সাহিত্যের রূপ ও রীতি প্রবন্ধের MCQ | SSC বাংলা ১ম পত্রের “সাহিত্যের রূপ ও রীতি” প্রবন্ধ থেকে বোর্ড পরীক্ষায় নিয়মিত প্রশ্ন আসে। এই পোস্টে প্রবন্ধের সারকথা ও ৫৭টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন (MCQ) উত্তর ও ব্যাখ্যাসহ দেওয়া হলো। জ্ঞানমূলক ও অনুধাবনমূলক প্রশ্নের জন্য সাহিত্যের রূপ ও রীতি প্রবন্ধের নোট দেখুন।
সাহিত্যের রূপ ও রীতি প্রবন্ধের সারকথা ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
সাহিত্যের রূপ ও রীতি প্রবন্ধের লেখক কে?
হায়াৎ মামুদ (জন্ম ২ জুলাই ১৯৩৯, মৌড়া, হুগলি)। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় সম্মান-স্নাতকোত্তর, চট্টগ্রাম ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা। অর্ধশতাধিক গ্রন্থের রচয়িতা, বাংলা একাডেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত।
সাহিত্যের রূপ ও রীতি প্রবন্ধের উৎস
সাহিত্যের বিভিন্ন রূপ ও রীতি নিয়ে রচিত একটি তথ্যবহুল, বিশ্লেষণাত্মক প্রবন্ধ।
প্রবন্ধের মূল বিষয়বস্তু
- **সাহিত্যের রূপ ও রীতি** — রূপ মানে সাহিত্যের শাখা, রীতি মানে সেই শাখা নির্মাণের পদ্ধতি।
- **কবিতা** — মহাকাব্য (দীর্ঘ কাহিনি-কবিতা, যেমন মেঘনাদ-বধ কাব্য, রামায়ণ, মহাভারত) ও গীতিকবিতা (সংক্ষিপ্ত, অনুভূতিপ্রধান, আদি নিদর্শন বৈষ্ণব কবিতাবলি)।
- **নাটক** — বিশ্বসাহিত্যের প্রাচীনতম শাখা, দৃশ্যকাব্য, পাঁচ অঙ্কে বিভক্ত, ট্র্যাজেডি-কমেডি-প্রহসনে বিভক্ত; বাংলায় পথিকৃৎ মাইকেল মধুসূদন দত্ত ও দীনবন্ধু মিত্র (নীলদর্পণ)।
- **ছোটগল্প** — সাহিত্যের কনিষ্ঠতম শাখা, কাহিনির আংশিক উপস্থাপন (‘শেষ হয়ে হইল না শেষ’), রবীন্দ্রনাথ শ্রেষ্ঠ দৃষ্টান্ত।
- **উপন্যাস** — গদ্যে রচিত, প্লট-নির্ভর, বঙ্কিমচন্দ্র প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক, পরে রবীন্দ্রনাথ ও শরৎচন্দ্র; বহু উপ-ধরন (ঐতিহাসিক, সামাজিক, মনোবিশ্লেষণধর্মী ইত্যাদি)।
- **প্রবন্ধ** — গদ্যে রচিত, সৃজনশীলতা আবশ্যক; তন্ময় (বস্তুনিষ্ঠ) ও মন্ময় (ব্যক্তিনিষ্ঠ/বেল্ লেত্র্/চারুকথন) দুই শ্রেণি।
সাহিত্যের রূপ ও রীতি প্রবন্ধের মূল ভাব কী?
বাংলা ও বিশ্বসাহিত্যের আলোকে সাহিত্যের বিভিন্ন রূপ, রীতি ও বৈচিত্র্য সম্পর্কে সুসংহত ধারণা প্রদান, যা পাঠকদের সাহিত্যপাঠে আরও গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করে।
সাহিত্যের রূপ ও রীতি প্রবন্ধের গুরুত্বপূর্ণ শব্দার্থ
প্লট (কাহিনি অংশ), একাঙ্কিকা (এক অঙ্কের নাটক), দৃশ্যকাব্য (অভিনয়যোগ্য কাব্য/নাটক), শ্রব্যকাব্য (পাঠ্য কাব্য), তন্ময় প্রবন্ধ (বস্তুনিষ্ঠ), মন্ময় প্রবন্ধ (ব্যক্তিনিষ্ঠ), বেল্ লেত্র্/চারুকথন (সুন্দর ব্যক্তিগত রচনা)।
লেখক পরিচিতি বিষয়ক MCQ
১। হায়াৎ মামুদ কত খ্রিষ্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন?
- ক. ১৯৪০
- খ. ১৯৩৮
- গ. ১৯৩৭
- ঘ. ১৯৩৯
উত্তর: ঘ। তিনি ২রা জুলাই, ১৯৩৯ খ্রিষ্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন।
২। হায়াৎ মামুদের জন্মস্থান কোথায়?
- ক. মৌড়া, হুগলি, পশ্চিমবঙ্গ
- খ. ঢাকা
- গ. ময়মনসিংহ
- ঘ. রাজশাহী
উত্তর: ক। পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার মৌড়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
৩। হায়াৎ মামুদ কোন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন?
- ক. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
- খ. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
- গ. জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
- ঘ. চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর: খ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি বাংলা বিষয়ে সম্মানসহ স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।
৪। কর্মজীবনে হায়াৎ মামুদ কোন কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেন?
- ক. চট্টগ্রাম ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
- খ. ঢাকা ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
- গ. খুলনা ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়
- ঘ. সিলেট ও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর: ক। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেন।
৫। হায়াৎ মামুদের সাহিত্যজীবন কী দিয়ে শুরু হয়?
- ক. কবিতা ও গল্প লেখা দিয়ে
- খ. উপন্যাস রচনা দিয়ে
- গ. নাটক রচনা দিয়ে
- ঘ. অনুবাদ দিয়ে
উত্তর: ক। কবিতা ও গল্প লেখা দিয়ে তাঁর সাহিত্যজীবন শুরু হলেও পরবর্তীতে তিনি গবেষণা ও প্রবন্ধ সাহিত্যে খ্যাতি লাভ করেন।
৬। নিচের কোনটি হায়াৎ মামুদের গ্রন্থ নয়?
- ক. পথের পাঁচালী
- খ. বাঙালি বলিয়া লজ্জা নাই
- গ. কিশোর বাংলা অভিধান
- ঘ. স্বগত সংলাপ
উত্তর: ক। পথের পাঁচালী বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের রচনা; বাকি তিনটি হায়াৎ মামুদের রচনা।
৭। হায়াৎ মামুদ কোন পুরস্কারে ভূষিত হন?
- ক. স্বাধীনতা পুরস্কার
- খ. একুশে পদক
- গ. বাংলা একাডেমি পুরস্কার
- ঘ. জাতীয় অধ্যাপক সম্মাননা
উত্তর: গ। সাহিত্যক্ষেত্রে তাৎপর্যপূর্ণ অবদানের জন্য তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কারে ভূষিত হন।
সাহিত্যের রূপ ও রীতি প্রবন্ধের বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর (MCQ)
৮। প্রবন্ধ অনুযায়ী সাহিত্যের ‘রূপ’ বলতে কী বোঝায়?
- ক. সাহিত্যের ভাষারীতি
- খ. সাহিত্যের বিভিন্ন শাখা (কবিতা, নাটক, উপন্যাস)
- গ. সাহিত্যের প্রকাশকাল
- ঘ. সাহিত্যিকের জীবনী
উত্তর: খ। ‘রূপ’ বলতে সাহিত্যের বিভিন্ন শাখা বোঝানো হয়— কবিতা, মহাকাব্য, নাটক, কাব্যনাট্য, ছোটগল্প, উপন্যাস, রম্যরচনা ইত্যাদি।
৯। প্রবন্ধ অনুযায়ী সাহিত্যের ‘রীতি’ বলতে কী বোঝায়?
- ক. লেখকের জীবনযাত্রা
- খ. পাঠকের রুচি
- গ. সাহিত্যের প্রকাশনার নিয়ম
- ঘ. শাখাগুলো কীভাবে নির্মিত হয়েছে তার আলোচনা
উত্তর: ঘ। ‘রীতি’ হলো সাহিত্যের বিভিন্ন শাখা কীভাবে নির্মিত হয়েছে সে বিষয়ে পর্যবেক্ষণ ও আলোচনা।
১০। কবিতার প্রধান দুটি রূপভেদ কী কী?
- ক. মহাকাব্য ও গীতিকবিতা
- খ. ছন্দ ও অন্ত্যমিল
- গ. গদ্য ও পদ্য
- ঘ. সনেট ও গান
উত্তর: ক। কবিতার প্রধান দুটি রূপভেদ হলো মহাকাব্য ও গীতিকবিতা।
১১। বাংলা ভাষায় মহাকাব্যের চূড়ান্ত সফল রূপ কে প্রকাশ করেন?
- ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- খ. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
- গ. কাজী নজরুল ইসলাম
- ঘ. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
উত্তর: খ। মাইকেল মধুসূদন দত্ত তাঁর মেঘনাদ-বধ কাব্যে বাংলা ভাষায় মহাকাব্যের চূড়ান্ত সফল রূপ প্রকাশ করেন।
১২। ভারতবর্ষ উপমহাদেশের সর্বপ্রাচীন দুটি মহাকাব্য কী কী?
- ক. রামায়ণ ও মহাভারত
- খ. মেঘনাদবধ ও রামায়ণ
- গ. রামায়ণ ও সীতা
- ঘ. মহাভারত ও শাজাহান
উত্তর: ক। ভারতবর্ষ উপমহাদেশের সর্বপ্রাচীন দুটি কাহিনি হলো রামায়ণ ও মহাভারত।
১৩। ‘যা নেই ভারতে তা নেই ভারতে’— এই প্রবাদের অর্থ কী?
- ক. ভারতবর্ষ একটি কাল্পনিক স্থান
- খ. ভারতবর্ষে কিছুই নেই
- গ. রামায়ণে যা আছে তা মহাভারতেও আছে
- ঘ. মহাভারতে যা নেই তা ঘটতে পারে না
উত্তর: ঘ। এর অর্থ, মহাভারত গ্রন্থে যা নেই তা ভারতবর্ষেও নেই— অর্থাৎ মহাভারত জীবনের সর্বাঙ্গীণ বিস্তৃত এক আখ্যান।
১৪। রামায়ণের মূল কাহিনি কী নিয়ে?
- ক. পাণ্ডব-কৌরবের দ্বন্দ্ব
- খ. কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধ
- গ. অর্জুনের বনবাস
- ঘ. সীতাকে উদ্ধারের জন্য রাম-রাবণের যুদ্ধ
উত্তর: ঘ। পত্নী সীতাকে রাবণ কর্তৃক অপহরণের পর তাঁকে উদ্ধারের জন্য রাম ও রাবণের মধ্যে যে যুদ্ধ হয়, সেটিই রামায়ণ-কথা।
১৫। মহাকাব্যের মূল বৈশিষ্ট্য কী?
- ক. এটি সংক্ষিপ্ত হয়
- খ. দীর্ঘ কাহিনি-কবিতা, পদ্যে রচিত
- গ. এতে কোনো কাহিনি থাকে না
- ঘ. এটি গদ্যে লেখা হয়
উত্তর: খ। মহাকাব্য হলো অতিশয় দীর্ঘ কাহিনি-কবিতা, যার মূল লক্ষ্য গল্প বলা হলেও তা পদ্যে লিখতে হয়।
১৬। বাংলা সাহিত্যে গীতিকবিতার আদি নিদর্শন কী?
- ক. বৈষ্ণব কবিতাবলি
- খ. রামায়ণ
- গ. মঙ্গলকাব্য
- ঘ. মেঘনাদ-বধ কাব্য
উত্তর: ক। বাংলা সাহিত্যে গীতিকবিতার আদি নিদর্শন হলো বৈষ্ণব কবিতাবলি।
১৭। বিশ্বসাহিত্যে সাহিত্যের কোন শাখা সর্বাপেক্ষা প্রাচীন?
- ক. প্রবন্ধ
- খ. নাটক
- গ. উপন্যাস
- ঘ. ছোটগল্প
উত্তর: খ। বিশ্বসাহিত্যে নাটক সর্বাপেক্ষা প্রাচীন শাখা।
১৮। নাটকের মূল লক্ষ্য কারা?
- ক. প্রকাশক
- খ. সমালোচক
- গ. দর্শকসমাজ
- ঘ. পাঠক
উত্তর: গ। নাটক পুস্তকাকারে পড়ার জন্য নয়, অভিনীত হওয়ার জন্য রচিত; তাই নাটকের লক্ষ্য সর্বকালেই দর্শকসমাজ।
১৯। সংস্কৃত আলঙ্কারিকদের মতে কাব্য কয় প্রকার?
- ক. চার প্রকার
- খ. দুই প্রকার
- গ. এক প্রকার
- ঘ. তিন প্রকার
উত্তর: খ। সংস্কৃত আলঙ্কারিকদের মতে কাব্য দুই প্রকার— দৃশ্যকাব্য ও শ্রব্যকাব্য।
২০। নাটক প্রধানত কোন ধরনের কাব্য?
- ক. দৃশ্যকাব্য
- খ. শ্রব্যকাব্য
- গ. মহাকাব্য
- ঘ. গীতিকাব্য
উত্তর: ক। নাটক প্রধানত দৃশ্যকাব্য, কারণ তা অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শনযোগ্য না হলে নাট্যরচনার উদ্দেশ্যই ব্যর্থ হয়।
২১। নাটক সাধারণত কয় অঙ্কে বিভক্ত থাকে?
- ক. তিন
- খ. পাঁচ
- গ. চার
- ঘ. ছয়
উত্তর: খ। নাটক সচরাচর পাঁচ অঙ্কে বিভক্ত থাকে— প্রারম্ভ, প্রবাহ, উৎকর্ষ (Climax), গ্রন্থিমোচন ও উপসংহার।
২২। কাহিনির পরিণতির দিক থেকে নাটককে কয় ভাগে ভাগ করা যায়?
- ক. তিন ভাগে
- খ. দুই ভাগে
- গ. পাঁচ ভাগে
- ঘ. চার ভাগে
উত্তর: ক। কাহিনির পরিণতির দিক থেকে নাটককে ট্র্যাজেডি, কমেডি ও প্রহসন— এই তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
২৩। এরিস্টটলের মতে ট্র্যাজেডি কী?
- ক. যে নাটক ভয় ও করুণা প্রশমিত করে আনন্দ দেয়
- খ. যে নাটক ঐতিহাসিক ঘটনা নিয়ে রচিত
- গ. যে নাটক শিক্ষামূলক
- ঘ. যে নাটক হাস্যরস সৃষ্টি করে
উত্তর: ক। এরিস্টটলের মতে, নায়ক-নায়িকার জীবনকাহিনির দৃশ্যপরম্পরার মাধ্যমে যে নাটক দর্শকের ভয় ও করুণা প্রশমিত করে করুণ রসের আনন্দ সৃষ্টি করে, তাই ট্র্যাজেডি।
২৪। এরিস্টটলের মতে কমেডির উপজীব্য কী?
- ক. বেদনাদায়ক ঘটনা
- খ. ঐতিহাসিক তথ্য
- গ. মানবচরিত্রের কৌতুকপ্রদ দিক
- ঘ. ভীতিকর দৃশ্য
উত্তর: গ। মানবচরিত্রের যে কৌতুকপ্রদ দিক কাউকে পীড়ন করে না, হাস্যরস সৃষ্টি করে, তা-ই কমেডির উপজীব্য।
২৫। কমেডির কৌতুক কোন অসংগতি থেকে জন্ম নেয় বলে এরিস্টটল মনে করেন?
- ক. শুধু সময়ের অসংগতি
- খ. শুধু ভাষাগত অসংগতি
- গ. শুধু স্থানের অসংগতি
- ঘ. ইচ্ছা ও বাস্তবতার অসংগতি
উত্তর: ঘ। এই কৌতুকের জন্ম ইচ্ছার সাথে বাস্তব অবস্থার, আকাঙ্ক্ষার সাথে প্রাপ্তিযোগের, বা কথার সাথে কাজের অসংগতির মধ্যে।
২৬। বাংলা নাটকের ক্ষেত্রে প্রথম যুগান্তকারী প্রতিভা কারা?
- ক. গিরিশচন্দ্র ঘোষ ও রজনীকান্ত সেন
- খ. রবীন্দ্রনাথ ও শরৎচন্দ্র
- গ. বঙ্কিমচন্দ্র ও দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
- ঘ. মাইকেল মধুসূদন দত্ত ও দীনবন্ধু মিত্র
উত্তর: ঘ। বাংলা নাটকের ক্ষেত্রে প্রথম যুগান্তকারী প্রতিভা মাইকেল মধুসূদন দত্ত ও দীনবন্ধু মিত্র।
২৭। বাংলা ভাষায় সর্বপ্রথম ট্র্যাজেডি, কমেডি ও প্রহসন কার লেখনীতে সৃষ্টি হয়?
- ক. দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের
- খ. গিরিশচন্দ্র ঘোষের
- গ. মাইকেল মধুসূদন দত্তের
- ঘ. দীনবন্ধু মিত্রের
উত্তর: গ। মাইকেলের লেখনীতেই সর্বপ্রথম ট্র্যাজেডি, কমেডি ও প্রহসন বাংলা ভাষায় সৃষ্টি হয়।
২৮। দীনবন্ধু মিত্রের শ্রেষ্ঠ সামাজিক নাটক কোনটি?
- ক. শাজাহান
- খ. চন্দ্রগুপ্ত
- গ. নীলদর্পণ
- ঘ. সধবার একাদশী
উত্তর: গ। দীনবন্ধু মিত্র সামাজিক নাটক নিয়ে আবির্ভূত হন, তাঁর নীলদর্পণ নাটক এর শ্রেষ্ঠ উদাহরণ।
২৯। নীলদর্পণ নাটকটি কী নিয়ে রচিত?
- ক. রাজকীয় ইতিহাস
- খ. ব্রিটিশদের বাধ্যতামূলক নীলচাষের সমালোচনা
- গ. প্রেমকাহিনি
- ঘ. পৌরাণিক কাহিনি
উত্তর: খ। টীকা অনুযায়ী নীলদর্পণ ব্রিটিশদের হুকুমে বাধ্যতামূলক নীলচাষ করানোর সমালোচনা করে রচিত হয়েছিল।
৩০। ছোটগল্পের প্রকৃতি সম্পর্কে রবীন্দ্রনাথের কোন পঙক্তিটি প্রামাণ্য ব্যাখ্যা হিসেবে গণ্য?
- ক. শেষ হয়ে হইল না শেষ
- খ. আমার সোনার বাংলা
- গ. এমন দিনে তারে বলা যায়
- ঘ. জীবন মরণের সীমানা ছাড়িয়ে
উত্তর: ক। ‘শেষ হয়ে হইল না শেষ’— রবীন্দ্রনাথের এই পঙক্তিটি ছোটগল্পের প্রকৃতি সম্পর্কে প্রামাণ্য ব্যাখ্যা হিসেবে গণ্য।
৩১। ‘শেষ হয়ে হইল না শেষ’ কথাটি ছোটগল্প সম্পর্কে কী বোঝায়?
- ক. ছোটগল্প কখনো শেষ হয় না
- খ. ছোটগল্প সবসময় দুঃখজনক
- গ. ছোটগল্পে কোনো উপসংহার থাকে না
- ঘ. ছোটগল্প শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত বলে না
উত্তর: ঘ। এই কথার মধ্য দিয়ে বোঝানো হয়েছে, ছোটগল্প কখনোই কাহিনির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত বলে না, যেমনটা উপন্যাসে ঘটে।
৩২। বাংলা সাহিত্যে ‘ছোটগল্প’ শব্দটি ব্যবহৃত হচ্ছে কত বছরের বেশি নয় বলে প্রবন্ধে উল্লেখ আছে?
- ক. ষাট-সত্তর বছর
- খ. একশ বছর
- গ. বিশ-ত্রিশ বছর
- ঘ. চল্লিশ-পঞ্চাশ বছর
উত্তর: ঘ। প্রবন্ধ অনুযায়ী বাংলা সাহিত্যে ‘ছোটগল্প’ শব্দটি ব্যবহৃত হচ্ছে চল্লিশ-পঞ্চাশ বৎসরের বেশি নয়; তার আগে শুধু ‘গল্প’ বলা হতো।
৩৩। সাহিত্যের বিভিন্ন শাখার মধ্যে বয়সে সর্বকনিষ্ঠ কোনটি?
- ক. মহাকাব্য
- খ. ছোটগল্প
- গ. কবিতা
- ঘ. নাটক
উত্তর: খ। সাহিত্যের যত শাখা আছে তার মধ্যে ছোটগল্পই বয়সে সর্বকনিষ্ঠ।
৩৪। মার্কিন ছোটগল্পকার এডগার অ্যালান পো-র মতে ‘ছোটগল্প’ বলতে কী বোঝায়?
- ক. যে কাহিনি একদিনে পড়া যায়
- খ. যে কাহিনির কোনো নির্দিষ্ট দৈর্ঘ্য নেই
- গ. যে কাহিনি একসপ্তাহ ধরে পড়তে হয়
- ঘ. যে কাহিনি আধ ঘণ্টা থেকে দু-এক ঘণ্টার মধ্যে পড়ে ওঠা যায়
উত্তর: ঘ। এডগার অ্যালান পো মনে করতেন, আধ ঘণ্টা থেকে দু-এক ঘণ্টার মধ্যে পড়ে ওঠা যায় এমন কাহিনিই ‘ছোটগল্প’।
৩৫। বাংলা ভাষায় সার্থক ছোটগল্পকারের অনন্য দৃষ্টান্ত কে?
- ক. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
- খ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- গ. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
- ঘ. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
উত্তর: খ। প্রবন্ধ অনুযায়ী বাংলা ভাষায় সার্থক ছোটগল্পকারের অনন্য দৃষ্টান্ত রবীন্দ্রনাথ।
৩৬। উপন্যাস সাধারণত কোন ভাষায় লিখিত হয়?
- ক. গদ্য ভাষায়
- খ. মিশ্র ভাষায়
- গ. পদ্য ভাষায়
- ঘ. সাংকেতিক ভাষায়
উত্তর: ক। উপন্যাস রচিত হয় গদ্যভাষায়— এই তথ্য প্রবন্ধে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলা হয়েছে।
৩৭। মধ্যযুগে ছন্দে রচিত কাহিনিমূলক রচনাকে কী বলা হতো?
- ক. প্রবন্ধ
- খ. মঙ্গলকাব্য/কাব্য
- গ. উপন্যাস
- ঘ. নাটক
উত্তর: খ। মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যগুলো ছন্দে রচিত হওয়ায় তাদের উপন্যাস না বলে কাব্যই বলা হতো।
৩৮। উপন্যাসের প্রধান উপজীব্য কী?
- ক. ভাষারীতি
- খ. পটভূমি
- গ. প্লট (আখ্যানভাগ)
- ঘ. চরিত্র
উত্তর: গ। উপন্যাসের প্রধান উপজীব্য হলো প্লট, যা গল্প ও তার ভিতরের বিভিন্ন চরিত্রের সমন্বয়ে তৈরি হয়।
৩৯। বাংলা ভাষায় প্রথম সার্থক ও কালজয়ী ঔপন্যাসিক কে?
- ক. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
- খ. তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
- গ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- ঘ. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
উত্তর: ঘ। প্রবন্ধ অনুযায়ী বাংলা ভাষায় প্রথম সার্থক ও কালজয়ী (অনেকের মতে শ্রেষ্ঠ) ঔপন্যাসিক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।
৪০। বঙ্কিমচন্দ্র কীসের দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে উপন্যাস রচনায় হাত দেন?
- ক. সংস্কৃত সাহিত্য
- খ. ফারসি সাহিত্য
- গ. ফরাসি সাহিত্য
- ঘ. ইংরেজি উপন্যাস
উত্তর: ঘ। ইংরেজি উপন্যাস পাঠ করে অনুপ্রাণিত হয়ে বঙ্কিমচন্দ্র উপন্যাস রচনায় হাত দেন।
৪১। নিচের কোনটি বঙ্কিমচন্দ্রের উপন্যাস নয়?
- ক. বিষবৃক্ষ
- খ. চতুষ্কোণ
- গ. চন্দ্রশেখর
- ঘ. কপালকুণ্ডলা
উত্তর: খ। চতুষ্কোণ মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস; বাকি তিনটি বঙ্কিমচন্দ্রের রচনা।
৪২। বঙ্কিমচন্দ্রের পরে মহৎ ঔপন্যাসিক বলতে প্রধানত কাদের বোঝানো হয়?
- ক. মানিক ও তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
- খ. সমরেশ বসু ও হাসান আজিজুল হক
- গ. মাইকেল মধুসূদন দত্ত ও দীনবন্ধু মিত্র
- ঘ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
উত্তর: ঘ। বঙ্কিমচন্দ্রের পরে মহৎ ঔপন্যাসিক বলতে প্রধানত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে বোঝানো হয়।
৪৩। উপন্যাস কয় ধরনের হতে পারে বলে প্রবন্ধে উল্লেখ আছে?
- ক. বহু রকমের (ঐতিহাসিক, সামাজিক, গোয়েন্দা প্রভৃতি)
- খ. শুধু কাল্পনিক ও বাস্তবধর্মী
- গ. শুধু একটিমাত্র ধরনের
- ঘ. শুধু ঐতিহাসিক ও সামাজিক
উত্তর: ক। উপন্যাস ঐতিহাসিক, সামাজিক, কাব্যধর্মী, ডিটেকটিভ, মনোবিশ্লেষণধর্মী ইত্যাদি বহু রকমের হতে পারে।
**৪৪। ছোটগল্প ও উপন্যাসের পার্থক্য নিয়ে নিচের তথ্যগুলো লক্ষ করো —**
i. ছোটগল্প কাহিনির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত বর্ণনা করে না, উপন্যাস করে
ii. উপন্যাসের প্রধান উপজীব্য প্লট
iii. ছোটগল্প সাহিত্যের প্রাচীনতম শাখা
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii খ. i ও iii গ. ii ও iii ঘ. i, ii ও iii
**উত্তর: ক।** প্রথম দুটি তথ্য প্রবন্ধের বক্তব্যের সাথে মেলে, কিন্তু ছোটগল্প আসলে সাহিত্যের বয়সে সর্বকনিষ্ঠ শাখা, প্রাচীনতম নয়— তাই তৃতীয় তথ্যটি ভুল।
৪৫। প্রবন্ধ কোন ভাষায় লিখিত হয়?
- ক. মিশ্র ভাষায়
- খ. সাংকেতিক ভাষায়
- গ. গদ্য ভাষায়
- ঘ. পদ্য ভাষায়
উত্তর: গ। প্রবন্ধ গদ্যে লিখিত রচনা, যার উদ্দেশ্য পাঠকের জ্ঞানতৃষ্ণা পরিতৃপ্ত করা।
৪৬। শুধু তথ্যবহুল রচনা হলেই তাকে প্রবন্ধসাহিত্য বলা যায় কি?
- ক. না, প্রবন্ধ কখনো তথ্যবহুল হয় না
- খ. না, সৃজনশীলতা না থাকলে নয়
- গ. এটি নির্ভর করে বিষয়ের ওপর
- ঘ. হ্যাঁ, সবসময়
উত্তর: খ। গদ্যসাহিত্যের অন্তর্গত হলেও তথ্যবহুল রচনা হলেই প্রবন্ধসাহিত্য বলা যায় না, যদি না তাতে লেখকের সৃজনী শক্তির পরিচয় থাকে।
৪৭। খবরের কাগজে প্রকাশিত সব লেখাকে প্রবন্ধসাহিত্যের নমুনা হিসেবে গণ্য না করার কারণ কী?
- ক. সেগুলো গদ্যে লেখা হয় না বলে
- খ. সৃজনশীলতার অভাব থাকে বলে
- গ. সেগুলো সত্য নয় বলে
- ঘ. সেগুলো দীর্ঘ হয় বলে
উত্তর: খ। সৃজনশীলতার অভাবের কারণেই সংবাদপত্রের সব লেখাকে প্রবন্ধসাহিত্যের নমুনা হিসেবে গণ্য করা সংগত নয়।
৪৮। সাহিত্যের চিরন্তন উদ্দেশ্য কী, যা প্রবন্ধেরও উদ্দেশ্য?
- ক. শিক্ষা প্রদান
- খ. তথ্য প্রদান
- গ. সমালোচনা করা
- ঘ. সৌন্দর্যসৃষ্টি ও আনন্দদান
উত্তর: ঘ। সাহিত্যের চিরন্তন উদ্দেশ্য সৌন্দর্যসৃষ্টি ও আনন্দদান, প্রবন্ধেরও একই উদ্দেশ্য।
৪৯। প্রবন্ধের দুটি মুখ্য শ্রেণিবিভাগ কী কী?
- ক. তন্ময় (objective) ও মন্ময় (subjective) প্রবন্ধ
- খ. দীর্ঘ ও সংক্ষিপ্ত প্রবন্ধ
- গ. প্রাচীন ও আধুনিক প্রবন্ধ
- ঘ. সাহিত্যিক ও অ-সাহিত্যিক প্রবন্ধ
উত্তর: ক। প্রবন্ধের দুটি মুখ্য শ্রেণিবিভাগ হলো তন্ময় (বস্তুনিষ্ঠ) প্রবন্ধ ও মন্ময় (ব্যক্তিনিষ্ঠ) প্রবন্ধ।
৫০। তন্ময় প্রবন্ধের বৈশিষ্ট্য কী?
- ক. এতে কোনো কাঠামো থাকে না
- খ. লেখকের ব্যক্তিগত অনুভূতি প্রধান
- গ. বিষয়বস্তু ও লেখকের পাণ্ডিত্যের প্রাধান্য
- ঘ. এটি সবসময় কাল্পনিক
উত্তর: গ। তন্ময় প্রবন্ধ বস্তুনিষ্ঠ, সুনির্দিষ্ট সীমারেখার মধ্যে আদি-মধ্য-অন্ত সমন্বিত চিন্তাপ্রধান সৃষ্টি, যেখানে লেখকের পাণ্ডিত্য-বুদ্ধি-জ্ঞানের পরিচয় মুখ্য হয়ে ওঠে।
৫১। মন্ময় প্রবন্ধের বৈশিষ্ট্য কী?
- ক. এটি শুধু বৈজ্ঞানিক বিষয়ে লেখা হয়
- খ. এতে কোনো ব্যক্তিগত অনুভূতি থাকে না
- গ. লেখকের মেধাশক্তির চেয়ে ব্যক্তিহৃদয় প্রধান হয়ে ওঠে
- ঘ. শুধু তথ্যের ওপর নির্ভরশীল
উত্তর: গ। মন্ময় প্রবন্ধে লেখকের মেধাশক্তির চেয়ে তাঁর ব্যক্তিহৃদয়ই প্রধান হয়ে ওঠে।
৫২। রবীন্দ্রনাথের অধিকাংশ প্রবন্ধ কোন শ্রেণির?
- ক. তন্ময় প্রবন্ধ
- খ. বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ
- গ. মন্ময় প্রবন্ধ
- ঘ. ঐতিহাসিক প্রবন্ধ
উত্তর: গ। রবীন্দ্রনাথের অধিকাংশ প্রবন্ধ মন্ময় প্রবন্ধের পর্যায়ভুক্ত।
৫৩। ‘বেল্ লেত্র্’ (belle letre) শব্দের বাংলা প্রতিশব্দ হিসেবে প্রবন্ধে কী বলা হয়েছে?
- ক. সাহিত্যকথা
- খ. ব্যক্তিগত রচনা
- গ. রম্য রচনা
- ঘ. চারুকথন
উত্তর: ঘ। এর কোনো সরাসরি বাংলা প্রতিশব্দ নেই বলে লেখক ‘চারুকথন’ শব্দটি প্রস্তাব করেছেন।
৫৪। রবীন্দ্রনাথের কোন গ্রন্থের সব রচনা মন্ময় প্রবন্ধের পর্যায়ভুক্ত বলা হয়েছে?
- ক. গল্পগুচ্ছ
- খ. বিচিত্র প্রবন্ধ
- গ. গীতাঞ্জলি
- ঘ. সঞ্চয়িতা
উত্তর: খ। রবীন্দ্রনাথের ‘বিচিত্র প্রবন্ধ’ বইটির সকল রচনাই মন্ময় প্রবন্ধের পর্যায়ভুক্ত বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
৫৫। ‘রম্য রচনা’ ও ‘বেল্ লেত্র্’ (মন্ময় প্রবন্ধ) এক জিনিস নয় কেন বলে লেখক মনে করেন?
- ক. রম্য রচনা শুধু হাস্যরসাত্মক
- খ. বেল্ লেত্র্ শুধু ফরাসি ভাষায় লেখা হয়
- গ. মন্ময় প্রবন্ধ গুরুগম্ভীর বিষয়েও হতে পারে
- ঘ. দুটোর ভাষা আলাদা
উত্তর: গ। ‘রম্য’ শব্দের মধ্যে ইঙ্গিত থাকে যে লেখাটি সিরিয়াস বিষয় নিয়ে নয়, অথচ মন্ময় প্রবন্ধের বিষয় খুবই গুরুগম্ভীর হতে পারে, শুধু প্রকাশভঙ্গি হালকা রাখতে হয়— তাই দুটো একজাতীয় নয়।
৫৬। ‘প্লট’ শব্দের অর্থ কী?
- ক. চরিত্রের নাম
- খ. গল্প-উপন্যাস-নাটকের কাহিনি অংশ
- গ. প্রকাশনার তারিখ
- ঘ. লেখকের নাম
উত্তর: খ। টীকা অনুযায়ী প্লট বলতে গল্প, উপন্যাস বা নাটকের কাহিনি অংশকে বোঝানো হয়।
৫৭। ‘একাঙ্কিকা’ কাকে বলা হয়?
- ক. একটি কবিতার সংকলনকে
- খ. একটি ছোটগল্পকে
- গ. একটি উপন্যাসের অধ্যায়কে
- ঘ. এক অঙ্কের নাটককে
উত্তর: ঘ। টীকা অনুযায়ী এক অঙ্কের নাটককে একাঙ্কিকা বলা হয়।
৫৮। ‘দৃশ্যকাব্য’ ও ‘শ্রব্যকাব্য’-এর মধ্যে পার্থক্য কী?
- ক. দৃশ্যকাব্য শুধু আধুনিক যুগের
- খ. দৃশ্যকাব্য দেখার জন্য, শ্রব্যকাব্য পড়া-শোনার জন্য
- গ. দৃশ্যকাব্য পড়ার জন্য, শ্রব্যকাব্য দেখার জন্য
- ঘ. উভয়ই একই জিনিস
উত্তর: খ। দৃশ্যকাব্য (নাটক) অভিনয়ের মাধ্যমে দেখানোর জন্য রচিত হয়, আর শ্রব্যকাব্য পড়া ও শোনার জন্য রচিত হয়।
