● SSC বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়

জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ অধ্যায়ের নোট | জ্ঞানমূলক ও অনুধাবনমূলক প্রশ্ন উত্তর

জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ অধ্যায়ের নোট | SSC বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়ের ৯ম অধ্যায় “জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ” জ্ঞানমূলক ও অনুধাবনমূলক প্রশ্ন উত্তর নিচে দেওয়া হলো। এই পোস্টে ৫৫টি জ্ঞানমূলক ও ৬টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর আছে। বহুনির্বাচনি প্রশ্নের জন্য জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ অধ্যায়ের MCQ দেখুন।

জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ অধ্যায়ের জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর

নারীর প্রতি বৈষম্য দূরীকরণ ও শান্তিরক্ষী বাহিনীর ভূমিকা

1। সিডও (CEDAW) সনদ কী?

নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য বিলোপ সনদ, ১৯৭৯ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে গৃহীত হয়।

2। সিডও সনদ কবে কার্যকর হয় ও বাংলাদেশ কবে স্বাক্ষর করে?

১৯৮১ সালে কার্যকর হয়; বাংলাদেশ ১৯৮৪ সালে স্বাক্ষর ও সমর্থন করে।

3। সিডও সনদে কতটি ধারা আছে?

৩০টি ধারা; প্রথম ১৬টি বৈষম্য বিশ্লেষণ করে ও পরের ১৪টি বৈষম্য বিলোপের উপায় ব্যাখ্যা করে।

4। ১৯৫২ সালে নারীর কোন অধিকার স্বীকৃতি পায়?

নারীর রাজনৈতিক অধিকার— নির্বাচনে ভোট প্রদান ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার অধিকার।

5। প্রথম বিশ্ব নারী সম্মেলন কবে ও কোথায় হয়?

১৯৭৫ সালে মেক্সিকোতে।

6। চতুর্থ বিশ্ব নারী সম্মেলন কবে ও কোথায় হয় ও এর ঘোষণা কী ছিল?

১৯৯৫ সালে বেইজিংয়ে; ঘোষণা ছিল ‘নারীর চোখে বিশ্ব দেখুন’, যেখানে বেইজিং কর্মপরিকল্পনা গৃহীত হয়।

7। আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস কবে পালিত হয়?

২৫শে নভেম্বর।

8। বিশ্ব নারী দিবস কবে পালিত হয়?

৮ই মার্চ।

9। বাংলাদেশ কবে জাতিসংঘের শান্তি মিশনে যোগদান শুরু করে?

১৯৮৮ সালে ইরাক ও নামিবিয়া শান্তি মিশনে যোগদানের মাধ্যমে।

10। ১৯৮৮ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ কতটি শান্তি মিশনে কত শান্তিরক্ষী পাঠিয়েছে?

৪৩টি দেশে ৬৩টি মিশনে প্রায় ১ লক্ষ ৯৪ হাজার ৮৫৬ জন শান্তিরক্ষী।

11। জাতিসংঘ শান্তি মিশনে বাংলাদেশের অবস্থান কী?

শান্তিরক্ষী প্রেরণে বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দেশ।

12। সিয়েরা লিওনে বাংলা ভাষা কী মর্যাদা পেয়েছে?

সেই দেশের দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা।

13। আইভরিকোস্টে কোন সড়ক ও গ্রামের নাম বাংলাদেশ সংশ্লিষ্ট?

একটি ব্যস্ত সড়কের নাম ‘বাংলাদেশ সড়ক’ এবং একটি গ্রামের নাম ‘রূপসি বাংলা’।

14। এখন পর্যন্ত কতজন বাংলাদেশি সৈন্য শান্তিরক্ষায় শহিদ হয়েছেন?

১৬৮ জন।

15। বর্তমানে কোন কোন দেশে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা কাজ করছে?

সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক, মালি, দক্ষিণ সুদান, লেবানন, ডি আর কঙ্গো, ওয়েস্টার্ন সাহারা ও আবেই (সুদান)।

জাতিসংঘের সদস্যপদ, উদ্দেশ্য ও বাংলাদেশে কার্যক্রম

16। বাংলাদেশ কবে ও কততম সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে যোগ দেয়?

১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৩৬তম সদস্য হিসেবে।

17। জাতিসংঘের ১৯৩তম সদস্য রাষ্ট্র কোনটি?

দক্ষিণ সুদান।

18। জাতিসংঘের সদস্য হওয়ার শর্ত কী?

জাতিসংঘ চার্টার বা সনদের নিয়মকানুন মেনে চলতে আগ্রহী যেকোনো শান্তিকামী স্বাধীন দেশ সদস্য হতে পারে।

19। জাতিসংঘের প্রধান উদ্দেশ্য কী?

শান্তিভঙ্গের হুমকি ও আক্রমণাত্মক প্রবণতা দূর করে বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

20। জাতিসংঘের আরেকটি উদ্দেশ্য কী?

জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকলের স্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকারের প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধাবোধ গড়ে তোলা।

21। জাতিসংঘ আন্তর্জাতিক বিরোধ কীভাবে সমাধান করে?

আন্তর্জাতিক আইনের সাহায্যে আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান নিশ্চিত করে।

22। জাতিসংঘ প্রত্যেক জাতির কোন অধিকার স্বীকৃতি দেয়?

আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকার।

23। বাংলাদেশ কবে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়?

১৯৭৫ সালে।

24। বাংলাদেশ কবে নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্যপদ লাভ করে?

১৯৭৯-৮০ সময়ের জন্য।

25। জাতিসংঘের কার্যপ্রণালিতে বাংলা ভাষার ব্যবহার কবে থেকে শুরু হয়?

১৯৮৪ সাল থেকে।

26। বাংলাদেশের কোন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতিত্ব করেন?

হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী, ৪১তম অধিবেশনে (১৯৮৬ সালে)।

27। ইউএনডিপি (UNDP) বাংলাদেশে কী কাজ করে?

শিশু মৃত্যুহার হ্রাস, মাতৃস্বাস্থ্য উন্নয়ন, দারিদ্র্য হ্রাস ও নারীর ক্ষমতায়নে কাজ করে; বর্তমানে ১৭টি এসডিজি অর্জনে কাজ করছে।

28। ইউনিসেফ (UNICEF) বাংলাদেশে কী কাজ করে?

সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করার জন্য কাজ করে।

29। ডব্লিউএইচও (WHO) বাংলাদেশকে কবে পোলিওমুক্ত ঘোষণা করে?

২০১৪ সালে।

30। ইউএনএইচসিআর (UNHCR) বাংলাদেশে কী নিয়ে কাজ করছে?

মিয়ানমারের রাখাইন থেকে আসা শরণার্থীদের আশ্রয় ও প্রত্যাবাসন এবং বিহারী জনগোষ্ঠীর আবাসন নিয়ে কাজ করছে।

31। এফএও (FAO) বাংলাদেশে কী নিয়ে কাজ করে?

বিশাল জনগোষ্ঠীর খাদ্য নিশ্চিত করার জন্য কাজ করে।

জাতিসংঘ সৃষ্টির পটভূমি ও গঠন কাঠামো

32। লীগ অব নেশনস কবে সৃষ্টি হয়েছিল?

১৯২০ সালের ১০ জানুয়ারি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে।

33। লীগ অব নেশনস ব্যর্থ হয় কেন?

সাংগঠনিক দুর্বলতা ও অন্যান্য কারণে বিশ্বশান্তি রক্ষা সম্ভব হয়নি।

34। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে কত মানুষ নিহত হয়?

সাত কোটির বেশি মানুষ নিহত হয়।

35। জাতিসংঘ গঠনের সিদ্ধান্ত কবে ও কোথায় হয়?

১৯৪৩ সালে তেহরান ও মস্কোতে ব্রিটেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও ফ্রান্সের সম্মেলনে।

36। জাতিসংঘ আনুষ্ঠানিকভাবে কবে আত্মপ্রকাশ করে?

১৯৪৫ সালের ২৪শে অক্টোবর; এই দিনটি জাতিসংঘ দিবস হিসেবে পালিত হয়।

37। জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠাকালে কতটি সদস্য রাষ্ট্র ছিল ও বর্তমানে কত?

প্রতিষ্ঠাকালে ৫০টি, বর্তমানে (২০২৪) ১৯৩টি।

38। জাতিসংঘের পাঁচটি প্রধান অঙ্গ কী কী?

সাধারণ পরিষদ, নিরাপত্তা পরিষদ, অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ, অছি পরিষদ ও আন্তর্জাতিক বিচারালয়।

39। সাধারণ পরিষদকে কী বলা হয়?

বিতর্ক সভা; জাতিসংঘের সকল সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে গঠিত।

40। নিরাপত্তা পরিষদ কাদের নিয়ে গঠিত?

৫টি স্থায়ী ও ১০টি অস্থায়ী মোট ১৫টি সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে গঠিত।

41। নিরাপত্তা পরিষদের ৫টি স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র কী কী?

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, গ্রেট ব্রিটেন, ফ্রান্স, রাশিয়া ও চীন; এদের প্রত্যেকের ভেটো ক্ষমতা আছে।

42। অছি পরিষদের কার্যক্রম কবে থেকে স্থগিত?

১৯৯৪ সাল থেকে।

43। আন্তর্জাতিক বিচারালয় কোথায় অবস্থিত ও কতজন বিচারক আছেন?

নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে, ১৫ জন বিচারক দায়িত্ব পালন করেন।

44। জাতিসংঘের সদর দপ্তর কোথায়?

আমেরিকার নিউইয়র্ক শহরে।

টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (SDG) ও অংশীদারিত্ব

45। এসডিজি (SDGs) এর পূর্ণরূপ কী?

Sustainable Development Goals বা টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট।

46। এসডিজিতে মোট কতটি অভীষ্ট বা লক্ষ্যমাত্রা আছে?

১৭টি।

47। এসডিজির প্রথম তিনটি অভীষ্ট কী কী?

১. দারিদ্র্য বিলোপ, ২. ক্ষুধা মুক্তি, ৩. সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ।

48। এসডিজির ১৭তম অভীষ্ট কী?

অভীষ্ট অর্জনে অংশীদারিত্ব।

49। অংশীজন কারা?

যেকোনো সামাজিক ব্যবস্থার সুফল ভোগকারী গোষ্ঠী।

50। অংশীদারিত্ব কীভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়?

অংশীজনরা তাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য ঠিকমতো পালন করলে অংশীদারিত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়।

51। বর্তমান বিশ্বের উন্নয়নকে কেন ভারসাম্যহীন বলা হয়?

এই উন্নয়ন দেশে দেশে ও মানুষে-মানুষে বিভেদ সৃষ্টিকারী ও বিভেদ বর্ধনকারী।

52। বাংলাদেশে এসডিজি অর্জনের একটি বড় চ্যালেঞ্জ কী?

ক্রমাগত বেড়ে চলা আয় ও ভোগ বৈষম্য এবং সম্পদ বৈষম্য।

53। এসডিজি অর্জনে অবকাঠামোগত কী কী দুর্বলতা চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে?

গ্যাস-তেল-বিদ্যুৎ ঘাটতি ও কৃষিপণ্য সুষ্ঠু বাজারজাতকরণের অব্যবস্থা।

54। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে টেকসই উন্নয়নের একটি বিশেষ দিক কী?

সার্বিক সক্ষমতা অর্জন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা গড়ে তোলা।

55। এসডিজি বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সরকারের অগ্রাধিকার কী?

দারিদ্র্য বিমোচন, শিক্ষার মানোন্নয়ন ও জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধিতে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ অধ্যায়ের অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর

নারীর প্রতি বৈষম্য দূরীকরণ ও শান্তিরক্ষী বাহিনীর ভূমিকা

1। সিডও সনদকে নারীর অধিকারের পূর্ণাঙ্গ দলিল বলা হয় কেন— ব্যাখ্যা করো।

সিডও সনদ বিভিন্ন সময়ে নারীর প্রতি বৈষম্য নিরসনে গৃহীত সকল ইস্যুকে একত্রে সমন্বিত করেছে এবং নারী-পুরুষের সমতার নীতির ভিত্তিতে সমর্থনকারী দেশগুলোকে আইনগতভাবে এই অধিকার বাস্তবায়নে বাধ্য করে, তাই একে নারীর অধিকারের পূর্ণাঙ্গ দলিল বলা হয়।

2। বাংলাদেশি সৈন্যরা আফ্রিকা ও এশিয়ায় বিশেষ গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে কেন— ব্যাখ্যা করো।

অন্যান্য দেশের সৈন্যরা যেখানে রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্বের কারণে গ্রহণযোগ্যতা পায়নি, সেখানে বাংলাদেশি সৈন্যরা নিরপেক্ষভাবে অস্ত্রবিরতি পর্যবেক্ষণ ও শান্তি প্রতিষ্ঠার কাজ করে স্থানীয় মানুষের আস্থা অর্জন করেছে, তাই বাংলাদেশি সৈন্যরা শুধু গ্রহণযোগ্যতাই নয় বরং স্থানীয় মানুষের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধাও পেয়েছে।

জাতিসংঘের সদস্যপদ, উদ্দেশ্য ও বাংলাদেশে কার্যক্রম

3। জাতিসংঘের উদ্দেশ্যগুলো পরস্পর সম্পর্কযুক্ত— ব্যাখ্যা করো।

বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা করতে হলে জাতিসমূহের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, অর্থনৈতিক-সামাজিক সহযোগিতা এবং সকলের মৌলিক অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ একসাথে থাকা প্রয়োজন, একটি অপূর্ণ থাকলে অন্যগুলো অর্জন করা কঠিন হয়ে যায়, তাই জাতিসংঘের উদ্দেশ্যগুলো একে অপরের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কযুক্ত।

4। বাংলাদেশে বিভিন্ন জাতিসংঘ সংস্থার কার্যক্রম দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ— ব্যাখ্যা করো।

ইউএনডিপি দারিদ্র্য হ্রাস ও নারীর ক্ষমতায়নে, ইউনিসেফ শিশুদের শিক্ষা-স্বাস্থ্যে, ডব্লিউএইচও স্বাস্থ্যসেবায় (যেমন পোলিওমুক্তকরণ) এবং এফএও খাদ্য নিরাপত্তায় কাজ করার মাধ্যমে দেশের সামগ্রিক আর্থ-সামাজিক অবস্থার রূপান্তরে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে, তাই এসব সংস্থার কার্যক্রম বাংলাদেশের উন্নয়নে অপরিহার্য।

জাতিসংঘ সৃষ্টির পটভূমি ও গঠন কাঠামো

5। নিরাপত্তা পরিষদকে জাতিসংঘের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ বলা হয় কেন— ব্যাখ্যা করো।

নিরাপত্তা পরিষদের হাতে বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার প্রকৃত কার্যকরী ক্ষমতা ন্যস্ত আছে এবং এর স্থায়ী সদস্যদের ভেটো ক্ষমতা যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করতে পারে, তাই একে জাতিসংঘের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও কার্যকরী অঙ্গ বলা হয়।

টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (SDG) ও অংশীদারিত্ব

6। এসডিজি অর্জনে অংশীদারিত্ব অপরিহার্য কেন— ব্যাখ্যা করো।

শুধু সরকারের একক প্রচেষ্টায় দারিদ্র্য বিলোপ, ক্ষুধামুক্তি বা জলবায়ু সংকটের মতো ব্যাপক লক্ষ্য অর্জন সম্ভব নয়, সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান নিজ নিজ দায়িত্ব সচেতনভাবে পালন করলেই সামষ্টিক কল্যাণ অর্জিত হয়, তাই এসডিজি অর্জনে সকলের অংশীদারিত্ব অপরিহার্য।

আরও পড়ুন

SSC বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়-এর সব পোস্ট

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সাহায্য লাগবে?
BCS Journey Support
● Online
×
💬Messenger ✈Telegram
BCS JOURNEY
BCS Journey
চ্যাট শুরু করুন ➜