● Note

জীবন-সঙ্গীত কবিতার নোট | জ্ঞানমূলক ও অনুধাবনমূলক প্রশ্ন উত্তর

জীবন-সঙ্গীত কবিতার নোট | SSC বাংলা ১ম পত্রের “জীবন-সঙ্গীত” কবিতার জ্ঞানমূলক ও অনুধাবনমূলক প্রশ্ন উত্তর নিচে দেওয়া হলো। বহুনির্বাচনি প্রশ্নের জন্য জীবন-সঙ্গীত কবিতার MCQ দেখুন।

জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর (ক)

হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় ও জীবন-সঙ্গীত কবিতাের পরিচিতি বিষয়ক জ্ঞানমূলক প্রশ্ন

হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় কত খ্রিষ্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন?

তিনি ১৮৩৮ খ্রিষ্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন।

হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মস্থান কোথায়?

তাঁর জন্মস্থান হুগলি জেলার গুলিটা রাজবল্লভহাট গ্রাম।

হেমচন্দ্র কার আশ্রয়ে ইংরেজি শেখেন?

কলকাতা সংস্কৃত কলেজের অধ্যক্ষ প্রসন্নকুমার সর্বাধিকারীর আশ্রয়ে তিনি ইংরেজি শেখেন।

হেমচন্দ্র কর্মজীবনে কোন কোন পেশায় নিয়োজিত ছিলেন?

তিনি সরকারি চাকরি, শিক্ষকতা ও আইন ব্যবসায় নিয়োজিত ছিলেন।

হেমচন্দ্রের মহাকাব্যের নাম কী?

তাঁর মহাকাব্য বৃত্রসংহার।

হেমচন্দ্রের একটি কাব্যগ্রন্থের নাম লেখো।

তাঁর একটি কাব্যগ্রন্থ চিন্তাতরঙ্গিণী।

হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় কত খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন?

তিনি ১৯০৩ খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন।

হেমচন্দ্র কোথা থেকে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন?

তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন।

স্বদেশপ্রেমের অনুপ্রেরণায় হেমচন্দ্র কোন মহাকাব্য রচনা করেন?

স্বদেশপ্রেমের অনুপ্রেরণায় তিনি বৃত্রসংহার নামক মহাকাব্য রচনা করেন।

নিচের কোনটি হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাব্য নয়?

সোনার তরী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যগ্রন্থ; বাকি তিনটি হেমচন্দ্রের রচনা।

‘বৃথা জন্ম এ সংসারে’— এই ধরনের হতাশাব্যঞ্জক উক্তির বিরুদ্ধে কবি কী যুক্তি দেন?

কবি এই হতাশাবাদী দৃষ্টিভঙ্গির বিরুদ্ধে দৃঢ়ভাবে বলেন, মানব-জনমই সার, এমন সুযোগ বারবার আসে না— তাই তা বৃথা মনে করা উচিত নয়।

জীবন-সঙ্গীত কবিতাের মূল বিষয়বস্তু নিয়ে জ্ঞানমূলক প্রশ্ন

‘জীবন-সঙ্গীত’ কবিতাটি কার কবিতার ভাবানুবাদ?

এটি মার্কিন কবি হেনরি ওয়াডসওয়ার্থ লংফেলোর ‘A Psalm of Life’ কবিতার ভাবানুবাদ।

কবির মতে জীবনকে কীসের সাথে তুলনা করা উচিত নয়?

জীবনকে বৃথা বা স্বপ্নবৎ মনে করা উচিত নয়।

কবির মতে জীবনের প্রকৃত উদ্দেশ্য কী?

সংসারে থেকে দায়িত্বশীলভাবে কাজ করাই প্রকৃত উদ্দেশ্য।

কবি সময় ও জীবনকে কীসের সাথে তুলনা করেন?

কবি এদের শৈবালের নীরের (ক্ষণস্থায়ী জলবিন্দু) সাথে তুলনা করেন।

কবি জীবনকে কীসের সাথে তুলনা করেন?

কবি জীবনকে যুদ্ধক্ষেত্র (সংসার-সমরাঙ্গন) এর সাথে তুলনা করেন।

কবির মতে জীবনযুদ্ধে কী হওয়া উচিত নয়?

ভয় পাওয়া বা ভীরু হওয়া উচিত নয়।

কবির মতে অতীত ও ভবিষ্যৎ নিয়ে কী করা উচিত?

অতীতের সুখস্মৃতি বা অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ নিয়ে বিভ্রান্ত না হয়ে বর্তমানে মনোযোগী হওয়া উচিত।

মহাজ্ঞানী মহাজনদের উদাহরণ দেওয়ার উদ্দেশ্য কী?

তাদের পথ অনুসরণের মাধ্যমে পাঠককে অনুপ্রাণিত করা।

মহৎ ব্যক্তিদের কী অন্যদের পথ দেখায়?

তাদের রেখে যাওয়া পদচিহ্ন অন্যদের পথ দেখায়।

জীবন-সঙ্গীত কবিতার উপসংহারে কী আহ্বান জানানো হয়েছে?

জীবন বৃথা ক্ষয় না করে সংকল্প সাধন করে নিজ কাজে নিবেদিত থাকার আহ্বান।

‘দারা’ শব্দের অর্থ কী?

দারা অর্থ স্ত্রী।

‘সমরাঙ্গনে’ শব্দের অর্থ কী?

সমরাঙ্গনে অর্থ যুদ্ধক্ষেত্রে।

কবিতাটি ‘ভাবানুবাদ’ বলা হয় কেন?

কারণ মূল ভাব অক্ষুণ্ণ রেখে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির উপযোগী করে পুনঃসৃজন করা হয়েছে, আক্ষরিক অনুবাদ নয়।

‘জীবন-সঙ্গীত’ কবিতাটি কোন ইংরেজ কবির রচনার ভাবানুবাদ?

এটি মার্কিন কবি হেনরি ওয়াডসওয়ার্থ লংফেলোর (১৮০৭-১৮৮২) ‘A Psalm of Life’ কবিতার ভাবানুবাদ।

জীবন-সঙ্গীত কবিতার মূল বক্তব্য কী?

কবিতায় জীবনকে যুদ্ধক্ষেত্র হিসেবে দেখে সাহসী যোদ্ধার মতো সংগ্রাম করে বেঁচে থাকা এবং মহৎ ব্যক্তিদের পথ অনুসরণ করে বরণীয় হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

কবি প্রথম স্তবকে কী বলতে নিষেধ করেন?

কবি নিষেধ করেন, কাতর স্বরে যেন কেউ না বলে এই সংসারে জন্ম বৃথা, জীবন রাতের স্বপ্নের মতো।

কবির মতে ‘দারা পুত্র পরিবার’ নিয়ে কোন ধরনের ক্রন্দন করা উচিত নয়?

কবি বলেন, দারা-পুত্র-পরিবার নিয়ে ‘তুমি কার, কে তোমার’ বলে হতাশাব্যঞ্জক ক্রন্দন করা উচিত নয়, কারণ এই সম্পর্কগুলো অর্থহীন নয়।

কবির মতে মানব-জনম সম্পর্কে কী সত্য?

কবি বলেন, মানব-জনমই সার, এমন জনম আর পাওয়া যাবে না— তাই বাহ্যিক চাকচিক্যে ভুলে এই মূল্যবান জীবন নষ্ট করা উচিত নয়।

কবির মতে যত্ন করলে কী হবে?

কবি বলেন, যত্ন করলে জয় হবে, তাই মানুষের চেষ্টা (আকিঞ্চন) করা উচিত।

কবি সময় সম্পর্কে কী বলেন?

কবি বলেন, দিন যায় ক্ষণ যায়, সময় কারো নয়, তা বেগে ধায়, স্থির থাকে না।

কালের প্রভাবে কী ঘুচে যায় বলে কবি বলেন?

কবি বলেন, সহায়-সম্পদ-বল সবকিছুই কাল ঘুচিয়ে দেয়— জীবনের এই ক্ষণস্থায়ী প্রকৃতিই কবি তুলে ধরেছেন।

কবি কীসের ওপর ভবিষ্যতে ভরসা করতে নিষেধ করেন?

কবি বলেন, অন্ধকারে মনোহর মূর্তি দেখে (অস্পষ্ট কল্পনায়) ভবিষ্যতের ওপর ভরসা করা উচিত নয়।

অতীত সুখের দিন নিয়ে কবি কী উপদেশ দেন?

কবি বলেন, অতীত সুখের দিনের কথা পুনরায় ডেকে এনে চিন্তা করে কাতর হওয়া উচিত নয়— বরং বর্তমানে মনোযোগী হওয়া উচিত।

কবি নিজেদের সম্পর্কে কী আশা প্রকাশ করেন?

কবি আশা প্রকাশ করেন, মহাজনদের পথ লক্ষ্য করে নিজেদের কীর্তির ধ্বজা ধরে আমরাও বরণীয় হব।

কবি ‘পদাঙ্ক অঙ্কিত করা’ বলতে কী বোঝাতে চেয়েছেন?

সমর-সাগর-তীরে পদাঙ্ক অঙ্কিত করে অমর হওয়া বলতে কবি বোঝান, এমন মহৎ কীর্তি রেখে যাওয়া যা অনুসরণ করে পরবর্তী মানুষ যশোদ্বারে পৌঁছাতে পারবে।

কবির শেষ উপদেশ কী?

কবি শেষে উপদেশ দেন, যে সংকল্প করা হয়েছে তা সাধন করতে হবে, নিজ নিজ কাজে রত থেকে।

পাঠ-পরিচিতি অনুযায়ী জীবন-সঙ্গীত কবিতায় কোন দার্শনিক অবস্থানের বিরোধিতা করা হয়েছে?

পাঠ-পরিচিতি অনুযায়ী কবি মনে করেন বৈরাগ্যে (সংসার ত্যাগে) মুক্তি নেই, তাই সংসারে থেকেই দায়িত্ব পালন করা উচিত।

কবিতাটি জীবনের প্রতি কোন দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে?

কবিতাটি জীবনের প্রতি একটি ইতিবাচক, কর্মমুখী ও সংগ্রামী দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে— জীবন সংক্ষিপ্ত হলেও তা অর্থবহ করে তোলার আহ্বান জানায়।

উদ্দীপকের ভাব ‘জীবন-সঙ্গীত’ কবিতার কোন ভাবের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ?

উদ্দীপকে যেমন বৈরাগ্যের বদলে সাংসারিক বন্ধনের মধ্যেই মুক্তির স্বাদ খোঁজার কথা বলা হয়েছে, ‘জীবন-সঙ্গীত’ কবিতাতেও সংসারে থেকে কর্মের মাধ্যমে জীবনের সার্থকতা খোঁজার একই আহ্বান প্রকাশ পেয়েছে।

জীবন-সঙ্গীত কবিতায় ‘জীবাত্মা অনিত্য নয়’ বলে কবি কী বোঝাতে চান?

আত্মা অনিত্য নয় বলে কবি বোঝাতে চান আত্মা স্থায়ী বা চিরন্তন— তাই মানুষের উচিত যত্ন ও চেষ্টার মাধ্যমে জীবনে সাফল্য অর্জনের চেষ্টা করা।

জীবন-সঙ্গীত কবিতায় ‘ভবের উন্নতি’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

ভবের উন্নতি বলতে জাগতিক বা সাংসারিক দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের মাধ্যমে সমষ্টিগত কল্যাণ সাধনকে বোঝানো হয়েছে।

অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর (খ)

জীবন-সঙ্গীত কবিতাের চরিত্র ও মূলভাব বিষয়ক অনুধাবনমূলক প্রশ্ন

কবি কেন জীবনকে বৃথা বা স্বপ্নবৎ মনে করতে নিষেধ করেন— ব্যাখ্যা করো।

কবি মনে করেন মানব-জনম অত্যন্ত মূল্যবান, তাই একে নিরাশাবাদী বা অর্থহীন মনে করলে মানুষ কর্মবিমুখ হয়ে পড়ে। জীবনকে ইতিবাচক ও কর্মমুখী দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখাই কবির মূল বার্তা।

শৈবালের নীরের উপমাটির তাৎপর্য কী— ব্যাখ্যা করো।

এই উপমার মাধ্যমে কবি জীবনের ক্ষণস্থায়িত্ব তুলে ধরেন— শৈবালের ওপর জমা জলবিন্দু যেমন দ্রুত শুকিয়ে যায়, তেমনি জীবনও ক্ষণস্থায়ী, তাই তা দ্রুত সদ্ব্যবহার করা প্রয়োজন।

জীবনকে যুদ্ধক্ষেত্রের সাথে তুলনার তাৎপর্য কী— ব্যাখ্যা করো।

এই উপমার মাধ্যমে কবি বোঝান জীবনে প্রতিনিয়ত বাধা-বিপত্তি ও প্রতিকূলতার সম্মুখীন হতে হয়, যেমন যোদ্ধাকে যুদ্ধক্ষেত্রে হতে হয়— ভয় না পেয়ে দৃঢ়পণে এই যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়াই প্রকৃত মহিমা অর্জনের পথ।

অতীত ও ভবিষ্যৎ নিয়ে বিভ্রান্ত না হয়ে বর্তমানে মনোযোগী হওয়ার পরামর্শের তাৎপর্য কী— ব্যাখ্যা করো।

কবি মনে করেন অতীতের সুখস্মৃতি বা ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তা নিয়ে চিন্তিত থাকলে বর্তমান মুহূর্তের কর্মক্ষমতা নষ্ট হয়— তাই বর্তমানে মনোনিবেশ করে সক্রিয়ভাবে জীবনযাপন করাই সঠিক পথ।

মহাজ্ঞানী মহাজনদের পদচিহ্নের উপমার তাৎপর্য কী— ব্যাখ্যা করো।

মহৎ ব্যক্তিরা তাদের কর্মের মাধ্যমে যে দৃষ্টান্ত রেখে যান, তা পরবর্তী প্রজন্মের জন্য পথনির্দেশক (পদচিহ্ন) হিসেবে কাজ করে— এভাবে একজনের মহৎ কর্ম অন্যদেরও অনুপ্রাণিত করে চলমান রাখে।

কবিতাটি কীভাবে পাঠকের মধ্যে ইতিবাচক জীবনদর্শন তৈরি করে— ব্যাখ্যা করো।

হতাশা ও নিষ্ক্রিয়তা পরিহার করে সাহসিকতার সাথে জীবনযুদ্ধে অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়ে কবিতাটি পাঠকের মনে কর্মমুখী, আশাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করে, যা যেকোনো প্রতিকূলতা মোকাবিলায় সহায়ক।

কবিতাটিকে ‘আক্ষরিক অনুবাদ’ না বলে ‘ভাবানুবাদ’ বলার কারণ কী— ব্যাখ্যা করো।

ভাবানুবাদ মানে মূল রচনার ভাব ও বক্তব্য অক্ষুণ্ণ রেখে তা লক্ষ্যভাষা ও সংস্কৃতির উপযোগী করে নতুনভাবে প্রকাশ করা— হেমচন্দ্র এই পদ্ধতিতেই লংফেলোর কবিতাকে বাংলা ভাষা ও ভাবের ছাঁচে ঢেলেছেন, শব্দে শব্দে অনুবাদ করেননি।

জীবন-সঙ্গীত কবিতায় বর্ণিত সাহসিকতা ও মহিমা অর্জনের সম্পর্ক কী— ব্যাখ্যা করো।

কবির মতে সাহসিকতার সাথে জীবনযুদ্ধে অংশগ্রহণ করলেই মানুষ জগতে দুর্লভ মহিমা অর্জন করতে পারে, ভীরুতায় তা সম্ভব নয়— অর্থাৎ প্রকৃত সাফল্যের জন্য সাহস ও দৃঢ়তা অপরিহার্য।

কবিতাটি কীভাবে একটি সর্বজনীন জীবনদর্শনের প্রতিনিধিত্ব করে— ব্যাখ্যা করো।

যদিও এটি একটি নির্দিষ্ট বিদেশি কবিতার অনুবাদ, এর মূল বার্তা— সাহসিকতা, কর্মমুখীতা ও ইতিবাচক জীবনযাপন— যেকোনো সংস্কৃতি ও যুগের মানুষের জন্য প্রযোজ্য, যা একে একটি সর্বজনীন জীবনদর্শনে পরিণত করেছে।

কবিতাটি পাঠককে কোন শিক্ষা দেয়— ব্যাখ্যা করো।

কবিতাটি শেখায়, জীবনকে নেতিবাচকভাবে না দেখে সাহসিকতার সাথে মোকাবিলা করা উচিত, বর্তমানে মনোযোগী থেকে মহৎ কর্মে নিবেদিত থাকা উচিত, এবং মহান ব্যক্তিদের আদর্শ অনুসরণ করে নিজেদেরও বরণীয় হওয়ার চেষ্টা করা উচিত।

কবি মানুষকে সংসারে কীভাবে বাস করতে বলেন?

কবি বলেন, সংসারে সংসারীর মতো সেজে নিত্য নিজ কাজ করা উচিত, যাতে জাগতিক উন্নতি হয়।

মহাজ্ঞানী মহাজনেরা কীভাবে ‘প্রাতঃস্মরণীয়’ হয়েছেন বলে কবি বলেন?

মহাজ্ঞানী মহাজনেরা যে পথে গমন করেছেন, সেই পথ অনুসরণ করেই তাঁরা প্রাতঃস্মরণীয় (সকলের শ্রদ্ধার পাত্র) হয়েছেন।

কবি কেন মানুষকে ভয়ে ভীত না হতে বলেন?

কবির মতে সাহসিকতার সাথে জীবনযুদ্ধে অংশগ্রহণ করলেই মানুষ জগতে দুর্লভ মহিমা অর্জন করতে পারে, ভীরুতায় তা সম্ভব নয়।

উপরের জ্ঞানমূলক ও অনুধাবনমূলক প্রশ্ন-উত্তরগুলো ভালোভাবে অনুশীলন করলে জীবন-সঙ্গীত কবিতা থেকে সৃজনশীল প্রশ্নের ক ও খ অংশে ভালো নম্বর পাওয়া সহজ হবে।

আরও পড়ুন

SSC বাংলা ১ম পত্র-এর সব পোস্ট

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সাহায্য লাগবে?
BCS Journey Support
● Online
×
💬Messenger ✈Telegram
BCS JOURNEY
BCS Journey
চ্যাট শুরু করুন ➜