● MCQ

উমর ফারুক কবিতার MCQ | বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

উমর ফারুক কবিতার MCQ | SSC বাংলা ১ম পত্রের “উমর ফারুক” কবিতা থেকে বোর্ড পরীক্ষায় নিয়মিত প্রশ্ন আসে। এই পোস্টে কবিতার সারকথা ও ৫২টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন (MCQ) উত্তর ও ব্যাখ্যাসহ দেওয়া হলো। জ্ঞানমূলক ও অনুধাবনমূলক প্রশ্নের জন্য উমর ফারুক কবিতার নোট দেখুন।

উমর ফারুক কবিতার সারকথা ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

উমর ফারুক কবিতার কবি কে?

কাজী নজরুল ইসলাম (জন্ম ২৪ মে ১৮৯৯, চুরুলিয়া, বর্ধমান; মৃত্যু ২৯ আগস্ট ১৯৭৬, ঢাকা)। ‘বিদ্রোহী কবি’ ও স্বাধীন বাংলাদেশের জাতীয় কবি।

উমর ফারুক কবিতার উৎস

জিঞ্জীর কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত।

কবিতার বিষয়

ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা হজরত উমর ফারুক (রা.)-এর (শাসনকাল ৬৩৪-৬৪৪ খ্রিষ্টাব্দ) জীবনাদর্শ ও চরিত্র-মাহাত্ম্য।

কবিতার মূল বিষয়বস্তু

  1. কবি এশার আজান শুনে উমর (রা.)-এর স্মৃতি রোমন্থন করেন, ইসলামের ম্লান হয়ে আসা জ্যোতি পুনরুজ্জীবিত করতে তাঁকে ফিরে আসার আহ্বান জানান।
  2. রাসুলুল্লাহ (স.)-এর ভবিষ্যদ্বাণী স্মরণ— উমর (রা.) হতে পারতেন নবি, এতটাই আদর্শবান ছিলেন তিনি।
  3. ধুলার তখতে বসে অর্ধ পৃথিবী শাসন, বিপদে অবিচল থাকা, সবাইকে ঊর্ধ্বে তুলে নিজে নিচে থাকার দৃষ্টান্ত।
  4. জেরুজালেম অভিযানে একাকী, বিনাশর্তে উটে চড়ে যাত্রা; ভৃত্যের সাথে সাম্যের আচরণ— নিজে হেঁটে ভৃত্যকে উটে বসানো।
  5. রাতে নগর-ভ্রমণে ক্ষুধার্ত শিশু দেখে নিজ হাতে-পিঠে খাদ্য বহন করে দুঃখিনী মায়ের ঘরে পৌঁছে দেওয়া।
  6. নিজ পুত্র আবু শাহমাকে মদ্যপানের অপরাধে নিজ হাতে শাস্তি প্রদান, ন্যায়ের প্রতি অবিচল থাকা।
  7. মহাবীর খালেদ (রা.)-কেও পদাবনতি— মানুষের অতিরিক্ত পূজা এড়ানোর জন্য।
  8. একমাত্র জামা কাচার অপেক্ষায় আঙিনায় বসে থাকা খলিফার চরম সারল্যের চিত্র দিয়ে সমাপ্তি।

উমর ফারুক কবিতার মূল ভাব কী?

ক্ষমতা, বিজয় ও ঐশ্বর্যের মধ্যে থেকেও সরলতা, ন্যায়বিচার, সাম্য ও মানবিকতার এক অবিস্মরণীয় দৃষ্টান্ত— হজরত উমর (রা.)-এর চরিত্রে মূর্ত হয়ে ওঠা এই আদর্শই মহৎ মানব চরিত্র গঠনের প্রেরণা হিসেবে কবিতায় উপস্থাপিত হয়েছে।

উমর ফারুক কবিতার গুরুত্বপূর্ণ শব্দার্থ

আমির-উল-মুমেনিন (বিশ্বাসীদের নেতা), পরশমণি (স্পর্শমণি), সাইমুম (মরুঝড়), মশক (পানির থলে), দোররা (চাবুক), নান্দী (স্তুতি), খবুজ (রুটি), ফারুক (সত্য-মিথ্যা নিরূপণকারী)।

কবি পরিচিতি বিষয়ক MCQ

১। ‘উমর ফারুক’ কবিতাটি কাজী নজরুল ইসলামের কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত?

  • ক. সাম্যবাদী
  • খ. অগ্নিবীণা
  • গ. বিষের বাঁশি
  • ঘ. জিঞ্জীর

উত্তর: ঘ। কবিতাটি কাজী নজরুল ইসলামের জিঞ্জীর কাব্য থেকে সংকলিত হয়েছে।

২। কবিতাটিতে কার জীবনাদর্শ প্রতিফলিত হয়েছে?

  • ক. তৃতীয় খলিফা উসমান (রা.)-এর
  • খ. চতুর্থ খলিফা আলী (রা.)-এর
  • গ. প্রথম খলিফা আবু বকর (রা.)-এর
  • ঘ. দ্বিতীয় খলিফা হজরত উমর (রা.)-এর

উত্তর: ঘ। কবিতাটিতে ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা হজরত উমর (রা.)-এর জীবনাদর্শ, চরিত্র-মাহাত্ম্য, মানবিকতা ও সাম্যবাদী দৃষ্টিভঙ্গি প্রতিফলিত হয়েছে।

৩। হজরত উমর (রা.)-এর খেলাফতের সময়কাল কত বছর ছিল?

  • ক. আট বছর
  • খ. দশ বছর
  • গ. বারো বছর
  • ঘ. পনেরো বছর

উত্তর: খ। তাঁর খেলাফতের সময়কাল দশ বছর (৬৩৪-৬৪৪ খ্রিষ্টাব্দ)।

৪। হজরত উমর (রা.)-এর শাসনামলে ইসলামি রাষ্ট্রের সীমা কতদূর প্রসারিত হয়?

  • ক. শুধু আরব উপদ্বীপ পর্যন্ত
  • খ. আরব থেকে মিশর ও তুর্কিস্তান পর্যন্ত
  • গ. শুধু মদিনা পর্যন্ত
  • ঘ. শুধু জেরুজালেম পর্যন্ত

উত্তর: খ। তাঁর শাসনামলে ইসলামি রাষ্ট্রের সীমা আরব সাম্রাজ্য থেকে মিশর ও তুর্কিস্তানের সীমা পর্যন্ত প্রসারিত হয়।

৫। ‘ফারুক’ উপাধিটির অর্থ কী?

  • ক. যিনি সাহসী
  • খ. যিনি দানশীল
  • গ. সত্য-মিথ্যার পার্থক্যকারী
  • ঘ. যিনি বিজয়ী

উত্তর: গ। যিনি সত্য ও মিথ্যার মধ্যে পার্থক্য নিরূপণ করতে পারেন, তাঁকেই ‘ফারুক’ বলা হয়— হজরত উমর (রা.) সত্যের একজন দৃঢ়চিত্ত উপাসক ছিলেন।

৬। রাসুলুল্লাহ (স.) হজরত উমর (রা.) সম্পর্কে কী বলেছিলেন?

  • ক. তাঁর পরে যদি কেউ নবি হতেন, তবে তিনি হতেন উমর (রা.)
  • খ. তিনি সবচেয়ে দুর্বল হবেন
  • গ. তিনি কখনো খলিফা হবেন না
  • ঘ. তিনি সবচেয়ে ধনী হবেন

উত্তর: ক। রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছিলেন, তাঁর পরে যদি কেউ নবি হতেন, তাহলে তিনি হতেন উমর (রা.)— এতটাই আদর্শবান ব্যক্তিত্ব ছিলেন তিনি।

উমর ফারুক কবিতার বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর (MCQ)

৭। কবিতার শুরুতে কবি কী শুনতে পান?

  • ক. একটি কান্নার শব্দ
  • খ. দূর মসজিদে এশার আজান
  • গ. একটি যুদ্ধের শব্দ
  • ঘ. একটি সংগীত

উত্তর: খ। তিমির রাত্রিতে কবি দূর মসজিদে এশার আজান শুনতে পান, যা প্রিয়হারা কারো কান্নার মতো তাঁর বুকে বিঁধে।

৮। কবি কাকে সম্বোধন করে কবিতাটি শুরু করেন?

  • ক. আল্লাহকে
  • খ. একজন মুয়াজ্জিনকে
  • গ. রাসুলুল্লাহ (স.)-কে
  • ঘ. আমির-উল-মুমেনিন উমর (রা.)-কে

উত্তর: ঘ। কবি আমির-উল-মুমেনিন উমর (রা.)-কে সম্বোধন করে কবিতাটি শুরু করেন।

৯। কবি বলেন, উমর (রা.)-এর স্মৃতি কে জানে না?

  • ক. পণ্ডিতরা
  • খ. ইতিহাসবিদরা
  • গ. মুয়াজ্জিন
  • ঘ. খলিফারা

উত্তর: গ। কবি বলেন, ‘তোমার স্মৃতি যে আজানের ধ্বনি জানে না মুয়াজ্জিন’— কারণ আজানের প্রকাশ্য প্রচলনের সাথে উমর (রা.)-এর স্মৃতি জড়িত থাকলেও অনেক মুয়াজ্জিন তা জানেন না।

১০। উমর (রা.)-এর ইসলাম গ্রহণের আগে নামাজের আজান নিয়ে কী পরিস্থিতি ছিল?

  • ক. আজান নিয়মিত হতো
  • খ. আজানের কোনো প্রথা ছিল না
  • গ. কোরেশদের ভয়ে প্রকাশ্যে উচ্চরবে আজান দেওয়া হতো না
  • ঘ. আজান নিষিদ্ধ ছিল

উত্তর: গ। টীকা অনুযায়ী উমর (রা.)-এর ইসলাম গ্রহণের পূর্বে কোরেশদের ভয়ে মুসলমানরা উচ্চরবে আজান দিতে সাহস পেত না; তিনি ইসলাম গ্রহণ করার পর প্রকাশ্যে আজান দিতে আর বাধা রইল না।

১১। কবি কেন উমর (রা.)-কে ফিরে আসার আহ্বান জানান?

  • ক. ইসলামের আলো দিনে দিনে ম্লান হয়ে যাচ্ছে বলে
  • খ. যুদ্ধে সাহায্যের জন্য
  • গ. রাজ্য রক্ষার জন্য
  • ঘ. ব্যক্তিগত সমস্যার সমাধানের জন্য

উত্তর: ক। কবি বলেন, ইসলাম-রবির জ্যোতি দিনে দিনে বিমলিন হচ্ছে, সত্যের আলো নিভে জোনাকির ক্ষীণ আলো জ্বলছে— তাই তিনি উমর (রা.)-কে ফিরে আসার আহ্বান জানান।

১২। কবি উমর (রা.)-কে ইসলামকে কীসের সাথে তুলনা করেন?

  • ক. পরশ-মানিকের সাথে
  • খ. একটি পর্বতের সাথে
  • গ. একটি নদীর সাথে
  • ঘ. একটি রত্নের সাথে

উত্তর: ক। কবি বলেন, ইসলাম যেন পরশ-মানিক, যার স্পর্শে লোহাও সোনা হয়ে যায়— তার স্পর্শে যারা সোনা হয়েছে তাদেরই আসল মানুষ বলে বোঝা যায়।

১৩। উমর (রা.) কীভাবে অর্ধ পৃথিবী শাসন করেছেন বলে বর্ণনা করা হয়েছে?

  • ক. রাজকীয় প্রাসাদে বসে
  • খ. একটি দুর্গে বসে
  • গ. সোনার সিংহাসনে বসে
  • ঘ. ধুলার তখতে বসে

উত্তর: ঘ। কবি বলেন, উমর (রা.) অর্ধ পৃথিবী শাসন করেছেন ধুলার তখতে বসে— অত্যন্ত সাধারণ, বিলাসহীন জীবনযাপন করে।

১৪। বিপদে-দুর্যোগে (সাইমুম-ঝড়ে) উমর (রা.)-এর অবস্থান কেমন ছিল বলে বর্ণনা করা হয়েছে?

  • ক. তিনি বিপদের কথা জানতেনই না
  • খ. উঁচুতে যারা ছিল পড়েছে, তিনি নোয়েননি
  • গ. তিনি সবসময় নিরাপদ স্থানে থাকতেন
  • ঘ. তিনি সবার আগে পালিয়ে যেতেন

উত্তর: খ। কবি বলেন, ঊর্ধ্বের যারা তারা পড়েছে, কিন্তু উমর (রা.) মাটিতে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে ছিলেন, কোনো বিপদে নত হননি।

১৫। উমর (রা.) নিজের অবস্থানকে কীভাবে বর্ণনা করা হয়েছে অন্যদের তুলনায়?

  • ক. তিনি সবার সমান পর্যায়ে থাকতেন
  • খ. তিনি সবাইকে ঊর্ধ্বে তুলে নিজে সবচেয়ে নিচে থাকতেন
  • গ. তিনি সবার ঊর্ধ্বে থাকতেন
  • ঘ. তিনি সবসময় দূরে থাকতেন

উত্তর: খ। কবি বলেন, সবাইকে ঊর্ধ্বে তুলে ধরে উমর (রা.) নিজে সবচেয়ে নিচে থাকতেন, বুকে করে সবাইকে পার করে নিজে পিছনে থেকে যেতেন— নেতৃত্বের এক মহৎ দৃষ্টান্ত।

১৬। জেরুজালেমের দুর্গ ঘেরাও করে রাখা শত্রুরা কী শর্ত দেয়?

  • ক. তারা আত্মসমর্পণ করে দেয়
  • খ. তারা যুদ্ধ চালিয়ে যায়
  • গ. উমর নিজে এসে স্বাক্ষর করলেই দ্বার খুলবে
  • ঘ. তারা কোনো শর্ত দেয়নি

উত্তর: গ। জেরুজালেমের শত্রুরা বলে, উমর (রা.) স্বয়ং এসে সন্ধিপত্রে স্বাক্ষর করলে তবেই তারা দুর্গের দ্বার খুলবে।

১৭। এই খবর শুনে উমর (রা.) কীভাবে যাত্রা করেন?

  • ক. বিশাল সেনাবাহিনী নিয়ে
  • খ. পালকিতে চড়ে
  • গ. একাকী উটে চড়ে সাহারা পাড়ি দিয়ে
  • ঘ. রথে চড়ে জাঁকজমকপূর্ণভাবে

উত্তর: গ। আধেক ধরার মালিক আমির-উল-মুমেনিন উমর (রা.) একাকী উটে চড়ে বিরামহীনভাবে সাহারা মরুভূমি পাড়ি দিয়ে রওনা হন।

১৮। যাত্রায় উমর (রা.)-এর সাথে কী কী সামগ্রী ছিল?

  • ক. কোনো খাদ্য ছিল না
  • খ. শুকনো রুটি, পানি ও খোর্মা
  • গ. একটি বিশাল ভান্ডার
  • ঘ. প্রচুর খাদ্য ও অর্থ

উত্তর: খ। তাঁর সাথে ছিল দুই খানা শুকনো খুবজ রুটি, একটি মশকে সামান্য পানি এবং দুই-তিন মুঠি খোর্মা।

১৯। উমর (রা.)-এর সাথে কতজন সাহায্যকারী ছিল?

  • ক. একটি সেনাদল
  • খ. কোনো সাহায্যকারী ছিল না
  • গ. একজন মাত্র ভৃত্য
  • ঘ. একজন প্রহরী

উত্তর: গ। উমর (রা.)-এর সাথে প্রহরীবিহীন অবস্থায় শুধু একজন ভৃত্য ছিল, যে উটের রশি ধরে চলছিল।

২০। পথিমধ্যে উমর (রা.) ভৃত্যকে কী বলেন?

  • ক. নিজে উট থেকে নেমে ভৃত্যকে উটে বসতে বলেন
  • খ. দ্রুত চলতে বলেন
  • গ. পথ পরিবর্তন করতে বলেন
  • ঘ. থেমে বিশ্রাম নিতে বলেন

উত্তর: ক। ভৃত্যের কষ্ট দেখে উমর (রা.) উট থেকে নেমে ভৃত্যকে উটে চড়তে বলেন এবং নিজে উটের রশি ধরে হাঁটতে শুরু করেন।

২১। ভৃত্য এই প্রস্তাবে কী প্রতিক্রিয়া দেখায়?

  • ক. সে খুশি হয়ে রাজি হয়
  • খ. সে কেঁদে আপত্তি জানায়
  • গ. সে রাগ করে
  • ঘ. সে প্রস্তাব উপেক্ষা করে

উত্তর: খ। ভৃত্য কেঁদে বলে, কেমন করে সে আরামে উটে বসে থাকবে আর খলিফা উমর (রা.) হেঁটে যাবেন উটের রশি ধরে।

২২। উমর (রা.) ভৃত্যকে কী বলে বুঝান?

  • ক. তিনি এটি উপভোগ করছেন
  • খ. এটি একটি সাময়িক ব্যবস্থা মাত্র
  • গ. ইসলাম বলে সকলে সমান, কেউ বড় কেউ ছোট নয়
  • ঘ. তিনি ক্লান্ত নন

উত্তর: গ। উমর (রা.) বলেন, ইসলাম বলে সকলে সমান, কে বড় কে ছোট তা বিবেচ্য নয়; মানুষ হয়ে মানুষের সেবা নেওয়ার আরাম একা ভোগ করা তাঁর উচিত নয়।

২৩। উমর (রা.) কিয়ামতের দিনের কথা উল্লেখ করে কী বলেন?

  • ক. তিনি বিচার এড়াতে চান
  • খ. আল্লাহ জিজ্ঞেস করবেন তিনি জনগণের সেবক ছিলেন কিনা
  • গ. তিনি পুরস্কার আশা করেন
  • ঘ. তিনি ভয় পান না

উত্তর: খ। উমর (রা.) বলেন, কিয়ামতের দিন আল্লাহ জিজ্ঞেস করবেন তিনি নিজের সুখের জন্য খলিফা হয়েছিলেন কিনা— এই জবাবদিহিতার ভয়েই তিনি নিজের আরাম ত্যাগ করেন।

**২৪। উমর (রা.)-এর জেরুজালেম যাত্রা নিয়ে নিচের তথ্যগুলো লক্ষ করো —**
i. তিনি বিলাসবহুল ব্যবস্থায় যাত্রা করেন
ii. তিনি নিজের আরামের চেয়ে ভৃত্যের কষ্টকে বেশি গুরুত্ব দেন
iii. তিনি মনে করতেন ইসলামে সবাই সমান

নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii খ. i ও iii গ. ii ও iii ঘ. i, ii ও iii
**উত্তর: গ।** দ্বিতীয় ও তৃতীয় তথ্য সঠিক, কিন্তু তিনি আসলে অত্যন্ত সাধারণ, বিলাসবিহীন ব্যবস্থায় যাত্রা করেছিলেন— তাই প্রথম তথ্যটি ভুল।

২৫। একদিন রাতে নগর-ভ্রমণে বের হয়ে উমর (রা.) কী দেখতে পান?

  • ক. একটি বাণিজ্য মেলা
  • খ. ক্ষুধার্ত দুই শিশু ও তাদের দুঃখিনী মা কাঁদছে
  • গ. একটি উৎসব
  • ঘ. একটি যুদ্ধের প্রস্তুতি

উত্তর: খ। নগর-ভ্রমণে বের হয়ে তিনি দেখেন দুঃখিনী মা ক্ষুধার্ত দুই শিশুকে নিয়ে কাঁদছেন, উনানে খালি হাঁড়ি চড়িয়ে অসহায়ভাবে তাকিয়ে আছেন।

২৬। এই দৃশ্য দেখে উমর (রা.) কী করেন?

  • ক. বায়তুল-মাল থেকে নিজ হাতে ঘি ও আটা নিয়ে যান
  • খ. তিনি উদাসীনভাবে চলে যান
  • গ. তিনি অন্য কাউকে সাহায্যের নির্দেশ দেন
  • ঘ. তিনি রাজকোষ থেকে অর্থ পাঠান

উত্তর: ক। কাঁদতে কাঁদতে তিনি মদিনায় ছুটে যান এবং বায়তুল-মাল (সরকারি কোষাগার) থেকে নিজ হাতে ঘি ও আটা নিয়ে আসেন।

২৭। উমর (রা.) এই খাদ্য কীভাবে দুঃখিনী মায়ের ঘরে পৌঁছে দেন?

  • ক. একজন ভৃত্যকে দিয়ে
  • খ. একজন সৈনিকের মাধ্যমে
  • গ. নিজের পিঠে বহন করে
  • ঘ. একটি গাড়িতে করে

উত্তর: গ। উমর (রা.) বলেন, এই ভার তাঁর নিজের পিঠে চাপিয়ে তিনিই বহন করে নিয়ে যাবেন দুঃখিনী মায়ের ঘরে।

২৮। অনেকে সাহায্যের প্রস্তাব দিলে উমর (রা.) কী বলেন?

  • ক. তিনি বিরক্ত হন
  • খ. নিজেই এই ভার বহন করবেন, প্রায়শ্চিত্ত হিসেবে
  • গ. তিনি সাহায্য গ্রহণ করেন
  • ঘ. তিনি সাহায্যকারীদের ধন্যবাদ জানান

উত্তর: খ। উমর (রা.) বলেন, ‘আমার এ ভার আমিই বহিব’— কারণ তাঁর অপরাধেই (শাসক হিসেবে দায়িত্ব পালনে ত্রুটির কারণে) শিশুরা ক্ষুধায় কেঁদেছে, তাই তিনি নিজেই এর প্রায়শ্চিত্ত করবেন।

২৯। উমর (রা.)-এর পুত্রের নাম কী ছিল?

  • ক. আবু বকর
  • খ. আবু উবায়দা
  • গ. আবু শাহমা
  • ঘ. আবু হুরায়রা

উত্তর: গ। উমর (রা.)-এর পুত্রের নাম আবু শাহমা।

৩০। আবু শাহমা কোন অপরাধে অভিযুক্ত হন?

  • ক. চুরির অপরাধে
  • খ. অবাধ্যতার অপরাধে
  • গ. মিথ্যাচারের অপরাধে
  • ঘ. মদ্যপানের অপরাধে

উত্তর: ঘ। আবু শাহমা মদ্যপানের অপরাধে অভিযুক্ত হন।

৩১। উমর (রা.) তাঁর পুত্রকে কী শাস্তি দেন?

  • ক. নির্বাসন
  • খ. অর্থদণ্ড
  • গ. কারাদণ্ড
  • ঘ. নিজ হাতে দোররা (বেত্রাঘাত) মারেন

উত্তর: ঘ। উমর (রা.) নিজ হাতে পুত্রকে দোররা মারেন, যাতে পুত্র তাঁর চোখের সামনেই মৃত্যুবরণ করেন।

৩২। পুত্র ক্ষমা চাইলে উমর (রা.) কী জবাব দেন?

  • ক. পাষাণে বুক বেঁধে ন্যায়বিচার বজায় রাখেন
  • খ. তিনি ক্ষমা করে দেন
  • গ. তিনি শাস্তি বন্ধ করেন
  • ঘ. তিনি নীরব থাকেন

উত্তর: ক। উমর (রা.) পাষাণে বুক বেঁধে বলেন, ‘অপরাধ করে তোরি মত স্বরে কাঁদিয়াছে অপরাধী’— অর্থাৎ ন্যায়বিচারে তিনি ব্যক্তিগত স্নেহের কাছে নতি স্বীকার করেননি।

৩৩। কবি নিজে কোথায় গিয়ে ফিরে আসার কথা বলেন?

  • ক. জেরুজালেমে
  • খ. মদিনার প্রাসাদে
  • গ. বায়তুল-মালে
  • ঘ. আবু শাহমার কবরে

উত্তর: ঘ। কবি বলেন, আবু শাহমার গোরে কাঁদতে গিয়ে ফিরে এসে উমর (রা.)-কে সালাম জানান— পুত্রের প্রতি ন্যায়বিচারের এই কঠোরতাতেও তিনি শ্রদ্ধা প্রকাশ করেন।

৩৪। খাস দরবারে বহু দেশের লোক কী খুঁজছিল?

  • ক. একজন সেনাপতিকে
  • খ. খলিফাকে
  • গ. একটি দলিল
  • ঘ. একটি রত্ন

উত্তর: খ। খাস দরবার হাজার দেশের লোকে ভরে গিয়েছিল, সবাই উৎসুক চোখে জিজ্ঞেস করছিল ‘কোথায় খলিফা’।

৩৫। খলিফা উমর (রা.)-কে কোথায় পাওয়া যায়?

  • ক. সিংহাসনে বসা অবস্থায়
  • খ. আঙিনায় রোদে বসে জামা শুকানোর অপেক্ষায়
  • গ. যুদ্ধক্ষেত্রে
  • ঘ. একটি বিশাল প্রাসাদে

উত্তর: খ। খলিফাকে পাওয়া যায় আঙিনার তলায় রোদ্রে বসে, কারণ তাঁর একমাত্র জামাটি কাচা হয়েছিল কিন্তু তখনো শুকায়নি।

৩৬। উমর (রা.) মহাবীর খালেদ (রা.)-কে কী নির্দেশ পাঠান?

  • ক. তাঁকে বহিষ্কার করেন
  • খ. তাঁকে আরও ক্ষমতা দেন
  • গ. সিপাহ-সালার থেকে সাধারণ সেনায় নামিয়ে দেন
  • ঘ. তাঁকে পুরস্কৃত করেন

উত্তর: গ। উমর (রা.) ইঙ্গিতে বিশ্ব-বিজয়ী বীর খালেদ (রা.)-কে সিপাহ-সালার (সর্বাধিনায়ক) পদ থেকে সাধারণ সেনার পদে নামিয়ে দেন, এতটুকু বিচলিত না হয়ে।

৩৭। খালেদ (রা.)-এর মতো বিশ্ববিজয়ী বীরকেও শাসন করার পেছনে উমর (রা.)-এর যুক্তি কী ছিল?

  • ক. এটি একটি রাজনৈতিক কৌশল মাত্র
  • খ. মানুষ হয়ে মানুষের পূজা মানুষেরই অপমান
  • গ. খালেদ (রা.) দুর্বল ছিলেন
  • ঘ. খালেদ (রা.) বিদ্রোহ করেছিলেন

উত্তর: খ। উমর (রা.)-এর যুক্তি ছিল, মানুষ হয়ে মানুষের পূজা মানুষেরই অপমান— তাই অতিরিক্ত বীর-পূজা এড়াতে তিনি খালেদ (রা.)-কেও শাসন করতে দ্বিধা করেননি।

৩৮। কবিতায় উমর (রা.)-এর সাহসিকতা সম্পর্কে কী বলা হয়েছে?

  • ক. তিনি সবাইকে ভয় পেতেন
  • খ. তিনি নির্ভীক ছিলেন, এক আল্লাহ ছাড়া কাউকে ভয় করতেন না
  • গ. তিনি শুধু যুদ্ধে সাহসী ছিলেন
  • ঘ. তাঁর সাহসিকতা সম্পর্কে কিছু বলা হয়নি

উত্তর: খ। কবি বলেন, তিনি নির্ভীক, এক খোদা ছাড়া আর কাউকে ভয় করতেন না— এই সত্যব্রতের জন্যই কেউ কেউ তাঁকে উদ্ধত বলত।

৩৯। ‘তাপ’ শব্দের অর্থ কী?

  • ক. শীতলতা
  • খ. আলো
  • গ. উত্তাপ
  • ঘ. আর্দ্রতা

উত্তর: গ। তাপ অর্থ উত্তাপ।

৪০। ‘পেরেশান’ শব্দের অর্থ কী?

  • ক. আনন্দিত
  • খ. বিপর্যস্ত, ক্লান্ত
  • গ. উত্তেজিত
  • ঘ. শান্ত

উত্তর: খ। পেরেশান অর্থ বিপর্যস্ত বা ক্লান্ত।

৪১। ‘আমির-উল-মুমেনিন’ শব্দবন্ধের অর্থ কী?

  • ক. একজন সাধারণ নাগরিক
  • খ. বিশ্বাসীদের নেতা
  • গ. একজন বণিক
  • ঘ. একজন কবি

উত্তর: খ। আমির-উল-মুমেনিন অর্থ বিশ্বাসীদের নেতা— মুসলমানদের ধর্মীয় প্রধান ও রাষ্ট্রীয় নেতা হজরত উমর (রা.)-কে বোঝাতে ব্যবহৃত।

৪২। ‘পরশমণি’ শব্দের অর্থ কী?

  • ক. স্পর্শমণি, যার ছোঁয়ায় লোহাও সোনা হয়
  • খ. একটি রত্ন মাত্র
  • গ. একটি ফুল
  • ঘ. একটি ধাতু

উত্তর: ক। পরশমণি অর্থ স্পর্শমণি, যার ছোঁয়ায় লোহাও সোনায় রূপান্তরিত হয়।

৪৩। ‘সাইমুম’ শব্দের অর্থ কী?

  • ক. একটি বৃষ্টির ধরন
  • খ. মরুভূমির শুকনো উত্তপ্ত ঝড়ো হাওয়া
  • গ. একটি ঋতু
  • ঘ. একটি মিষ্টি বাতাস

উত্তর: খ। সাইমুম অর্থ শুকনো উত্তপ্ত শ্বাসরোধকারী প্রবল হাওয়া, বিশেষত মরুভূমির প্রচণ্ড ঝড়।

৪৪। ‘মশক’ শব্দের অর্থ কী?

  • ক. একটি বাদ্যযন্ত্র
  • খ. একটি অস্ত্র
  • গ. একটি পোশাক
  • ঘ. পানি বহনের চামড়ার থলে

উত্তর: ঘ। মশক অর্থ পানি বহনের চামড়ার তৈরি থলে।

৪৫। ‘দোররা’ শব্দের অর্থ কী?

  • ক. একটি সম্মাননা
  • খ. একটি পুরস্কার
  • গ. চাবুক
  • ঘ. একটি অলংকার

উত্তর: গ। দোররা অর্থ চাবুক, শাস্তির জন্য ব্যবহৃত।

৪৬। ‘নান্দী’ শব্দের অর্থ কী?

  • ক. যুদ্ধ
  • খ. স্তুতি, মঙ্গলসূচক প্রশস্তি
  • গ. বিদায়
  • ঘ. নিন্দা

উত্তর: খ। নান্দী অর্থ স্তুতি বা মঙ্গলসূচক প্রশস্তি, কাব্যপাঠ বা নাটকের শুরুতে পাঠ করা হয়।

৪৭। ‘খবুজ’ শব্দের অর্থ কী?

  • ক. একটি পানীয়
  • খ. একটি মিষ্টান্ন
  • গ. রুটি
  • ঘ. একটি ফল

উত্তর: গ। খবুজ আরবি শব্দ, যার অর্থ রুটি, যা মধ্যপ্রাচ্য ও আরব দেশের ইফতারে পরিবেশন করা হয়।

৪৮। পাঠ-পরিচিতি অনুযায়ী উমর (রা.)-এর চরিত্রে কোন গুণাবলির সমন্বয় ঘটেছিল?

  • ক. শুধু ধর্মপরায়ণতা
  • খ. শুধু বীরত্ব
  • গ. বীরত্ব, কোমলতা, নিষ্ঠা ও সাম্যবাদী আদর্শ
  • ঘ. শুধু কঠোরতা

উত্তর: গ। পাঠ-পরিচিতি অনুযায়ী তাঁর চরিত্রে একাধারে বীরত্ব, কোমলতা, নিষ্ঠা এবং সাম্যবাদী আদর্শের অনন্য সমন্বয় ঘটেছিল।

৪৯। পাঠ-পরিচিতি অনুযায়ী উমর (রা.) কেন নিজ ভৃত্যকে সমান মর্যাদা দিতে দ্বিধাবোধ করেননি?

  • ক. তাঁর সাম্যবাদী আদর্শের কারণে
  • খ. তিনি দুর্বল ছিলেন বলে
  • গ. তিনি ভয় পেতেন বলে
  • ঘ. এটি একটি রাজনৈতিক কৌশল ছিল

উত্তর: ক। পাঠ-পরিচিতি অনুযায়ী বিশাল মুসলিম রাষ্ট্রের অধিনায়ক হয়েও তিনি অতি সহজ, সরল জীবনযাপন করেছেন এবং তাঁর সাম্যবাদী আদর্শের কারণে নিজ ভৃত্যকেও সমান মর্যাদা দিতে কুণ্ঠিত হননি।

৫০। পাঠ-পরিচিতি অনুযায়ী কবি উমর (রা.)-কে কীসের উদাহরণ হিসেবে উপস্থাপন করেছেন?

  • ক. শুধু ধর্মীয় আচারের
  • খ. শুধু রাজনৈতিক নেতৃত্বের
  • গ. আদর্শ মানব চরিত্রের উৎকৃষ্ট উদাহরণ
  • ঘ. শুধু সামরিক কৌশলের

উত্তর: গ। পাঠ-পরিচিতি অনুযায়ী মহৎপ্রাণ ও আদর্শ মানব চরিত্র অর্জনের জন্য কবি উমর ফারুক (রা.)-কে উৎকৃষ্ট উদাহরণ হিসেবে উপস্থাপন করেছেন।

**৫১। কবিতার সামগ্রিক গঠন নিয়ে নিচের তথ্যগুলো লক্ষ করো —**
i. কবিতাটি একাধিক ঐতিহাসিক ঘটনা/আখ্যানের সমন্বয়ে গঠিত
ii. প্রতিটি আখ্যানে উমর (রা.)-এর বিভিন্ন গুণের (সাম্যবাদ, ন্যায়বিচার, মানবিকতা) প্রকাশ ঘটেছে
iii. কবিতাটি কেবল উমর (রা.)-এর যুদ্ধজয়ের বর্ণনা দেয়, ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কিছু বলে না

নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii খ. i ও iii গ. ii ও iii ঘ. i, ii ও iii
**উত্তর: ক।** প্রথম দুটি তথ্য কবিতার গঠনের সাথে মেলে, কিন্তু কবিতায় যুদ্ধজয়ের চেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের সরলতা, ন্যায়বিচার ও মানবিকতার আখ্যান— তাই তৃতীয় তথ্যটি ভুল।

৫২। উমর (রা.)-এর পুত্রকে শাস্তি দেওয়া এবং দুঃখিনী মায়ের ঘরে খাদ্য পৌঁছে দেওয়া— এই দুই ঘটনার মধ্যে কী সাধারণ সূত্র আছে?

  • ক. উভয়ই ন্যায় ও দায়িত্ববোধ প্রাধান্য দেওয়ার দৃষ্টান্ত
  • খ. উভয়ই তাঁর ক্ষমতার প্রদর্শন
  • গ. উভয়ই নিছক কাকতালীয় ঘটনা
  • ঘ. কোনো সম্পর্ক নেই

উত্তর: ক। উভয় ঘটনাতেই দেখা যায়, উমর (রা.) নিজের ব্যক্তিগত স্নেহ বা আরামের চেয়ে ন্যায়বিচার ও শাসক হিসেবে নিজের দায়িত্ববোধকে সবসময় প্রাধান্য দিয়েছেন— এই সাধারণ সূত্রই তাঁর চরিত্রের মহত্ত্ব প্রকাশ করে।

গ্রামের মেম্বার সাহেব প্রতিদিন সাইকেলে চড়ে অফিসে যান, নিজের ছেলের অন্যায়ের জন্য তাকেও কঠোর শাস্তি দিতে দ্বিধা করেননি, আর এলাকার কোনো দরিদ্র পরিবারের খবর পেলে নিজে গিয়ে খোঁজ নেন, প্রয়োজনে নিজের বেতনের টাকা থেকে সাহায্য করেন।

৫৩। মেম্বার সাহেবের চরিত্রের সাথে ‘উমর ফারুক’ কবিতার উমর (রা.)-এর কোন দিকগুলোর মিল পাওয়া যায়?

  • ক. শুধু সরলতা
  • খ. শুধু ক্ষমতার ব্যবহার
  • গ. শুধু কঠোরতা
  • ঘ. সরল জীবনযাপন ও ন্যায়বিচারে দ্বিধাহীনতা

উত্তর: ঘ। উমর (রা.) যেমন সাধারণ জীবনযাপন করতেন, নিজ পুত্রকেও ন্যায়বিচারে ছাড় দেননি এবং প্রজাদের দুঃখ-কষ্টে নিজে ছুটে যেতেন, মেম্বার সাহেবের চরিত্রেও এই একই গুণাবলির প্রতিফলন দেখা যায়।

৫৪। এ ধরনের নেতৃত্বের গুণ সমাজে কেন গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা যায়?

  • ক. এটি সহজ বলে
  • খ. এতে ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়
  • গ. এতে অর্থনৈতিক লাভ হয়
  • ঘ. ক্ষমতাশালী হয়েও দায়বদ্ধতা বজায় রাখাই প্রকৃত নেতৃত্ব

উত্তর: ঘ। এ ধরনের নেতৃত্ব প্রমাণ করে, ক্ষমতাশালী হয়েও সাধারণ মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা, ন্যায়পরায়ণতা ও বিনয় বজায় রাখাই প্রকৃত নেতৃত্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ গুণ, যা উমর (রা.)-এর জীবনাদর্শের কেন্দ্রীয় শিক্ষা।

আরও পড়ুন

SSC বাংলা ১ম পত্র-এর সব পোস্ট

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সাহায্য লাগবে?
BCS Journey Support
● Online
×
💬Messenger ✈Telegram
BCS JOURNEY
BCS Journey
চ্যাট শুরু করুন ➜