যাব আমি তোমার দেশে কবিতার নোট | SSC বাংলা ১ম পত্রের “যাব আমি তোমার দেশে” কবিতার জ্ঞানমূলক ও অনুধাবনমূলক প্রশ্ন উত্তর নিচে দেওয়া হলো। বহুনির্বাচনি প্রশ্নের জন্য যাব আমি তোমার দেশে কবিতার MCQ দেখুন।
জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর (ক)
জসীমউদ্দীন ও যাব আমি তোমার দেশে কবিতাের পরিচিতি বিষয়ক জ্ঞানমূলক প্রশ্ন
জসীমউদ্দীন কত খ্রিষ্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন?
তিনি ১৯০৩ খ্রিষ্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন।
জসীমউদ্দীনের জন্মস্থান কোথায়?
তাঁর জন্মস্থান ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রাম।
জসীমউদ্দীনকে কেন ‘পল্লিকবি’ বলা হয়?
পল্লিমানুষের সহজ-স্বাভাবিক জীবনচিত্র ও আবেগ-মধুর ছবি তাঁর কবিতায় ফুটে উঠেছে বলে।
কর্মজীবনের শুরুতে জসীমউদ্দীন কোথায় অধ্যাপনা করেন?
তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেন।
জসীমউদ্দীনের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের নাম লেখো।
তাঁর একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ নকশী-কাঁথার মাঠ।
জসীমউদ্দীন কোন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্মানসূচক ডি.লিট. ডিগ্রি লাভ করেন?
তিনি বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এই ডিগ্রি লাভ করেন।
জসীমউদ্দীন কত খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন?
তিনি ১৯৭৬ খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন।
জসীমউদ্দীনের ‘কবর’ কবিতাটি কোন সংকলনের অন্তর্ভুক্ত হয়?
বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালেই তাঁর রচিত ‘কবর’ কবিতাটি প্রবেশিকা বাংলা সংকলনের অন্তর্ভুক্ত হয়।
নিচের কোনটি জসীমউদ্দীনের কাব্যগ্রন্থ নয়?
ছাড়পত্র সুকান্ত ভট্টাচার্যের কাব্যগ্রন্থ; বাকি তিনটি জসীমউদ্দীনের কাব্যগ্রন্থ।
জসীমউদ্দীনের কোন কাব্য বিভিন্ন বিদেশি ভাষায় অনূদিত হয়েছে?
তাঁর নকশী-কাঁথার মাঠ কাব্য বিভিন্ন বিদেশি ভাষায় অনূদিত হয়েছে।
জসীমউদ্দীনের ভ্রমণকাহিনির নাম কী?
চলে মুসাফির তাঁর ভ্রমণকাহিনি।
জসীমউদ্দীন সাহিত্য-সাধনার স্বীকৃতিস্বরূপ কোন পুরস্কার লাভ করেন?
সাহিত্য-সাধনার স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি একুশে পদক লাভ করেন।
যাব আমি তোমার দেশে কবিতাের মূল বিষয়বস্তু নিয়ে জ্ঞানমূলক প্রশ্ন
‘যাব আমি তোমার দেশে’ কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত?
এটি ধানক্ষেত কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত।
যাব আমি তোমার দেশে কবিতায় কবি কাকে সম্বোধন করে কথা বলেছেন?
কবি ‘পল্লি-দুলাল’কে সম্বোধন করে কথা বলেছেন।
‘পল্লি-দুলাল’ শব্দের অর্থ কী?
পল্লি-দুলাল অর্থ পল্লি-মায়ের আদরের ছেলে।
দূর দেশীয় মেঘ-কনেরা মাথায় কী নিয়ে দাঁড়ায়?
তারা মাথায় জলের ঝারি নিয়ে দাঁড়ায়।
বেতস কেয়ার বনে কে আসর মাতায়?
ডাহুক মেয়ে আসর মাতায়।
পথ ধরে কে কদম-কলি ছড়িয়ে হেঁটে যায়?
একটি গ্রাম্য মেয়ে কদম-কলি ছড়িয়ে হেঁটে যায়।
কবি কাদের সাথে দল বেঁধে খেলার ইচ্ছা প্রকাশ করেন?
পাড়ার দস্যি ছেলেদের সাথে খেলার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।
ধল-দীঘিতে সাঁতার কেটে কবি কী তুলে আনার কথা বলেন?
রক্ত-কমল (লাল পদ্ম) তুলে আনার কথা বলেন।
কবি ফুলের মালা কোথায় রেখে আসবেন বলে বলেন?
যে ঘাটে পল্লিবালারা কলস ভরে, সেই ঘাটের এক ধারে রেখে আসবেন।
সন্ধ্যা নামলে বনে কে ডাকবে বলে বলা হয়েছে?
বনের মাঝে ডাহুক ডাকবে।
‘দীঘল’ শব্দের অর্থ কী?
দীঘল অর্থ দীর্ঘ।
‘কুহেলী’ শব্দের অর্থ কী?
কুহেলী অর্থ কুয়াশা।
যাব আমি তোমার দেশে কবিতার মূল ভাব কী?
গ্রামবাংলার প্রকৃতি ও পল্লিজীবনের সারল্যের প্রতি কবির গভীর মমত্ববোধ ও একাত্ম হওয়ার আকুল আকাঙ্ক্ষা।
কবি কোথায় যেতে চান?
কবি পল্লি-দুলালের দেশে অর্থাৎ গ্রামে যেতে চান।
পল্লি-দুলালের দেশে আকাশ কোথায় থাকে বলে বর্ণিত হয়েছে?
সেই দেশের আকাশ বনের শীর্ষে থাকে, দিক-হারা মাঠ তার চরণ ঘেঁষে বিস্তৃত।
পথটি আর কীসের সাথে তুলনীয় বলে বলা হয়েছে?
পথটি গরুর গায়ে ক্ষতচিহ্নের রেখার মতোও দেখতে বলা হয়েছে— কোথাও সিধা কোথাও বাঁকা।
শাপলা লতায় জড়িয়ে কবি কী করার কথা বলেন?
শাপলা লতায় চরণ জড়িয়ে ঢেউয়ের সাথে দোল খাওয়ার কথা কবি বলেন।
গায়ের বরণ রঙিন হওয়ার কারণ হিসেবে কবি কী উল্লেখ করেন?
হিজল-ঝরা জলের ছিটায় গায়ের বরণ রঙিন হবে বলে কবি বর্ণনা করেন।
কবি সেই মাটিতে পা ফেলে কী অনুভব করতে চান?
কবি সেই পথে চরণ ফেলে মাটি-মায়ের পরশ অনুভব করতে চান— মাতৃভূমির প্রতি গভীর মমত্ববোধের প্রকাশ।
অজানা ফুলের রূপ দেখে কবি কী করবেন বলে বলেন?
অজানা ফুলের রূপ দেখে কবি তাকে কল্পনায় বিয়ের কনে বলে মেনে নেবেন— প্রকৃতির প্রতি কবির কাব্যিক ভালোবাসার প্রকাশ।
চলার পথে কী কবির উত্তরীয়তে জড়িয়ে যাবে বলে বলা হয়েছে?
চলতে পথে ময়না কাঁটায় কবির উত্তরীয় জড়িয়ে যাবে বলে বর্ণনা করা হয়েছে।
ইঁটেল মাটির হোঁচট লেগে কী ঘটবে বলে কবি বলেন?
ইঁটেল মাটিতে হোঁচট লেগে আঁচল থেকে ফুল ছড়িয়ে পড়বে বলে কবি কল্পনা করেন।
মালাটি কে খুঁজে পাবে বলে কবি কল্পনা করেন?
কলস ভরাতে আসা কোনো এক অজানা পল্লিবালা পথে-পাওয়া মালাটি কুড়িয়ে পাবে, ভাববে কে যেন তা রেখে গেছে।
কবি ও পল্লি-দুলাল কোথায় বসে থাকবেন বলে বলা হয়েছে?
তাঁরা দুজন ঢেউ দোলা দীঘির কোলে বসে থাকবেন বলে কবি বর্ণনা করেন।
দীঘির চারপাশে কী দেখা যাবে বলে বর্ণিত হয়েছে?
দীঘির চারপাশে বনের সারি, গাছের শাখার এলিয়ে পড়া কুন্তল-ভার (চুলের মতো ঝুলে থাকা ডালপালা) দেখা যাবে।
‘দিনের পিদীম ঢুলবে ঘুমে’ পঙক্তিটির অর্থ কী?
এই পঙক্তিতে দিনের আলো (পিদীম/প্রদীপের প্রতীকে) ধীরে ধীরে ম্লান হয়ে সন্ধ্যা নামার কাব্যিক চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
যাব আমি তোমার দেশে কবিতার শেষে চারপাশে কী বেড়া বাঁধবে বলে বলা হয়েছে?
চার ধারে বন জুড়িয়ে রাতের আঁধার বেড়া বাঁধবে, সেই কুহেলীর কালো কারায় দীঘির জলও ঘেরা পড়বে বলে কবিতা শেষ হয়।
পাঠ-পরিচিতি অনুযায়ী কবিতাটির সামগ্রিক যাত্রাপথ কেমন?
কবিতাটি দিনের বিভিন্ন মুহূর্ত (পথচলা, খেলাধুলা, দীঘিতে সাঁতার, ফুল তোলা) থেকে শুরু করে সন্ধ্যা নামা পর্যন্ত পল্লিজীবনের ধারাবাহিক, কাব্যিক চিত্রায়ণ উপস্থাপন করে।
যাব আমি তোমার দেশে কবিতায় ব্যবহৃত ভাষা ও চিত্রকল্পের মূল বৈশিষ্ট্য কী?
কবিতার ভাষা সহজ-সরল, অথচ গ্রামীণ জীবনের সূক্ষ্ম, ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য বিবরণে (দৃশ্য, ঘ্রাণ, স্পর্শ) সমৃদ্ধ, যা জসীমউদ্দীনের পল্লিকবি হিসেবে খ্যাতির সাক্ষ্য বহন করে।
অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর (খ)
যাব আমি তোমার দেশে কবিতাের চরিত্র ও মূলভাব বিষয়ক অনুধাবনমূলক প্রশ্ন
পথটিকে সরু সুতার আঁচড় ও হাবা মেয়ের সিঁথির সাথে তুলনার তাৎপর্য কী— ব্যাখ্যা করো।
এই উপমার মাধ্যমে কবি গ্রামীণ পথের আঁকাবাঁকা, সরল সৌন্দর্যকে জীবন্তভাবে তুলে ধরেছেন— কোথাও সিধা কোথাও বাঁকা এই পথই যেন গ্রামবাংলার প্রকৃতির নিজস্ব ছন্দের প্রতিরূপ।
মেঘকে কনের সাথে তুলনা করার কাব্যিক তাৎপর্য কী— ব্যাখ্যা করো।
মেঘকে মাথায় জলের ঝারি নিয়ে দাঁড়ানো কনের সাথে তুলনা করে কবি প্রকৃতির প্রতিটি উপাদানকে মানবিক, জীবন্ত রূপ দিয়েছেন, যা তাঁর অসাধারণ কল্পনাশক্তির পরিচয় দেয়।
পাড়ার দস্যি ছেলেদের সাথে খেলার আকাঙ্ক্ষার তাৎপর্য কী— ব্যাখ্যা করো।
এই আকাঙ্ক্ষা কবির মনে সুপ্ত থাকা শৈশবের সারল্য ও দুরন্তপনার প্রতি গভীর আকর্ষণ প্রকাশ করে— নাগরিক জীবনের কৃত্রিমতা থেকে মুক্তি পেয়ে গ্রামীণ শৈশবের সহজ আনন্দে ফিরে যাওয়ার আকুতি এতে নিহিত।
মাটিতে পা ফেলে ‘মাটি-মায়ের পরশ’ অনুভব করার আকাঙ্ক্ষার তাৎপর্য কী— ব্যাখ্যা করো।
এই আকাঙ্ক্ষায় মাতৃভূমির প্রতি কবির গভীর মমত্ববোধ প্রকাশ পায়— মাটিকে মায়ের সাথে তুলনা করে তিনি জন্মভূমির সাথে তাঁর আত্মিক, অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক তুলে ধরেছেন।
ফুলের মালা ঘাটে রেখে আসার এবং অজানা পল্লিবালার তা খুঁজে পাওয়ার কল্পনার তাৎপর্য কী— ব্যাখ্যা করো।
এই কল্পনার মাধ্যমে কবি প্রকৃতি ও মানুষের মধ্যে এক নিঃস্বার্থ, নিবিড় সংযোগ কল্পনা করেছেন— নিজের সৃষ্টি (মালা) কারো উপকারে আসুক এই ইচ্ছাতেই কবির উদার, নিঃস্বার্থ মানসিকতা প্রকাশ পায়।
যাব আমি তোমার দেশে কবিতার শেষে রাতের আঁধারে চারপাশ ঘিরে যাওয়ার বর্ণনার তাৎপর্য কী— ব্যাখ্যা করো।
এই বর্ণনা দিনের আনন্দময় ভ্রমণের সমাপ্তি এবং প্রকৃতির চক্রাকার, চিরন্তন ছন্দকে নির্দেশ করে— আলো থেকে অন্ধকারে উত্তরণের এই কাব্যিক চিত্র কবিতাকে একটি সম্পূর্ণ, বৃত্তাকার কাঠামো দেয়।
যাব আমি তোমার দেশে কবিতায় ব্যবহৃত ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য বিবরণ (দৃশ্য, ঘ্রাণ, স্পর্শ) কীভাবে কবিতাকে সমৃদ্ধ করেছে— ব্যাখ্যা করো।
ফুলের ঘ্রাণ, পানির স্পর্শ, দৃশ্যের বর্ণনা ইত্যাদি একাধিক ইন্দ্রিয়ের সমন্বয়ে কবি পল্লিবাংলার এক জীবন্ত, বহুমাত্রিক অভিজ্ঞতা তৈরি করেছেন, যা পাঠককে সরাসরি সেই পরিবেশে নিয়ে যায়।
কবিতাটি পল্লি-দুলালের সাথে কবির সম্পর্ককে কীভাবে চিত্রিত করে— ব্যাখ্যা করো।
পল্লি-দুলালের কাঁধে হাত রেখে উদাস বেশে ঘুরে বেড়ানোর বর্ণনায় একটি গভীর, নিবিড় বন্ধুত্বের চিত্র ফুটে ওঠে— এটি প্রকৃতির প্রতি কবির আকর্ষণকে একটি মানবিক সম্পর্কের মধ্য দিয়ে প্রকাশের কৌশল।
কবিতাটি সামগ্রিকভাবে কোন আবেগ প্রকাশ করে— ব্যাখ্যা করো।
কবিতাটি সামগ্রিকভাবে গ্রামীণ প্রকৃতি, তার সারল্য ও নির্মলতার প্রতি কবির গভীর আকর্ষণ ও তাতে বিলীন হয়ে যাওয়ার আকুল আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করে।
কবিতাটি পাঠককে কোন শিক্ষা দেয়— ব্যাখ্যা করো।
কবিতাটি শেখায়, প্রকৃতির সান্নিধ্য ও গ্রামীণ জীবনের সারল্য মানুষের মনে গভীর প্রশান্তি এনে দিতে পারে— যান্ত্রিক নাগরিক জীবনের বাইরে গিয়ে প্রকৃতির সাথে একাত্ম হওয়ার এই আকাঙ্ক্ষা প্রতিটি মানুষের হৃদয়েই থাকা উচিত।
ধান-কাউনের ক্ষেতের ভেতর দিয়ে যাওয়া পথটিকে কীসের সাথে তুলনা করা হয়েছে?
পথটিকে সরু সুতার আঁচড় এবং সরল মেয়ের এলোমাথার সিঁথির সাথে তুলনা করা হয়েছে, যা কোথাও সিধা কোথাও বাঁকা।
কবি পল্লি-দুলালের সাথে কীভাবে ফিরবেন বলে বলেন?
কবি পল্লি-দুলালের কাঁধে হাত রেখে উদাস বেশে ফেরার কথা বলেন— এক নিবিড় বন্ধুত্বের চিত্র।
কবি কীভাবে সেই ফুল সংগ্রহ করবেন?
কবি গাছের শাখা দুলিয়ে মনের আশে সেই ফুল পাড়বেন বলে বলেন।
পাঠ-পরিচিতি অনুযায়ী যাব আমি তোমার দেশে কবিতায় প্রকৃতি কীভাবে চিত্রিত হয়েছে?
পাঠ-পরিচিতি অনুযায়ী পল্লিগ্রামকে প্রকৃতি যেন ঘিরে রেখেছে— আকাশ, মাঠ, বন, দীঘি, পাখি সব মিলিয়ে এক নিবিড়, মমতাময় সহাবস্থান তৈরি হয়েছে।
এই ধরনের অভিজ্ঞতা মানুষের জীবনে কী গুরুত্ব বহন করে?
প্রকৃতির সান্নিধ্য ও গ্রামীণ সারল্যের সংস্পর্শ মানুষের মনে গভীর প্রশান্তি এনে দেয় এবং যান্ত্রিক নাগরিক জীবনের বাইরে জীবনের প্রতি এক নতুন, সমৃদ্ধ উপলব্ধি জাগিয়ে তোলে— এটাই এ ধরনের অভিজ্ঞতার প্রকৃত গুরুত্ব।
উপরের জ্ঞানমূলক ও অনুধাবনমূলক প্রশ্ন-উত্তরগুলো ভালোভাবে অনুশীলন করলে যাব আমি তোমার দেশে কবিতা থেকে সৃজনশীল প্রশ্নের ক ও খ অংশে ভালো নম্বর পাওয়া সহজ হবে।
