক্রমমুক্তি
  • খ. অনন্ত সূর্যোদয়
  • গ. শাশ্বত রাত্রি
  • ঘ. নিজের হাতে ভাই, বোন, বন্ধু, পরিজনের নিহত পড়ে থাকা

উত্তর: ঘ। প্রেম ও কল্যাণ প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে কবি দেখেছেন তাঁরই হাতে নিহত ভাই, বোন, পরিজন পড়ে আছে।

6। ‘পৃথিবীর গভীর গভীরতর অসুখ এখন’- এখানে ‘অসুখ’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

  • ক. মানসিক ক্লান্তি
  • খ. শারীরিক ব্যাধি
  • গ. প্রাকৃতিক দুর্যোগ
  • ঘ. যুদ্ধ, রক্তপাত ও পৃথিবীব্যাপ্ত গভীর সংকট

উত্তর: ঘ। শব্দার্থ ও টীকায় বলা হয়েছে, অসুখ বলতে পৃথিবীব্যাপ্ত গভীর বিপর্যয় বা সংকটকে বোঝানো হয়েছে।

7। পৃথিবীর গভীর অসুখ সত্ত্বেও মানুষ কার কাছে ঋণী?

  • ক. সুচেতনার কাছে
  • খ. শতাব্দীর মনীষীদের কাছে
  • গ. নাবিকদের কাছে
  • ঘ. পৃথিবীরই কাছে

উত্তর: ঘ। কবিতায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, \”পৃথিবীর গভীর গভীরতর অসুখ এখন; / মানুষ তবুও ঋণী পৃথিবীরই কাছে।\”

8। পৃথিবীর ‘ক্রমমুক্তি’ কীভাবে ঘটবে বলে কবি মনে করেন?

  • ক. এই পথে আলো জ্বেলে অর্থাৎ শুভ চেতনার মাধ্যমে
  • খ. সমুদ্র পাড়ি দেওয়ার মাধ্যমে
  • গ. নির্জনতায় বসবাস করে
  • ঘ. যুদ্ধ জয়ের মাধ্যমে

উত্তর: ক। ইতিবাচক বা শুভ চেতনার (সুচেতনার) আলো প্রজ্বলনের মাধ্যমেই পৃথিবীর ক্রমমুক্তি ঘটবে।

9। পৃথিবীর ক্রমমুক্তির কাজটি কাদের বলে কবি উল্লেখ করেছেন?

  • ক. অনেক শতাব্দীর মনীষীর
  • খ. নাবিকদের
  • গ. রাজনৈতিক নেতাদের
  • ঘ. সাধারণ মানুষের

উত্তর: ক। কবিতায় বলা হয়েছে, পৃথিবীর ক্রমমুক্তি হবে এবং \”সে অনেক শতাব্দীর মনীষীর কাজ\”।

10। কবি মানব-সমাজকে কাদের হাতে গড়ার কথা বলেছেন?

  • ক. পৃথিবীর মানুষের হাতে
  • খ. নক্ষত্রের হাতে
  • গ. ভাই-বোন ও পরিজনের হাতে
  • ঘ. ক্লান্ত ক্লান্তিহীন নাবিকের হাতে

উত্তর: ঘ। কবিতায় উল্লেখ আছে, \”আমাদের মতো ক্লান্ত ক্লান্তিহীন নাবিকের হাতে / গ’ড়ে দেবো\…\”।

11। মানব-সমাজ গড়ার এই কাজ কখন সম্পন্ন হবে?

  • ক. শাশ্বত রাত্রিতে
  • খ. আজ নয়, ঢের দূর অন্তিম প্রভাতে
  • গ. শতাব্দীর শুরুতে
  • ঘ. আজকের দিনে

উত্তর: খ। কবিতায় বলা হয়েছে, ভালো মানব-সমাজ গড়া হবে \”আজ নয়, ঢের দূর অন্তিম প্রভাতে\”।

12। মাটি-পৃথিবীর টানে কবি কোথায় এসেছেন?

  • ক. দূরতর দ্বীপে
  • খ. মানবজন্মের ঘরে
  • গ. দারুচিনি বনানীতে
  • ঘ. শাশ্বত রাত্রিতে

উত্তর: খ। \”মাটি-পৃথিবীর টানে মানবজন্মের ঘরে কখন এসেছি\…\” চরণে এর উল্লেখ রয়েছে।

13। মানবজন্মের ঘরে আসার পর কবির প্রাথমিক অনুভূতি কেমন ছিল?

  • ক. উদাসীন
  • খ. পৃথিবীর প্রতি কৃতজ্ঞ
  • গ. না এলেই ভালো হতো
  • ঘ. অত্যন্ত আনন্দিত

উত্তর: গ। ব্যক্তিক ও সামষ্টিক সংকট দেখে কবির মনে হয়েছিল \”না এলেই ভালো হতো\”।

14। কবি কখন অনুভব করলেন যে পৃথিবীতে এসে গভীরতর লাভ হয়েছে?

  • ক. যুদ্ধ জয় করার পর
  • খ. নক্ষত্রের আলো দেখে
  • গ. রূঢ় রৌদ্রে ঘুরে
  • ঘ. শিশির শরীর ছুঁয়ে সমুজ্জ্বল ভোরে

উত্তর: ঘ। \”এসে যে গভীরতর লাভ হলো সে-সব বুঝেছি / শিশির শরীর ছুঁয়ে সমুজ্জ্বল ভোরে\”।

15। ‘শাশ্বত রাত্রির বুকে সকলি অনন্ত সূর্যোদয়’- কথাটির অর্থ কী?

  • ক. মানুষের দুঃখ চিরস্থায়ী
  • খ. অন্ধকার বা অশুভের অন্তরালেই আছে মুক্তির দিশা বা সূর্যোদয়
  • গ. সূর্য সবসময় রাতে ওঠে
  • ঘ. পৃথিবীর রাত কখনো শেষ হবে না

উত্তর: খ। টীকা অনুযায়ী, পৃথিবীব্যাপ্ত অন্ধকারের অন্তরালেই যে মুক্তির দিশা লুকিয়ে আছে, তা-ই অনন্ত সূর্যোদয়।

16। ‘সুচেতনা’ কবিতাটি জীবনানন্দ দাশের কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত?

  • ক. ঝরা পালক
  • খ. বনলতা সেন
  • গ. মহাপৃথিবী
  • ঘ. রূপসী বাংলা

উত্তর: খ। পাঠ-পরিচিতিতে বলা হয়েছে, ‘সুচেতনা’ কবিতাটি ‘বনলতা সেন’ কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত।

17। ‘বনলতা সেন’ কাব্যগ্রন্থটি কত সালে প্রকাশিত হয়?

  • ক. ১৮৯৯ সালে
  • খ. ১৯৭১ সালে
  • গ. ১৯৫৪ সালে
  • ঘ. ১৯৪২ সালে

উত্তর: ঘ। পাঠ-পরিচিতি অংশে উল্লেখ আছে যে, ‘বনলতা সেন’ (১৯৪২) কাব্যগ্রন্থ থেকে এটি সংকলিত।

18। কবিতায় ‘দ্বীপ’ কিসের প্রতীকরূপে ব্যবহৃত হয়েছে?

  • ক. বিচ্ছিন্নতার
  • খ. মানবজন্মের
  • গ. কবির কল্পনায় বিচ্ছিন্ন শুভ চেতনার (সুচেতনার)
  • ঘ. পৃথিবীর অসুখের

উত্তর: গ। কবির কল্পনায় দ্বীপের মতো বিচ্ছিন্ন শুভ চেতনাই হলো সুচেতনা।

19। পৃথিবীর গভীরতর ব্যাধিকে অতিক্রম করে সুচেতনা কী রচনা করবে?

  • ক. নতুন সমুদ্র
  • খ. একটি সাম্য ও সুন্দর পৃথিবী
  • গ. শাশ্বত রাত্রি
  • ঘ. নতুন নক্ষত্র

উত্তর: খ। পাঠ-পরিচিতি মতে, চেতনাগত এই সত্তা বর্তমান পৃথিবীর ব্যাধি অতিক্রম করে সাম্য ও সুন্দর পৃথিবী রচনা করবে।

20। ‘আমাদের মতো ক্লান্ত ক্লান্তিহীন নাবিক’ বলতে কাদের বোঝানো হয়েছে?

  • ক. যারা সমুদ্রে জাহাজ চালায়
  • খ. যারা যুদ্ধে লিপ্ত থাকে
  • গ. যারা নিরলসভাবে সুন্দর মানব-সমাজ গড়ার কাজ করে
  • ঘ. যারা দ্বীপ আবিষ্কার করে

উত্তর: গ। রূপকার্থে, যারা পৃথিবীর ক্রমমুক্তির জন্য নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছে, তারাই ক্লান্ত অথচ ক্লান্তিহীন নাবিক।

21। জীবন-মুক্তির চেতনাগত সত্য কী নিশ্চিত করবে?

  • ক. রাতের শেষে অনন্ত সূর্যোদয়
  • খ. নক্ষত্রের পতন
  • গ. পৃথিবীর ধ্বংস
  • ঘ. মানবজন্মের অবসান

উত্তর: ক। পাঠ-পরিচিতি অনুযায়ী, এই চেতনাগত সত্য রাতের শেষে অনন্ত সূর্যোদয়কে নিশ্চিত করবে।

22। পৃথিবীতে প্রেম, সত্য ও কল্যাণ প্রতিষ্ঠা করতে গেলে কী ঘটে?

  • ক. অগণিত প্রাণহানি ও রক্তপাতের ঘটনা ঘটে
  • খ. সবাই প্রশংসা করে
  • গ. দ্রুত সফলতা আসে
  • ঘ. পৃথিবীর অসুখ বেড়ে যায়

উত্তর: ক। টীকা অনুযায়ী, প্রেম, সত্য ও কল্যাণ প্রতিষ্ঠা করতে গিয়েও পৃথিবীতে অগণিত প্রাণহানি ঘটে।

23। ‘রূঢ় রৌদ্র’ কথাটি দিয়ে কবিতায় কী বোঝানো হয়েছে?

  • ক. মরুভূমি
  • খ. গ্রীষ্মকাল
  • গ. কড়া রোদ
  • ঘ. পৃথিবীর কঠিন ও নিষ্ঠুর বাস্তবতা

উত্তর: ঘ। ‘আজকে অনেক রূঢ় রৌদ্রে ঘুরে প্রাণ’ বলতে পৃথিবীর বাস্তবতার কঠিন ও নিষ্ঠুর রূপকে বোঝানো হয়েছে।

24। ‘এ-বাতাস কী পরম সূর্যকরোজ্জ্বল’ চরণে ‘সূর্যকরোজ্জ্বল’ বলতে কী বোঝায়?

  • ক. অন্ধকার
  • খ. সূর্যের আলোয় উজ্জ্বল ও আশাবাদী পরিবেশ
  • গ. রোদে পোড়া
  • ঘ. ঝড়ো বাতাস

উত্তর: খ। পৃথিবীর মুক্তির পথে এই বাতাস সূর্যের আলোয় উজ্জ্বল এবং তা পরম আশার প্রতীক।

25। ‘যা হ’লো হবে মানুষের যা হবার নয়’ – এর মানে কী?

  • ক. মানুষের সব স্বপ্ন পূরণ হবে
  • খ. মানুষ অসাধ্য সাধন করবে ও শাশ্বত রাত্রিতে সূর্যোদয় আনবে
  • গ. মানুষ পৃথিবীতে আর জন্মাবে না
  • ঘ. মানুষ ধ্বংস হয়ে যাবে

উত্তর: খ। মানুষ তার অশুভ পরিণতিকে ছাপিয়ে অনন্ত সূর্যোদয় অর্থাৎ মুক্তির দিশা খুঁজে পাবে, যা আপাতদৃষ্টিতে অসম্ভব মনে হয়।

26। ‘নির্জনতা’ শব্দটি কবিতায় কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?

  • ক. সুচেতনার পবিত্র ও শান্ত অবস্থান
  • খ. মানুষের অনুপস্থিতি
  • গ. শব্দহীন পরিবেশ
  • ঘ. একাকিত্বের কষ্ট

উত্তর: ক। দূরতর দ্বীপের সবুজে যে নির্জনতা বিরাজ করে, তা শুভ চেতনার পবিত্র ও শান্ত রূপ প্রকাশ করে।

27। ‘রণ রক্ত সফলতা / সত্য’ – কেন সত্য?

  • ক. এটি ঈশ্বরের নির্দেশ
  • খ. মানুষ যুদ্ধ ভালোবাসে
  • গ. এটি ছাড়া সভ্যতা বাঁচে না
  • ঘ. সভ্যতার বিকাশে বহু যুদ্ধ ও রক্তপাত ঐতিহাসিকভাবে ঘটেছে

উত্তর: ঘ। সভ্যতার বিকাশে যুদ্ধ ও প্রাণহানি বাস্তব সত্য, তাই একে সত্য বলা হয়েছে।

28। পৃথিবীর ‘ক্রমমুক্তি’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

  • ক. যুদ্ধ থেকে সাময়িক বিরতি
  • খ. ধীরে ধীরে অশুভ থেকে পৃথিবীর মুক্তি ও সাম্য প্রতিষ্ঠা
  • গ. পৃথিবীর গতি কমে যাওয়া
  • ঘ. মহাকাশে পৃথিবীর হারিয়ে যাওয়া

উত্তর: খ। শুভ চেতনার আলোকে পর্যায়ক্রমে বা ধীরে ধীরে পৃথিবীর বিপর্যয় থেকে মুক্তিকে ক্রমমুক্তি বলা হয়েছে।

29। ‘সমুজ্জ্বল ভোর’ কিসের ইঙ্গিত দেয়?

  • ক. নক্ষত্রের পতন
  • খ. দিনের শুরু
  • গ. শীতকাল
  • ঘ. পৃথিবীর অসুখ দূর হলে সুন্দর জীবনের উপলব্ধি

উত্তর: ঘ। শিশিরভেজা সমুজ্জ্বল ভোরে কবি বুঝতে পারেন পৃথিবীতে জন্মের প্রাপ্তি, যা আশা ও সুন্দরের প্রতীক।

30। ‘মানুষ তবুও ঋণী পৃথিবীরই কাছে’ – এই ঋণের কারণ কী?

  • ক. পৃথিবীর আলো আছে বলে
  • খ. পৃথিবী অনেক বড়
  • গ. পৃথিবী মানুষকে খাবার দেয়
  • ঘ. পৃথিবীর মাটিতেই শুভ চেতনার উন্মেষ ও মানবজন্মের প্রাপ্তি ঘটে

উত্তর: ঘ। গভীর অসুখ থাকা সত্ত্বেও পৃথিবীর টানে জন্মে মানুষ যে শুভ চেতনার প্রাপ্তি লাভ করে, তার জন্যই মানুষ ঋণী।

31। ‘প্রায় ততদূর ভালো মানব-সমাজ’ – কতদূর ভালো?

  • ক. দারুচিনি বনানীর মতো
  • খ. সমুদ্রের মতো বড়
  • গ. যতটা হলে পৃথিবীর ক্রমমুক্তি নিশ্চিত হয়
  • ঘ. নক্ষত্রের মতো ভালো

উত্তর: গ। একটি সাম্য ও সুন্দর পৃথিবী রচনার জন্য যতটুকু কাঙ্ক্ষিত, ততদূর ভালো মানব-সমাজের কথা বলা হয়েছে।

32। ‘অন্তিম প্রভাত’ বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?

  • ক. শেষ সকাল
  • খ. ভবিষ্যতের সেই শুভ দিন, যখন সুন্দর সমাজ প্রতিষ্ঠিত হবে
  • গ. মৃত্যুর সময়
  • ঘ. জীবনের শেষ দিন

উত্তর: খ। \”আজ নয়, ঢের দূর অন্তিম প্রভাতে\” বলতে ভবিষ্যৎ পৃথিবীর একটি সুন্দর সময়কে বোঝানো হয়েছে।

33। ‘সুচেতনা’ কবিতাটিতে কবি কাকে সম্বোধন করেছেন?

  • ক. পৃথিবীকে
  • খ. বনলতা সেনকে
  • গ. নাবিকদের
  • ঘ. সুচেতনা নামক এক প্রার্থিত ও আরাধ্য চেতনাকে

উত্তর: ঘ। পাঠ-পরিচিতি অনুযায়ী, এ কবিতায় সুচেতনা সম্বোধনে কবি তাঁর প্রার্থিত আরাধ্য এক চেতনাকে শিল্পিত করেছেন।

34। কবিতায় ‘শাশ্বত রাত্রি’ কিসের রূপক?

  • ক. শান্তির
  • খ. দীর্ঘ রাতের
  • গ. পৃথিবীব্যাপ্ত চিরন্তন অন্ধকার বা অশুভ শক্তির
  • ঘ. ঘুমের

উত্তর: গ। শাশ্বত রাত্রি বলতে পৃথিবীর চিরন্তন অশুভ ও অন্ধকারের রূপক ব্যবহৃত হয়েছে।

35। জীবন-মুক্তির চেতনাগত সত্য মানবসমাজের কী নিশ্চিত করবে?

  • ক. অগ্রযাত্রা
  • খ. নিঃসঙ্গতা
  • গ. পতন
  • ঘ. যুদ্ধ

উত্তর: ক। পাঠ-পরিচিতি অনুযায়ী, এই চেতনাগত সত্য মানবসমাজের অগ্রযাত্রাকে নিশ্চিত করবে।

36। কবি প্রথমে কেন ভেবেছিলেন মানবজন্মের ঘরে না এলেই ভালো হতো?

  • ক. দ্বীপে যেতে পারেননি বলে
  • খ. ব্যক্তিক ও সামষ্টিক সংকট এবং পৃথিবীর গভীর অসুখ দেখে
  • গ. পৃথিবী খুব ছোট বলে
  • ঘ. মানুষের ভালোবাসা পাননি বলে

উত্তর: খ। সংকট ও ব্যাধি প্রত্যক্ষ করে পৃথিবীতে জন্ম নেওয়াকে কবির আপাতভাবে অনাকাঙ্ক্ষিত মনে হয়েছিল।

37। ‘সুচেতনা’ কবিতাটিতে কোন অনুভবের প্রকাশ ঘটেছে?

  • ক. প্রকৃতি থেকে দূরে সরে যাওয়া
  • খ. যুদ্ধ করার প্রেরণা
  • গ. কেবলই বিষাদ
  • ঘ. নৈরাশ্য থেকে আশাবাদে উত্তরণ

উত্তর: ঘ। পৃথিবীর অসুখ দেখে হতাশ হলেও, অনন্ত সূর্যোদয় ও মানবসমাজ গড়ার স্বপ্নে কবিতাটিতে নৈরাশ্য থেকে আশাবাদে উত্তরণ ঘটেছে।

38। কবিতায় উল্লিখিত ‘নাবিক’ কেমন?

  • ক. দিকভ্রান্ত
  • খ. কেবলই উদ্যমী
  • গ. ক্লান্ত হয়েও ক্লান্তিহীনভাবে সংগ্রামরত
  • ঘ. কেবলই ক্লান্ত

উত্তর: গ। \”ক্লান্ত ক্লান্তিহীন নাবিক\” বলতে বোঝায় যারা শ্রান্ত হলেও লক্ষ্য অর্জনে নিরলস।

39। কবি পৃথিবীতে ভালোবাসা দিতে গিয়ে কী হারিয়েছেন?

  • ক. ভাই, বোন, বন্ধু ও পরিজন
  • খ. সুচেতনাকে
  • গ. নিজের জীবন
  • ঘ. সমুদ্রের দ্বীপকে

উত্তর: ক। কবিতায় আছে, ভালোবাসা দিতে গিয়ে \”দেখেছি আমারি হাতে হয়ত নিহত / ভাই বোন বন্ধু পরিজন প’ড়ে আছে\”।

40। ‘দারুচিনি-বনানী’ কীসের অনুষঙ্গ হিসেবে এসেছে?

  • ক. সুচেতনার পবিত্র ও সতেজ অবস্থানের
  • খ. পৃথিবীর অসুখের
  • গ. রূঢ় রৌদ্রের
  • ঘ. যুদ্ধের

উত্তর: ক। দূরতর দ্বীপে সুচেতনার সতেজ ও সুন্দর অবস্থান বোঝাতে দারুচিনি বনানীর অনুষঙ্গ এসেছে।

41। পৃথিবীর গভীর অসুখ থেকে মুক্তির পথ কোনটি?

  • ক. রক্তপাত
  • খ. শুভ চেতনা বা সুচেতনা
  • গ. শাশ্বত রাত্রি
  • ঘ. রূঢ় রৌদ্র

উত্তর: খ। টীকা অনুযায়ী, পৃথিবীব্যাপ্ত অসুখ থেকে মুক্তির পথই হলো শুভ চেতনা বা সুচেতনা।

42। ‘সুচেতনা’ সর্বত্র বিরাজ করে না, এটি কীভাবে বোঝা যায়?

  • ক. কারণ এটি কবির কল্পনায় দ্বীপের মতো বিচ্ছিন্ন
  • খ. কারণ এটি দারুচিনি গাছে থাকে
  • গ. কারণ এটি নক্ষত্রের কাছে থাকে
  • ঘ. কারণ এটি রাতে দেখা যায়

উত্তর: ক। টীকায় বলা হয়েছে, সুচেতনা দ্বীপের মতো বিচ্ছিন্ন, অর্থাৎ এই শুভ চেতনা সর্বত্র বিরাজ করে না।

43। ‘পৃথিবীর গভীর গভীরতর অসুখ এখন’ – এই চরণটিতে কবির কোন মনোভাব প্রকাশ পেয়েছে?

  • ক. উদাসীনতা
  • খ. আনন্দ
  • গ. পৃথিবীর প্রতি রাগ
  • ঘ. উদ্বেগ ও পৃথিবীর বর্তমান অবস্থা নিয়ে হতাশা

উত্তর: ঘ। আধুনিক পৃথিবীর সংকট ও মূল্যবোধের অবক্ষয় দেখে কবির গভীর উদ্বেগ প্রকাশ পেয়েছে এই চরণে।

44। শতাব্দীর মনীষীদের কাজের ফলাফল কী হবে?

  • ক. পৃথিবীর ক্রমমুক্তি ঘটবে
  • খ. রাত্রির আগমন ঘটবে
  • গ. দ্বীপ তৈরি হবে
  • ঘ. যুদ্ধ শুরু হবে

উত্তর: ক। \”এই পথে আলো জ্বেলে— এ-পথেই / পৃথিবীর ক্রমমুক্তি হবে; / সে অনেক শতাব্দীর মনীষীর কাজ\”।

45। কবি কখন বুঝতে পারলেন যে তাঁর মানবজন্মে গভীরতর লাভ হয়েছে?

  • ক. শিশির শরীর ছুঁয়ে সমুজ্জ্বল ভোরে
  • খ. রূঢ় রৌদ্রে ঘোরার পর
  • গ. সমুদ্র দেখার পর
  • ঘ. ভাই-বোনদের হারানোর পর

উত্তর: ক। কবিতায় স্পষ্টভাবে বলা আছে, \”এসে যে গভীরতর লাভ হলো সে-সব বুঝেছি / শিশির শরীর ছুঁয়ে সমুজ্জ্বল ভোরে\”।

46। ‘অনন্ত সূর্যোদয়’ বলতে কী বোঝায়?

  • ক. সূর্য কখনো অস্ত না যাওয়া
  • খ. প্রতিদিন সকালে সূর্য ওঠা
  • গ. অন্তহীন মুক্তি ও শুভ চেতনার জয়
  • ঘ. গ্রীষ্মকাল

উত্তর: গ। শাশ্বত রাত্রির বুকে অনন্ত সূর্যোদয় বলতে অন্ধকারকে জয় করে অন্তহীন মুক্তি ও সুন্দরের আগমনকে বোঝানো হয়েছে।

47। ‘সুচেতনা’ কবিতায় কবির আরাধ্য কী?

  • ক. একটি সুন্দর মানব-সমাজ ও চেতনানিহিত বিশ্বাস
  • খ. পৃথিবীর রাজত্ব
  • গ. নক্ষত্রের আলো
  • ঘ. একটি দ্বীপ

উত্তর: ক। পাঠ-পরিচিতি অনুযায়ী, সুচেতনা সম্বোধনে কবি তাঁর আরাধ্য চেতনানিহিত বিশ্বাস ও একটি সুন্দর মানব-সমাজের স্বপ্ন দেখেছেন।

48। ‘এ-বাতাস কী পরম সূর্যকরোজ্জ্বল’ – এখানে বাতাসের সাথে কিসের সম্পর্ক দেখানো হয়েছে?

  • ক. পৃথিবীর অসুখের
  • খ. শীতের
  • গ. ঝড়ের
  • ঘ. আশার আলোর ও সুন্দর ভবিষ্যতের

উত্তর: ঘ। সূর্যকরোজ্জ্বল বাতাস মানে যে বাতাসে মুক্তির ও আশার আলো মিশে আছে।

49। পৃথিবীর গভীর অসুখের কারণ কী হতে পারে বলে কবিতা পড়ে অনুমিত হয়?

  • ক. প্রাকৃতিক সম্পদ শেষ হওয়া
  • খ. সমুদ্রের জলের উচ্চতা বৃদ্ধি
  • গ. নক্ষত্রের পতন
  • ঘ. রণ, রক্ত, মানুষের হানাহানি ও মূল্যবোধের অবক্ষয়

উত্তর: ঘ। \”রণ রক্ত সফলতা\” এবং ভালোবাসা দিতে গিয়ে হানাহানির যে চিত্র কবি দিয়েছেন, তা থেকেই পৃথিবীর অসুখের কারণ বোঝা যায়।

50। কবি জীবনানন্দ দাশ কোন ধরনের চেতনাকে সুচেতনা বলেছেন?

  • ক. ধ্বংসাত্মক চেতনা
  • খ. রাজনৈতিক চেতনা
  • গ. বৈষয়িক চেতনা
  • ঘ. শুভ ও ইতিবাচক চেতনা

উত্তর: ঘ। পাঠ-পরিচিতি ও টীকা থেকে স্পষ্ট যে, সুচেতনা হলো এক শুভ ও ইতিবাচক চেতনা।

51। ডাক্তার শফিকের কাজের সাথে ‘সুচেতনা’ কবিতার কোন কাজের মিল পাওয়া যায়?

  • ক. রূঢ় রৌদ্রে ঘুরে বেড়ানোর
  • খ. পৃথিবীর ক্রমমুক্তির জন্য শতাব্দীর মনীষীর কাজের
  • গ. নক্ষত্রের কাছে যাওয়ার
  • ঘ. দারুচিনি বনানী খোঁজার

উত্তর: খ। ডাক্তার শফিক যেমন গ্রামের কল্যাণে কাজ করছেন, তেমনি শতাব্দীর মনীষীরা পৃথিবীর ক্রমমুক্তির জন্য কাজ করেন।

52। ডাক্তার শফিকের ব্যক্তিগত ত্যাগ কবিতার কোন পঙ্‌ক্তির ভাবার্থ ধারণ করে?

  • ক. সুচেতনা, তুমি এক দূরতর দ্বীপ
  • খ. পৃথিবীর গভীর গভীরতর অসুখ এখন
  • গ. শাশ্বত রাত্রির বুকে সকলি অনন্ত সূর্যোদয়
  • ঘ. দেখেছি আমারি হাতে হয়ত নিহত / ভাই বোন বন্ধু পরিজন প’ড়ে আছে

উত্তর: ঘ। কল্যাণ বা ভালোবাসা প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে ব্যক্তিগত স্তরে পরিজনদের হারানোর বা ত্যাগের বিষয়টি এই চরণে প্রকাশ পেয়েছে।

53। উদ্দীপকের ধ্বংসযজ্ঞ ‘সুচেতনা’ কবিতার কোন দিকটিকে নির্দেশ করে?

  • ক. বিকেলের নক্ষত্র
  • খ. অনন্ত সূর্যোদয়
  • গ. পৃথিবীর রণ রক্ত সফলতা ও গভীর অসুখ
  • ঘ. দারুচিনি বনানীর নির্জনতা

উত্তর: গ। বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসযজ্ঞ এবং প্রাণহানি পৃথিবীর রণ রক্ত সফলতা ও গভীর অসুখেরই বাস্তব রূপ।

54। উদ্দীপকে জাপানীদের ঘুরে দাঁড়ানো কবিতার কোন চরণের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ?

  • ক. শাশ্বত রাত্রির বুকে সকলি অনন্ত সূর্যোদয়
  • খ. পৃথিবীর গভীর গভীরতর অসুখ এখন
  • গ. না এলেই ভালো হতো অনুভব ক’রে
  • ঘ. মাটি-পৃথিবীর টানে মানবজন্মের ঘরে কখন এসেছি

উত্তর: ক। ধ্বংসস্তূপ (শাশ্বত রাত্রি) থেকে নতুন দেশ গড়া (অনন্ত সূর্যোদয়) এই চরণের মূলভাবের সাথে মিলে যায়।

55। রিনার প্রাথমিক হতাশা কবিতার কোন চরণের অনুভূতির সাথে তুলনীয়?

  • ক. মানুষ তবুও ঋণী পৃথিবীরই কাছে
  • খ. না এলেই ভালো হতো অনুভব ক’রে
  • গ. এই পৃথিবীর রণ রক্ত সফলতা সত্য
  • ঘ. সে অনেক শতাব্দীর মনীষীর কাজ

উত্তর: খ। পৃথিবীর সংকট দেখে রিনা এবং কবি উভয়েই প্রাথমিকভাবে অনুভব করেছিলেন মানবজন্মে না এলেই ভালো হতো।

56। নতুন ফুল দেখে রিনার প্রেরণা পাওয়ার বিষয়টি কবিতায় কীভাবে প্রতিফলিত হয়েছে?

  • ক. সুচেতনা, এই পথে আলো জ্বেলে
  • খ. রূঢ় রৌদ্রে ঘুরে প্রাণ
  • গ. এসে যে গভীরতর লাভ হলো সে-সব বুঝেছি / শিশির শরীর ছুঁয়ে সমুজ্জ্বল ভোরে
  • ঘ. প্রায় ততদূর ভালো মানব-সমাজ

উত্তর: গ। সকালে ফুলের সৌন্দর্য দেখে রিনা যেমন প্রেরণা পেয়েছে, কবিও সমুজ্জ্বল ভোরে শিশির ছুঁয়ে পৃথিবীর প্রাপ্তি বুঝতে পেরেছেন।

57। রহিমকে ‘সুচেতনা’ কবিতার কোন প্রতীকের সাথে তুলনা করা যায়?

  • ক. শাশ্বত রাত্রি
  • খ. ক্লান্ত ক্লান্তিহীন নাবিক
  • গ. দূরতর দ্বীপ
  • ঘ. অন্তিম প্রভাত

উত্তর: খ। রহিম শারীরিকভাবে ক্লান্ত হলেও তার কাজে সে ক্লান্তিহীন, ঠিক যেমন কবিতায় মানব-সমাজ গড়ার কারিগররা ‘ক্লান্ত ক্লান্তিহীন নাবিক’।

58। রহিমের কাজের উদ্দেশ্য কবিতার কোন লক্ষ্যের সাথে মিলে যায়?

  • ক. পৃথিবীর অসুখ বাড়ানো
  • খ. প্রায় ততদূর ভালো মানব-সমাজ গড়া
  • গ. দারুচিনি বনানী সৃষ্টি করা
  • ঘ. দ্বীপ আবিষ্কার করা

উত্তর: খ। কৃষকের ফসল ফলিয়ে মানুষের ক্ষুধা মেটানোর উদ্দেশ্য একটি ভালো মানব-সমাজ গড়ার লক্ষ্যেরই সমতুল্য।

59। রাজা রামমোহন রায়ের মতো মানুষদের কবিতায় কী বলা হয়েছে?

  • ক. রূঢ় রৌদ্র
  • খ. শতাব্দীর মনীষী
  • গ. ভাই বোন বন্ধু পরিজন
  • ঘ. পৃথিবীর অসুখ

উত্তর: খ। যারা যুগ যুগ ধরে পৃথিবীর অন্ধকার দূর করে আলোর পথ দেখান, তারাই শতাব্দীর মনীষী।

60। রামমোহন রায়ের লড়াইয়ের চূড়ান্ত ফলাফল কবিতার কোন চরণের সাথে সংগতিপূর্ণ?

  • ক. রণ রক্ত সফলতা / সত্য
  • খ. নির্জনতা আছে
  • গ. এ-পথেই / পৃথিবীর ক্রমমুক্তি হবে
  • ঘ. না এলেই ভালো হতো

উত্তর: গ। রামমোহন রায়ের দেখানো আলোর পথেই সমাজ অন্ধকার থেকে মুক্ত হয়েছিল, যেমন সুচেতনার আলোয় পৃথিবীর ক্রমমুক্তি হবে।

61। মহামারির সময়কার অবস্থাকে কবিতার কোন বাক্যাংশ দিয়ে প্রকাশ করা যায়?

  • ক. সমুজ্জ্বল ভোর
  • খ. অন্তিম প্রভাত
  • গ. বিকেলের নক্ষত্র
  • ঘ. পৃথিবীর গভীর গভীরতর অসুখ

উত্তর: ঘ। মহামারির সময়কার মৃত্যু ও সংকট পৃথিবীর গভীর ও ভয়াবহ অসুখকেই নির্দেশ করে।

62। বিজ্ঞানীদের কাজ কবিতায় কাদের কাজের প্রতিনিধিত্ব করে?

  • ক. কবিদের
  • খ. নাবিকদের
  • গ. ভাই-বোনদের
  • ঘ. শতাব্দীর মনীষী ও ক্লান্ত ক্লান্তিহীন নাবিকের

উত্তর: ঘ। বিজ্ঞানীরা নিরলস কাজ করে মানবজগতকে বাঁচিয়েছেন, যা মনীষী বা ক্লান্তিহীন নাবিকদের ভালো সমাজ গড়ার কাজের সমতুল্য।

63। রাজুর দেখা সমাজের নিষ্ঠুরতা কবিতার কোন দিকের সমান্তরাল?

  • ক. রূঢ় রৌদ্র ও পৃথিবীর অসুখ
  • খ. দারুচিনি বনানীর ফাঁকে
  • গ. শিশির শরীর ছুঁয়ে
  • ঘ. অনন্ত সূর্যোদয়

উত্তর: ক। সমাজের নিষ্ঠুরতা ও কঠোরতা কবিতার ‘রূঢ় রৌদ্র’ এবং ‘গভীর অসুখ’ এর সাথে সম্পর্কিত।

64। রাজুর আশাবাদ কবিতার কোন চেতনার বহিঃপ্রকাশ?

  • ক. সুচেতনা
  • খ. হতাশা
  • গ. বিচ্ছিন্নতা
  • ঘ. মৃত্যুচেতনা

উত্তর: ক। রাজু নিষ্ঠুরতার মাঝেও সুন্দর সমাজের স্বপ্ন দেখে, যা ইতিবাচক ও শুভ চেতনা বা সুচেতনারই প্রকাশ।

65। স্বেচ্ছাসেবীর মৃত্যু কবিতার কোন চরণের বাস্তব প্রতিফলন?

  • ক. মাটি-পৃথিবীর টানে মানবজন্মের ঘরে
  • খ. দেখেছি আমারি হাতে হয়ত নিহত / ভাই বোন বন্ধু পরিজন প’ড়ে আছে
  • গ. পৃথিবীর গভীর গভীরতর অসুখ এখন
  • ঘ. এ-বাতাস কী পরম সূর্যকরোজ্জ্বল

উত্তর: খ। ভালোবাসা বা কল্যাণ (ত্রাণ) দিতে গিয়ে নিজের পরিজন বা সঙ্গীকে হারানোর চিত্রটি এই চরণের সাথে মিলে যায়।

66। দলের অন্যদের কাজ চালিয়ে যাওয়ার মানসিকতা কী প্রমাণ করে?

  • ক. তারা হতাশ হয়ে পড়েছে
  • খ. পৃথিবীর রণ রক্তই শেষ সত্য নয়, মানুষের কল্যাণের কাজ চলতেই থাকে
  • গ. তারা বন্ধুকে ভালোবাসত না
  • ঘ. তারা খ্যাতি চায়

উত্তর: খ। প্রাণহানি ঘটলেও কল্যাণ ও মুক্তির কাজ থেমে থাকে না, কারণ ধ্বংস বা মৃত্যুই পৃথিবীর শেষ সত্য নয়।

67। উদ্দীপকের গ্রীষ্মের দাবদাহ ‘সুচেতনা’ কবিতার কোন অবস্থার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ?

  • ক. অনন্ত সূর্যোদয়
  • খ. অন্তিম প্রভাত
  • গ. সুচেতনার দ্বীপ
  • ঘ. শাশ্বত রাত্রি ও পৃথিবীর অসুখ

উত্তর: ঘ। গ্রীষ্মের দাবদাহ হলো প্রতিকূল অবস্থা বা সংকট, যা শাশ্বত রাত্রি বা গভীর অসুখের অনুরূপ।

68। স্বস্তির বৃষ্টির প্রত্যাশা কবিতার কোন দর্শনের সাথে মেলে?

  • ক. রণ রক্ত সফলতা সত্য
  • খ. মানুষ পৃথিবীর কাছে ঋণী নয়
  • গ. শাশ্বত রাত্রির বুকে সকলি অনন্ত সূর্যোদয়
  • ঘ. না এলেই ভালো হতো

উত্তর: গ। দাবদাহের পর বৃষ্টির প্রত্যাশা হলো সংকটের পর মুক্তির আশা, যা শাশ্বত রাত্রির পর অনন্ত সূর্যোদয়ের দর্শনের সাথে মেলে।

69। মানবেন্দ্রের আপনজন হারানোর বেদনা কবিতার কোন অংশের সাথে তুলনীয়?

  • ক. শিশির শরীর ছোঁয়া
  • খ. বিকেলের নক্ষত্র দেখা
  • গ. দারুচিনি বনানীর নির্জনতা খোঁজা
  • ঘ. পৃথিবীর মানুষকে মানুষের মতো ভালোবাসা দিতে গিয়ে আপনজন হারানো

উত্তর: ঘ। অধিকার ও ভালোবাসা প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে আপনজন হারানোর চিত্রটি উদ্দীপক ও কবিতা উভয়েই বিদ্যমান।

70। মানবেন্দ্রের বিশ্বাস কোনটিকে নির্দেশ করে?

  • ক. অন্তিম প্রভাতে ভালো মানব-সমাজ গড়ার আশাকে
  • খ. রূঢ় রৌদ্রকে
  • গ. মানবজন্মের নিষ্ফলতাকে
  • ঘ. পৃথিবীর অসুখকে

উত্তর: ক। সব কষ্ট সয়েও একদিন সাম্য প্রতিষ্ঠার বিশ্বাস অন্তিম প্রভাতে ভালো মানব-সমাজ গড়ার স্বপ্নকেই নির্দেশ করে।

71। রতনের নাগরিক ক্লান্তি কবিতার কোন বিষয়টির সাথে সম্পর্কিত?

  • ক. অনন্ত সূর্যোদয়
  • খ. অন্তিম প্রভাত
  • গ. ক্রমমুক্তি
  • ঘ. পৃথিবীর গভীর অসুখ ও রূঢ় রৌদ্র

উত্তর: ঘ। আধুনিক জীবনের যান্ত্রিকতা, ক্লান্তি ও হাহাকার কবিতার ‘রূঢ় রৌদ্র’ ও ‘পৃথিবীর অসুখ’-এর সমার্থক।

72। রতনের গ্রামের শান্ত প্রকৃতির কথা ভাবা কবিতায় কিসের সাথে তুলনীয়?

  • ক. রণ রক্ত সফলতার সাথে
  • খ. দারুচিনি-বনানীর ফাঁকে সুচেতনার নির্জন দ্বীপের সাথে
  • গ. শতাব্দীর মনীষীর সাথে
  • ঘ. শাশ্বত রাত্রির সাথে

উত্তর: খ। যান্ত্রিকতা থেকে দূরে গ্রামের শান্ত প্রকৃতি যেন কবির কল্পনার বিচ্ছিন্ন সুচেতনার নির্জন দ্বীপের মতোই প্রশান্তিদায়ক।

73। ফাহিমের এই চিন্তাভাবনা কবিতার কোন চরণের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়?

  • ক. গ’ড়ে দেবো, আজ নয়, ঢের দূর অন্তিম প্রভাতে
  • খ. আজকে অনেক রূঢ় রৌদ্রে ঘুরে প্রাণ
  • গ. পৃথিবীর গভীর গভীরতর অসুখ এখন
  • ঘ. না এলেই ভালো হতো অনুভব ক’রে

উত্তর: ক। রাতারাতি পরিবর্তন নয়, বরং দীর্ঘ নিরলস শ্রমে ভবিষ্যতে সুন্দর সমাজ গড়ার কথা ফাহিম এবং কবিতা উভয়েই বলছে।

74। ফাহিমের মতে পরিবর্তন আনার কাজটি কাদের হওয়া উচিত?

  • ক. যারা যুদ্ধ করে তাদের
  • খ. যারা দ্বীপবাসী তাদের
  • গ. ক্লান্ত ক্লান্তিহীন নাবিকের মতো কর্মীদের
  • ঘ. অলস মানুষের

উত্তর: গ। দীর্ঘমেয়াদি পরিবর্তন আনার জন্য ক্লান্ত ক্লান্তিহীন নাবিকের মতো নিরলস কর্মীদের প্রয়োজন।

75। খবরের কাগজে খারাপ খবর পড়ে সুমির হতাশা কবিতার কোন বিষয়ের সাথে মিলে যায়?

  • ক. সুচেতনার দ্বীপের সাথে
  • খ. ক্রমমুক্তির সাথে
  • গ. অনন্ত সূর্যোদয়ের সাথে
  • ঘ. পৃথিবীর গভীর অসুখ দেখে ‘না এলেই ভালো হতো’ এই অনুভূতির সাথে

উত্তর: ঘ। পৃথিবীর সংকট ও অবক্ষয় দেখে সুমির হতাশা কবির ‘না এলেই ভালো হতো’ অনুভূতির সাথে মিলে যায়।

76। মানুষের বদান্যতা দেখে সুমির মন ভালো হয়ে যাওয়া কবিতার কোন সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করে?

  • ক. রণ রক্ত সফলতাই শেষ সত্য
  • খ. শাশ্বত রাত্রি চিরস্থায়ী
  • গ. পৃথিবীর অসুখের কোনো ওষুধ নেই
  • ঘ. মানুষ তবুও ঋণী পৃথিবীরই কাছে এবং পৃথিবীতে এসে গভীরতর লাভ হয়েছে

উত্তর: ঘ। হতাশার মাঝেও মানুষের ভালোবাসা দেখে বাঁচার প্রেরণা পাওয়া মানে পৃথিবীতে এসে গভীরতর লাভের সত্যটিকে উপলব্ধি করা।

77। নেলসন ম্যান্ডেলার কারাবাস কবিতায় কোন প্রতীকের সাহায্যে ব্যাখ্যা করা যায়?

  • ক. বিকেলের নক্ষত্র
  • খ. সমুজ্জ্বল ভোর
  • গ. দারুচিনি বনানী
  • ঘ. রূঢ় রৌদ্রে ঘোরা বা শাশ্বত রাত্রি পার করা

উত্তর: ঘ। দীর্ঘ সংগ্রাম ও কারাবাস হলো কঠিন সময় বা ‘রূঢ় রৌদ্রে’ ঘোরা এবং ‘শাশ্বত রাত্রি’ অতিবাহিত করা।

78। দক্ষিণ আফ্রিকায় সাম্য প্রতিষ্ঠা কবিতার কোন ধারণার বাস্তব রূপ?

  • ক. পৃথিবীর ক্রমমুক্তি ও অনন্ত সূর্যোদয়
  • খ. পৃথিবীর গভীর অসুখ
  • গ. মানুষের ঋণ
  • ঘ. রণ রক্ত সফলতা

উত্তর: ক। বর্ণবাদ দূর হয়ে সাম্য প্রতিষ্ঠা হলো সমাজকে ব্যাধিমুক্ত করা, যা পৃথিবীর ক্রমমুক্তি ও অনন্ত সূর্যোদয়কে নির্দেশ করে।

79। পাহাড়ের দুর্গম পথ কবিতার কোন বিষয়টির সাথে তুলনীয়?

  • ক. সমুজ্জ্বল ভোর
  • খ. সুচেতনার দ্বীপ
  • গ. অন্তিম প্রভাত
  • ঘ. পৃথিবীর গভীর অসুখ ও রক্তাক্ত পথ

উত্তর: ঘ। দুর্গম ও বিপৎসংকুল পথটি হলো পৃথিবীর কঠিন বাস্তবতা, অসুখ বা রক্তাক্ত পথ।

80। চূড়ায় উঠে সৌন্দর্য উপভোগ করার তৃপ্তি কবিতার কোন চরণের অর্থের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ?

  • ক. মানুষ তবুও ঋণী পৃথিবীরই কাছে
  • খ. আজকে অনেক রূঢ় রৌদ্রে ঘুরে প্রাণ
  • গ. পৃথিবীর রণ রক্ত সফলতা সত্য
  • ঘ. এসে যে গভীরতর লাভ হলো সে-সব বুঝেছি / শিশির শরীর ছুঁয়ে সমুজ্জ্বল ভোরে

উত্তর: ঘ। কঠিন পথ পার হয়ে সুন্দরের প্রাপ্তি কবিতায় শিশিরভেজা ভোরে মানবজন্মের গভীরতর লাভ উপলব্ধির সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।

81। ‘সুচেতনা’ শব্দের অর্থ কী?

  • ক. সুস্বাদু খাবার
  • খ. সুন্দর মুখ
  • গ. শুভ বা ইতিবাচক চেতনা
  • ঘ. খারাপ চিন্তা

উত্তর: গ। টীকা অনুযায়ী, সুচেতনা মানে শুভ চেতনা বা ইতিবাচক চেতনা।

82। ‘নির্জনতা’ বলতে কী বোঝায়?

  • ক. জনশূন্যতা বা শান্ত পরিবেশ
  • খ. মরুভূমি
  • গ. যুদ্ধক্ষেত্র
  • ঘ. প্রচুর মানুষের ভিড়

উত্তর: ক। দারুচিনি বনানীতে যে শান্ত ও জনশূন্য পরিবেশ, তাকেই নির্জনতা বলা হয়েছে।

83। ‘রণ’ শব্দের অর্থ কী?

  • ক. বন
  • খ. যুদ্ধ
  • গ. রক্ত
  • ঘ. শান্তি

উত্তর: খ। ‘রণ রক্ত সফলতা’ এখানে রণ মানে যুদ্ধ।

84। ‘সফলতা’ বলতে কবিতায় কী বোঝানো হয়েছে?

  • ক. পরীক্ষায় পাস করা
  • খ. গাছ লাগানো
  • গ. সভ্যতার বিকাশে অর্জিত চূড়ান্ত রূপ
  • ঘ. টাকা আয় করা

উত্তর: গ। যুদ্ধ ও রক্তপাতের মাধ্যমে অর্জিত সভ্যতার বিকাশ বা অর্জনকেই সফলতা বলা হয়েছে।

85। ‘রূঢ়’ শব্দের অর্থ কী?

  • ক. কঠিন বা নিষ্ঠুর
  • খ. নরম
  • গ. ঠান্ডা
  • ঘ. মিষ্টি

উত্তর: ক। ‘রূঢ় রৌদ্র’ বলতে কঠিন, নিষ্ঠুর বা প্রখর রোদ (বাস্তবতা) বোঝানো হয়েছে।

86। ‘পরিজন’ বলতে কাদের বোঝানো হয়?

  • ক. পরিবারের সদস্য বা আত্মীয়-স্বজনদের
  • খ. নাবিকদের
  • গ. শত্রুদের
  • ঘ. অপরিচিতদের

উত্তর: ক। ভাই, বোন, বন্ধু ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের পরিজন বলা হয়।

87। ‘ক্রমমুক্তি’ শব্দের অর্থ কী?

  • ক. চিরকালের জন্য বন্দি হওয়া
  • খ. যুদ্ধ থেকে পালিয়ে যাওয়া
  • গ. হঠাৎ মুক্তি পাওয়া
  • ঘ. পর্যায়ক্রমে বা ধীরে ধীরে মুক্তি পাওয়া

উত্তর: ঘ। ‘ক্রম’ মানে ধীরে ধীরে, তাই ক্রমমুক্তি হলো পর্যায়ক্রমে অশুভ থেকে পৃথিবীর মুক্তি।

88। ‘মনীষী’ শব্দের অর্থ কী?

  • ক. জ্ঞানী বা পণ্ডিত ব্যক্তি
  • খ. নাবিক
  • গ. চিকিৎসক
  • ঘ. সাধারণ মানুষ

উত্তর: ক। যারা গভীর চিন্তাভাবনা ও জ্ঞান দিয়ে সমাজকে পথ দেখান, তারাই মনীষী।

89। ‘শতাব্দী’ বলতে কত বছর বোঝায়?

  • ক. একশত বছর
  • খ. হাজার বছর
  • গ. পঞ্চাশ বছর
  • ঘ. দশ বছর

উত্তর: ক। শতাব্দী মানে এক শত বছর।

90। ‘সূর্যকরোজ্জ্বল’ শব্দটি কীভাবে গঠিত?

  • ক. সূর্য + কর + উজ্জ্বল
  • খ. সূর্যক + রোজ্জ্বল
  • গ. সূর্য + করোজ্জ্বল
  • ঘ. সূর্যকর + উজ্জ্বল

উত্তর: ঘ। সূর্যের কিরণ বা আলোয় (সূর্যকর) যা উজ্জ্বল, তাই সূর্যকরোজ্জ্বল।

91। ‘অন্তিম’ শব্দের অর্থ কী?

  • ক. শেষ বা চূড়ান্ত
  • খ. সকাল
  • গ. মাঝের
  • ঘ. প্রথম

উত্তর: ক। ‘অন্তিম প্রভাত’ মানে চূড়ান্ত বা শেষ দিকের প্রভাত।

92। ‘প্রভাত’ শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?

  • ক. রাত
  • খ. সন্ধ্যা
  • গ. দুপুর
  • ঘ. সকাল

উত্তর: ঘ। প্রভাত মানে সকাল বা ভোর।

93। ‘সমুজ্জ্বল’ শব্দের অর্থ কী?

  • ক. শান্ত
  • খ. সম্যকভাবে বা বিশেষভাবে উজ্জ্বল
  • গ. অন্ধকার
  • ঘ. মেঘলা

উত্তর: খ। ‘সমুজ্জ্বল ভোরে’ বলতে খুব উজ্জ্বল সকালকে বোঝানো হয়েছে।

94। ‘শাশ্বত’ শব্দের অর্থ কী?

  • ক. যা ক্ষণস্থায়ী
  • খ. যা নতুন
  • গ. যা শেষ হয়ে যায়
  • ঘ. যা চিরকাল ধরে বিদ্যমান বা চিরন্তন

উত্তর: ঘ। ‘শাশ্বত রাত্রি’ বলতে চিরন্তন রাত বা দীর্ঘস্থায়ী অন্ধকারকে বোঝানো হয়েছে।

95। ‘অনন্ত’ শব্দের অর্থ কী?

  • ক. সাময়িক
  • খ. যার অন্ত বা শেষ নেই
  • গ. নতুন শুরু
  • ঘ. যার শেষ আছে

উত্তর: খ। ‘অনন্ত সূর্যোদয়’ মানে যে সূর্যোদয়ের কোনো শেষ বা সমাপ্তি নেই, অর্থাৎ চিরস্থায়ী মুক্তি।

96। ‘দ্বীপ’ কী?

  • ক. মরুভূমির বালু
  • খ. পাহাড়ের চূড়া
  • গ. বনভূমি
  • ঘ. চারদিকে জলবেষ্টিত স্থলভাগ

উত্তর: ঘ। কবিতায় সুচেতনাকে চারদিকে জলবেষ্টিত বিচ্ছিন্ন ভূখণ্ড বা দ্বীপের সাথে তুলনা করা হয়েছে।

97। ‘দারুচিনি-বনানী’ বলতে কী বোঝায়?

  • ক. নক্ষত্রের নাম
  • খ. দারুচিনি গাছের বন বা অরণ্য
  • গ. আমের বন
  • ঘ. সাগরের নাম

উত্তর: খ। দারুচিনি গাছে ঘেরা সুন্দর ও সুগন্ধি বনভূমিকে দারুচিনি-বনানী বলা হয়েছে।

98। ‘ব্যক্তিক’ শব্দের অর্থ কী?

  • ক. সমাজ সম্পর্কিত
  • খ. গ্রহ সম্পর্কিত
  • গ. ব্যক্তিগত বা ব্যক্তি সম্পর্কিত
  • ঘ. পৃথিবী সম্পর্কিত

উত্তর: গ। পাঠ-পরিচিতির টীকায় ‘ব্যক্তিক ও সামষ্টিক সংকট’ বলতে ব্যক্তিগত ও সমষ্টিগত সংকটের কথা বলা হয়েছে।

99। ‘সামষ্টিক’ শব্দের অর্থ কী?

  • ক. ব্যক্তিগত
  • খ. বিচ্ছিন্ন
  • গ. সমষ্টিগত বা সামষ্টিক সম্পর্কিত
  • ঘ. একা

উত্তর: গ। সমাজের সবার মিলিত বা সমষ্টিগত বিষয়কে সামষ্টিক বলা হয়।

100। ‘আরাধ্য’ শব্দের অর্থ কী?

  • ক. যাকে দেখা যায় না
  • খ. আরাধনা বা উপাসনা করার যোগ্য
  • গ. যাকে অবজ্ঞা করা হয়
  • ঘ. যে কষ্ট দেয়

উত্তর: খ। পাঠ-পরিচিতিতে বলা হয়েছে, সুচেতনা কবির আরাধ্য এক চেতনা, অর্থাৎ যা উপাসনা বা কামনার যোগ্য।

101। জীবনানন্দ দাশ কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?

  • ক. ১৯৫৪ সালে
  • খ. ১৮৯৮ সালে
  • গ. ১৯৪১ সালে
  • ঘ. ১৮৯৯ সালে

উত্তর: ঘ। কবি পরিচিতি অনুযায়ী তিনি ১৮৯৯ সালের ১৭ই ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন।

102। জীবনানন্দ দাশ কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?

  • ক. ঢাকায়
  • খ. কলকাতায়
  • গ. বরিশালে
  • ঘ. খুলনায়

উত্তর: গ। তিনি ১৮৯৯ সালে বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন।

103। জীবনানন্দ দাশের পিতার নাম কী ছিল?

  • ক. বিবেকানন্দ দাশ
  • খ. প্রমথনাথ দাশ
  • গ. সত্যানন্দ দাশ
  • ঘ. চিত্তরঞ্জন দাশ

উত্তর: গ। কবির পিতা ছিলেন সত্যানন্দ দাশ।

104। সত্যানন্দ দাশ কোন স্কুলের প্রধান শিক্ষক ছিলেন?

  • ক. শান্তিনিকেতন
  • খ. বরিশাল ব্রজমোহন স্কুল
  • গ. ঢাকা কলেজিয়েট স্কুল
  • ঘ. কলকাতা হিন্দু স্কুল

উত্তর: খ। তিনি বরিশাল ব্রজমোহন স্কুলের প্রধান শিক্ষক ছিলেন।

105। জীবনানন্দ দাশের মায়ের নাম কী?

  • ক. বেগম রোকেয়া
  • খ. কুসুমকুমারী দাশ
  • গ. স্বর্ণকুমারী দেবী
  • ঘ. কামিনী রায়

উত্তর: খ। তাঁর মা কুসুমকুমারী দাশ ছিলেন সেকালের বিখ্যাত কবি।

106। জীবনানন্দ দাশ কার কাছ থেকে কবিতা লেখার প্রেরণা লাভ করেছিলেন?

  • ক. তাঁর মায়ের কাছ থেকে
  • খ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাছ থেকে
  • গ. বুদ্ধদেব বসুর কাছ থেকে
  • ঘ. তাঁর পিতার কাছ থেকে

উত্তর: ক। কবি তাঁর মায়ের কাছ থেকে কবিতা লেখার প্রেরণা লাভ করেছিলেন।

107। জীবনানন্দ দাশ পেশায় মূলত কী ছিলেন?

  • ক. চিকিৎসক
  • খ. প্রকৌশলী
  • গ. ইংরেজি সাহিত্যের অধ্যাপক
  • ঘ. আইনজীবী

উত্তর: গ। তিনি মূলত ইংরেজি সাহিত্যের অধ্যাপক হিসেবে জীবন অতিবাহিত করেন।

108। জীবনানন্দ দাশের কবিতার প্রধান বৈশিষ্ট্য কী?

  • ক. রাজনৈতিক স্লোগান
  • খ. সূক্ষ্ম ও গভীর অনুভবের জগৎ এবং গ্রামবাংলার নিসর্গ
  • গ. শহুরে কোলাহলের বর্ণনা
  • ঘ. কেবল ধর্মীয় উপদেশ

উত্তর: খ। তিনি কবিতায় সূক্ষ্ম ও গভীর অনুভবের জগৎ তৈরি করেন এবং গ্রামবাংলার নিসর্গের ছবি আঁকেন।

109। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জীবনানন্দ দাশের কবিতাকে কী বলে আখ্যায়িত করেছেন?

  • ক. অবোধ্য
  • খ. বিদ্রোহী
  • গ. নির্জনতম
  • ঘ. চিত্ররূপময়

উত্তর: ঘ। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই অসাধারণ কাব্যবৈশিষ্ট্যকে ‘চিত্ররূপময়’ বলে আখ্যায়িত করেছেন।

110। বুদ্ধদেব বসু জীবনানন্দ দাশকে কী আখ্যা দিয়েছেন?

  • ক. চিত্ররূপময় কবি
  • খ. বিশ্বকবি
  • গ. নির্জনতম কবি
  • ঘ. রূপসী বাংলার কবি

উত্তর: গ। বুদ্ধদেব বসু তাঁকে ‘নির্জনতম কবি’ বলে আখ্যায়িত করেছেন।

111। আধুনিক জীবনের বিচিত্র যন্ত্রণা ও হাহাকার কার কবিতায় বিশেষভাবে ফুটে উঠেছে?

  • ক. জীবনানন্দ দাশের
  • খ. জসীমউদ্দীনের
  • গ. সুকান্ত ভট্টাচার্যের
  • ঘ. কাজী নজরুল ইসলামের

উত্তর: ক। ব্যক্তিমানুষের নিঃসঙ্গতা, আধুনিক জীবনের যন্ত্রণা ও হাহাকার জীবনানন্দের কবিতায় ফুটে উঠেছে।

112। জীবনানন্দ দাশের নিসর্গবিষয়ক কবিতা কোন আন্দোলনে তীব্রভাবে অনুপ্রাণিত করেছিল?

  • ক. ভাষা আন্দোলনে
  • খ. তেভাগা আন্দোলনে
  • গ. বাঙালির জাতিসত্তা বিকাশের আন্দোলন এবং ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধে
  • ঘ. সিপাহী বিদ্রোহে

উত্তর: গ। তাঁর নিসর্গবিষয়ক কবিতা বাঙালির জাতিসত্তা বিকাশের আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধে অনুপ্রাণিত করেছিল।

113। নিচের কোনটি জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থ নয়?

  • ক. ঝরা পালক
  • খ. অগ্নিবীণা
  • গ. ধূসর পাণ্ডুলিপি
  • ঘ. বনলতা সেন

উত্তর: খ। ‘অগ্নিবীণা’ কাজী নজরুল ইসলামের কাব্যগ্রন্থ। বাকিগুলো জীবনানন্দ দাশের।

114। ‘মহাপৃথিবী’ কার লেখা কাব্যগ্রন্থ?

  • ক. জীবনানন্দ দাশ
  • খ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  • গ. আল মাহমুদ
  • ঘ. শামসুর রাহমান

উত্তর: ক। ‘মহাপৃথিবী’ জীবনানন্দ দাশের একটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ।

115। ‘বেলা অবেলা কালবেলা’ কার রচনা?

  • ক. জীবনানন্দ দাশ
  • খ. আহসান হাবীব
  • গ. ফররুখ আহমদ
  • ঘ. মাইকেল মধুসূদন দত্ত

উত্তর: ক। এটি জীবনানন্দ দাশের একটি কাব্যগ্রন্থ।

116। ‘রূপসী বাংলা’ কী ধরনের গ্রন্থ?

  • ক. নাটক
  • খ. প্রবন্ধগ্রন্থ
  • গ. উপন্যাস
  • ঘ. কাব্যগ্রন্থ

উত্তর: ঘ। ‘রূপসী বাংলা’ জীবনানন্দ দাশের একটি বিখ্যাত নিসর্গবিষয়ক কাব্যগ্রন্থ।

117। জীবনানন্দ দাশের প্রবন্ধগ্রন্থের নাম কী?

  • ক. সাহিত্যের রূপ ও রীতি
  • খ. কালান্তর
  • গ. রাজবন্দীর জবানবন্দী
  • ঘ. কবিতার কথা

উত্তর: ঘ। ‘কবিতার কথা’ তাঁর রচিত বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ।

118। নিচের কোনটি জীবনানন্দ দাশ রচিত উপন্যাস?

  • ক. শেষের কবিতা
  • খ. গোরা
  • গ. মাল্যবান
  • ঘ. বিষাদ-সিন্ধু

উত্তর: গ। ‘মাল্যবান’ ও ‘সুতীর্থ’ জীবনানন্দ দাশের বিখ্যাত দুটি উপন্যাস।

119। ‘সুতীর্থ’ গ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যের কোন শাখার অন্তর্গত?

  • ক. ছোটগল্প
  • খ. কাব্যগ্রন্থ
  • গ. নাটক
  • ঘ. উপন্যাস

উত্তর: ঘ। ‘সুতীর্থ’ জীবনানন্দ দাশ রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস।

120। জীবনানন্দ দাশ কত সালে মৃত্যুবরণ করেন?

  • ক. ১৯৪১ সালে
  • খ. ১৯৭১ সালে
  • গ. ১৯৫২ সালে
  • ঘ. ১৯৫৪ সালে

উত্তর: ঘ। তিনি ১৯৫৪ খ্রিষ্টাব্দের ২২শে অক্টোবর মৃত্যুবরণ করেন।

121। জীবনানন্দ দাশ কীভাবে মৃত্যুবরণ করেন?

  • ক. দুরারোগ্য ব্যাধিতে
  • খ. ট্রাম দুর্ঘটনায় আকস্মিকভাবে
  • গ. যুদ্ধে নিহত হয়ে
  • ঘ. বিমান দুর্ঘটনায়

উত্তর: খ। ১৯৫৪ সালে কলকাতায় ট্রাম দুর্ঘটনায় তিনি আকস্মিকভাবে মৃত্যুবরণ করেন।

122। জীবনানন্দ দাশের মৃত্যু কোথায় হয়েছিল?

  • ক. শান্তিনিকেতনে
  • খ. কলকাতায়
  • গ. বরিশালে
  • ঘ. ঢাকায়

উত্তর: খ। তিনি কলকাতার রাস্তায় ট্রাম দুর্ঘটনায় মারা যান।

123। জীবনানন্দ দাশের জন্মতারিখ কোনটি?

  • ক. ২২শে অক্টোবর
  • খ. ২৫শে বৈশাখ
  • গ. ১৭ই ফেব্রুয়ারি
  • ঘ. ১১ই জ্যৈষ্ঠ

উত্তর: গ। তিনি ১৮৯৯ সালের ১৭ই ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন।

124। জীবনানন্দ দাশের কবিতায় কিসের ব্যবহারের কারণে অসাধারণত্ব লাভ করেছে?

  • ক. কেবল অনুপ্রাস অলংকারের
  • খ. প্রচুর বিদেশি শব্দের
  • গ. গদ্য ছন্দের
  • ঘ. উপমা, চিত্রকল্প, প্রতীক সৃজন, আলো-আঁধার ও রঙের ব্যবহারের

উত্তর: ঘ। উপমা, চিত্রকল্প, প্রতীক সৃজন, আলো-আঁধারের ব্যবহার এবং অনুভবের বিচিত্র মাত্রায় তাঁর কবিতা অসাধারণত্ব পেয়েছে।

125। ‘সুচেতনা’ কবিতাটির প্রকাশকাল কত সাল বলে পাঠ-পরিচিতিতে ইঙ্গিত রয়েছে?

  • ক. ১৯৫৪ সাল
  • খ. ১৯৭১ সাল
  • গ. ১৯৪২ সাল (বনলতা সেন কাব্যগ্রন্থ প্রকাশের সাল)
  • ঘ. ১৮৯৯ সাল

উত্তর: গ। পাঠ-পরিচিতিতে উল্লেখ আছে এটি ‘বনলতা সেন’ (১৯৪২) কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত।

126। জীবনানন্দ দাশ আধুনিক বাংলা কাব্যের কেমন কবি হিসেবে স্বীকৃত?

  • ক. শিশুতোষ কবি
  • খ. অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি
  • গ. একমাত্র কবি
  • ঘ. পল্লীকবি

উত্তর: খ। কবি পরিচিতির শুরুতেই বলা হয়েছে, তিনি আধুনিক বাংলা কাব্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি।

127। কোন গ্রন্থে জীবনানন্দ দাশ গ্রামবাংলার নিসর্গের ছবি সবচেয়ে বেশি এঁকেছেন বলে সাধারণত ধরা হয় (যদিও পাঠ্যে সবগুলোর নাম আছে)?

  • ক. মাল্যবান
  • খ. সুতীর্থ
  • গ. কবিতার কথা
  • ঘ. রূপসী বাংলা

উত্তর: ঘ। নাম থেকেই বোঝা যায় ‘রূপসী বাংলা’ গ্রামবাংলার নিসর্গবিষয়ক কাব্যের শ্রেষ্ঠ উদাহরণ।

128। ‘ঝরা পালক’ জীবনানন্দ দাশের কোন ধরনের সাহিত্যকর্ম?

  • ক. প্রবন্ধ
  • খ. উপন্যাস
  • গ. নাটক
  • ঘ. কাব্যগ্রন্থ

উত্তর: ঘ। ‘ঝরা পালক’ তাঁর একটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ।

129। ‘ধূসর পাণ্ডুলিপি’ কার রচনা?

  • ক. জীবনানন্দ দাশ
  • খ. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  • গ. সুফিয়া কামাল
  • ঘ. জসীমউদ্দীন

উত্তর: ক। ‘ধূসর পাণ্ডুলিপি’ জীবনানন্দ দাশের অন্যতম কাব্যগ্রন্থ।

130। জীবন ও জগতের রহস্য এবং মাহাত্ম্য সন্ধানে জীবনানন্দ দাশ কী সৃষ্টি করেছেন?

  • ক. এক অপ্রতিম কবিভাষা
  • খ. নতুন ধর্ম
  • গ. বিজ্ঞানাগার
  • ঘ. নতুন রাজনৈতিক দল

উত্তর: ক। জীবন ও জগতের রহস্য এবং মাহাত্ম্য সন্ধানে তিনি এক অপ্রতিম কবিভাষা সৃষ্টি করেছেন বলে কবি পরিচিতিতে উল্লেখ আছে।

আরও পড়ুন

HSC বাংলা ১ম পত্র-এর সব পোস্ট

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সাহায্য লাগবে?
BCS Journey Support
● Online
×
💬Messenger ✈Telegram
BCS JOURNEY
BCS Journey
চ্যাট শুরু করুন ➜