সাহিত্যের রূপ ও রীতি প্রবন্ধের নোট | SSC বাংলা ১ম পত্রের “সাহিত্যের রূপ ও রীতি” প্রবন্ধের জ্ঞানমূলক ও অনুধাবনমূলক প্রশ্ন উত্তর নিচে দেওয়া হলো। বহুনির্বাচনি প্রশ্নের জন্য সাহিত্যের রূপ ও রীতি প্রবন্ধের MCQ দেখুন।
জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর (ক)
হায়াৎ মামুদ ও সাহিত্যের রূপ ও রীতি প্রবন্ধের পরিচিতি বিষয়ক জ্ঞানমূলক প্রশ্ন
হায়াৎ মামুদ কত খ্রিষ্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন?
তিনি ১৯৩৯ খ্রিষ্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন।
হায়াৎ মামুদের জন্মস্থান কোথায়?
তাঁর জন্মস্থান পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার মৌড়া গ্রাম।
হায়াৎ মামুদ কোন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন?
তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।
হায়াৎ মামুদ কোন কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেন?
তিনি চট্টগ্রাম ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেন।
হায়াৎ মামুদ কোন পুরস্কারে ভূষিত হন?
তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কারে ভূষিত হন।
হায়াৎ মামুদের সাহিত্যজীবন কী দিয়ে শুরু হয়?
কবিতা ও গল্প লেখা দিয়ে তাঁর সাহিত্যজীবন শুরু হলেও পরবর্তীতে তিনি গবেষণা ও প্রবন্ধ সাহিত্যে খ্যাতি লাভ করেন।
নিচের কোনটি হায়াৎ মামুদের গ্রন্থ নয়?
পথের পাঁচালী বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের রচনা; বাকি তিনটি হায়াৎ মামুদের রচনা।
কমেডির কৌতুক কোন অসংগতি থেকে জন্ম নেয় বলে এরিস্টটল মনে করেন?
এই কৌতুকের জন্ম ইচ্ছার সাথে বাস্তব অবস্থার, আকাঙ্ক্ষার সাথে প্রাপ্তিযোগের, বা কথার সাথে কাজের অসংগতির মধ্যে।
সাহিত্যের রূপ ও রীতি প্রবন্ধের মূল বিষয়বস্তু নিয়ে জ্ঞানমূলক প্রশ্ন
প্লট বলতে কী বোঝায়?
প্লট বলতে গল্প, উপন্যাস বা নাটকের কাহিনি অংশ বোঝায়।
এক অঙ্কের নাটককে কী বলা হয়?
এক অঙ্কের নাটককে একাঙ্কিকা বলা হয়।
দৃশ্যকাব্য কী?
দৃশ্যকাব্য (যেমন নাটক) অভিনয়ের মাধ্যমে দেখানোর জন্য রচিত কাব্য।
শ্রব্যকাব্য কী?
শ্রব্যকাব্য পড়া ও শোনার জন্য রচিত কাব্য।
বাংলা ভাষায় মহাকাব্যের চূড়ান্ত সফল রূপ কে প্রকাশ করেন?
মাইকেল মধুসূদন দত্ত মেঘনাদ-বধ কাব্যে এই সফল রূপ প্রকাশ করেন।
বাংলা সাহিত্যে গীতিসাহিত্যের রূপ ও রীতি কবিতার আদি নিদর্শন কী?
বৈষ্ণব কবিতাবলি গীতিকবিতার আদি নিদর্শন।
বিশ্বসাহিত্যে সাহিত্যের কোন শাখা সর্বাপেক্ষা প্রাচীন?
নাটক সর্বাপেক্ষা প্রাচীন শাখা।
বাংলা সাহিত্যের রূপ ও রীতি নাটকের ক্ষেত্রে প্রথম যুগান্তকারী প্রতিভা কারা?
মাইকেল মধুসূদন দত্ত ও দীনবন্ধু মিত্র।
দীনবন্ধু মিত্রের শ্রেষ্ঠ সামাজিক নাটক কোনটি?
তাঁর শ্রেষ্ঠ সামাজিক নাটক নীলদর্পণ।
ছোটসাহিত্যের রূপ ও রীতি গল্পের প্রকৃতি সম্পর্কে রবীন্দ্রনাথের কোন পঙক্তি প্রামাণ্য ব্যাখ্যা হিসেবে গণ্য?
‘শেষ হয়ে হইল না শেষ’ পঙক্তিটি প্রামাণ্য ব্যাখ্যা হিসেবে গণ্য।
বাংলা ভাষায় প্রথম সার্থক ও কালজয়ী ঔপন্যাসিক কে?
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় প্রথম সার্থক ও কালজয়ী ঔপন্যাসিক।
উপন্যাসের প্রধান উপজীব্য কী?
উপন্যাসের প্রধান উপজীব্য প্লট।
সাহিত্যের রূপ ও রীতি প্রবন্ধের দুটি মুখ্য শ্রেণিবিভাগ কী কী?
তন্ময় (বস্তুনিষ্ঠ) ও মন্ময় (ব্যক্তিনিষ্ঠ) প্রবন্ধ।
‘বেল্ লেত্র্’ শব্দের বাংলা প্রতিশব্দ হিসেবে লেখক কী প্রস্তাব করেছেন?
লেখক ‘চারুকথন’ শব্দটি প্রস্তাব করেছেন।
রবীন্দ্রনাথের কোন গ্রন্থের সব রচনা মন্ময় সাহিত্যের রূপ ও রীতি প্রবন্ধের পর্যায়ভুক্ত?
তাঁর ‘বিচিত্র প্রবন্ধ’ গ্রন্থের সব রচনা মন্ময় প্রবন্ধের পর্যায়ভুক্ত।
সাহিত্যের রূপ ও রীতি কবিতার প্রধান দুটি রূপভেদ কী কী?
কবিতার প্রধান দুটি রূপভেদ হলো মহাকাব্য ও গীতিকবিতা।
ভারতবর্ষ উপমহাদেশের সর্বপ্রাচীন দুটি মহাকাব্য কী কী?
ভারতবর্ষ উপমহাদেশের সর্বপ্রাচীন দুটি কাহিনি হলো রামায়ণ ও মহাভারত।
‘যা নেই ভারতে তা নেই ভারতে’— এই প্রবাদের অর্থ কী?
এর অর্থ, মহাভারত গ্রন্থে যা নেই তা ভারতবর্ষেও নেই— অর্থাৎ মহাভারত জীবনের সর্বাঙ্গীণ বিস্তৃত এক আখ্যান।
রামায়ণের মূল কাহিনি কী নিয়ে?
পত্নী সীতাকে রাবণ কর্তৃক অপহরণের পর তাঁকে উদ্ধারের জন্য রাম ও রাবণের মধ্যে যে যুদ্ধ হয়, সেটিই রামায়ণ-কথা।
মহাকাব্যের মূল বৈশিষ্ট্য কী?
মহাকাব্য হলো অতিশয় দীর্ঘ কাহিনি-কবিতা, যার মূল লক্ষ্য গল্প বলা হলেও তা পদ্যে লিখতে হয়।
সাহিত্যের রূপ ও রীতি নাটকের মূল লক্ষ্য কারা?
নাটক পুস্তকাকারে পড়ার জন্য নয়, অভিনীত হওয়ার জন্য রচিত; তাই নাটকের লক্ষ্য সর্বকালেই দর্শকসমাজ।
সংস্কৃত আলঙ্কারিকদের মতে কাব্য কয় প্রকার?
সংস্কৃত আলঙ্কারিকদের মতে কাব্য দুই প্রকার— দৃশ্যকাব্য ও শ্রব্যকাব্য।
নাটক প্রধানত কোন ধরনের কাব্য?
নাটক প্রধানত দৃশ্যকাব্য, কারণ তা অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শনযোগ্য না হলে নাট্যরচনার উদ্দেশ্যই ব্যর্থ হয়।
নাটক সাধারণত কয় অঙ্কে বিভক্ত থাকে?
নাটক সচরাচর পাঁচ অঙ্কে বিভক্ত থাকে— প্রারম্ভ, প্রবাহ, উৎকর্ষ (Climax), গ্রন্থিমোচন ও উপসংহার।
কাহিনির পরিণতির দিক থেকে নাটককে কয় ভাগে ভাগ করা যায়?
কাহিনির পরিণতির দিক থেকে নাটককে ট্র্যাজেডি, কমেডি ও প্রহসন— এই তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
এরিস্টটলের মতে ট্র্যাজেডি কী?
এরিস্টটলের মতে, নায়ক-নায়িকার জীবনকাহিনির দৃশ্যপরম্পরার মাধ্যমে যে নাটক দর্শকের ভয় ও করুণা প্রশমিত করে করুণ রসের আনন্দ সৃষ্টি করে, তাই ট্র্যাজেডি।
বাংলা ভাষায় সর্বপ্রথম ট্র্যাজেডি, কমেডি ও প্রহসন কার লেখনীতে সৃষ্টি হয়?
মাইকেলের লেখনীতেই সর্বপ্রথম ট্র্যাজেডি, কমেডি ও প্রহসন বাংলা ভাষায় সৃষ্টি হয়।
নীলদর্পণ নাটকটি কী নিয়ে রচিত?
টীকা অনুযায়ী নীলদর্পণ ব্রিটিশদের হুকুমে বাধ্যতামূলক নীলচাষ করানোর সমালোচনা করে রচিত হয়েছিল।
বাংলা সাহিত্যে ‘ছোটগল্প’ শব্দটি ব্যবহৃত হচ্ছে কত বছরের বেশি নয় বলে সাহিত্যের রূপ ও রীতি প্রবন্ধে উল্লেখ আছে?
প্রবন্ধ অনুযায়ী বাংলা সাহিত্যে ‘ছোটগল্প’ শব্দটি ব্যবহৃত হচ্ছে চল্লিশ-পঞ্চাশ বৎসরের বেশি নয়; তার আগে শুধু ‘গল্প’ বলা হতো।
সাহিত্যের বিভিন্ন শাখার মধ্যে বয়সে সর্বকনিষ্ঠ কোনটি?
সাহিত্যের যত শাখা আছে তার মধ্যে ছোটগল্পই বয়সে সর্বকনিষ্ঠ।
বাংলা ভাষায় সার্থক ছোটগল্পকারের অনন্য দৃষ্টান্ত কে?
প্রবন্ধ অনুযায়ী বাংলা ভাষায় সার্থক ছোটগল্পকারের অনন্য দৃষ্টান্ত রবীন্দ্রনাথ।
উপন্যাস সাধারণত কোন ভাষায় লিখিত হয়?
উপন্যাস রচিত হয় গদ্যভাষায়— এই তথ্য প্রবন্ধে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলা হয়েছে।
মধ্যযুগে ছন্দে রচিত কাহিনিমূলক রচনাকে কী বলা হতো?
মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যগুলো ছন্দে রচিত হওয়ায় তাদের উপন্যাস না বলে কাব্যই বলা হতো।
বঙ্কিমচন্দ্র কীসের দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে উপন্যাস সাহিত্যের রূপ ও রীতি রচনায় হাত দেন?
ইংরেজি উপন্যাস পাঠ করে অনুপ্রাণিত হয়ে বঙ্কিমচন্দ্র উপন্যাস রচনায় হাত দেন।
নিচের কোনটি বঙ্কিমচন্দ্রের উপন্যাস নয়?
চতুষ্কোণ মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস; বাকি তিনটি বঙ্কিমচন্দ্রের রচনা।
বঙ্কিমচন্দ্রের পরে মহৎ ঔপন্যাসিক বলতে প্রধানত কাদের বোঝানো হয়?
বঙ্কিমচন্দ্রের পরে মহৎ ঔপন্যাসিক বলতে প্রধানত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে বোঝানো হয়।
শুধু তথ্যবহুল রচনা হলেই তাকে প্রবন্ধসাহিত্য বলা যায় কি?
গদ্যসাহিত্যের অন্তর্গত হলেও তথ্যবহুল রচনা হলেই প্রবন্ধসাহিত্য বলা যায় না, যদি না তাতে লেখকের সৃজনী শক্তির পরিচয় থাকে।
খবরের কাগজে প্রকাশিত সব লেখাকে প্রবন্ধসাহিত্যের নমুনা হিসেবে গণ্য না করার কারণ কী?
সৃজনশীলতার অভাবের কারণেই সংবাদপত্রের সব লেখাকে প্রবন্ধসাহিত্যের নমুনা হিসেবে গণ্য করা সংগত নয়।
সাহিত্যের চিরন্তন উদ্দেশ্য কী, যা প্রবন্ধেরও উদ্দেশ্য?
সাহিত্যের চিরন্তন উদ্দেশ্য সৌন্দর্যসৃষ্টি ও আনন্দদান, প্রবন্ধেরও একই উদ্দেশ্য।
রবীন্দ্রনাথের অধিকাংশ প্রবন্ধ কোন শ্রেণির?
রবীন্দ্রনাথের অধিকাংশ প্রবন্ধ মন্ময় প্রবন্ধের পর্যায়ভুক্ত।
‘প্লট’ শব্দের অর্থ কী?
টীকা অনুযায়ী প্লট বলতে গল্প, উপন্যাস বা নাটকের কাহিনি অংশকে বোঝানো হয়।
‘একাঙ্কিকা’ কাকে বলা হয়?
টীকা অনুযায়ী এক অঙ্কের নাটককে একাঙ্কিকা বলা হয়।
অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর (খ)
সাহিত্যের রূপ ও রীতি প্রবন্ধের চরিত্র ও মূলভাব বিষয়ক অনুধাবনমূলক প্রশ্ন
‘রূপ’ ও ‘রীতি’ শব্দের মধ্যে পার্থক্য কী— ব্যাখ্যা করো।
‘রূপ’ বলতে সাহিত্যের বিভিন্ন শাখা (কবিতা, নাটক, উপন্যাস ইত্যাদি) বোঝায়, আর ‘রীতি’ বলতে সেই শাখাগুলো কীভাবে নির্মিত হয়েছে তার পদ্ধতি ও কৌশল বোঝায়— এই দুটি ধারণার সমন্বয়েই প্রবন্ধের মূল আলোচনা গড়ে উঠেছে।
মহাকাব্য ও গীতিসাহিত্যের রূপ ও রীতি কবিতার মধ্যে মূল পার্থক্য কী— ব্যাখ্যা করো।
মহাকাব্য অতিশয় দীর্ঘ কাহিনি-কবিতা যা পদ্যে গল্প বলে, যেমন মেঘনাদ-বধ কাব্য; গীতিকবিতা সংক্ষিপ্ত, অনুভূতিপ্রধান, যার আদি নিদর্শন বৈষ্ণব কবিতাবলি— এই দুটি কবিতার প্রধান দুই রূপভেদ।
নাটককে কেন দৃশ্যকাব্য বলা হয়— ব্যাখ্যা করো।
নাটক অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শনযোগ্য না হলে নাট্যরচনার উদ্দেশ্যই ব্যর্থ হয়, কারণ নাটকের মূল লক্ষ্য দর্শকসমাজ, পাঠক নয়— এই কারণেই নাটককে দৃশ্যকাব্য বলা হয়।
ছোটগল্প ও উপন্যাসের মধ্যে মূল পার্থক্য কী— ব্যাখ্যা করো।
ছোটগল্প জীবনের কোনো একটি দিক বা মুহূর্ত প্রকাশ করে, কাহিনির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত বলে না; উপন্যাস জীবনের সামগ্রিকতা প্রকাশ করতে চায় এবং প্লট-নির্ভর— এই মৌলিক পার্থক্যই দুটি সাহিত্যরূপকে আলাদা করে।
‘শেষ হয়ে হইল না শেষ’ পঙক্তিটি ছোটগল্প সম্পর্কে কী বোঝায়— ব্যাখ্যা করো।
এই পঙক্তির মধ্য দিয়ে বোঝানো হয়েছে, ছোটগল্প কখনোই কাহিনির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত বলে না, যেমনটা উপন্যাসে ঘটে— একটি মুহূর্ত বা আভাস দিয়েই তা শেষ হয়ে যায়, যা পাঠকের কল্পনার জন্য জায়গা রাখে।
তন্ময় ও মন্ময় সাহিত্যের রূপ ও রীতি প্রবন্ধের মধ্যে পার্থক্য কী— ব্যাখ্যা করো।
তন্ময় প্রবন্ধ বস্তুনিষ্ঠ, যেখানে লেখকের পাণ্ডিত্য-বুদ্ধি-জ্ঞানের পরিচয় মুখ্য হয়ে ওঠে; মন্ময় প্রবন্ধে লেখকের মেধাশক্তির চেয়ে তাঁর ব্যক্তিহৃদয়ই প্রধান হয়ে ওঠে— এই দুই শ্রেণির মধ্য দিয়ে প্রবন্ধ সাহিত্যের বৈচিত্র্য প্রকাশ পায়।
উপন্যাস কেন বহু ধরনের হতে পারে বলে লেখক উল্লেখ করেন— ব্যাখ্যা করো।
লেখক বলেন উপন্যাস ঐতিহাসিক, সামাজিক, কাব্যধর্মী, ডিটেকটিভ, মনোবিশ্লেষণধর্মী ইত্যাদি বহু রকমের হতে পারে, কারণ এটি জীবনের সামগ্রিকতা ও বৈচিত্র্যময় দিক তুলে ধরার সক্ষমতা রাখে।
‘রম্য রচনা’ ও ‘বেল্ লেত্র্’ (মন্ময় প্রবন্ধ) কেন এক জিনিস নয়— ব্যাখ্যা করো।
‘রম্য’ শব্দের মধ্যে ইঙ্গিত থাকে বিষয়টি গুরুগম্ভীর নয়, কিন্তু মন্ময় প্রবন্ধের বিষয় খুবই গুরুগম্ভীর হতে পারে, শুধু প্রকাশভঙ্গি হালকা রাখা হয়— এই সূক্ষ্ম পার্থক্যের কারণেই দুটো একজাতীয় নয়।
প্রবন্ধটি কীভাবে বাংলা ও বিশ্বসাহিত্যের তুলনামূলক আলোচনা উপস্থাপন করে— ব্যাখ্যা করো।
লেখক প্রতিটি সাহিত্যরূপ আলোচনায় বাংলা সাহিত্যের উদাহরণের পাশাপাশি বিশ্বসাহিত্যের (রামায়ণ, মহাভারত, অ্যারিস্টটল) উদাহরণও তুলে ধরেছেন, যা প্রবন্ধকে একটি বিস্তৃত, তুলনামূলক দৃষ্টিভঙ্গি প্রদান করে।
প্রবন্ধটি পাঠককে কোন শিক্ষা দেয়— ব্যাখ্যা করো।
প্রবন্ধটি সাহিত্যের বিভিন্ন রূপ ও রীতি সম্পর্কে সুস্পষ্ট, সুসংহত ধারণা প্রদান করে, যা পাঠককে সাহিত্য পাঠে আরও গভীর ও বিশ্লেষণধর্মী দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে অগ্রসর হতে সাহায্য করে।
উপরের জ্ঞানমূলক ও অনুধাবনমূলক প্রশ্ন-উত্তরগুলো ভালোভাবে অনুশীলন করলে সাহিত্যের রূপ ও রীতি প্রবন্ধ থেকে সৃজনশীল প্রশ্নের ক ও খ অংশে ভালো নম্বর পাওয়া সহজ হবে।
