তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা কবিতার MCQ | SSC বাংলা ১ম পত্রের “তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা” কবিতা থেকে বোর্ড পরীক্ষায় নিয়মিত প্রশ্ন আসে। এই পোস্টে কবিতার সারকথা ও ৪৯টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন (MCQ) উত্তর ও ব্যাখ্যাসহ দেওয়া হলো। জ্ঞানমূলক ও অনুধাবনমূলক প্রশ্নের জন্য তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা কবিতার নোট দেখুন।
তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা কবিতার সারকথা ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা কবিতার কবি কে?
শামসুর রাহমান (জন্ম ২৩ অক্টোবর ১৯২৯, ঢাকা; মৃত্যু ১৭ আগস্ট ২০০৬)। পেশায় সাংবাদিক, মধ্যবিত্ত নাগরিক জীবনের কবি হিসেবে খ্যাত। প্রধান কাব্যগ্রন্থ: রৌদ্র করোটিতে, বিধ্বস্ত নীলিমা, বন্দী শিবির থেকে, বাংলাদেশ স্বপ্ন দ্যাখে। বাংলা একাডেমি পুরস্কার ও একুশে পদকপ্রাপ্ত।
উৎস ও প্রেক্ষাপট
বন্দী শিবির থেকে কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত।
কবিতার মূল বিষয়বস্তু
- অলংকারিক প্রশ্ন দিয়ে শুরু— স্বাধীনতা পেতে আর কতবার রক্তগঙ্গায় ভাসতে হবে, খাণ্ডবদাহন দেখতে হবে।
- ‘তুমি আসবে বলে’ পুনরাবৃত্তির মাধ্যমে যুদ্ধের ভয়াবহতার তালিকা— সাকিনা বিবি, হরিদাসী, ট্যাঙ্ক আক্রমণ, ছাত্রাবাস-বস্তি ধ্বংস, গ্রাম পোড়ানো, এতিম শিশু।
- স্বাধীনতার প্রতীক্ষায় থাকা সাধারণ মানুষের চিত্র— বৃদ্ধ, বিধবা, অনাথ কিশোরী।
- বিভিন্ন পেশার সাধারণ মানুষের (কৃষক, জেলে, মাঝি, রিকশাওয়ালা, মুক্তিযোদ্ধা তরুণ) নাম উল্লেখ করে মুক্তিযুদ্ধে তাদের অবদান স্মরণ।
- উপসংহারে দৃঢ় প্রত্যয়— জ্বলন্ত ঘোষণা, নতুন নিশান, দামামা— এই বাংলায় স্বাধীনতা আসতেই হবে।
তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা কবিতার মূল ভাব কী?
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বাঙালি জাতির অপরিসীম আত্মত্যাগ, ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ সয়েও অবিচল সংকল্প এবং স্বাধীনতার অনিবার্য বিজয়ে দৃঢ় আস্থা— এই কবিতা মুক্তিযুদ্ধের এক অনবদ্য সাহিত্যিক দলিল হয়ে উঠেছে।
তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা কবিতার গুরুত্বপূর্ণ শব্দার্থ
খাণ্ডবদাহন (মহাভারতের অরণ্য দহন, এখানে ধ্বংসযজ্ঞের প্রতীক), যত্রতত্র (সব জায়গায়), থুথুড়ে (বয়সের ভারে বিধ্বস্ত)।
কবি পরিচিতি বিষয়ক MCQ
১। শামসুর রাহমান কত খ্রিষ্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন?
- ক. ১৯৩০
- খ. ১৯২৯
- গ. ১৯২৭
- ঘ. ১৯২৮
উত্তর: খ। তিনি ১৯২৯ খ্রিষ্টাব্দের ২৩শে অক্টোবর ঢাকা শহরে জন্মগ্রহণ করেন।
২। শামসুর রাহমানের পৈতৃক নিবাস কোথায়?
- ক. কুমিল্লা
- খ. ফরিদপুর
- গ. পাড়াতলী, রায়পুরা, নরসিংদী
- ঘ. টাঙ্গাইল
উত্তর: গ। তাঁর পৈতৃক নিবাস নরসিংদী জেলার রায়পুরা থানার পাড়াতলী গ্রাম।
৩। শামসুর রাহমান কোথা থেকে ইন্টারমিডিয়েট পাশ করেন?
- ক. জগন্নাথ কলেজ
- খ. নটর ডেম কলেজ
- গ. ঢাকা কলেজ
- ঘ. প্রেসিডেন্সি কলেজ
উত্তর: গ। ১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দে তিনি ঢাকা কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট পাশ করেন।
৪। শামসুর রাহমানের পেশা কী ছিল?
- ক. সাংবাদিকতা
- খ. চিকিৎসক
- গ. শিক্ষকতা
- ঘ. আইনজীবী
উত্তর: ক। তাঁর পেশা ছিল সাংবাদিকতা, পাশাপাশি তিনি একনিষ্ঠভাবে কাব্যসাধনায় নিয়োজিত ছিলেন।
৫। শামসুর রাহমানের কবিতায় কোন জীবনের প্রত্যাশা-হতাশা সার্থকভাবে বিধৃত হয়েছে?
- ক. আদিবাসী জীবনের
- খ. মধ্যবিত্ত নাগরিক জীবনের
- গ. গ্রামীণ কৃষক জীবনের
- ঘ. রাজকীয় জীবনের
উত্তর: খ। বিশেষ করে মধ্যবিত্ত নাগরিক জীবনের প্রত্যাশা, হতাশা, বিচ্ছিন্নতা, বৈরাগ্য ও সংগ্রাম তাঁর কবিতায় সার্থকভাবে বিধৃত।
৬। নিচের কোনটি শামসুর রাহমানের কাব্যগ্রন্থ নয়?
- ক. বন্দী শিবির থেকে
- খ. সাম্যবাদী
- গ. বিধ্বস্ত নীলিমা
- ঘ. বাংলাদেশ স্বপ্ন দ্যাখে
উত্তর: খ। সাম্যবাদী কাজী নজরুল ইসলামের কাব্যগ্রন্থ; বাকি তিনটি শামসুর রাহমানের রচনা।
৭। শামসুর রাহমান কোন কোন পুরস্কারে ভূষিত হন?
- ক. শুধু জাতীয় অধ্যাপক সম্মাননা
- খ. নোবেল পুরস্কার
- গ. বাংলা একাডেমি পুরস্কার, একুশে পদকসহ অসংখ্য পুরস্কার
- ঘ. শুধু স্বাধীনতা পুরস্কার
উত্তর: গ। তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার, একুশে পদকসহ অসংখ্য পুরস্কার ও সম্মাননায় ভূষিত হন।
৮। শামসুর রাহমান কত খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন?
- ক. ২০০৫
- খ. ২০০৭
- গ. ২০০৪
- ঘ. ২০০৬
উত্তর: ঘ। ১৭ই আগস্ট, ২০০৬ খ্রিষ্টাব্দে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
তোমাকে পাওয়ার জন্যে হে স্বাধীনতা কবিতার বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর (MCQ)
৯। ‘তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা’ কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত?
- ক. রৌদ্র করোটিতে
- খ. নিরালোকে দিব্যরথ
- গ. বিধ্বস্ত নীলিমা
- ঘ. বন্দী শিবির থেকে
উত্তর: ঘ। কবিতাটি কবির বন্দী শিবির থেকে নামক কাব্যের অন্তর্ভুক্ত এবং শ্রেষ্ঠ কবিতা নামক সংকলন থেকে নেওয়া হয়েছে।
১০। কবিতাটি কোন ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত?
- ক. খেলাফত আন্দোলন
- খ. ভাষা আন্দোলন
- গ. ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ
- ঘ. স্বদেশি আন্দোলন
উত্তর: গ। কবিতাটি ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দের বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত।
১১। পাঠ-পরিচিতি অনুযায়ী স্বাধীনতা কী?
- ক. নিছক একটি শব্দ
- খ. একটি ঐতিহাসিক ঘটনা মাত্র
- গ. এমন এক অধিকার ও অনুভব যা মানুষের জন্মগত
- ঘ. রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি মাত্র
উত্তর: গ। পাঠ-পরিচিতি অনুযায়ী স্বাধীনতা শুধু শব্দমাত্র নয়, এটি এমন এক অধিকার ও অনুভব যা মানুষের জন্মগত।
১২। কবিতার শুরুতে কবি কোন অলংকারিক প্রশ্ন তোলেন?
- ক. আর কতবার রক্তগঙ্গায় ভাসতে হবে
- খ. যুদ্ধ কেন হয়
- গ. স্বাধীনতা কবে আসবে
- ঘ. স্বাধীনতা কী জিনিস
উত্তর: ক। কবি প্রশ্ন তোলেন, স্বাধীনতা পাওয়ার জন্য আর কতবার রক্তগঙ্গায় ভাসতে হবে, আর কতবার খাণ্ডবদাহন দেখতে হবে।
১৩। ‘খাণ্ডবদাহন’ শব্দের তাৎপর্য কী?
- ক. একটি স্থাপত্যকীর্তি
- খ. একটি উৎসবের নাম
- গ. মহাভারতের খাণ্ডব দহন, হানাদার ধ্বংসযজ্ঞের প্রতীক
- ঘ. একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ
উত্তর: গ। খাণ্ডব মূলত মহাভারতের একটি বিখ্যাত অরণ্য, যা আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল; এখানে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হত্যাকাণ্ড ও ধ্বংসযজ্ঞকে খাণ্ডবদাহন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
১৪। ‘তুমি আসবে বলে’ পঙক্তির পুনরাবৃত্তি দিয়ে কবি কী তুলে ধরেন?
- ক. স্বাধীনতার আনন্দ
- খ. রাজনৈতিক আলোচনা
- গ. যুদ্ধের কৌশল
- ঘ. স্বাধীনতা অর্জনের জন্য দেওয়া অসংখ্য আত্মত্যাগ ও কষ্টের তালিকা
উত্তর: ঘ। ‘তুমি আসবে বলে’ পঙক্তির পুনরাবৃত্তির মাধ্যমে কবি স্বাধীনতা অর্জনের জন্য বাঙালি জাতির দেওয়া অসংখ্য আত্মত্যাগ ও সীমাহীন কষ্টের এক করুণ তালিকা তুলে ধরেছেন।
১৫। সাকিনা বিবির কী হয় বলে কবিতায় উল্লেখ আছে?
- ক. তিনি আহত হন
- খ. তিনি দেশ ত্যাগ করেন
- গ. তিনি শহিদ হন
- ঘ. তাঁর কপাল ভাঙে (তাঁর দুর্ভাগ্য নেমে আসে)
উত্তর: ঘ। কবিতায় বলা হয়েছে, স্বাধীনতা আসবে বলে সাকিনা বিবির কপাল ভাঙল— যুদ্ধের কারণে তাঁর জীবনে নেমে আসা দুর্ভোগের ইঙ্গিত।
১৬। হরিদাসীর কী ঘটে বলে কবিতায় বলা হয়েছে?
- ক. তিনি সন্তান লাভ করেন
- খ. তিনি স্বাধীনতা যোদ্ধা হন
- গ. তিনি বিদেশে চলে যান
- ঘ. তাঁর সিঁথির সিঁদুর মুছে গেল (তিনি বিধবা হলেন)
উত্তর: ঘ। টীকা অনুযায়ী মুক্তিযুদ্ধে হরিদাসীর স্বামী শহিদ হন, এ কারণে বিধবা হরিদাসীর সিঁথি থেকে সিঁদুর মুছে ফেলতে হয়েছে।
১৭। শহরের বুকে কী প্রবেশ করে বলে কবিতায় বর্ণিত হয়েছে?
- ক. সাংবাদিকদের গাড়ি
- খ. জলপাই রঙের ট্যাঙ্ক, দানবের মতো চিৎকার করতে করতে
- গ. ত্রাণবাহী গাড়ি
- ঘ. মুক্তিবাহিনীর সৈন্য
উত্তর: খ। শহরের বুকে জলপাই রঙের ট্যাঙ্ক দানবের মতো চিৎকার করতে করতে প্রবেশ করে— পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নৃশংসতার প্রতীক।
১৮। ছাত্রাবাস ও বস্তি কেন হানাদার বাহিনীর লক্ষ্যবস্তু হয়েছিল বলে টীকায় বলা হয়েছে?
- ক. এগুলো ছাত্রজনতার প্রতিবাদ আন্দোলনের কেন্দ্র ছিল বলে
- খ. এগুলো সরকারি ভবন ছিল বলে
- গ. এগুলো ধনী এলাকা ছিল বলে
- ঘ. এগুলো ঐতিহাসিক স্থাপনা ছিল বলে
উত্তর: ক। টীকা অনুযায়ী ছাত্রাবাস ও বস্তি ছাত্রজনতার প্রবল প্রতিবাদ আন্দোলনের কেন্দ্র ছিল বলেই হানাদার বাহিনী প্রতিরোধের সংগ্রামকে স্তব্ধ করতে এগুলো ধ্বংস করেছিল।
১৯। রাইফেল ও মেশিনগান সম্পর্কে কবি কী উপমা ব্যবহার করেছেন?
- ক. এগুলো খই ফোটানোর মতো যত্রতত্র গুলি চালিয়েছে
- খ. এগুলো নীরব ছিল
- গ. এগুলো ফুলের মতো ফুটেছে
- ঘ. এগুলো নষ্ট হয়ে গিয়েছিল
উত্তর: ক। কবি বলেন, রিকয়েললেস রাইফেল আর মেশিনগান খই ফোটানোর মতো যত্রতত্র (সব জায়গায়) গুলি চালিয়েছে— নির্বিচার হত্যাকাণ্ডের ভয়াবহতা বোঝাতে এই উপমা ব্যবহৃত।
২০। বিধ্বস্ত পাড়ায় ভগ্নস্তূপে দাঁড়িয়ে কে আর্তনাদ করে?
- ক. একজন সৈনিক
- খ. একজন বৃদ্ধ
- গ. একটি কুকুর
- ঘ. একজন শিশু
উত্তর: গ। বিধ্বস্ত পাড়ায় প্রভুর বাস্তুভিটার ভগ্নস্তূপে দাঁড়িয়ে একটানা আর্তনাদ করে একটি কুকুর— ধ্বংসযজ্ঞের ভয়াবহতা প্রকৃতি-জগতেও প্রতিধ্বনিত হয়েছে এই চিত্রে।
২১। অবুঝ শিশু কী করে বলে কবিতায় মর্মস্পর্শীভাবে বর্ণিত হয়েছে?
- ক. সে পিতা-মাতার লাশের ওপর হামাগুড়ি দেয়
- খ. সে কাঁদতে থাকে
- গ. সে পালিয়ে যায়
- ঘ. সে ঘুমিয়ে পড়ে
উত্তর: ক। কবিতার অন্যতম মর্মস্পর্শী পঙক্তি— অবুঝ শিশু হামাগুড়ি দিল পিতা-মাতার লাশের উপর— যুদ্ধের নিষ্ঠুরতম রূপ এই চিত্রে ফুটে উঠেছে।
২২। স্বাধীনতার জন্য অপেক্ষারত থুথুড়ে বুড়োটির বর্ণনা কেমন?
- ক. তিনি ঘুমিয়ে আছেন
- খ. তিনি হাসপাতালে আছেন
- গ. তিনি উদাস দাওয়ায় বসে আছেন, চোখে দুর্বল আলোর ঝিলিক
- ঘ. তিনি সক্রিয়ভাবে যুদ্ধ করছেন
উত্তর: গ। থুথুড়ে (বয়সের ভারে বিধ্বস্ত) বুড়োটি উদাস দাওয়ায় বসে আছেন, তাঁর চোখের নিচে অপরাহ্ণের দুর্বল আলোর ঝিলিক, বাতাসে চুল নড়ছে— স্বাধীনতার প্রতীক্ষায় থাকা এক প্রবীণের করুণ চিত্র।
২৩। মোল্লাবাড়ির বিধবা কোথায় দাঁড়িয়ে আছেন?
- ক. মন্দিরে
- খ. বাজারে
- গ. দগ্ধ ঘরের নড়বড়ে খুঁটি ধরে
- ঘ. রাস্তায়
উত্তর: গ। মোল্লাবাড়ির এক বিধবা দগ্ধ ঘরের নড়বড়ে খুঁটি ধরে দাঁড়িয়ে আছেন— যুদ্ধে সর্বস্ব হারানোর এক করুণ চিত্র।
২৪। হাড্ডিসার অনাথ কিশোরীটি কী নিয়ে পথের ধারে বসে আছে?
- ক. একটি চিঠি
- খ. একটি বই
- গ. একটি খেলনা
- ঘ. একটি শূন্য থালা
উত্তর: ঘ। হাড্ডিসার এক অনাথ কিশোরী শূন্য থালা হাতে পথের ধারে বসে আছে— যুদ্ধের ফলে সৃষ্ট দুর্ভিক্ষ ও অনাথত্বের চিত্র।
২৫। কবিতায় সগীর আলী কে ছিলেন?
- ক. একজন শিক্ষক
- খ. একজন সাংবাদিক
- গ. শাহবাজপুরের এক জোয়ান কৃষক
- ঘ. একজন ডাক্তার
উত্তর: গ। সগীর আলী ছিলেন শাহবাজপুরের এক জোয়ান কৃষক, যিনি স্বাধীনতার জন্য অপেক্ষা করছেন।
২৬। কেষ্ট দাস কে ছিলেন?
- ক. একজন কৃষক
- খ. জেলেপাড়ার সবচেয়ে সাহসী লোক
- গ. একজন মাঝি
- ঘ. একজন রিকশাওয়ালা
উত্তর: খ। কেষ্ট দাস ছিলেন জেলেপাড়ার সবচেয়ে সাহসী লোক।
২৭। মতলব মিয়া কী কাজ করতেন?
- ক. তিনি একজন কৃষক ছিলেন
- খ. তিনি মেঘনা নদীর দক্ষ মাঝি, ঝড়েও নৌকা চালাতেন
- গ. তিনি একজন ব্যবসায়ী ছিলেন
- ঘ. তিনি একজন শিক্ষক ছিলেন
উত্তর: খ। মতলব মিয়া ছিলেন মেঘনা নদীর দক্ষ মাঝি, যিনি ‘গাজী গাজী’ বলে উদ্দাম ঝড়েও নৌকা চালাতেন।
২৮। রুস্তম শেখের পরিণতি কী হয়েছিল?
- ক. তিনি নিখোঁজ হন
- খ. তিনি বিদেশে চলে যান
- গ. তিনি যুদ্ধে শহিদ হন, ফুসফুস পোকার দখলে
- ঘ. তিনি আহত হয়ে সুস্থ হন
উত্তর: গ। টীকা অনুযায়ী রুস্তম শেখ নামের এই রিকশাওয়ালা যুদ্ধে শহিদ হয়েছেন; ‘তাঁর ফুসফুস এখন পোকার দখলে’ বলে তাঁর মৃত অবস্থা বোঝানো হয়েছে।
২৯। রাইফেল কাঁধে বনে-জঙ্গলে ঘুরে বেড়ানো তরুণটির ভূমিকা কী?
- ক. সে যুদ্ধ থেকে দূরে আছে
- খ. সে পালিয়ে বেড়াচ্ছে
- গ. তার পদভারে একটি নতুন পৃথিবীর জন্ম হতে চলেছে
- ঘ. তার কোনো ভূমিকা নেই
উত্তর: গ। কবি বলেন, রাইফেল কাঁধে বনে-জঙ্গলে ঘুরে বেড়ানো এই তেজি তরুণ মুক্তিযোদ্ধার পদভারে একটি নতুন পৃথিবীর (স্বাধীন বাংলাদেশের) জন্ম হতে চলেছে।
**৩০। কবিতায় উল্লেখিত সাধারণ মানুষদের (সগীর আলী, কেষ্ট দাস, মতলব মিয়া, রুস্তম শেখ ইত্যাদি) পরিচয় নিয়ে নিচের তথ্যগুলো লক্ষ করো —**
i. তাঁরা সকলেই বিভিন্ন শ্রমজীবী পেশার মানুষ
ii. তাঁরা সকলেই স্বাধীনতার জন্য অধীর প্রতীক্ষায় আছেন
iii. তাঁরা সকলেই সরকারি চাকরিজীবী
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii খ. i ও iii গ. ii ও iii ঘ. i, ii ও iii
**উত্তর: ক।** প্রথম দুটি তথ্য কবিতার বর্ণনার সাথে মেলে (কৃষক, জেলে, মাঝি, রিকশাওয়ালা), কিন্তু তাঁরা সরকারি চাকরিজীবী নন, সাধারণ শ্রমজীবী মানুষ— তাই তৃতীয় তথ্যটি ভুল।
৩১। কবিতার শেষাংশে স্বাধীনতাকে কীভাবে আহ্বান জানানো হয়েছে?
- ক. জ্বলন্ত ঘোষণা তুলে, নিশান উড়িয়ে, দামামা বাজিয়ে
- খ. নীরবে অপেক্ষা করে
- গ. আলোচনার মাধ্যমে
- ঘ. যুদ্ধ বন্ধ করে
উত্তর: ক। কবিতার শেষে পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে জ্বলন্ত ঘোষণার ধ্বনি-প্রতিধ্বনি তুলে, নতুন নিশান উড়িয়ে, দামামা বাজিয়ে দিগ্বিদিক স্বাধীনতাকে আহ্বান জানানো হয়েছে।
৩২। কবিতার শেষ পঙক্তির দৃঢ় প্রত্যয় কী?
- ক. স্বাধীনতা কখনো আসবে না
- খ. স্বাধীনতা অনিশ্চিত
- গ. এই বাংলায় স্বাধীনতাকে আসতেই হবে
- ঘ. স্বাধীনতার প্রয়োজন নেই
উত্তর: গ। কবিতা শেষ হয় এক দৃঢ় প্রত্যয়ে— ‘এই বাংলায় তোমাকে আসতেই হবে, হে স্বাধীনতা’— কোনো সংশয় নেই এই ঘোষণায়।
৩৩। ‘যত্রতত্র’ শব্দের অর্থ কী?
- ক. যেখানে সেখানে, সব জায়গায়
- খ. কোথাও না
- গ. দূরে কোথাও
- ঘ. একটি নির্দিষ্ট স্থানে
উত্তর: ক। যত্রতত্র অর্থ যেখানে সেখানে, সব জায়গায়।
৩৪। ‘থুথুড়ে’ শব্দের অর্থ কী?
- ক. বয়সের ভারে বিধ্বস্ত, চলাচলে কষ্ট হয় এমন
- খ. তরুণ
- গ. দ্রুতগামী
- ঘ. স্বাস্থ্যবান
উত্তর: ক। থুথুড়ে অর্থ বয়সের ভারে বিধ্বস্ত এমন বৃদ্ধ, যার চলাচলে কষ্ট হয়।
৩৫। ‘সংক্ষেপিত’ শব্দটি কবিতার শেষে কেন উল্লেখ করা হয়েছে?
- ক. এটি একটি ভুল
- খ. এর কোনো অর্থ নেই
- গ. পাঠ্যবইয়ে কবিতাটির সংক্ষিপ্ত রূপ দেওয়া হয়েছে বলে নির্দেশ করে
- ঘ. এটি কবিতার একটি অংশের নাম
উত্তর: গ। ‘(সংক্ষেপিত)’ শব্দটি নির্দেশ করে যে পাঠ্যবইয়ে কবিতাটির সংক্ষিপ্ত রূপ সংকলিত হয়েছে, মূল কবিতাটি এর চেয়ে দীর্ঘ।
৩৬। পাঠ-পরিচিতি অনুযায়ী মুক্তিযুদ্ধে কারা আত্মত্যাগ করেছিলেন?
- ক. শুধু রাজনীতিবিদরা
- খ. শ্রমিক, কৃষক, জেলে, রিকশাওয়ালা প্রমুখ সাধারণ মানুষ
- গ. শুধু সৈনিকরা
- ঘ. শুধু শিক্ষিত শ্রেণি
উত্তর: খ। পাঠ-পরিচিতি অনুযায়ী মুক্তিযুদ্ধে শ্রমিক, কৃষক, জেলে, রিকশাওয়ালা প্রমুখ সাধারণ মানুষ আত্মত্যাগ করেছিলেন— আপামর বাঙালি জাতি এই সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল।
৩৭। পাঠ-পরিচিতি অনুযায়ী ধ্বংসযজ্ঞের প্রতিবাদ কোথায় প্রতিফলিত হয়েছে?
- ক. শুধু বিদেশি শক্তির মধ্যে
- খ. শুধু সংবাদপত্রে
- গ. পশুর কণ্ঠেও, কুকুরও আর্তনাদ করে
- ঘ. শুধু মানুষের মধ্যে
উত্তর: গ। পাঠ-পরিচিতি অনুযায়ী এই ধ্বংসযজ্ঞের প্রাকৃতিক প্রতিবাদ ওঠে পশুর কণ্ঠেও— আর্তনাদ করে কুকুরও।
৩৮। পাঠ-পরিচিতি অনুযায়ী নবীন রক্তে কী জেগে থাকতে দেখেন কবি?
- ক. ভয় ও শঙ্কা
- খ. উদাসীনতা
- গ. প্রাণস্পন্দন ও আশা
- ঘ. হতাশা ও ক্লান্তি
উত্তর: গ। প্রবীণ বাঙালির আলোকিত চোখে অগ্নি ঝরার পাশাপাশি নবীন রক্তে প্রাণস্পন্দন ও আশা জেগে থাকতে দেখেন কবি, যা তাঁকে দৃঢ় প্রত্যয়ে স্বাধীনতার আগমনের কথা ঘোষণা করতে অনুপ্রাণিত করে।
৩৯। পাঠ-পরিচিতি অনুযায়ী কবিতাটি কী হিসেবে বিবেচিত?
- ক. একটি রূপকথা
- খ. একটি সাধারণ প্রেমের কবিতা
- গ. একটি ঐতিহাসিক প্রবন্ধ
- ঘ. মুক্তিযুদ্ধের অনবদ্য সাহিত্যিক দলিল
উত্তর: ঘ। পাঠ-পরিচিতি অনুযায়ী কবিতাটি মুক্তিযুদ্ধের অনবদ্য সাহিত্যিক দলিল হিসেবে বিবেচিত।
৪০। কবিতায় ‘তুমি আসবে বলে’ পঙক্তির পুনরাবৃত্তি একটি সাহিত্যিক কৌশল হিসেবে কী অর্জন করে?
- ক. এটি নিছক ছন্দ মেলানোর জন্য ব্যবহৃত
- খ. প্রতিটি আত্মত্যাগকে স্বাধীনতার সাথে যুক্ত করে তার মূল্য বাড়িয়ে তোলে
- গ. এটি কবিতাকে দীর্ঘ করার কৌশল মাত্র
- ঘ. এর কোনো বিশেষ কার্যকারিতা নেই
উত্তর: খ। প্রতিটি আত্মত্যাগের বর্ণনার আগে ‘তুমি আসবে বলে’ পুনরাবৃত্তি করে কবি প্রতিটি ক্ষতি ও কষ্টকে সরাসরি স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষার সাথে যুক্ত করেছেন, যা স্বাধীনতার মূল্য ও তাৎপর্যকে আরও গভীরভাবে পাঠকের কাছে পৌঁছে দেয়।
৪১। কবিতায় ব্যক্তি-নাম (সগীর আলী, কেষ্ট দাস, মতলব মিয়া, রুস্তম শেখ) ব্যবহারের সাহিত্যিক তাৎপর্য কী?
- ক. এই নামগুলোর কোনো বিশেষ অর্থ নেই
- খ. এটি পাঠকদের বিভ্রান্ত করার জন্য
- গ. এটি নিছক তালিকা তৈরির জন্য
- ঘ. মুক্তিযুদ্ধের ত্যাগকে বিমূর্ত থেকে বাস্তব মানুষের অভিজ্ঞতায় রূপান্তরিত করে
উত্তর: ঘ। নির্দিষ্ট নাম ও পেশা উল্লেখ করে কবি মুক্তিযুদ্ধের আত্মত্যাগকে বিমূর্ত পরিসংখ্যান থেকে সুনির্দিষ্ট, প্রাণবন্ত মানুষের বাস্তব অভিজ্ঞতায় রূপান্তরিত করেছেন, যা পাঠকের হৃদয়ে গভীরভাবে দাগ কাটে।
৪২। কবিতায় বিভিন্ন পেশার মানুষের (কৃষক, জেলে, মাঝি, রিকশাওয়ালা) উল্লেখ কী বার্তা দেয়?
- ক. মুক্তিযুদ্ধ ছিল সমাজের সকল স্তরের, সকল পেশার মানুষের সম্মিলিত সংগ্রাম
- খ. পেশাভিত্তিক বিভাজন গুরুত্বপূর্ণ ছিল
- গ. শুধু শহুরে মানুষ যুদ্ধে অংশ নিয়েছিল
- ঘ. শুধু নির্দিষ্ট শ্রেণির মানুষ আত্মত্যাগ করেছিল
উত্তর: ক। বিভিন্ন পেশার সাধারণ মানুষের উল্লেখ প্রমাণ করে, মুক্তিযুদ্ধ ছিল সমাজের সকল স্তরের, সকল পেশার আপামর জনগণের সম্মিলিত সংগ্রাম— এটি কোনো নির্দিষ্ট শ্রেণির একক সংগ্রাম ছিল না।
৪৩। কবিতার সামগ্রিক কাঠামো (ধ্বংসের বর্ণনা থেকে দৃঢ় প্রত্যয়ে উত্তরণ) কী প্রকাশ করে?
- ক. যন্ত্রণা ও ধ্বংসের মধ্য দিয়েও অবিচল আশা ও দৃঢ় সংকল্পের যাত্রা
- খ. শুধু হতাশা
- গ. বিজয়ের নিশ্চয়তার অভাব
- ঘ. যুদ্ধের প্রতি ঔদাসীন্য
উত্তর: ক। কবিতাটি ভয়াবহ ধ্বংস ও যন্ত্রণার বর্ণনা থেকে শুরু করে ক্রমে দৃঢ় প্রত্যয় ও আশাবাদে উপনীত হয়— এই কাঠামোই বাঙালি জাতির সংগ্রামের অবিচল মনোবলকে প্রতিফলিত করে।
৪৪। কবিতাটি ইতিহাস-নথি ও সাহিত্যকর্মের মধ্যে কীভাবে সেতুবন্ধন তৈরি করে?
- ক. এটি একটি কাল্পনিক রচনা মাত্র
- খ. এটি ইতিহাসের সাথে সম্পর্কহীন
- গ. এটি নিছক ঐতিহাসিক তথ্যের তালিকা
- ঘ. ঐতিহাসিক ঘটনাকে কাব্যিক ভাষায় জীবন্ত করে তোলে
উত্তর: ঘ। কবিতাটি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সুনির্দিষ্ট ঐতিহাসিক ঘটনা ও ত্যাগকে কাব্যিক ভাষা, প্রতীক ও আবেগের মাধ্যমে জীবন্ত করে তুলেছে, যা একে ইতিহাসের দলিল ও সাহিত্যকর্ম উভয়ের মর্যাদা দিয়েছে।
কামাল সাহেব একজন প্রবীণ মুক্তিযোদ্ধা। প্রতি বছর বিজয় দিবসে তিনি তাঁর নাতি-নাতনিদের যুদ্ধের দিনগুলোর কথা বলেন— কীভাবে তাঁর গ্রামের অনেকে প্রাণ হারিয়েছিল, কীভাবে সাধারণ মানুষ অস্ত্র হাতে তুলে নিয়েছিল স্বাধীনতার জন্য। তিনি বলেন, ‘আমরা যা হারিয়েছি তার কোনো হিসাব নেই, কিন্তু আমরা যা পেয়েছি তার মূল্যও অপরিসীম।’
৪৫। কামাল সাহেবের বক্তব্যের সাথে ‘তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা’ কবিতার কোন ভাবের মিল সবচেয়ে বেশি?
- ক. আত্মত্যাগ ও তার বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতার অমূল্য মর্যাদা
- খ. রাজনৈতিক দলাদলি
- গ. যুদ্ধের প্রতি নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি
- ঘ. যুদ্ধের বিস্তারিত কৌশল
উত্তর: ক। কবিতায় যেমন অসংখ্য আত্মত্যাগের চিত্র এঁকে স্বাধীনতার অমূল্য মূল্য প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে, কামাল সাহেবের বক্তব্যও একই সত্য তুলে ধরে— ত্যাগের হিসাব না থাকলেও অর্জনের মূল্য অপরিসীম।
৪৬। কামাল সাহেবের মতো প্রত্যক্ষদর্শীদের স্মৃতিচারণের সাথে এই কবিতার সম্পর্ক কী?
- ক. কবিতা ইতিহাসের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ
- খ. কোনো সম্পর্ক নেই
- গ. স্মৃতিচারণ কবিতার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ
- ঘ. উভয়ই মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যম
উত্তর: ঘ। কবিতা ও প্রত্যক্ষদর্শীর স্মৃতিচারণ— উভয়ই মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, আত্মত্যাগ ও তাৎপর্যকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে জীবন্তভাবে পৌঁছে দেওয়ার গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে কাজ করে।
৪৭। কবিতাটি সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশের ইতিহাসে কোন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে?
- ক. এটি নিছক একটি সাহিত্যকর্ম, ঐতিহাসিক গুরুত্ব নেই
- খ. এটি মুক্তিযুদ্ধের আত্মত্যাগকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে স্মরণীয় করে রাখে
- গ. এর কোনো শিক্ষামূলক মূল্য নেই
- ঘ. এটি রাজনৈতিক প্রচারণা মাত্র
উত্তর: খ। কবিতাটি মুক্তিযুদ্ধের ভয়াবহতা, আত্মত্যাগ ও চূড়ান্ত বিজয়ের প্রত্যয়কে কাব্যিক ভাষায় ধরে রেখে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে এই ইতিহাসকে স্মরণীয় ও অনুভবযোগ্য করে তোলে।
৪৮। কবিতাটি থেকে পাঠক কোন মূল্যবোধ শিক্ষা নিতে পারেন?
- ক. স্বাধীনতার মূল্য উপলব্ধি করে আত্মত্যাগকে শ্রদ্ধা করা
- খ. প্রতিহিংসাপরায়ণতা
- গ. যুদ্ধ থেকে দূরে থাকা
- ঘ. যুদ্ধ সবসময় মহিমান্বিত
উত্তর: ক। কবিতাটি পাঠককে স্বাধীনতা ও মৌলিক মানবাধিকারের প্রকৃত মূল্য উপলব্ধি করতে এবং তার জন্য প্রদত্ত অগণিত মানুষের আত্মত্যাগকে গভীরভাবে শ্রদ্ধা করতে শেখায়।
৪৯। কবিতাটির ভাষারীতি সম্পর্কে কী বলা যায়?
- ক. সম্পূর্ণ প্রতীকী ও রূপকাশ্রয়ী
- খ. অত্যন্ত জটিল ও দুর্বোধ্য
- গ. হাস্যরসাত্মক
- ঘ. সরাসরি, শক্তিশালী, চিত্রধর্মী ভাষায় বাস্তব ঘটনার আবেগময় বর্ণনা
উত্তর: ঘ। কবিতাটি সরাসরি, শক্তিশালী ও চিত্রধর্মী ভাষায় রচিত, যেখানে বাস্তব ঘটনার আবেগময় বর্ণনা পাঠকের হৃদয় স্পর্শ করে।
৫০। কবিতাটির উপসংহারে প্রকাশিত মনোভাব কেমন?
- ক. নিরপেক্ষ ও উদাসীন
- খ. সন্দিহান
- গ. দৃঢ় প্রত্যয়ী ও আশাবাদী— স্বাধীনতা অবশ্যম্ভাবী
- ঘ. হতাশাব্যঞ্জক
উত্তর: গ। কবিতাটির উপসংহার দৃঢ় প্রত্যয়ী ও আশাবাদী— এত আত্মত্যাগের পরও কবি নিশ্চিত যে স্বাধীনতা এই বাংলায় আসতেই হবে, কোনো সংশয় নেই।
