● Note

বন্দনা কবিতার নোট | জ্ঞানমূলক ও অনুধাবনমূলক প্রশ্ন উত্তর

বন্দনা কবিতার নোট | SSC বাংলা ১ম পত্রের “বন্দনা” কবিতার জ্ঞানমূলক ও অনুধাবনমূলক প্রশ্ন উত্তর নিচে দেওয়া হলো। বহুনির্বাচনি প্রশ্নের জন্য বন্দনা কবিতার MCQ দেখুন।

জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর (ক)

শাহ মুহম্মদ সগীর ও বন্দনা কবিতাের পরিচিতি বিষয়ক জ্ঞানমূলক প্রশ্ন

শাহ মুহম্মদ সগীর আনুমানিক কোন শতাব্দীর কবি?

তিনি আনুমানিক খ্রিস্টীয় ১৪-১৫ শতকের কবি।

মুসলমান কবিদের মধ্যে শাহ মুহম্মদ সগীরের বিশেষ পরিচিতি কী?

মুসলমান কবিদের মধ্যে তিনিই প্রাচীনতম।

শাহ মুহম্মদ সগীর কোন সুলতানের রাজত্বকালে ইউসুফ জোলেখা কাব্য রচনা করেন?

গৌড়ের সুলতান গিয়াসউদ্দীন আজম শাহের রাজত্বকালে তিনি এই কাব্য রচনা করেন।

মুহম্মদ এনামুল হক শাহ মুহম্মদ সগীরকে কোন অঞ্চলের অধিবাসী বলে মনে করেন?

তিনি তাঁকে চট্টগ্রামের অধিবাসী বলে মনে করেন।

কার দয়ার হাতে কবির জন্ম হয়েছে বলে বলা হয়েছে?

মায়ের দয়ার হাতে কবির জন্ম হয়েছে।

শাহ মুহম্মদ সগীর তাঁর কাব্যে কী রচনা করতে চেয়েছিলেন?

তিনি দেশি ভাষায় একটি ধর্মীয় উপাখ্যান বর্ণনা করতে চেয়েছিলেন।

বন্দনা কবিতাের মূল বিষয়বস্তু নিয়ে জ্ঞানমূলক প্রশ্ন

ইউসুফ জোলেখা কাব্য কীসে পরিণত হয়েছে?

ধর্মীয় পটভূমি থাকলেও কাব্যটি একটি মানবিক প্রেমোপাখ্যানে পরিণত হয়েছে।

‘বন্দনা’ কবিতাংশটি কোন কাব্যের কোন অংশ থেকে গৃহীত?

এটি ইউসুফ জোলেখা কাব্যের ‘বন্দনা’ পর্ব থেকে গৃহীত।

সংকলিত কবিতাংশে কাদের প্রতি বন্দনা প্রকাশ করা হয়েছে?

জন্মদাতা পিতামাতা ও জ্ঞানদাতা শিক্ষকের প্রতি বন্দনা প্রকাশ করা হয়েছে।

কবি ‘দ্বিতীয়ে’ কার পায়ে প্রণাম করার কথা বলেছেন?

কবি মা-বাবার পায়ে প্রণাম করার কথা বলেছেন।

মা কীসের ভয়ে সন্তানকে মাটিতে রাখেননি বলে কবি বলেন?

পিঁপড়ার ভয়ে মা সন্তানকে মাটিতে রাখেননি।

পিতা সন্তানের জন্য কী ত্যাগ স্বীকার করেন বলে কবি বলেন?

পিতা নিজে না খেয়ে সন্তানকে খাওয়ান, নিজে না পরে সন্তানকে পরান।

কবি কার প্রতি প্রণাম নিবেদন করেন, যাঁর অবদান পিতার চেয়েও বেশি?

কবি শিক্ষকের (ওস্তাদের) প্রতি প্রণাম নিবেদন করেন।

শিক্ষক কবিকে কী দিয়েছেন বলে বর্ণনা করা হয়েছে?

শিক্ষক কবিকে ‘দোসর-জনম’ (দ্বিতীয় জন্ম) দিয়েছেন।

পিতামাতা ও শিক্ষকের পর কবি আর কাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান?

কবি নগরবাসী, ইষ্ট-মিত্র ও সভাসদগণের প্রতিও শ্রদ্ধা জানান।

কবি নিজেকে কীভাবে বর্ণনা করেন বন্দনা কবিতার শেষে?

কবি নিজেকে হীন ও বহু পাপের ভারবাহী হিসেবে বর্ণনা করেন।

বন্দনা কবিতার শেষে কবি সবার কাছে কী প্রার্থনা করেন?

কবি সবার কাছে বারবার দোয়া প্রার্থনা করেন।

‘পুরবাসী’ শব্দের অর্থ কী?

পুরবাসী অর্থ নগরবাসী।

‘গোঞাএ’ শব্দের অর্থ কী?

গোঞাএ অর্থ গুজরান করে বা অতিবাহিত করে।

‘সপুটে’ শব্দের অর্থ কী?

সপুটে অর্থ করজোড়ে।

পাঠ-পরিচিতি অনুযায়ী শ্রদ্ধাবোধ ও কৃতজ্ঞতা কীসের প্রধান ধর্ম?

শ্রদ্ধাবোধ ও কৃতজ্ঞতা মনুষ্যত্বের প্রধান ধর্ম।

কাব্যের রাজবন্দনায় ‘মহামতি গেছ’ বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে বলে অনুমিত?

কাব্যের রাজবন্দনায় ‘মহামতি গেছ’ বলতে সুলতান গিয়াসউদ্দীন আজম শাহকেই বোঝানো হয়েছে বলে অনুমিত।

কবি মূল কাব্যের প্রারম্ভে কার প্রশংসা করেছেন (যা এই সংকলনে নেই)?

কবি মূল কাব্যের প্রারম্ভে সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর প্রশংসা করেছেন, যা এই সংকলিত অংশে অন্তর্ভুক্ত নয়।

কবি নিজের শৈশব সম্পর্কে কী বলেন?

কবি বলেন, ‘অশক্য আছিলুঁ মুই দুর্বল ছাবাল’— তিনি অশক্ত, দুর্বল সন্তান ছিলেন।

কার দয়ার হাতে কবির দেহ বিশাল (পূর্ণাঙ্গ) হয়ে উঠেছে?

কবি বলেন, পিতার দয়ার হাতে তাঁর এই দেহ বিশাল হয়ে উঠেছে।

পিতার স্নেহে সন্তানের কী নিহিত থাকে বলে কবি বলেন?

কবি বলেন, ‘পিতাক নেহায় জিউ জীবন যৌবন’— পিতার স্নেহেই সন্তানের জীবন ও যৌবন লালিত হয়।

পিতার এই ঋণ কে শোধ করতে পারে বলে কবি প্রশ্ন তোলেন?

কবি প্রশ্ন তোলেন, ‘কনে বা সুধিব তান ধারক কাহন’— পিতার এই অপরিমেয় ঋণ কেউই পুরোপুরি শোধ করতে পারে না।

শিক্ষক সম্পর্কে কবি কোন বিশেষ কথা বলেন?

কবি বলেন, শিক্ষকই তাঁকে ‘দোসর-জনম’ বা দ্বিতীয় জন্ম দিয়েছেন— জ্ঞানের মাধ্যমে যেন নতুন করে জন্ম হয়েছে তাঁর।

‘দোসর-জনম’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

দোসর-জনম বলতে জ্ঞানার্জনের মাধ্যমে শিক্ষকের হাতে মানুষ হিসেবে দ্বিতীয়বার গড়ে ওঠাকে বোঝানো হয়েছে— জৈবিক জন্ম পিতা-মাতা দিলেও প্রকৃত মানুষ হয়ে ওঠার পথ দেখান শিক্ষক।

কবি সবার পায়ে কী নিবেদন করেন বলে জানান?

কবি বলেন, ‘তান সভান পদে মোহার বহুল ভকতি। সপুটে প্রণাম মোহার মনোরথ গতি’— সবার পায়ে তাঁর বহুল ভক্তি ও করজোড়ে প্রণামই তাঁর মনের ইচ্ছা।

‘ধারক কাহন’ বাক্যাংশের অর্থ কী?

ধারক কাহন বলতে ঋণের পরিমাণ বা ঋণের টাকা বোঝানো হয়েছে (কাহন = ষোলোপণ, একটি প্রাচীন মুদ্রার একক)।

পাঠ-পরিচিতি অনুযায়ী শিক্ষকের ভূমিকা কী?

পাঠ-পরিচিতি অনুযায়ী শিক্ষক জ্ঞানদান করে সন্তানকে মানুষ হিসেবে গড়ে তোলেন, তাই তাঁর প্রতিও অফুরন্ত শ্রদ্ধা দেখাতে হবে।

বন্দনা কবিতার ভাষারীতি সম্পর্কে কী বলা যায়?

কবিতার ভাষা মধ্যযুগীয় বাংলার প্রাচীন রূপ, যাতে ‘মুই’, ‘তান’, ‘আছিলুঁ’-এর মতো আঞ্চলিক শব্দ ও ক্রিয়াপদের বিশেষ রূপ লক্ষণীয়।

উদ্দীপকের অমর্ত্য সেনের মধ্যে ‘বন্দনা’ কবিতার কবির চেতনার কোন দিকটি ফুটে উঠেছে?

অমর্ত্য সেনের শৈশবের বিদ্যাপীঠে ফিরে গিয়ে দীক্ষাগুরুদের স্মরণ করার মধ্য দিয়ে গুরুভক্তির যে চেতনা প্রকাশ পায়, তা ‘বন্দনা’ কবিতায় কবির শিক্ষকের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের ভাবের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।

কবির উল্লিখিত এই চেতনা কোন চরণে সবচেয়ে স্পষ্ট?

‘দোসর-জনম দিলা তিঁহ সে আম্মার’ চরণে শিক্ষকের প্রতি কবির গভীরতম শ্রদ্ধা ও গুরুভক্তি সবচেয়ে স্পষ্টভাবে প্রকাশ পেয়েছে।

‘বন্দনা’ কবিতায় পিতার চেয়েও কাকে বেশি শ্রদ্ধা দেখাতে বলা হয়েছে?

কবিতায় বলা হয়েছে, ‘ওস্তাদে প্রণাম করো পিতা হস্তে বাড়’— অর্থাৎ পিতার চেয়েও শিক্ষককে বেশি শ্রদ্ধা দেখাতে বলা হয়েছে।

উদ্দীপকের বায়েজিদের আচরণে ‘বন্দনা’ কবিতার কোন দিকটি প্রকাশ পেয়েছে?

বায়েজিদের এই আত্মত্যাগমূলক আচরণ মাতৃভক্তি ও সন্তানের অকৃপণ সেবাপরায়ণতার প্রকাশ, যা ‘বন্দনা’ কবিতায় মায়ের প্রতি কবির শ্রদ্ধা নিবেদনের ভাবের সাথে সংগতিপূর্ণ।

প্রকাশিত এই দিকটিই কি ‘বন্দনা’ কবিতার একমাত্র উপজীব্য?

না, উদ্দীপকে শুধু মাতৃভক্তির প্রকাশ থাকলেও কবিতায় মা ও বাবা উভয়ের প্রতি, শিক্ষকের প্রতি (যাঁকে পিতার চেয়েও বেশি শ্রদ্ধার পাত্র বলা হয়েছে), এবং নগরবাসী-ইষ্ট-মিত্রদের প্রতিও শ্রদ্ধা প্রকাশিত হয়েছে— তাই এই একটি দিকই কবিতার একমাত্র উপজীব্য নয়।

কবিতাটি আজকের পাঠকদের কী শিক্ষা দেয়?

কবিতাটি শেখায়, জীবনে যাঁরা আমাদের গড়ে তুলেছেন— পিতামাতা, শিক্ষক ও সমাজের মানুষ— তাঁদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা প্রকাশ করা প্রতিটি মানুষের নৈতিক দায়িত্ব।

অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর (খ)

বন্দনা কবিতাের লেখক ও পটভূমি বিষয়ক অনুধাবনমূলক প্রশ্ন

শাহ মুহম্মদ সগীরকে কেন বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হয়?

মুসলমান কবিদের মধ্যে শাহ মুহম্মদ সগীরই প্রাচীনতম।

বন্দনা কবিতাের চরিত্র ও মূলভাব বিষয়ক অনুধাবনমূলক প্রশ্ন

‘পিঁপড়ার ভয়ে মাও না থুইলা মাটিত’ পঙক্তির তাৎপর্য কী— ব্যাখ্যা করো।

এই পঙক্তিতে মায়ের অতুলনীয় স্নেহ-মমতা ও সন্তানের প্রতি তাঁর সদাজাগ্রত কল্যাণদৃষ্টির প্রকাশ ঘটেছে। ক্ষুদ্রতম বিপদ থেকেও সন্তানকে রক্ষার এই সতর্কতা মাতৃস্নেহের গভীরতা প্রমাণ করে।

‘না খাই খাওয়াএ পিতা’ পঙক্তিতে কোন ভাব প্রকাশ পেয়েছে— ব্যাখ্যা করো।

এই পঙক্তিতে পিতার অপত্যস্নেহ ও নিঃস্বার্থ আত্মত্যাগ প্রকাশ পেয়েছে— নিজের প্রয়োজন উপেক্ষা করে সন্তানের ভালোর জন্য সবকিছু বিসর্জন দেওয়ার এই মনোভাবই পিতৃত্বের চিরন্তন রূপ।

শিক্ষককে পিতার চেয়েও বেশি শ্রদ্ধা দেখানোর কারণ কী— ব্যাখ্যা করো।

পিতা জৈবিক জন্ম দিলেও শিক্ষক জ্ঞানের মাধ্যমে মানুষকে দ্বিতীয়বার জন্ম দেন (‘দোসর-জনম’)— অর্থাৎ প্রকৃত মানুষ হয়ে ওঠার পথ দেখান, তাই তাঁর অবদান পিতার চেয়েও বেশি বলে কবি মনে করেন।

‘দোসর-জনম’ ধারণাটি কী বোঝায়— ব্যাখ্যা করো।

‘দোসর-জনম’ বলতে জ্ঞানার্জনের মাধ্যমে শিক্ষকের হাতে মানুষ হিসেবে দ্বিতীয়বার গড়ে ওঠাকে বোঝায়— জৈবিক জন্ম পিতামাতা দিলেও প্রকৃত মানুষ হয়ে ওঠার পথ দেখান শিক্ষক, তাই এটি একটি প্রতীকী দ্বিতীয় জন্ম।

বন্দনা কবিতায় শ্রদ্ধা নিবেদনের ক্রম (মা-বাবা-শিক্ষক-সমাজ) কী নির্দেশ করে— ব্যাখ্যা করো।

এই ক্রম ব্যক্তিগত সবচেয়ে নিকটতম সম্পর্ক (মা-বাবা) থেকে শুরু করে ক্রমে জ্ঞানদাতা শিক্ষক ও শেষে বৃহত্তর সমাজের দিকে সম্প্রসারিত হওয়ার একটি সুচিন্তিত সামাজিক-নৈতিক কাঠামো নির্দেশ করে।

কবি নিজেকে ‘হীন ও পাপভারগ্রস্ত’ বলে বর্ণনা করার তাৎপর্য কী— ব্যাখ্যা করো।

এই বিনম্র আত্ম-উপস্থাপনার মাধ্যমে কবি নিজের ক্ষুদ্রতা স্বীকার করে সবার কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন— মধ্যযুগীয় সাহিত্যের প্রথাগত বিনয়প্রকাশের এক সুন্দর দৃষ্টান্ত এটি।

কবিতাটি কেন শুধু ব্যক্তিগত কৃতজ্ঞতা প্রকাশ নয়, বরং একটি নৈতিক শিক্ষাও বহন করে— ব্যাখ্যা করো।

কবিতাটি শুধু কবির নিজের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ নয়, বরং প্রতিটি পাঠকের জন্যই একটি সর্বজনীন নৈতিক শিক্ষা— যাঁরা আমাদের গড়ে তুলেছেন তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করা মনুষ্যত্বের অপরিহার্য অংশ।

বন্দনা কবিতার ভাষারীতি কী বৈশিষ্ট্য বহন করে— ব্যাখ্যা করো।

কবিতার ভাষা মধ্যযুগীয় বাংলার প্রাচীন রূপ, যাতে ‘মুই’, ‘তান’, ‘আছিলুঁ’-এর মতো আঞ্চলিক শব্দ ও ক্রিয়াপদের বিশেষ রূপ লক্ষণীয়— এটি সেই সময়ের ভাষিক বৈশিষ্ট্যের একটি মূল্যবান নিদর্শন।

মায়ের ও পিতার প্রতি কবির শ্রদ্ধা প্রকাশে কী সাদৃশ্য ও পার্থক্য আছে— ব্যাখ্যা করো।

উভয়ের প্রতিই কবি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন, তবে মায়ের ক্ষেত্রে জন্মদান ও স্নেহময় লালন-পালনের কথা বলা হয়েছে, আর পিতার ক্ষেত্রে আত্মত্যাগ ও ভরণপোষণের কথা বলা হয়েছে— উভয়ের অবদানই সমানভাবে অপরিমেয় বলে কবি স্বীকার করেন।

কবিতাটি আধুনিক পাঠকদের জন্য কেন এখনো প্রাসঙ্গিক— ব্যাখ্যা করো।

মধ্যযুগে রচিত হলেও কবিতার মূল বার্তা— পিতামাতা ও শিক্ষকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ— একটি চিরন্তন, সর্বজনীন মূল্যবোধ, যা যুগ-যুগান্তরেও তার প্রাসঙ্গিকতা হারায় না।

মা সন্তানকে কীভাবে লালন করেছেন বলে বলা হয়েছে?

মা সন্তানকে কোলে দিয়ে বুকে দিয়ে জগতে বিদিত (পরিচিত) করে তুলেছেন।

পিতা কষ্টের মধ্যে দিয়ে কীভাবে বছর পার করেন বলে কবি বলেন?

কবি বলেন, ‘কত দুক্ষে একে একে বছর গোঞাএ’— পিতা কষ্টের মধ্যে একে একে বছর পার করেন।

পাঠ-পরিচিতি অনুযায়ী পিতামাতা কীভাবে সন্তানকে বড় করে তোলেন?

পাঠ-পরিচিতি অনুযায়ী পিতামাতা অশেষ দুঃখকষ্ট স্বীকার করে পরম যত্নে সন্তানকে বড় করে তোলেন।

উপরের জ্ঞানমূলক ও অনুধাবনমূলক প্রশ্ন-উত্তরগুলো ভালোভাবে অনুশীলন করলে বন্দনা কবিতা থেকে সৃজনশীল প্রশ্নের ক ও খ অংশে ভালো নম্বর পাওয়া সহজ হবে।

আরও পড়ুন

SSC বাংলা ১ম পত্র-এর সব পোস্ট

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সাহায্য লাগবে?
BCS Journey Support
● Online
×
💬Messenger ✈Telegram
BCS JOURNEY
BCS Journey
চ্যাট শুরু করুন ➜