● বিসিএস লিখিত: বাংলাদেশ বিষয়াবলি

দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদ: বাংলাদেশে প্রবর্তনের যৌক্তিকতা ও চ্যালেঞ্জ | বিসিএস লিখিত

📌 এক নজরে

সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদে জাতীয় সংসদকে একমাত্র আইন প্রণয়নকারী প্রতিষ্ঠান বলা হয়েছে, আর স্বাধীনতার পর থেকে এককক্ষ কাঠামোই চলছে। দ্বিকক্ষ সংসদ নিয়ে সাম্প্রতিক সংস্কার-আলোচনার কারণে এটি এখন লিখিত পরীক্ষার সম্ভাব্য বিশ্লেষণধর্মী প্রশ্ন। এই পোস্টে প্রবর্তনের পক্ষে যুক্তি ও চ্যালেঞ্জ দুটোই পাবেন।

বাংলাদেশ এককক্ষ বিশিষ্ট সংসদীয় ব্যবস্থায় পরিচালিত একটি গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবেই পরিচিত। সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদে জাতীয় সংসদকে একমাত্র আইন প্রণয়নকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত এই কাঠামোই কার্যকর রয়েছে। তবে ২০২৪ সালে গণআন্দোলনের মুখে ফ্যাসিস্ট সরকার পতনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সময়ের সঙ্গে সঙ্গে রাষ্ট্রপরিচালনার নানা বাস্তবতা ও প্রয়োজন বিবেচনায় দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদ গঠনের প্রশ্নটি ক্রমেই গুরুত্ব পাচ্ছে।

দ্বিকক্ষ সংসদের ধারণা: দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদ হলো এমন একটি আইনসভা যেখানে দুটি পৃথক কক্ষ থাকে, যথাঃ নিম্নকক্ষ এবং উচ্চকক্ষ। নিম্নকক্ষ সরাসরি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয় এবং মূলত বাজেট, নতুন আইন প্রস্তাব ও সরকারের ওপর আস্থা বা অনাস্থার মতো দৈনন্দিন ও গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পন্ন করে। উচ্চকক্ষের দায়িত্ব হলো নিম্নকক্ষে গৃহীত প্রস্তাবগুলোর পুনর্বিবেচনা, বিশ্লেষণ ও প্রয়োজনীয় সংশোধন করা।

“

A bicameral legislature is a law-making body that consists of two chambers (an upper house and a lower house). Each chamber is composed of separate powers to help ensure there are checks and balances within the system.

বিশ্বের বহু গণতান্ত্রিক দেশে, যেমন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ভারত, অস্ট্রেলিয়ায় দ্বিকক্ষ ব্যবস্থা বিদ্যমান আছে। বিশ্বে ১৯২টি দেশের মধ্যে ৮৭টিতে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট আইনসভা রয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ায় ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও নেপালে এই ব্যবস্থা রয়েছে। এসব দেশের অভিজ্ঞতা থেকে দেখা যায় যে উচ্চকক্ষ আইন প্রণয়নকে পূর্ণতা দেয়, হঠকারী সিদ্ধান্তকে সংযত করে এবং বিভিন্ন গোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্বে সহায়ক ভূমিকা রাখে।

How laws will be passed in proposed bicameral parliament

  • Introduced& Debated
  • Voted on
  • Defeated
  • Passed
  • Second House
  • Amended & Returned

উচ্চকক্ষের সদস্যরা কখনও সরাসরি নির্বাচিত, কখনও আঞ্চলিক পরিষদ বা পেশাজীবী সংগঠনের মাধ্যমে মনোনীত হন। অনেক দেশে উচ্চকক্ষের সদস্যদের মেয়াদ দীর্ঘ ও ধাপে ধাপে নবায়নযোগ্য হয়, যা নীতি প্রণয়নে ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করে।

বাংলাদেশে দ্বিকক্ষ সংসদ প্রবর্তনের পক্ষে যুক্তি:

“

“A bicameral legislature is necessary to maintain checks and balances and avoid dictatorship. It lowers the likelihood of rash or poorly thought-out judgements by guaranteeing that legislation is carefully discussed and improved before becoming law.” – James Madison.

বাংলাদেশে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট আইনসভা প্রবর্তনের সুপারিশ করেছে সংবিধান সংস্কার কমিশন। কমিশনের সুপারিশে বলা হয়েছে, সংসদের নিম্নকক্ষের পাশাপাশি একটি উচ্চকক্ষও থাকবে। নিম্নকক্ষের সদস্য থাকবেন ৪০০ জন। প্রচলিত পদ্ধতিতে তারা জনগণের ভোটে নির্বাচিত হবেন। আর উচ্চকক্ষে আসন থাকবে ১০০টি। নির্বাচন হবে আনুপাতিক পদ্ধতিতে। অর্থাৎ নিম্নকক্ষে বিভিন্ন দলের যেমন আসন থাকবে সেই অনুপাতে দলগুলো উচ্চকক্ষের সদস্য মনোনীত করতে পারবে। বাংলাদেশে দ্বিকক্ষ সংসদ প্রবর্তন করা গেলে দুই কক্ষের সংসদে আলোচনা ও বিতর্কের বেশি সুযোগ থাকবে। এতে করে ক্ষমতার আরও ভালো ভারসাম্য নিশ্চিত হবে। সেই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন অংশীজনদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার সুযোগ থাকবে।

  1. ১ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষা: এককক্ষ বিশিষ্ট সংসদে নির্বাহী শাখা, বিশেষত প্রধানমন্ত্রীর হাতে ক্ষমতা প্রায়শই কেন্দ্রীভূত হয়। বিরোধী দলের সংখ্যা কম হলে সংসদ কার্যত সরকারের ইচ্ছার কাছে অসহায় হয়ে পড়ে। উচ্চকক্ষ থাকলে নিম্নকক্ষের গৃহীত আইন স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যকর হওয়ার আগে আরেকটি কক্ষের বিশ্লেষণ ও অনুমোদনের প্রয়োজন হবে। যেহেতু দ্বিকক্ষ সংসদের গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো চেক অ্যান্ড ব্যালেন্স করা, তাই আমাদের দেশে এর ফলে ক্ষমতার একচেটিয়া প্রয়োগ কমবে এবং গণতন্ত্রের চেক অ্যান্ড ব্যালেন্স আরও শক্তিশালী হবে।
  2. ২আইন প্রণয়নের মান উন্নয়ন: বাংলাদেশে প্রায়ই অনেক সময় তড়িঘড়ি করে বা যথেষ্ট বিতর্ক ছাড়াই বিল পাস হয়। উচ্চকক্ষের উপস্থিতি আইন প্রণয়নে একধরনের দ্বিতীয় পর্যালোচনার সুযোগ এনে দেবে। এতে ত্রুটি, অসঙ্গতি বা জনগণের স্বার্থবিরোধী ধারা সংশোধন করা সহজ হবে। বিলের ভাষা, আর্থসামাজিক প্রভাব, সংবিধানিক সামঞ্জস্য ইত্যাদি বিষয় গভীরভাবে খতিয়ে দেখার সুযোগ তৈরি হবে।
  3. ৩অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রতিনিধিত্ব: বাংলাদেশ ভৌগোলিক ও সামাজিকভাবে বৈচিত্র্যময়। পাহাড়ি অঞ্চল, উপকূলীয় এলাকা, সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী কিংবা বিভিন্ন পেশাজীবী গোষ্ঠী জাতীয় সংসদে পর্যাপ্ত প্রতিনিধিত্ব পায় না। উচ্চকক্ষে নির্দিষ্ট আসন বরাদ্দের মাধ্যমে এসব অঞ্চল ও গোষ্ঠীর মতামত রাষ্ট্রীয় নীতিতে প্রতিফলিত হতে পারে। এর ফলে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হতে না পারা যোগ্য ব্যক্তিরা পরোক্ষভাবে দেশের নীতিনির্ধারণে ভূমিকা রাখতে পারবে।
  4. ৪অভিজ্ঞ ও বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিদের সম্পৃক্ততা: অনেক শিক্ষাবিদ, অর্থনীতিবিদ, বিজ্ঞানী বা সংস্কৃতিকর্মী সরাসরি নির্বাচনে অংশ নিতে চান না, অথচ তাদের অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান রাষ্ট্রের জন্য অত্যন্ত মূল্যবান। উচ্চকক্ষ গঠনের মাধ্যমে এসব বিশিষ্ট ব্যক্তিকে মনোনয়নের সুযোগ রাখা যেতে পারে। ফলে নীতি ও আইন প্রণয়ন হবে আরও প্রজ্ঞাভিত্তিক এবং দীর্ঘমেয়াদি।
  5. ৫নীতি ও প্রশাসনের ধারাবাহিকতা: উচ্চকক্ষের সদস্যদের মেয়াদ যদি নিম্নকক্ষের তুলনায় দীর্ঘ ও ধাপে ধাপে নবায়নযোগ্য হয়, তাহলে হঠাৎ রাজনৈতিক পালাবদলের মধ্যেও নীতি প্রণয়নের ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে। এটি উন্নয়ন পরিকল্পনা ও দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্প বাস্তবায়নে সহায়ক হবে।

বাংলাদেশে দ্বিকক্ষ সংসদ প্রবর্তনের সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জ:

“A bicameral legislature can often lead to gridlock, where political differences between the two chambers slow down or entirely block the passage of necessary legislation.” – John Stuart Mill.

বাংলাদেশে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট আইনসভা বাস্তবায়নে অবশ্য কিছু চ্যালেঞ্জও রয়েছে। এতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার গতি ধীর হয়ে যেতে পারে। কারণ যেকোনো বিল পাস করার জন্য সংসদের দুই কক্ষের অনুমতির প্রয়োজন হবে। একজন অনির্বাচিত বা পরোক্ষভাবে নির্বাচিত উচ্চকক্ষের সদস্য নিম্নকক্ষের সদস্যদের মতো জবাবদিহি নাও করতে পারেন। এছাড়া সংসদ পরিচালনার খরচও বাড়বে এতে।

  1. ১বাংলাদেশে কোনো কিছু নতুন করে বাস্তবায়ন করা কঠিন বিষয়। তাই দুই কক্ষের মধ্যে মতানৈক্য হলে আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত হতে পারে। জরুরি জাতীয় স্বার্থে দ্রুত সিদ্ধান্তের প্রয়োজন হলে এই ধীরগতি সমস্যা তৈরি করতে পারে।
  2. ২নতুন কক্ষ স্থাপন, সদস্যদের বেতন-ভাতা, অবকাঠামো, প্রশাসনিক খরচ—সব মিলিয়ে রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক বোঝা বাড়বে। ফলে বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় এহেন প্রস্তাব সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।
  3. ৩যদি উচ্চকক্ষের সদস্যরা সরাসরি জনগণের ভোটে নির্বাচিত না হয়ে মনোনীত হন, তাহলে তাদের প্রতি জবাবদিহি নিশ্চিত করা কঠিন হবে। এতে উচ্চকক্ষ রাজনৈতিক স্বার্থরক্ষা বা ক্ষমতাধর গোষ্ঠীর প্রভাবের ক্ষেত্র হয়ে উঠতে পারে।
  4. ৪দুই কক্ষের মধ্যে ধারাবাহিক মতপার্থক্য হলে বাজেট বা গুরুত্বপূর্ণ বিল আটকে যাওয়ার ঝুঁকি থাকবে। এই পরিস্থিতি সামাল দিতে বিশেষ সাংবিধানিক ব্যবস্থা ও মধ্যস্থতাকারী প্রক্রিয়া প্রয়োজন।
  5. ৫দ্বিকক্ষ ব্যবস্থা চালু করতে হলে সংবিধানের সংশ্লিষ্ট ধারা সংশোধন করতে হবে, যার জন্য সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন জরুরি। বর্তমান রাজনৈতিক পরিবেশে এমন ঐক্যমত অর্জন করা চ্যালেঞ্জিং বিষয় একটা।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বিশেষ বিবেচনা: দ্বিকক্ষ আইনসভা অনেক ক্ষেত্রে কার্যকর হতে পারে, তবে এর সঙ্গে কিছু সমস্যাও যুক্ত থাকে। বাংলাদেশের রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে দলীয় মেরুকরণ বিদ্যমান। ফলে নতুন উচ্চকক্ষ যেন আরেকটি রাজনৈতিক সংঘাতের ক্ষেত্র না হয়, সেজন্য গঠন ও ক্ষমতা স্পষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত করতে হবে। এছাড়াও, উচ্চকক্ষের সদস্য নির্বাচন বা মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও গণতান্ত্রিক মানদণ্ড নিশ্চিত করতে হবে। সদস্যদের সংখ্যা, মেয়াদ, পুনর্নবীকরণ পদ্ধতি ও ক্ষমতার সীমা সংবিধানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকা আবশ্যক। এসবের পাশাপাশি জনগণের মধ্যে সচেতনতা ও গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করাও গুরুত্বপূর্ণ। উচ্চকক্ষ গঠনের আগে ব্যাপক জনআলোচনা, গণভোট বা পরামর্শ প্রক্রিয়া চালু করা উচিত যাতে এটি কেবল রাজনৈতিক নেতাদের সিদ্ধান্ত হয়ে না থাকে।

সুপারিশ

সুপারিশ: ড. ইউনুস সরকার ক্ষমতায় আসায় পর আবার বাংলাদেশে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট আইনসভা বাস্তবায়ন করার জন্য বিভিন্ন মহল থেকে প্রস্তাব আসে। বিভিন্ন সময় উচ্চকক্ষ প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব তোলা হয়েছে, যেখানে বলা হয়েছে বিশেষজ্ঞদের (বিশেষত শিক্ষাবিদ, ধর্মীয় নেতা, সমাজসেবক, অর্থনীতিবিদ, আইনজীবী, ও পেশাজীবী) আইন প্রণয়নে ভূমিকা রাখার সুযোগ দেবে। কেননা শুধুমাত্র সংসদের হাতে আইন প্রণয়ন ক্ষমতা ছেড়ে দিলে গণবিরোধী আইন যেমন (ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট, ২০১৮) এর মত আইন তৈরি হতে পারে। দ্বিকক্ষবিশিষ্ট আইনসভা স্ক্রিনিং-এর সুযোগ দেয়, দেশের প্রয়োজন ও জনমতের উপর ভিত্তি করে আইন প্রণয়ন করা যেতে পারে।

  • প্রথমে সীমিত ক্ষমতার উচ্চকক্ষ গঠন করে ধীরে ধীরে কার্যকারিতা বাড়ানো যেতে পারে।
  • কোন বিল উচ্চকক্ষের অনুমোদন পাবে এবং কোনটি শুধু নিম্নকক্ষে পাস হবে তা সংবিধানে নির্দিষ্ট করতে হবে।
  • উচ্চকক্ষের সদস্য নির্বাচনে স্বচ্ছ ও প্রতিনিধিত্বমূলক পদ্ধতি নির্ধারণ জরুরি।
  • গণভোট বা জাতীয় সংলাপের মাধ্যমে জনগণের মতামত নেওয়া উচিত, যাতে নতুন কাঠামো গণতান্ত্রিক বৈধতা পায়।
  • গঠনের পর নির্দিষ্ট সময় অন্তর উচ্চকক্ষের কার্যকারিতা মূল্যায়ন করে প্রয়োজন অনুযায়ী সংস্কার করা দরকার।

বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এখন দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট পার্লামেন্ট ব্যবস্থার আলাপ আসছে। কারণ মানুষ দেশে ক্ষমতার ভারসাম্য দেখতে চায়। দেশের জ্ঞানী-গুণী মানুষ, বুদ্ধিজীবী, মানুষদেরও পার্লামেন্টের সঙ্গে যুক্ত করতে হলে দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট পার্লামেন্ট প্রয়োজন হবে। সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে, দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট পার্লামেন্টের ধারণাটাই আসে ক্ষমতার এক ধরনের চেক অ্যান্ড ব্যালেন্স তৈরি করার জন্য। একই সঙ্গে বৃহৎ কমিউনিটির প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার জন্য। তবে যথাযথ প্রস্তুতি ছাড়া তাড়াহুড়ো করে এ ব্যবস্থা চালু করলে এটি কাঙ্ক্ষিত সুফল দেবে না, বরং রাজনৈতিক অচলাবস্থা সৃষ্টি করতে পারে। তাই সুদূরপ্রসারী রোডম্যাপ ও ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের মাধ্যমেই দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদ বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে আরও পরিপূর্ণ ও শক্তিশালী করে তুলতে পারে।

আরও পড়ুন

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সাহায্য লাগবে?
BCS Journey Support
● Online
×
💬Messenger ✈Telegram
BCS JOURNEY
BCS Journey
চ্যাট শুরু করুন ➜